Tuesday, 25 August 2015

গতকাল সিরিয়ায় ঐতিহ্যবাহী পালমিরা মন্দির ধ্বংস করল আইএসআইএস জঙ্গী গোষ্ঠী http//zeenews.India.com এর আগেও মুসলমান জঙ্গীরা বামিয়ানে বুদ্ধ মূর্তি ধ্বংস করে ছিল । বাবর রামমন্দির ধ্বংস করেছিল । এরকম হাজার হাজার মন্দির মুসলমানরা ধ্বংস করে ছিল । কাজেই মন্দির দেবমূর্তি ধ্বংস করা ইসলামের অঙ্গ এজন্যই বলা , স্বয়ং নবীমুহন্মদ 360 টি দেবমূর্তি নিজহাতে ভেঙে ছিল । পৃথিবীর মুসলমান সেই নবীমুহন্মদের অনুসারী । কাজেই ধ্বংস করার বিষয়ে আল্লাহর ব্যক্তব্য অত্যন্ত পরিস্কার ""এবং কত জনপদ আমি ধ্বংস করেছি ।আমার শাস্তি তাদের উপর আরোপিত হয়েছিল রাত্রিতে অথবা দ্বিপ্রহরে যখন তারা বিশ্রাম রত ছিল ।"" _ (কুরান সুরা আরাফ/ আয়াত নং 4 .) কাজেই আল্লা নিজেই নিজেকে একজন ধ্বংস কারী হিসাবে কুরানে দাখিল করেছে । সেখানে তার বান্দারা যে দেশেই আছে ধ্বংস কারী হবে _ তাতে কোন সন্দেহ নেই । ইতিহাস তো সেই কথাই বলে । (তথ্য সংগ্রহ দেওয়া আছে , উপযুক্ত তথ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি ফ্যা ফ্যা করলেই তার মধ্যেই আল্লার নির্লজ্জ রূপ বার হয়ে যাবে । )

Defence News - BALOCHISTAN :: The people the World forgot

http://defencenews.in/defence-news-internal.aspx?id=4UsJfWorfso%3D

এই যে কমরেড শুনছেন?

এই যে কমরেড শুনছেন? বলছি একটু উওরগুলো দিয়ে যান কমরেড, কমরেড আপনাদের বৌওরা কেন সিঁদুর পরে? কেন আপনারা বামপন্থী হয়েও মূর্ত্তিপূজো করেন? কেনই বা বিবাহতে বৈদিক মতে পুজা অর্চনা করেন? বামপন্থী নীতিই যখন নাস্তিক তাহলে আপনারা আস্তিক হচ্ছেন কেন? আপনারা বামপন্থী নাকি ভন্ড বাম প্যান্টি ? কার্ল মার্কস,লেলিনের মত গান্ডুদের আপনারা পিতা বলেন আবার ভারতবর্ষের বীর সন্তান নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে তোজোর কুকুর । আমরা কি বলি বলুন তো কমরেড আপনাদের- চীনের দালাল নাকি অন্যকিছু জন্তু । কমরেড আইসিসের নাম শুনেছেন কি? শুনছি আপনারা নাকি আইসিসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে ভারত থেকে চীন হয়ে ইরাক,ইরান,সিরিয়াতে যাবেন সাইকেলে চড়ে তাও আবার ব্রা পরে? Sabyasachi bhattacharjee
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দেহত্যাগ কাহিনী... সবাই পড়ুন..... মহাভারত অনুসারে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ফলে গান্ধারীর একশত পুত্রের মৃত্যু ঘটেছিল। দুর্যোধনের মৃত্যুর পূর্বরাত্রে কৃষ্ণ গান্ধারীর নিকট শোকজ্ঞাপন করতে যান। কিন্তু শোকাহত গান্ধারী ভেবেছিলেন যে কৃষ্ণ ইচ্ছাকৃত ভাবে যুদ্ধের অবসানের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। শোকে দুঃখে কাতর হয়ে তিনি কৃষ্ণকে এই বলে শাপ দেন যে কৃষ্ণ অন্যান্য সমস্ত যাদবদের সাথে ৩৬ বছর পরে ধ্বংস হয়ে যাবেন। এরপর একদিন কয়েকজন যাদব কৃষ্ণের পুত্র শাম্বকে গর্ভবতী স্ত্রীবেশে সজ্জিত করে কয়েকজন মুনিকে কৌতুকবশতঃ প্রশ্ন করেন যে নারীর ছদ্মবেশী শাম্বর সন্তান পুত্র হবে না কন্যা।তখন সেই ঋষিরা ধ্যানে সব জানতে পেরে ক্রুদ্ধ হয়ে সেই যাদবদের অভিশাপ দেন যে স্ত্রীবেশী শাম্ব একটি লৌহ মুষল প্রসব করবে এবং সেই মুষলের দ্বারা সমগ্র যদুকুল ধ্বংস হয়ে যাবে।এই অভিশাপে তারা ভীত হয়ে যদুপ্রধান কৃষ্ণের কাছে যায় এবং কৃষ্ণ তাদের প্রভাস নামক তীর্থে গিয়ে সেই সদ্যপ্রসূত মুষল পাথরে ঘষে ক্ষয় করার উপদেশ দেন।যাদবেরা কৃষ্ণের পরামর্শ অনুসারে মুষল ক্ষয় করলেও একটি ছোট অংশ নদীর জলে নিক্ষেপ করেন।ঘটনাচক্রে সেই লৌহখণ্ড একটি মাছ ভক্ষণ করে এবং এক ধীবরের হাত হয়ে এক ব্যাধ সেই মুষলখণ্ড লাভ করে।সেই ব্যাধ তখন সেই লৌহখণ্ড দিয়ে এমন এক বাণ প্রস্তুত করেন যার দ্বারা কিছুকাল পরে যদুকুল বিনষ্ট হয়। এর কিছুকাল পরে একদিন কৃষ্ণ উপলব্ধি করলেন যে দ্বারকা নগরী জনবসতিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ষোল হাজার রমণী ও অষ্টমহিষী থেকে জাত স্বয়ং কৃষ্ণের অসংখ্য পুত্রপৌত্রাদিতেযদুবংশ বিপুল আকার ধারণ করেছে।এছাড়াও অন্যান্য যাদবদের পরিবারও প্রচুর।তাই তিনি অগ্রজ বলভদ্রের সাথে পরামর্শ করে পৃথিবীর ভার লাঘবার্থ বিপুল যদুবংশ ধ্বংস করা কথা স্থির করলেন।তিনি দ্বারকার নারীদের গৃহে রেখে সকল যাদবদের প্রভাস তীর্থে গমনের আদেশ করলেন ও স্বয়ং সেখানে গেলেন।সেখানে সুরাপানের ফলে যাদবদের মধ্যে তীব্র অন্তর্কলহের ফলে তারা নিজেরাই নিজেদের হত্যা করে। এর কিছুকাল পরে একদিন কৃষ্ণ উপলব্ধি করলেন যে দ্বারকা নগরী জনবসতিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ষোল হাজার রমণী ও অষ্টমহিষী থেকে জাত স্বয়ং কৃষ্ণের অসংখ্য পুত্রপৌত্রাদিতেযদুবংশ বিপুল আকার ধারণ করেছে। এছাড়াও অন্যান্য যাদবদের পরিবারও প্রচুর।তাই তিনি অগ্রজ বলভদ্রের সাথে পরামর্শ করে পৃথিবীর ভার লাঘবার্থ বিপুল যদুবংশ ধ্বংস করা কথা স্থির করলেন। তিনি দ্বারকার নারীদের গৃহে রেখে সকল যাদবদের প্রভাস তীর্থে গমনের আদেশ করলেন ও স্বয়ং সেখানে গেলেন। সেখানে সুরাপানের ফলে যাদবদের মধ্যে তীব্র অন্তর্কলহের ফলে তারা নিজেরাই নিজেদের হত্যা করে। কৃষ্ণ ও বলরামের দেহত্যাগ তখন কৃষ্ণের জ্যেষ্ঠভ্রাতা বলরাম যোগবলে দেহত্যাগ করেন। তখন কৃষ্ণ এক বনে গিয়ে ধ্যান শুরু করেন। তখন এক ব্যাধ হরিণভ্রমে কৃষ্ণের বাম পা লক্ষ করে তীর নিক্ষেপ করেন। এতে কৃষ্ণ ব্যাধকে সান্তনা দিয়ে নিজ দেহ ত্যাগ করে নিজধামে ফিরে যান। তাঁর মনুষ্য জীবনের অবসান ঘটে। কিন্তু সূর্য যেমন স্হির থাকে, তা জ্বলেও না আবার নিভেও না সর্বদা দুত্যিময় কিন্তু আমাদের কাছে মনে হয় সূর্য ডুবে যায়। আর কৃষ্ণের দেহত্যাগ ঠিক এরকম ব্যাপার। পৌরাণিক সূত্র অনুযায়ী কৃষ্ণের পরলোকগমনের মধ্যে দিয়েই ৩১০২ খ্রিস্টপূর্বের ১৭/১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বাপর যুগের সমাপ্তি ঘটে ও কলি যুগের সূচনা হয়। জয় শ্রীকৃষ্ণ.

রাতের বিমানে মহিলার শ্লীলতাহানি, ছ’মাসের কারাদণ্ড ধর্মযাজকের

http://abpananda.abplive.in/international/2015/08/25/article694543.ece/California-priest-gets-prison-in-sexual-abuse-during-flight

বেঙ্গালুরু পুরসভার ভোটে ধাক্কা খেল কংগ্রেস, এগিয়ে বিজেপি

http://abpananda.abplive.in/national/2015/08/25/article694508.ece/Setback-for-Congress-in-Bengaluru-as-BJP-surges-ahead-in-BBMP-polls

ধর্ম ধারণের জন্য নিজের মধ্যে ৫টি গুণ জাগ্রত করা প্রয়োজন।

ধর্ম ধারণের জন্য নিজের মধ্যে ৫টি গুণ জাগ্রত করা প্রয়োজন। ১। জ্ঞান - বুদ্ধিকে স্তির রাখে। ২। ধৈর্য্য - মনকে স্থির রাখে। ৩। প্রেম - হৃদয়কে স্থির রাখে। ৪। সমর্পন - শরিরের সমস্ত আবেগকে শান্ত করে শরীরকে স্থির রাখে। ৫। ন্যায় - আত্মাকে স্থির রাখে। *মন, বুদ্ধি, হৃদয়, শরীর, আত্মা এই ৫টি ধর্মের আঁধার যখন শান্ত স্থির হয়ে যায় তখন মানুষ করুণায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। একে ধর্ম বলে। ❇☆❇ মৃত্যু এবং মোক্ষের মধ্যে পার্থক্য ❇☆❇ ✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎✎ বস্তু তোমাকে ছেড়ে দিলে হয় মৃত্যু , আর তুমি বস্তুকে ছেড়ে দিলে হয় মোক্ষ । যা বারবার আসে তা হলো মৃত্যু , আর যা কেবল একবারই আসে তা হলো মোক্ষ মৃত্যু ভোগী-র আসে , আর মোক্ষ যোগী-র আসে । ভোগী কে মৃত্যু ছাড়ে না , আর যোগীকে মৃত্যু যন্ত্রনা দেয় না । পুরাতন বস্ত্র ( শরীর ) ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করার নাম হলো মৃত্যু , আর পুরাতন বস্ত্র ( শরীর ) ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান না করাই হলো মোক্ষ ।