Tuesday, 11 August 2015

মুসলমান সন্ত্রাসবাদী

মুসলমান সন্ত্রাসবাদীরা যত নিরীহ মানুষ হত্যা করছে, ততই মানুষ ইসলামের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছে.. কিন্তু ভারতের দুর্বুদ্ধিজীবিরা ভাঙা রেকর্ডের মতো বলে চলেছে, ইসলাম ভাল, সন্ত্রাসবাদীরা খারাপ.. যেখানে ISIS সহ অন্যান্য ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠি গুলি ভারত দখলের প্ল্যান করছে, ভারতের মুসলমান যুবকরা জঙ্গিগোষ্ঠিতে যোগ দিতে সুদূর ইরাক, সিরিয়া পাড়ি দিচ্ছে.. সেখানে দাঁড়িয়ে ইসলাম ভালো, সন্ত্রাসবাদীরা খারাপ, ভারতের মুসলমান যুবকরা বিরাট দেশপ্রেমিক বড়ই পানসে শুনায়। মিরাক্কেলের জোক্সের থেকে এগুলো শুনলে আরো হাসি পায়.. পরক্ষনে কস্ট টা আরো বেশী হয়।।

10 Places In India That Will Definitely Scare You To Death! | HolidayIQ Blog

http://www.holidayiq.com/blog/10-places-india-will-definitely-scare-you-death-795.html?channel=social_fb&medium=paid

বাঙালী হিন্দুরাই কি সবচেয়ে বোকা!!!

বাঙালী হিন্দুরাই কি সবচেয়ে বোকা!!! ************************************** পশ্চিমবঙ্গ এখন জংগীদের প্রধান ঘাটি। কিছুদিন আগে বর্ধমানের খাগরাগেড় প্রচুর বিষ্পোরক পাওয়া গিয়েছিল। যেটা তৈরি করা হয়েছিল হিন্দুদের মারা জন্য। হা সঠিক সময়ে বিস্পোরন হলে তোমার আমার ঘরের বহু হিন্দু ভাই বোন মারা যেত। ভগবানের কৃপায় জংগীদের লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়। রেষ কাটতে না কাটতেই আবার প্রচুর বিষ্পোরক সন্ধান পেল জাতীয় তদন্ত কারী সংস্থা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথ গঞ্জে। ৬০ কেজি মারাত্নক বিস্পোরক উদ্ধার করেছে। এবার ও জংগীদের লক্ষ্য ছিল হিন্দু হত্যা । -------(বর্তমানপত্রিকা) কেন বার বার জংগীরা প. বঙ্গকে নিরাপদ জায়গা হিসাবে বেছে নিচ্ছে ? ভাবার সময় এখনো কি অাসে নি আমাদের?

বাঙালী হিন্দুরাই কি সবচেয়ে বোকা!!!

বাঙালী হিন্দুরাই কি সবচেয়ে বোকা!!! ************************************** পশ্চিমবঙ্গ এখন জংগীদের প্রধান ঘাটি। কিছুদিন আগে বর্ধমানের খাগরাগেড় প্রচুর বিষ্পোরক পাওয়া গিয়েছিল। যেটা তৈরি করা হয়েছিল হিন্দুদের মারা জন্য। হা সঠিক সময়ে বিস্পোরন হলে তোমার আমার ঘরের বহু হিন্দু ভাই বোন মারা যেত। ভগবানের কৃপায় জংগীদের লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়। রেষ কাটতে না কাটতেই আবার প্রচুর বিষ্পোরক সন্ধান পেল জাতীয় তদন্ত কারী সংস্থা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথ গঞ্জে। ৬০ কেজি মারাত্নক বিস্পোরক উদ্ধার করেছে। এবার ও জংগীদের লক্ষ্য ছিল হিন্দু হত্যা । -------(বর্তমানপত্রিকা) কেন বার বার জংগীরা প. বঙ্গকে নিরাপদ জায়গা হিসাবে বেছে নিচ্ছে ? ভাবার সময় এখনো কি অাসে নি আমাদের?

আমাদের জন্মের আগেই দেশ স্বাধীন হয়ে গেছিল

যেহেতু আমাদের জন্মের আগেই দেশ স্বাধীন হয়ে গেছিল, আর আমরা সেই স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিতে পারিনি। আর আমাদের এই দেশ কে স্বাধীন করার জন্য ভারত মায়ের বহু বীর সন্তান তাদের প্রান বিসর্জন দিয়েছেন এই দেশের স্বার্থে। তাদের সেই আত্ন বলিদান কে আমরা বৃথা যেতে দেবনা। আসুন আমরা সবাই মিলে সপথ করি, ভারত কে আমরা এই ISIS এর মত জঙ্গি দের থেকে আবার স্বাধীন করব। এরা এখন ভারতের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে। সুযোগ পেলেই সাপের মতন ফোস করে উঠবে, এদের ফনা তোলার আগে পায়ের নিচে পীস্টে ফেলব আমরা। আসুন আমরা সপথ করি, যারা কাশ্মীরে ISIS এর পতাকা তুলছে, তাদের যেন গুঁড়িয়ে দিতে পারি। আসুন আমরা আবার দেশ স্বাধীন করি। ভারত মাতার জয় বন্দেমাতরম জয় হিন্দ।

আল্লাহর রূপ কি?আলী মাতুব্বর

আরজ আলী মাতুব্বর ★★প্রশ্নাবলী★★ [ঈশ্বর তত্ত্ব] ১. আল্লাহর রূপ কি? জগতের প্রায় সকল ধর্মই একথা স্বীকার করে যে, ঈশ্বর অদ্বিতীয়, নিরাকার ও সর্বব্যাপী। কথা কয়টি অতীব সহজ ও সরল। কিন্তু যখন হিন্দুদের মুখে শেনা যায় যে, সৃষ্টি পালনের উদ্দেশ্যে ভগবান মঝে মাঝে সাকারও হইয়া থাকেন ও যুগে যুগে ‘অবতার’রূপে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়া লীলা প্রকাশ করেন এবং যখন খৃস্টানদের নিকট শোনা যায় যে, পরম সত্তা- ‘ভগবান, মশীহ, পরমাত্মা’- এই তিত্বে প্রকাশ পাইতেছে; আবার যখন মুসলিম ধর্মযাজকদের নিকট শোনা যায় যে, আল্লাহতা’লা আরশে ‘কুরছি’র উপর বসিয়া রেজওয়ান নামক ফেরেস্তার সাহায্যে বেহেস্ত, মালেক নামক ফেরেস্তার সাহায্যে দোজখ, জেব্রাইলের সাহায্যে সংবাদ এবং মেকাইলকে দিয়া খাদ্য বণ্টন ও আবহাওয়া পরিচালনা করেন- তখনই মন ধাঁধায় পড়ে, বুদ্ধি বিগড়াইয়া যায়। মনে প্রশ্ন জাগিতে থাকে- নিরাকার সর্বশক্তিমান ভগবানের সৃষ্টি পালনে সাকার হইতে হইবে কেন? অদ্বিতীয় ঈশ্বরের মহত্ত্ব প্রকাশে ত্রিত্বর আবশ্যক কি? সর্বব্যাপী আল্লাহ্তা’লার স্থায়ী আসনে অবস্থান কিরূপ এবং বিশ্বজগতের কার্য পরিচালনার জন্য ফেরেস্তার সাহায্যের আবশ্যক কি? ২. খোদাতা’লা কি মনুষ্যভাবাপন্ন? আল্লাহতা’লা দেখেন, শোনেন, বলেন ইত্যাদি শুনিয়া সাধারণ মানুষের মনে স্বতই প্রশ্ন জাগে- তবে কি আল্লাহর চোখ, কান ও মুখ আছে? কেহ কেহ বলিয়া থাকেন যে, আছে। তবে তাহা মানুষের মত নয়, কুদরতি। কিন্তু ‘কুদরতি’ বলিতে কিরূপ বুঝায়, তাহা তাঁহারা ব্যাখ্যা করেন না। আবার যখন শোনা যায় যে, খোদাতা’লা অন্যায় দেখিলে ক্রুদ্ধ হন, পাপীদের ঘৃণা করেন, কোন কোন কাজে খুশী হন ও কোন কোন কাজে হন বেজার, তখন মানুষ ভাবে- খোদার কি মানুষের মতই মন আছে? আর খোদার মনোবৃত্তিগুলি কি মানুষেরই অনুরূপ? ইহারও উত্তর আসে যে, উহা বুঝিবার ক্ষমতা মানুষের নাই। আবার যখন চিন্তা করা যায় যে, খোদাতা’লার জগত-শাসন প্রণালী বহুলাংশে একজন সম্রাটের মত কেন এবং তাঁহার এত আমলা-কর্মচারীর বাহুল্য কেন? উহার উত্তর পাওয়া যায় যে, সম্রাট হইলে তিনি অদ্বিতীয় সম্রাট, বাদশাহের বাদশাহ, ক্ষমতা তাঁহার অসীম। উত্তর যাহা পাওয়া গেল, তাহাতে অসাধারণ যাহাদের মনীষা তাঁহারা হয়ত বুঝিলেন, কিন্তু সাধারণ মানুষ ইহাতে কিছু বুঝিতে পাইল কি? ৩. স্রষ্টা কি সৃষ্ট হইতে ভিন্ন? ঈশ্বর যদি তাঁহার সৃষ্ট পদার্থ হইতে ভিন্ন হন, তাহা হইলে তাঁহার সর্বব্যাপিত্ব থাকিতে পারে না এবং ঈশ্বরের সর্বব্যাপিত্ব অক্ষুণ্ন থাকিলে কোন সৃষ্ট-পদার্থ এমনকি পদার্থের অণু-পরমাণুও ঈশ্বর-শূন্য হইতে পারে না। অর্থাৎ বিশ্বের যাবতীয় পদার্থই ঈশ্বরময়। মূল কথা- বিশ্ব ঈশ্বরময়, ঈশ্বর বিশ্বময়। ধর্ম যদিও ঈশ্বরের সর্বব্যাপিত্বে সন্দেহ করে না, কিন্তু একথাও নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করে না যে, জগতের যাবতীয় জৈব-অজৈব, পাক এবং নাপাক সকল বস্তুই ঈশ্বরে ভরপুর। বিশ্বাস যদি করিত, তবে নাপাক বস্তুকে ঘৃণা করিবার কারণ কি? ৪. ঈশ্বর কি স্বেচ্ছাচারী, না নিয়মতান্ত্রিক? ‘নিয়মতন্ত্র’ হইল কোন নির্ধারিত বিধান মানিয়া চলা এবং উহা উপেক্ষা করাই হইল ‘স্বেচ্ছাচারিতা’। ঈশ্বর স্বেচ্ছাচারী হইলে তাঁহার মহত্ত্বের লাঘব হয় এবং নিয়মতান্ত্রিক হইলে তিনি তাঁহার ভক্তদের অনুরোধ রক্ষা করেন কিরূপে? সুপারিশ রক্ষার অর্থই হইল, আপন ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কাজ করা। অর্থাৎ স্বয়ং যাহা করিতেন না, তাহাই করা। ঈশ্বর কি কোন ব্যক্তিবিশেষের বা সুপারিশে আপন ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কাজ করিবেন না? ৫. আল্লাহ ন্যায়বান না দয়ালু? অন্যান্য ক্ষেত্রে যাহাই হউক না কেন, বিচারক্ষেত্রে ‘ন্যায়’ ও দয়া’র একত্র সমাবেশ অসম্ভব। কেননা দয়া করিলে ন্যায়কে উপেক্ষা করিতে হইবে এবং ন্যায়কে বজায় রাখিতে হইলে দয়া-মায়া বিসর্জন দিতে হইবে। বলা হয় যে, আল্লাহ ন্যায়বান এবং দয়ালু। ইহা কিরূপে সম্ভব? তবে কি তিনি কোন ক্ষেত্রে ন্যায়বান আর কোন ক্ষেত্রে দয়ালু?

ধর্মানুভূতি আঘাত দিও না।

পুলিশের আইজিপি আগেই বলেছেন। আজকে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। --তোমরা ধর্মানুভূতি তথা মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত দিও না। অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখি করলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে হ্যাঁ শীতকালীন চটি মাহফিল তথা ওয়াজ মাহফিলের উপর কোন নিষেধাজ্ঞা। শীতের ঠান্ডার দিনে ওজু করে বসে বসে যৌন সুড়সুড়ি দেওয়া চটি বয়ান শোনার মজাই আলাদা। ওয়াজে রাধা কৃষ্ণকে নিয়ে ক্লাসিক পর্ণ বলে যাওয়া কিংবা গৌতম বুদ্ধ কেন সংসার করেন নি সেটাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে বয়ান দেওয়া কখনোই ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেওয়া বলে গণ্য হবে না। আইজিপি বলেছেন বলেছেন কারও লেখালেখি যেন সীমা ছাড়িয়ে না যায়। মানে হচ্ছে ইসলাম নিয়ে কোন লেখালেখি সহ্য করা হবে না। তবে মন্দির ভাঙা, বৌদ্ধ বিহার ভাঙা, মন্দিরের জায়গা দখল করা, গৌতম বুদ্ধের মূর্তির সামনে মলমূত্র রেখে আসা দুর্বৃত্তদের কাজ। যেহেতু এসব সহী ইসলাম নয় এবং সহী মুসলমানের কাজ নয় তাই এসব নিয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এটা ধর্মানুভূতিতে আঘাত বলেও গণ্য হবে না। আইজিপি চাপাতিবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন;- দুষ্ট ছেলের দল। এভাবে কোপাতে নেই। তবে তোমরা কোপালেও আমরা ব্যবস্থা নেব না। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তোমরাই তো আমাদের সোনার ডিম পাড়া হাঁস। তোমরা না কুপিয়ে মামলা করো। তোমরা কি জানো না মদিনার সরকার আইন করেছে? --ধর্ম নিয়ে লিখলেই ১৪ বছরের জেল। শফি হুজুরের দোয়ায় আমাদের আমরা ইসলামের জন্য কি না করছি! ব্লগারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে আইজিপি বলেছেন ধর্ম থুক্কু ইসলাম ধর্ম নিয়ে কেউ কটুক্তি করলেই গ্রেপ্তার করা হবে। --আমাদের গোয়েন্দারা অনেক বুদ্ধিমান। তাঁরা তিন বছরেও সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতির খুনের রহস্যের কোন কুলকিনারা করতে পারেন না। কিন্তু বাংলাদেশের কোন গ্রামের চিপায় বসে কোন ছেলে আল্লাহর রাসুল নবী মোহাম্মদকে নিয়ে পেইজ চালায় তা ঠিকই খুঁজে বের করে ফেলেন। এই দেশে খুন করেন সমস্যা নেই। ধর্ষণ করেন সমস্যা নেই। ডাকাতি করেন সমস্যা নেই। দুর্নীতি করেন সমস্যা নেই। শুধু ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোন কিছু লিখলেই কল্লা ফেলে দেবে। কোপানোর জন্য আছে মড়রেট মোল্লারা। আর খুনকে হালাল করার জন্য আছে মডরেটেরা। তারাও যদি না পারলে আছে সরকার ও আইন। ফুটন্ত কড়াই নাকি জ্বলন্ত উনুন? কোনটাতে গিয়ে পড়বেন? Juliyas Caesar