মহম্মদ ইউনুস কে?এই মহম্মদ ইউনুস সম্পর্কে কিছু তথ্য- মহম্মদ ইউনুস ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর কাপড় সেলাই করত এবং সুন্দরী মহিলাদের সরবরাহ করত নেহেরুর কাছে । যখন বিশ্বকবি রবীন্দনাথ ঠাকুর ইন্দিরা গান্ধীকে চরিত্রর দোষের কারন স্কুল থেকে বরখাস্ত করেন তখন মহম্মদ ইউনুস ইন্দিরা গান্ধীর যৌবনের উত্তেজনা দেখে নেহেরুর গা ঘেষা করে দেন । ইন্দিরা গান্ধীর বিবাহ ফিরোজ খানের সাথে হওয়ার পরও এই কুকর্ম চলতে থাকে । এই মহম্মদ ইউনুসের পুত্র শাহেরবান খান আমেরিকাতে ৩৫ বছরের জেলের সাজাপ্রাপ্ত আসামী ছিল, ভোপাল গ্যাসকান্ডের দোষী অ্যান্ডারসনের বদলে শাহেরবান খানকে আমেরিকার জেল থেকে ছাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেছিলেন ইন্দিরার পুত্র রাজীব গান্ধী ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 16 August 2015
রাজ্যে ৬৪টি এটিএম গড়ছে ডাকঘর | Kolkata24x7-Get Latest Bengali News from Kolkata
http://www.bengali.kolkata24x7.com/64-post-office-atm-in-bengal.html
Bangali Hindu Post(বাঙ্গালি হিন্দু পোস্ট): মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এক লাখ হিন্দু নিধন করা হয়
http://bangalihindupost.blogspot.in/2014/01/blog-post_29.html
স্বাধীনতা দিবসেও রাজনীতির রং লাগাল কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস
স্বাধীনতা দিবসেও রাজনীতির রং লাগাল কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহার শহর জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্য্যালয় গুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলোন পর্ব ভিডিওগ্রাফি করে তাতে বন্দে মাতরম্ গান লাগিয়ে লোকাল চ্যানেলে দিন রাত প্রচার করল । কিন্তু তাতে কি প্রমান করতে চাইল তা আমার বোধগম্য হলো না ।
স্বাধীনতা দিবসেও রাজনীতির রং লাগাল কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস
স্বাধীনতা দিবসেও রাজনীতির রং লাগাল কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহার শহর জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্য্যালয় গুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলোন পর্ব ভিডিওগ্রাফি করে তাতে বন্দে মাতরম্ গান লাগিয়ে লোকাল চ্যানেলে দিন রাত প্রচার করল । কিন্তু তাতে কি প্রমান করতে চাইল তা আমার বোধগম্য হলো না ।
হরিনাম আন্দোলন
মহাপ্রভু যখন প্রবলভাবে
হরিনাম আন্দোলন শুরু করেছেন তখন
কিছু গোঁড়া ব্রাহ্মণ তাঁর এবং ভক্তদের
বিরুদ্ধে চাঁদ কাজীর কাছে অভিযোগ
করে। নবদ্বীপের মুসলমান কাজী
ব্রাহ্মণদের এই অভিযোগটিতে প্রভূত
গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রথমে তিনি
মহাপ্রভুর অনুগামীদের উচ্চস্বরে
হরিনাম সংকীর্তন করতে নিষেধ
করেন। কিন্তু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর
অনুগামীদর কাজীর সেই নির্দেশ
অমান্য করতে নির্দেশ দেন, এবং
তাঁরা পূর্বের মতোই সংকীর্তন করে
যেতে থাকেন। কাজীতখন সেই
সংকীর্তন বন্ধ করার জন্য তাঁর
পেয়াদা পাঠান এবং তারা সংকীর্তন
কারীদের কয়েকটি মৃদঙ্গ ভেঙে দেয়।
এই ঘটনার কথা শুনে মহাপ্রভু অত্যন্ত
ক্রুদ্ধ হন। তিনি এক বিরাট আইন-
অমান্য আন্দোলন করেন। তিনি সত্যকে
প্রতিষ্ঠা করার জন্য ভারতবর্ষে প্রথম
আইন-অমান্য আন্দোলনের সূচনা
করেছিলেন। হাজারহাজার মৃদঙ্গ এবং
করতাল সহ লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিয়েএক
বিরাট শোভাযাত্রার আয়োজন করেন,
এবং কাজীর আইন অমান্য করে এই
শোভাযাত্রা নবদ্বীপের পথে পথে
হরিনাম কীর্তন করতে করতে কাজীর
বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। অবশেষে
যখন শোভাযাত্রাটি কাজীর বাড়িতে
এসে পৌঁছায়, তখন ভয়ে কাজী তাঁর
বাড়ির উপরতলার একটি ঘরেলুকিয়ে
থাকেন। সেই বিশাল জনসমাবেশ
কাজীর বাড়ির সামনে সমবেত হয়ে
প্রচণ্ড ক্রোধ প্রকাশ করতে থাকে,
কিন্তু মহাপ্রভু তাদের শান্ত হতে
বলেন। মহাপ্রভুর আশ্বাস পেয়ে
অবশেষে কাজী তাঁর ঘর থেকে বেরিয়ে
আসে এবং তাদের মধ্যে কোরান ও
হিন্দু-শাস্ত্র সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা
হয়। সেই আলোচনায় তিনি গো-বধের
ভয়াবহ পরিনাম তুলে ধরেন।–“তোমরা
জীয়াইতে নার-বধমাত্র সার।নরক
হইতে তোমার নাহিক নিস্তার।।গো-অঙ্
গে যত লোম, তত সহস্র বৎসর।গো-বধী
রৌরব মধ্যে পচে নিরন্তর।।”এভাবে
মহাপ্রভু শাস্ত্র যুক্তির মাধ্যমে গোবধ
এবং সবধরণের যজ্ঞ নিষিদ্ধ করলেন।
তিনি একমাত্র যজ্ঞ হিসেবে হরিনাম
সংকীর্তনকে জগতমাঝে প্রতিষ্ঠা
করলেন। তখন কাজী মহাপ্রভুর
চরণাশ্রয় গ্রহণ করলেন এবং ঘোষণা
করলেন যে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর
প্রবর্তিত সংকীর্তন যজ্ঞে কেউ যেন
কখনও বাধা না দেয়, এবং তিনি তাঁর
উইলে লিখে যান যে, তাঁর বংশের কেউ
যদি সংকীর্তনে বাধা দেয়, তাহলে
সে তৎক্ষণাৎ বংশচ্যুত হবে। নবদ্বীপে
মায়াপুরের সন্নিকটে এখনও শ্রীচাঁদ
কাজীর সমাধী আছে।এই ঘটনা থেকে
স্পষ্টই বোঝা যায় যে, শ্রীচৈতন্য
মহাপ্রভু নিরীহ বৈষ্ণব ছিলেন না।
বৈষ্ণব হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবানের
ভক্ত এবং প্রয়োজন হলে তিনি
সিংহবিক্রমে যথার্থ সত্যকে
প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
"কন্যাশ্রী" সমন্ধে যাহা জানো লেখো?
নতুন সিলেবাস একটু পড়ে নিন.............."কন্যাশ্রী" সমন্ধে যাহা জানো লেখো? উওর- কন্যাশ্রী প্রকল্প ২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তৈরী করেন । এই প্রকল্পে প্রতিবছর ৫০০ টাকা ও বিবাহের পূর্বে ২৫০০০ টাকা পাওয়া যায় এককালীন । এই প্রকল্পের ফলে বেকার প্রেমিকদের অনেক সুবিধালাভ হবে প্রেমিকাদের কাছ থেকে । প্রেমিকারা অনায়াসে কন্যাশ্রীর টাকাতে লুকিয়ে বিয়ে করতে পারবে তাতে প্রেমিকার পিতার অর্থ বাঁচবে । এই প্রকল্পের বিরূপ প্রতিক্রিয়াও আছে যদি কোন কন্যা বিয়ের পর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে চাই সেক্ষেত্রে অনায়াসে কন্যাশ্রীর টাকাতে উকিল খরচ মেটাতে পারবেন । কন্যাশ্রী প্রকল্প যদি প্রকৃত কন্যাদের পাইয়ে দেওয়া যায় তাহলেই কন্যারা হাসবে । শুধু ঘাসফুলীদের মেয়েরাই এই প্রকল্প পেয়ে জিনস আর টপ কিনে হাতে কন্যাশ্রীর বালা পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে শোনা গেছে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)