আওয়ামীলীগ নেতাদের অত্যাচারে আতঙ্কিত যশোরের হিন্দুরা!!!!!!
চলতি ছয় মাসে যশোরে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বেশ কয়েকটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেকটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্প্রতি বাঁওড় দখলে নিতে চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু পরিবারের দু’জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তেরজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে সদর উপজেলার বুকভরা ও শার্শার বাহাদুরপুর গ্রামে আরও দুটি নির্যাতনের ঘটনায় ১১৬টি হিন্দু পরিবার জিম্মি ও ৩১টি পরিবার দেশ ছাড়া হয়েছেন। এমন অভিযোগ নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর। প্রত্যেকটি ঘটনার পর গণমাধ্যম সোচ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায় অভিযুক্তরা। এতে হিন্দুপল্লীতে আতংক বিরাজ করছে। জানা গেছে, ১ জুলাই চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বল্লভপুর বাঁওড় অফিস থেকে দু’জনকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহতরা হলেন- বল্লভপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি ও নিমাই বিশ্বাসের ছেলে কার্তিক বিশ্বাস এবং সমিতির সম্পাদক ও বল্লভপুর গ্রামের হরিপদ রায়ের ছেলে সরজিত রায়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কার্তিক বিশ্বাস শনিবার সকালে বলেন, ‘বল্লভপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে আমরা জেলা প্রশাসন থেকে বাঁওড় তিন বছরের জন্য ইজারা নিয়েছি। বুধবার মাছের পোনা ছাড়ার (অবমুক্ত) জন্য এক গাড়ি মাছ নিয়ে বাঁওড়ে যাই।’ এ সময় সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে তোতা মিয়া, আইজেল হক, মোহাম্মদ আলী বাটুল, হাসেম আলী, আবদুল মাজিদ, আরশাদ আলী, আব্দার, সরজেদ, আবদুল খালেক, আলমগীর হোসেন, সাহাঙ্গীর আলমসহ একদল দুর্বৃত্ত বাঁওড়ের অফিসে হামলা চালায়।তিনি বলেন, ‘এ সময় তারা সরজিতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আমাদেরকে মেম্বারের বাড়িতে আটকে রেখে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে বাঁওড় লিখে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। আমরা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে রাজি না হওয়ায় আরও বেশি নির্যাতন চালানো হয়। পরে পুলিশ আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।’এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে চৌগাছা থানায় মামলা হয়েছে। এখনও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাঁওড়পারের হিন্দুপরিবারগুলো।এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা জানান, সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের মেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ও সবুজের নির্যাতনে চান্দুটিয়া গ্রামের ১১৬টি হিন্দু পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। ১৯ ফেব্র”য়ারি বুকভরা বাঁওড়ের ইজারাদার রবিন বিশ্বাস ও সঞ্জয় বিশ্বাসকে ধরে নিয়ে রাস্তার পাশের বাগানে আটকে মারধর করে মেম্বার মোস্তফা ও তার বাহিনী। বাঁওড় দখলে নিতে তারা এ নির্যাতন চালায়। এছাড়া শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও তার বাহিনীর অত্যাচারে পাঁচ বছরে শাখারিপোতা গ্রামের ৩১টি হিন্দু পরিবার দেশ ছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এখন তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকার আরও ২০০ মানুষ। তার বাহিনীর লোকজন কয়েক মাস আগে শাখারিপোতা গ্রামের রবীন্দ্রনাথকে (রবেন) তুলে নিয়ে যায়। এসময় রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী ও মেয়ে তার পায়ে পড়লে নির্যাতন করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। জন্মাষ্টমীর দিন রবীন্দ্রনাথ তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেনাপোল পাটবাড়ি মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে সবকিছু ফেলে রেখে ভারতে পালিয়ে যায়। শুধু রবীন্দ্রনাথই নয় তার মতো নির্যাতনের শিকার পরিতোষ দাস, গোপীনাথ দাস, গদাই দাস, শীতল পাত্র, রেপকী দাস, সাধন কুমার, সোনাচাঁদ, মনোহর বিশ্বাস, খিতিব চন্দ্র, দুলাল, কানাইসহ ৩১ পরিবার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মফিজুর রহমান ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কথা লিখে প্রধানমন্ত্রী, পুলিশের আইজিপি, ডিআইজি, র্যাব সদর দফতর ও পুলিশ সুপার বরাবর পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রতিকার হয়নি। যশোর জেলা সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি প্রসেনজিৎ ঠাকুর বলেন, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত হামলা-দখল করছে। ভয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটনাগুলো ধাপাচাপা পড়ে যায়। যে ঘটনাগুলো গণমাধ্যমে আসে সেগুলোও থমকে যায় ক্ষমতাসীনদের চাপে। ফলে আপসের নামে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষগুলো।
http://thebdtimes24.com/যশোরে-আওয়ামী-লীগ-নেতাদের#.VZtz9dBxVzR
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 12 July 2015
পাক সার জমিন সাদ বাদ --হুমায়ন আজাদ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ" --হুমায়ন আজাদ (পর্ব ১)
----------------------------------------------------------
আমরা ইছলামি জিহাদে বিশ্বাস করি। সব মুছলমানের জন্য এটা ফরজ।
আমরা বিশ্বাস করি যতদিন না পৃথিবীর সমস্ত কাফের ইছলামে ইমান আনবে, ততদিন আমাদের জিহাদ চালিয়ে যেতে হবে; জিহাদ পরম রহমানির রহিম আল্লার নির্দেশ, তা আমরা হরফে হরফে পালন করব; নিজেদের বুকের খুন দিয়ে, কাফেরদের বুকের খুন নিয়ে। আমরা কোনো ভন্ডামোতে বিশ্বাস করি না; ভন্ডামো হচ্ছে নাছারাদের, মালাউনদের ধর্ম ও কর্ম; তবে অনেক ভন্ড আছে, যারা মুসলমানের ছদ্মবেশ পরে আছে, তারা মহান আল্লার বানীর ব্যাখ্যা দেয় শয়তানের মত,-- তারা শয়তান, তারা শয়তানের ছহবতে উতপন্ন ; তারা বলে, ইছলামে আর গনতন্ত্রে কোনো বিরোধ নাই। যারা একথা বলে তারা কাফের, তারা মুর্তাদ। ইছলাম হচ্ছে আল্লার, গনতন্ত্র সমাজতন্ত্র নামের খানকিবৃত্তি হচ্ছে কাফেরদের,নাছারাদের, ইহুদিদের,খ্রীস্টানদের; কাফেরদের ধ্বংস করা হচ্ছে রাহমানির রহিম আল্লাতালার অকাট্য নির্দেশ। ধ্বংস করতে হবে নিরন্তর, নিদ্রাহীন,বিরামহীন জেহাদের মাধ্যমে। আল্লা-রছুলের বানী সঠিক বুঝেছিলেন হজরত আবু আলা মওদুদি ও আয়াতুল্লা খোমেনি, বেহেশতে তারা শ্রেস্ট স্থান পাবেন। একসময় আমি সাম্যবাদ ও সর্বহারা করেছি-- নাউজুবিল্লা,-- মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-ট্রটস্কি-স্ট্যালিন-মাওসেতুং নামের কতকগুলি ইবলিশ,শয়তান,ডেভিলের,মেফিস্তোর বই পড়েছি; মনে করেছি শ্রেনী সংগ্রামই আসল কথা,সর্বহারার একনায়কতন্ত্র স্থাপনই ইতিহাসের বিজ্ঞান-- নাউজুবিল্লা; তারপর পাক ইছলামের পবিত্র কিতাবগুলো পড়ে বুঝতে পারি আমি কাফের হয়ে গিয়েছিলাম, মুর্তাদ হয়ে গিয়েছিলাম,চরম ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম। এই বইগুলো পড়া সহজ বোঝাও সহজ; কোনো কচাকচি নেই, আছে চরম সত্য, আছে চরম নির্দেশ; আমি তাওবা করে ইছলামে ফিরে আসি, যেমন ফিরে এসেছেন আমার অনেক নেতা, প্রায় সব নেতা, যারা সাম্যবাদের জন্য নিজেদের কোরবানি করেছিলেন, এখন তারা অন্যরকমে বলি হয়ে গেছেন। ওই কুফরি থেকে আমাকে উদ্ধার করে ' জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টি '। হজরত আবু আলা মাওদুদি ও আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির কিতাব পড়ে আমি বুঝতে পারি খাটি ইছলামকে; আমার দিল বদলে যায়, আমি পাক হয়ে উঠি, জিহাদি হয়ে উঠি।।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত
বাংলাদেশে ভারতীয় সঙ্গীতকে কলারটিউন রাখা চলবে না এমনই রায় দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট । বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তর প্রতিবাদ করছে ভারতবাসীরা । ভারতবাসীরা যেহেতু দাবী তুলছে তাহলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত থাকবে কেন? এই প্রশ্নের জবাব হিসাবে বাংলাদেশ হাইকোর্ট "টুনির মা" সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষনা করতে চলেছে খুব শ্রীঘ্রই ।
Rss সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত মানুষেরা সৎ ও সাহসী হয়
সঙ্ঘ মানুষের মত মানুষ তৈরী করে,সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত মানুষেরা সৎ ও সাহসী হয়,সঙ্ঘের মানুষের সংগঠন গড়তে জানে এর হাজারো প্রমান রয়েছে । একজন ক্ষুদ্র চা-ওয়ালাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে সক্ষম সঙ্ঘ । একজন ক্ষুদ্র সংয়সেবক হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্ঘ প্রধানকে একটা প্রশ্ন- আজ বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বুকে সঙ্ঘের শাখাতে ভারতমাতার পুজো করে সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ তার মধ্যে একজনও কি রাজ্য বিজেপির সভাপতি হওয়ার যোগ্য নয়? যে একজন সেকুলার বামপন্থীকে রাজ্য সভাপতি করার সম্মতি দিলেন আপনারা । যদি এই সিদ্ধান্ত আপনাদের সঠিক বলে মনে হয় তাহলে আমাদের কে হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কেন? কেনই বা বলেছিলেন শাখা মানুষ তৈরীর কারখানা । তাহলে এতবছর ধরে রাজ্য চালানোর একজন মানুষ তৈরী করতে কি আপনারা ব্যার্থ হলেন? আপনাদের উওরের আশায় থাকলাম ।
গাভীর বাচ্ছা প্রস্রব ঐক্য পরিষদের বিবৃতি:
মন্ত্রীর হিন্দু বাড়ী দখলের নিন্দা-প্রতিবাদ
বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, ও বাংলাদেশ হিন্দু ফোরাম এবং আরো কিছু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন তার পাশের হিন্দু বাড়িটি জোর করে দখল করে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি খবরে গভীর দু:খ প্রকাশ করে এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন একইভাবে ফরিদপুরে অনেকগুলো হিন্দু বাড়ী জবর দখল করেছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। নেতৃবৃন্দ একই সাথে অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন ফরিদপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তারা অবরুদ্ধ পরিবারটিকে বাচানোর জন্যে আহবান জানান।
উল্লেখ্য, ইন্টারনেট ও কনফারেন্স কলে এসব স্বাক্ষর নেয়া হয়। বাংলাদেশের অনেকে এতে স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে তাদের নামগুলো বাদ দেয়া হয়েছে, কারণ মোশারফ সাহেবের হাত অনেক লম্বা। সামাজিক মাধ্যমে হিন্দু বাড়ী জবরদখলের এই সংবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এবং কানাডার শুধুমাত্র একজনের ফেসবুকে ৫৫০-এর বেশি শেয়ার হয়েছে। এতকিছুর পরও সরকার বা সংশ্লিস্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কিছু বলা হচ্ছেনা। অথচ দুইবার এই আবেদন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী মোশাররফ সাহেবের কাছেও পাঠানো হয়েছে ।
বিব্র্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, শিতাংশু গুহ, যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ; তরুণ চৌধুরী, সভাপতি, ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; উদয়ন বড়ুয়া, সভাপতি, ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; অরুণ বড়ুয়া, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, জেনেভা; চিত্রা পাল, হিন্দু ফোরাম, সুইডেন; দিলীপ কর্মকার, ঐক্য পরিষদ, কানাডা; স্বদেশ বড়ুয়া, সভাপতি, ফ্রান্স ঐক্য পরিষদ; ড: সান্তায়ন কবিরাজ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, লন্ডন; ড: মোহিত রয়, ক্যাম্ব, কলকাতা; রবিন গুহ, রাশিয়া; ডাক্তার রবীন্দ্রনাথ দাশ, মরিশাস; কার্তিক ঘোষ, ইতালী; মৃনাল মজুমদার, জার্মানি; পুস্পিতা গুপ্ত, লন্ডন, তুষার কান্তি সরকার, ফিনল্যান্ড; সুরঞ্জিত গুপ্ত, লোকনাথ মিশন, লন্ডন; প্রবীর মৈত্র, সভাপতি, অস্ট্রেলিয়ান ফোরাম ফর মায়নরিটিজ ইন বাংলাদেশ; মানস রয়, ক্যালিফোর্নিয়া;পবিত্র চৌধুরী, নিউইয়র্ক; সুভাষ রায়, নয়াদিল্লী; কবিতা চাকমা, অস্ট্রেলিয়া, শশাঙ্ক দাশগুপ্ত, আমেরিকা, শিবাজী রায় ও ভবানী কাশ্যপ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কাউন্সিল ওয়ার্ল্ড চ্যাপ্টার, তুলসী রায়, বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ পরিষদ, ফ্রান্স; দূর্গা ভট্টাচায্য, আমেরিকা; যয়েল কর্মকার প্রমুখ।
খবরটি নিন্মরূপ:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরিবারটিকে বাঁচান
বাড়িটি ফারিদপুরের ঝিলটুলিতে রাজেন্দ্র কলেজ হিন্দু হোস্টেলের বিপরীতে অবস্থিত যা প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন-র বাড়ীর সাথে লাগোয়া। ওই বাড়ীটির নাম দয়াময়ী আশ্রম যা ভাজনডাঙার জমিদার সতিশচন্দ্র গুহ মজুমদার-এর, যিনি রাজন্দ্র কলেজের উদ্যোক্তাদের অন্যতম। উক্ত জমিদার পরিবারের একমাত্র সদস্য অরুণ গুহ মজুমদারের পরিবার এবং একমাত্র মেয়ে তুলি মজুমদার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে। অরুণবাবু-মোশারফরা বাল্যবন্ধু! বাড়িটি বর্তমানে অর্পিত সম্পত্তি, যা অনেক আগেই মোশারফ সাহেব নিজেই করিয়ে রেখেছিলেন। বর্তমান অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যাবর্তন আইন আংশিক কার্যকর হবার কারণে বাড়িটি আরুন বাবু পেতে যাচ্ছেন। বাড়িটি প্রায় ৩ একর জায়গা জুড়ে যার বর্তমান দাম কয়েক কোটি টাকা, যাতে একটি দ্বিতল পুরাতন ভবন আর একটি পুরান মন্দির রয়েছে।
গত ক’দিন আগে মোশারফ হোসেন-র উকিল অরুণ বাবুর কাছ থেকে জোর করে মোশারফ সাহেবের নামে করা একটা বায়নানামা দলিলে সাক্ষর করিয়ে নেয়, আদালত প্রাঙ্গনেই এবং সবার সামনে, কেউ কিছু বলার সাহস পায়নি। গত ১৩ এপ্রিল সকালে মোশারফ সাহেব নিজে তার দলবল নিয়ে এসে আরুনবাবু কে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললে সে অনেক কান্নকাটি করে কিন্তু তাতে কাজ হয়না। মোশারফ হোসেন অরুণ বাবুর পরিবারের সবাইকে জোর করে তারই এক বাড়িতে রাখেন, অভিযোগ রয়েছে, ঐ বাড়িটিও তিনি ক’দিন আগে দখল করে নিয়েছেন আর এক হিন্দুর কাছ থেকে। অরুণ বাবুকে বাড়ি থেকে বের করার সময় তার সামনে মোশারফ সাহেবের লোকজন মন্দিরটি ভেঙ্গে ফেলে। অরুন গুহবাবুর পরিবারটি-কে মোশারফ হোসেন ফরিদপুরের ভাজন্দাঙ্গার এক বাড়িতে গৃহ বন্দী করে রেখে তার নিজের গুন্ডা পাণ্ডা দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, এমনকি ফোনেও কথা বলতে গেলে তার লোক এসে দাড়িয়ে থেকে কার সাথে কি বলছে টা মনিটরিং করছে। ওনার বয়স্ক মেয়েটাকেও বের হতে দিচ্ছে না , মোশারফ সাহেব কি করতে চাইছে তা স্পস্ট নয়। সম্ভবত: বাড়িটির আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এরপর অরুণবাবুর কি হবে তা কেউ জানেনা। মোশারফ সাহেব সম্ভবত বলতে চাইবে আরুনবাবু তার কাছে বাড়ি বিক্রি করে চলে গেছেন। অরুনবাবু কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেননি। যখন আরুন বাবু কান্না কাটি করে বাড়ি ছাড়তে চাইছিল না তখন মোশারফ সাহেব বলেছিলেন, আমাকে যত ভাল মনে কর আমি তত ভাল না।
বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা- সময়ের কন্ঠস্বর | সময়ের কন্ঠস্বর
‘বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা’
বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা। সম্প্রতি ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশি ছিটমহলের ১৪ হাজার ২১৫ জন সরাসরি এই মত জানিয়েছেন। ‘পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশে’র চেয়ে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচিত হতে চান তারা।
আজ এই খবর দিয়েছে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপের বাংলা দৈনিক এই সময়।
মঙ্গলবার ছিটমহলের বাসিন্দারা কোন দেশের নাগরিক হতে ইচ্ছুক, তা জানতে শিবিরের আয়োজন করে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গণনাকারী কমিটি। পুয়াতুরকোঠির ওই শিবিরে হাজিরা দেওয়া একজন বাসিন্দাও বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে ফিরতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দা ২২৩টি পরিবারের মোট ১০৫৭ জন সদস্যও মূল ভারতীয় ভূখণ্ডে পাকাপাকি বসবাস করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।
যৌথ সমন্বয় কমিটির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ছিটমহলের ভারতীয় অংশে বর্তমানে ৩৭,৩৬৯ জন বাসিন্দা রয়েছেন। এই তথ্য মিলেছে ২০১৪-১৫ সালের সমীক্ষায়। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ছিটমহলের সর্বশেষ জনগণনার পর ফের গত ৬ জুলাই থেকে নতুন গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার ১৭ শতাংশ এবং মঙ্গলবার ১৫ শতাংশ মানুষ তাদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। দুই দেশের কর্মকর্তাদের সামনে তারা সকলেই ভারতে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
কিন্তু কী কারণে বাংলাদেশে বসবাসের প্রতি এই অনীহা?
ছিটমহলের বাসিন্দারা সাফ জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশের চেয়ে ভারতীয় নাগরিক হওয়া লাভজনক। তাই আগামী প্রজন্মের কথা ভেবে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া ভারতীয়দের সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে বাঁধা পড়ার পর নিজেদের ভারতীয় ভাবতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির কর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতীয় পরিচয় পাওয়ার দাবি জানিয়ে এসেছিলেন ছিটমহলের বাসিন্দারা।
প্রসঙ্গত, ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহল এবং বাংলাদেশি ভূখণ্ডে অবস্থিত ১১১টি ছিটমহলে চূড়ান্ত জনগণনার কাজ চলবে। ভারত-বাংলাদেশ সরকারের যৌথ প্রতিনিধি দল জনগণনা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি কে কোন দেশের নাগরিক হিসাবে থাকতে চাইছেন, সেই সিদ্ধান্তেও সিলমোহর দেবে। অর্থাৎ এই ১০ দিনের শিবিরের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে বাংলাদেশি ছিটমহলের ১৪,২১৫ জন এবং ভারতীয় ছিটমহলের ৩৭,৩৬৯ জন বাসিন্দার মনোভাব জানা সম্ভব হবে। চূড়ান্ত তালিকা অনুসারে বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে দুই দেশের প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলার দিনহাটা, মাথাভাঙা এবং মেখলিগঞ্জের তিনটি অস্থায়ী শিবিরে বাংলাদেশ থেকে আসা ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দাদের রাখা হবে। প্রত্যেক পরিবারকে দুই বছরের জন্য ২০০ বর্গফিট জমিতে টিনের চালাযুক্ত বাড়ি দেওয়া হবে। ঠিক হয়েছে, ৩টি সীমান্ত দিয়ে ছিটমহলের বাসিন্দাদের ভারতে আনা হবে। সীমান্তে তাদের বায়োমেট্রিক ব্যবস্থায় ছবি, আঙুলের ছাপ নথিভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে টিকাকরণের কাজও সম্পন্ন হবে।
কোচবিহারের জেলাশাসক পি উলাগানাথন জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ে ইচ্ছুকদের পাকাপাকি চলে আসতে হবে। ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে ভারত ও বাংলাদেশে কোনো ছিটের অস্তিত্ব থাকবে না। http://www.somoyerkonthosor.com/news/259152
United Hindu বিশ্বের হিন্দু এক হও
বিশ্বের হিন্দু এক হও
পৃথিবীর. সকল. হিন্দুর কাছে এক নগন্য হিন্দু সন্যাসীর এই আবেদন।
কোনও আন্দোলনের স্লোগান নয় ,কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য
প্রণোদিত আবেদন নয়। শুধু লক্ষ লক্ষ সম্প্রদায়ে বিভক্ত হিন্দুদের
পরস্পরের মধ্যে বিদ্যমান সংকীর্ণতার গণ্ডী ভেঙ্গে প্রসারতার
দিকে
অগ্রসর হবার জন্য সস্নেহ আহ্বান।
মতুয়ার বুদ্ধি বা সংকীর্ণ গণ্ডীবদ্ধ ধ্যানধারণা হিন্দু নামে পরিচিত
এই
মহাজাতিকে বহুধা বিভক্ত করে রেখেছে। বিভক্ত থাকার ফলে দূর্বল
হয়েছে জাতীয়তা,বিপন্নহয়েছে আত্মপরিচয়,এমনকি অবলুপ্তির
পথে
এগিয়ে চলেছে সমগ্র হিন্দু সমাজ।আধ্যাত্মিক
জগতে ঐক্যভূমিনির্মাণ
ব্যতিত হিন্দুগণ উপলব্ধি করতে পারবে না পূর্ণতার আনন্দ ,ভূমার
আনন্দ ,নিশ্চিত নির্ভরতার আনন্দ। যে জাতি আত্মপরিচয়,নিরাপ
ত্তা
এবং অস্তিতই বিপন্ন,তার অন্তরে পরমানন্দ স্ফূর্ত হবে কেমন করে,
কেমন ক‘রে সে বিশ্ববাসীকে দেখাবে শ্বাশত. শান্তির আপন?
আর্যজনোচিত সমন্নুত দিব্যজীবন লাভ ক‘রে সেই দিব্যজীবনের
আপন
বিশ্ববাসীকে দেখাবার জন্য
হিন্দুজাতিকে উঠে দাঁড়াতে হবে আত্মপ্রত্যয়ের শক্ত মাটিতে।
পরস্পর কলহে রত,গণ্ডীতে আবদ্ধ
জীবন নিশ্চয়ই হিন্দুর পক্ষে মহনীয় অন,বরণীয় নয়।পরন্তু পরস্পরের
প্রতি,শ্রদ্ধা,সহানুভূতিযুক্ত ধর্মনিষ্ঠজীবন,উদারতার
সংঙ্গে সংহতির
প্রকাশ এবং নিজের ব্যক্তিগত অস্তিত্বের. সঙ্গে স্বদেশ-স্বজাতির
অস্তিত্বকে অক ক‘রে অনুভব করা, নিশ্চয়ই হিন্দুর পক্ষে মহনীয়ও
বরণীয়।তাই এক নগণ্য হিন্দুর ব্যাথা ভরা অন্তরের অন্তস্তল থেকে
উঠেছে এই সাদর আহ্বান-‘বিশ্বেরহিন্দু এক হও‘ ।
হিন্দুধর্মের সব মতপথের মুখ্য উদ্দেশ্য ব্রহ্মোপলব্ধি বা ঈশ্বরলাভ।
ব্রহ্ম,পরমাত্মা,ভগবান,ঈশ্বর কিংবা আদ্যাশক্তিস্বরু
পা চিন্ময়ী জননী
সবই সেই ভুমার স্বরুপ।এইভূমাই পরম আনন্দ ।এর কমে পূর্ণানন্দ নেই।
‘ভূমৈব সখম্ নাল্পে সুখমস্তি‘-ঋষিদের শাশ্বত বাণী।শ্রী ঠাকুর
সদ্যানন্দ বললেন-‘‘পশু সিদ্ধি বর্তমানকে নিয়ে ,মানবের
সিদ্ধি বর্তমানকে
অতিক্রম ক‘রে, অতি মানবের দৃষ্টি অতি প্রসারিত,ব্রহ্মভ্ঘের দৃষ্টি
-সিদ্ধ ভূমাতে,অ-সীমাতে।তাই প্রসারতা ব্রহ্মগেয়ানের সহায়।
হিন্দু সন্নসী স্বামীবিবেকানন্দ অনুভব করেছিলেন এপ্রসারতার চরম
অবস্থা।বলেছিলেন-‘হরিভাই,ঈশ্বর লাভ বলতে কিবুঝায় জানিনা
, তবেআমার বুকটা বড় হয়ে গেছে। সারা বিশ্বকে বুকে জড়িয় ধরতে
ইচ্ছে করছে। সমস্তসংকীর্ণতারঊর্ধ্বে না উঠলে এ অবস্থা হয় না,
আত্মকেন্দ্রিকতার সমস্ত গণ্ডী না ভাঙলে এই উদারতা আসেনা ,
সর্বভূতে বাসুদেব দর্শন না হ‘লে এই দুর্লভ অভিঙ্ঘতা হয় না।
বাসুদেব সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভ:‘
Subscribe to:
Posts (Atom)