Thursday, 9 July 2015

বৌদ্ধ পল্লীতে আগুন লাগানোর প্রতিবাদে ফ্রান্সে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

দিপন বড়ুয়া-প্যারিস, ফ্রান্স ::- আগামী ১২ জুলাই ২০১৫ রবিবার, সময় ৩ ঘটিকায়। ফ্রান্সে প্যারিস শহরে মানবাধিকার চত্ত্বর, আইফেল টাওয়ারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ আয়োজন করেছে ফ্রান্স বৌদ্ধ প্রবাসীরা। গত ১৯ জুন শুক্রবার রাতে লোহাগাড়া উপজেলার মছদিয়া গ্রামের ডলুকুল বড়ুয়া পাড়ায় জামিনে বেরিয়ে এসেই ধর্ষন মামলার আসামী বৌদ্ধ পল্লীতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ৭/৮ টি বসত বাড়ি পুড়িয়ে ১০ লক্ষাধিক সম্পদ ভস্মে পরিনত করেছে। লোহাগাড়া উপজেলার মছদিয়া বড়ুয়া পাড়া ঘেঁষা সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের গারাঙ্গিয়া বেপারী পাড়ার বাসিন্দা মফজল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ হেলাল বিগত দুই বছর পূর্বে মছদিয়া ডলুকুল বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দা এক প্রবাসীর স্ত্রীকে রাতের অন্ধকারে ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষিতা বাদি হয়ে হেলালের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ আসামি হেলালকে গ্রেপ্তার করে। আদালত ধর্ষক হেলালকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। ধর্ষক হেলাল দীর্ঘদিন জেল খেটে দুই মাস আগে জামিনে বেরিয়ে আসে। ধর্ষণের শিকার ওই মহিলা জানান, হেলাল জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছিল। কয়েকদিন আগেও বসত ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে। ধর্ষন মামলায় সে দীর্ঘদিন জেল খাটে। সে প্রতিশোধ নিতেই নিরীহদের বসত ঘরে আগুন দিয়েছে। এই নিষ্ঠুর বর্বরোচিত ঘটনার ১৫/২০ দিন অতিক্রান্ত হলেও বৌদ্ধ নেতাদের টনক নড়েনি। কেউ কোন সহানুভূতি জানায়নি অভাগা মানুষগুলোকে। ওরা নেতাগিরি করছে বিহারে কিন্তু গ্রাম রক্ষা করতে পারেনা। সবাই যখন চুপ তখন প্রতিবাদের অগ্নি মশাল নিয়ে শিল্প সাহিত্যের স্বর্গভুমি ফ্রান্সের প্যারিসে প্রবাসী বৌদ্ধ যুবকরা আয়োজন করছে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার। ফ্রান্স, ইতালি, সুইজারল্যান্ডসহ পার্শ্ববর্তী দেশ সমুহের সকল বৌদ্ধ ভাই বোনদের এই প্রতিবাদ সভায় অংশ গ্রহণ করার আকুল আহবান জানানো হয়েছে। http://www.bimukti.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8/

B.S.F গরুচোর বাংলাদেশী মারল

গরুচোর বাংলাদেশী মারল BSF বাংলাদেশে লালমনিরহাটের আদিতমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফেরগুলিতে একজন বাংলাদেশি গরুচোর নিহত হয়েছেন। আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত ব্যক্তির নাম আবু সায়েম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভোর ৪টার দিকে আবু সায়েম তার গ্রামের কয়েকজনের সাথে গরুচুরি করতে সীমান্তের ওপারে(ভারতে) গেলে লোহাকুঁচি সীমান্ত সংলগ্ন খুঁটির কাছে গুলির ঘটনা ঘটে। সূত্রঃ BBC Bangla

শরীয়া আইন

আদিবাসী বাচ্চা ধর্ষণের নিউজটা শেয়ার করায় এক আপু কমেন্ট করছিলেন "এবার বুঝতে পারছি, ইসলামে ক্যান ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। " এই আপুটা সম্ভবত ইসলামি শাসন অর্থাৎ শরীয়া আইন সম্পর্কে জানেন না, তা না হলে তিনি শরীয়া আইনের গুনগান গাইতেন না, আমি আঁতকে উঠি যখন কেউ শরীয়া আইন কায়েমের দাবি করেন। তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দিহান অথবা তিনি শরীয়া আইনের বর্বরতা সম্পর্কে অজ্ঞ। হ্যাঁ, ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডই হওয়া উচিত তবে তা দেশিও আইনে, ছিলও তাই কিন্তু কিছু দিন পূর্বে তা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয়েছে। . শরীয়া আইনে ধর্ষণের বিচার মৃত্যুদণ্ড হলেও বিচার না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, উল্টো ফেঁসে যেতে হতে পারে ধর্ষিতাকে।আসুন শরীয়া আইনে ধর্ষণের বিচার সম্পর্কে জেনে নেই। শরিয়া আইনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথাঃ ১)হুদুদ, ২) কীসাস ও ৩) তাজির। যে সকল অপরাধের শাস্তি কোরআনে আসেনি সেগুলো শরীয়া আইনের তাজির অংশের অন্তর্ভুক্ত। সুতারং ধর্ষণের বিচার এর আওতা মুক্ত। ধর্ষণের বিচার হবে হুদুদ ও কীসাস অনুসারে। . হুদুদ অনুসারে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং মিথ্যে অভিযোগ হলে নারীকে দেয়া হবে আশিটি বেত্রাগাত। নারীকে প্রমাণ করতে হবে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন এবং তার জন্য তাকে চারজন সাক্ষী নিয়ে আসতে হবে, অবশ্যই তাদের পুরুষ হতে হবে।যারা নারীর যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ দেখেছে। অন্যথায় নারীর বিচার হবে মিথ্যে অভিযোগ আনার জন্য এবং যেনার জন্য। শরিয়া মোতাবেক যেনার শাস্তি অবিবাহিত হলে একশ বেত্রাঘাত এবং বিবাহিত হলে পাথর ছুড়ে হত্যা। . পাকিস্তানের ইসলামি আইনে ধর্ষণ নিয়ে সংবিধানের ধারাটি হল “Proof of zina liable to hadd shall be in one of the following forms, namely:- (a) the accused makes before a Court of competent jurisdiction a confession of the commission of the offence; or (b) at least four Muslim adult male witnesses... give evidence as eye-witnesses of the act of penetration necessary to the offence: Provided that, if the accused is a non-Muslim, the eye-witnesses may be non-Muslims.” (Article 8 of The Offence of Zina (Enforcement Of Hudood) Ordinance, 1979, Ordinance No. VII of 1979)" . এতক্ষণ আইন দেখলাম এবার প্রয়োগ দেখা যাকঃ সোমালিয়ার মেয়ে আয়শা, হেঁটে নানী বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনজনে মেয়েটাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটা বিচার জানালে, চারজন সাক্ষী হাজির করতে পারেনি ফলাফল স্বরুপ মেয়েটাকে জেনার দায়ে (যেহেতু সে স্বীকার করছে) ও মিথ্যে অভিযোগ আনার দায়ে অভিযুক্ত হতে হয়। মেয়েটাকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। (লিংক কমেন্টে) . কীসাস হল খুনের বদলে খুন টাইপের আইন। এখানে সব থেকে বড় সুবিদা হল ব্লাড মানি দিয়ে ওভিযোগ থেকে মুক্তি। এই আইনে অনার কিলিং বৈধ। মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে, পালিয়ে বিয়ে করছে, বিয়েতে সম্মত হয়নি অনার কিলিং এর নামে মেরে ফেলুন। আইন বাধা দিবে না। এমনকি জিজ্ঞেসও করবে না। . এইত দুই একদিন আগে সৌদির এক ধর্মপ্রচারক ফায়ান আল গামাদি নিজের ৫ বছরের মেয়ে লামাকে ধর্ষণ করার পর শারীরিক নির্যাতন করে মেরে ফেলে। সৌদির আইন শাস্তি স্বরুপ ৩৭ লাখ টাকা ব্লাড মানি নির্ধারণ করে দিয়ে তাকে মুক্তি দিয়েছে। এও বলে দিয়েছে লামা ছেলে হলে এর দ্বিগুণ ব্লাড মানি দেয়া হত। ব্লাড মানি পাবে মেয়ের মা। . “ফাবিয়াইয়েয়ালা ই রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান!” অর্থাৎ “অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? " আসুন দলে দলে শরীয়া নামক হিংস্র শুওরদের শাসন ব্যাবস্থা কায়েমের জন্য বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলি। কাজী আনাম

নাস্তিক ও আস্তিক

ভগবান সম্বন্ধে বর্তমান পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ বিভ্রান্ত। এই পৃথিবীতে ২প্রকার মানুষ বাস করে নাস্তিক ও আস্তিক। যারা ভগবানকে মানে না তাদের নাস্তিক বলা হয়। এরা সব মূর্খ ও অভাগা। অবজান্তি মাং মূঢ়া মানুষীং তনুমাশ্রিতম্। পরং ভাবমজানন্তো মম ভূতমহেশ্বরম্।। গীতাঃ ৯/১১ আমি যখন মনুষ্যরুপে অবতীর্ণ হই তখন মূর্খেরা আমাকে অবজ্ঞা করে। তারা আমার পরম ভাব সম্বন্ধে অবগত নয় এবং তারা আমাকে সর্বভূতের মহেশ্বর বলে জানে না। অনেক সময় দেখা যায় কিছু লোক সগর্বে বলে আমি ভগবান টগবান মানি না। তারা মানবেই বা কি করে? তারা তো মূর্খ। তাদের ভগবানকে জানা বা মানার বুদ্ধিমত্তার অভাব রয়েছে। ভগবান বলেছেন চারপ্রকার মানুষ আমার শরনাগত হয় না। ন মাং দুস্কৃতিনো মূঢ়া প্রপদন্তে নরাধমাঃ। মায়য়াপহৃতজ্ঞানাআসুরং ভাবমাশ্রিতাঃ।। গীতাঃ ৭/১৫ মূঢ়, নরাধম , মায়ার দ্বারা যাদের জ্ঞান অপহৃত হয়েছে এবং যারা আসুরিক ভাবাপন্ন সেই দুস্কৃতিকারীরা কখনও আমার শরনাগত হয় না। তাই আসুন মানুষকে ভগবানের অবতার না বলে কৃষ্ণের শরনাগত হই।

পবিত্র বেদের রচনাকাল

পবিত্র বেদের রচনাকাল ঠিক কতো এ ব্যাপারে অনেকে অনেক ধরনের মত দেন। কেউ বলেন বেদ অনন্তকাল ধরে আছে,কেউ বলেন কয়েক লক্ষ,কেউ বা বলেন দশ হাজার। কিন্তু দুঃখের কথা হলো পাঠ্য পুস্তকসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের মতামত ঋগ্বেদের রচনাকাল খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০-১২০০ অব্দ। এই তারিখটাই বর্তমানে সার্বজনীনভাবে গৃহীত। সমস্যা হলো,এই তারিখের পেছনে যে গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে তা অনেকেই জানেন না। 'আর্য আগমন তত্ত্বে'র সাথে এই তারিখের গভীর সম্পর্ক আছে। এ তত্ত্ব মতে আমাদের পূর্ব পুরুষ আর্যরা মধ্য এশিয়া থেকে ভারতবর্ষে বসতি স্থাপন করেছিলেন। আবার আরেক মত বলে আর্যরা ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে এসে দ্রাবিড়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এখানে বসতি স্থাপন করেন। তত্ত্বদাতা আর গবেষকরা কনফিউশনে আছেন। যাই হোক,এই তত্ত্বের কারণে আর্যদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বহিরাগত উপাধি দেওয়া হয়। কিন্তু 'আর্য আগমন তত্ত্ব' বা আর্যদের বহিরাগত বলা আর বেদের এই তারিখ দেওয়াটা যে কতো বড়ো ষড়যন্ত্র,মিথ্যাকল্পনা তা বিজ্ঞান আর গবেষণা প্রমাণ করে দিয়েছে। কিছু উদাহরণ:- প্রথমত,জেনেটিক রিসার্চ। ২০০৯-২০১১ সালে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ভারত জুড়ে ৩ বছরব্যাপী একটি গবেষণা করেন। ভারতের বিভিন্ন জায়গার মানুষের ডিএনএ নিয়ে পরীক্ষা করেন তাঁরা। ভারত দলের অন্যতম সদস্য ডঃ জ্ঞানেশ্বর চৌবে বলেন,'আমরা প্রমাণ করেছি যে সমগ্র ভারতবাসীর জিন একই বৈশিষ্ট্য এবং একই উৎস সম্পন্ন। গত ৬০০০০ বছর ধরে ভারতের মূল স্রোতে কোনো বিদেশী জিন প্রবেশ করেনি। 'আর্য আগমন তত্ত্ব মতে আর্যরা খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের মধ্যে ভারতবর্ষে প্রবেশ করেন যা ডঃ চৌবের কথায় ও তাদের গবেষণায় সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হলো। এতে বোঝা যায় আর্যরা শুরু থেকেই ভারতবর্ষে আছেন এবং বেদের রচনাকাল অনেক আগেই। দ্বিতীয়ত,পবিত্রবেদে এমন কোনো মন্ত্র নেই,যেখানে বলা হয়েছে আর্যরা বিদেশ থেকে এসেছেন। বরং বৈদিক ঋষিদের ভারতবর্ষের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ পেয়েছে এবং এটা বোঝা যায় যে,আর্যরা আদি থেকেই এখানে আছেন। তৃতীয়ত,বেদের প্রাচীনত্ব এবং আর্যদের আদিবাসী হওয়ার আরেকটা প্রমাণ হল সরস্বতী নদী। বেদে অনেকবার সরস্বতীকে দেবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং এটা বোঝা যায় যে বেদ রচনার সময় সরস্বতী পূর্ণ নদী ছিল অর্থাৎ শুকানো বা এ জাতীয় কোনো লক্ষণ ছিলনা। স্যাটেলাইট দিয়ে প্রাচীন মৃত সরস্বতী নদীর গতিপথ আবিষ্কৃত হয়েছে এবং জানা গেছে যে,সরস্বতী নদী খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে শুকানো হতে শুরু করে এবং খ্রিষ্টপূর্ব ১৯০০ অব্দে সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। এখন এটা প্রমাণ করে যে বেদ পরবর্তী যেসব গ্রন্থে সরস্বতী নদীর কথা বলা হয়েছে,সেই সব গ্রন্থ খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের আগে রচিত। তাহলে বেদ অবশ্যই আরো অনেক আগে রচিত এবং আর্যরা অবশ্যই আগে থেকেই ভারতবর্ষে ছিলেন। চতুর্থত,খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০০ অব্দের পুরনো শহর মেহেড়গড়,এতে প্রত্নতাত্ত্বিকগবেষণায় যেসব নির্মানাদি পাওয়া গেছে,দেখা গেছে যে সেগুলো বৈদিক স্থাপত্য বিধি অনুযায়ী রচিত। এটা প্রমাণ করে এ শহরের আগেও মানুষ বৈদিক রীতি মেনে চলতো। পঞ্চমত,নক্ষত্রের অবস্থান। এক বৈদিক ব্রাহ্মণ গ্রন্থে নক্ষত্রের এমন এক অবস্থানের কথা বলা হয়েছে যার সময় হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০০ অব্দ। আবার তৈত্তিরীয় সংহিতায় নক্ষত্রের এমন এক অবস্থানের কথা বলা হয়েছে যার সময় হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৮৫০০ অব্দ। এই গ্রন্থগুলো যেহেতু ঋগ্বেদ সংহিতা পরবর্তীতে রচিত,সেহেতু ঋগ্বেদ সংহিতার রচনাকাল খ্রিষ্টপূর্ব ৮৫০০ এর অনেক আগে। আরো অনেক ছোট বড়ো গবেষণা প্রমাণ করে যে বেদ অনেক প্রাচীন আর আর্যরা ভারতবর্ষের আদিম অধিবাসী। এখন কথা ওঠে আর্য আগমন তত্ত্বের বিরুদ্ধে এতো প্রমাণ দ্বারা এটি ফাউল প্রমাণিত হওয়ার পরেও কেন জ্ঞানীগুণীরা এ তত্ত্ব দিলেন? কেন এ তত্ত্ব বেশি প্রচলিত?- প্রথমত,ইংরেজদেরশাসন-শোষণের একটা কৌশল ছিল 'divide and rule'.তারা উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য আর্য আর দ্রাবিড় আলাদা জাতি-এ তত্ত্বের সূচনা করে। আর্য আগমন তত্ত্ব দিয়ে তারা মানুষকে বোঝাতে চায় যে,দ্রাবিড় আদিম অধিবাসী আর আর্যরা বিদেশী আক্রমণকারী। এক্ষেত্রে মেকলেসহ অনেকে আর্য আগমন তত্ত্ব দেওয়ার জন্য ইংরেজ পন্ডিতদের সাথে ষড়যন্ত্র করেন। দ্বিতীয়ত,এ তত্ত্বের মূল হোতা ম্যাক্সমূলার অবৈজ্ঞানিক ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে পুরোপুরি বিশ্বাস করতেন যেখানে বলা হয়েছে মানুষের সৃষ্টি খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে আর মহাপ্লাবন হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ অব্দের পর। এ অনুযায়ী তিনি তত্ত্ব দেন যে,খ্রিষ্টপূর্ব১৫০০ অব্দে আর্যরা বাইরে থেকে এখানে আসেন। এর পিছনে কোনো প্রমাণ নেই। এটা ষড়যন্ত্রের অংশ। দুঃখের বিষয় হলো,আর্য আগমন তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হওয়ার পরেও বর্তমানে স্কুল কলেজে পড়ানো হয় যে,আর্যরা বহিরাগত। আর্য শব্দে কোনো জাতি বোঝায় না। আর্য বলতে বোঝায় সম্মানিত,জ্ঞানীব্যক্তি। আমাদের সবার আর্য হয়ে ওঠা উচিত। —

সলমন, শাহরুখ কিংবা আমির খানের সাথে অভিনয় করতে মুখিয়ে থাকেন বলিউডের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। অথচ জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ নাকি এই তিন খানের সাথে অভিনয় করতে মোটেও আগ্রহী নন! হ্যাঁ, বলিউডের সবাই খানদের নিয়ে মেতে থাকলেও জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ বলিউডের তিন স্তম্ভের সাথে কখনোই অভিনয় করতে চান না বলে জানা গেছে। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন 'হিরোপন্তি'র এই উঠতি অভিনেতা। সেখানে তাকে খানদের সাথে অভিনয় করতে আগ্রহ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি 'না' বলে দেন। টাইগার শ্রফ বলেন, 'তিন খানের কারো সাথেই অভিনয় করতে চাই না', পর্দায় তাহলে আমাকে কে দেখবে! উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে 'হিরোপন্তি'নামের একটি ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে টাইগার শ্রফের। এরপর সাব্বির খানের 'বাগি' এ রিবেল ফর লাভ' নামের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হযেছেন তিনি। আগামী বছরে ছবিটি মুক্তির কথা রযেছে।

সলমন, শাহরুখ কিংবা আমির খানের সাথে অভিনয় করতে মুখিয়ে থাকেন বলিউডের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। অথচ জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ নাকি এই তিন খানের সাথে অভিনয় করতে মোটেও আগ্রহী নন! হ্যাঁ, বলিউডের সবাই খানদের নিয়ে মেতে থাকলেও জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ বলিউডের তিন স্তম্ভের সাথে কখনোই অভিনয় করতে চান না বলে জানা গেছে। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন 'হিরোপন্তি'র এই উঠতি অভিনেতা। সেখানে তাকে খানদের সাথে অভিনয় করতে আগ্রহ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি 'না' বলে দেন। টাইগার শ্রফ বলেন, 'তিন খানের কারো সাথেই অভিনয় করতে চাই না', পর্দায় তাহলে আমাকে কে দেখবে! উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে 'হিরোপন্তি'নামের একটি ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে টাইগার শ্রফের। এরপর সাব্বির খানের 'বাগি' এ রিবেল ফর লাভ' নামের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হযেছেন তিনি। আগামী বছরে ছবিটি মুক্তির কথা রযেছে।

HINDU and WEST BENGAL

-------HINDU and WEST BENGAL ----------- Are Hindu Bengalies happy in the West Bengal? Separately everybody will say no. Collectively they be silent. Why? Appeasement to Muslims from long time damage their backbone. Every day they observe injustice to the Hindus. Still silent. Why? If they try to protest, their Intellectual friends will say them, "Communal ". Only for the fear Hindus are silent. Secondly if we see the names of the Goondas /Mastans from the British India we will see three groups. Gopalda, Nepalda, Ramda. Next panditji,Sunghji,Uphadhyaji and now Ali, Murad, Arab. Obviously political backing is also there. When communal Muslims harrse some Hindus then Media, Administration and Hindu Community everybody are silent. Hindus waiting for RSS and BJP. At the time of voting they forgot their bitter experience. Then the community divided into Corrupt Congress, Communist and TMC. Started blaming BJP and RSS. Is it not your experience my dear Hindu brothers and sisters? If yes be alart. Dr.Shyama Prasad Mukherjee divided Pakistan and donate us this land. He hoped that Hindus life and property will save here. Actually what is going on here today?