Thursday, 6 August 2015

আফগান হিন্দু ও শিখ

পোষ্টটি‬পুরুটা না পড়ে এড়িয়ে যাবেন না । বিশ্বের যে দেশেই যখন হিন্দুরা নির্যাতিত হয় তখন কোন তরুণকে প্রতিবাদ করতে বলা হলে সে বলে, "প্রতিবাদ করে কি হবে!"শেয়ার করে কি হবে?"কি লাভ? লাভ নাই!" এগুলো হেন তেন অযুহাত দেখিয়ে ভয়ে চুপসে থাকে!! কিন্তু আমরা এর উল্টো চিত্র দেখতে পাই আফগানিস্তানে।আফ গানিস্তানের তরুণ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ হিন্দুরাও নিজ অধিকার আদায়ে লড়ে যাচ্ছে,এ অধিকার তাদের নিজ মাতৃভূমি আফগানিস্তানে নিজের অধিকার। ফাগিরচান্দ চান্দিহুক একজন ডাক্তার,কাবুল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।একজন হিন্দু বীর যোদ্ধা ও আফগান হিন্দু ও শিখ সোসাইটির সদস্য।বয়সে বৃদ্ধ হলেও তাকে বয়স আটকে রাখতে পারেনি। হিন্দুদের অধিকার আদায়ে লড়ে যাচ্ছেন এই বীর। আফগানিস্তানে হিন্দুদের উপর চলে প্রতিনিয়ত অবহেলা ও আক্রমণ। আফগানিস্তানের হেমল্যান্ড প্রদেশে হিন্দুদের স্কুলে যেতে দেয়া হয় না! কাবুলে ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির আশা মাই মন্দিরে,আশা মাই ওয়াট কাবুলের সেখানেই মন্দির উন্নয়ণে কোন কাজ হচ্ছে না, আফগানিস্তান জাতীয় সংসদের হিন্দু আইনপ্রণেতা ও সাংসদ আনারকলি কাউর হনারইয়ার বলেন,আফগানিস্তানে হিন্দু ও শিখদের জোর করে মাতৃভূমি ছাড়া করা হচ্ছে!একঘরে করে রাখা হয়েছে!জোর করে জমি দখল করা হচ্ছে,হিন্দু ও শিখদের জোর করে ধর্মান্তরও করা হচ্ছে!" এই অবস্থায় হিন্দু ও শিখদের প্রতিবাদ করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। আফগানিস্তান একজন বলেন,এই আফগানিস্তান আমার মাতৃভূমি,আমার জন্মভূমি!তিন তিনটা বড় যুদ্ধেও এই দেশ ছাড়িনি!আর ভবিষ্যতেও ছাড়বো না।প্রাণ থাকতে এই আফগান ছাড়বো না। ‪#যদি‬মনে করেন কথাগুলি যথার্থই বলেছি তাহলে আশা করি শেয়ার করবেন ।

Wednesday, 5 August 2015

কালাপাহাড়

কালাপাহাড় ছিলেন বাংলা বিহারের শাসনকর্তা সুলায়মান খান কররানী র এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি; তার আসল নাম রাজীবলোচন রায় মতান্তরে কালাচাদ রায়। ডাকনাম রাজু।বাড়ি ছিল রাজশাহী র বীরজাওন গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান ছিলেন; তার পিতার নাম ছিল নঞানচাদ রায়(ইনি গৌড় বাদশাহের ফৌজদার ছিলেন)। তিনি বিদ্বান ও বুদ্ধিমান ছিলেন ।নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। সুলায়মান খান কররানী যখন গৌড়ের শাসক সেসময় তিনি গৌড়ের সেনানীতে যোগদান করেন এবং অতি অল্পকালের মধ্যে যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শিতার পরিচয় দিয়ে সুনজরে পতিত হন। ইতোমধ্যে সুলায়মান খান কররানী র কন্যা দুলারি বিবি তাঁর প্রণয়ে পড়লে শর্ত সাপেক্ষে ইসলাম ধর্ম অনুসারে সুলেমান কন্যার পাণিগ্রহণ করেন এবং সুলায়মানের প্রধান সেনাপতির পদ অলংকৃত করেন । কিন্তু ইসলাম কন্যা বিবাহের সুবাদে হিন্দুধর্ম তাকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করে। আর সেই কারণে প্রতিশোধস্পৃহায় অন্ধ হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে 'মহম্মদ ফর্ম্মুলি' নাম ধারণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন।আর তখন থেকেই কালাপাহাড় নামে পরিচিত হন।১৫৬৮ সালে তিনি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির আক্রমণ করেন এবং মন্দির ও বিগ্রহের প্রচুর ক্ষতিসাধন করেন ।[১] [২] কালাপাহাড়ের সমরাভিযান ১৫৬৪-৬৫ খ্রিষ্টাব্দে আকবর বাদশাহের সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করে উড়িষ্যার রাজা হরিচন্দন মুকুন্দদেব গৌড় আক্রমণ করে গঙ্গার তীরে অবস্থিত সপ্তগ্রাম বন্দর অধিকার করে নেন। পরে আকবর যখন মেবারের শিশোদীয় রাজাদের সঙ্গে দীর্ঘকাল যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলেন সেই অবসরে সুলায়মান খান কররানী উড়িষ্যা আক্রমণ করেন। মুকুন্দদেব কোটসামা দুর্গে আশ্রয় গ্রহণ করলে সুলায়মান কালাপাহাড়ের অধীনে ময়ূরভঞ্জের অরণ্যসংকুল পথে উড়িষ্যা আক্রমণ করতে সৈন্য পাঠান। এইসময় মুকুন্দদেব তাঁরই এক বিদ্রোহী সামন্তের হাতে নিহত হন; এর ফলে ওই বিদ্রোহী সামন্ত এবং রঘুভঞ্জ ছোটরায় উড়িষ্যার সিংহাসন দখল করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু উভয়েই কালাপাহাড় কর্তৃক পরাজিত ও নিহত হয়েছিলেন। [৩] কোচরাজ নরনারায়ণ, সুলায়মান খান কররানীর রাজত্বকালে গৌড়রাজ্য আক্রমণ করেছিলেন কিন্তু কালাপাহাড় একাধারে রাজা নরনারায়ণের ভাই এবং সেনাপতি শুক্লধ্বজকে পরাজিত করে আসামের তেজপুর পর্যন্ত অধিকার করে নিয়েছিলেন। এইসময়ে কামাখ্যা ও হাজোর প্রাচীন মন্দিরগুলিতে কালাপাহাড় নির্বিচারে ধ্বংসকাণ্ড চালিয়েছিলেন।[৪] মোগল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে কালাপাহাড় আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গদেশ ও বিহারে আকবরের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ হয় কালাপাহাড় তাতে যোগদান করেন এবং অনুমান করা হয় তিনি এই যুদ্ধে নিহত হন (এপ্রিল ১৫৮৩ খ্রিষ্টাব্দ) । মন্দির ধ্বংসকারী কালাপাহাড় মুসলিম কন্যা বিবাহের কারণে কালাপাহাড় সমাজচ্যুত হন। মায়ের অনুরোধে কিছুদিন পর তিনি বাংলার ধর্মগুরুদের কাছে প্রায়শ্চিত্তেরবিধান চাইলে তারা কোন বিধান দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে তিনি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে গিয়ে প্রায়শ্চিত্তেরসংকল্প করেন। কিন্তু পুরীর ধর্মগুরুরা তাকে ও তার স্ত্রীকে মন্দিরে প্রবেশ করতে বাধা দেন এবং তার কোন প্রায়শ্চিত্ত হবে না বলে জানিয়ে দেন। এতে কালাপাহাড় মর্মাহত হন এবং প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাই উড়িষ্যা অভিযানকালে তিনি উড়িষ্যার ধর্মগুরু ও ধর্মস্থানের উপর প্রতিশোধ নেবার সুযোগ পান। ১৫৬৭-৬৮ খ্রীষ্টাব্দে মুকুন্দ দেবের বিরুদ্ধে সুলাইমান কররাণীর পুত্র বায়েজিদ খান কাররাণী ও সেনাপতি সিকান্দার উজবেকের যুদ্ধে মুকুন্দ দেবের পতন হলে কালাপাহাড় উড়িষ্যা ও তার নিকবর্তী অঞ্চলের হিন্দু মন্দিরগুলোতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেন এবং মন্দিরের সম্পদ লুণ্ঠন করেন। জানা যায়, কালাপাহাড় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার কাঠের প্রতিমা উপড়ে নিয়ে হুগলীর তীরে আগুনে পুড়িয়ে দেন। [৫] কালাপাহাড় উড়িষ্যার বালেশ্বরের গোপীনাথ মন্দির, ভুবনেশ্বরের কাছে কোনার্ক মন্দির, মেদিনীপুর , ময়ুরভঞ্জ, কটক ও পুরীর আরো কিছু মন্দিরে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। কালাপাহাড়ের মন্দির আক্রমণের প্রক্রিয়াটি একটু অভিনব ছিল। তিনি গরুর চামড়ার বিশাল আকৃতির ঢোল আর পিতলের বড় বড় ঘন্টা মন্দিরের ভেতরে ক্রমাগত বাজিয়ে তীব্র অনুরণন তৈরি করার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই অনুরণনের তীব্রতায় প্রতিমাদের হাতগুলো খসে পড়ত। এতে উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়লে প্রতিমা উপড়ে ফেলা হত। কালাপাহাড় মন্দির সমূলে ধ্বংস করার চেয়ে প্রতিমা ধ্বংস ও লুটপাটে বেশি আগ্রহী ছিলেন। মন্দির আক্রমণের শেষ পর্যায়ে কালাপাহাড় সম্বলপুরের মা সম্বলেশ্বরীর মন্দিরে আক্রমণ করতে সম্বলপুরের উপকণ্ঠে মহানদীর তীরে দুর্গাপালীতে উপস্থিত হন। সম্বলেশ্বরী মন্দিরের পূজারীরা মন্দির রক্ষার্থে এক দুঃসাহসী পদক্ষেপ নেন। একজন নারীকে গোয়ালিনীর ছদ্মবেশে কালাপাহাড়ের ছাউনিতে পাঠানো হয়। তিনি সৈন্যদের মধ্যে বিষ মিশ্রিত দুধ, দই, ছানা, বিক্রি করেন। পরদিন সকালে খাদ্যের বিষক্রিয়ায় কালাপাহাড়ের বেশির ভাগ সৈন্য আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে তিনি অবশিষ্ট সৈন্যদের নিয়ে পালিয়ে যান।[৬] কালাপাহাড়ের মন্দির ধ্বংসের ঘটনা ঊড়িষ্যা ও মেদিনীপুরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কাররাণীদের কুচবিহার আক্রমণকালে কালাপাহাড় আসামের কামাখ্যা মন্দিরসহ আরো কিছু মন্দির ধ্বংস করেন। কালাপাহাড় কররাণীদের শেষ শাসক দাউদ খান কররাণীর আমল পর্যন্ত কররাণীদের সেনাপতি ছিলেন এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে অভিযানগুলোতে অংশগ্রহন করেন। ১৫৭৬ খ্রীষ্টাব্দে কররাণীদের পতনের পর কালাপাহাড় সম্ভবত আফগান নেতা মাসুম কাবুলীর দলে যোগ দেন এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত থাকেন। সম্ভবত ১৫৮৩ খ্রীষ্টাব্দে মুঘল সেনাপতি খান ই আজমের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মাসুম কাবুলী পরাস্ত হলে সেই যুদ্ধে কালাপাহাড়ও নিহত হন। [৭] '

'I came to kill Hindus, it's fun doing this,' says captured Pakistani terrorist Naved | Zee News

BSF আজ কাশীম ওরফে নাভিদ ওরফে উসমান নামক এই যবনের বাচ্চা জঙ্গিটাকে আটক করেছে। সন্দেহ, হারামি টা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর্-ই-তৈবার সদস্য। জিজ্ঞাসাবাদ কালে কাশীম ওরফে নাভিদ ওরফে উসমান বলে, "আমি এসেছি পাকিস্তান থেকে হিন্দু হত্যা করতে। হিন্দু মারতে আমার খুব আনন্দ লাগে।" আজমল কসাবের পর এই প্রথম আরেক জঙ্গিকে জীবিত ধরা হল। বিচার প্রক্রিয়া শেষে একেও আবার ফাসি দিতে গেলে এদেশের সেকু-কুত্তা / প্রেশ্যা / মোল্লারা চেঁচিয়ে উঠবে এই বলে যে, "মুসলমান বলে ওকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে"। http://zeenews.india.com/news/india/i-came-to-kill-hindus-its-fun-doing-this-says-captured-pakistan-terrorist-naved_1642138.html

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের'বিজয় ৭১' হল সব ধর্মের ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ায় বিক্ষোভ করেছে মুসলিম(সহী নাকি অসহী?) ছাত্ররা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের'বিজয় ৭১' হল সব ধর্মের ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ায় বিক্ষোভ করেছে মুসলিম(সহী নাকি অসহী?) ছাত্ররা। --অসাম্প্রদায়িকবাংলাদেশের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটা অসাম্প্রদায়িকতার পালক! প্রশ্ন;- তোমরা মডরেটেরা, সুশীলেরা যারা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হামলা হলেই শান্তির বানী দাও,'গ্রামাঞ্চলের অশিক্ষিত লোকেরাই সাম্প্রদায়িকতা করে। ইন টোটালি বাংলাদেশ একটা অসাম্প্রদায়িক দেশ।' তাদের মতামত জানতে মন চাই। প্রস্তাবনা;- ইয়াহিন খান কিংবা আইয়ুব খানের নামে কোন হল নির্মাণ করা যায় না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে এই ছাত্রদের রাখা যাবে?

কলি যুগ শেষ হলে তারপর কি হবে?

প্রশ্ন: কলি যুগ শেষ হলে তারপর কি হবে? মহাপ্রলয়? আমাদের ধর্মে এ সম্পর্কে কি বলা আছে? কলিযুগ শেষ হলে কি হবে: কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর মহারাজ পরীক্ষিতের রাজত্বকালের মধ্যে কলিযুগ শুরু হয়েছে। বর্তমানে পাঁচ হাজার বছর গত হয়েছে। সুতরাং কলিযুগের আরও ৪ লক্ষ ২৭হজার বছরবাকি রয়েছে। (১৪পৃ:) কলিযুগের পর সত্যযুগ আসবে।(পৃ:২৫) কলিযুগের শেষ সময়ে ভারতে সম্ভলগ্রাম নামক স্থানে শ্রীবিষ্ণুযশা নামে এক সৎ ব্রাহ্মণের পুত্ররূপে ভগবান শ্রীবিষ্ণু কল্কি নামে আবির্ভূত হয়ে কলি-কলুষিত অনাচারী জঘন্য প্রকৃতির সভ্যতাকে বিনাশ করবেন। তখন সমগ্র জগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে: "অথাসৌ যুগসন্ধ্যায়াং দস্যুপ্রায়েষু রাজসু। জনিতা বিষ্ণুযশসো নাম্না কল্কির্জগৎপতি:।।" (ভ: ১/৩/২৫) ॐজয় শ্রীকৃষ্ণॐ অর্থাৎ, দ্বাবিংশ অবতারে যুগসন্ধিকালে শাসক সম্প্রদায় যখন দস্যুতে পরিণত হবে, তখন ভগবান কল্কি অবতার নামে বিষ্ণুযশ নামক ব্রাহ্মণের পুত্ররূপে অবতরণ করবেন। শ্বেতঅশ্বপৃষ্ঠেআরূঢ় হয়ে অস্ত্র দ্বারা কলিকে সম্পূর্ণরূপে কর্তন করবেন সেই কল্কি অবতার। তার পর নতুন যুগের (সত্যযুগ) সূচনা হবে। (পৃ:৬৮১) ॐজয় শ্রীকৃষ্ণॐ তবে সবাই মৃত্যুবরণ করবে না। বলা হয়েছে , ‘দস্যূন্ কোটিশো নিহনিষ্যতি:’ - অসংখ্য কোটি দস্যু নিহত হবে। তারা নিহত হলে অবশিষ্ট নাগরিকেরা ভগবান কল্কির দিব্য অঙ্গ থেকে বাতাসে প্রবাহিত সুগন্ধ অনুভব করবে। তৎক্ষণাৎ তারা দিব্য পবিত্র হয়ে উঠবে। তারাই পৃথিবীতে বিপুলভাবে প্রজা সৃষ্টি করবে। তখন মানব সমাজে সত্ত্বগুণ বিশিষ্ট সন্তানদের জনম হবে। এবং সত্যযুগ শুরু হবে। (পৃ:৬৭০) মহাপ্রলয়: সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি এই চারি যুগ এক হাজার বার আর্তিত হলে মোট সময়টাকে এক কল্প বলে। তখন ব্রহ্মার এক দিন হয় অর্থাৎ ১২ ঘন্টা। তেমনই ব্রহ্মার এক রাত্রির পরিধিও এরই সমান। এই রকম দিন ও রাত্রি সমন্বিত বর্ষ অনুসারে ব্রহ্মা একশত বছর বেঁচে থেকে তারপর দেহত্যাগ করবেন। (পৃ:৩৩) ব্রহ্মার মৃত্যু মানে কল্পের অবসান। অর্থাৎ মহাপ্রলয়। এই বিষয়ে ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে: সর্বভূতানি কৌন্তেয় প্রকৃতিং যান্তি মামিকাম্। কল্পক্ষয়ে পুস্তানি কল্পাদৌ বিসৃজাম্যহম্।। (অধ্যায় ৯, শ্লোক ৭) অনুবাদ: হে কৌন্তেয়! কল্পান্তে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পারম্ভে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি। তাৎপর্য করেছেন ইসকন প্রতিষ্ঠাতা আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত ॐজয় শ্রীকৃষ্ণॐ তিনি নিজেকে এই মায়াশক্তিতে বিস্তার করেন এবং তার ফলে সমস্ত জড় জগৎ পুনরায় প্রকট হয়। উপসংহার: কলিযুগ শেষ হলে সত্যযুগ আসবে অথবা মহাপ্রলয় হবে। তবে আমরা জানিনা যে ব্রহ্মার এখন কত বৎসর জীবন অতিবাহিত হয়েছে। আমরা শুধু জানি যে এই কলিযুগের আগে দ্বাপর, ত্রেতা ও সত্যযুগ অতিবাহিত হয়েছে। অর্থাৎ এক কল্প এখনও শেষ হয়নি। প্রকৃতপক্ষে কত কল্প অতিবাহিত হয়েছে তা আমাদের অজানা। সুতরাং এই কলিযুগের পর সত্যযুগ আসবে অথবা মহাপ্রলয় হবে তা শুধুমাত্র এবং সম্পূর্ণভাবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণই অবগত। লেখায় কোন ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন। Kishor Kishorchowdhury

কলকাতা গণ-হিন্দুহত্যা ১৯৪৬ পর্ব-২

কলকাতা গণ-হিন্দুহত্যা ১৯৪৬ পর্ব-২ প্রস্তুতিপর্ব ১৬ ই আগস্ট ১৯৪৬ আসার ১ সপ্তাহ আগে পুর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এটা দেখা গেল মুসলিমলীগ নির্দেশ দিচ্ছে মুসলিম ছাত্রাবাসগুলির আবাসিকরা ১৬ ই আগস্ট ১৯৪৬ কিভাবে আক্রমন করবে।কি করে তারা ছোরা,কেরোসিন তেল,মেথিলেটেড স্পিরিট ইত্যাদি পাবে। এবং কিভাবে তারা কৌশলগতস্থানে অবস্থান করে ট্রাম ও সাঁজোয়াগাড়িতে আগুন লাগাবে। হাবিব-উর-রহমান একজন লীগসদস্য,যিনি পরে কংগ্রেস সদস্য হন,তিনি এমন একটি নির্দেশ জনগনের মধ্যে প্রকাশ করেন, এমনি জাতীয়তাবাদী মুসলমান(পড়ুন মুসলিগবহির্ভূত)এবং কংগ্রেস সদস্যদের প্রয়োজনে নিশ্চিন্হ করার ব্যবস্থা নেয়ার সপক্ষে সওয়াল করেন। পাকিস্তান এ্যাম্বুলেন্স কর্পস.(যেন ১৬ ই আগস্ট ১৯৪৬ এর আগেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে) চালু হয়ে যায়,মনুমেন্টের,যেখানে ১৬ ই আগস্ট ১৯৪৬ জিহাদ র‌্যালী হবে, কাছে একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপিত হয়। লীগ স্বেচ্ছাসেবকরা শহরের প্রধান হাসপাতালে মোতায়েন হয়।কেন?অবশ্যই ঘায়েল মুসলিমদের,যদি হয়,সহায়তা করতে।তাই দেখা যায় ১৬ই আগস্টের বহু আগেই, কলকাতায় ১৬ ই আগস্ট ১৯৪৬ গনহত্যা করার সব প্রস্তুতি বিস্তারিত নেয়া হয়ে ছিল। (ডঃ দীনেশচন্দ্র সিংহ লিখিত 1946: The Great Calcutta Killing and Noakhali Genocide এর বাংলা অনুবাদ) ....অনুলিখনে--জয় রাজ...

BSF আজ কাসিম খান নামক এই যবনের বাচ্চা জঙ্গিটাকে জিন্দা আটক করল

BSF আজ কাসিম খান নামক এই যবনের বাচ্চা জঙ্গিটাকে জিন্দা আটক করল।ভারত মাতা কি-জয়। আজমল কাসাবের পর এই প্রথম একে আবার জিন্দা ধরা হল।বিনা বিচারে এই জঙ্গিটাকে হত্যা করা হোক।বিচার হলে আবার ইয়াকূবের মত 22 বছর জেলে বসে ভারতের অন্ন ধ্বংস করবে।শেষে ফাসি দিতে গেলে এদেশের মোল্লারা চেঁচিয়ে উঠবে এই বলে যে-মসলমান বলে ওকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে।তার থেকে বিনা বিচারে একে কি করলে আপনি খুশি হবেন? 1.জিন্দা মাটিচাপা দিলে 2.জিন্দা পোড়ালে? মারার পর ওর বডি ওয়াগা বর্ডারের উপরে ঝুলিয়ে দেওয়া হোক।