হিন্দু সংহতির নেতৃত্বে সারা বিশ্বের হিন্দুরা যখন টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধার ও বাবুসোনা গাজীর গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠছে তখন খোদ পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্বের স্বঘোষিত ধ্বজাধারী RSS ও BJP আশ্চর্যজনক ভাবে নীরব। কিন্তু কেন?
BJP- র নীরব থাকার কারণ অবশ্যই অপহরণকারী ধর্মীয় পরিচয়। BJP- র বিশ্বাস হিন্দুদের ভোট হল তাদের হাতের পাঁচ, সেটার জন্যে বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্ট্র্যাটেজী অনুসারে তারা মুসলিম ভোট যোগার করতে ব্যস্ত। তাই তাদের নেতা-নেত্রীরা, রাহুল সিনহা হোক বা শমীক ভট্টাচার্য, রুপা গাঙ্গুলী হোক বা বাবুল সুপ্রীয়, বারবার ছুটে যায় পাড়ুই বা সাত্তরে কিন্তু মল্লিকপুর, সমুদ্রগড় বা পঞ্চগ্রামে তাদের কাউকে যেতে দেখা যায় না। গার্ডেনরিচ এলাকায় কোন মুসলিম যুবক জুয়া খেলার বখরা নিয়ে সংঘর্ষে মারা গেলেও রাজ্য সভাপতি সাথে সাথে ছুটে যায় কিন্ত মগরাহাটের ১৪ বছরের টুকটুকি মন্ডল অপহরণ হবার দুইমাস পরেও উদ্ধার না হলে রাহুল সিনহা ও বিজেপির কিছু এসে যায় না কারণ, টুকটুকি যে হিন্দু। তাই জন অধিকার মঞ্চ আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় আমন্ত্রন জানালেও বিজেপি এড়িয়ে যায়, পাছে ভোট নষ্ট হয়।
আর এই রাজ্যে RSS-র হাল তো এখন বিজেপির লেজুড় বই আর কিছু নয় তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই BJP কে তৈলমর্দন করতে হয়। এমতাবস্থায় BJP-র পক্ষে বিরম্বনার হতে পারে এমন কোন আন্দোলনে সামিল হওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। অবশ্য টুকটুকি মন্ডল উদ্ধার আন্দোলনে RSS-র সামিল না হবার পিছনে আরও একটি কারণ আছে - সেটা হল তপন ঘোষ, হিন্দু সংহতির সভাপতি। RSS ভাবে আজ যদি তারা তাদের সংগঠন ছেড়ে চলে যাওয়া তপন ঘোষের সাথে একযোগে আন্দোলনে নামে তাহলে সেটা হবে তাদের পরাজয়। তপন ঘোষ একটা নতুন সংগঠন তৈরি করার মাত্র সাত বছরের মধ্যেই যেভাবে জনমানসে সাড়া ফেলেছেন সেটা RSS-র কাছে আতঙ্কের। তাদের হিন্দুত্বের একচ্ছত্র অধিকারে আজ প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে হিন্দু সংহতি। শাখা আর সংস্কারের গন্ডির বাইরে গিয়ে আক্রমণকারীদের উপর সরাসরি প্রত্যাঘাত করার হিন্দু সংহতির কার্যপদ্ধতি আজ বিভিন্ন জায়গায় ফলপ্রসূ হচ্ছে। তাই এক আতঙ্ক আজ বাংলার RSS কে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, দোকান চলবে তো? তাই তারা হিন্দু সংহতির নেতৃত্বে টুকটুকি মন্ডল উদ্ধার অভিযানে সামিল হয়নি। কারণ তারা জানে তাদের প্রচারিত পথের বিপড়িতে হেঁটেও হিন্দু সংহতি যদি টুকটুকিকে উদ্ধার করে ফেলতে পারে তাহলে তাদের দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা পাওয়া মুশকিল হবে।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 12 July 2015
Yoga and Ifter and Saqular
এই দেশে নাকি যোগ ব্যায়াম হল বিশাল বড় হিন্দুত্ববাদ । কিন্তু সেকুলার দল মানে হল ইফতার পার্টি দেওয়া । শুনলাম নাকি সব সেকুলার দল তাদের সেকুলার নেতা পাঠাবে ইফতার পার্টিতে । সেকুলার দলের সেকুলার নেতারা সেখানে সেকুলার ইফতার করবেন । সেকুলার ইফতার খেয়ে এই দেশের সেকুলার নেতারা সেকুলার ভাষণ দেবেন ।
কক্সবাজার শহরে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসত বাড়ী জবর দখলের চেষ্টা : এলাকায় উত্তেজনা
অজিত কুমার দাশ হিমু(৯ জুলাই) :: কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কে কতিপয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যূ ডাঃ হাসান মুরাদ গং কর্তৃক প্রশাসনকে ব্যবহার করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবছরের পুরনো ভোগ দখলীয় বসত বাড়ী (দেবত্তর সম্পত্তি) উচ্ছেদ করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৯ জুলাই দুপুর ১২টার সময় একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসত বাড়ী উচ্ছেদ করতে গেলে কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর ও স্থানীয় ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার জাবেদ মোঃ কাইছার নোবেল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গে অনুরোধের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। বর্তমানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম এলাকা হাসপাতাল সড়কের হিন্দু সম্প্রদায়ে লোকজনের কক্সবাজার মৌজার অর্পিত সম্পতি আইন এর গেজেটভুক্ত জমিতে শতবছর যাবত বসত বাড়ী উপলক্ষ্যে ভোগ দখলে করে আসছিল। বেশ কিছু দিন পূর্বে একই জমিতে জনৈক হাসান মাষ্টার আংশিক জমির দখল স্বত্ব ক্রয় করেন।
এর পর হতে পুরো জায়গাটি ওই হাসান মাষ্টারের ছেলে ডাঃ হাসান মুরাদ নামক ব্যক্তি তার নামে বন্দোবস্তী গ্রহন করেছেন মর্মে বলে ৯ জুলাই দুপুর ১২টার সময় হাসপাতাল সড়কস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বসত বাড়ী ভাংচুর ও নারী পুরুষদের গ্রেফতার করার হুমকি দিয়ে অর্পিত সম্পতি আইন এর গেজেটভুক্ত ওই জায়গা হতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনেক উচ্ছেদের চেষ্টা চালায়। এসময় কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর ও স্থানীয় ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার জাবেদ মোঃ কাইছার নোবেল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে অনুরোধ করলে, তা আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সময় দিয়ে চলে আসেন।
এই বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা বলেন, ওই জায়গা হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসত বাড়ী। তাছাড়া ওই জায়গা ইতিপূর্বে অর্পিত সম্পত্তি আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাই এই জমি অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রশাসন লিজ কিংবা বন্দোবস্তী প্রদান করার কোন সুযোগ নেই। হয়তো প্রশাসনকে মিথ্যাতথ্য দিয়ে এবং প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অবৈধ বসে নিয়ে বন্দোবস্ত হাসিল করেছে। যা কখনো আইন সম্মত হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, যদি উক্ত জায়গায় ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করার না হয়, তবে যে কোন মুহুর্তে একটি সাম্প্রদায়িক সংঘাত সহ যে কোন রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ হতে পারে। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসতবাড়ী উচ্ছেদ করার চেষ্টার প্রতিবাদে ৯জুলাই বিকাল ৪টায় কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। মিছিলোত্তর প্রতিবাদ সমাবেশ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক দাশ এর সঞ্চালনায় পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, হিন্দু বৌদ্ধ খৃীষ্টান ঐক্য পরিষদ কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দন শর্মা, জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি শহিদুল হক সোহেল, ডাঃ পরিমল কান্তি দাশ, এডভোকেট বাপ্পী শর্মা, সাংবাদিক বলরাম দাশ অনুপম প্রমুখ।
হিন্দু নেতৃবৃন্দরা বলেন, আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে এই বিষয়ে প্রশাসনিক কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা না হলে, সারা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করবেন।
আপনার মন্তব্য লিখুন... http://coxbangla.com/2015/07/%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%B8%E0%A6%AE/
১২৭ কোটি! জনবিস্ফোরণে চাপে দেশ ********************************** আর বেশি দেরি নেই। চিনের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ভারত। বছর তিরিশের মধ্যেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানে চলে যাবে চিন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উদ্বেগ বাড়িয়ে ভারতের জনসংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ১২৭ কোটি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশঙ্কা, দেশের জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৫০-এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হয়ে যাবে ভারত। শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৬৯। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭.২৫ শতাংশ মানুষের বসবাস ভারতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার চিনের থেকেও দ্রুত হচ্ছে। চিনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৩৯ কোটি। ভারতের এই ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, 'জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার যদি বজায় থাকে, তাহলে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা হবে ১৬৩ কোটি।' ২০১১ সালের গণনায় ভারতের জনসংখ্যা ছিল ১২১ কোটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা ব্রাজিলের প্রায় মোট জনসংখ্যার সমান।
১২৭ কোটি! জনবিস্ফোরণে চাপে দেশ
**********************************
আর বেশি দেরি নেই। চিনের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ভারত। বছর তিরিশের মধ্যেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানে চলে যাবে চিন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উদ্বেগ বাড়িয়ে ভারতের জনসংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ১২৭ কোটি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশঙ্কা, দেশের জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৫০-এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হয়ে যাবে ভারত।
শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৬৯। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭.২৫ শতাংশ মানুষের বসবাস ভারতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার চিনের থেকেও দ্রুত হচ্ছে। চিনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৩৯ কোটি।
ভারতের এই ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, 'জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার যদি বজায় থাকে, তাহলে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা হবে ১৬৩ কোটি।' ২০১১ সালের গণনায় ভারতের জনসংখ্যা ছিল ১২১ কোটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা ব্রাজিলের প্রায় মোট জনসংখ্যার সমান।
১২৭ কোটি! জনবিস্ফোরণে চাপে দেশ
১২৭ কোটি! জনবিস্ফোরণে চাপে দেশ
**********************************
আর বেশি দেরি নেই। চিনের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ভারত। বছর তিরিশের মধ্যেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানে চলে যাবে চিন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উদ্বেগ বাড়িয়ে ভারতের জনসংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ১২৭ কোটি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশঙ্কা, দেশের জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৫০-এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হয়ে যাবে ভারত।
শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৬৯। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭.২৫ শতাংশ মানুষের বসবাস ভারতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার চিনের থেকেও দ্রুত হচ্ছে। চিনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৩৯ কোটি।
ভারতের এই ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, 'জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার যদি বজায় থাকে, তাহলে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা হবে ১৬৩ কোটি।' ২০১১ সালের গণনায় ভারতের জনসংখ্যা ছিল ১২১ কোটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা ব্রাজিলের প্রায় মোট জনসংখ্যার সমান।
Hindu population in bangladesh 1951
১৯৫১ সালে বাংলাদেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিলো ২৩% এর মতো, বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী ০.৭% এবং খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী ০.৩%। আজ প্রায় ৬৫ বছর পরে বাংলাদেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী কমে হয়েছে প্রায় ৮%, কিন্তু আশ্চর্য জনক ভাবে বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী খানিকটা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে যথাক্রমে ১% এবং ০.৫%।
অন্যদিকে, ভারতের বর্তমান পপুলেশন সেনসাস বলছে ৭৮% হিন্দু ও ১৫% মুসলিম এবং ২০৫০ সাল নাগাদ হিন্দু পপুলেশন কমে ৭৪% হবে এবং মুসলিম জনগোষ্ঠী বেড়ে হবে ১৮% ...
বলুন কোন দেশ বেশী মুসলিম বান্ধব?
বলুন কোন দেশ বেশী হিন্দু বান্ধব?
বলুন কোন দেশ বেশী অসাম্প্রদায়িক?
Blogger Avijit,ananta
অভিজিৎ, বাবু, অনন্ত কে হত্যা করার অধিকার কারো নাই । আস্তিকতা চর্চার অধিকার থাকলে নাস্তিকতা চর্চার অধিকার ও থাকতে হবে ।
-- শালা নাস্তিক তুই তোর নাস্তিকতা নিয়ে থাক , আমার ধর্ম নিয়া তোর এত চুলকায় কেন । আমার ধর্ম নিয়ে চুলকাইলে তোর ও এরকম পরিনতি হবে ।
যাকাত নিতে গিয়ে ২৭ জন পদদলিত হয়ে মারা গিয়েছে । যাকাত শুধু মুসলিম দের দেয়ার নিয়ম আছে । অন্য ধর্মে কি গরীব নাই ? ইসলাম কেমন করে তবে সবার জন্য বিধান হয়? এই মৃত্যুর জন্য কে দায়ী আল্লাহ নাকি যাকাত দাতা নাকি যাকাতের জন্য যারা গিয়েছে তারা?
-- অল্প বিদ্যে ভয়ঙ্করী । আপনার ধর্ম নিয়ে আপনি থাকেন। যা জানেন না তা নিয়ে কথা বলবেন না । আপনার এতো ইসলাম নিয়ে চুলকায় কেন?
পুণ্যস্নান করতে গিয়ে লোক মরলে তেত্রিশ কোটি দেব দেবী কই থাকে?
-- আপনার ধর্ম নিয়ে থাকেন , আমার ধর্ম নিয়ে আপনাকে ভাপনাকে ভাবতে হবে না । যা জানেন না তা নিয়ে কথা বলবেন না ।
তসলিমা নাসরিন এর বাল কাটার খবর রাখো , তাঁর যৌবনের খবর রাখো আর প্রচার রাখো , কিন্তু তার অন্য খবর রাখো না , তাঁর লেখার খবর রাখো না , তাঁর প্রাপ্য সম্মানের খবর রাখো না । যতসব বালছাল ।
-- ছিঃ ছিঃ ছিঃ আপনার মা বোন নাই । মেয়েদের মুখে এরকম গালি বেমানান । (মনে হলো যেন তনার এই সব খবর আমি নেই আর প্রচার করি ।)
সমকামীতার পক্ষে কথা বলে যুক্তি দিলাম ।
-- আপনি কি সমকামী? / এরা নাস্তিক আর মুক্তমনা হইছে অবাধ যৌনাচারের জন্য । নাউযুবিল্লাহ !
বেশ্যালয়ের বিপক্ষে বা পতিতার পক্ষে পোষ্ট দিলে।
-- বুঝেছি আপনার জন্ম বেশ্যালয়ে ?/ তোর জন্মের ঠিক নাই । / পতিতালয় না থাকলে ধর্ষণ বাড়বে ।
ধর্ষণের বিপক্ষে পোষ্ট দিলে ।
-- খাবার খোলা থাকলে মাছি পরবেই / আপনার এতো চুলকায় কেন? / যে হারে ধর্ষণ ধর্ষণ নিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন , আপনি মনে হয় মানসিক বিকারগ্রস্থ ।
বাহ! বাহ! বাহ !
জগতে সব খুন , সব অন্যায় আর অপকর্ম ধার্মিক রা করে যাবে । কিন্তু প্রতিবাদ করা যাবে না , কিছু বলা যাবে না । বললে আপনি মূর্খ , জ্ঞানহীন , নির্বোধ আর পাপী বনে যাবেন । আর মেয়ে হলে তো কথাই মাই সেরের উপর সোয়া সের । আপনি খারাপ , নষ্টা ও বেশ্যা হতে এক মিনিট ও দেরি হবে না ।
আচ্ছা কিছু প্রশ্নঃ চাপাতি দিয়ে খুন কারা করে? পুণ্যস্নান এ মারা কারা পরে ? যাকাত নিতে গিয়ে মারা কারা পরে? বেশ্যালয়ে কারা যায়? নারীকে বেশ্যা কারা বানায়? তনাকে অপদস্থ কারা করে? সমকামী কারা হয়? এত এত ধর্ষণ কারা করে ?
উত্তরঃ নাস্তিক।
এবার আমার আস্তিক বন্ধুরা খুব খুশি হবেন আশা করি, হা হা হা ।
Subscribe to:
Posts (Atom)