Sunday, 2 August 2015

সুখবর বাংলাদেশি হিন্দুভ্রাতাগণ

*****সুখবর বাংলাদেশি হিন্দুভ্রাতাগণ***** RSS-VHP এবার বাংলাদেশে যাচ্ছে................ আগামী ৭ তারিখ শুক্রবার রমনা কালি মন্দিরে স্বামী বিবেকানন্দের পথে নরেন্দ্র মোদীজি এই শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন। প্রধান অতিথিঃ-শ্রী বিজয় শঙ্কর শাস্ত্রী - জাতীয় মুখপাত্র ,বিজেপি । বিশেষ অতিথিঃ- শ্রী বালা কৃষ্ণান-সহ সভাপতি,বিশ্ব হিন্দু পরিষদ । শ্রী প্রশান্ত হরতাল্কর - সাধারণ সম্পাদক , বিশ্ব হিন্দু পরিষদ । শ্রী অনিল ভারতাক - বিদেশ বিভাগ দায়িত্ব প্রাপ্ত , রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ .শ্রী সুভাষ সরকার -পশ্চিমবঙ্গ ,বিজেপি । বক্তব্য রাখবেন কিশোর কুমার সরকার - সভাপতি,জাগো হিন্দু-বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চ বাংলাদেশ। বিনয় ভূষণ জয়ধর-সাধারণ সম্পাদক,জাগো হিন্দু-বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চ বাংলাদেশ। উক্ত অনুষ্ঠানে সবাইকে সবান্ধবে আমন্ত্রন।জয় শ্রী রাম।বাংলাদেশকে হিন্দুর বাসযোগ্য করে তুলবোই। আয়োজনেঃ-জাগো হিন্দু -বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চ বাংলাদেশ । শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন। জয় হিন্দু রাষ্ট্র। ‪#RSS‬

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- (পর্ব - ১৮)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্য সাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৮) ------------------------------------------------------------ পর্ব যত বাড়ছে জিহাদের নৃশংসতা, নারীদের উপর ইসলামী বর্বর অত্যাচারের কাহানী ততোই বাড়ছে। তাই পড়ুন। আজকের এবং আগামী পর্বগুলো কেউ মিস করবেন না।। ----------------------------------------------------------- আমার জিহাদিদের ছহবতের শক্তি আমাকে মুগ্ধ করে, অজস্র হুর কেন দরকার আমি রাতের পর রাত বুঝতে পারি। আমার মেইন পার্টির নেতা বিখ্যাত খিলজি ছৈয়দ ছব্দর আলি বল্টু ঠান্ডা আগুনকে গরম আগুনে পরিনত করে, কিন্তু আমি অকাজে গরম হতে চাই না। যা চাই, তা পেলে গরম হওয়ার কি দরকার? আমার জিহাদিরা মালাউন পাড়ায়ই হুর লাভ করে, রাহমানির রাহিম এতো হুর যে জিহাদিদের জন্য পাঠিয়েছিলেন, তা আমি ভাবতে পারিনি। মালাউন পাড়াগুলো নানারকম হুরের পল্লী, ওগুলো হুর স্বর্গ। যারা আল্লার কাজ করে, আল্লা তাদের তৌফিক ডান করেন; কিন্তু এত তৌফিক দেবেন, তা ভাবিনি। জিহাদিরা ছহবতের পর ছহবত করতে থাকে, কিন্তু একটু টুঁ শব্দও করেনা মালাউন হুরগুলো; ওরা জানে জিহাদিদের সাথে তারা পারবে না। মাঝখান থেকে তাদের ক্ষতি হবে, মুখ দেখাতে পারবে না। এই হুরগুলো কি সবাই পিল খেয়ে আমাদের জন্য প্রস্তুত ছিল? টাকা পয়সায় আমাদের বস্তা ভরে উঠে। এটাই আসল দরকার। আমি অবাক হই হুন্ডি করে টাকা পাঠানোর পরও ওদের ঘরে এত টাকা? ঠিক ইহুদিদের অত, আর কিছু ছিল না, টাকা ছিল। জিহাদি মোঃ হাফিজুদ্দিন এক অপুর্ব প্রস্তাব নিয়ে আসে আমার কাছে। সে বলে, ‘হুজুর, মালাউন ছহবতে ত গুনাহ নাই’। আমি বলি, ‘না’। সে বলে, ‘হুজুর আমার দিলে একটা খায়েশ অইছে’। আমি বলি, ‘কি খায়েশ, মোঃ হাফিজুদ্দিন?’ সে বলে, ‘আমার খায়েশ চার বিবির লগে একসঙ্গে ছহবত করুম’। সে একটি ঘরে মা, দুই মেয়ে, ও এক নব বধূকে পেয়েছে; তাদের ঘরে আতকে রেখে আমার কাছে এসেহে দোয়া নেওয়ার জন্য। বিজয়ের ওই অপূর্ব সময়ে বাধা দেওয়া অমানবিকতা হতো, আমি বাধা দিই না’। আমি বলি, ‘তোমার খায়েশ তুমি পূর্ন করো, খায়েশ পূর্ন না হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে, তোমার এখন সুস্থ থাকা দরকার’। তার বডিগার্ডরা তাকে পাহারা দেয়, সে একের পর এক মা , দুই মেয়ে ও নববধূর সাথে ছহবত করে-খায়েশ পূর্ণ করে, ঘন্টা দুতেক সময় নেয়, চারজনের জন্য ১২০মিনিট বেশি সময় নয়, হয়তো চরম সুক্ষ পেয়ে সে রিপ্লে করে, যেমন এক্স এক্স এক্সের সময় করে; যখন সে বেরিয়ে আসে দেখি সে নওজোয়ান হয়ে গেছে; তবে ওই বারী থেকে বেরোনোর সময় দেখি বাপটি ও মরদ ছেলেটি গলায় দড়ি দিয়ে আম গাছের সাথে ঝুলছে। কেউ যদি আমাগাছের ডালে ঝুলে সুখ পেতে চায়, তাহলে তার সুখে আমি বাধা দিতে পারিনা; সকল প্রকার সুখে আমি বিশ্বাস করি। পরে মা, দুই মেয়ে ও নববধূটি আম গাছের ডালে ঝুলেছিল শুনেছিলাম; তা ঝুলুক, শ্রাবনের ঝোলনে ঝোলার অভ্যাস ওদের আছে; গাছের সঙ্গে ঝুলে যদি ওরা পুলকিত হয় আমি কি করতে পারি? ছহবত আমারও দরকার, কিন্তু জিহাদিদের মতো, মোঃ হাফিজুদ্দিনের মতো, যাকে তাকে ঘরের মেঝেতে চিত করে ফেলে দাপাদাপি করে টানাটানি করে ছহবত আমাকে মানায় না। আমার তেমন রুচিও নেই; আর আমি যদি জিহাদিদের মতো যাকে তাকে ছহবত করি, তাহলে তারা মাকে মানবে না; আমি নেতা নেতার মতই আমাকে ছহবত করতে হবে। এতে কোনো গুনাহ নেই; আমি জামাঈ জিহাদে যোগ দেওয়ার পর অনেক কিতাব পড়েছি, যুদ্ধের পর গনিমতের মাল কিভাবে ভোগ করতে হয় আমি জানি। এখন সেই মহান যুগও নেই যে মিশর বা সীতারামপুর থেকে কেউ আমকে একটি দুইটি রুপসী দাসী পাঠাবে; তাই আমার রীতিতেই আমি কাজ করি। গোটা দশেক উর্বশী আমার পছন্দ হয়। শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা পড়ার পর নহ মাতা নহ কন্যাদের জন্য আমার স্বপ্ন জেগে উঠেছিল; চিত্ত আত্মহারা হয়েছিল, রক্তধারা কেঁপেছিল, আমি তো পুরুষ। আমি ওদের দিকে জিহাদিদের হাত বাড়াতে দিইনা এবং তাদের পিতাদের আমি একটি বিশেষ বরকত দিই। উর্বশীদের পিতা হওয়ার জন্য বিশেষ বরকত তাদের প্রাপ্য, কৃতিত্বের জন্য সকলেরই বরকত প্রাপ্য।

ফাক ফাকিস্তান

ফাক ফাকিস্তান! . পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলার পুলিশ স্টেশনে হামলাকারী তিনজন সন্ত্রাসীর মধ্যে একজনের ব্যবহৃত হাতমোজায় “মেড ইন পাকিস্তান” লেখা সম্বলিত ট্যাগ পাওয়া গেছে। সন্ত্রাসী হামলাকারীদের কাছ থেকে আরও পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত রাতের বেলায় দেখার উপযোগী যন্ত্র। যা আফগানিস্তান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে তদন্তকারীরা জানায়। এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ স্পষ্টভাবেই সন্ত্রাসী হামলাটিতে পাকিস্তানের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

আইএসের বিস্তার ও পশ্চিমবঙ্গ - এক মহা সঙ্কটের সিঁদুরে মেঘঃ

আইএসের বিস্তার ও পশ্চিমবঙ্গ - এক মহা সঙ্কটের সিঁদুরে মেঘঃ সারা বিশ্বের ধর্মান্ধ উগ্র সুন্নি জঙ্গিদের কাছে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস এখন একটা ভয়ংকর ক্রেজ। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে জন্ম নেওয়া বাহারি আরবি নামের জঙ্গি সংগঠনগুলো সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের অনুসারী বা শাখা সংগঠন হিসেবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরার জন্য উন্মাদের মতো লম্ফঝম্প করছে। নিজেদের সক্ষমতা জাহির করে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের দৃষ্টি আকর্ষণ ও স্বীকৃতি আদায় করাই এখন সুন্নিজঙ্গি সংগঠনগুলোর মুখ্য লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে; যার সর্বশেষ উদাহরণ কুয়েতের শিয়া মসজিদে, তিউনিসিয়ার পর্যটনকেন্দ্রে এবং ফ্রান্সের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আক্রমণ। বিধমী হত্যা, সভ্যতার নিদর্শনে ধ্বংসযজ্ঞ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বর্বর কর্মকাণ্ডের এদের মূল কাজ । কৌশল ও কর্ম পদ্ধতি নিয়ে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস ও আল-কায়েদা আপাতত এখন ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও উভয়ের লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। সিরিয়ায় আসাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত আল-কায়েদার শাখা আল নুসরা ফ্রন্ট থেকে আলাদা হয়ে সৃষ্টি হয় সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস। সারা বিশ্বের সুন্নি অঞ্চল নিয়ে একজন সুন্নি খলিফার অধীনে একটি সুন্নি খেলাফত সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। মানবসৃষ্ট আইনের পরিবর্তে তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যা মোতাবেক সুন্নি কোরআন, সুন্নাহ ও সুন্নি শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত হবে সেই খেলাফত সুন্নি রাষ্ট্র। সব সুন্নি মুসলমানকে এটা মেনে নিতে হবে, প্রশ্ন করা যাবে না। যারা মানবে না তাদের বিধর্মী বা কাফের আখ্যা দিয়ে হত্যা করা হবে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি ও সামরিক এবং সাংস্কৃতিক-সামাজিক বাস্তবতায় এটা যে একটা অলীক স্বপ্ন ছাড়া অন্য কিছু নয়, সেটি উপলব্ধি করার মতো সক্ষমতা এদের নেই। শিয়া সম্প্রদায়ের শাসক সিরিয়ার আসাদ, ইরাকের শিয়া কর্তৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ও আরব বিশ্বের সব শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানদের প্রধান টার্গেট হিসেবে নির্ধারণ করেছে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস। যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালে ইরাক দখলের পর চাকরিচ্যুত সাদ্দাম হোসেন সুন্নি সরকারের সুন্নি সম্প্রদায়গত বিরাটসংখ্যক প্রশিক্ষত, দক্ষ ও নিবেদিত সেনা সদস্যরা সংগত কারণেই সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। ইরাক শিয়া সরকারের বর্তমান সেনাবাহিনীর টপ টু বটম আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়ায় যুদ্ধ করার মতো মনোবল ও মানসিকতা কোনোটাই তাদের নেই। এসব কারণে ২০১৪ সালের ২৯ জুন সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের পর স্বল্প সময়ের মধ্যে ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল অঞ্চল তারা দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্র এবং ইরাকি সরকারি বাহিনীর ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের ভাণ্ডার সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের দখলে এসেছে। যুদ্ধ চালানোর মূলশক্তি টাকা ও অস্ত্র তারা প্রথম ধাক্কায়ই পেয়ে গেছে। বিশ্বের কোথাও তাদের কোনো জবাবদিহি না থাকার কারণে তারা যা ইচ্ছা সে রকম ভয়ংকর আচরণ করতে পারছে। যুক্তরাষ্ট্রের অফিশিয়াল ভাষ্য মতে, গত এক বছরে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে তিন হাজার বিমান আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাতে নিহত হয়েছে প্রায় ১০ হাজার সুন্নিপন্থী জঙ্গি। আইএসের বিস্তার ও পশ্চিমবঙ্গ সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস তাদের সক্রিয় অপারেশন ক্ষেত্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারছে এবং তাদের বর্বরতার মাত্রাও সব সীমা অতিক্রম করছে। গত বছর এবং এ বছরেও খোদ সৌদি আরবেও শিয়া মসজিদে আক্রমণ চালিয়ে তারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছে। ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, মিসর, লিবিয়া, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রে আইএস, আল-কায়েদার শাখা সংগঠনগুলো এখন পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় আছে। এসব দেশে তাদের প্রধান টার্গেট শিয়া সম্প্রদায়। নাইজেরিয়ার বোকো হারাম ও সোমালিয়ার আল শাবাব দুই সুন্নি সংগঠনই এরই মধ্যে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছে এবং আবু বকর বাগদাদিকে তাদের খলিফা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। বোকো হারাম নাইজেরিয়ায় তো প্রতিনিয়তই শিয়া হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। উপরন্তু পাশের দেশ নাইজার, চাদ ও ক্যামেরুনে প্রায়ই সন্ত্রাসী অপারেশন করছে। অন্যদিকে সোমালিয়াভিত্তিকআল শাবাব পার্শ্ববর্তী কেনিয়া, তানজানিয়া ও ইথিওপিয়ায় সন্ত্রাসী অভিযানের বিস্তৃতি ঘটিয়ে সুদানকে ব্যবহার করছে আল শাবাব ও বোকো হারামের সংযোগ স্থল হিসেবে। মানচিত্রের দিকে তাকালে বোঝা যায়, আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ডে এখন চলছে সুন্নি জিহাদি কর্মকাণ্ড। কিন্তু যতই ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ড চালাক না কেন, বিশ্বের কোনো দেশেই তারা সরাসরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনবরত মানুষের রক্তক্ষরণ ও বর্বরতার এত বড় ওজন বহন করা মানবসভ্যতার জন্য এখন প্রচণ্ড ভারী হয়ে উঠছে। ইরাক ও সিরিয়ায় ভূখণ্ডগত অবস্থান, অস্ত্র-গোলাবারুদের শক্তি, সম্পদের ব্যাকআপ এবং ধর্মীয় উন্মাদনার শক্তি এখন যে পর্যায়ে আছে, তাতে ২০০১ সালে আফগানিস্তান বা ২০০৩ সালের ইরাক অভিযানের মতো বড় আকারের সর্বাত্মক সামরিক অভিযান ছাড়া সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করা এখন আর সম্ভব নয়। সে রকম ঘটলে তাতে হয়তো আইএস পরাজিত হবে ও বিশ্বব্যাপী অন্যান্য দেশের সুন্নি জিহাদিদের উন্মাদনা কমবে। কিন্তু তাতে মানবিক সংকট আরো বৃদ্ধি পাবে কি না বা ইরাক তো শেষই, তার সঙ্গে সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেনে আরো ধ্বংসযজ্ঞ বৃদ্ধি পাবে কি না, এসব নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভিন্নমত আছে। কারণ ইরাক ও আফগানিস্তানের উদাহরণ কারো জন্য স্বস্তিদায়ক হয়নি। অনেকের ধারণা, চলমান গৃহযুদ্ধের একপর্যায়ে সিরিয়ার আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হবেন এবং সিরিয়ার রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করবে আইএস। তখন আফগানিস্তানে তালেবান শাসন হটানোর কায়দায় যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব, জর্দান একত্র হয়ে বড় আকারের সামরিক অভিযান চালিয়ে সিরিয়া দখল করে নেবে।

ভারতীয় সংস্কৃতিকে নিয়ে বাংলাদেশী কট্টরপন্থী ইসলামিকরা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার জবাব

●●গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয়না তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়? ☆-------গরু হিন্দুদের মা এটা কোন গ্রন্থে বলা আছে কী? অতি সুপ্রাচীনকাল হতে ভারতবর্ষের অনেক রাজা-মহারাজার গোপালন করতেন। মহাভারতে বর্ণিত, বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভী ছিল। কে কতো বেশী ধনশালী ও সমৃদ্ধশালী তা ওই রাজ্যের গোশালা ও গরুর সংখ্যার উপর নির্ভর করতো। "আইন-ই-আকবরী" থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট আকবরেরও শতশত গাভী ও বলদ ছিল। তিনি মুসলমান হয়েও ভারতবর্ষে গোহত্যা নিষিদ্ধ করেছিলেন। ছোট বেলায় বাড়ীর মা, ঠাকুরমাগন খুব ভোরে ঘুম থেকে গরু ঘরের গোবর ঘটিতে নিয়ে পরিস্কার জলে গুলে তা বাড়ী আঙ্গিনায় ছিঁটাতেন, পূজো কিংবা সন্ধ্যা আহ্নিকের জায়গা গোবর মিশানো জল ছিঁটানো কিংবা ঘরের ভিঁটি লেপন করতেন,আসলে গোবর জল ছেটাবার জন্যই পোকামাকড় এর উপদ্রব কম হয়। প্রাচীন আর্য ঋষিদের ভাবনা নির্দেশনা হলেও আধুনিক বিজ্ঞানে প্রমাণিত সত্য হিসাবে প্রকাশ পাচ্ছে। গাভী কৃষ্ণের বাহন, ষাঁড় শিবের বাহন এবং গোজাতি হত্যা মহাপাপ। পৃথিবীতে সম্ভবত গো-জাতিই একমাত্র প্রাণী যা খায় ঘাস, দেয় দুধ। মল ও মূত্র ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃতিতে তথা আমাদেরকে দেয় জৈব সার ও জীবানু নাশক উপাদান। সম্ভবত একসঙ্গে এ ধরনের একাধিক উপযোগীতা পৃথিবীর অন্য কোন পশুকূলের মধ্যে দেখা যায় না। আমরা জানি যে অন্য পশুর দুধের চাইতে গরুর দুধই একমাত্র পুষ্টিকর, সস্তা ও সহজলভ্য যা দুধ শিশু বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাই খেয়ে থাকে। যে সব মায়ের বুকে দুধ থাকে না তাঁরা তাঁদের শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ান। এছাড়া গরুর দুধ থেকে ঘি,মাখন,মিষ্টি ইত্যাদি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাদ্যবস্তু তৈরি হয় যা অন্য প্রানীর দুধ থেকে পাওয়া যায় না। বর্তমানে চিকিৎসকেরাও পথ্য হিসাবে গরুর দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। অপর দিকে কৃষি সভ্যতার শুরু থেকে পুরুষ গরুই (ষাঁড় ও বলদ) একমাত্র প্রানী যা মানুষকে হাজার হাজার বছর ধরে অবাদি চাষের ভূমি কর্ষণ করে সহজে অধিক ফসল ফলাতে সাহায্য করেছে। এত উপকারী একটি প্রাণী কে মা বলে সম্মান জানানো কেন যায়না এটাই বোধগম্য নয়। ॐ卐 ●●গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়, গোশত খায়না। অথচ ওই মায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়। কেন মায়ের এই অমর্যাদা? ☆--- গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া কখনই ভাবি না। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে মৃত গরুর চামড়া ব্যবহারে নিষেধ আছে এমন উল্লেখ নেই। উদাহরণঃ মানুষ হত্যা পাপ। কিন্তু মৃত ব্যক্তির চোখ দান পাপ না। মনে রেখো প্রতিটা প্রাণীর অস্তিত্ব বর্তমান না থাকলে সৃষ্টির নিয়ম লঙ্ঘিত হবে। মাংস ভোজী প্রাণীদের মেরে ফেললে তৃণ ভোজী প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং তৃণ সংকটে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাবে। এই কারণেই বাঘ ও সিংহ বাহন ধারণ করেছেন দেবীরা। দেবীর বাহন বলে সিংহ ও বাঘকে হত্যা করা যাবে না। সিংহ ও বাঘকে শক্তির প্রতীক হিসাবেও দেখা হয়। আবার দেখুন ইঁদুর, গরু, প্যাঁচা, ঈগল, সাপ, ময়ূর, হাঁস, হাতি_সহ বিভিন্ন প্রাণীকে বাহন হিসাবে ধারণ করেছেন বিভিন্ন দেবতারা। আবার শ্রী রামের কথা মনে করলেই বানর ও হনুমানের কথা মনে পড়ে। প্রজাপতির বিশাল স্থান আছে সনাতন দর্শনে। শুধু ইঁদুরের কথাই যদি বলি তবে বলতে হয়, মানবের কোন উপকারে এই প্রাণীটি তেমন কোন ভূমিকা রাখে না। তাহলে কেন ইঁদুরকে আমরা রক্ষা করবো? রক্ষা করবো এই কারণেই যে, ইঁদুরকে খেয়ে বেঁচে থাকে এমন প্রাণী মানব ও প্রকৃতির উপকারে আসে। তাই সব প্রাণীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং রয়েছে বলেই এই প্রাণীগুলিকে দেবতাদের বাহন করে রক্ষা করার জন্য বলা হচ্ছে। ইকোসিস্টেমে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। খাদ্য চেইনের একটি বিচ্ছিন্ন হলে অনেকগুলি প্রাণী অস্তিত্ব হুমকিতে পড়ে। যেমন ধরুন গরুকে রক্ষা করতে যে টিকা দেওয়া হয় সেটা শকুনের জন্য বিষ। টিকা গ্রহণকারী গরু মারা গেলে ওই মৃত গরুকে শকুন খেলে শকুন মারা যায়। গরু মারা গেলে সেই গরুকে এখন নদীতে বা খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়, এতে জল দূষিত হয়। কিন্তু শকুন মৃত প্রাণীগুলিকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে প্রকৃতি দূষণ থেকে রক্ষা করতো। সুতরাং বলার অপেক্ষাই রাখেনা যে, আমাদের পৌরাণিক নিয়ম কানুনগুলি কালজয়ী ও বৈজ্ঞানিক। যে ইকোসিস্টেমের প্রয়োজনীয়তার কথা আমরা আধুনিক যুগে জানি তা বৈদিক ঋষিরা খ্রীষ্টপূর্ব 7000 সালে উপলব্ধি করেছে। এতেও যদি মনে হয় তারা ভুল ছিল তাহলে তুমি মহা মূর্খ। ॐ 卐 ●●গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের পূজা হয়না, গরুকে হত্যা করে তার চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়। কেনো মায়ের এই পরিনতি? ☆--------- একটু আগে আমাদের কশ্চেন করা হয়েছিল। কেন আমরা গরুকে মা বলি? গোস্ত খাই না? অর্থাৎ পরোক্ষ্যভাবে স্বীকার করা হয়েছিল হিন্দুরা গরু মারে না। আবার এখন বলছেন ঢোল করতে হলে গোরুকে হত্যা করতে হয়। আচ্ছা মৃত গরুর চামড়া দিয়ে কী ঢোল হয় না? আসলে আপনাদের যুক্তির আধার একটা- হিন্দু সম্পর্কে মিথ্যা রটনা। গরুর চামড়া ছাড়া মহিষের চামড়ায়ও তো ঢোল হয়। আর দুর্গা পূজায় ঢাক বাজানো হয়। একটা মৃত গরুর চামড়া এর মধ্যেও তার অস্তিত্ব নিহিত থাকে। সোজা ভাবে বলতে গেলে ওই ঢাক বা ঢোল উভয়েই দেবীর শুভ আগমনী বার্তা বহন করে। মৃত্যুর পরেও সে সম্মান পায় পূজা-অর্চনার দ্বারা। একটা পশু পাখিকে সম্মান জানায় এমন ধর্ম পৃথিবীতে আর আছে কী? কারণ হিন্দু ধর্ম মানবতার ধর্ম। এই ধর্ম শেখায় আমরা সকলে সমান। একটা গাছের প্রাণ আছে এটা বৈজ্ঞানিকরা আধুনিক যুগে জেনেছে। আর বৈদিক যুগে এই গাছকেই দেবতা রূপে পূজো করা হতো। কারণ বৈদিক যুগ আমাদের শিখিয়েছে মানবতা-সত্য-অহিংসা।

আজ ২রা আগষ্ট বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ,বিজ্ঞানী, দার্শনিক প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিন।।

আজ ২রা আগষ্ট বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ,বিজ্ঞানী, দার্শনিক প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিন।।

Saturday, 1 August 2015

China Makes Major Moves To Ban Islam

http://www.jewsnews.co.il/2015/05/10/china-makes-major-moves-to-ban-islam/