Friday, 10 July 2015

Save Tuktuki From Gazi

আজ টুকটুকি মন্ডলকে বাবুসোনা গাজীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল "জন জাগরন মঞ্চের" পক্ষ থেকে হাজরা মোড়ে । প্রতিবাদ সভা চালু করা মাত্রই কলকাতা পুলিশ প্রসূন মৈত্র,অর্পিতা মৈত্র,দেবদত্ত মাজী,অর্নিবান বিশ্বাস,সুমন্ত্র মাইতি সহ একাধিক জন জাগরন মঞ্চের কর্মীদের গ্রেফতার করে । অবাক হওয়ার কিছু নেই বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে হিন্দুদের হয়ে লড়াই করলেই গ্রেফতার হতে হবে কারন আমরা এখন ইসলামিক শাসনে আছি । একটা হিন্দু গরীব মেয়েকে যারা নতুন জীবন দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ করছে তাদের আজ গ্রেফতার করছে পুলিশ অথচ কোন হিন্দু মেয়েকে যখন ধর্ষন করা হচ্ছে তখন পুলিশ কেন চুপ? বাংলা বাংলাদেশে পরিনত হয়েছে এটাই তার প্রমান হিসাবে সাক্ষী রইল ।

2016 w.b Election

আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে বিজেপি-কে পোক্ত জায়গায় নিয়ে যেতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (আরএসএস) সামিল করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলেন দলীয় সভাপতি অমিত শাহ। তারই অঙ্গ হিসেবে গত মঙ্গলবার প্রায় মধ্যরাতে সঙ্ঘের সদর দফতর কেশব ভবনে যান তিনি। বিজেপি সভাপতির সঙ্গে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সংগঠন সম্পাদক রামলাল এবং সহ-সংগঠন সম্পাদক শিবপ্রকাশ। বিডন স্ট্রিটের সঙ্ঘ কার্যালয়ে বিজেপি সভাপতির যাওয়া এবং দীর্ঘ বৈঠকের ব্যাপারটি কাকপক্ষীতেও টের পায়নি! এমনকী সে দিন বিজেপির আরও কয়েক জন সর্বভারতীয় নেতা কলকাতায় থাকলেও তাঁদেরও এই বৈঠকের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছিল! সঙ্ঘ সূত্রের খবর, সে দিনের বৈঠকে সামিল হতে কলকাতায় এসেছিলেন আরএসএসের সহ-সম্পাদক ভাগাইয়াজি। ছিলেন সঙ্ঘের পূর্ব ক্ষেত্রের (পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি) প্রচারক প্রদীপ জোশীও। এক সময় অরুণাচল প্রদেশের দায়িত্বে থাকা এই নেতা বর্তমানে কলকাতা থেকে কয়েকটি রাজ্যের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, মাস কয়েক আগেই পশ্চিমবঙ্গে সঙ্ঘ পরিবারের কাজের বিস্তৃতির জন্য সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত সংগঠনে বেশ কিছু পরিবর্তন করেছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের ভাগাইয়াজি এখন কলকাতাকে কেন্দ্র করেই তাঁর কাজকর্ম চালাচ্ছেন। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন পর এ রাজ্যের এক প্রচারক অদ্বৈত দত্তকে সর্বভারতীয় স্তরে তুলে নিয়ে গিয়েছেন সঙ্ঘপ্রধান। তিনিও মূলত কলকাতায় থেকেই কাজ করছেন। আর বেশ কিছু দিন তাঁর নিজের সচিব থাকা বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়কে এখন দক্ষিণবঙ্গের প্রান্ত প্রচারকের দায়িত্ব দিয়েছেন মোহন ভাগবত। রাজ্যস্তরে সংগঠনের এই পরিবর্তনের পর কেশব ভবনও এখন রাজ্যে সঙ্ঘ পরিবারের সক্রিয়তা বাড়ানোর উপরে বিশেষ জোর দিয়েছে। রাজ্য বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘এক সময় সঙ্ঘের প্রবীণ প্রচারকরা এ রাজ্যে শাখার সংখ্যা বৃদ্ধি আর কোন তিথিতে কী খাওয়া উচিত আর কী উচিত নয়, তা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতেন! রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে খেয়ালই ছিল না তাঁদের!’’ কিন্তু এখন মোহন ভাগবতের নেতৃত্বে সঙ্ঘ পরিবারের সমস্ত সংগঠনের কাজকর্মের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এসেছে জানিয়ে ওই নেতা বলেন, ‘‘শুধু বিজেপিতেই সঙ্ঘের ৪২ জন রাজ্য স্তরের প্রচারক সারা দেশে সংগঠন বাড়ানোর কাজ করছেন। গত মাসের শেষে তাঁদের নিয়ে মুম্বইয়ে তিন দিনের শিবিরও করেছে আরএসএস।’’ সঙ্ঘ সূত্রের খবর, মুম্বইয়ে ওই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুরেশ (ভাইয়াজি) জোশী। সেই শিবিরেই বলে দেওয়া হয়েছে, সঙ্ঘের মূল আদর্শের সঙ্গে কোথাও আপস না করে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আরও বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বাংলার মাটিতে রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধিও যে জরুরি, তা-ও উপলব্ধি করেছে সঙ্ঘ। ওই নেতার কথায়, ‘‘সেই কারণে অমিত শাহও তাঁর পরিকল্পনার ব্যাপারে সঙ্ঘের অনুমোদন নিতে গিয়েছিলেন।’’ দলের সভাপতি হওয়ার পর অমিত শাহ চার বার কলকাতায় এসেছেন। প্রথম বার এসেছিলেন গত বছর সেপ্টেম্বরে। তার পর ফের নভেম্বরে। দু’দফাতেই কলকাতায় সভা করেছিলেন তিনি। আর এ বছর জানুয়ারিতে এসে বর্ধমানে গিয়েছিলেন সভা করতে। প্রতি সফরেই কলকাতায় রাত্রিবাস করলেও এক বারও সঙ্ঘ দফতরে যাননি তিনি। ব্যতিক্রম হল এ বারে। বিজেপির এক সূত্রের দাবি, অমিত শাহ দিল্লিতে কেশব কু়ঞ্জে মাঝে মধ্যেই যান। আমদাবাদে সঙ্ঘ দফতরেও তাঁর নিয়মিত যাতায়াত। কিন্তু অন্য রাজ্যে সঙ্ঘ কার্যালয়ে তিনি সাধারণত যান না। ফলে কলকাতায় এসে সঙ্ঘ কার্যালয়ে যাওয়ার মধ্যে বাড়তি গুরুত্ব রয়েছে বলেই জানাচ্ছে ওই সূত্রটি। কী আলোচনা হয়েছে সে দিনের বৈঠকে? সঙ্ঘ সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, কোথায় কোথায় দুর্বলতা, কী ভাবে তার মোকাবিলা করা হবে, সে সবের একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েই সঙ্ঘ নেতাদের কাছে যান অমিত। প্রায় দু’ঘণ্টার ওই বৈঠকের পরে বিজেপি সভাপতির পরিকল্পনার সঙ্গে সহমত হয়েছে সঙ্ঘ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে হঠাতে সঙ্ঘ পরিবার সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে অমিতকে। তবে তার জন্য বেশ কিছু শর্তও দিয়েছে সঙ্ঘ। কী সেই শর্ত? সঙ্ঘের তরফে বিজেপি সভাপতিকে বলা হয়েছে, রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্তি চায়। এ জন্য ক্ষয়িষ্ণু বামের তুলনায় বিজেপির উপরেই ভরসা রাখতে চান একটা বড় সংখ্যক মানুষ। এই অবস্থায় লড়াইয়ে থাকতে গেলে রাজ্য বিজেপির এক জন উপযুক্ত নেতা দরকার। যিনি তৃণমূলের অপশাসন নিয়ে মাঠে নেমে দলকে ভাল জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। সঙ্ঘের এক সূত্রের বক্তব্য, ‘‘যোগ্য নেতৃত্বের হাতে কর্তৃত্ব দেওয়ার অর্থ, রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বে বদল। সঙ্ঘেরএই পরামর্শ বিজেপি সভাপতি মেনে নিয়েছেন। ফলে কিছু দিনের মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে ব্যাপক রদবদল হতে পারে। সিদ্ধার্থনাথ সিংহকে সরিয়ে এ রাজ্যে দলের দায়িত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের হাতে তুলে দেওয়া তারই ইঙ্গিত।’’ বিজেপিরই একটি শীর্ষ সূত্রের দাবি, বুধবার সকালে কলকাতা ছাড়ার আগে www.anandabazar .com/state/ amit-shah- meets- rss-leader-of-b engal-1.173337#

Rohinga Muslim

মায়নামারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবীতে কলকাতা পার্কসার্কাসে উড়ল পাকিস্তানের পতাকা । মিডিয়া নীরব, প্রশাসনও নীরব । ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলার জন্য আজ বাংলাতে পাকিস্তানের পতকা উড়ল কালকে বাংলা পাকিস্তান হবে তৈরী থাকুন সবাই ।

Thursday, 9 July 2015

Rape and Islam

ধর্ষণ নিয়ে মুসলমানদের সাথে কথা হলে তারা চোরের মার বড় গলায় বলে যে বাংলাদেশে শরিয়া আইন কায়েম হলে আর ধর্ষণ হবে না, কারণ ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তখন তাদেরকে একটি প্রশ্ন করি--ধরেন বাংলাদেশে শরিয়া আইন আছে, এবং আপনার মা বা বোন বা মেয়ে বা বউকে চেয়ারম্যানের পোলা এসে ধর্ষণ করে গেলো। এইবার শরিয়া আইনে এই ধর্ষণের বিচারটা কিভাবে হবে--বিচার প্রক্রিয়াটা স্টেপ বাই স্টেপ বলেন। "সৌদিতে ১০০% ছহিহ শরিয়া আইন চালু নাই"--এই টাইপের ত্যানা প্যাচানো বাদে এখন পর্যন্ত কোনো মুসলমানের বাচ্চা এই প্রশ্নের উত্তর অর্থাৎ শরিয়া আইনে ধর্ষণের বিচার প্রক্রিয়ার ধাপগুলো বলতে পারে নাই। এখানে উল্লেখ্য, খোদ ইসলাম এবং শরিয়া আইনের দেশ সৌদিতে এক ইসলামিক স্কলার তার পাঁচ বছরের মেয়েটাকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলে। শরিয়া আইনের বিচারে ঐ ইসলামিক স্কলারের কোনো শাস্তি হয় নাই। তো এক মুসলমান বাপের বীর্যে পয়দা হইয়া থাকলে কোনো মুসলমানের বাচ্চা কি বলতে পারবেন শরিয়া আইনে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থাকার পরেও কেন ঐ ইসলামিক স্কলারের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হলো না?

Bloddy Islam ইসলাম শুধু ধর্ম নয়, একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান

ইসলাম শুধু ধর্ম নয়, একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। তাই অন্য যে কোন ধর্মের থেকে বেশি সমালোচনার অধিকার রাখে। যাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামিক শাসন কায়েম করা। আমি ইসলামের অনুরাগী নাহয়ে কি করে ইসলামিক শাসন বা ধর্মীয় শাসন ব্যবস্থা মেনে নিতে পারি। আজ যে শত শত ইসলামিক জঙ্গী গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে, তা কিন্তু ইসলামিক শাসন কায়েম করার উদ্দেশ্যেই। তাদের মধ্যে মত ও পার্থক্য কিন্তু সামান্যই, সেটা একান্তই তাদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার, লক্ষ্য কিন্তু এক। জঙ্গী সংগঠন গুলি কি করছে? বিধর্মীদের হত্যা, ধর্ষন, ধর্মান্তরিত করছে, ইসলামিক শাসন অনুযায়ী চলতে বাধ্য করছে, অন্যথায় হত্যা করছে। আর যা কিছু ঐতিহাসিক বা অন্য ধর্মের সংস্কৃতি বহন করে, তা স্মৃতি সৌধ, স্থাপত্য ভাস্কর্য যাইহোক ধ্বংস করছে। ধর্মান্ধরা যথারীতি সমর্থন জানাচ্ছে, সিককুলার এবং মডারেটরা তাকিয়া করে চলেছে জঙ্গীর কোন ধর্ম নেই বলে। অথচ আলজাজিরা টিভির সমক্ষায় উঠে আসছে আশি শতাংশ আরবিয়ান আইসিসকে সমর্থন জানাচ্ছে। বিশ্বের নানা দেশ, আমার-আপনার দেশ থেকে যারা আইসিস বা অন্য কোন জঙ্গী সংগঠনে যোগ দিতে যাচ্ছে তারাও মুসলমান, এমন কি এক একটা পুরো মুসলিম পরিবারও যোগ দিচ্ছে। এরা আর যাবে না বা দেশেই ফিরে আসবে এবং দেশেই ইসলামিক শাসন কায়েমের চেষ্টা করবে বরঞ্চ বাইরের দেশ থেকে আসবে এবং আসছে। প্রয়োজন শুধু একটু উপযুক্ত পরিবেশ তৈরীর। তারপর ওয়েইসি, সিদ্দিকুল্লা, ইমরানরা তো তৈরীই আছে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। সিককুলাররা অত্যাচার নির্যাতনের তত্ব তোলে, ইসলামিক মৌলবাদ-জঙ্গীবাদকে পুষ্ট করতে। কিন্তু তা যে হাস্যকর যুক্তি, তা আমাদের প্রতিবেশি দুই রাষ্ট্র পাকিস্থান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুঁ মারলেই পরিস্কার হয়ে যায়। তাদের কে সেখানে কে অত্যাচার করে, তারাই তো অত্যাচারীর ভূমিকায়। অথচ যারা অত্যাচারিত সেই অমুসলীমদের এমন কোন সংগঠন আছে বলে আজ পর্যন্ত শুনি নাই। কোন দেশদ্রোহী কাজে তারা যুক্ত নয়, তারপরেও তাদের ওপর কি হয়, তা সকলেরই জানা। আর 100% মুসলিম রাষ্ট্র বানাতে কিই না করছে তারা, বিতাড়ন, ধর্ষন, ধর্মান্তকরন সব চালাচ্ছে। প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলেও কিছু করার নাই, ধর্মের নামে লাখ লাখ মানুষ পথে নামবে, তান্ডব করবে কিন্তু তাকে কাউণ্টার করার লোক কোথায়? আমাদর পশ্চিমবঙ্গেই দেখুন না, লাদেনে স্বপক্ষে মিছিল হয়েছে, তসলিমাকে বিতাড়ন করেছে, সিদ্দিকুল্লার জঙ্গী সমর্থনে সভা, মিছিল, তান্ডব কি দেখেন নাই, এই সেদিনে মালদহে মহিলা ফুটবল কি বন্ধ করল নাই? নাকি এসবই ছোট ঘটনা, জানিনা। সংখ্যাটা বেশি হলে আরও কি হবে ভাবুন, যদি ভাবেন ধর্মনিরপেক্ষ হবে, নাস্তিক হবে, ভুল করছেন। যে কয়জন হবে, ওরাই কেটে দেবে। কারন লক্ষ্য একটাই, ইসলামিক স্টেট। সংখ্যা কম থাকলে ধর্মনিরপেক্ষ শান্তির দূত, একটু বাড়লে বিশেষ অধিকার লাগবে( এখন যেমন পশ্চিমবঙ্গে) বেশি হলেই সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিমের দেশে মুসলিম ধর্মানুভূতিতে আঘাত! কেটে দিমু। কারন লক্ষ্য একটাই, ইসলামিক স্টেট। ঘুমাবেন না, যে কারনে ভারত ভাগ হয়েছে, বাংলা ভাগ হয়েছে, তার পুনারাবৃত্তি হলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।

যে ধর্মের অপর নাম শুধু শান্তি আর শান্তি

আজ এমন একটা ধর্ম নিয়ে আলোচনা করব ।যে ধর্মের অপর নাম শুধু শান্তি আর শান্তি। 1. জিহাদের মাধ্যমে অন্য ধর্মের লোকজন হত্যা করা । 2.অন্য ধর্মের মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাদে ফেলে নিজ ধর্মে ধর্মান্তরীত করা । 3.একজন পুরুষ একসঙ্গে চৌদ্দজন নারীকে বিবাহ করা (ধর্ষন করা )। 4. দত্তক নেওয়া ( পালিত কন্যা ) তেরো বছরের মেয়েকে বিবাহ করা । (ইরান ও আরবে আইনত বৈধ ) 5. সাত বছরের নাবালিকা মেয়ে বিবাহ করা ( বৈধ ধর্ষন ) করা । (ইরাক ও আরবে আইনত বৈধ ) 6. দত্তক নেওয়া ছেলের বৌ কে বিবাহ বা নিকাহ করা । 7 . কাকাতো বোন , মামাতো বোন , ফুফাতো বোন , এমন কি প্রতিবেশী খালা , ফুফু, চাচী , মামী সবাইকে বিবাহ করা . 8. লিঙ্গের মাথা কেটে বৈধ হওয়া (কাটার আগে অবৈধ ), এমনকি নারী যৌনাঙ্গে কাটা হয় আবব ও আফ্রিকান মুসলিম দেশে। ( খতনা করা)। 9. মৃত্যুর পর একজন পুরুষ বেস্তে 72 টি হূর (পতিতা ) পাওয়ার আশা করে। 10 যে ধর্মের অনুসারিরা 1400 বছরে প্রায় 270 মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে , যেটা প্রায় 528 জন/প্রতিদিন এবং 22 জন/প্রতি ঘন্টা ,, উপরে উল্লেখিত চরম লাম্পট্য গুলো কোন ধর্মের হতে পারে তা এখন আপনাদের বলতে হবে ।

সেকুলারিজম মানবতাবাদ

আমাদের সমাজে যারা সেদিন ছুৎ মার্গ ও ব্রাহ্মন্যবাদকেপশ্রয় দিয়েছে এবং এখনো পশ্রয় দেয় তারাই সেকুলারিজম মানবতাবাদের বড়ো বড়ো ঠিকাদার হিসাবে নিজেদের ব্যক্ত করে থাকে। ভেদাভেদ হীন হিন্দু সমাজের জন্য কোন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীকে আমি আজ পর্যন্ত কথা বলতে দেখলাম না। দলিতদের মন্দিরে ঢোকার অধিকার এবং বনবাসী কল্যানের জন্য সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদীদেরই গলা ফাটাতে হয়। ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা কেবল রাস্তার মোরে স্টেজ বানিয়ে মাইক লাগিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা মানবতাবাদের ধ্বজা ওড়ায়। আর মন্দিরে যাওয়া মাত্রই বিচার করে কে কে মন্দিরে উঠবে আর কে কে উঠবে না। অথচ খাঁকি চ্যাড্ডি ওয়ালা সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী বলে যাদের রাত দিন গালিগালাজ করা হয় তারা নিঃশব্দে দলিত দের সংস্কৃত শেখান বনবাসীদের শৃজনশীল কাজ এবং ভারতীয়ত্ব পরিচিতি করায়। ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীদের সৃষ্ট ব্রাহ্মনত্যর অত্যাচারে যখন দলিতরা বিদ্রহ করে বা ধর্ম পরিবর্তন করার ফাঁদে পা দেয় তখন ধর্ম নিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা কানে তুলো গুঁজে চোখে ঠুলি এঁটে ঘরে তালা মেরে গান্ধী মার্কা মৌন্য ব্রত রাখে। তখন দলিত উদ্ধারে সেই খাঁকি চ্যাড্ডি ওয়ালা সাম্প্রদায়িক ব্যক্তিদেরই মাঠে নামতে হয়। এ বিষয়ে একটা উদাহরণ দিই :- 1981 Meenakshipuram conversion The 1981 Meenakshipuram conversion was a mass religious conversion that took place in the Indian village of Meenakshipuram,in which hundreds of Hindu Dalits converted to Islam over caste discrimination.This incident sparked debate over conversion in the country and the government decided to introduce anti- conversion legislation. Meenakshipuram is a village in the Tirunelveli district of Tamil Nadu, India. The dalits in the village were segregated by the caste Hindus, who referred to them as untouchables on the basis of Indian caste system . They were discriminated against by not being allowed access to public properties such as temples and wells which were used by the caste Hindus. The district had a long history of caste-related violence . To avoid discrimination and political suppression, the dalits decided to embrace Islam. On 19 February 1981, around 800 dalits (300 families) were converted to Islam by Ishaatul Islam Sabha of South India in a ceremony. After the incident, the Tamil Nadu government set up an inquiry commission to investigate the conversion. The commission in its report suggested an anti- conversion bill to be passed by the state government, but government put it on hold. Some Hindu polities such as Arya Samaj , Vishva Hindu Parishad, Bharatiya Janata Party and its leaders like A. B. Vajpayee visited the village and asked them to reconvert but were unable to convince them. In later years, the Hindu factions claimed a few of them were converted back.