Wednesday, 29 July 2015

Radical নারীবাদ

র্যাডিক্যাল নারীবাদ : দুইটি দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তর দিতে চাইছি প্রথমত, Radical শব্দটি যদি আপনি ঋণাত্মক ভাবে নেন তবেই প্রশ্ন উঠবে, উগ্র নারীবাদে আসলে কী ক্ষতি হয়? আদতেই প্রায়োগিক অর্থে ক্ষতি কার? কারণ আমি জ্ঞানত এই পর্যন্ত কাউকে উগ্র নারীবাদের বলি হতে দেখিনি। এরপর প্রশ্ন উঠতে পারে, কি ধরণের কথা কিংবা মতবাদকে, আমরা Radical বলছি??? একজন তসলিমা নাসরিনের উদ্ধৃতি দিয়েছেন--[//নাম নিচ্ছিনা তবে যিনি পৃথিবীর কোন পুরুষের স্পার্মকে তার যোগ্য মনে করেন না তাঁকে র্যাডিক্যাল না বলেও পারা যায় না!//] আমি যদি এই কথাটিকে Radical ধরি, তাহলে আমার মতে ভুল হবে। কারণ তসলিমা তার জায়গা থেকে ভুল বলেননি। তিনি যাদের সংস্পর্শে এসেছেন তার মধ্যে, যে তাকে সমান ভাববে, এমন পুরুষ দেখেননি। আমি নিজের কথা বলি, যখন তার "নির্বাচিত কলাম" বের হয় তখন সেটি ছিল আমার মনোজগতে নাড়া দেয়া প্রথম বই। আমি নিজের কাছে ছোট হয়ে গেছিলাম, এই ভেবে যে আমি নিজেও প্রতি নিয়ত আমার মা বোন বান্ধবীদের কোনো না কোনো ভাবে পুরুষতান্ত্রিক মনভাব জাহির করছি, চাপিয়ে দিচ্ছি। সুবিধা ভোগ করছি, নিজের পুরুষ হবার। শুধুমাত্র আমার একটি শিশ্ন আছে বলে। এই অন্যায় Advantage আমার সব অর্জনকে ছোট করে দিত, এখনো দেয়। আমার বান্ধবীদের সামান্য অর্জন কি কষ্ট করে অর্জন করা সেটা আমি দেখেছি। আমার পরিবারে আমার মাকে দেখছি। অন্যানদের দেখেছি। আমি সেদিন থেকেই সেই বইয়ে করা একটি কথাকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইতাম। যে আসলেই এমন পুরুষ আছে, যে নারীকে পদে পদে ছোট করে না। এটা এখনো আমার নিরন্তর চেষ্টা। আমার স্ত্রীর কাছে, আমি প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রমাণ করতে চাই। কিন্তু বিশ্বাস করুন এখনো পর্যন্ত পারিনি। পুরুষতান্ত্রিকতার ব্যাপ্তি এত বিশাল আর এত সুক্ষ ও গাঁঢ়, যে, আমি চাইলেও এর থেকে পুরোপুরি বের হতে পারছি না। অথচ আমি কিন্তু সচেতন ভাবেই চাইছি। সেই জায়গায়, এই পার্থক্যগুলি যে একেবারে স্বচ্ছভাবে দেখেন তার জন্য, ঠগ বাছতে গাঁ উজার হবার মত অবস্থাই হবে। তাই তসলিমা খুব ভুল বলেননি। এটি উন্নাসিকতা নয়, একেবারে সত্য কথন। আর ব্যক্তিগত কথাকে, নারীবাদের সাথে মেলানোরও কিছু নেই। এবার দ্বিতীয় আঙ্গিকে বলি। আজকের বিজ্ঞান এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে, যেখানে নারী, চেষ্টা করলেই পুরুষদের বাদ দিয়েই এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারে। তারা নিজেদের, পুরুষদের থেকে, একেবারে আলাদা হয়েই থাকতে পারে। নিজেদের জন্য পুরুষশুন্য পৃথিবীর দাবী করতে পারে। তারা কিন্তু তা করছে না। যেকোনো মতবাদ নিয়ন্ত্রিত বিপ্লবের পরিণতি কিন্তু প্রায় অবসম্ভাবীভাবে তার বিপরীত মতবাদের পতন কিংবা নিজের নিশ্চিহ্ন হবার মধ্যেই শেষ হয়। নারীবাদ কিন্তু শুধু পুরুষতন্ত্র বাদ দেয়ার কথা তুলেছে। পুরুষ বাদ দেয়ার কথা বলছে না। এবার আমি একটি Radical কথা বলি। আজকে যদি মেয়েরা, আমাদের উপর ২০০ বছর ঠিক উল্টো কায়দায় নির্যাতন চালায় তবেও আমাদের সেই নৈতিক জায়গা নেই, তার প্রতিবাদ করার। কারণ এই সভ্যতা নারীদের উপর নিষ্পেষণ চালিয়েই আজকের জায়গায় এসেছে। সেই নির্যাতন এখনো চলমান। সেই বৈষম্য এখনো বর্তমান। তারা যদি তাই একটু উগ্র কথাও বলে, সেটা শুধু তাদের সামান্য এগিয়ে রাখবে তাদের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য। -- Pratim Firakh

সাকা চৌধুরী

১৯৪৯ সালের ১৩ মার্চ চট্টগ্রামে একজন মানুষের(!) জন্ম হয়েছিল। আমি জানি না তার মনুষ্যত্বকাল কতদিনের ছিল। কিন্তু তার পশুত্ব কাল ১৯৭১-২০১৫। আমি মনেপ্রাণে চেয়েছিলাম এটা ২০১৫-তে এসেই থেমে যাক। একটা জানোয়ার যে কতটা নির্মম, কতটা বর্বর হতে পারে তার উজ্বল উদাহরণ সাকা চৌধুরী। তার কুকর্মের তালিকা হয়তো গুনেও শেষ করা যাবে না। সময় একাত্তরের ১৩ ই এপ্রিল;- চট্টগ্রামের রাউজানের উনসত্তর পাড়ায় শান্তি মিটিংয়ের কথা বলে এলাকার হিন্দু নর নারীদের একত্রিত করা হয় সাকা চৌধুরীর প্ররোচনায়। অতঃপর সাকা চৌধুরীর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে পাকিস্তানী সেনারা নিরীহ, নিরস্ত্র হিন্দু নর-নারীদের ওপর ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে। আপনি ভাবুন একজন মা যিনি হয়তো ছেলেকে ভাত বেড়ে দিয়ে বলে এসেছিলেন,'বাবা,খাওয়া শেষ করে পড়তে বসবে। আমি এখুনি আসছি। আমি না আসা পর্যন্ত ঘর থেকে বের হবে না।' ছেলেটি হয়তো সারাদিন বসে ছিল। মা আসলেই বের হবে..... একজন নতুন বিয়ে করা স্বামী হয়তো তার সহধর্মিণীকে শেষ বারের মত বলে এসেছিলেন খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। আমি না আসা পর্যন্ত দরজায় কেউ কড়া নাড়লেও খুলবে না। সদ্য বিয়ে হওয়া নতুন বউটি অপেক্ষা করছিল সেই কড়া নাড়ার শব্দ শোনার। তাঁরা কেউ ফিরে আসেন নি। ব্রাশ ফায়ারে একের পর এক লুটিয়ে পড়েছিলেন। বুলেটের আওয়াজ আর তাদের মৃত্যুর চিৎকারে মিলেমিশে ঐ গ্রামের কেমন অবস্থা হতে পারে আমাদের চিন্তা শক্তি আমাদের অতটুকু ভাবার মত ক্ষমতা দিয়েছে বলে মনে হয় না। ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল;- চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানাধীন শাকপুরা গ্রামে কিছু লুকিয়ে থাকা মানুষকে খুঁজে বের করে নির্বিচারে গুলি করে তারপর বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। মানুষগুলো বুঝতে পারছিল মৃত্যু আসন্ন। তারপরও বাঁচতে চেয়েছিল। লুকিয়ে ছিল পাশেরই কোন জঙ্গলে আর ধান ক্ষেতে। হঠাৎ হয়তো মারা পড়ল একের পর এক। হয়তো গুলি লাগার পরও বেঁচেছিলেন কেউ কেউ। এত তীব্র যন্ত্রণার মধ্যেও তাঁদেরকে বেয়নেট দিয়ে খোঁচানো হল। তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলো। এরপরেও অসংখ্য মেয়েদের সম্ভ্রমহানি, ভোগ্যপণ্য হিসেবে পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়ে এই জানোয়ার যে নির্মম পাশবিকতার তৃপ্তি নিত তা প্রকাশের জন্য কোন ভাষাই যথেষ্ট নয়। এত মানুষ হত্যার পরেও, এত কুকর্মের পরেও একটা জন্তু ঠিকই বেঁচে ছিল। খুব আরাম আয়েশেই বেঁচে ছিল। একটা বড় রাজনৈতিক দলের একজন ভালো পদে বহাল তবিয়তে ছিল। আমাদের দেশের মানুষ যে কেমন নির্লজ্জ সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের দেশেরই মানুষের ভোট তাকে নির্বাচিত করেছে এম.পি হিসেবে। একটা পশুর কাছে আমাদের দেশের মানুষ বিক্রি হয়ে যায়। তাদের মনুষ্যত্ব বিক্রি হয়ে যায়। মানুষের ঘরে অনেক সময় ভুল করে পশুর জন্ম হয় কিন্তু পশুর ঘরে পশুর ছাড়া আর কিছুরই জন্ম হয় না এটারই বড় প্রমান জানোয়ারটির জন্মদাতা রাজাকার ফজলুল কাদের। এই রাজাকারের নামে রয়েছে চট্টগ্রাম শহরের একটি সড়কের নাম। একজন মুক্তিযোদ্ধা হেরে যান প্রতিটি মুহূর্তে যখন ঐ সড়কটি উপর দিয়ে তাঁদের পথ চলতে হয়। একজন বীরের মৃত্যু হয় প্রতিটি মুহূর্তে যখন একটা খুনি রাজাকারের উপর একটা দেশের ভার দিয়ে দেওয়া হয়। একজন বীরশ্রেষ্ঠের মায়ের কান্না গলায় এসে ধরে যায় যখন দেখতে পান একটা দেশের জন্মকে গর্ভে থাকতেই যেই জন্তুটি গলা টিপে ধরেছিল সে এখন পতাকাবাহী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। আজকে সেই জন্তুটির রায় হল। যেসব মানবতাবাদী বলছেন ফাঁসির রায় দেওয়াটা অনুচিত হয়েছে তাঁদেরকে বলব দয়া করে পানির নিচে কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে বসে থাকুন। একটা জন্তুর জন্য মানবতা আপনাদের নিঃশ্বাস বন্ধের সাথে সাথে উপচিয়ে পরুক। কান্নার পরে যে দীর্ঘশ্বাসটা ফেলে কিছুটা শান্তি পাওয়া যায় আমি সেই দীর্ঘশ্বাসটির শব্দ শুনতে পাচ্ছি যারা অপেক্ষা করেছিলেন এই জানোয়ারের বিচার হবে, এই জন্তুটির কোন একদিন ফাঁসির রায় হবে।

আমাদের মাতা ও ভগিনীদের পশ্চিম পাকিস্তানে শিখ ও হিন্দু যুবতীদেরকে সম্পূর্ন উলঙ্গ করে প্রকাশ্য রাজপথে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল

রবীন্দ্রনাথ দত্ত লিখছেন... আমাদের মাতা ও ভগিনীদের পশ্চিম পাকিস্তানে শিখ ও হিন্দু যুবতীদেরকে সম্পূর্ন উলঙ্গ করে প্রকাশ্য রাজপথে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তাদের ধর্ষন করে, তাদের স্তন কামড়ে রক্তাক্ত করে দিয়েছিল। গায়ে সিগারেটের ছাকা দেওয়া হয়েছিল। ওই শোভাযাত্রা পরিচালনা করছিল লম্বা লম্বা দাড়িওয়ালা পাচ ওয়াক্ত নামাজ পরা মুসলিম লীগের নেতারা, সঙ্গে ছিল লীগের চাদতারা মার্কা সবুজ পতাকা, তার সাথে চলছিল ঢোলকের বাদ্য, এই দৃশ্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার লোক উপভোগ করছিল। বহু মহিলা বাম হাত দিয়ে যৌনাঙ্গ ঢেকে ডান হাত দিয়ে এবং চুল দিয়ে স্তন ঢেকে লজ্জা নিবারনের চেষ্টা করছিলেন। কেউ কেউ লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে মুখ ঢেকে মাটিতে বসে পড়ছিলেন। আমার সংগ্রহশালায় ওই সময়কার তোলা একটি চিত্র আছে।

ভারতের সফল রাষ্ট্রপতি এবং সফল পদার্থবিদ ড. এপিজে আব্দুল কালামের মৃত্যুতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার

ভারতের সফল রাষ্ট্রপতি এবং সফল পদার্থবিদ ড. এপিজে আব্দুল কালামের মৃত্যুতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। আব্দুল কালামের মৃত্যুতে ভারতীয় বামপন্থী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের পিনাকীদের বিদ্রূপ চোখে পড়ল। স্বভাবসুলভ ভাবে তারা ড. কালাম কে সম্রাজ্যবাদের দালাল উপাধি তে ভূষিত করল! তবে মুসলমানরা পড়ে গেছে বড় ফাপরে। চিরকুমার নিরামিষভোজী সনাতনধর্মের প্রশংসক কালাম যে একজন মুনাফিক তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সেকথা স্বীকার করলে "ভারতে মুসলমানের অবদান" বলে জাহির করা যাবে না। মরে গিয়েও ভীষণ এক ঈমানের পরীক্ষায় ফেলে দিয়ে গেলেন কালাম সাহেব! এদিকে একদল হিন্দু এটা প্রমাণে ব্যস্ত যে কালাম জন্মগত ভাবে মুসলিম হলেও তিনি হিন্দুরীতি মেনে চলতেন; তাই তাঁকে হিন্দু বলা চলে। হিন্দু-মুসলমানের টানাটানি তে মৃত কালামের জাতীয়তা আজ সঙ্কটে পড়ে গেছে! হিন্দু সমাজে সাধারণত গুণীজনের ধর্মপরিচয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখা যায় না। যারা আজ কালামের ধর্মপরিচয় নিয়ে বেশি টানাটানি করছেন তারা মুসলিমদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমনটা করছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। কারণ এই বদ অভ্যাস কেবল ধর্মান্ধ মুসলিম সমাজেই লক্ষ্যনীয়। যেমনঃ কোনো মুসলিম কবি-সাহিত্যিক কিংবা বিজ্ঞানী কে তারা "মুসলিম কবি" "মুসলিম বিজ্ঞানী" বলতে পছন্দ করে। মডারেট প্রগতিশীল মুসলমানরা পর্যন্ত নজরুলকে মুসলমান কবি বলে কিন্তু রবি ঠাকুরকে কোনো তথাকথিত উগ্র হিন্দুর মুখেও বলতে শুনিনি যে তিনি 'হিন্দু কবি'। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় একবার বাংলাদেশে এলে এক বাংলাদেশী মুসলিম অটোগ্রাফের জন্য কাগজ এগিয়ে সুনীল কে জানায়, "হিন্দু লেখকদের মধ্যে একমাত্র আপনার লেখায় আমি পছন্দ করি!" সুনীল সেদিন তাঁর মুসলমান ভক্তের কথা শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন। কিন্তু আজ আর বিস্মিত হবার উপায়টুকু নেই! খোঁজ নিয়ে দেখুন, "বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান" টাইপের বইয়ের অভাব হবে না। কিন্তু "হিন্দু বিজ্ঞানী" "খ্রিষ্টান বিজ্ঞানী" "ইহুদী বিজ্ঞানী" বলে কারো পরিচয় মিলবে না। আব্দুল কালাম কে আজ যারা মুনাফিক বলে গালমন্দ করছে তারায় একদিন কালামের মাজার বানিয়ে ফেলবে। কালাম কে সাচ্চা মুসলমান বলে জাহির করে বলবে, "দ্যাখো! মুসলমানরা ভারত কে কত্ত ভালবাসে!" যেমন একসময়ের মুনাফিক নজরুল আজ মুসলমানদের নিকট পীর ফকিরদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়! (সংগৃহীত পোষ্ট)

ভারতবর্ষের অভিশাপ

ভারতবর্ষের অভিশাপ, মি্রযাফরের অনুসারী এই নির্লজ্জ কমিউনিস্ট ও তার সঙ্গীরা আজ ইয়াকুব মেমনের ফাসী রদ করার জন্য উঠেপরে লেগেছে, জঙ্গী ইয়াকুবের জন্য কান্নাকাটি করে বুক ভাসাচ্ছে.......অথচ ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চে যে মুম্বাইতে বড় ধরনের সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৫৭ জন মানুষ মারা গিয়েছিল পাশাপাশি ৭১৩ জন আহত হয়েছিল। ঐ ঘটনায় ১২টি স্থানে মোট ১৩টি বোমা বিস্ফোরণ হয়। এতে প্রায় ২৭ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়। কোনো কমিউনিস্টের বাচ্চা ঐ মৃত ও আহতদের জন্য এতটুকু কান্নাকাটি করছে না।... কেউ কি বলতে পারেন যে ঐ বিস্ফোরণে মৃত মানুষগুলো কি অপরাধ করেছিলো ?.... অথট এই বেহায়া বেয়াদপ কমিউনিস্ট ও তার সঙ্গীরা এই জঙ্গীকেই বাচাতে উঠেপরে লেগেছে।... অথচ যে মানুষটা সারা জীবন দেশের জন্য এত এত করে গেলো সেই এ পি জে আব্দুল কালামকে শ্রদ্ধা জানাতে এই নির্লজ্জদের কুন্ঠা বোধ হয়। কিন্তু এক জঙ্গীকে বাচাতে কমিউনিস্টদের এতটুকু কুন্ঠা বোধ হয় না.... এই কমিউনিস্টরা নেতাজীকে তোজোর কুকুর, রবীন্দনাথ ঠাকুরতে বৌদি ঘেষা... আরো অনেক আছে.. এই হচ্ছে কমিউনিস্টের আসল চরিত্র...... এই নির্লজ্জ বেহায়া কমিউনিস্টদের দেশদ্রোহী ঘোষনা করা উচিত।

বামপন্থী মাকু

Tapan Ghosh :- কিছু বামপন্থী মাকুরা দেখছি আমার পোস্ট-এর বিরুদ্ধে নোংরা পোস্ট দিচ্ছে। কারণটা সহজ। এদের আঁতে ঘা লেগেছে। কিন্তু আমার প্রতিটি কথা সত্য। আমি মাকু-সেকু দেরকে চ্যালেঞ্জ করছি - আমার দেওয়া একটা তথ্যও কেউ ভুল প্রমান করুক। প্রমান করুক - ইন্দিরা গান্ধী জরুরী অবস্থার সময় কোন সিপিএম নেতাকে জেলে পুরেছেন। একজন ব্যতিক্রম ছিলেন। তিনি তত্কালীন ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম এম পি - জ্যোতির্ময় বসু। তিনি পার্টির নির্দেশ না মেনে জরুরী অবস্থার বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন। আর সবাই পার্টির বাধ্য ছেলে। কেউ সেই জরুরী অবস্থার বিরোধিতা করেন নি। কেউ ইন্দিরা গান্ধীকে স্বৈরতান্ত্রিক বলেন নি। সিপিএম গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইতে যোগ দেয় নি। তারা জয়প্রকাশ নারায়নের আন্দোলনেও যোগ দেয় নি, নিজেরাও কোন আন্দোলন করে নি। তাই ইন্দিরা সেদিন সিপিএম-কে বিপজ্জনক বলে মনে করেন নি। সুতরাং সিপিএম নেতাদের গ্রেপ্তারও করেন নি। কয়েকজন বামপন্থী যুক্তি দিয়েছে - সিপিএম জরুরী অবস্থাকে সমর্থন করলে তারপর জনগণ ১৯৭৭ সালে আবার ওই পার্টিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনল কেন ? প্রশ্নটা সঠিক। উত্তরটাও জানা দরকার। ১৯৭৭ সালে জানুয়ারী মাসে ইন্দিরা গান্ধী লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা করলে সিপিএম গর্ত থেকে বেরিয়ে এল। আদি কংগ্রেস নেতা প্রফুল্ল সেনের হাত ধরে নির্বাচনী প্রচারে নামল। জনতা পার্টি-র সঙ্গে পূর্ণ নির্বাচনী আঁতাত করল। তখন আমি আর এস এসের নবীন প্রচারক। সেই ঐতিহাসিক লোকসভা নির্বাচনে আর এস এসের নির্দেশে আমি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে জনতা পার্টির প্রার্থী সুশীল ধাড়া-র হয়ে পাঁশকুড়া পূর্ব (কোলাঘাট) বিধানসভা কেন্দ্রের পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে প্রচারের কাজ করেছি। জরুরী অবস্থার জন্য জনগন ছিল ক্ষিপ্ত। মার্চ মাসে নির্বাচনে কংগ্রেস হারল। এমনকি অকল্পনীয় ভাবে ইন্দিরা গান্ধী ও তাঁর যুবরাজ পুত্র সঞ্জয় গান্ধীও হেরে গেলেন। ইন্দিরা হেরে যাওয়ার পর চরম দক্ষিনপন্থী নেতা মোরারজী দেশাই-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রে জনতা সরকার গঠিত হল। মোরারজী বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেসী সরকারগুলো ভেঙ্গে দিলেন। পশ্চিমবঙ্গেও। জুন মাসে এখানে বিধানসভা নির্বাচন হল। লোকসভা নির্বাচনের আঁতাত বিধানসভা নির্বাচনে থাকল না। জনতা দলের প্রফুল্ল সেন সিপিএম-কে তাদের দাবিমত আসন দিতে রাজী হলেন না। সুতরাং পশ্চিমবঙ্গে ত্রিমুখী লড়াই হল। কংগ্রেস, জনতা ও বামফ্রন্ট। জনতা পার্টি ছিল অগোছাল ও চরম বিশৃঙ্খল। কংগ্রেস পর্যুদস্ত। সিপিএম গোছানো অবস্থায়। তাই সেই নির্বাচনে সিপিএম জিতল। এর জন্য সিপিএমের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করতেই হবে। বিশেষ করে সেই সময়ের অসম্ভব সংগঠন দক্ষ প্রমোদ দাশগুপ্ত-এর অবদান বিরাট। কিন্তু এটাও স্বীকার করতে হবে যে, ১৯৭২ সালে সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের মার খেয়ে কাপুরুষের মত গর্তে ঢুকে গিয়েছিল। তারপর রাশিয়ার মাধ্যমে ইন্দিরার কাছে নতিস্বীকার করে গুপ্ত আঁতাত করে নিজেদের চামড়া বাঁচিয়েছিল। তারপর সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ১৯৭৭ সালে নির্বাচনের আসরে। শেষ জয় - ১৯৭৭ সালের জুন মাসে বিধানসভা নির্বাচনে এই বামেদেরই হয়েছিল। তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা, ঝড়ের সামনে মাথা নীচু করার বাস্তব বুদ্ধি এবং মেরুদন্ডের নমনীয়তার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছিল। পরের ইতিহাসটাও জানা দরকার। চরম দক্ষিনপন্থী মোরারজী দেশাই-এর সরকারের জন্য চরমভাবে বিঘ্নিত হল সোভিয়েত রাশিয়ার স্বার্থ। নেহেরু নিজেও ছিলেন বর্ণচোরা বামপন্থী, মাকু। তার উপর, নেতাজিকে গুপ্ত হত্যা করে রাশিয়া নেহেরুর গদিকে নিষ্কন্টক করে দিয়েছিল। আর তার বিনিময়ে কিনে নিয়েছিল নেহেরু ও নেহেরু পরিবারকে। তাই তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় পাক্কা কমুনিষ্ট কৃষ্ণমেনন, নুরুল হাসান কে স্থান দিয়েছিলেন নেহেরু। আর মার্কসবাদী অর্থনীতি অনুসরণ করে ছিবড়ে হয়ে যাওয়া রাশিয়া নেহেরুকে ব্ল্যাকমেল করে (নেতাজী হত্যার কথা বলে দেব, আজাদ হিন্দ ফৌজের গুপ্ত ধনভান্ডারের কথা বলে দেব ) ভারতকে প্রচন্ড ভাবে আর্থিক শোষণ করে চলেছিল। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে রুবলের মূল্য পঞ্চাশ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, তখন রাশিয়া ভারতের কাছে বিনিময় মূল্য নিত ১ রুবলের জন্য ৩০ টাকা। রাশিয়ার তখনকার অবস্থা জানতে হলে বিখ্যাত লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী-র লেখা "দ্বন্দ-মধুর" বইটা পরে দেখুন। ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস ও নেহেরু পরিবার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে রাশিয়ার স্বার্থ চরমভাবে বিঘ্নিত হল। তাই রাশিয়া তার খেলা শুরু করে দিল। সাংবাদিকদের মধ্যে বামপন্থীদের প্রভাব ছিলই। তারা প্রচার শুরু করে দিল - জনতা পার্টি মানেই জনসংঘ, আর জনসংঘ মানেই আর এস এস। ফ্যাসিবাদী আর এস এস ভারতটাকে দখল করে নিল। এই ফ্যাসিবাদকে রুখতে হবে। তখন পাঁচমিশেলি জনতা দলে যেসব রাশিয়ার অর্থপুষ্ট সোশালিস্ট নেতারা ছিলেন তাদেরকে দিয়ে মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই জনতা সরকারকে ভেঙ্গে দিল রাশিয়া। ৬ নম্বরী সোশালিস্ট নেতা পিলু মোদী রাশিয়া থেকে ঘুরে এসেই বায়না ধরলেন - জনসংঘের সব সদস্যকে আর এস এস থেকে পদত্যাগ করতে হবে। দ্বৈত সদস্যপদ চলবে না। বাজপেয়ী - আদবানী ইত্যাদি নেতারা মানলেন না। সেই অজুহাতে জনতা পার্টি ভেঙ্গে দেওয়া হল। আর এস এস কে রোখার অজুহাতে আবার রাশিয়ার তাঁবেদার নেহেরু পরিবারকে দিল্লীর ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা হল। এই হল কাহিনী। এর মধ্যে অনেক উপ-কাহিনী আছে। সেগুলো বলতে হলে রাতের ঘুমকে বাদ দিতে হবে। আজকের সিপিএমের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত ক্যাডার -সমর্থকরা এসব ইতিহাস জানে না। তাদেরকে মূর্খ করে রাখাই সিপিএমের কৌশল। মূর্খ ক্যাডার-সমর্থক-ই সিপিএমের সম্পদ। সিপিএমের রাজত্ব মানে অজ্ঞতার প্রসার, অন্ধকারের বিস্তার। ৩৪ বছরের সেই অন্ধকার থেকে পশ্চিমবঙ্গ এখনো মুক্তি পায়নি। সেই অন্ধকারেরই ফসল বর্তমানের মমতা ব্যানার্জী।

মুসলমানদের উৎপত্তির ইতিহাস জানে না বলেই তাদেরকে ভাই বলে মনে করে হিন্দুরা

মুসলমানদের উৎপত্তির ইতিহাস জানে না বলেই তাদেরকে ভাই বলে মনে করে হিন্দুরা। “সেদিন ঢাকা হইতে একটি কৌতুহলজনক সংবাদ শুনিলাম। এক বাড়িতে খাইতে গিয়াছি। সেখানে অতি সুশ্রী, সুশিক্ষিত ও অতি সুবেশও বটে - একটি বাংলাদেশী যুবকও ছিল। কথায় কথায় সে আমাকে বলিল যে, মায়ের দিক হইতে সে সৌদি আবদুল আজিজ ইবন -এর বংশধর। আমি হাসিয়া জিজ্ঞেস করিলাম, “কোন তরফ, সিধা- না বাঁকা?” যুবকও হাসিয়া উত্তর দিলো, জারজ তরফেই বটে। আমি আবার জিজ্ঞেস করিলাম, “কোন উপপত্নীটি?”… সকলেই অবশ্য হাসিল।” এ প্রসঙ্গে বলা যায়, বাংলাদেশী মুসলিম লেখিকা তসলিমা নাসরিন তাঁর ‘আমার মেয়েবেলা’ গ্রন্থের এক মুসলিম লেখকের বরাতে উল্লেখ করেছেন- “ সৌদি আরব , ইরান, ইরাক সকলেই স্থানীয় মেয়েদের (মুসলিম মেয়েদের) ‘উপপত্নী’ হিসেবে বাড়িতে রাখতো। এদের সন্তান-সন্ততিরাবর্তমানে মুসলিম জাতিবিন্যাসে একটা বড় অংশ।” এসব অবৈধ মুসলিম সন্তানগুলো যে নিজেদের অবৈধ জন্মপরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করতো, সেটাই আলোচনার শুরুতে তসলিমা নাসরিনের অভিজ্ঞতায় ফুটে উঠেছে। কুৎসিত ব্যাধিসমূহও হিন্দুদের সমাজে অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয় বলে ধরে নেয়া হতো। উপরোক্ত ‘নির্বাচিত কলাম’ বইটিতে এ প্রসঙ্গে বেশকিছু ঘটনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো “দাদা একটি জলচৌকিতে বসিয়া আছে, কোমর পর্যন্ত লুঙ্গি তোলা, একটা কি তীব্রগন্ধ ঔষধ দিয়া উন্মুক্ত উপস্থ ধুইতেছে, তাহার অগ্রভাগ হইতে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত নীচে একটা পিতলের বাটিতে পড়িতেছে। এতগুলি বালক বালিকা যে আছে তাহাতে সে কেনোও সঙ্কোচ বোধ করে নাই। অবশ্য আমরা বালক-বালিকারাও দৃশ্যটা দেখিয়া উহাতে মনোযোগ দেওয়া বা কথা বলার কোনো আবশ্যক দেখি নাই। আমাদের অস্পষ্ট ধারণা ছিল যে, শহরের উপকণ্ঠে বেশ্যাপাড়া বলিয়া যে একটা বেড়া-দেওয়া দোচালা-চারচালারবসতি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্যই এই ধরনের রোগ হয়; উহা লইয়া চেচামেচি বা মাতামাতি একেবারে অহেতুক।” একসাথে খেতে বসে নিজের জন্মপরিচয়ের অবৈধতা নিয়ে হাসিঠাট্টা করা, কিংবা কুৎসিত ব্যাধিসমূহকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া, এগুলো কোনো হিন্দু তার দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবে না। তবে কেন তারা মুসলমানদেরকে বন্ধু মনে করে? কেন তাদেরকে ভাই বলে ডাকে তারা? কারণ একটাই, হিন্দুরা মুসলমানদের ইতিহাস জানে না। তারা জানে না যে, মুসলমানদের সমাজ কতোটা অপবিত্র। ...... স্বর্নেন্দু বিশ্বাস......