Saturday, 29 August 2015

PoK wants to join India after Modi’s good governance

http://www.newsroompost.com/232782/video-pok-wants-join-india-modis-good-governance/st_refDomain=m.facebook.com&st_refQuery=/l.php?u=https://shar.es/1vq10r&h=QAQHBogNz&enc=AZM5MeUG04RuheX4ZsbdCOFrC3CXQmL1bkLF3yGyDrcMJrVi1aHPR7gI8TExajs61y9N0Vgk0IrGIDuwt9FF_eWE&s=1

পরীক্ষার নামে প্রহসন, শুধু টেট নয় রাজ্য সরকার ব্যর্থ মাধ্যমিক, আইটিআইয়ের পরীক্ষাতেও | 24Ghanta.com

http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/tet-exam_131041.html
বলা হয় যে, আল্লাহতা’লার অসাধ্য কোন কাজ নাই। বিশেষ বিশ্বাসী ভক্তদের অনুরোধে তিনি অম্ভবকেও সম্ভব করেন। হযরত সোলায়মান নবী নাকি সিংহাসনে বসিয়া সপরিষদ শূন্যে ভ্রমণ করিতেন। তাই বলিয়া- আল্লাহতা’লা ইচ্ছা করিলে জায়নামাজশুদ্ধ আমাকেও নিমেষের মধ্যে মক্কায় পৌঁছাইতে পারেন’- এইরূপ বিশ্বাস কোন কোন পীর ছাহেবের আছে কি? থাকিলে একবারও তাহা পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছেন কি? না দেখিয়াই বা উড়োজাহাজে চড়িবার কারণ কি? উড়োজাহাজে চড়িবার বিপদ আছে, ভাড়া আছে, আর সময়ও লাগে যথেষ্ট। তবুও উহার উপর জন্মিয়াছে বিশ্বাস। অতীতে কোন কোন বোজর্গান হাঁটিয়াই নদী পার হইতে পারিতেন। যেহেতু তাঁহাদের বিশ্বাস ছিল যে, নদী পার করাইবেন আল্লাহতা’লা, নৌকা বা জলযানের প্রয়োজন নাই। আর বর্তমানে খোদার উপর বিশ্বাস নাই, নদী পর হইতে সাহায্য লইতে হয় নৌকার। সুফগণ নাকি ধ্যানমগ্ন অবস্থায় পৃথিবীর কোথায় কি ঘটিতেছে, তাহা জানিতে ও দেখিতে পাইতেন। এখন কয়টি লোকে উহা বিশ্বাস করে? বর্তমানে বিশ্বাস জন্মিয়াছে টেলিগ্রাফ, টেলিফোন, রেডিও এবং টেলিভিশনে। শাহ ছাহেবদের ‘কালাম’-এর তাবিজে কৃমি পড়ে না, কৃমি পড়ে স্যান্টোনাইন সেবনে। মানত-শিন্নিতে জ্বর ফেরে না, জ্বর ফেরাইতে সেবন করিতে হয় কুইনাইন। লোকে বিশ্বাস করিবে কোন্টি? নানাবিধ রোগারোগ্যের জন্য পীরের দরগাহ হইতে হাসপাতালকেই লোকে বিশ্বাস করে বেশী। গর্ভিনীর সন্তান প্রসব যখন অস্বাভাবিক হইয়া পড়ে, তখন পানিপড়ার চেয়ে লোকে বেবী ক্লিনিকের (Baby Clinic) উপর ভরসা রাখে বেশী। আজ মহাসমুদ্রের বুকে লোক যাতায়াত করে কোন্ বিশ্বাসে? সমুদ্রের গভীর জলের নীচে লোকে সাবমেরিন চালায় কোন্ বিশ্বাসে? মহাকাশ পাড়ি দেয় লোকে কোন্ বিশ্বাসে? যন্ত্রে বিশ্বাস আছে বলিয়াই মানুষ যন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করিতেছে। দ্রব্যগুণে বিশ্বাস আছে বলিয়াই লোকে কলেরা বসন্তের সময় দোয়া-কালামের পরিবর্তে ইনজেক্শন ও টিকা লইতেছে। আরজ আলী মাতুব্বর

রাখি পূর্ণিমাতিথি

রাখি পূর্ণিমাতিথি, এই দিনে ভগ্নী স্থানীয় ব্যাক্তিরা ভ্রাতৃস্থানীয় ব্যাক্তিদের রাখি বেঁধে দেয় হাতে, অপরদিকে ভাইয়েরা তাদের বোনদের রক্ষা করার প্রতিজ্ঞা করে। আসুন আমরা পৌরাণিক কাহিনীর দিকে একটু লক্ষ্য করি- কৃষ্ণ ও দ্রৌপদী মহাভারতে আছে, একটি যুদ্ধের কৃষ্ণের কবজিতে আঘাত লেগে রক্তপাত শুরু হলে পাণ্ডবদের স্ত্রী দ্রৌপদী তাঁর শাড়ির আঁচল খানিকটা ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। এতে কৃষ্ণ অভিভূত হয়ে যান। দ্রৌপদী তাঁর অনাত্মীয়া হলেও, তিনি দ্রৌপদীকে নিজের বোন বলে ঘোষণা করেন এবং দ্রৌপদীকে এর প্রতিদান দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। বহু বছর পরে, পাশাখেলায় কৌরব রা দ্রৌপদীকে অপমান করে তাঁর বস্ত্রহরণ করতে গেলে কৃষ্ণ দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা করে সেই প্রতিদান দেন। এইভাবেই রাখিবন্ধনের প্রচলন হয়। বলিরাজা ও লক্ষ্মী অন্য একটি গল্পে রয়েছে, দৈত্যরাজা বলি ছিলেন বিষ্ণুর ভক্ত। বিষ্ণু বৈকুণ্ঠ ছেড়ে বালির রাজ্য রক্ষা করতে চলে এসেছিলেন। বিষ্ণুর স্ত্রী লক্ষ্মী স্বামীকে ফিরে পাওয়ার জন্য এক সাধারণ মেয়ের ছদ্মবেশে বলিরাজের কাছে আসেন। লক্ষ্মী বলিকে বলেন, তাঁর স্বামী নিরুদ্দেশ। যতদিন না স্বামী ফিরে আসেন, ততদিন যেন বলি তাঁকে আশ্রয় দেন। বলিরাজা ছদ্মবেশী লক্ষ্মীকে আশ্রয় দিতে রাজি হন। শ্রাবণ পূর্ণিমা উৎসবে লক্ষ্মী বলিরাজার হাতে একটি রাখি বেঁধে দেন। বলিরাজা এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে লক্ষ্মী আত্মপরিচয় দিয়ে সব কথা খুলে বলেন। এতে বলিরাজা মুগ্ধ হয়ে বিষ্ণুকে বৈকুণ্ঠে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। বলিরাজা বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেন। সেই থেকে শ্রাবণ পূর্ণিমা তিথিটি বোনেরা রাখিবন্ধন হিসেবে পালন করে।

পাবনায় ভাগ্নের সুন্দরী বউ নিয়ে মামা উধাও! | Moralnews24

http://www.moralnews24.com/archives/6900

হিন্দু-মুসলিমেরজন্য আলাদা আইন মানি না..মোরা ভাই ভাই। মোদের এক আইন চাই

"মোরা একবৃন্তে দুইটি কুসুম হিন্দু মুসলমান; মুসলমান তাহার নয়নমনি, হিন্দু তাহার প্রান" হিন্দু-মুসলিমেরজন্য আলাদা আইন মানি না..মোরা ভাই ভাই। মোদের এক আইন চাই.। অবিলম্বে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার উদ্দেশ্যে; হিন্দু-মুসলিম বিভেদকারী হিন্দুর জন্য আলাদা আইন, মুসলিমের জন্য আলাদা আইন বাতিল করা হোক..আমাদের সবার জন্য এক আইন চালু করা হোক.. হিন্দু-মুসলিম ভেদ না করে ভারতীয় হিসাবে গর্ব বোধ করুন, সকল ভারতবাসীর জন্য এক আইন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি( Uniform Civil Code) চালু করার দাবী জানান..।।

এবার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীকে কেন ৫২৪১ তম বলা হলো?

☛ এবার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীকে কেন ৫২৪১ তম বলা হলো ? পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ১২৫ বছর প্রকট লীলাবিলাস করেন । ১২৫ বছর ধরাধামে অবস্থান করে গোলকে গমন করেন । মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ইহধাম ত্যাগ করে অন্তর্ধান করেন । সেই দিনই কলি প্রবেশ করেছে , সেই দিন ছিল শুক্রবার । খ্রীষ্টপূর্ব ৩১০১ এ কলিযুগ আরম্ভ হয় । বর্তমান ২০১৫ খ্রীষ্টাব্দ , তাহলে কলির বয়স ৩১০১+২০১৫=৫১১৬ বছর । শ্রীকৃষ্ণের অর্ন্তধানের দিন কলির আবির্ভাব । শ্রীকৃষ্ণ ১২৫ বছর প্রকট লীলা করেছেন । তাহলে শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব ৫১১৬+১২৫=৫২৪১ বছর পূর্বে হয়েছিল । অর্থাত্ , ২০১৫ ইংরেজি সালের মাঘী পূর্ণিমা থেকে ৫২৪১ বছর পূর্বে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয় ।