http://www.sanskritimagazine.com/indian-religions/hinduism/hindus-must-unite-or-face-extinction/
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 9 September 2015
ধার্মিক
আমি ধার্মিক নই। বরং ধর্ম নিষ্পৃহই বলতে পারেন। ফেসবুকে ইসলাম বিরোধিতার সূত্রে অনেকে আমায় বিরাট হিন্দু ভাবলেও আশাকরি এত দিনে বুঝে গেছেন যে অমাবস্যা-পূর্ণিমার খাদ্যাভ্যাস কিংবা ঠাকুর দেবতা নিয়ে আমার কোন ইন্টারেস্ট নেই।
ইসলাম বিরোধিতা আমার কাছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক একটা ইস্যু, কারণ ইসলাম আদতে ধর্ম না একটা সাম্রাজ্যবাদী রাজনৈতিক মতবাদ, সে ব্যপারে আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে।
জানি নিষ্ঠুর বলবেন, কিন্তু আয়লানের মৃতদেহ দেখে সুশীল সমাজের কান্না দেখে আমার/আমাদের হাসিই পেয়েছিল । কারণ মানবতা নামক সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিতে শিশুর মৃতদেহের থেকে সেলেবল আইটেম আর কিই বা থাকতে পারে?
অতএব লকগেট খুলল, হুড়হুড় করে শরণার্থীরা ঢুকলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এবং তারপর?
ইয়ে, গতকালই একটা খবর দেখলাম, অস্ট্রিয়াতে "শরণার্থী"-র দল হালাল খাবারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছেন।
বলেছিলাম না? গুড ভাইজান আর ব্যাড ভাইজানের তত্ত্ব? কিন্তু দিনের শেষে? এ ভাইজান উইল অলওয়েজ বি এ ভাইজান। ইনশাল্লাহ.....
প্রসঙ্গত - লড়াইটা ধর্ম যুদ্ধ নয়, লড়াইটা কিন্তু পুরোপুরি রাজনৈতিক.......
Hindus Must Unite or Face Extinction - Sanskriti - Indian Culture
http://www.sanskritimagazine.com/indian-religions/hinduism/hindus-must-unite-or-face-extinction/
দিকভ্রষ্ট হিন্দু জাতি
কি হবে দিকভ্রষ্ট হিন্দু জাতির?
সনাতন অর্থ চিরন্তন, যা ছিল আছে থাকবে।কিন্তু এখন চিন্তার বিষয় আসলেই কি থাকবে বা কত দিন থাকবে?এক সময় সনাতন ছাড়া কোন ধর্ম ছিল না ভাগ হলো ধর্ম সৃষ্টি হলো বৌদ্ধ,খ্রিষ্ট,ইসলাম,জৈন,শিখ প্রভৃতি।হিন্দুদের জাত বিভক্তির কারণে ও যারা নিজেদের উচ্চ জাত বলে দাবি করে তাদের কারণে আজও মুচি,ডোম,নাপিত শ্রেণীর লোকেরা ধর্ম পাল্টাচ্ছে।ফলে হিন্দুর সংখ্যাকমছেই।অত্যাচারের ফলে ধর্মান্তর,লাভজিহাদ,দারিদ্রতা ও ধর্ম পরিবর্তনের কারণ।নির্বোধ হিন্দু জাত শুধু বাগাডম্বর ও স্বার্থপর। সারা জীবন শুধু নিজের সুখের জন্য টাকা পয়সা জমায়,কখনো ধর্ম দেশ জাতি নিয়ে চিন্তা করে না।ধর্মের জন্য দানধ্যান একেবারেই অকল্পনীয়।শুধু ঠাকুরের সামনে দুটাকার বাতাসা চিনি কিনে দিয়ে ঠাকুর আমার ছেলেকে ডাক্তারি পাশ করে দিও,মেয়ের ভালো জামাই জুটিয়ে দিও,ব্যবসায় লাভ করিয়ে দিও ইত্যাদি লাখো বায়না।ভগবানকে ও এরা বোকা বানাতে চায়! সারা জীবন খাবে আর বাগান ভরে পায়খানা করা জাত।জীবনে ছুয়ে দেখেনা গীতা,রামায়ন,মহাভারত,বেদ,পুরাণ তবুও বলে সব ধর্ম সবান,সবাই সমান।চারদিকে কত হিন্দু নির্যাতিত,কষ্টেজীবন কাটাচ্ছে তার খবর রাখার সময় কই।অদুরদর্শি এই জাতের কারণে আজ হিন্দু প্রধান এলাকা ইন্দোনেশিয়া,কম্বোডিয়া ,আফগানস্থান,পাকিস্তান,বাংলাদেশআজ মুসলিমদের দখলে।ভারতের কিছু রাজ্য যেমন পশ্চিমবাংলা,আসাম,কাশ্মীর ,কেরালা মুসলিমদের দখলে।আবার ভারত বিভক্ত হবেভূখন্ড হারাবে হিন্দু বিস্তার হবে মুসলিম সম্রাজ্য।অনেক ভারতীয় হয়তো ভাবছে এটা অসম্ভব কিন্তু পাকিস্তান বিভক্তের সময়গান্ধী,নেহেরুর মত নেতারা এটা ভাবতেই পারছিল না কিন্তু মুসলিমরা ভারত ঠিকই বিভক্ত করেছে।আমাদের হিন্দুদের আবাস কমতে কমতে ছোট হয়ে আসছে।যখন সমস্ত এরিয়া মুসলিম শাসনে যাবে তখন সবভন্ডামী,সেকুলার,মুসলিম তোষন,ধর্মনিরপেক্ষতা সব বের হয়ে যাবে।অন্যদিকে হিন্দু পন্ডিতদের অবালের কাজকর্ম হিন্দু জাতি কে নির্বীর্য ধর্মহীন বিভক্ত জাতিতে পরিনত করেছে।গাজা মদ খৈনে বিড়ি যে জাতির নিত্য সাথী,এমনকি অনেকের মৃত্যু পথের সাথীও কিন্তু যার সাথী হওয়ার কথা ছিল গীতা।যে ব্যক্তি সারা জীবন গীতার বানী পড়ল না মৃত্যুর সময় বুকের উপর গীতা রাখলে স্বর্গে যাবে ভাবাটা কতটা যুক্তিযুক্ত।আমাদের আবার বুড়ো নাহলে ধর্মকর্ম করার বয়স হয়না অন্যদিকে তাকিয়ে দেখেন হাঁটা শিখলেই মসজিদে শিক্ষা নিচ্ছে কাফের বিধর্মীসংহার আর ঘৃনা করার মন্ত্র।হায়রে আমার হতভাগ্য স্বজাতি শিখছো শুধু মার খেতে,কাঁদতে,পলাতে,ধর্মান্তর হতে,নিজেরা বিবাদ করতে।কষ্ট লাগে যখন ভাবি ভগবান আমাদের কি বলেছে আর আমরা কি করছি।দল জাত পাত পরনিন্দায় যাদের দিন কাটে।যাদের জীবনে নেই একতা,নেইধর্মজ্ঞান,নেই জাতীয়তা,নেই রাজনৈতিক চিন্তা তারা এভাবেই শেষ হবে।অনেক কিছু লেখতে বলতে ইচ্ছা করে কিন্তু কে শুনছে কার কথা।তবে আমি চেষ্ঠা করবো আজীবন কারণ আমি ভালবাসি আমার সনাতন,আমি পড়েছি ভগবানের তেজদীপ্তবাণী,আমার মন কাঁদে অত্যাচারিত মাবোন ভাইয়ের জন্য।
खतरनाक IS के खिलाफ भारत से जारी हुआ सबसे बड़ा फतवा– IBN Khabar
http://khabar.ibnlive.com/news/desh/over-1000-indian-islamic-scholars-condemn-killing-of-innocents-by-isis-407181.html
মুসলমানরা সুখে নেই
মুসলমানরা সুখে নেই---------
মুসলমানরা ইরাকে সুখে নেই
মুসলমানরা আরবে সুখে নেই
মুসলমানেরা আফগানিস্তানেও সুখে নেই
মুসলমানেরা সিরিয়াতে সুখে নেই
মুসলমানেরা নাইজেরিয়াতে সুখে নেই
মুসলমানেরা প্যালেস্টাইনে সুখে নেই
মুসলমানেরা ইরানে সুখে নেই
মুসলমানেরা মরক্কোতে সুখে নেই
মুসলমানেরা আলজিরিয়াতে সুখে নেই
মুসলমানেরা লিবিয়াতেও সুখে নেই।
মুসলমানরা বাংলাদেশে সুখে নেই
মুসলমানরা পাকিস্তানে সুখে নেই
তাহলে মুসলমানেরা কোথায় সুখে আছে????
তারা আমেরিকায় সুখে আছে,
তারা ভারতে সুখে আছে,
তারা ইসরায়েলে সুখে আছে,
তারা ইংল্যান্ডে সুখে আছে,
তারা ব্রাজিলে সুখে আছে,
তারা জার্মানিতে সুখে আছে,
তারা আর্জেন্টিনায় সুখে আছে,
তারা নেদারল্যান্ডে সুখে আছে,
তারা কানাডায় সুখে আছে,
তারা ফ্রান্সে সুখে আছে,
তারা স্পেনে সুখে আছে
কিন্তু এসবের জন্য দায়ী করা, মুসলমানরা
তো ভাই ভাই।
ক্যাচড়া বস্তি
ক্যাচড়া বস্তির মধ্যে পাসাপাসি ঘেঁষাঘেঁষি করে এক কাঠা জমির উপর ৪-৫ টা ঘর। খেতে পাক না পাক প্রত্যেক দম্পতির ৭-৮ টা করে সন্তান এক একটা বাচ্চার ২-৩ টা করে আম্মা, আম্মি- কোনোটা আসল বোঝা মুসকিল। পিছনের কাপড় ফাটা, অথচ মুখে বোর্খা আর হিজাবটা ঠিক আছে মুখের উপরে, যেন কত লজ্জাবতী নারী। পরিবারের ছেলেগুলোর বেশিরভাগই পড়ালিখা ছেড়ে দিয়ে পাসের কোনো হিন্দু কাকুর চা দোকানে কাজ করে, কেউ বা কাজ করে কোনো হিন্দু দাদার গ্যারেজে। যে কয়েকটি ছেলেমেয়ে পড়াশুনা করে, তাদের বেশিরভাগ ই মাদ্রাসাতে পড়ে হয়ে যায় হিন্দু বিদ্বেষী, ধারনা হয় তাদের রক্তের রং সবুজ। কেউ কেউ আবার ভারত পাকিস্তানের খেলায় পাকিস্তান জিতলে চরম উল্লাসে লাফিয়ে ওঠে, বিজয় মিছিল বের করে।
সরকার সবসময় চেষ্টা করে যাতে এদের উন্নতি করা যায়, কিন্তু এই অবনত জাতি কখনোই নিজেদের উন্নতি করতে পারে না, কারণ তারা মেয়েদের শুধু দাসী/বাচ্চা পয়দা করার মেশিন ছাড়া কিছুই ভাবে না, আর ''হাম দো (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩,৪,৫), হামারে ২০'' -এই চিন্তাভাবনা নিয়ে এগিয়ে চলে। সরকার ভাতা দেয়, সাইকেল দেয়, স্কলারশিপ দেয়- তবু এদের কোনো উন্নতি হয় না, কারণ ''হাম দো, হামারে বিশ''. বেশ কিছু লোক নিয়োযিত হয় কোনো মেথরের কাজে, জুতো সারাইয়ের কাজে, কিংবা কোনো মিস্ত্রীর কাজে। কেউ কেউ আবার মস্তানি, গুন্ডামি, চুরি ছয়াঁচ্চড়ি করে অন্ধকার জগতে হারিয়ে যায়। এরা আর উন্নতি করতে পারে না। সরকারের সব চেষ্টা বিফলে যায়।
মাঝখান থেকে বাংলাদেশের কোনো আত্মীয় ফোন করে, বলে নাকি আজ ওরা ১৫০ হিন্দুর ঘরে আগুন লাগিয়েছে। হিন্দুরা ঘর ছেড়ে পালিয়েছে। শুনে এদের ঠোঁটের কোণে হাঁসি ফুটে ওঠে। আবার কিছুক্ষন পর খবরে দেখা যায়, isis ইরাকে ৭০০ বিধর্মীকে ক্রুশবিদ্ধ করে মেরেছে। শুনেই মনটা খুশিতে নেচে ওঠে এদের। ইস, ভারতেও যদি এরকম একটা জঙ্গিগোষ্ঠি থাকত, তাহলে সব হিন্দুদের তাড়ানো যেত, আর হিন্দুদের জমি জায়গা দখল করত। মুসলমানের মুখে আক্ষেপ শোনা যায়, ''ধুর ধুর!!!! ভারতে কি অত্যাচার হচ্ছে আমাদের উপর। পুরো ভারত টাই সাম্প্রদায়ীক হয়ে যাচ্ছে। ইস, যদি আমি পাকিস্তান অথবা বাংলাদেশে থাকতাম''. মুসলমানের মন দুঃখে ভরে যায়........ কোনো মুজাহিদ জিহাদী সংগঠনের খোঁজ করতে চলে যায়।
.... সংগৃহীত....
Subscribe to:
Posts (Atom)