Sunday, 12 July 2015

মিত্রগণ,প্রথমেইঅনুরোধ রইল-পোস্টটি দেখামাত্রই নিজ দায়িত্বে প্রচুর শেয়ার করবেন

মিত্রগণ,প্রথমেইঅনুরোধ রইল-পোস্টটি দেখামাত্রই নিজ দায়িত্বে প্রচুর শেয়ার করবেন।মসলমান ভাইরা কষ্ট পেলে কিছু করার নেই।আমরা sorry!এটা শুধুই হিন্দুদের মাঝে সত্যকে ছড়িয়ে দিয়ে পাপ কাজ থেকে সতর্ক করার প্রচেষ্টা। ছবিতে একটি শ্লোক আছে পবিত্র গীতা থেকে।ভগবান গীতার ৩য় অধ্যায়ের ৩৫ নং শ্লোকে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন-বিধর্মীদের অনুষ্ঠান বা উৎসব করা পাপ।তার থেকে নিজের ধর্মই শ্রেয়।এ শ্লোক যদি আপনারা একটু গভীরভাবে বিশ্লষণ করেন তবে দেখবনেন-ভগবান সেইসময়ই একটা জিনিস স্পষ্ট করেছিলেন যে,এ যুগে হিন্দু বাদেও আরও কিছু নষ্ট ধর্ম আসবে যা ধার্মিকদের ভুল পথে পরিচালিত করবে।আজ আমরা এর সত্যতা দেখতে পাচ্ছি।ইসলাম,খ্রিস্টানসহ নানা ভ্রান্ত ধর্ম মতবাদ এসেছে।ভগবান তাই এ যুগে হিন্দুদের ঐসব ভ্রান্ত নষ্ট শয়তানি মতবাদ থেকে দূরে রাখতে এ শ্লোকটি বর্ণনা করেছিলেন পবিত্র গীতায়। আমার এতসময়ের ব্যাখ্যার কারন একটাই,আর কদিন পড়েই মসলমানদের ঈদ।দেখাযাবে অনেক হিন্দু না বুঝেই তার মসলমান বন্ধুর(যদিও কোরানমতে হিন্দু কখনো মসলমানের বন্ধু নয়,জাস্ট কাফের!) সাথে ঈদের উৎসবে মাতবে,তাদের বাড়িতে খাবে।এসব মহাপাপ একজন হিন্দুর জন্য।এসব করলে সে আর হিন্দু থাকবে না।তাই পবিত্র গীতার আলোকে মসলমানদের ঈদ আসার আগেই সব হিন্দুদের এ বিষয়ে সতর্ক করার জন্যই এ পোস্ট।নিজেকে গর্বিত হিন্দু ভাবলে আর ভগবানের পবিত্র গীতায় বিশ্বাস করলে-কোন হিন্দু মসলমানদের ঈদের অনুষ্ঠানে যাবেন না। ধন্যবাদ। হরেকৃষ্ণ। [সবাই শেয়ার করুন পোস্টটি।হিন্দুদের পাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে সতর্ক করুন।] হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#RSS

According to Media

মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বঙ্গ বিজেপির পরবর্তী সভানেত্রী হিসাবে রুপা গাঙ্গুলীকে মেনে নিতে এই রাজ্যের আরএসএসের কোনো আপত্তি নেই। এই রিপোর্ট সত্যি না মিথ্যা সেটা সময়ই বলবে তবে এই রিপোর্ট পরে যারা বিজেপি বা আরএসএসের মুন্ডুপাত করছেন, আমি তাদের দলে নই। আমি বরং বিজেপি ও আরএসএসের এই সিদ্ধান্তে খুশীই হয়েছি। ২০১১ জনগণনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২৭%। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষন স্থির করা সংক্রান্ত মামলায় স্বয়ং রাজ্য সরকার সুপ্রীম কোর্টে হলপনামা দিয়ে বলেছিল যে রাজ্যের এক তৃতীয়াংশ লোকের ভাবাবেগকে আহত করে রমজান মাসের সময় ভোট নেয়া সমীচীন হবে না। এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩৩%। তারমানে ২০১১ থেকে ২০১৩ - এই দুই বছরের মধ্যে রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যার হার বেড়েছে প্রায় ৬% অর্থাৎ ফি বছর ৩% হারে। এই অনুপাতে, আজ রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যার হার প্রায় ৪০ শতাংশের কাছাকাছি, তাই নয় কি? এমতাবস্থায়, এই রাজ্য মুসলিমবহুল হতে আর মাত্র তিন থেকে চার বছর বাকি। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের আরএসএস ও বিজেপি যে গুজরাট দাঙ্গার মুখ কুতুবুদ্দিনের হাতে রাখী বেঁধে দেয়া রুপা গাঙ্গুলীকেই দলীয় মুখ হিসাবে তুলে ধরবে এটাই তো স্বাভাবিক। মাসখানেক আগে আরএসএসের পক্ষ থেকে মুসলিমদের বাড়ি বাড়ি চিঠি পাঠিয়ে আরএসএসে সম্পর্কে তাদের ধারণা বদলানোর যে কর্মসূচি নেয়া হয়েছিল সেটাও তো আগামী দিনের পরিস্থিতির কথা ভেবেই। এই কারণেই রুপা গাঙ্গুলীকে গত ১০ই জুলাই টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধারের দাবীতে জন অধিকার মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগদান করার আমন্ত্রণ জানালে তিনি সেটা গ্রহণ করেন না, কারণ টুকটুকির অপহরণকারীর নাম যে বাবুসোনা গাজী। তাই তিনি মল্লিকপুর, কালীগঞ্জ, সমুদ্রগড় বা পঞ্চগ্রাম না গিয়ে ছুটে যান পাড়ুই বা সাত্তোরে। আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি কি হবে সেটা ভেবে বঙ্গ আরএসএস ও বিজেপি যে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সবার উচিত সেটাকে সাধুবাদ জানানো। টুকটুকি মন্ডল উদ্ধারের মত ছোটখাটো বিষয়ে নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতার অপচয় না করার জন্যে আরএসএসের দুরদৃষ্টির প্রশংসা করা উচিত কারণ এই রাজ্যে সেই দিন আর বেশী দূরে নয় যখন প্রতিটা হিন্দু বাড়িতেই টুকটুকির জন্ম হবে।

কথাগুলো অপ্রিয় হলে ও সত্য

কথাগুলো অপ্রিয় হলে ও সত্য<<<<<<<<<<<<<<<<আধুনিক মুসলিমরা নামাজ পড়তে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দুরা পূজা করতে লজ্জাবোধ করে!!! আধুনিক মুসলিমরা রোজা রাখতে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দুরা একাদশী করতে অপছন্দ করে!!!! আধুনিক মুসলিম মেয়েরা বোরখা আর নামাজ পড়তে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু মেয়েরা বৈদিক পোশাক আর পূজা করতে দ্বিধাবোধ করে!!!! আধুনিক মুসলিমরা তাদের সন্তানকে বাসাতে টাকা দিয়ে হুজুর রেখে কোরান পড়ান¤¤¤¤অপরদিকেআধুনিক হিন্দুরা টাকা তো দূরের কথা বিনা পয়সায় মন্দিরে গিয়ে গীতাও পড়ান না বরং মেয়েকে ভর্তি করান নাচানাচির স্কুলে!!!! আধুনিক মুসলিম মেয়েরা কোরানের কথা শুনলে অনেক শান্তি অনুভব করে ¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু ছেলে মেয়েরা গীতার কথা শুনলে মনে হয় তাদের গায়ে জ্বর আসে!!!! আধুনিক হুজুররা নিজের ধর্মকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মসজিদে বসে অন্য মোসল্লিকে শিক্ষা দেন কি করে এবং কোন ছলনা প্রয়োগ করে কাফের অর্থাৎ হিন্দুকে মুসলিম বানানো যায়¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক মন্দিরের ব্রাহ্মন পূজারিরা শুধু মায়ের মন্দিরের পাঠা বলি আর প্রণামির বাক্সের উপর নজর ছাড়া হিন্দু অধিকার রক্ষা তো দূরে থাকুক ধর্মান্তরিত হওয়ার পথে চলে যাওয়া হিন্দু মেয়েকে পর্যন্ত বাঁধা দিতে উদাসিন তবে এরা পুরোহিত!!!! আধুনিক মুসলিমদের একজনকে কোন হিন্দু যদি কিছু ভূলেও বলে তবে এরা মসজিদে গিয়ে দল বেঁধে বলে নাওরায়ে তাকবির আল্লাহ ওয়াক বর অর্থাৎ আল্লাহ আমি তোমার নামে কাফের তথা হিন্দু হত্যায় নামছি¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু সমাজে এক হিন্দুকে কোন মুসলিম মারলে অন্য হিন্দু কাপুরুষের মত চুপ করে থাকে আর সমাজ আর মন্দিরের পুরোহিত কর্তা বাবু তো সকলকে মন্দিরে জমায়েত না করে নিজেই মোল্লার গোলাম হয়ে যান!!!! এইভাবে চলতে থাকলে ভীতু হিন্দু ছেলেকে এরিয়ে হিন্দু মেয়েরা মুসলিমকে বিয়ে করবে এটাতো স্বাভাবিক। আর হিন্দুরা মুসলিমদের বলির পাঠা হবে এটাই স্বাভাবিক ।ইস্কন ও প্রযুক্তি তথা ফেইসবুক,ব্লগার ও পেইজ এগুলো যদি উদ্ভাবন না হতো বর্তমানে হিন্দু বলতে যে একটা ধর্ম আছে সেটা দেখতে বোধয় যাদু ঘরে মানুষ জমায়েত হতো !!! আসুন প্রত্যেকে প্রত্যেকর জায়গা থেকে হিন্দুত্ববাদ আর হিন্দু ঐক্য গঠন করি আর যেখানে ও যেই অবস্থায় হিন্দু মেয়েকে ধর্মান্তরিত হতে দেখবেন তাকে ছল বল ও কৌশলে বাঁধা প্রদান করবেন । মনে রাখবেন হিন্দু বাঁচলে দেশ বাঁচবে আর দেশ বাঁচলে ধর্ম বাঁচবে ।

মাদ্রাসা-সিলেবাসে ইসলামি যুগের গুরুত্ব, প্রশ্নে সঙ্ঘ:

ঝিলম করঞ্জাই মহেঞ্জোদাড়ো-হরপ্পায় প্রাক-বৈদিক সভ্যতা, সম্রাট অশোক বা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে বাদ দিয়ে কি লেখা সম্ভব ভারতবর্ষের ইতিহাস? গুপ্তযুগ, কুষাণ যুগকে বাদ দিয়ে সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠা থেকেই কি সূচনা হতে পারে কোনও ইতিহাস বই? উত্তর জানতে খুব শিগগিরই আদালতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ৷ তাদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের নবম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে প্রাচীন যুগকে বাদ দিয়ে, সরাসরি ইসলামি যুগ থেকেই শুরু হচ্ছে পঠনপাঠন৷ সঙ্ঘের মত, ইতিহাসের বিকৃতি ঘটানো হচ্ছে মাদ্রাসাবোর্ডের সিলেবাসে৷ ভারতীয় সভ্যতার বিকাশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মাদ্রাসার পড়ুয়াদের৷ এই অভিযোগে আগামী সন্তাহেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে সঙ্ঘের একটি সহযোগী সংগঠন৷ নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই আরএসএস-এর নানা কর্মসূচি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে৷ শিক্ষাক্ষেত্রে গৈরিকীকরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন অমর্ত্য সেনের মতো শিক্ষাবিদ৷ সঙ্ঘ পরিবারের ঘর ওয়াপসি কর্মসূচি উদ্বেগ বাড়িয়েছে সংখ্যালঘুদের৷ পুনের এফটিআইআইয়ের সঙ্ঘ পরিবারের পছন্দের গজেন্দ্র চৌহানকে চেয়ারম্যান করায় ছাত্রছাত্রীদের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়লেও অনড় বিজেপি সরকার৷ এর মধ্যেই মাদ্রাসা বোর্ডের সিলেবাস নিয়ে সঙ্ঘ পরিবারের এই সিদ্ধান্তে প্রশ্ন জেগেছে নানা মহলে৷ সঙ্ঘের বক্তব্য, যে ইতিহাস দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ানো হচ্ছে তা খণ্ডিত৷ এর পরিবর্তন দরকার৷ এই লক্ষ্যে শুধু মাদ্রাসার সিলেবাস পর্যালোচনা নয়, সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতির মানদণ্ড নিয়েও সরব হয়েছে তারা৷ তাদের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পরিচালনাধীন হলেই কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই স্বীকৃতি দেওয়ার চলতি সাংবিধানিক বিধানের পরিবর্তন দরকার৷ তাদের বক্তব্য, যে প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের সিংহভাগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সেগুলিরই শুধুমাত্র এই স্বীকৃতি পাওয়া উচিত৷ এই দাবি নিয়ে আগামী মাসেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে আরএসএস-এর সহযোগী সংগঠন ভারতীয় শিক্ষণমণ্ডলী৷ মাদ্রাসার ইতিহাসের সিলেবাস নিয়ে কোন সংগঠন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে তা এখনও স্থির হয়নি৷ শুক্রবার আরএসএস-এর দক্ষিণবঙ্গের কার্যবহ জিষ্ণু বসু বলেন, 'মাদ্রাসায় যে ভাবে খণ্ডিত ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে তা বিপজ্জনক৷ আমার মনে হয় দায়িত্বশীল নাগরিকদের উচিত আদালতের কাছে এ নিয়ে সুবিচার প্রার্থনা করা৷' সংবিধানের ৩০, ৩১ এ, ৩১ বি ও ৩১ সি ধারায় সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকার এবং সেগুলি কী ভাবে পরিচালিত হবে তা উল্লেখ রয়েছে৷ জিষ্ণু প্রশ্ন তুলেছেন যে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির জোরে কি বিকৃত ইতিহাস পড়ানো যায়? তবে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা পর্ষদের সচিব সৈয়দ নুরুস সালাম বলেন, 'পঞ্চম শ্রেণি থেকেই প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পড়ানো হয়৷ নবম-দশম শ্রেণিতে এই কারণে সমস্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ পুরো সিলেবাস প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ দিতে গঠিত এক্সপার্ট কমিটি প্রস্তুত করেছেন৷ কারও মতামত থাকলে আমরা তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত৷ সে ক্ষেত্রে ফের এক্সপার্ট কমিটির সুপারিশ চাওয়া হবে৷' সঙ্ঘের এই সিদ্ধান্তে রাজ্যে শিক্ষাবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে৷ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক সজ্জত আলম রিজভি বলেন, 'যে কোনও বিষয়কেই বস্তুনিষ্ঠ ভাবে পড়ানো উচিত৷ তবে ইতিহাসকে দেখার নানা আঙ্গিক রয়েছে৷ আরএসএস এক রকম ভাবে ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করে৷ আবার উত্তর আধুনিক ঐতিহাসিকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবে৷ এ ক্ষেত্রে কোনও বিতর্ক হয়ে থাকলে সিলেবাস পুনর্বিন্যাস করার দরকার রয়েছে কি না সেটা ভেবে দেখা উচিত৷' রিজভির কথায়, তিনি উত্তরপ্রদেশের এক মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন৷ সেখানে ভারতে সুলতানি যুগের আগে কী ছিল সেটা একেবারে ছাত্রাবস্থা থেকেই পড়ানো হয়েছিল৷ ইতিহাসবিদ রজতকান্ত রায় বলেন, 'মাদ্রাসা বোর্ডের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে৷ তাতে কারও হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই৷ আরএসএসের এক্তিয়ারে এটা পড়ে না৷ ওখানকার বেশিরভাগ পড়ুয়ারাই তো মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত৷ তাই তাদের কথা ভেবে যদি ইসলামি ইতিহাস বেশি গুরুত্ব পেয়ে থাকে, তাতে আপত্তি উঠবে কেন?' শিক্ষাবিদ মীরাতুন নাহার এ নিয়ে মতামত দিতে গিয়ে বলেন, 'ধর্ম আর দেশ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়৷ যদি সত্যিই এ রকম সিলেবাস করা হয়ে থাকে তা হলে বলব এটা ধর্মের কথা ভেবেই করা হয়েছে৷ আবার এর উল্টোদিকে যারা বিরোধিতা করছে, তারাও কিন্তু ধর্মের কারণেই করছে৷ যে দেশে বহু ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন সেখানে ইতিহাসকে সামগ্রিকতার বিচারেই দেখতে হবে৷ আমি কোনও পক্ষকেই সমর্থন করছি না৷' অধ্যাপক-বিধায়ক তরুণ নস্করের বক্তব্য, 'আরএসএস-এর হাতে যদি দেশের ইতিহাস লেখার দায়িত্ব যায়, তা হলে দেখা যাবে ওরা আর্য যুগের মধ্যেই ইতিহাসকে আটকে রাখবে৷ কারণ ওরা মনে করে জ্ঞান-বিজ্ঞান-অর্থনীতি-সহ সব কিছু ঘুরপাক খায় কেবল ওই আর্যদের সময়েই৷ কিন্তু ইতিহাসকে সার্বিকভাবেই দেখা উচিত৷'

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নীরব নির্যাতন চলছে:

গাফফার চৌধুরী জুয়েল রাজ, যুক্তরাজ্য Published : Friday, 29 May, 2015 at 4:37 PM বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন থামেনি, নীরব নির্যাতন এখনো চলছে। বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভের 'বুরুঙ্গা গণহত্যা দিবস' স্মরণে আয়োজিত সভায় গাফফার চৌধুরী বলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি ও তাদের দোসররা বাংলাদেশে যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তাঁর ধারাবাহিকতা শেষ হয়ে যায়নি। বাংলাদেশে এখনো প্রতিনিয়ত নীরবে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চলছে আর তা আওয়ামী লীগের নামধারীরাই চালিয়ে যাচ্ছে এখন। উদাহরণ হিসাবে সম্প্রতি সময়ে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি। গাফফার চৌধুরী আরো বলেন, এর দায়িত্ব আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের আর যাবার কোন জায়গা নাই। ভারতের মতো হিন্দু মহাসভা বা ভারতের মুসলমান নেতৃত্বের মতো কোন শক্তিশালী নেতৃত্ব ও নেই। হিন্দু- বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নামে একটা সংগঠন ছিল, যা এখন একটা নপুংসক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালে হিন্দু-মুসলিম সবাই নির্যাতিত হয়েছে। কিন্তু তুলনামূলক ভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়েছে বেশি। দেশের স্বার্থে হিন্দুদের টিকিয়ে রাখতে হবে। গাফফার চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে কাজে লাগাতে দেশজুড়ে হিন্দু সম্পত্তি মসজিদ মাদ্রাসার নামে দখল করে নিচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহল। যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব করছে। শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা আছে। প্রতিনিয়ত সংযোজন-বিয়োজন হচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও রাজাকারের কোন তালিকা তৈরী করা হয়নি। এই সুযোগে এদের উত্তরসূরীরা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করছে। তাই রাজাকারের তালিকাও এখন পর্যায়ক্রমে করা হবে। সভাপতি তাঁর সমাপনি বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ২৬ মে গণহত্যার স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি তখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম। আমার চোখের সামনে বুরুঙ্গার সেই বীভৎস ঘটনা ঘটেছে। আমার দুইজন শিক্ষকসহ গ্রামের প্রায় একশত লোককে সেদিন নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ক্ষোভের বিষয়, এই সব রাজাকার আলবদরের সন্তানরা এখন স্থানীয় আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আগামী প্রজন্মের জন্য এবং আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রাখার জন্য এখনি শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। বুরুঙ্গার মানুষ না হয়েও আপনারা আমার গ্রামের নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। ২৮শে মে পূর্ব লন্ডনের হ্যানবারি ষ্ট্রীটে বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ এর উদ্যেগে পালন করা হয় বুরুঙ্গা গণহত্যা দিবস। বুরুঙ্গা গ্রামের সাবেক মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরমান আলীর সভাপতিত্বে ও প্রজন্ম ৭১'র সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসাইনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য সাংবাদিক কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বালাগঞ্জ বিশ্বনাথে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা সুলতান শরীফ। বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ এর পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার সুশান্ত দাস গুপ্ত। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পুষ্পিতা গুপ্তা, আনহার মিয়া ব্যারিষ্টার শওগাতুল আনোয়ার খান সহ আরো অনেকে। ১৯৭১ সালের ২৫মে পাকহানাদার বাহিনীও তাদের স্থানীয় দোসররা বুরুঙ্গায় প্রবেশ করলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান ইনজেদ আলী লোক মারফত এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেন পাকবাহিনী কারো ক্ষতি করতে আসেনি। ঐদিন পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা মিলে এলাকায় বৈঠক করে। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয় পরদিন (২৬মে) শান্তি কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সভা করা হবে। সভায় সকলকে শান্তি কার্ড দেয়া হবে। আরো সিদ্ধান্ত হয় সভায় সকলের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্বাধীনতাবিরোধীরা মিলে সভায় উপস্থিতির জন্য গ্রামে জোর প্রচারণা চালায়। ২৬ মে সকালে মৃত্যু ভয় নিয়েও অনেকে বিদ্যালয় মাঠে এসে উপস্থিত হয়। সকাল ৯টার দিকে রাজাকার আব্দুল আহাদ চৌধুরী (ছাদ মিয়া), গৌছ মিয়া ডা. আব্দুল খালিকসহ পাক বাহিনীর ক্যাপ্টেন নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পাকিস্তানী সেনা জীপে চড়ে বুরুঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে (বর্তমান ইকবাল আহমদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ) অবস্থান নেয়। প্রথমে তারা তাদের পূর্বকল্পিত নকশা অনুযায়ী সবার উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। এ সময় পাক হানাদারদের একটি দল গ্রামে ঢুকে পুরুষদের মিটিং-এ আসার তাগিদ দিতে থাকে। সকাল ১০ টায় বিদ্যালয় মাঠে সমবেত লোকদের মধ্যে হিন্দু-মুসলমানকে আলাদা করা হয়। এ সময় পাক বাহিনী তাদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে কয়েকশ' মুসলমানকে কলেমা পড়িয়ে এবং পাকিস্তানের স্লোগান দিয়ে ছেড়ে দেয়। হিন্দুদের বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ও অবশিষ্ট মুসলমানদের দক্ষিণ দিকের একটি শ্রেণী কক্ষে রাখা হয়। পাকবাহিনী তাদের জিম্মায় থাকা মুসলমাদের নির্দেশ করে ৪ জন করে হিন্দুকে এক সঙ্গে বাঁধার জন্য। এ সময় গ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া ক্যাপ্টেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এটা ইসলাম বিরোধী কাজ। এখানে হিন্দুদের দাওয়াত করে আনা হয়েছে। ক্যাপ্টেন নূর উদ্দিন চেয়ারম্যানকে ধমক দিলে তিনি নিরব হয়ে যান। হিন্দুদের যে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল সেখানে একটি জানালা শ্রী নিবাস চক্রবর্ত্তী কৌশলে খুলে ফেলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল জানালা দিয়ে পালিয়ে যাবেন, কিন্তু পারেননি। এক সময় ঐ খোলা জানালা দিয়ে বুরুঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রীতি রঞ্জন চৌধুরী ও রানু মালাকার নামের এক যুবক পালানোর উদ্দেশ্যে লাফ দিয়ে দৌড়াতে শুরু করেন। এ সময় পাক সেনারা তাদের উপর বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়ে। ভাগ্যক্রমে দু’জনই নিরাপদ দুরত্বে চলে যেতে সক্ষম হন। দুপুর ১২ টার দিকে পাক সেনারা প্রায় শতাধিক লোককে বাধা অবস্থায় বিদ্যালয়ের মাঠে এনে ৩টি এলএমজির সামনে লাইনে দাঁড় করায়। ক্যাপ্টেন নূর উদ্দিন উপস্থিত সবাইকে মুজিব বাহিনীর দালাল আখ্যায়িত করে বলেন,

FaceBook Id Report রিপোর্ট

কাজী আনাম বেশ কিছুদিন ভালই ছিলাম বাট আজ আবারও কারো কারো রোষানলে পড়ে গেছি। রিপোর্ট করা হচ্ছে, আমার লেখা পিক নাকি ন্যুডিটি কন্টেইন করে। কারা রিপোর্ট করছে যারা ৭২ নুড অল্প বয়সী মেয়ের চিন্তায় বিভোর থেকে দিন পার করে। যারা পোষাক পরিহিত নারী দেখলেও ভাবে এর নিচে একটা নুড যোনি আছে, দুইটা নুড স্তন আছে, এগুলা ভাবতেই উত্তেজিত হয়ে ঝাপাই পরে তাই রিপোর্ট করছে। আমি কাউকে কমেন্ট করতে বলছি না, আপাতত ওটা দরকার নেই, তবে কি করে টিকে থাকা যায়? কেউ কেউ পেইজ খুলতে বলছেন, তবে আমার মত মানুষের ফ্যান পেইজ ভাবতেই লজ্জা পাই, রোজ ভাবি খুলে ফেলব, আবার লজ্জায় গুটিয়ে যাই। কি করা উচিত? প্লীজ সাজেস্ট।

বিগত ৩৪+৪ বছরে আমরা কি পেলাম!

আসুন দেখি বিগত ৩৪+৪ বছরে আমরা কি পেলাম! অবিশাস্ব হলেও সত্যি, বিগত ৩৮ বছরে আমাদের পাওনা শুধুই জল আর জল। ৩৪ বছর যারা শাষন করে গেলেন, তারা এখন বলছেন "আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি," কিন্তু কই সেই উন্নয়ন? উন্নয়ন কি বাতাস এর মতন নাকি? যে চোখে দেখা যায় না? আর যে জিনিষ চোখে দেখা যায় না অথবা অনুভব করা যায়না, সেটা আপনারা করলেনই বা কি করে? একটু বৃষ্টি হাটু জল হয় তাও খাস রাজধানী কলকাতাতে। এটা তো আপনাদেরই লজ্জা, কিন্তু তাও আপনাদের লজ্জা শরম বলতে কিছু নেই, যদি থাকত তাহলে মিথ্যা উন্নয়নের ভাষন দিতেন না আর। বাকি ৪ বছর টাও একটু দেখা যাক। ইনি নাকি আবার কলকাতা কে লন্ডন বানাবেন, আরে ম্যাডাম কলকাতা কে লন্ডন ফন্ডন না বানিয়ে, মানুষের বাস যোগ্য করে তুলুন আগে। আপনার খাতায় হয়ত লন্ডন বানানোর কাজ ৯৯% হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের চোখে ১% ও হয়নি। প্রাক্তন এবং বর্তমান মেয়রের এলাকার জল সরাতে পারেন নি উনি। আবার ইনিই নাকি উন্নয়ন করে উল্টে দিচ্ছেন। আপনারা একটাইই কাজ পারেন সেটা হল "ভাওতা বাজি" এসব উন্নয়ন আপনাদের দারা হবেনা। যতদিন আছেন লুটে পুটে খেয়ে নেন। কারন একবার গেলে আর ফিরতে পারবেন না।