Thursday, 9 July 2015

T.M.C vs B.J.P(w.b)

তৃনমূলের সাথে বঙ্গ বিজেপি সমর্থকদের পার্থক্যটা একটু দেখুন- *দীর্ঘ ৩৪বছর সিপিএমের সাথে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছে,মার খেয়েও দল ছেড়ে যায়নি তৃনমূল সমর্থকরা । *২০১৪লোকসভা ভোট থেকে বিজেপি বিজেপি করছে অনেকেই । মাত্র দু বছরে ক্ষমতা লোভের আশাতে অনেকেই বিজেপি করছিল । এর আগে কটা আন্দোলন করছিলেন তারা । আজকে তারা নাকি দল ছাড়ছেন । ধরে নিন ২০১৬তে বিজেপি ক্ষমতায় এলো এরপর মূখ্যমন্ত্রী কে হবে? মন্ত্রীরা কে হবে? একটু নাম গুলো বলুন? আবেগের বশে বশীভূত হয়ে ক্ষমতা দখল করা বড়ই কঠিন কাজ । যোগ্য নেতৃত্ব বাংলার বুকে না পাওয়া পর্যন্ত পরিবর্তন করে কি প্রত্যাশাপূরন আদৌও সম্ভব ।

Sanatan Dharma

ধর্ম নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক চলে আসছে অনেক বছর ধরে । পৃথিবীর আদি ধর্ম কিন্তু সনাতন হিন্দু ধর্ম । বাকি যে সব ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে সেই সব ধর্ম মানুষের দ্বারা সৃষ্টি ধর্ম । একবার ভাবুন স্বামী বিবেকানন্দ যদি বিবেক ধর্ম নামে একটা ধর্ম প্রচলন করত এবং সেই ধর্মে গোঁড়ামী কিছু প্রচলন করত তাহলে হয়তো অনেকই সেই ধর্মকে পালন করে নিজেকে বিবেক ধর্মের লোক বলে দাবী করত । হজরত মহম্মদের জন্মের আগে কি কোন মুসলিম পৃথিবীতে ছিল? নাকি যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগে কোন খ্রীষ্টান পৃথিবীতে ছিল? তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট পৃথিবীর আদি ধর্ম কি ।

Iffter party

নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ প্রমাণ করার জন্য রাজনৈতিক নেতাদের ‘ইফতার পার্টি’র রেওয়াজ এ বার বন্ধ হোক। বর্তমানে রাজনৈতিক নেতাদের ইফতার পার্টির যাওয়ার উদ্দেশ্য একটাই সং্খ্যালঘু ভোটব্যানক তৈরী করা। এই নিয়ে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালু হয়ে গেছে কোন দল কত বেশী করে ইফতার পার্টি দিয়ে, কত মৌলবীদের তোষন করে মুসলিম ভোট মজবুত করতে পারে, কারন মুসলমানরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দেয় ধর্মীয় নেতাদের কথা মেনে। আর হিন্দুরা হল কি গরু ছাগলের জাত,এরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দেয় না তাই এরা সং্খ্যাগুরু হয়েও এদের ভোটের কোনো দাম নেই।

19th april ১৯শে এপ্রিল

খুব বেশী দিন নয়, মাত্র মাস দুয়েক আগের ঘটনা। গত ১৯শে এপ্রিল, মুসলিমদের আক্রমণের শিকার হল দক্ষিন ২৪ পরগনার মল্লিকপুর। তৃণমূল কংগ্রেসের লাটাউল হোসেন আর সিপিএমের মোশারফ শেখ দল বেঁধে আক্রমণ করলো হিন্দুদের। লুঠ করা হল হিন্দুদের বাড়ি, পুড়িয়ে দেওয়া হল তাদের সম্পত্তি। গ্রামের মহিলারাও তাদের হাত থেকে ছাড় পেলনা, তাদেরও শ্লীলতাহানি করল মুসলিম দুষ্কৃতীরা। খোদ কলকাতার নাকের ডগায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনার খবর পশ্চিমবাংলার, প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক, কোন সংবাদমাধ্যমই প্রচার করল না। বরাবরের মত এবারেও তারা চেপে যেতে চাইল হিন্দুদের উপর মুসলিমদের আক্রমনের জ্বলন্ত দলিল পাছে সংখ্যালঘুরা ও প্রশাসন বিরূপ হয়। কেবলমাত্র হিন্দু সংহতি বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই অত্যাচারের খবর ছড়িয়ে দিয়েছিল পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে আজও চোখের জল ফেলে চলা এই রাজ্যের মিডিয়াগুলি ঘরের কাছে হিন্দুদের উপর মুসলিমদের লাগাতার অত্যাচার নিয়ে আশ্চর্যজনকভাবে নীরব। এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধেই জন অধিকার মঞ্চ (JAM) গত ১লা মে, কলেজ স্কোয়ারে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে এবং মল্লিকপুর সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মুসলিম আক্রমনের ঘটনাগুলিকে প্রকাশ করে জনসমক্ষে না আনার জন্যে মিডিয়ার তুমুল সমালোচনা করে। খুব বেশী নয়, মেরেকেটে শ'খানেক লোকের জমায়েত ছিল ঐ সভাতে কিন্তু সেই সভারই ফলশ্রুতি হিসাবে সেই রাতেই NewsX নামক একটি জাতীয় চ্যানেলে মল্লিকপুরের ঘটনা সম্প্রচার করা হয়। সেই সভায় যদি শ'খানেকের বদলে হাজার খানেক লোকের জমায়েত হতো তাহলে তার প্রভাব কি আরও বেশী হতো না? মগরাহাটের এক দরিদ্র ব্যাক্তি সুভাষ মন্ডলের মেয়ে টুকটুকি মন্ডল, বয়স মাত্র ১৪ বছর। গত ৪ঠা মে গভীর রাতে টুকটুকিকে তার বাড়ি থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায় এলাকার কুখ্যাত সমাজবিরোধী সেলিমের স্নেহধন্য বাবুসোনা গাজী ও তার পরিবারের লোকেরা। সেই অভিশপ্ত রাতের পর থেকে স্থানীয় মগরাহাট থানায় বারবার আবেদন করেছেন সুভাষ মন্ডল, কিন্তু পুলিশ তার আবেদনে সাড়া দেয়নি। পরে তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষের পরামর্শ অনুসারে তিনি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়েও আবেদন করেন কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারনে প্রশাসনের উপরওয়ালারাও টুকটুকিকে উদ্ধার করার প্রচেষ্টাতে তেমন আগ্রহী হন না। আজ ৬৫ দিন হয়ে গেল, টুকটুকি আজও ঘরে ফেরেনি। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে চিহ্নিত সংবাদমাধ্যমও এরকম প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নীরব। টুকটুকি মন্ডলকে বাবুসোনা গাজীর কবল থেকে উদ্ধার করতে প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং সংবাদ মাধ্যমগুলির দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, ব্যাঙ্কক, দিল্লী সহ পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় সচেতন নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে। সেই সচেতন সমাজের অন্যতম অঙ্গ হিসাবে জন অধিকার মঞ্চ (JAM) আগামী ১০ই জুলাই, শুক্রবার সন্ধ্যে ৬টা থেকে হাজরা মোড়ে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে। আপনি এই সভায় যোগদান করে প্রশাসনিক নৈরাজ্যতার বিরুদ্ধে আপনার প্রতিবাদ ব্যক্ত করবেন নাকি নিজের বাড়ির মেয়েটির টুকটুকির মত পরিণতি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন সে সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার।

ধর্মান্ধ ল্যাংটা কাংলাদেশিরা

ধর্মান্ধ ল্যাংটা কাংলাদেশিরা। ওরা মনে করে নাকি ওদের ধর্ম চরম সত্য, আর বাকিগুলো ফালতু। তাই আমি কিছু প্রশ্ন করছি।। [ভারতীয় মুসলিম ভাইরা দয়া করে রাগ করবে না।] কাংলাদেশিদের কাছে আমি শুধু জানতে চাই ==>>> 1. তোমাদের আল্লা কে??? কোন চাদরের তলায় লুকিয়ে থাকে??? 2. সে নিরাকার কেন?? সে কি জেলি টাইপের কোনো বস্তু?? নাকি কলয়েড জাতীয় কোনো পদার্থ?? 3. সে যদি সর্বশক্তিমান হয়, তাহলে তাকে তোমাদের হুক্কাহুয়া আওয়াজ দিনে ৫ বেলা মাইক নিয়ে ডেকে শোনাতে হয় কেন?? সে কি কানে বধির??? 4. আল্লা এত নিষ্ঠুর কেন?? সে কেন বিধর্মীদের বুকে ভীতি সঞ্চার করে দেয়, যাতে করে তোমরা বাকি বিধর্মীদের মেরে শেষ করে ফেল?? 5. যদি আল্লা কাফেরদের সহ্য না করতেই পারে, তাহলে মুসলমানদের তুলনায় 4 গুণ কাফেরকে পাঠালো কেন পৃথিবীতে?? 6. আর সবাই যদি মুসলিম হয়েই জন্মায়, তাহলে তাকে কৃত্রিম ভাবে নুনু কাটতে হয় কেন?? আল্লার কাছে কি কাঁচি নেই, যে কাউকে নুনু কেটে পাঠানোর ক্ষমতা নেই?? 7. আর কে তোমাদের নবী মহম্মদ, সে নাকি আল্লার নবী?? আল্লার নবী যদি হয়, তাহলে সে কেন বুড়ো বয়সে ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করল?? 8. নবী মহম্মদ কেন সব মিলিয়ে ১৫-১৬ টা বিয়ে করল?? কেন সে ইহুদি যৌনদাসিদের লুটেপুটে খেল?? তোমাদের নবীর চরিত্র এরকম কেন?? তাহলে আল্লা ও কি তার মতো নারী লোভি, কামুক?? 9. বিধর্মীরা আল্লা বা তার নবীকে নিয়ে যদি প্রশ্ন করে, তাহলে তোমরা তাকে চাপাতি নিয়ে মারতে যাও কেন?? কেন রিপোর্ট করে তার ফেসবুক আইডি বন্ধ করে দাও?? আল্লা কি এতটাই শক্তিহীন , যে তাকে নিয়ে প্রশ্নকারী বিধর্মীদের নিজের হাতে মারতে পারেনা??? আমি শুধু জানতে চাই।

Tuesday, 7 July 2015

R.S.S - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ

R.S.S - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এক বাংলাদেশী আমাদের পেজে মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ নাকি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কারণ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি যিনি নিযুক্ত হয়েছেন তিনি একজন হিন্দু। খুবই হাস্যকর একটি নমুনা দেখালেন নিজেদের অসাম্প্রদায়িক প্রমাণের জন্য! আসুন দেখে নিই তালেবানি রাষ্ট্র পাকিস্তানের অবস্থা। _ 2006 সালে পারভেজ মোশাররফ সরকারের আমলে ইসলামিক বা সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তানে রানা ভাগওয়ান দাসকে সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি বানানো হয়। যিনি এই বছরে পরলোকগমন করেছেন। _ শুধু হিন্দু প্রধান বিচারপতি নয় পাকিস্তানের মত দেশে খাদ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন ফাগির দেওয়ান সিং এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হয়েছিলেন রানা চন্দ্র সিং । _ বর্তমান পাকিস্তানে ছয় জন হিন্দু সাংসদ যারা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত ।এছাড়া 12 জন প্রাদেশিক হিন্দু সাংসদ রয়েছেন । _ আরো রয়েছেন 15 জন হিন্দু সচিব ও 7 জন হিন্দু মেয়র । সিন্ধু প্রদেশের থারপারকার জেলায় অবস্থিত থারপারকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েরভিসি যিনি একজন হিন্দু । _ তাই বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকারকে বলতে চাই- একজন হিন্দুকে প্রধান বিচারপতি বানিয়ে আহামরি কোন কিছু করেননি। 2006 সালে পাকিস্তান হিন্দু প্রধান বিচারপতি বানিয়েছে; আর আপনারা বানিয়েছেন 2015 সালে। সেভাবে তুলনা করলে তো পাকিস্তান আরো বড় সেকুলার রাষ্ট্র!!

মুসলিমরা যদি এক হতে পারে তাহলে আমরা হিন্দুরা কেন এক হতে পারব না??

মুসলিমরা যদি এক হতে পারে তাহলে আমরা হিন্দুরা কেন এক হতে পারব না?? আসুন সকল হিন্দুভাইমিলে এই পররাষ্ট্রলোভী যঘন্য মুসলিমদের বিতারিত করি, নীচের কথাগুলি সকলে মেনে চলুন- 1. মুসলিম দোকানে যাওয়া বন্ধ করুন 2. বেইমান মুসলিম জাতির সাথে বন্ধুক্ত ত্যাগ করুন 3. বোনদের মুসলিম থেকে দূরে থাকতে বলুন 4. হিন্দুভাইদের পাশে দাড়ান 5. হিন্দুভাইরা সংঘবদ্ধভাবে চলুন 6. মুসলিম প্রচারের তিব্র বিরধিতা করুন 7. হিন্দুভাইদের কাছে মুসলিমদের জঘন্যতা তুলে ধরুন 8. মুসলিম সংষ্কৃতিতে যোগদান একদমই করবেন না ‪#‎ হরহর_মহাদেব‬ ‪