Wednesday, 5 August 2015

সিপিএমের জন্ম অভিক্ত ভারতে ১৯৩০ সালের দিকে।

লাল পার্টি, সিপিএমের জন্ম অভিক্ত ভারতে ১৯৩০ সালের দিকে। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয়। ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম নেই ভারত বর্ষ, পাকিস্তান আর পূর্ব পাকিস্তান (বাঙলাদেশ)। অবিভক্ত ভারত বর্র্ষে সিপিএমের অস্তিত্ব থাকণেও কেউ কি শুনেছো দেশ ভাগের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এই লাল পার্টির অস্তিত্ব অাছে? .....না। আমার মনে হয় এই হারমখোর পারটির কোনো অস্তিত্ব নেই। মোচলমানরা লাল পার্টিকে লাথি মেরে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বিতারিত করেছে। বি.দ্র:: এই লাল পার্টি ভারতে ও অবলুপ্ত।

আমি (আমরা) আজীবন শুধু ভুল করে গেছি ..... সি পি এম

"আমি (আমরা) আজীবন শুধু ভুল করে গেছি" ..... সি পি এম।। সুভাস বোসকে তোজোর কুকুর বলা আমাদের ভুল ছিল- জ্যোতি বসু।। রবীন্দ্র নাথ সম্পর্কে আমাদের মুল্যায়ন ভুল ছিল- জ্যোতি বসু।। দেশের প্রধানমন্ত্রি না হতে পারা ছিল ঐতিহাসিক ভুল- জ্যোতি বসু।। কেন্দ্রে ইউ পি এ ওয়ান মন্ত্রী সভায় যোগ না দেওয়া বড় ভুল-জ্যোতি বসু।। আমি বাম মন্ত্রী সভাকে চোরেদের মন্ত্রী সভা বলে ভুল করেছিলাম তাই সেই ভুল স্বীকার করে আবার মন্ত্রীসভায় ফিরে এসেছি.... বুদ্ধ।। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ইংরেজি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের ভুল ছিলো.... বুদ্ধ।। শুরুতে কম্পুটারের বিরোধিতা করে আমরা রাজ্য কে ১০ বছর পিছিয়ে দিয়েছি , এটা আমাদের বড় ভুল হয়েছিলো.... বুদ্ধ।। নন্দীগ্রাম এ গুলি চালিয়ে মানুষ মারা ভুল হয়েছিল -বুদ্ধ।। সিঙ্গুর নিয়ে তারাহুড়ো করা আমাদের ভুল হয়েছিল-বুদ্ধ।। হড়তাল /বন্ধ নিয়ে আমার বনিক সভায় ঐ কথা বলা ( বন্ধ সমর্থন করি না...কিন্তু এমন দল করি যারা এটা প্রয়োগ করে) বড় ভুল হয়েছিল -বুদ্ধ।। দলের ছেলেরা নেতাই এ ভুল করেছিল.. বড় ভুল....বুদ্ধ।। দলের নেতারা পাড়ায় পাড়ায় মাত্তবরি করে ভুল করেছিল-বিমান বুদ্ধ নেতাই নিয়ে এসব বলে ভুল করেছে- বিমান বাম আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ছিলো,আমাদের ভুল হয়ে গেছে....বুদ্ধ গায়ের জোরে কলেজ ইলেকশনে নিজেদের আধিপত্য কায়েম করে জবরদস্তি ক্ষমতা দখল করা আমাদের ভুল ছিলো... গৌতম দেব সর্বশেষ সংযোজন... ইউ পিই এ ওয়ান সরকার থেকে পরমাণু চুক্তির প্রতিবাদে বেড়িয়ে আসা আমাদের ভুল ছিলো...... সীতারাম ইয়েচুরি I অসংখ ভুলে ভরা একটা রাজনৈতিক দল যাদের নিজেদের স্বীকারোক্তিতেই এতগুলো মারাত্মক ভুল প্রতক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বাংলাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে বিগত চার দশকে তারা কীভাবে এরপরেও ভুল করে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখে সেটাই আশ্চর্যের.... অবাক হতে হয় এদের দু সাহস দেখে....!!! ভুল মেনে নেওয়া ভালো ...কিন্তু সি পি এম এর এইসব ভুলের মাশুল দিতে দিতে বাংলা আজ সব দিক দিয়ে সর্বস্বান্ত,নিস্ব হয়ে গেছে...!!! এত কিছুর পরও একটা সম্পূর্ণ ভুলেভরা দল যখন আবার মিথ্যার বেসাতি করে মমতা দিদির কর্মদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন মনেহয় এদের গায়ে গণ্ডারের চেয়েও মোটা চামড়ার কোনো পশুর ছাল লাগানো আছে...!! আমাদের রাজ্য পেছতে পেছতে লাল জমানার অন্তে একদম লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র হয়ে গিয়েছিলো সর্বভারতীয় যে কোনো উন্নয়নের মাপকাঠিতে... এদের ভুলের মাশুল দিতে গিয়ে বাংলার ছাত্র, যুব, কৃষক সবাই হতভাগা বাঙ্গালীতে পরিনত হয়েছে.... একটা প্রজন্মকে এরা পঙ্গু করে দিয়েছে শুধু নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার লক্ষে... বাংলার সামাজিক , অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এদের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তের বলি হয়ে বাঙ্গালী প্রায় ভুলেই যেতে বসেছিল তার জাত্যাভিমান সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে.... তাই শুধু ভুল স্বীকারেই যদি এরা ভেবে থাকে মানুষ আবার এদের কাছে টেনে নেবে তাহলে সেটাও তাদের পক্ষে আবার একটা বড় ভুল হয়ে যাবে.... পাপের ঘড়া এতটাই পূর্ণ হয়ে আছে যে শুধু ভুল স্বীকার কিম্বা ক্ষমা চাওয়া নয়... কঠিন প্রায়শ্চিত্ত আর আপাতত কয়েক দশক ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে থেকে ক্রমাগত আত্মবিশ্লেষণ আর শুদ্ধিকরণের মধ্যে দিয়ে যদি নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা খুজে পায় বাংলার মাটিতে তাহলেই তাদের এই পাপের বোঝা থেকে নিষ্কৃতি সম্ভব..... তার আগে নয়....I আপাতত চলতে থাকুক ভুল স্বীকারের পালা.... আমরা মিলিয়ে নিচ্ছি আমাদের সঠিক ভাবনাগুলো আপনাদের ভুল স্বীকারের মধ্যে দিয়ে।। Subhadip Khan

বাংলাদেশ ও গো হত্যা নিষিদ্ধ করা হোক

Robinson Real আজ দেখলাম বিখ্যাত লেখক Nayan Sahaতার একটি পোস্টে লিখেছেন বাংলাদেশ ও গো হত্যা নিষিদ্ধ করা হোক। - আমার মনে হয় উনি ভুলে গেছেন যে, এখানকার মুসলিমরা গরুর মাংসকে বেহেস্তের খোরমার চেয়েও অধিক পছন্দ করে, আর ওটা না খেলে তাঁদের জাহান্নাম নিশ্চিত। - আরে ভাই যেখানে ভারত সংয় হিমশিম খাচ্ছে, গো হত্যা বন্ধে। হ্যাঁ পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার গো হত্যা বন্ধ থাকতে পারে। কারণ ইন্দোনেশিয়ার মুসলিমরা এই বাংলার গুলোর মত পিশাচ নয়, তারা অন্য ধর্মকে সম্মান করে। তবে বালি তো 99% ই হিন্দু অধুষিত অঞ্চল। আর পাকিস্তানের হিন্দুদের রয়েছে একতা, তারা যেকোন পরিস্থিতিতে সবাই রাস্তায় নেমে পড়ে। এক জোট হয়। তবে পাকিস্তান যে হিন্দুদের চিবিয়ে খাচ্ছে সেটা, ভাই এড়িয়ে গেলেন কি করে? - আর এই বাংলার কথা বলে কি লাভ, হিন্দুরাই হিন্দুদের বাঁশ দেয়। ফেইসবুকই দেখলাম ঘরের শত্রু বিভীষণদের। আর বাংলায় তেমন বুকের ফাটা ওয়ালা হিন্দু নেই যে, মুসলমানদের তুই করে বলার সাহস রাখে। - সংয় হিন্দু মন্ত্রী সচিব গুলা, চাচা আপন প্রাণ বাঁচা, নিজ সার্থে হরিলুট দেয়। তো এই অঞ্চলে গরুর মত একটি সুস্বাদু জান্নাতের খোরমা, খাওয়ার বিরুদ্ধে আপনি প্রতিবাদ করতে চান। - দু টাকার বাজি দরলাম -- Nayan Sahaভাই বেশি লাগবে না, একটা হুজুরের নিকট বলুন "গরু হত্যা বন্ধ কর, গরুর মাংস আর খাবি না " জানি পারবেন না। তবে, এটা বলতে গিয়ে যদি বলাৎকারের শিকার হন, তবে কর্তৃপক্ষ দ্বায়ী থাকবে না। Mr. Nayan Saha

কামসূত্র

'কামসূত্র'-এর সাথে আজকের পর্ন পত্রিকাগুলোর বিশেষ তফাত আছে কি? Khajuraho Temple (খাজুরাহো মন্দির) এর মূর্তিগুলির সাথে আজকের Porn Posters গুলির কি তফাত? তফাত একটাই: আজকের যুগের গুলো সব মাল্টিমিডিয়ার আকার নিয়েছে।

২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে রাজ্য শাসন করছে সংখ্যালঘু মুসলিমরা

২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে রাজ্য শাসন করছে সংখ্যালঘু মুসলিমরা। নিজেদের ২৮ শতাংশ ভোট দিয়ে মুসলিম রা সরকার নিয়ন্ত্রন করে আর আমদের ৬০ শতাংশ সেকুলার ওদের পা চাটে। মনে পরে ১০ জুলাই টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধারের দাবিতে অবস্থানরত হিন্দুদের মেরে, জেলে পুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি রক্ষা করা হয়েছিল। একমাস না গড়াতেই মমতাজ বেগম কার্যত বুঝিয়ে দিল হিন্দু দের মেরেই সম্প্রতি বজায় রাখতে হয়। তাই গত ২ আগস্ট রেলের টিকিট না থাকা কয়েকজন মুসলিম কিশোরকে রেল পুলিস রাজাবাজার স্টেশনে আটক করলে গোটা উত্তর কলকাতা কে অচল করেদিয়ে মুসলিমরা পুলিসের স্কোয়াট সহ চারটি বাস ও একটি ট্রামেও ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুর করাহয় সংলগ্ন সিশির মার্কেটও। আল্লা হু আকবর শ্লোগান দিয়ে তান্ডব চালিয়ে ট্রেন অবোরোধ করে। আর পুলিশ দাঁড়িয়ে সেখানে বেগমের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক কে নিরাপত্তা প্রদান করছিল। এদিকে রকেট ক্যাপসুল খেয়ে পুলিসের চেয়েও একধাপ এগিয়ে গেছে মিডিয়া।তারা সেইদিন ব্যাস্ত ছিল চোরাই পথে কিভাবে পরনোগ্রাফি দেখা যায় তার উপায় খুজতে।। সুদীপ্ত রায়

পাকিস্তানে বজরঙ্গী ভাইজানের সত্যি ঘটনা!

http://www.bbc.com/bengali/news/2015/08/150804_mk_india_geeta_pakistan_bajrangi_bhaijan?SThisFB

ফিরে দেখা ১২ মার্চ, ১৯৯৩

কী ঘটেছিল সেই দিন? ফিরে দেখা ১২ মার্চ, ১৯৯৩ ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি উসকে দিয়েছে ২২ বছর আগের সেই দিনটার স্মৃতি। ভারতের মাটিতে প্রথম আরডিএক্স বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৫৭ জন। আহত হন ৭০০ জন। ফিরে দেখা যাক সেই দিনটাকে- দুপুর ১টা ৩০-প্রথম বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ বিল্ডিংয়ের বেসমেন্ট, মৃত ৮৪, আহত ২১৭ দুপুর ২টো ১৫-নারসি নাথা স্ট্রিট, কাথা বাজার, মৃত ৪, আহত ১৬ দুপুর ২টো ৩০-শিব সেনা ভবন লাগোয়া পেট্রোল পাম্প, মৃত ৪, আহত ৫০ দুপুর ২টো ৩৩-নারিম্যান পয়েন্ট, এয়ার ইন্ডিয়া বিল্ডিং, মৃত ২০, আহত ৮৭ দুপুর ২টো ৪৫-মাহিমের জেলে কলোনি, মৃত ৩, আহত ৬ দুপুর ২টো ৪৫-সেঞ্চুরি বাজার, ওরলি, মৃত ১১৩, আহত ২২৭ দুপুর ৩টে ৫-জাভেরি বাজার, মৃত ১৭, আহত ৫৭ দুপুর ৩টে ১০-বান্দ্রার হোটেল সি রক দুপুর ৩টে ১৩-দাদারের প্লাজা সিনেমা, মৃত ১০, আহত ৩৭ দুপুর ৩টে ২০-হোটেল জুহু, আহত ৩ দুপুর ৩টে ৩০-সাহার বিমানবন্দরের কাছে দুপুর ৩টে ৪০-হোটেল এয়ারপোর্ট, মৃত ২, আহত ৮