Wednesday, 29 July 2015

ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে নেয়া

ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে নেয়া ********************** “ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে। আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’ পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি। আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে। জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।”

বখতিয়ার খিলজি বৌদ্ধ বিদ্বেষী ছিলেন

ভারতবর্ষে বখতিয়ার খিলজি প্রচুর বৌদ্ধ বিদ্বেষী ছিলেন।এই ঘটনা ভারতে বৌদ্ধধর্মের পতনের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে বিবেচিত হয়।বখতিয়ার খিলজিসহ কয়েক 'শ মুসলমান মিলে হাজার হাজার নিরীহ শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে হত্যা করে।পারস্য ইতিহাসবিদ মিনহাজ তাঁর "তাবাকাতে নাসিরি" গ্রন্হে লিখেছেন "হাজার হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষুকে আগুনে পুড়িয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে সেখানে ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করে ডাকাত খিলজী। পরবর্তীতে খিলজীর অত্যাচারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভারত ত্যাগ করে শ্রীলংকা,মায়ানমার,চীন,কম্বোডিয় াতে পালিয়ে যায়।বর্তমানে ভারত বর্ষে প্রাচীন নিদর্শন ব্যতীত বৌদ্ধ সম্প্রদায় নেই বললেই চলে ।নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বিহার রাজ্যে অবস্হিত একটি প্রাচীন উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র।অতীতে ব্রিটেন,পারস্য, কোরিয়া,জাপান,তিব্বত,তুরস্ক,সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশের স্টুডেন্ট ভারতে পড়াশুনা করতে আসত।আর সেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসসহ পুরো বৌদ্ধধর্মের মানুষদের হত্যা করলেন উগ্রবাদী মুসলমান ও বিশ্বের সেরা ডাকাত বখতিয়ার খিলজী । অথচ দেখছেন এই পশ্চিমবঙ্গের মোল্লারা এই ডাকাতকে এই বাংলার শ্রেষ্ঠ মসলমান বীর বলে মানে ও সম্মান করে।সেকুদের আশ্রয়ে এরা যে কি পরিমাণে এখন দুধে- ভাতে আছে তার একটা প্রমাণ আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি-তিনবছর আগে নদীয়ার একটা টিস্টলে বসে চা খাচ্ছিলাম।তখন পাঁচটা দাড়িয়ালা মোল্লা এবিষয়ে কথা বলছিল। তারা বখতিয়ার খিলজিকে মহান নেতা হিসেবে সম্বোধন করতেই আমরা দু বন্ধু তার প্রতিবাদ করে এই সত্য ইতিহাস বলতেই আমাদের দিকে তেড়ে আসে!শেষে আরো কিছু লোক চলে আসলে মোল্লার বাচ্চারা কাপ রেখে স্থান ত্যাগ করে দ্রুত চলে যায়। ভাবতে পেরেছেন এরা কতটা বাড় বেড়েছ?তাই এই দেশের শত্রু মোল্লাদের হিন্দুস্থানে থাকার কোন নৈতিক অধিকার আছে কিনা আপনারাই বলুন?

Agni 5 NCM

ভারতের সবচেয়ে লং রেঞ্জ নিউক্লিয়ার মিসাইলের রেঞ্জ ৫৫০০ কিমি(অগ্নি-৫ এর)।ভারত বিভিন্ন মোবাইল বেইজ বা মোবাইল নিক্লিয়ার ইউনিট থেকে সর্ব পশ্চিমে গুজরাট বা পাঞ্জাব বা উত্তরে কাশ্মীরের প্রদেশ থেকে পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমে এই মিসাইল ছুড়লে সেটা পাকিস্তান,আফগানিস্তান,ইরান,তুর্কমেনিস্তান,উযবেকিস্তান,তাজিকিস্তান ও কিরগিযস্তান এই ৭ টি মুসলিম দেশে আঘাত হানতে পারবে। পূর্বে পশ্চিম বঙ্গ বা সেভেন সিস্টার থেকে পুরা বাংলাদেশ এই বোমা এর রেঞ্জে থাকবে।দক্ষিনে কেরালা থেকে মালদ্বীপ আর দক্ষিণ পূর্বে আন্দামান থেকে মালেয়শিয়া ও ইন্দো নেশিয়া এই তিনটা মুসলিম দেশে এই বোমা আঘাত হানতে পারবে।অর্থ্যাৎ কালামজী ভারতের উপর হুমকিস্বরূপ ১১ টা মুসলিম দেশের প্রায় ৬০ কোটি এর অধিক মুসলিম জীহাদিকে নিয়ন্ত্রনের আওতায় নিয়েএসেছেন। এ.পি.জে. কালাম আরেকটা মহা কাজ করেছিলেন উনার জীবদ্দশায় সেটা হচ্ছে মেগা রিভার প্রোজেক্ট।তার মানে বাংলাদেশের নদীগুলো থেকে জল প্রত্যাহারের পরিকল্পনা উনার মস্তিস্কপ্রসুত। অমর রহে কালামজী। হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#RSS

পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১8)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক শ্রী 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১8) ---------------------------------------------------------- আমার দু-নম্বর জিহাদি মোঃ হাফিজুদ্দিন, তালেবান হওয়ার জন্য যে একবার আফগানিস্তানে গিয়েছিল, সে বলছিলো, ‘হুজুর গোটা পঞ্চাশেক মালাউন(হিন্দু) ফালাই দিতে হইব।’ আমি বলেছিলাম’ ‘গোটা পঞ্চাশেক ফেলে কি হবে?’ জিহাদি মোঃ মুস্তাকিম জিজ্ঞেস করেছিল, ‘তাইলে হুজুর, কয়ডা ফালামু?’ আমি বলেছিলাম, ‘দুটি বা দশটি নয়, সবগুলোকেই ফেলে দিতে হবে’। ওরা ভয় পেয়ে আর্তনাদ করে উঠেছিল। ‘হুজুর, সবগুলিরে ফালামু?’ ওরা আর্তনাদ করতে পারে, এটা মাকে বিস্মিত করেছিল; ওদের মুখ দেখে আমার কখনো মনে হয়নি ওরা এমন শব্দ করতে পারে। ওদের অশ্রুনালিতে কোনো অশ্রু আছে বলে আমার মনে হয়নি। আমি বলেছিলাম, ‘হ্যাঁ, সবগুলোকেই’। ওরা বলেছিলো, ‘এক রাইতে সব গুলোরে ফালাইতে পারুম?’ আমি বলেছিলাম, ‘এক রাত কেন, আমাদের সহস্র রাত রয়েছে’। ওরা এবার শান্ত হয় বলে, ‘তাইলে ফালাইতে কষ্ট হইব না’। আমি বলেছিলাম, ‘কিভাবে ফেলবে?’ ওরা বলেছিলো, ‘হুজুর, খালি চাক্কু মারুম শিনার বাও দিকে, আর হলকুম দুই ভাগ কইর্যা ফালামু’। আমি বলেছিলাম, ‘চাক্কু মেরে ফেলতে হবে না, তাতে ঘর বড়ি নোংরা হবে, লাশের গন্ধ বেরোবে, একবারে খুনের থেকে ওদের চিরকালের জন্য খুন করতে হবে, যাতে ওরা দেশে না থাকে, আর থাকলেও যেনো না থকে’। ওরা ব্যগ্র হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলো, ‘সেইডা কেমনে করুম হুজুর?’ আমি বলেছিলাম, ‘হাত দিয়ে দ্যাখো তোমাদের দুই রানের মধ্যে কি আছে, কি ঝুলছে?’ তারা হাত দিয়ে দৃঢ় দন্ড অনুভব করে শরম পায়; সেটি ঝুলছিল না, দাঁড়িয়ে ছিল কুতুবমিনারের মত’। আমি জিজ্ঞেস করি, ‘কি আছে ওখানে?’ ওরা বলে, ‘হুজুর, আমাগো লিঙ্গ’। আমি বলি, ‘ওটি লিঙ্গ নয়, পিস্তল, এম-১৬। ওইটা খোদার দেওয়া পিস্তল, এম১৬। ওইটা চালাতে হবে- মালাউন মেয়েগুলোর পেটে মুমিন মুছলমান ঢুকিয়ে দিতে হবে, জিহাদের এইটাই নিয়ম। আর মালাউনদের ঘরভরা সোনাদানা, কলসিভরা টাকা, ওইগুলো নিয়ে আসতে হবে’। ওরা আনন্দে চিৎকার করে উঠেছিল, ‘আল্লাহু আকবর, নারায়ে তকবির’। ক্রমশ...

পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৩)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক শ্রী 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৩) ---------------------------------------------------------- একরাত, একদিন; ওটা আমাদের জন্য সামান্য সময় ছিল না, ছিল হাজার বছরের সমান, এতো দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিতে থাকা আর শান্তিতে রাখা কতোটা কঠিন, ওই সময় আমরা ছাড়া আর কেউ বোঝেনি। শান্তি বড়ই ভারি ব্যাপার, যখন আমাদের ভিতরে বিজয়ের পবিত্র অগ্নিশিখা দাউ দাউ করে জ্বলছিল, তখন শান্তি দোজগের শাস্তির মতন লাগছিল। পত্রিকাগুলো পর দিন আমাদের প্রশংসায় মেতে উঠেছিল। মেইন পার্টির সঙ্গে আমরা ল্যান্ডস্লাইড করলেও নিজেদের শান্ত রেখেছি, অর্থাৎ মেইন পার্টির খিলজিরা ঠান্ডা রয়েছে; এমনকি বিজয়উতসবও করি নি, গনতন্ত্র একেই বলে। আমাদের মত মহৎ আর কে? আমরা একরাত একদিন মহত্ত্ব অর্জন করি, কৃতিত্বের বরো ভাগটাই মেইন পার্টির খিলজিরা নেয়, আমাদের হিশাবের মধ্যে আনে না; কিন্তু আমরা যে মেইন পার্টির আসল ফোর্স তা তারা বোঝেনি। তনে খিলজিরা ও আমরা বুঝতে পারি কত দীর্ঘ হতে পারে একটি রাত ও একটি দিন, তা একশো বছরের সমান; তবে আমাদের সামনে তখন সহস্র ও একরাত, তার থেকেও বেশি। প্রশংসাধন্য হওয়ার পর কেউ আমাদের আর নিন্দা করতে পারে নি; নিন্দা করার সাহস পায়নি। মরা তখন শান্তিশৃঙ্খলার ফেরেশতা, আমাদের আগুনের ডানা থেকে ঝলকে ঝলকে শান্তি ঝরে পড়ছিলো। কিন্তু বিজয়ের পর একরাত ও একদিন নিষ্ক্রিয় থাকা, শান্তিতে থাকা, শান্তিতে রাখা, আমাদের জন্য হৃদয়বিদারক ছিলো। শাদি হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা ছহবত করতে পারছিলাম না, যদিও সব কিছু ছিল টানটান। টানটান জিনিশ নিয়ে একরাত একদিন কাটানোর কষ্ট আমরা ছাড়া আর কেউ বুঝবে না। তারপর দিন থেকে মেইন পার্টির নিষ্ঠাপরায়ন, প্রচন্ড, তীব্র,ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত, দয়ালু, জনসেবক, রাজপথের যোদ্ধা নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমরা জিহাদিরা দেশজুড়ে শান্তির ঝড় বইয়ে দিয়েছিলাম। ওটার নাম দিয়েছিলাম আমরা ‘শান্তির ঠান্ডা আগুন’, সোভানাল্লা। দেশ এমন শান্তির ঠান্ডা অগ্নি আগে কখনও দেখেনি, সোভানাল্লা। আমরা, জিহাদিরা ও মেইন পার্টির ইখতিয়ারউদ্দিন বিন বখতিয়ার খিলজিরা, মিলেমিশে কাজ করেছি; তখন দেশ আমাদের পায়ের নীচে, আমাদের আগুনের নীচে, আমাদের পিস্তলের নীচে এবং সবচেয়ে যেটি শক্তিমান ও উদ্ধত পিস্তল- দেশ তখন আমাদের দীর্ঘ উদ্যত শিশ্নের ছায়ার নীচে, সোনার বাংলাকে আমরা তখন আসল সোনার বাংলা করে তোলার জন্য উত্তেজিত। আমাদের শিশ্ন বারবার দৃঢ় হচ্ছিলো, হুর ও উর্বশীদের জন্য ব্যাকুল হচ্ছিলো; কিন্তু আমরা গনতন্ত্র মেনে নিয়েছিলাম- একরাত ও একদিন। জিহাদি ও খিলজি, এবং জিহাদি ও খিলজিতে ভাগ হয়ে আমরা ছড়িয়ে পরি, সন্ধ্যার একটু পরেই। আমি মালাউন পছন্দ করি, মহান আল্লতালাই আমাদের এই অপূর্ব রুচিটি দিয়েছেন, আলহামিদুদিল্লা;ওদের ঘাম আমার পছন্দ, ওদের ঠোঁট আমার পছন্দ; আমি বেছে নিই মালাউন পাড়াগুলো এবং আমাকে দেওয়া হয় মালাউন পাড়াগুলো, তবে সবগুলো নয়। আমার প্রিয় দোস্ত, বিখ্যাত খিলজি মেইন পার্টির ছৈয়দ ছব্দর আলি বল্টু,- তার পছন্দ দুটিই, এক মালাউন আর আগের মেইন পার্টির দালালদের পাড়াগুলো; সে মনে করে সব কিছু তার তলোয়ার আর শিশ্নের নিচে। এটাকে সে বাস্তবায়িত করেছে, করে চলেছে, তবে তার কপালে কি আছে তা রাহমানির রহিমই জানেন। আমরা ‘শান্তির ঠান্ডা আগুন’ দিয়ে মালাউন ও মালাউনদের দালালদের শান্ত শীতল নীরব নিথর করতে বেরিয়ে পড়ি। আমাদের জিহাদিদের আগুন লাগাতে হয় না, আমরা ঘরে ঘরে ঢুকি ওরা কাঁপতে থাকে; আমরা বেশি কিছু চাই না- একবারের জন্য খুনটুন করার দরকার ছিল না, দরকার ছিল চিরকালের জন্য খুন করা। ক্রমশ...

বাংলাদেশ মুমিন

বাংলাদেশে মুমিন বান্দারা গরুর গোস্তে আল্লাহর নাম লেখা দেখতে পেয়েছে। অনেক আল্লাহর খাশ বান্দা সেই ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছে। আচ্ছা, শুকর ও কচ্ছপের গায়ে আল্লাহর নাম লেখা থাকে না কেন? শুকর ও কচ্ছপ কি আল্লাহর সৃষ্টি নয়? নাকি শুকর ও কচ্ছপ নাস্তিক?

Tuesday, 28 July 2015

হিন্দু বোনদের উদ্দেশ্যে

হিন্দু বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি তোমরা কখনোই মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুক্ত করবে না, ইতিহাস সাক্ষি এরা হল বেইমানের জাত, পুলিশ ফাইলস্ দেখ, এরা প্রেমের ছলে ভালবাসার নাটক করে ভাগিয়ে নিয়ে প্রথমে ইজ্জত লুটবে, তারপর যৌনপল্লিতে বিক্রি করবে, এদের কোরান পরে দেখ, কোরানে মেয়েদের যৌনদাসি বলা হয়েছে, যেখানে হিন্দুরা মেয়েদের মায়ের সম্মান দিয়েছে, এদের কোরান নিজের মা, মেয়েকে, বিয়ে করার অনুমতি দেয়, এরা এতটাই জঘন্য জাতি যে ভাই-বোনের পবিত্র সম্পর্ক নিয়েও যৌন ভাবনা, তাই হিন্দু বোনেদের কাছে অনুরোধ মুখশধারী মুসলিম থেকে দূরে থাক ও হিন্দুভাইদের কাছে অনুরোধ বোনদের বাঁচাতে এই পোষ্টটি যত পার শেয়ার কর