প্রেশ্যা এবিপি আনন্দর আজকের হেডলাইন- নদিয়ার চার্চে হামলাঃ--
অথচ রাজ্যের কত জায়গায় জেহাদি মুসলিমদের হাতে হিন্দুরা নির্যাতিত হল, সেদিন আবার একটা হিন্দু মেয়েকে আরবের জংলি জানোয়ার মহম্মদ গাজী কিডন্যাপ করল অথচ প্রেশ্যা আনন্দ তখন ঘন্টা খানেক সঙ্গে সুমনের বউএর সাথে হানিমুনে বিজি ছিল।
জুতা মারি আরবের জংলির পোষা কুকুর প্রেশ্যা আনন্দর মুখে।।
সেই প্রেশ্যা মিডিয়ার মুখে জুতে মারার উদ্দেশ্যে হাজরা মোড়ে, এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন হয়েছে। সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে চলে আসুন সবাই।।
লিখেছেনঃ গনেশ মজুমদার.....অল্প পরিবর্তন করেছি।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 11 July 2015
Bihar Election
A very very good news to BJP and simultaneously a bad news to Corrupt Congress, Laloo and Nitish Kumar. The news is the result of Bihar Upper Chamber Election
BJP got 14 seats and Corrupt Congress, Laloo and Nitish Kumar combined got 09 seats.
Is it not Modi effect? What our media will say now?
Love Jehad লাভজিহাদ বা প্রতারনামূলক ধর্মান্তরকরণ?
লাভজিহাদ বা প্রতারনামূলক
ধর্মান্তরকরণ ?
যা আজ সনাতন ধর্মে দেখা দিয়েছে মহামারি রুপে ।
আসুন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ভয়াল থাবার হাত
থেকে রক্ষাকরি, আমাদের ভাই বোনদের ।
ছেলেদের থেকে মেয়েরাই
প্রতারনারর শিকার
বেশী হচ্ছে । অনেক মেয়ে বয়সন্ধিক্ষনের রঙ্গিন সময়ে
মেয়েরা এই
ফাঁদে পড়ে এবং সারা জীবন এই প্রতারণার কষ্ট
বয়ে বেড়াতে হয় ।
একটা কথা মনে রাখতে হবে, লাভ জিহাদের পরে কে
লাভবান হয় ? অবশ্যই মুসলিম ছেলেরা । একটা মেয়েকে
ধর্মান্তরিত
করে তাদের বিশ্বাস
অনুযায়ী যে পুণ্য সে তার
পরিবার আর আশেপাশের
মানুষেরা পায় তাতেই নাকি তাদের স্বর্গ নিশ্চিত হয়ে
যায়। একপাশে স্বর্গ (বেহেশত) লাভ
অন্যপাশে সুন্দরী নারী;
এমন সহজ আর লোভাতুর সুযোগ কে হাতছাড়া করতে
চায় ???
অন্যদিকে মেয়ের কি লাভ হয় ??? তার পরিবার, বাবা
মা স্বজন সবাইকে ছাড়তে হয় । কিছুদিন যেতে না
যেতেই ঐ সব মেয়েদের
রঙ্গিন চশমা নামতে শুরু
করে । পরিবারে তার অবস্থান শুধু
শয্যাসঙ্গিনী, রাঁধুনি আর সন্তান উৎপাদনের মেশিন ।
"মানে থ্রি ইন ওয়ান"
তাদের জন্য বলাই আছে মেয়েরা শস্যক্ষেত্রের
মত বা যেখানে একাধিক
স্ত্রী রাখা বৈধ, তার সাথে অসংখ্য যৌনদাসী বৈধ,
যখন তখন তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায় ।
যে সমাজে মেয়েদের কে নুন্যতম সম্মান প্রদর্শন করা হয়
না সেই নরকে তার বাস করতে হয় ।
অনেক মেয়ে মুখ বুজে সহ্য করে মেনে নেয়
অনেকে মানতে না পেরে পালিয়ে আসে । পালিয়ে
আসার পর যদি তার পিতামাতা তাকে আশ্রয়
না দেয় তাহলে তাদের
স্থান হয় আস্তাকুড়ে,
পতিতালয়ে যেখানে সারা জীবন ছিরে ছিরে খায়
তাদেরকে নরপশুরা ।
লাভ জিহাদ প্রতিরোধ করবেন কি করেঃ লাভ
জিহাদের কালো থাবায় পিষ্ট হচ্ছে মেয়েরা,কিন্তু এই
দায় কি শুধু মেয়েদের
একার ??? মেয়েরা ধর্মান্তরিত হচ্ছে এই দায় শুধু
মেয়েদের একার
নয় । কেন নয় উত্তরঃ
★ ভাই হয়ে কি আমরা বোনের বন্ধু হতে পেরেছি ?
★ বাবা, দাদা বা কাকারা কি বন্ধুর মত আচরণ
করে আমাদের ঘড়ের
মেয়েদের সাথে ?
★ মেয়েরা যদি সাপোর্ট
পেত তবে এই সমস্যা মহামারী আকারে দেখা যেত না ।
ছেলেরা ফেইসবুক
ব্যবহার করছে গন হারে, কিন্তু মেয়েরা কি পারছে
ব্যবহার করতে ?
তাহলে তাঁরা সচেতন
হবে কি করে ?
★ ছেলেরা বাইরে অবাধ
বিচরণ করে বলে বিভিন্ন
অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে বন্ধু বা বড় ভাইদের
সাথে কিন্তু
মেয়েরা কি পারছে সেটা করতে ?
গৃহ বন্ধি হয়ে কি জ্ঞান
অর্জন করা যায় ?
★ পারিবারিক ধর্ম
শিক্ষার অভাব আছে এটাও কিন্তু মেয়েদের দোষ নয়,
পরিবারের কর্তা নির্ধারণ করে দিলে পারিবারিক ধর্ম
চর্চা সবাই করবে এটাই
স্বাভাবিক । তাই এই দায়ও ছেলেদের ।
★ এখানে কিছু ব্যতিক্রম
থাকে যা নিয়ে আলোচনার
প্রয়োজন বোধ করছি না । এই ব্যতিক্রমের মুল উপাদান
হলো লোভ । এই
ব্যতিক্রমের হার খুব বেশি নয় । এরা বিপথে যাবে বলে
জন্ম নিয়েছে তাই তাঁদের কথা ভেবে লাভ নেয় ।
★ কোন মেয়ে লাভ জিহাদের
পাল্লায় পড়লে সাথে সাথে তার বাবা-মা, আত্মীয়-
স্বজনকে জানান (দরকার হলে নিজের
পরিচয় গোপন করে হলেও) সর্বপরি এ থেকে বাঁচার
একমাত্র উপায় হল সচেতনতা তৈরি করতে
হবে হিন্দু মেয়েদের মাঝে । এ বিষয়ে জীবনের
শুরুতেই (অর্থাৎ বয়সন্ধি কালের শুরুতেই,
বাড়ি থেকে যখন বের হয়ে গেল অর্থাৎ স্কুল, কলেজ
ভার্সিটির জন্য
বাইরের সাথে যোগাযোগ হল) তখনই ভাই হিসেবে
বোনকে, বাবা হিসেবে মেয়েকে, বন্ধু হিসেবে বন্ধুকে
খোলাখুলি বলুন,
আলোচনা করুণ ।
সমস্যার উৎস গুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে ঠিক
আছে, যে সব স্থানে আমরা মানে ছেলেরা সচেতন হলে
মেয়েরা ঐ কালো থাবা থেকে
বেঁচে যেত সেগুলিকে আগে ঠিক করে পরে অন্য কিছু
ভাবা দরকার ।
প্রায় দেখি পোষ্ট এ ঢালাও ভাবে মেয়েদের দোষী
করা হয়, হয়তো অনেক
ক্ষেত্রে দোষ দেওয়া যুক্তি যুক্ত । ধরে নিলাম দোষ
আছে মেয়েদের তবুও কি সব দোষ সব সময় সবার সামনে
উল্লেখ করতে হবে ? মেয়ে সম্প্রদায়কে যদি ঢালাও
ভাবে দোষ দেওয়া হয় এটা হবে চরম অন্যায় ।
এই লাভ জিহাদ ঠেকাতে হলে মেয়েদের কি করতে হবে,
তার চাইতে ছেলেদের
সচেতন হতে হবে বেশি করে । ছেলেদেরকে মেয়েদের
বন্ধু হতে হবে, ভাইকে বোনের বন্ধু হতে হবে,
বোনকে জানাতে হবে, পিতা হয়ে নিজের মেয়েকে এই
বিষয়ে সচেতন করতে হবে, বোনকে তথ্য দিতে হবে,
আপনি বোনদের সাথে শেয়ার করতে লজ্জা পেলে
আপনার বোন জানবে কি করে এই বিষয়ে ?
অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর
থেকে নিজের ভূমিকা পালন
করা উত্তম বলে আমি মনে করি ।
হয়তো আপনার একটি শেয়ার একজনকে হলেও
সচেতন করবে ।
সচেতনতার স্বার্থে শেয়ার করুন ।
Friday, 10 July 2015
Chanakya চাণক্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০-২৮৩ অব্দ)
চাণক্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০-২৮৩ অব্দ) ছিলেন একজন প্রাচীন ভারতীয় গুরু (শিক্ষক), দার্শনিক ও রাজ- উপদেষ্টা। তিনি প্রাচীন তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়েঅর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক ছিলেন। তিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উত্থানে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনিই তরুণ চন্দ্রগুপ্তকে শিক্ষা দিয়েছিলেন। মৌর্য সাম্রাজ্য ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের নথিভুক্ত ইতিহাসে প্রথম সর্বভারতীয় সাম্রাজ্য। চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর পুত্র বিন্দুসারের রাজ-উপদেষ্টার কাজ করেছিলেন।
চাণক্যকে কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও অভিহিত করা হয়। তিনি প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রবিজ্ঞান গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র -এর রচয়িতা।তাঁকেই ভারতের প্রথম অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীমনে করা হয়। চাণক্যকে "ভারতের মেকিয়াভেলি " বলা হয়।
তার অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল প্রচণ্ড শক্তিশালী নন্দ বংশের শাসন উৎখাত করে সম্রাট অশোকের পিতামহ চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যকে ভারতের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা। চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যকেই উপমহাদেশের প্রথম ঐতিহাসিক সম্রাট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
নন্দ বংশের সর্বশেষ রাজা প্রজা সাধারণের কাছে প্রিয় ছিলেন না। একবার তিনি চাণক্যকে অপমান করেছিলেন। চাণক্য এই অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রতিজ্ঞা করেন। এদিকে তরুণ ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্র গুপ্ত, যিনি নন্দ রাজার পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন, তিনিও ষড়যন্ত্র করছিলেন সিংহাসন দখলের। কিন্তু তার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং জীবন বাঁচাতে তাকে পালাতে হয়। চন্দ্র গুপ্ত যখন বিন্ধানের জঙ্গলে পলাতক ও নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন তখন ঘটনাচক্রে চাণক্যের সাথে তার সাক্ষাত হয়। চন্দ্র গুপ্ত তার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেন চাণক্যকে এবং তখনই তাকে তার গুরু, উপদেষ্টা ও মন্ত্রণাদাতা হিসেবে মেনে নেন। পরবর্তীতে তিনি চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন। চাণক্যের সক্রিয় সাহায্যে চন্দ্রগুপ্ত একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং গুরুর তৈরি সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত নন্দ রাজাকে সিংহাসনচ্যুত করতে সক্ষম হন। অতঃপর মগধের সিংহাসনে আরোহণ করেন চন্দ্র গুপ্ত মৌর্য।
যে পরিস্থিতিতে চন্দ্র গুপ্ত নন্দ বংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজের বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে পঞ্চম শতাব্দীতে লিখিত একটি রাজনৈতিক নাটক 'মুদ্রা রাক্ষস' এ। এ নাটকের রচয়িতা বিশাখাদত্ত নামে এক প্রাচীন নাট্যকার।
যে পরিস্থিতিতে চন্দ্র গুপ্ত নন্দ বংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজের বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে পঞ্চম শতাব্দীতে লিখিত একটি রাজনৈতিক নাটক 'মুদ্রা রাক্ষস' এ। এ নাটকের রচয়িতা বিশাখাদত্ত নামে এক প্রাচীন নাট্যকার।
চন্দ্র গুপ্তের শ্রদ্ধেয় গুরু ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাণক্য অবলীলায় বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারতেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদে। কিন্তু তিনি এর পরিবর্তে খুব সাধারণভাবে একটি কুঁড়েঘরে বসবাসের জীবন বাছাই করে নিয়েছিলেন। এই কুঁড়েঘরটি অবস্থিত ছিল এক শ্মশানে। সেখানে ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে দূরে অবস্থান করে তিনি বহু শিষ্যকে রাজ্যশাসনের কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন এবং নৈতিক ও আর্থ-সামাজিক বিষয়ে জ্ঞান দান করেছেন। এসব ছাড়াও তিনি তার রাজার দেয়া দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্বস্ততার সাথে। চন্দ্রগুপ্তের জীবনে তিনি ছিলেন অভিভাবক স্বর্গীয় দূতের মতো এবং সত্যিকার বন্ধু, দার্শনিক ও গুরু।
চাণক্যের বিরাট সাহিত্য কর্ম 'অর্থশাস্ত্র', যার শব্দগত অর্থ 'পৃথিবীতে সাধারণ কল্যাণ বিষয়ক বিবরণী।' এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে শাসকের উদ্দেশ্যে পরামর্শ যে, কিভাবে একজন শাসককে তার প্রজাদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও জীবন মান উন্নত করার জন্যে কাজ করতে হবে এবং কিভাবে আরও ভূখণ্ড ও মূল্যবান সম্পদ নিজ সাম্রাজ্যভুক্ত করতে হবে। চাণক্য যে সব পরামর্শ বা নির্দেশনা সেই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন সেসবের অধিকাংশই শুধু রাজ্যশাসন নয় বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। চাণক্য উপমহাদেশে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম প্রবক্তা এবং তার কিছু নীতি বিশ্বজনীনভাবে প্রযোজ্য।
এই বিজ্ঞ ও বাস্তবজ্ঞান সম্পন্ন দার্শনিক ধর্ম, নীতিশাস্ত্র, সামাজিক আচরণ ও রাজনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু পর্যবেক্ষণ বর্ণনা করেছেন। এসবের কিছু কিছু অন্যান্য বিবরণীতে সংগৃহীত হয়েছে। এ ধরণের একটি সংকলনের নাম 'চাণক্য নীতি দর্পণ'।তার কথাগুলো হয়তো আধুনিক যুগের পরিশীলিত কথাবার্তা থেকে ভিন্ন, কিন্তু দুই হাজার বছরের অধিক সময়ের ব্যবধানেও সেগুলো গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেনি।
চাণক্য তার নীতিকথায় বলেছেন,
"বিষ থেকে সুধা, নোংরা স্থান থেকে সোনা, নিচ কারো থেকে জ্ঞান এবং নিচু পরিবার থেকে শুভলক্ষণা স্ত্রী - এসব গ্রহণ করা সঙ্গত।"
"মনের বাসনাকে দূরীভূত করা উচিত নয়। এই বাসনাগুলোকে গানের গুঞ্জনের মতো কাজে লাগানো উচিত।"
বাংলায় প্রচলিত কিছু চাণক্য শ্লোক----------------
●অতি পরিচয়ে দোষ আর ঢাকা
থাকে না।
●অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও
মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়।
মানই মহতের ধন।
●অনেকে চারটি বেদ এবং
ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে
জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস
জানে না।
●অহংকারের মত শত্রু নেই।
● আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন
করার অনেক গুণ, তাই পুত্র ও শিষ্যকে
শাসন করাই দরকার, আদর দেওয়া নয।
● আড়ালে কাজের বিঘ্ন ঘটায়, কিন্তু
সামনে ভাল কথা বলে, যার উপরে মধু
কিন্তু অন্তরে বিষ, তাকে পরিত্যাগ
করা উচিত।
● উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর
সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে
এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই
প্রকৃত বন্ধু।
● একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।
● একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে
যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি
একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয।
● একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে
যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি
একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য
হয়।
●একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী
পুত্র বরং ভাল। একটি চন্দ্রই অন্ধকার
দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে
না।
বাংলাদেশের কট্টরপন্থী ইসলামিকরা ভারতীয় পেজে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে
তার জবাব---------¤¤
মিথ্যার স্থায়িত্ব ক্ষনিক কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী----------------
●●শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে চিনতে পারেনি অবশেষে গর্দান কেটে ফেলেছিলেন, তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট...?
☆--- ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে, গণেশের জন্ম হয়েছিল অন্যভাবে। শিব ও পার্বতী পুত্রলাভের আশায় বর্ষব্যাপী পুণ্যক ব্রত ও বিষ্ণুপূজা করেছিলেন। এই ব্রতে তুষ্ট হয়ে বিষ্ণু
পার্বতীর পুত্ররূপে অবতীর্ণ হবেন। এরপর পার্বতীর গর্ভে এক পুত্রের জন্ম হয়। সকল দেবদেবী তাঁর জন্ম উপলক্ষ্যে উৎসবে মেতে ওঠেন। যদিও সূর্যের পুত্র শনি শিশুটির দিকে তাকাতে ইতস্তত করেন। কারণ শনির দৃষ্টি অমঙ্গলজনক। কিন্তু পার্বতীর পীড়াপীড়িতে শনি শিশুটির দিকে তাকাতে বাধ্য হন। মুহুর্তের মধ্যে শিশুর মস্তক ছিন্ন হয়ে গোলোকে চলে যায়। শিব ও পার্বতী এতে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়লে বিষ্ণু গরুড়ের পিঠে চড়ে পুষ্পভদ্র নদীর তীরে এসে উপস্থিত হন। সেখান থেকে তিনি একটি হস্তিশিশুর মাথা নিয়ে ফিরে আসেন। এরপর পার্বতীর শিশুর মুণ্ডহীন দেহে সেই হাতির মাথাটি বসিয়ে তার প্রাণ ফিরিয়ে আনা হয়। এই শিশুর নাম রাখা হয় গণেশ এবং দেবতারা তাঁকে আশীর্বাদ করেন।তাহলে আমার প্রশ্ন তিনি ভুললেন কখন? ॐ卐
●● রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে তবে রামের সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো তাও আবার হনুমানের সাহায্যে? শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি করে বেশি হওয়া সম্ভব ?
☆---------রামকেলঙ্কা যেতে ১২ বছর লাগেনি।রাম ১৪ বছরের জন্য বসবাসে গিয়েছিলেন।শেষবর্ষে সীতা মাতার অপহরণ হয় ও শ্রী রাম মাকে উদ্ধার করেন। দূর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে বিজয়াতে রাম জয় লাভ করেন।ॐ卐
●●শিব ৬০,০০০বিবাহ করেছিল সে মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায় তার স্ত্রীকে দিয়ে দুধ দিয়ে শিবের গোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন?
☆-----শিব ৬০০০০ বিয়ে করেছিলেন এই কথার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? আর সংস্কৃত আর বাংলা এক না।আক্ষরিক বিশ্লেষণে দেখা যায়- ‘শিব’ শব্দের অর্থ ‘মঙ্গল’ আর ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ প্রতীক বা চিহ্ন। শাস্ত্রে ‘শিব’ বলতে নিরাকার সর্বব্যাপি পরমাত্মা বা পরমব্রহ্মকে বোঝায়। তাই ‘শিবলিঙ্গ’ হচ্ছে মঙ্গলময় পরমাত্মার প্রতীক।ॐ卐
●●দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন।
☆---- এই কথাটার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ চাই। গীতা,বেদ,ভাগবত বা উপনিষদ কোথা থেকে পেয়েছেন ?সততা ও রটনার মধ্যে ফারাক টা আপনার কশ্চেনে প্রমান হয়।ॐ卐
●●কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরাই আইনের বর্হিভূত?
☆--- কৃষ্ণ ও মামির সম্পর্ক এই কাহিনীর বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? ভাগবতগীতা বা ভগবতপুরাণ থেকে ?কৃষ্ণ ছিলেন বিষ্ণুর অবতার ও রাধা ছিলেন দেবী লক্ষীর অবতার।তাই তাদের মিলন ও স্বাভাবিক।রাধা শ্রীকৃষ্ণের মামী এমন তথ্য পুরান বা গীতা তে নেই।ॐ卐
●●কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম গেছে, অনেক বিয়ে করেছে দৈহিকতারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে এসবকি সৃষ্টিকতার কর্ম?
☆--- শ্রী রাম মানব রুপে জন্মেছেন।আদতে তিনি ছিলেন বিষ্ণুর অবতার, দুষ্টদের দমন করতেই তার ইহলোকে আসা। তাই কর্মসূত্রে মানবীয় গুনাবলি পালন করতেন। আর কখনই রাম বহুবিবাহ করেননি।ॐ卐
●●যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন? তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে?
☆----আগেই বলেছি রাম মানবরুপে জন্মেছেন। তাই মানবীয় গুনাবলি মেনেছেন। আর আল্লাহও কিন্তু জিবরাইলের সাহায্যে নবীর কাছে আয়াত পাঠিয়েছেন।যদিওশয়তান মাঝে মাঝে ডিস্টার্ব করত।ॐ卐
●●রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন অকারনে খুন করলেন যেখানে রামের সাথে তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা? সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব?
☆-----রাম হনুমানের ভাইকে হত্যা করেননি। হত্যা করেছেন সুগ্রীবের ভাই বালিকে।কারণ বালি সুগ্রীরের স্ত্রীকে বন্দী রেখেছিলো।ॐ卐
●●কৃষ্ণ একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন?
☆-----আপনার কথার উৎস কি ? মহাভারত নাকি ভাগবত ??বড়ুচন্ডীদাস ও মধুসুদন দও এর লেখা যথাক্রমে শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন আর মেঘনাদ বধ কাব্য(যেগুলোতে অনেক কাহিনী বিকৃত করে দেয়া)!! তা আপনি হাজার বছর আগের আসল বই মহাভারত, ভাগবত না পড়ে আপনি কয়েকটা বিকৃত বই পড়ে এই মন্তব্য করাটা কতটা যৌক্তিক?? শ্রীকৃষ্ণ তখন ১০বছরের কম বয়সের । তখনকার সময় কিছু লোক সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করত!যেটা পাপ। তাই শ্রীকৃষ্ণ তখন ওই মেয়েদের কাপড় চুরি করেন। পরবর্তীতে ওই মেয়েদের প্রতিজ্ঞা করান,যে তারা যেন আর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান না করে,এটা পাপ।তাছাড়া শ্রীকৃষ্ণ নগ্ন হয়ে
স্নান করায় দুই গাছরূপী (নন্দরাজের
বাড়িতে)পাপী পুরুষকে তাদের
শাস্তি ভোগার পর মুক্তি দেন।এ
নিয়ে কাহিনী হলঃদুই পুরুষ একবার
সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করে তখন ওই
দিক দিয়ে দেবর্ষি নারদ যান।তখন
দেবর্ষি নারদ সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে
স্নানের কারণে ওই পুরুষদেরকে গাছ
হওয়ার
অভিশাপ দেন।পরবর্তীতে ওই দুই পুরুষ
গাছ হয়ে
নন্দরাজের বাড়ির উঠানে জন্মেছিল
এবং বহুকাল শাস্তি ভোগার পর
শ্রীকৃষ্ণ তাদের মুক্তি দেন। এছাড়াও
মহাভারতে দূর্যোধনকে মায়ের
সামনে নগ্ন হয়ে যেতে নিষেধ করেন।ॐ卐
সত্যের জয় হোক
Pakistani flag in Kolkata
কলকাতার পার্কসার্কাসে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে কিছু মুসলিম ঘুরছে । চারটি থানা এই কেস ধামাচাপা দিতে চাইছে । গোপনসূত্রে খবর । যদি পার্কসার্কাস এলাকার কেউ এই পোষ্টটা দেখে থাকেন তাহলে নিজের চোখে দেখে আসুন ।
Weak up Hindu
জেগে উঠুন,,আমার হিন্দু ভাই-বোনেরা,,,আরদেরি হোলে নতুন কোরে আবার উদ্বাস্তু হতে হবে,,সব ভুলে শুধু হিন্দু হোয়ে বাচুন,,,ওই সেলিম গাজির মত হাজার জিহাদি আজ গ্রাস কোরতে চলেছে আমাদের সংস্কৃতি,,, আজ টুকটুকি,সুপ র্না,,,কাল আমাদের বাড়ির মেয়ে,,,এই জিহাদি কবল থেকে রক্ষা পাবার একমাত্র রাস্তা,,,নিজেদের স্বাভিমান,সংস্কৃতি, আত্ম-ম র্যাদা কে অক্ষুন্ন রেখে,জামাত জিহাদি দের উপযুক্ত জবাব দেওয়া,,,,রাজনীতির উর্ধে উঠে শুধু "আমি হিন্দু" হিন্দুত্ব ই আমার একমাত্র পরিচয়,,এই ম ন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হোন,,,তবেই বাঁচবে আমার ঘর,আমার সমাজ,আমার দেশ,,, রাষ্ট্র পুনঃ নির্মানে এগিয়ে চলুন।।
Subscribe to:
Posts (Atom)