Thursday, 6 August 2015

If you ask any Muslim "How Allah created this word..?"

If you ask any Muslim "How Allah created this word..?" They will answer you Allah created this world though "Word". Then ask them again Is the word "Creator" or "Creation"..! They will answer you the word is Creator. If the word is Creator then Jesus Christ must be a God. Because Qur'an strongly says that "Jesus is the word of God" means the "Kalimatullah" Sagenen Tudu

যীশু একজন নবী ছাড়া আর কিছু নয়

মুসলমানরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যীশু একজন নবী ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু আসলে কোরান যীশুকে স্বয়ং ঈশ্বর ও নবী উভয়ই বলছে। যা সম্পূর্ন অসার ও স্ববিরোধী বক্তব্য। প্রথমেই দেখি যীশু সম্পর্কে কোরানে কি বলছে - হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর শানে নিতান্ত সঙ্গত বিষয় ছাড়া কোন কথা বলো না। নিঃসন্দেহে মরিয়ম পুত্র মসীহ ঈসা আল্লাহর রসূল এবং তাঁর বাণী যা তিনি প্রেরণ করেছেন মরিয়মের নিকট এবং রূহ-তাঁরই কাছ থেকে আগত। অতএব, তোমরা আল্লাহকে এবং তার রসূলগণকে মান্য কর। আর একথা বলো না যে, আল্লাহ তিনের এক, একথা পরিহার কর; তোমাদের মঙ্গল হবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ একক উপাস্য। সন্তান-সন্ততি হওয়াটা তাঁর যোগ্য বিষয় নয়। যা কিছু আসমান সমূহ ও যমীনে রয়েছে সবই তার। আর কর্মবিধানে আল্লাহই যথেষ্ট। ‪#‎ সূরা_নিসা‬-৪: ১৭১ উক্ত আয়াতে দেখা যাচ্ছে কোরান যীশুকে আল্লাহর বানী ও আল্লাহর রুহু হিসাবে বর্ণনা করছে। আরবীতে যাকে বলে - আল্লাহর বানী = কালিমাতুল্লাহ এবং আল্লাহর রুহু= রুহুল আল্লাহ। প্রতিটি মুসলমানও কিন্তু বিষয়টা স্বীকার করে। কিন্তু স্বীকার করার পর এর নিহিতার্থ সম্পর্কে কিছুই উপলব্ধি করতে পারে না। তা না পারার কারনও কিন্তু কোরানের স্ববিরোধী বিরোধী বানী। এবার দেখা যাক তা --- আর বণী ইসরাঈলদের জন্যে রসূল হিসেবে তাকে মনোনীত করবেন। তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে এসেছি নিদর্শনসমূহ নিয়ে। আমি তোমাদের জন্য মাটির দ্বারা পাখীর আকৃতি তৈরী করে দেই। তারপর তাতে যখন ফুৎকার প্রদান করি, তখন তা উড়ন্ত পাখীতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং শ্বেত কুষ্ঠ রোগীকে। আর আমি জীবিত করে দেই মৃতকে আল্লাহর হুকুমে। আর আমি তোমাদেরকে বলে দেই যা তোমরা খেয়ে আস এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। এতে প্রকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। উক্ত আয়াতে বলছে যীশু একজন রসুল ছাড়া আর কিছুই নয়। বলা বাহুল্য রসুল হলো একজন মানুষ মাত্র যার কাছে আল্লাহ সরাসরি বা কোন ফিরিস্তার মাধ্যমে বানী পাঠায় নিয়মিত। এখন আমরা দেখি ঈশ্বর বা আল্লাহ সম্পর্কে আমাদের ধারনা কি। ঈশ্বর বা আল্লাহ হলো চিরন্তন ও শ্বাশ্বত। তাই স্বাভাবিক ভাবেই তার বানী ও আত্মাও চিরন্তন ও শ্বাশ্বত হবে। তার বানী যদি শ্বাশ্বত ও চিরন্তন না হয় , তার আত্মা যদি শ্বাশ্বত ও চিরন্তন না হয় তাহলে আল্লাহ বা ঈশ্বর চিরন্তন ও শ্বাশ্বত হতে পারে না।সাধারন মানুষ বা যে কোন রসুলের বানী বা আত্মা হবে অবশ্যই নশ্বর ও অস্থায়ী। এখন যীশু হলো আল্লাহর বানী ও তার আত্মা যা কোরান বলছে তাহলে সেই বানী ও আত্মা হবে চিরন্তন ও শ্বাশ্বত। তার অর্থ যীশু হলো চিরন্তন এক সত্তা। অথচ চিরন্তন সত্তা একমাত্র ঈশ্বর বা আল্লাহ। যার উপসংহার দাড়ায় কোরান আসলে যীশুকে স্বয়ং ঈশ্বর হিসাবেই স্বীকার করে নিচ্ছে। এ এমন এক ঈশ্বর যে নাকি রক্ত মাংশের আকারে দুনিয়াতে আগমন করেছিল মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে। আল্লাহ বা ঈশ্বর যেহেতু সব কিছু করতে সক্ষম তাই তার পক্ষে রক্ত মাংশের মানুষ আকারে পৃথিবীতে আসাও তার পক্ষে নিতান্ত সাধারন ব্যাপার। অথচ সেই একই কোরান পরেই আবার বলছে যীশু হলো একজন রসুল মাত্র । আর বলা বাহুল্য , স্বয়ং ঈশ্বর ও রসুলের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাত। রসুল একজন মানুষ মাত্র। তারা অর্থ খোদ কোরানই যীশু সম্পর্কে উল্টা পাল্টা ও স্ববিরোধী কথাবার্তা বলেছে। বোঝাই যাচ্ছে , যীশু সম্পর্কে খৃষ্টানরা যে সব কথা বলত , তার নিহিতার্থ না বুঝেই মোহাম্মদ তার কোরানের মধ্যে যীশুর কথা হুবহু ঢুকিয়ে দিয়েছিল। বর্তমানে মুসলমানরা কোরানের সেই উল্টা পাল্টা কথারই প্রতিধ্বনি করে যায় তার নিহিতার্থ না বুঝেই। তারা বুঝতে পারে না যে যীশুকে একবার আল্লাহর বানী ও আল্লাহর আত্মা হিসাবে স্বীকার করার পর সে আর কোনভাবেই একজন রসূল থাকতে পারে না, সে হয়ে যায় স্বয়ং ঈশ্বর।

ভগবান সাকার না নিরাকার!

ভগবান সাকার না নিরাকার-১ কেউ কেউ গ্রহন করে ভগবানের সাকারত্বকে,ফলে তারা ভগবানের বিভিন্ন রূপের আরাধনা করে;আবার অন্যেরা মনে করে পরমব্রহ্ম মূলতঃ নিরাকার।যারা নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা করেন,তারা পরমব্রহ্মের সাকারত্বকে মানে না।যারা সাকার উপাসনা করে,তারা হয়তো পরমব্রহ্মের নিরাকারত্বকে গ্রহন করেনা।কিন্ত আচার্য্যরা শাস্ত্রভিত্তিতেপরমব্রহ্ম সম্পর্কে 2 প্রকার ধারনার সমন্বয় করেছেন।পরমব্রহ্মের 2প্রকার স্বরূপ আছে,সাকার ও নিরাকার।ভাগবতে পরমব্রহ্মের 3 প্রকার উপলব্ধির কথা বর্ণনা করা হয়েছে।ব্রহ্ম,পরমাত্মা ও ভগবান। 'ব্রহ্মেতি পরমাত্মেতি ভগবানেতি শব্দ্যতে'-আমরা এই শ্লোক আলোচনার মাধ্যমে পরমব্রহ্মের নিরাকার স্বরূপ সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করব।ব্রহ্ম,পরমাত্মা ও ভগবান-পরমব্রহ্মের এই 3স্বরূপ কে 3প্রকার সাধকেরা উপাসনা করে থাকেন।যারা ব্রহ্ম স্বরূপকে উপাসনা করেন তাদেরকে বলা হয় জ্ঞানী।যারা পরমাত্মা স্বরূপকে সাধনা করেন তাদেরকে বলা হয় যোগী,তারা ধ্যানযোগের মাধ্যমে পরমাত্মাকে হৃদয়ে উপলব্ধি করেন।যারা ভগবানের সচ্চিদানন্দ রূপকে উপাসনা করেন তাদেরকে বলা হয় ভক্ত।«চলবে..» আরো জানতে LIKE our Page, http://m.facebook.com/profile.php?id=1633143613584040

Did You Khow?

আপনারা কি জানেন , বর্তমানে ভারতের কাছে 90 - 110 টি নিউক্লিয় বোমা আছে এবং পাকিস্থানের কাছে 100 - 120 টি নিউক্লিয় বোমা আছে ।কিন্তু , দুঃখের বিষয় হল ,পাকিদের সব বোমাই কিলোটনের ,,কিন্তু ভারতের কাছে 40 - 50 টি বোমা মেগাটনের বোমা রয়েছে ।তাই পাকিদের একটা বোমার পাওয়ার থেকে ভারতের বোমার পাওয়ার তিন - চার গুন বেশী । তাছারা ,পাকি জেনারেলরা ,কথায় কথায় ,ভয় পেয়ে ,নিউক্লিয় হামলার হুমকি দেয় ।কিন্তু গাধার দল কি জানে না ,,, ওদের এটম থেকে বাঁচার জন্য আমাদের PAD , AAD আছে ,,যা ওদের দেশের ভেতরেই ,ওদের ছোড়া নিউক্লিক বোম ধংস করে দেবে ।কিন্তু তারপর ,ভারত থেকে যখন ,ছবির মাল গুলি যাবে ,,সেগুলির থেকে টেরোরিস্ট ল্যান্ড পাককে কে বাঁচাবে ..

Did You Khow

আপনারা কি জানেন , বর্তমানে ভারতের কাছে 90 - 110 টি নিউক্লিয় বোমা আছে এবং পাকিস্থানের কাছে 100 - 120 টি নিউক্লিয় বোমা আছে ।কিন্তু , দুঃখের বিষয় হল ,পাকিদের সব বোমাই কিলোটনের ,,কিন্তু ভারতের কাছে 40 - 50 টি বোমা মেগাটনের বোমা রয়েছে ।তাই পাকিদের একটা বোমার পাওয়ার থেকে ভারতের বোমার পাওয়ার তিন - চার গুন বেশী । তাছারা ,পাকি জেনারেলরা ,কথায় কথায় ,ভয় পেয়ে ,নিউক্লিয় হামলার হুমকি দেয় ।কিন্তু গাধার দল কি জানে না ,,, ওদের এটম থেকে বাঁচার জন্য আমাদের PAD , AAD আছে ,,যা ওদের দেশের ভেতরেই ,ওদের ছোড়া নিউক্লিক বোম ধংস করে দেবে ।কিন্তু তারপর ,ভারত থেকে যখন ,ছবির মাল গুলি যাবে ,,সেগুলির থেকে টেরোরিস্ট ল্যান্ড পাককে কে বাঁচাবে ..

বাংলাদেশের সরকার এবং গণতন্ত্র নিয়ে হুমায়ুন আজাদ স্যারের বিশ্লেষণ:

বাংলাদেশের সরকার এবং গণতন্ত্র নিয়ে হুমায়ুন আজাদ স্যারের বিশ্লেষণ: . আমাদের দেশ গণতান্ত্রিক নয়, ছদ্মগনতান্ত্রিকবা ভুয়োগনতান্ত্রিকবা স্বৈরাচারী গণতান্ত্রিক বা গুন্ডাগনতান্ত্রিক – নামেই এখানে গণতন্ত্র আছে, কাজে নেই । খুন, সন্ত্রাস, লুটপাট ধর্ষণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অল্পস্বল্প থাকতে পারে, সেটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা , গণতন্ত্রের নয়; গণতন্ত্রের মুল ব্যাপার হচ্ছে ব্যক্তির অধিকার । রাষ্ট্র নয়, সমাজ নয়, ব্যক্তির চুড়ান্ত অধিকার ও অধিকার প্রতিষ্ঠাই গণতন্ত্রের লক্ষ্য; রাষ্ট্র ও ব্যক্তির মধ্যে যদি বিরোধ বাধে, গণতন্ত্রে জয় হয় ব্যক্তির। কিন্তু আমাদের দেশে ব্যক্তির বিশেষ কোন অধিকার নেই; এখানে কয়েকটি ক্ষমতাসীন মানুষ আর একপাল আমলা সর্বশক্তিমান, তারা ব্যক্তিমানুষকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে পর্যুদস্ত করতে পারে । পুলিশ, সংসদ সদস্য, আমলা, মন্ত্রী যা ইচ্ছে তা করতে পারে, তাদের অধিকারের সীমা নেই, আর সাধারন ব্যক্তিমানুষ প্রায়-অধিকারহীন। খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, লুটপাট, যাতে না হয়, তা দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব- ব্যর্থরাষ্ট্র এগুলো দমন করতে পারেনা, এগুলোর জন্য গণতন্ত্র দায়ী নয়। দেখা যাবে স্বৈরতন্ত্রে খুন, সন্ত্রাস, লুটপাট ধর্ষণ কম হয়, কারণ স্বৈরশাসকদের ভয়ে মানুষ কাঁপে; যেমন সৌদি আরবে খুন, সন্ত্রাস ,লুটপাট, ধর্ষণ কম হয়, তার অর্থ এই নয় যে অখানে গণতন্ত্র আছে। আমাদের সরকারসমূহ নিজেদের শোচনীয় ব্যর্থতার দোষ চাপায় গণতন্ত্রের ওপর; আর তারা প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, মানুষের অধিকারে বিশ্বাস করে না।

একশো কোটি হিন্দুরে হে মুগ্ধ জননী, রাখিলে ভদ্র করি, মানুষ করোনি

"একশো কোটি হিন্দুরে হে মুগ্ধ জননী, রাখিলে ভদ্র করি, মানুষ করোনি”। “তুমি অধম হইলেও আমি উত্তম না হইব কেন?”- সাহিত্য সম্রাট শ্রীযুক্ত বাবু বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্র নবকুমারের মুখ নিঃসৃত এই শ্রী বানীটিই যে বঙ্গীয় হিন্দু সমাজকে “মরিশাসের ডোডো পাখীর ন্যায়” এক পার্থিব–বিরল আত্মঘাতী জাতীতে পরিনত করিতে সর্বাগ্রগণ্য ভূমিকা গ্রহন করিয়াছে, তাহাতে কাহারও কোন সন্দেহের অবকাশ থাকিবার কথা নহে। কারন হিসাবে ইহার সহিত অপর দুই প্রখ্যাত বঙ্গীয় আপ্তবাক্য – “যেমন কুকুর তেমন মুগুর” এবং “ইটটি মারিলে পাটকেলটিও খাইতে হয়”; গোছের বক্তব্যের স্ববিরোধ স্পষ্টতই দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান। ইহারই পাশাপাশি “ক্ষমাহি পরমং ধর্মঃ”- প্রকৃতির আরও গুটি কতক শান্তিনিকেতনী গো-বিতাড়নী শান্তি মন্ত্র আমাদের বঙ্গীয় হিন্দু সমাজের দুর্বলতাকেই প্রবল ভাবে সবল করিতে সক্ষম হইয়াছে। সেই কবেই ঋষি প্রবর শ্রী অরবিন্দ তাঁহার “দিব্য জীবন” গ্রন্থখানিতে কি অপূর্ব ভঙ্গিতে দাস্য ও বীর ভাবের মধ্যে সুস্পস্ট প্রভেদ চিহ্নিতকরণ করিয়া গিয়াছেন। তাঁহার মতে “ক্ষমারও একখানি বিধিবদ্ধ সীমারেখা থাকা প্রয়োজন। ক্ষমার মন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া উক্ত লক্ষনরেখা অতিক্রম করিয়া ক্ষমা প্রদর্শন যে কেবল অন্যায় কারীর সহিত আপোষ – তাহাই নহে, একান্ত কাপুরষতার লক্ষণও বটে”! ইহার সূত্র ধরিয়াই পৃথিবীর সকল দুর্বল জাতিই অপেক্ষাকৃত সবলের অত্যাচার ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে বিচার করিতে নিতান্তই বাধ্য থাকেন ও পরিশেষে পুরুষাকারের একান্ত অভাব সত্বেও জাগতিক ক্ষমার মাহাত্যে প্রতিষ্ঠিত হইবার হাস্যকর প্রচেষ্টায় লিপ্ত হন। ইহার সূত্র ধরিয়াই পূর্ববঙ্গ হইতে মান, সম্মান, নারীর ইজ্জত খোয়াইয়া এবং দূর্বার অপ্রতিরোদ্ধ বর্বর ইসলামী সন্ত্রাসে সর্বস্বান্ত হইয়া, সপ্ত পুরুষের ভিটে মাটি পরিত্যাগ করিয়া, চোখের জলে – নাকের জলে (অথবা ইহার পরিবর্তে যদি অন্য কিছুরও জল থাকিত)এক হইয়া, “মাটি বাপের নয়, মাটি দাপের” – এই পার্থিব সত্যকে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করিয়া, রিফিউজির (উদ্বাস্তুর) সম্মানে বিভূষিত হইয়া এই বঙ্গে আগত কয়েক কোটি হিন্দুনন্দন বঙ্গবাসী আজও প্রকাশ্যে দন্ত বিকশিত করিয়া “হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই” – এই বিকট ও উদ্ভ্রান্ত ভণ্ডামোর প্রকাশ্য সওয়াল করতে এক মুহূর্তের জন্যেও দ্বিধা বোধ করেন না। ইহা নিঃসন্দেহেই সমকালীন সমগ্র পৃথিবীর এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় না হইতে পারাটাই অস্বাভাবিক। ইহার সূত্র ধরিয়াই ইসরায়েলের ন্যায় একটি অতি ক্ষুদ্র দেশের পক্ষেও তাহার প্রতিবেশী শত্রুদের প্রতি এই রনহুঙ্কার দেওয়া সম্ভব, যে তাহারা একজন ইসরায়েলী সৈনিকের মৃত্যুর প্রতিশোধরূপে আটজন বিপক্ষীয় শত্রুর প্রাণনাশ করিবেক। পক্ষান্তরে ইহার সূত্র ধরিয়াই পাকিস্থানী দুর্বৃত্তের দল ভারতের দুই জন সৈনিকের মস্তক ছেদন করিয়া লইয়া গেলেও ভারতবর্ষীয় কোন এক ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রীরূপী উদ্বাস্তু সন্তান(পাক কতৃক দেহাতী ঔরত সম্মানে সম্মানিত),তাহারসলজ্জ প্রতিবাদ স্বরূপ পাকিস্থানের সহিত ক্রিকেট নামক একটি জনমোহিনী বিজাতীয় ক্রীড়া হইতে বিরত থাকার অঙ্গিকার করিয়া বসেন(কার্যক্ষেত্রে তাহাও সংঘটিত করিতে সফলকাম হন নাই)। সুতরাং .. আইসেন ....অন্তত ভদ্র ভাবে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত না হয় একটু অভদ্র হইলামই বা ... ক্ষতি কি? Raja Debnath