ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাদের অন্তত সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন। অনেকে এটাকে হক্স বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগির ডিমের মতো। , ‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু। আসল ডিম থেকে নকল ডিম আলাদা করার উপায়ঃ - কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়। - এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। -কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ। ইন্টারনেট-এর বিভিন্ন সাইট থেকে আরো জানা যায়, চীনে তৈরী হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 29 July 2015
200 yrs Revenge
বেল্লাল আলি :- গতবছরে সিঙ্গাপুরে করা শিল্প সম্মেলনের অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এবছর তিনি যাচ্ছেন লন্ডন। সিঙ্গাপুর থেকে আমদানিকৃত কলাশিল্পের জন্য আজ অনেক বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে। লন্ডনে তোলা শিল্প, ধর্ষণ শিল্প, চিটফান্ড শিল্প, সিন্ডিকেট শিল্প, খাদান শিল্প, চাকরি শিল্প, শিলা শিল্প ইত্যাদি শিল্পের বেহাল দশায় তিনি অনেকদিন আগে থেকেই ব্যথিত ছিলেন। এইসব শিল্পের পুনর্জীবন এর জন্য সেখানকার বিভিন্ন শিল্পপতি ও বানিজ্যগোষ্ঠীর সাথে তিনি আলোচনা করবেন। টেমস নদীর দুইপাশে সৌন্দর্যায়িত গঙ্গাতীরের মত সুন্দর কিভাবে করা যাবে এবং টিউবরেলকে কলকাতা মেট্রোর সমকক্ষ কিভাবে করা যায় সে সম্পর্কেও তিনি বিশেষজ্ঞ মতামত দেবেন। এদিকে লন্ডনের বিজনেস স্কুলে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা শুনে সেখানকার পড়ুয়ারা স্কুল তো দুর, লন্ডন, ইংল্যান্ড এমনকি পৃথিবী ছেড়ে সদ্য আবিষ্কৃত কেপলার - ৪৫২ বি গ্রহ অভিমুখে যাত্রা শুরু করে দিয়েছে। বাক্স, প্যাঁটরা গুটিয়ে পলায়নরতা এমন এক ছাত্রী কেলি ফ্লাইংকে পালানোর কারণ জিজ্ঞেস করায় সে বলে - Man, it would be a catastrophe! we've got only 1.5 kg brains & she is like an ocean of knowledge..our brains would'nt b able 2 hold her highness's gyan! it may explode! So, Time to leave the earth..." এদিকে বাজারি আনন্দ সূত্রে গোপনে জানা গেছে যে, তিনি যখন বিভিন্ন বনিকসভা ও মন্ত্রীদের সাথে শিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনায় ব্যস্ত থাকবেন, তার সাথে যাওয়া মন্ত্রী, আমলা, কোটাল, সেপাই, সান্ত্রী, পাগলুর এই বিশাল বাহিনী তখন লন্ডন তথা ইংল্যান্ডের গদি দখল করতে ব্যস্ত থাকবে! ৩৪ বছরের বাম জমানার বদলা প্রায় শেষের পথে, এবার দুশো বছরের পুরানো বদলা নেওয়ার পালা। বনিকের মানদন্ড এবার রাজদন্ড রূপে দেখা যাবে! এবং তার দীর্ঘদিনের কলকাতাকে লন্ডন বানানোর স্বপ্ন সফল না হওয়ায় এবার লন্ডনকেই তিনি কলকাতা বানিয়ে ছাড়বেন!
Islam min Blood War
ইসলাম মানেই রক্ত-রক্ত খেলাঃ নবীর প্রথম স্ত্রী খাদিজার মেয়ের নাম ফাতেমা। ফাতেমার স্বামীর নাম আলী। মুহাম্মদের মৃত্যুর পর যারা ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তাঁদের বলা হয় খলিফা। আলী হলেন তাঁদের একজন এবং তিনি ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা। ইসলামের প্রথম খলিফার নাম আবু বকর এবং তিনি ছিলেন মুহাম্মদের ছোট স্ত্রী আয়েশার পিতা। প্রসঙ্গত বলে রাখি, খলিফা শব্দের অর্থ - রাষ্ট্রপ্রধান এবং হযরত শব্দের অর্থ - সম্মানিত ব্যক্তি। মুহাম্মদের মৃত্যুর পরের দিন থেকেই খলিফা নির্বাচনে বিরাট সমস্যা দেখা দেয়। নবীর মেয়ে ফাতেমার স্বামী আলী ছিলেন খলিফা হওয়ার অন্যতম দাবিদার। আবার মুহাম্মদের অন্য দুই মেয়ে রোকেয়া এবং কুলসুমকে বিয়ে করেছিলেন উসমান। তাই উসমানও খলিফা হওয়ার দাবি রেখেছিলেন। ঘটনা এতই জটিল হয়ে ওঠে যে, হযরত মুহাম্মদ মারা গেলেন - এই কষ্টের ঘটনা থেকেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল, কে হবে খলিফা অর্থাৎ রাষ্ট্রের প্রধান। এমন সময় উমর ঘোষণা দেন, আবু বকর হবেন ইসলামের প্রথম খলিফা। উমরের আবু বকরকে খলিফা ঘোষণার বিষয়টির চরম বিরোধিতা করল অনেকেই, যাদের দু'জন হলেন নবীর মেয়ে ফাতেমা এবং তার স্বামী আলী। মূলত এই বিরোধিতা থেকেই জন্ম নেয় শিয়া-সুন্নি মতবাদ। আলীর পক্ষে যারা ছিলেন, তাঁরা হলেন শিয়া। অন্যরা সুন্নি । নবীর সব থেকে কনিষ্ঠ স্ত্রী আয়েশার পিতা অর্থাৎ ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ার পর নির্দেশ দিলেন নবীর মেয়ে ফাতেমা এবং তার স্বামী আলীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের। আলী পালিয়ে ছিলেন, কিন্তু আহত হয়ে মারা গেলেন ফাতেমা। প্রিয় পাঠক, প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই ঘটনা ঘটেছিল নবীর মৃত্যুর এক বছরের মধ্যে। তাহলে দেখুন, ইসলামের প্রথম থেকেই নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা ছিল। ইসলামের প্রথম চার খলিফার মধ্যে তিনজন নিহত হয় নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলার কারণে। এমনকি মজার বিষয় হল, ইসলামে উটের যুদ্ধ নামে একটি যুদ্ধের ইতিহাস আছে। এই যুদ্ধটি হয়েছিল নবীর ছোট স্ত্রী আয়েশা এবং নবীর মেয়ের জামাই আলীর মধ্যে। খলিফা আলী, খলিফা উসমান, খলিফা উমর সবাই নিজেদের মধ্যে কোন্দলের ফলে খুন হন। মুহাম্মদের সব থেকে কাছের মানুষ ছিলেন মুয়াবিয়া, তাঁর পুত্রের নাম ইয়াজিদ। তিনিও মুসলমান ছিলেন, অথচ নির্মম সত্য হলো - মুহাম্মদের বংশের সবাই মারা যায় মুসলমানদের ( ইয়াজিদ) হাতে। ইসলামের বিশাল ইতিহাসের এই কথাগুলি সহজভাবে বলার চেষ্টার কারন হল, যাঁরা মনে করেন, দেশে ইসলামী শাসন কয়েম হলেই দেশ সম্পূর্ণ শান্তিতে থাকবে, তাঁরা আসলে বিশাল ভুলের মধ্যেই আছেন। ইসলামের ইতিহাসের শুরু থেকেই এক ইসলামী জাত অন্য ইসলামী জাতকে পছন্দ করতো না, যা আজও আছে। যে কারণে আজও পাকিস্তানে, ইরাকে, সিরিয়ায় শিয়া মসজিদে সুন্নি বোমা ফাটায়, সুন্নি মসজিদে ওয়াবি তাণ্ডব চালায়। এমনকি সৌদি আরবেও বোমা হামলা হয়। বাংলাতেও সেইদিন খুব দূরে নয়। একধিক মতাদর্শের জঙ্গি বাংলাতে আছে। একদল চাইবে অন্যদল থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে। তবে আমার মনে হয়, বাংলার জন্য খুব খারাপ দিন আসছে। খুবই খারাপ দিন... ...... স্বর্নেন্দু বিশ্বাস......
ডক্টর কালামের মৃত্যুতে তরজা শুরু
Sumantra Maiti: ডক্টর কালামের মৃত্যুতে যথারীতি তরজা শুরু । একপক্ষ কালামের স্তুতিতে মশগুল , কারণ তিনি দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করেছিলেন আর অন্যপক্ষ (পড়ুন বামপন্থীরা ) তাদের Political Vendetta উগরাতে ব্যস্ত । স্বয়ং কালাম এই Political Reductionism-এরশিকার হতে চেয়েছিলেন কিনা সন্দেহ । আসলে একদলকে কে বোঝাবে যে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য যেমন মিসাইলের'ও প্রয়োজন , তেমনি খাদ্যের সুষম বন্টন এবং সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার'ও সমান প্রয়োজন ? আর অন্যদল'কে কে বোঝাবে যে মানবদরদীর মুখোশ পরে থাকলেও এই প্রশ্নটার'ও যথাযথ চাই ---- যাদের জন্য তাদের এত দরদ , সেই কিষেন'জি কিংবা ইয়াকুব মেমন'দের হাতে বুঝি খেলনা বন্দুক আর বোমা ছিল ? জানি না , জাতি হিসেবে কবে আমরা একটু সুসংহত হবো ।
জেএমবি
বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ জানাচ্ছে তারা রাজধানী ঢাকা থেকে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনটির আমিরসহ ছয়জন আল্লাহর খাশ বান্দাদের গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তথ্যমতে, তাদের কাছ থেকে জিহাদি বই ও প্রচারপত্র (বেহেস্তে যাবার টিকিত) উদ্ধার করা হয়েছে। News Source: # BBC
Turkey Isis Kurds
People go on holiday to Turkey, and think of it as being 'moderate'. Yet the persecution of the indigenous Kurds in Turkey is akin to the persecution of Christians by ISIS. Now Turkey is bombing Kurds in Iraq. Obama, of course, has refused requests to help arm the Kurds in their struggle against ISIS. But in spite of his refusal, Kurds did take a major area away from ISIS yesterday. http://www.gatestoneinstitute.org/6223/turkey-isis-kurds
বজরঙ্গী ভাইজান
বজরঙ্গী ভাইজান সেই সময় নরেন্দ্র মোদী-র সাথে ঘুড়ি উড়িয়েছিলেন , যখন তামাম মিডিয়াকুল এবং সেক্যুলার রাজনীতিবিদ সাম্প্রদায়িক মোদীর বিরুদ্ধাচারণ করছিলেন । বজরঙ্গী ভাইজানই সম্ভবত প্রথম মুসলিম পরিচয়ধারী সেলিব্রিটি যিনি প্রকাশ্যে মোদী-র সমর্থন করেছিলেন । ভাইজান তারপর হিট এন্ড রান কেসে দোষী সাব্যস্ত হয়েও উকিলদের ঐশ্বরিক তৎপরতায় মুক্ত , ভাইজানের সিনেমা দর্শকদের আকুল করে দিয়ে ফের সপ্তাহে দুশো কোটি টাকার মুখ দেখা ---- এতদূর সবই ঠিক ছিল । গোল বাধল শনিবারের মধ্যরাতে ভাইজানের "তুরীয়" টুইট । হঠাত ভদ্রলোক ইয়াকুব মেমনকে নির্দোষ প্রমান করতে তৎপর হয়ে ওঠে অনেকেই এতে একটি বিশেষ ধর্মীয় অ্যাঙ্গেল দেখলেও ব্যপারটাকে অন্যভাবে দেখা যাক । আসলে নিপীড়িত'র তাস খেলতে আমরা সবাই পটু । যেমন ধরুন , আমরা বাঙালী'রা ভাবতে ভালোবাসি কেন্দ্র সব সময় আমাদের চক্রান্ত করে পিছিয়ে দিচ্ছে , নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু-কে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে , সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে অন্যায় ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে । কিন্তু আমরা স্বচ্ছন্দে ভুলে যাই যে নেতাজি একজন সর্ব ভারতীয় নেতা ছিলেন এবং তার অধিকাংশ অনুগামী অবাঙালীই ছিলেন ( বঙ্গজ নেতারাই বরং নেতাজির বিরুদ্ধাচারণে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন ) । আমরা স্বচ্ছন্দে ভুলে যাই যে প্রাদেশিকতার ঊর্ধে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টিম ইন্ডিয়া বানিয়েছিলেন এবং তার অধিনায়কত্বে ডালমিয়া'র সাথে সেই অবিস্মরনীয় জুটি থাকা সত্ত্বেও লক্ষীরতন শুক্ল নামক এক প্রতিভাধর অল রাউন্ডার সেভাবে জাতীয় দলে স্থান পান নি । মুসলিম সমাজ'ও তেমনি স্বচ্ছন্দে ভুলে যান যে এই ইয়াকুব মেমন , টাইগার মেমন কিংবা দাউদ ইব্রাহিম আসলে মৃত্যুর পর ৭২ টি সুন্দরী নারী সঙ্গের লোভে জিহাদ করছেন না । জীবিতকালেই তারা ৭২০ জন নারী সঙ্গ লাভ করেছেন । মৃত্যুর পর ৭২ টি নারীর সঙ্গ , যাকে বলে কিনা উপরি পাওনা । এনারা আদতে ব্যবসায়ী , ধর্ম নামক আফিং-কে স্রেফ সুচতুর ভাবে প্যাকেজিং করে নিজেদের ব্যবসায়িক পরিধিটাকে বাড়িয়ে নিচ্ছেন । দাউদ , টাইগার কিংবা ইয়াকুব কেউই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি নন , এদের জীবনযাপনের সৌখিনতায় কোথাও ইসলামিক কৃছ্রসাধনের নামগন্ধ নেই । কিন্তু এদেরই অপরাধে গোটা মুসলিম সমাজকে জড়িয়ে ফেলা এক ধরনের ধুরন্ধর ব্যবসায়িক স্ট্র্যাটেজি , অর্থনৈতিক এবং ভোটভিত্তিক । তাই এই সংখ্যালঘু সহজিয়া তাসটি সবাই খেলে ফেলেন । মহম্মদ আজহারউদ্দিন থেকে শাহরুখ খান , সবাই-ই কোন না কোন সময় খেদোক্তি করে ফেলেন যে মুসলিম বলেই তাদের এই দেশে এত দুর্দশা । ভাইজান'ও সেই তাসটি খেললেন , তবে খানিকটা সুচতুর ভাবে ।
Subscribe to:
Comments (Atom)