Saturday, 8 August 2015

Isis flag on JK

আজ আবার দেখা গেল IsIs এর ফ্ল্যাগ, এই কদিনে ৪ বার এইরকম ঘটনা ঘটল, জম্মু কাশ্মীর উপত্যকায়, তাও একটা নির্দিষ্ট দিনে, ৪ বারই দিন একটাই ছিল "শুক্রবার" এই দিনে নামাজ পরার পর দেশদ্রোহীরা IsIs এর ফ্ল্যাগ নিয়ে গর্বের সাথে উড়িয়েছে। তবে এবার নামটা ভিন্ন ছিল, এবার ছিল "IsJk" মানে "ইসলামিক স্টেট জম্মু কাশ্মীর" নিচে লেখা ছিল "Is Coming" তবে একটা জিনিষ এক ছিল, তারা সবাই নিজের মুখ ঢেকেই ছিল। নিজেদের যোদ্ধা বলা এই দেশদ্রোহী গুলো নিজের পরিচয় দিতে লজ্জা পায় না ভয় পায়? এটাই হল সহি ইসলামের পরিচয়, ভারতের খাব, ভারতের পরব, আবার ভারত কেই ধংস করব। আমার এই পোস্ট টা পরার পর অনেক সেকুলাররাই ভোট ব্যাঙ্ক এর লোভে মরা কান্না কাদবে। আবার বলেও ফেলবে এটা মিথ্যা খবর, তবে চিন্তা করবেননা এই পোস্টের সব কথাই সত্য তার প্রমান আমার কাছে আছে। हे अल्लाह तूने क्यू बनाया ये मुसलमान जिसमे 100 मे से 99 बेईमान... — https://m.facebook.com/SUDIPABVP/photos/a.1529753463903661.1073741827.1529226993956308/1639903126222027/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7980939946

হায়রে! আর্যাবর্ত। হায়রে ভারতবর্ষ। হায়রে! হিন্দু সমাজ

হায়রে! আর্যাবর্ত। হায়রে ভারতবর্ষ। হায়রে! হিন্দু সমাজ। পড়ুন দুটি চারটি কথা... আফগানিস্তান যার পূর্ব. নাম ছিলো গান্ধার। শাসক ছিলেন শকুনি। যিনি এক জন হিন্দু ছিলেন। মহাভারত অনুযায়ী তিনি ছিলেন দুর্যোধনের মামা। যে আফগানিসতানে এক সময় হিন্দু সংস্কৃতি ছিলো আজ সেখানে হিন্দু শূণ্য...........।আরেকটি দেশ ইরান। এটিও ছিলো মহাভারতের অন্তর্ভুক্ত। এ দেশের পূর্ব নাম ছিলো মদ্র ৰা মদ্রদেশ। শাসক ছিলেন মহারাজ শল্য। মহাভারত মতে ইনি ছিলেন নকুল ও সহদেব এর মামা। ইনিও একজন হিন্দু ছিলেন। কিন্তু আজ ইরানে কত জন হিন্দু আছে? ...... ...একজনও নয়। বাংলদেশ, পাকিস্তান আজ হিন্দু শূন্য হতে চলেছে। হে হিন্দু যুব সমাজ আপনারা কি এখনও উদারতার ভাবে, ভন্ডামীর আড়ালে লুকিয়ে থাকবেন? নিজের প্রাপপো ভাগ আদায় কি এখনও করবেননা? কয়েক দশক পর যখন আপনার গর্বের ৰাংলাদেশ থেকে আপনাকে নীরবে বিদায় নিতে হবে তখন নিজের বিবেককে আপনি কি জবাব দিবেন ......?এখনও সময় আছে সচেতন হোন। নিজে জাগুন। অন্য হিন্দুকে জাগান।

বেদে আল্লাহ শব্দটির কোন উল্লেখ নেই

বেদে আল্লাহ শব্দটির কোন উল্লেখ নেই বেদ সম্বন্ধে সম্পূর্নই অজ্ঞ জাকির নায়েক দাবী করেছে যে বেদ এ 'আল্লাহ' শব্দটি আছে।তাহলে পরোক্ষভাবে সে স্বীকার করে নিল যে দেবভাষা সংস্কৃত সকল ভাষার আদি এবং আরবি ভাষারও উত্পত্তি ওই সংস্কৃত ভাষা থেকেই! মূল আলোচনা শুরুর পূর্বে পাঠকদের স্মরন করিয়ে দেই আরবীতে 'আল্লাহ' শব্দটি দুইটি অংশ 'Al'(The) এবং 'Ilah'(Subject of worship) নিয়ে গঠিত। ঋগবেদ এ ইলা এবং অলা নামক দুটি শব্দ আছে।জাকির যে মন্ত্রেই এই শব্দদুটো পাচ্ছে সেখানেই ইসলামিক তাকিয়ায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রলাপ বকছে যে সঠিকভাবে উচ্চারন করলে তা নাকি আল্লাহ হয়!(নতুন সংস্কৃত উচ্চারন পদ্ধতি আবিস্কার)।আরো মজার বিষয় হল ইলা এবং অলা দুটি আলাদা শব্দ ই কিভাবে একটি নির্দিষ্ট শব্দ(আল্লাহ) নির্দেশ করে? ভন্ড জাকিরের দাবী(অপ্রকৃতিস্থের প্রলাপ) অনুযায়ী ঋগবেদ ২.১.১১,৩.৩০.১০,৯.৬৭.৩০,১.১৩.৩ এই চারটি মন্ত্রে 'আল্লাহ' শব্দটি রয়েছে।মন্ত্রগুলোর সরলার্থ সহ দেখে নেয়া যাক- অলাত্নো বল ইন্দ্র ব্রজো গোঃ পুরা হন্তোর্ভয়োমানো ব্যয়ার। সুঘান পথো অক্ষণোন নিরজে গোঃ পরাবন বাণীঃ পুরুহূতং ধমন্তী।। (ঋগবেদ ৩.৩০.১০) অনুবাদ-হে সমস্ত ইন্দ্রিয়ের চালনাকারী,শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিদের বিঘ্ন সৃষ্টিকারীরা অবশ্যই তোমার নিকট শাস্তি প্রাপ্ত হয়।সত্ ও সাধুদের জন্য তুমি পথ করেছ সুপ্রশস্ত। স্পষ্টতই যেহেতু সুক্তটি ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে সেহেতু অলা এখানে ইন্দ্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ইলা সরস্বতী মহী তিস্রো দেবির্ময়োভুবঃ। বহিঃ সীদংত্বস্রিধ।। (ঋগবেদ ১.১৩.৯) অনুবাদ-মাতৃভাষা­,মাতৃসভ্যতা ও মাতৃভূমি(ইলা) এইতিন দেবী;তারা যেন কল্যানময়রুপে অন্তঃকরনে অবস্থান নেয় অনন্তকাল। এখানে ইলা মাতৃভূমি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ত্বমগ্নে অদিতির্দেব দাসুসে ত্বং হোত্রা ভারতী বর্ধসেঘিরা। ত্বমিলা ষতহিমাসি দক্ষসি ত্বং বর্ত্রহা বসুপতে সরস্বতী।। (ঋগবেদ ২.১.১১) অনুবাদ-হে প্রকাশমান পরমাত্মা,সকলের আশ্রয়দাতা,আমাদের এই স্তব গ্রহন কর।তুমি এই বর্নিল ঋতুময় মাতৃভূমিকে সম্পদশালী কর,নাশ কর অসত্ এর। এখানে ত্বম-ইলা(তুমি ইলা) অর্থাত্ ইন্দ্রের অপর একটি নাম হিসেবে ইলা ব্যবহৃত হয়েছে। অলায়স্য পরাশুরননশ্য ত্বম পবস্ব দেব সোম। অখুঃ চিদেব দেব সোম।। (ঋগবেদ ৯.৬৭.৩০) অনুবাদ– হে মঙ্গলদায়ক,ঐশ্বর্যশালী পরমেশ্বর,তুমি সাধুলোকের শত্রুদের ধ্বংস কর,অসত্ এর বিনাশ কর। এখানে অলা বলতে সোমকে নির্দেশ করা হচ্ছে। জাকির নায়েকের মতে প্রতিটি সংস্কৃত অভিধান এ ই আল্লাহ শব্দটি আছে এবং এর অর্থ হিসেবে ঈশ্বর দেয়া আছে।সবচেয়ে বিখ্যাত সংস্কৃত অভিধান যা Dr. Monier Williams কর্তৃক লিখিত (A Sanskrit-English Dictionary, Motilal Benarasidass, Delhi,1981) এ আল্লাহ বলে কোন শব্দ নেই।যে কাছাকাছি শব্দগুলো সেখানে আছে তা হল অলা যার অর্থ সেখানে দেয়া 'কাঁকড়াবিছের লেজের হুল", অলাত যার অর্থ দেয়া আছে "কয়লা" এবং আল যার অর্থ দেয়া হয়েছে "বিষাক্ত পোকা থেকে নির্গত তরল বিষ।" অন্যতম বিখ্যাত সংস্কৃত অভিধান (The Student’s Sanskrit-English Dictionary by Vaman Shivaram Apte, Motilal Benarasidass, Delhi, 2005) এ একটি শব্দ আছে যা হল অল্লা যার অর্থ দেয়া হয়েছে "মা" সুতরাং ইসলামিক অপপ্রচারকদের থেকে সতর্ক থাকুন। http://www.agniveer-bangla.com/Allah%20Not%20mention%20in%20Veda.html

Friday, 7 August 2015

ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলে মুসলিম তোষন

সেজে গুজে বুকের বোতাম খুলে,ঠোঁটে লিপষ্টিক লাগিয়ে যৌন অঙ্গভঙ্গি দিয়ে যারা ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলে মুসলিম তোষন করে এবং জঙ্গিদের সাহায্য করে তাদের আমরা প্রেশ্যা বলে অভিহিত করি । প্রেশ্যাদের রুচি দেখলেই বোঝা যায় তাই এরা জাপানি তেল কিংবা রকেট ক্যাপসুলকে প্রধান স্পনসরের ভূমিকা দেয় । আজকে Zee নিউজ হিন্দি চ্যানেলে সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী প্রেশ্যাদের মুখে ঝামা ঘষে দিল । সুধীর চৌধুরীর দাবী- মিডিয়ার নাম করে বেআইনী ভাবে অর্থ উপার্জন করতে এবং অসত্য খবর পরিবেশন করে জঙ্গিদের মদত দিচ্ছেন প্রেশ্যারা । সুধীর চৌধুরী এবং Zee নিউজকে অসংখ্য ধন্যবাদ "পেড মিডিয়ার" বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠানোর জন্য ।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক রানা দাশগুপ্তকে ধন্যবাদ এতদিন পরে হলেও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সংম্মেলন করে সত্য কথাটা বলার জন্য। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন আমরা কারো ভোট ব্যাংক নই। আমাদের বেয়াকুব ভাবা ঠিক হবে না। নাচতে নেমেছি কিন্ত ঘোমটা দিব না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে দেখেছি কোন কোন জায়গার সংখ্যালঘু ঐক্য পরিষদের নেতাদের। তাদের কথা শুনে মনে হয় তারা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা নয় তারা সংখ্যালঘুলীগের নেতা।অনেকদিন পর হলেও এ কথাটা বলার জন্য সাধারন সম্পাদককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সরকারি দলের এমপি মন্ত্রীরা যেভাবে আমাদের জমি লুন্ঠন করেছে তাতে ২০১৯ সালের আগেই বাংলাদেশ হয়ত হিন্দু শুন্য হয়ে পরবে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই আপনার দলের স্বপ্ন কি হিন্দু শুণ্য ডিজিটাল দেশ গড়া নাকি সবাইকে নিয়ে দেশ গড়া? যদি হিন্দুদের ছেড়ে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখলে আপনি অলীক স্বপ্ন দেখছেন। আপনাকে বলতে চাই দেশ পরিচালনা করতে হলে আপনাকে দেশের সর্বস্তরের নিরাপত্তা দিতে হবে। কারো বেডরুম পাহারা দিতে পারবেন না বলেছেন কিন্তু এখন শত শত একর জমি আপনার দলের নেতারা দখল করছেন আপনি কি বলবেন এখন কারো জমি পাহারা দিতে পারবেন না। বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের জমি? না কি দেখেই ঘুমিয়ে থাকার ভান করছেন?

শ্রীমদ্ভগবদগীতা(সংস্কৃত: भगवद्गीता, ˈbʱəɡəʋəd̪ ɡiːˈt̪aː , ভগবানের গান)

শ্রীমদ্ভগবদগীতা(সংস্কৃত: भगवद्गीता, ˈbʱəɡəʋəd̪ ɡiːˈt̪aː , ভগবানের গান) বা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বা গীতা একটি ৭০০-শ্লোকের হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। এটি প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত-এর একটি অংশ। যদিও গীতা একটি স্বতন্ত্র ধর্মগ্রন্থ তথা একটি পৃথক উপনিষদের মর্যাদা পেয়ে থাকে। হিন্দুরা গীতা-কে ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী মনে করেন। হিন্দুধর্ম, দর্শন ও সাহিত্যের ইতিহাসে গীতা এক বিশেষ স্থানের অধিকারী।[১]গীতা-র কথক কৃষ্ণ হিন্দুদের দৃষ্টিতে ঈশ্বরের অবতার পরমাত্মা স্বয়ং।[১] তাই গীতা-য় তাঁকে বলা হয়েছে "শ্রীভগবান"।[২] গীতা-র বিষয়বস্তু কৃষ্ণ ও পাণ্ডব রাজকুমার অর্জুনের কথোপকথন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু ঠিক আগে শত্রুপক্ষে আত্মীয়, বন্ধু ও গুরুকে দেখে অর্জুন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন। এই সময় কৃষ্ণ তাঁকে ক্ষত্রিয় যোদ্ধার ধর্ম স্মরণ করিয়ে দিয়ে এবং বিভিন্ন প্রকার যোগশাস্ত্র[৩] ও বৈদান্তিক দর্শন ব্যাখ্যা করে তাঁকে যুদ্ধে যেতে উৎসাহিত করেন। তাই গীতা-কে বলা হয় হিন্দু ধর্মতত্ত্বের একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ এবং হিন্দুদের জীবনচর্যার একটি ব্যবহারিক পথনির্দেশিকা। যোগশাস্ত্র ব্যাখ্যার সময় কৃষ্ণ নিজের "স্বয়ং ভগবান" রূপটি উন্মোচিত করেন এবং বিশ্বরূপে অর্জুনকে দর্শন দিয়ে আশীর্বাদ করেন। অর্জুন ছাড়া প্রত্যক্ষভাবে কৃষ্ণের মুখ থেকে গীতা শুনেছিলেন সঞ্জয় (তিনি যুদ্ধের ঘটনা ধৃতরাষ্ট্রের কাছে বর্ণনা করার জন্য বেদব্যাসের কাছ থেকে দিব্য দৃষ্টি লাভ করেছিলেন), হনুমান (তিনি অর্জুনের রথের চূড়ায় বসে ছিলেন) ও ঘটোৎকচের পুত্র বর্বরিক যিনি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সব ঘটনা দেখেছিলেন)। গীতা-কে গীতোপনিষদ বলা হয়। অর্থাৎ, গীতা উপনিষদ্‌ বা বৈদান্তিক সাহিত্যের অন্তর্গত।[৪] "উপনিষদ্‌" নামধারী ধর্মগ্রন্থগুলি শ্রুতিশাস্ত্রেরঅন্তর্গত হলেও, মহাভারত-এর অংশ বলে গীতা স্মৃতিশাস্ত্রেরঅন্তর্গত।[৫][৬]আবার উপনিষদের শিক্ষার সারবস্তু গীতা-য় সংকলিত হয়েছে বলে একে বলা হয় "উপনিষদ্‌সমূহেরউপনিষদ্‌"।[৭]গীতা-কে মোক্ষশাস্ত্র নামেও অভিহিত করা হয়।[৮] ভারতীয় মণীষীদের পাশাপাশি অ্যালডাস হাক্সলি, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, জে. রবার্ট ওপেনহাইমার,[৯]রালফ ওয়াল্ডো এমারসন, কার্ল জাং, হেনরিক হিমার ও হারমান হেস প্রমুখ পাশ্চাত্য মণীষীরাও গীতা-র উচ্চ প্রশংসা করেছেন।[৭][১০] রচনা ভগবদ্গীতার রচনাকাল সম্বন্ধে অনেক রকম মতামত রয়েছে। ঐতিহাসিকেরা এই গ্রন্থের রচনাকাল হিসেবে খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত যে কোন সময়ের মধ্যে হতে পারে বলে অনুমান করেছেন। এ ছাড়াও কারও কারও মতে এটাও ধরা হয়ে থাকে ভগবদ্গীতা আদি শঙ্করাচার্য দ্বারা সর্বপ্রথম মহাভারত থেকে সংকলীত হয়ে আলাদা গ্রন্থ হিসেবে মর্যদা পায়। অধ্যাপক জীনীন ফাউলারের মতে এই গ্রন্থের রচনাকাল খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী বলে মনে করলেও[১১], গীতা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ কাশীনাথ উপাধ্যায় মহাভারত, ব্রহ্ম সূত্র ও অন্যান্য গ্রন্থ পর্যালোচনা করে দেখিয়েছেন যে, গীতা খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম থেকে চতুর্থ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছিল।[১২] গীতাধ্যায় গীতা ৭০০ টি শ্লোক নিয়ে ১৮টি অধ্যায়ে বিভক্ত। বিষাদ-যোগ সাংখ্য-যোগ কর্ম যোগ জ্ঞান যোগ কর্মসন্ন্যাস-যোগ ধ্যানযোগ বিজ্ঞানযোগ অক্ষরব্রহ্মযোগ রাজগুহ্য-যোগ বিভূতি-যোগ বিশ্বরূপ-দর্শন-যোগ ভক্তিযোগ প্রকৃতি-পুরুষ-বিবেকযোগ গুণত্রয়-বিভাগ-যোগ পুরুষোত্তম-যোগ দৈবাসুর-সম্পদ-বিভাগযোগ শ্রদ্ধাত্রয়-বিভাগ-যোগ মোক্ষযোগ সমসাময়িক জনপ্রিয়তা অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে পাশ্চাত্য গবেষকদের মধ্যে ভগবদ্গীতা-র অনুবাদ ও চর্চা শুরু হয়। এই সময় থেকেই ভগবদ্গীতা-র জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে।[web ১] ভারতীয় ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক খুশবন্ত সিংয়ের মতে, রুডইয়ার্ড কিপলিংয়ের বিখ্যাত কবিতা "ইফ—" হল ইংরেজিতে ভগবদ্গীতা-র বাণীর সারমর্ম।[১৩] প্রশংসা মূল নিবন্ধ: ভগবদ্গীতার প্রভাব ভগবদ্গীতা শুধুমাত্র মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ও সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের মতো বিশিষ্ট ভারতীয় রাজনৈতিক নেতা ও দার্শনিকদের দ্বারাই প্রশংসিত হয়নি,[১৪] বরং অ্যালডাস হাক্সলে, হেনরি ডেভিড থরি, জে. রবার্ট ওপেনহিমার,[১৫]রালফ ওয়াল্ডো এমারসন, কার্ল জাং, হারমান হেস[৭][১৬] ও অন্যান্যদের দ্বারাও প্রশংসিত হয়েছে। ভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত নিষ্কাম সেবা ছিল গান্ধীর অনুপ্রেরণা।[১৭]তিনি লিখেছেন: যখন সংশয় আমাকে তাড়া করে ফেরে, যখন আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে হতাশা, আমি দিগন্তে আশার কোনো আলো দেখতে পাই না, তখন আমি ভগবদ্গীতার দিকে মুখ ফেরাই। এমন একটি শ্লোক পেয়ে যাই, যা আমাকে শান্তি দেয়। তখন ঘনায়মান দুঃখের মধ্যেও আমার মুখে হাসি ফোটে। আমার জীবন বাহ্যিক ব্যর্থতায় পরিপূর্ণ। আমার জীবনে যদি তাদের কোনো দৃশ্য বা অদৃশ্য প্রভাব না থাকে, তার জন্য আমি ভগবদ্গীতার শিক্ষার প্রতি কৃতজ্ঞ।

নিলয় নীল হত্যা: খুনীরা ‘আল্লাহু আকবর’ বলে কুপিয়ে হত্যা করে

http://www.sylhettoday24.com/news/details/National/7455