আর ক’দিন পরেই পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী হিন্দুর জাতীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজা।
সারা বাংলার হিন্দুরা মেতে উঠবেন আনন্দে। নুতন জামাকাপড়ের গন্ধ, হৈ হুল্লোড়, জমাটি আড্ডা, পলিটিক্স, রাত জেগে ক্লান্ত চোখে পাড়া পরিক্রমা, লক্ষ টাকার আলোর রোশনাই, জমকালো প্রতিমা ও মন্ডপ সজ্জা – সব থাকবে, সব!
আপনিও তো ওই কয়টা দিন খুব আনন্দ করবেন তাই না?
আচ্ছা, যদি কখনও শোনেন যে, আপনারই পাশের পাড়ায় মুসলমানেদের হুঙ্কারে দুর্গাপূজা বন্ধ হয়ে গেছে, তারা আর পূজা করতে পারছে না, বরং আপনার পাড়াতে অঞ্জলি দিতে আসছে। তখনও কি এমন পরম নিশ্চিন্তে আনন্দে মেতে থাকতে পারবেন? আজ তাদের পূজা বন্ধ হয়েছে বলে, কাল যে আপনার পূজাও বন্ধ হবে না বা আপনিও আগামী দিনে আপনার ওই হতভাগ্য প্রতিবেশীদের মত অন্য পাড়ায় গিয়ে অঞ্জলি দিতে বাধ্য হবেন না আপনি নিশ্চিত?
কিন্তু এ কেমন ধারা পূজা?
যেখানে এই বাংলার মাটিতেই একদিকে যখন কোটি কোটি টাকা খরচ করে দুর্গা পূজা হবে, তখন আরেকদিকে বেশ কিছু জায়গায় মুসলমানের বাধাদানের কারণে দুর্গা পূজা করাই যাবে না?
না – এ এমন নয় যে, একই পাড়ার মধ্যে পাঁচটা দুর্গাপূজা হচ্ছে, যেখানে একটির অনুমতি বাতিল করলেও তেমন কিছু যাবে আসবে না। যেখানকার কথা আজ আপনাদের বলতে চলেছি, তার তিন থেকে চার কিলোমিটারের মাঝে আগমনীর আগমন বার্তা নিয়ে কাশ ফুল হয়তো ফুটবে, কিন্তু হায়! কোন শারদীয়ার ঢাকের শব্দই আর শোনা যাবে না। ... আর যথারীতি দুর্ভাগ্যের সঙ্গে এই বাংলার প্রেশ্যা মিডিয়ার দলও সে বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারন করবে না!
এবারে বিষয়বস্তুতে নজর দেওয়া যাক।
হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ বীরভূম জেলার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া নলহাটি থানার কাংলাপাহাড়ি গ্রামের দিকে তাকিয়ে দেখুন। ৩০০টি হিন্দু পরিবারভুক্ত এই গ্রামের মানুষ গত তিন বছর ধরে দুর্গাপূজা করতে পারছেন না।
কারণ??
সেই গ্রামে বসবাসকারী মাত্র ২০ ঘর মুসলমানের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে মেরুদন্ডহীন রাজ্যপ্রশাসনের ক্ষমতা নেই যে, তারা হিন্দুদের পূজার অনুমতি প্রদান করেন! ভাবতেও অবাক লাগে, সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের পূজার জন্যে পারমিশন লাগে। অথচ ঐ গ্রামে মহামান্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মসজিদের মাইকে আজান হতে পারে, ঈদে গো-কুরবানি হতে পারে, কিন্তু সংবিধান সম্মত ভাবে কোন পূজা হতে পারে না!
এই আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতারস্বরূপ!
উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়, যখন এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, এই রাজ্যপ্রশাসন অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আজ মৌলবাদী ইসলামী শক্তির ‘জেহদি দাবী’র কাছে সম্পুর্ন ভাবে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে!
পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দোপাধ্যায় কি এইভাবে পশ্চিমবঙ্গের মৌলবাদী ইসলামীকরণের পথ প্রশস্ত করছেন না? এ কি পশ্চিমবাংলাকে ভবিষ্যতের ‘পশ্চিম বাংলাদেশে’ রূপান্তরেরই অনুষঙ্গ নয়?
আর তার চেয়েও যেটি সবচেয়ে চিন্তার বিষয় যে, এই অশনি সংকেত কি আম বাঙ্গালী হিন্দুর আসন্ন দুর্গাপূজার আনন্দে বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারবে? সে চরম স্ফুর্তিকালে, তাদের কি এই বিষয়টি নিয়ে ভাববার একটুও অবসর মিলবে?
http://www.dainikjugasa/nkha.in/indexnew.php
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 4 September 2015
কবিতা – খাঁটি বাংলাদেশী
কবিতা – খাঁটি বাংলাদেশী
(পুরোটা পড়বেন, তারপর শেয়ার বা কপি-পেস্ট করবেন)
আমরা বাংলাদেশী মোল্লার দল, আগে ছিলুম পাকিস্তানের ছাগল
একাত্তরে কেন যে মোদের স্বাধীন করাইলো ভারত, সর্বনাশী
আদতে মোরা অশিক্ষিত-নিরক্ষর-হাভাতে-দাস-দাসী
যতই পাত্তা না দিক, তাও আমরা ভালোবেসে চাটা চাটি….
সৌদি-পাকিস্তান-আইএস-মিশর-আল কায়দা-তালিবানেরআঁটি
আর সকাল বিকেল ভারতেরে ফেসবুকে গালি দেই
“রেন্ডিয়া-মালাউনের দেশ-চোর-লাথি মারায়া দিব ফাটি”
বাড়ি ফিরার সময় দোকানে বাজারে আতিপাতি খুঁজি
ইন্ডিয়া থেকে ভালো কোনো জিনিসপত্তর আইছে বুঝি
দেশের জিনিস পছন্দ নয় কারোর, আমার বা পরিবারের
এবারে ঈদে ডিমান্ড ইন্ডিয়ার কসমেটিকস-জামা-কাপড়ের
সন্ধ্যেতে স্টার জলসা-জি বাংলা, বলিউড-টলিউডের সিনেমা দেখি
সকালে আবার ফেসবুকে ভারতেরে “কুত্তার জাত- ফইন্নির দ্যাশ” লিখি
যখন মোর প্রয়োজন হয় পরিবারের কারোর ভালো চিকিৎসা করাবার,
অথবা পোলাপানের ইচ্ছা বেশী লেখা পড়ার, ভালো চাকরি পাবার
ভিসার অফিসে লাইনে দাঁড়ায়ে ভিসা নিতে হলো রুপি সব কাবার
ঢাকাতে নেইকো জান, তাই কোলকাতা চলো ফুফা-খালা-চাচা
নাহলে হায়দারাবাদ-চেন্নাই চলো, গিয়ে আগে আপন প্রাণ বাঁচা
আবার যখন ইচ্ছা হয় বেড়াতে যেতে দুরে কোথাও, ভালো কোনো দ্যাশ দেখার
এই পোড়াদ্যাশে আছে কি আর ক্ষেত-নদী-বন-মসজিদ আর এট্টুখানি সাগরপাড়
আমাদের স্বপ্নের জায়গা ইন্ডিয়া, তা সে ফ্যামিলি ট্যুর হোক বা হানিমুনে
কোলকাতা-দার্জিলিং-দিল্লী-আগরা-মুম্বই-গোয়া-কাশ্মীর বা রাজস্থানে
ফিরে এসে কিন্তু ফেসবুকে ইন্ডিয়ারে গালি দিয়ে দিতে হবে গুনে গুনে
মায়ানমার-থাইল্যান্ড-ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া-সৌদি কি আমীরাত
অবৈধ বাংলাদেশী বইলা সবাই তাড়ায় দেয়, মারে পাছায় লাথ
এহানে তো রোজগার নেই, গরু পাচার হচ্ছে দিনে একটি বা দুটি
বি এস এফ ও এখন বেজায় কড়া, ধরা পড়লে নড়িয়ে দিচ্ছে ঘেঁটি
তাও লুঙ্গি সামলে, লুকিয়ে কাঁটাতার ডিঙ্গায়ে, ইন্ডিয়া চলে যাই গুটি গুটি
ওখানে ঘুষ দেইয়া এক আধার কার্ড আর এক ভোটার কার্ড বানায়ে
হইয়া যাই পশ্চিমবঙ্গ বা অসম-বাসী, এবার দিল্লি-মুম্বই-বেঙ্গালুরু চলোহে
ইন্ডিয়া তাড়াবেনা, রোজগার আছে, খেয়ে পড়ে ওখানে ভালো করে বাঁচোহে
ওখানে যখন কেউ জিগায় কোথাকার লোক হে তুমি, বাড়ি কোথায় তোমার ?
বলে দেই "মালদা, মুর্শিদাবাদ, করিমগঞ্জ বা কাছাড়, নিয়ার বাংলাদেশ বর্ডার"
:vসংগৃহীত
দৈনিক যুগশঙ্খ
কলকাতা থেকে একটি নতুন পত্রিকা বের হয়েছে - "দৈনিক যুগশঙ্খ"। এটা সেকুলার নয়। সত্যি খবর দেয়। এই পত্রিকায় সাংবাদিকরা কাজ করেন, প্রেশ্যারা নয়। এই পত্রিকা পড়ুন এবং প্রচার করুন।....
আগামী কাল এই মাসের (আগস্ট) শেষ। .... প্রতিজ্ঞা করুন ... সব পেপার বয়কট করে আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকেই আপনার খবরের কাগজওয়ালাকে "দৈনিক যুগশঙ্খ" দেবার জন্যে নির্দেশ দেবেন।
কি ... আমার অনুরোধ রাখবেন তো? ... নইলে তফাতটা বুঝবেন কি ভাবে??
http://www.dainikjugasankha.in/
ইউরোপে দু'লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে বলছে জাতিসংঘ - BBC বাংলা
ইহা একটি ইহুদিদের ষড়যন্ত্র
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
লিখেছেনঃ সাইমুম (তারিখঃ শুক্রবার, ০৪/০৯/২০১৫ - ১৬:১২)
সিরিয়া ইরাক থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ মুমিন বান্দা বিপদ সংকুল সাগর মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কাফেরদের দেশে গিয়ে আশ্রয় নেয়ার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে। মধ্য প্রাচ্যের অত্যন্ত ধনী মুসলমান দেশগুলো তাদেরকে আশ্রয় দিচ্ছে না। ইহা একটা ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
সাগর পথে লিবিয়া, সিরিয়া থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ইউরোপের কাফেরদের দেশে শান্তির জীবনের আশায় পাড়ি দিচ্ছে , অনেকে ডুবে মারাও যাচ্ছে। শান্তির ধর্ম ইসলাম , তাদের মুসলমান দেশে কোন শান্তি স্থাপন করতে পারে নি। এটা নিশ্চয়ই ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
এইসব মুসলমানরা তাদের হৃদয়ের অন্ত:স্থলে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে সাথে নিয়ে যাচ্ছে , একবার কাফেরদের দেশে বসতে পারলেই তারা সেখানে মসজিদ বানানোর দাবী করবে , হালাল খাবারের দাবী করবে , শরিয়া আইনের দাবী তুলবে, যার ফলে সেসব কাফিদের দেশে শুরু হবে একটা অস্থিরতা , পরিনামে মারাত্মক দাঙ্গা হাঙ্গামা বেধে যাবে - যা নিশ্চিতভাবেই ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
যে সব লক্ষ লক্ষ মুসলমান আজকে নিজের ঘর বাড়ী ছেড়ে কাফেরদের দেশে আশ্রয় নিচ্ছে , তারা্ তাদের মনের মধ্যে এই বিশ্বাস নিয়ে সেখানে যাচ্ছে যে , এর জন্যে তাদের ধর্ম ইসলাম দায়ী নয় । শিয়া সুন্নি আদর্শের সংঘাতেই যে আজকে তারা নিজেরা নিজেরা মারামারি হানাহানি করে অত:পর প্রান বাচানোর জন্যে কাফেরদের দেশে আশ্রয় খুজছে , এর জন্যে ইসলাম কোনভাবেই দায়ী নয়, দায়ী হলো ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
এরা মূলত: এদের ধর্মীয় আদর্শের কারনে নিজেরা মারামারি হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে অত:পর সেটাকে প্র্রথমে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে, পরিশেষে মানবিতার দোহাই দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নেয়ার পায়তারা করছে আর ইউরোপীয়রা যে আসলে তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছে , সেটাও আসলে ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। তাই কোন মুসলমান জনগোষ্ঠি বিপদে পড়লে মুসলমানদেরকেই সর্বপ্রথমে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে হয়। কিন্তু ধনী মুসলমান দেশগুলো দেখা যাচ্ছে , এসব মুসলমানদের ব্যাপারে চুড়ান্ত রকম নিস্পৃহ , বরং সৌদির রাজ পরিবার বিদেশে গিয়ে আনন্দ ফুর্তিতে ব্যস্ত- বলা বাহুল্য এটার জন্যেও দায়ী ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
শালার দুনিয়ার সব কিছুর মূলে যেমন আমাদের আভ্যান্তরীন মারামারি , ধর্ম নিয়ে মারামারি , আদর্শ নিয়ে মারামারি খুনাখুনি ইত্যাদির জন্যে আসলে আমরা দায়ী নই , দায়ী ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।
আপনারা কি বলেন ? http://www.bbc.com/bengali/news/2015/09/150904_mrk_europe_migrant?ocid=socialflow_facebook
অলৌকিকভাবে বড় হচ্ছে শিবলিঙ্গ!
অলৌকিকভাবে বড় হচ্ছে শিবলিঙ্গ!
সনাতনধর্ম পৃথীবির সব চেয়ে প্রাচীন ধর্ম। সনাতনধর্ম অনুসারীদের কাছে শিবলিঙ্গ অত্যন্ত পূজনীয় একটি ধর্মীয় প্রতীক। সন্তান-সন্ততি ও সমৃদ্ধির আশায় এই লিঙ্গের পূজা করা হয়। কিন্তু ভারতের ছত্তিশগড় প্রদেশের ভূতেশ্বর নাথের শিবলিঙ্গ আক্ষরিক অর্থেই বড় হচ্ছে! এমন নিষ্প্রাণ শিলাখণ্ডের বছর বছর আড়েবহরে বৃদ্ধির কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছে না কেউ। জানা যাচ্ছে, ভূতেশ্বর শিবলিঙ্গ আড়েবহরে বাড়ছে, বাড়ছে উচ্চতাতেও। এখন যে লিঙ্গের উচ্চতা ১৮ ফুট, একসময় তা ছিল খুবই ক্ষুদ্র।
ছত্তিশগড় প্রদেশ রাজস্ব দপ্তরের রেকর্ড বলছে, প্রতি বছর দৈর্ঘ্যেই বাড়ছে ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি। সামঞ্জস্য রেখে বাড়ছে প্রস্থেও। ছত্তিশগড় প্রদেশ গড়িয়াবন্দ জেলার মারোদা গ্রামে সেখানেই এক জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে এই ভূতেশ্বরের লিঙ্গ। প্রতিবছর এখানে
তীর্থযাত্রীদের ভিড় লেগে থাকে। ভূতেশ্বরকে দর্শন করে, তারা নিয়ে যান গৌরীশঙ্কর রুদ্রাক্ষ। মনে
করা হয়, গৌরীশঙ্কর রুদ্রাক্ষেই রয়েছে শিব-পার্বতীর আশীর্বাদ। ছত্তিশগড় প্রদেশের মারোদা এই গ্রামে গেলে, ভূতেশ্বরকে নিয়ে অনেক গল্পও শোনা যায়। গ্রামবাসী বলেন, এখানকার যিনি জমিদার ছিলেন, তিনিই প্রথম এই লিঙ্গের দর্শন পান। প্রজারা সেই জমিদারকে বলেন, তারা সিংহের গর্জন শুনছেন। সেই
সিংহের খোঁজে জঙ্গলে ঢুকে জমিদার দেখেন, উঁচু ঢিপির মতো ফলক। চেষ্টা করেও সেই শিলাখণ্ড
সরাতে পারেননি। পরে, খেয়াল করেন, ক্রমশ মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে আসছে সেই শিলা। সেই থেকেই
শিবজ্ঞানে পূজা পায় ওই শিলা। ছত্তিশগড় প্রদেশে মারোদা
তীক্ষণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা , বা প্রবল যুক্তিভিত্তিক বাস্তববাদীতা গুন থাকলেই একজন মানুষ শিক্ষক হতে পারে
তীক্ষণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা , বা প্রবল যুক্তিভিত্তিক বাস্তববাদীতা গুন থাকলেই একজন মানুষ শিক্ষক হতে পারে। আর সমাজের ধারক ৩০০০ হিন্দু শিক্ষক যখন এক সংগে বসে, মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হবার কথা বলে , তখন বুঝতে হবে, এসমাজ জীবনে শিক্ষক তুমি আর কিছু অর্জন করতে পারো আর নাই পারো , তোমার আত্মা নৈতিক উন্নতি অর্জন করেছে ।
যেকোন সমস্যার কি একটাই সমাধান? মুসলিম হয়ে যাওয়া?
কিছু কাল আগে অব্দি দেখতাম কবির সুমনের মত কিছু হারামি, দুই বিয়ে চার বিয়ে করার ধান্ধায় ধর্মান্তরিত হতো!! ইদানীং দেখছি নতুন ট্রেন্ট শিক্ষকদের বেতন কমিয়ে ৫০০০ রূপি করেছে!! চল এর প্রতিবাদে ধর্মান্তরিত হই... দূস্কৃতিকারীরা জমি দখল করে নিচ্ছে,মেয়েদেরধর্ষণ করছে, প্রতিবাদে চল ধর্মান্তরিত হই। তাও আবার দিল্লির যন্তর মন্তরে গিয়ে ধর্মান্তরিত হতে হবে!!
এটাকে সরকারকে ব্লেকমেল করে দাবি আদায়ের কৌশলও ছাড়া কিছু না,পরবর্তিতে ওদেরকে আবার হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে নেওয়া হয় কিন্তু এতে হিন্দু ধর্মের কতটা ক্ষতি হয় সেটা কেউ ভেবেছো? হিন্দুদের একাজ বিভিন্ন মুসলিম দেশে বড় বড় নিউজ করে।হিন্দু ধর্মের ভিতটাকেই আঘাত করে।
মানুষ» ছানি রোগে আক্রান্ত হলে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলে, মানসিক রোগে আক্রন্ত হলে মানুষ হতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, অর্থাৎ পাগল হয়ে যায়। কিন্তু কোন সে রোগে যাতে আক্রান্ত হয়ে হিন্দুরা পঞ্চ ইন্দ্রীয় এক সাথে হারিয়ে ফেলছে!!!
দুনিয়া জুড়ে ইসলামী রাজত্ব কায়েম করার জন্য একদা অনেক যুদ্ধ হয়ে গেছে।
দুনিয়া জুড়ে ইসলামী রাজত্ব কায়েম করার জন্য একদা অনেক যুদ্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে মুসলিম জাতি যুদ্ধের দিক দিয়ে সবচেয়ে দুর্বল। বিধর্মীদের আবিষ্কার করা অস্ত্র কিনে তাদের জেহাদ করতে হয়। ফলে যুদ্ধ করে দুনিয়া দখলের আশা তাদের একেবারেই নেই।
কেউ যদি মনে করেন মুসলমানেরা বিজ্ঞানে এবং অস্ত্রের জোরে পিছিয়ে আছে বলেই তাদের দুনিয়া দখলের পরিকল্পনা বন্ধ আছে তবে সেটা মারাত্মক ভুল। গত পঞ্চাশ বছর ধরে ইসলামের যুদ্ধ চলছে অন্য এক পদ্ধতিতে। ঠিক যেভাবে বিধর্মীদের আবিষ্কার করা বোমা-বন্দুক দিয়ে বিধর্মী খতমের জেহাদ চলে ঠিক তেমনই বিধর্মীদের অন্যান্য অস্ত্রও তারা অতি সফলভাবে ইসলামের প্রসারে প্রয়োগ করে চলেছে। মানবতার ওভারডোজ খেয়ে নেশায় টাল হয়ে থাকা সুশীলেরা সেসব দেখলেও না বোঝার চেষ্টা করে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছেন।
অর্থ এবং অস্ত্রে আধুনিক বিশ্বের পরাশক্তি দেশগুলো সবই বিধর্মী-নাস্তিক
ের দেশ। সেগুলোকে যুদ্ধ করে দখল করা একেবারেই অসম্ভব। অথচ দুনিয়া জুড়ে ইসলামী সাম্রাজ্য গড়তে গেলে এই দেশগুলোকে দখল করা ছাড়া উপায় নেই। তাই ঐসব উন্নত দেশের অস্ত্রেই সেই দেশগুলোকে ঘায়েল করার পরিকল্পনা চলছে। সেই অস্ত্র হল গণতন্ত্র।
বহুদিন ধরেই পশ্চিমা দেশগুলোতে ইসলামী কলোনী বেড়ে চলেছে। এইসব খাঁটি মুসলমানেরা সেখানে গেড়ে বসে মসজিদ, মাদ্রাসা, বোরখা, আলখাল্লা, শরীয়া আইন ইত্যাদি বাড়িয়েই চলেছে। অথচ যেসব দেশে এইসব চালু আছে সেখানে তারা যেতেও চায় না, থাকতেও চায় না। ধর্মে পরিষ্কার নিষেধ থাকলেও কেন তারা কাফেরদের দেশে পড়ে থাকছে? তারা সেখানে কলোনী গড়ছে অন্তর্ঘাতের উদ্দেশ্যে। যেদিন ইসলামী জেহাদীরা বাইরে থেকে আক্রমণ করবে সেদিন দেশের ভিতর থেকে সাহায্য করবার জন্যই তারা কাফেরের দেশে পড়ে থেকে সংখ্যাবৃদ্ধি করে চলেছে।
এই মুসলমানেরা লন্ডনে থাকুক বা ওয়াশিংটনে থাকুক, তাদের মূল উদ্দেশ্য নিজের দেশটিকে বিশ্বব্যাপী ইসলামী খেলাফতের সঙ্গে যুক্ত করা। এরপর সেখানে শরীয়া কানুন চালু করে কাফেরদের সম্পত্তি লুট করে তাদের গোলাম বানিয়ে মৌজমস্তি করা। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবেই ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে মুসলমান রপ্তানি করা হয়। এই রপ্তানীর একটা প্রধান উপায় হচ্ছে রিফিউজি হিসাবে আশ্রয় নেওয়া। তারা সেখানে সংখ্যাবৃদ্ধি করে গণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা বাড়ায়, সরকারি দপ্তর থেকে পার্লামেন্ট পর্যন্ত ঢুকে পড়ে আর হজ-জাকাতের নামে সেদেশের অর্থনীতির কমিশন পাঠিয়ে চলে খেলাফতের মাস্টারমাইন্ডদের কাছে।
একটা কথা মাথায় রাখা উচিত। একজন কোরান ফলোয়ার মুসলমান যদি লাথি খেয়ে ইসলামী দেশ থেকে পালিয়ে আমেরিকাতেও বাস করে তবুও দিনশেষে সে ইসলামী সাম্রাজ্যবাদেরইদালালী করবে। নিতান্তই যদি সে নিজে ভালমানুষ হয়েও থাকে, তার বংশধরদের খাঁটি মুসলিম হিসাবে তৈরী করে দিয়ে যাবে আশ্রয়দাতা দেশেরই পিঠে ছুরি মারার জন্য।
মানবতার ওভারডোজ খাওয়া সুশীলেরা কেবল মাথা চুলকে চিন্তা করেন যে সৌদীর মত ধনী মুসলিম দেশগুলো কেন তাদের মুসলমান রিফিউজি ভাইদের আশ্রয় দেয় না। কেন এইসব রিফিউজিদের যেতে হয় কাফের-নাস্তিকেরদেশে! উত্তর খুবই পরিষ্কার। মুসলমান রিফিউজিকে মুসলমান দেশে আশ্রয় দেওয়া আর নিউক্যাসলে কয়লা পাঠানো সমান। এতে করে বিধর্মীদের দেশে মুসলমানের সংখ্যা বাড়ানোর কাজটা হয় না। উলটে ভিখারী খাওয়ানোতে ফালতু খরচ বেড়ে যায়। তার চেয়ে এইসব মুমিন বান্দাদের ইউরোপ-আমেরিকায় ঢুকিয়ে দিয়ে তারপর তাদের মগজ ধোলাইয়ের কাজে খরচ করলে অনেক সস্তায় বেশি কাজ হয়। এক জেনারেশনে না হলেও পরের জেনারেশনে হয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)