Sunday, 13 September 2015

কাশ্মীরি পণ্ডিত

কাশ্মীরে পণ্ডিতরা ১৯৪১ সালের আদমসুমারিতে ছিলেন শ্রীনগর উপত্যকার জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ। ১৯৮১-তে সংখ্যাটি নেমে দাঁড়ায় ৫ শতাংশে। তখনও অনন্তনাগে ১৯৮৬- র পণ্ডিত-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়নি। পণ্ডিতদের পেটানো, তাঁদের মহিলাদের ধর্ষণ করা এবং ঘরবাড়ি ও মন্দির জ্বালিয়ে দেওয়া শুরু হয়নি। শুরু হয়নি উপত্যকা জুড়ে ১৯৯০-এর তীব্র, ব্যাপক পণ্ডিত-বিরোধী, ভারত- বিরোধী স্লোগান, মারধর, নির্যাতন। তবু বিদ্বেষের লক্ষণগুলো ফুটে উঠতে শুরু করেছে। অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে ভিন্দ্রানওয়ালের সশস্ত্র খলিস্তানি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানের ‘জবাবে’ শ্রীনগরের মুসলিমরা আমিরা কাদালের হনুমান মন্দিরে হামলা চালায়। ঝিলম নদীতে হনুমানের বিগ্রহ নিক্ষেপ করা হয়, পুরোহিতরা প্রহৃত হন। ইন্দিরা গাঁধী শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে নিহত হলে শ্রীনগরের রাস্তায়, বাজারে-হাটে, স্কুলে-কলেজে উত্সব পালিত হয়। তার ঠিক আগের বছরেই ইকবাল পার্কের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরার বক্তৃতার সময় একদম সামনের সারির দর্শকরা নিজেদের যৌনাঙ্গ উন্মুক্ত করে বসে থাকে। ১৯৮৩-র ১৩ অক্টোবর শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে দর্শকরা সারাক্ষণ ভারতীয় ক্রিকেট দলকে হতোদ্যম করতে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে যায় (খেলা হচ্ছিল যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে), বেঙ্গসরকরকে আধ-খাওয়া আপেল ছুঁড়ে মারে, গ্যালারিতে পাক পতাকা ওড়ায়। ’৮৬-র শারজায় অস্ট্রেলেশিয়া কাপের ফাইনালে চেতন শর্মার শেষ বলে জাভেদ মিয়াঁদাদের ছক্কা হাঁকানোর সঙ্গে-সঙ্গে গোটা শ্রীনগর উপত্যকা উত্সবে মেতে ওঠে। সেই থেকে প্রতি বছর ভারতের স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে শ্রীনগর ‘নিষ্প্রদীপ’ থাকে। বিশ্বের কোথাও কোনও খেলায় পাকিস্তান ভারতের কাছে হারলেই হিন্দু পণ্ডিতদের জানালার শার্সি খানখান করে আধলা ইট এসে ঘরের ভিতর আছড়ে পড়ে। এগুলো কোনও বানানো গল্প নয়। ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের অঙ্গরাজ্য জম্মু-কাশ্মীরেরশ্রীনগর উপত্যকায় একদা বসবাসকারী, তবে অধুনা উদ্বাস্তু কাশ্মীরি পণ্ডিতদের রক্তাক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তাঁদের ভিটে-ছাড়া করতে ভয়-দেখানো শুরু হয় ১৯৮৯ থেকে। হুমকি যে অসার নয়, তা প্রমাণ করতে একে-একে হত্যাকাণ্ড শুরু হয় টিক্কালাল টাপ্লু, ভূষণলাল রায়না, মোহন লাল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নীলকান্ত গঞ্জু...। প্রথমে রাতভর, তারপর দিনভর মিছিল- জমায়েত থেকে ‘নারায়ে তকদির আল্লা হো আকবর’ ধ্বনি উঠতে থাকে। পণ্ডিত মহল্লায় হামলার সময় নিকটবর্তী মসজিদের মাইকে আজানের ধ্বনি বহু গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে আর্তনাদ বাইরে শোনা না যায়। ‘হাম ক্যা চাহতে: আজাদি’ কিংবা ‘অ্যায় জালিমো, অ্যায় কাফিরোঁ, কাশ্মীর হমারা ছোড় দো’ স্লোগান ১৯৯০-এর মধ্যেই সাড়ে তিন লক্ষ পণ্ডিতকে কাশ্মীর উপত্যকার ভদ্রাসন ছেড়ে শরণার্থী হতে বাধ্য করে। দিল্লি থেকে জগমোহনকে রাজ্যপাল করে পাঠানো হয়। কিন্তু তত দিনে শুরু হয়ে গেছে দু’হাজার বছরেরও বেশি কালের স্বদেশ থেকে পণ্ডিতদের নির্বাসন। তারপর তা চলতেই থাকে। ১৯৯৭-এর মার্চ মাসে সংগ্রামপুরা গ্রামে ৭ জন পণ্ডিতকে বাড়ি থেকে বার করে হত্যা করা হল। ’৯৮-এর জানুয়ারিতে ওয়ান্ধামা গ্রামে শিশু ও নারী সহ ২৩ জন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে বিনা প্ররোচনায় ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়। ২০০৩-এর মার্চে নদীমার্গ গ্রামে আবার ২৪ জন পণ্ডিতের নৃশংস গণহত্যা। কাশ্মীর উপত্যকা এ ভাবেই পণ্ডিতমুক্ত হতে থাকে। পণ্ডিত পরিবারগুলি উদ্বাস্তু হয়ে জম্মুর শিবিরে তাঁবুতে আশ্রয় নেয়। জম্মুর তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করতে-করতে ওই তাঁবুতে কিংবা এক কামরার অপরিচ্ছন্ন বস্তিতে কোনও মতে সংসার, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, বয়স্কদের চিকিত্সা ও সকলের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা, সরকারের কাছ থেকে রেশনে চাল-গমের ডোল নিয়ে ক্ষুণ্ণিবৃত্তি।যাঁদের উঠোনে ফলবতী আপেলের বাগান ছিল, ঘরে ছিল দেওদার কাঠের বহুমূল্য আসবাব, জম্মুতে তাঁদেরই চরম অসম্মানের গ্লানি নিয়ে জীবন কাটাতে হয়। সমধর্মী হিন্দুরাও শরণার্থীদের ‘উটকো আপদ’ বলেই গণ্য করে, তাদের মেয়েদের মনে করে সহজলভ্য, সস্তা পণ্য। দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে এবং উপত্যকায় তাদের ফেরার সম্ভাবনা কমে আসায় উত্ফুল্ল মুসলিমরা শ্রীনগরের অভিজাত এলাকায় তাদের বসতবাড়ি, বাগান জলের দরে কিনে নিতে জম্মুতে দালাল পাঠাতে থাকে। যে মধ্যবয়স্ক দালালরা জম্মুতে টোপ নিয়ে হাজির হয়, দেখা যায়, তাদের ছেলেরাই উপত্যকায় হিজবুল মুজাহিদিনের এরিয়া-কমান্ডার। কাশ্মীরিদের তথাকথিত স্বাধীনতা- সংগ্রাম কি তা হলে ভূস্বর্গ থেকে আদি বাসিন্দাদের বিতাড়িত করে বহিরাগতদের দখল নেওয়ার অভিযান? কাশ্মীরি পণ্ডিতদের স্বদেশ হারানোরই উপাখ্যান— আওয়ার মুন হ্যাজ ব্লাড ক্লটস। আমাদের সকলের চোখের সামনে গত দু-তিন দশক ধরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে চলেছে। কিন্তু আমরা (যারা অবশিষ্ট ভারতের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর সংখ্যাগরিষ্ঠের ও রাষ্ট্রের বঞ্চনা ও নিপীড়ন নিয়ে এত মুখর, তারাই, কী আশ্চর্য) কাশ্মীর উপত্যকার ধর্মীয় সংখ্যালঘু পণ্ডিত পরিবারগুলির উপর সেখানকার ধর্মীয় সংখ্যাগুরুদের চালানো হত্যা-ধর্ষণ-ধর্ মান্তর অভিযান বিষয়ে অদ্ভুত মৌনী। যেন আমরা দেখতেই পাচ্ছি না যে, ঘটনাটা ঘটে চলেছে। আর আমরা, অর্থাত্ ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মানুষরা যেটা দেখতে পাচ্ছি না, সেটা তো নিশ্চয় ঘটছেও না। বরং কট্টরপন্থী হুরিয়ত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি যখন নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে উদ্বাস্তু- করে-দেওয়া পণ্ডিতদের উপত্যকায় ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন, তখন দিব্যি তাঁর সেই আশ্বাসে ভরসা রাখছি, তাকে প্রতারণামূলক মনে করছি না। কারণ ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের শিখিয়েছে সংখ্যালঘুর ধর্মান্ধতা ও জেহাদি মতাদর্শের মধ্যেও সমন্বয় ও সংশ্লেষের সুর খুঁজে পেতে। তাই পণ্ডিত পরিবারগুলি যখন বিএসএফ-এর ক্যাম্প না-থাকলে দিনের বেলাতেও ঘরের বাইরে বেরতে চাইছেন না, আমরা তখন ‘কেন ওই ক্যাম্প এখনও তুলে নেওয়া হচ্ছে না’, তাই নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করছি, পণ্ডিত-তাড়ানো জেহাদিদের মানবাধিকার রক্ষায় মড়াকান্নাও কেঁদে মরছি। রাহুল পণ্ডিতা নিজে সপরিবার উপত্যকা থেকে উচ্ছেদ হয়েছেন।

একমাত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ৩৭০ ধারার উচ্ছেদ করে কাশ্মীরের পূর্ণ ভারতভুক্তি চেয়েছিলেন।

একমাত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ৩৭০ ধারার উচ্ছেদ করে কাশ্মীরের পূর্ণ ভারতভুক্তি চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষতারনামধারী নেতারা অর্ধেক কাশ্মীর পাকিস্তানকে দিয়ে বাকিটা প্রায় পাকিস্তান বানিয়ে রেখেছে। কাশ্মীর তথা ভারতের অর্ধেক দিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও আবার সেই একই পরিস্থিতি। নিয়ন্ত্রনহীন কাশ্মীর পুরোটাই চলে যেতে পারে পাকিস্তানে, বলতে গেলে এখন বিভিন্ন উগ্রপন্থীরা ভারতীয় কাশ্মীরকে চালাচ্ছে। দেশজুড়ে অসংখ্য মিনি পাকিস্তান আর বিদেশী অর্থপুষ্ট দেশদ্রোহীরা সেখান থেকে অপারেট করছে। ভারত আবার খন্ডিত হওয়ার আশঙ্কা মাথাচারা দিয়েছে। এ জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ুন হিন্দুত্ব আন্দোলনে। রাজনৈতিক দলগুলোর অতিরিক্ত সংখ্যালঘু তোষনের ফলেই মুসলিমরা এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। 1986 তে ভারতীয় মুসলমান প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কট করেছে। সরকারী চাকরিতে মুসলমান ও খৃষ্টানদের সংরক্ষন চালু। বেআইনীভাবী সরকারী জমি দখল করে রাজাবাজার-পার্কসার্কাসে প্রচুর বাড়ী আর মসজিদ তৈরী করছে। দিল্লীর শাহী ইমাম ও কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বুখারী বলছে তারা এদেশের আইন-কানুন মানে না। পার্লামেন্টে আগুন ধরিয়ে দেবে ইত্যাদি ইত্যাদি উত্তেজিত বক্তৃতা দিয়ে দাঙ্গা করাচ্ছে মীরাট, গুজরাট, দেগঙ্গা, নদিয়া, 24 পরগনা, আলিগড়, মউতে, অসম, হায়দ্রাবাদ ইত্যাদি। ________________________________________________ ভারত পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ হলে... পাকিস্তান জিতলে পটকা ফাটায়, হকি, জিতলে মুসলিম মহল্লা টিভিতে মালা দেয়। খিদিরপুর, এন্টালীতে মিছিল বের হয় ব্যান্ড সহযোগে। ফুটবলে মহামেডান স্পোর্টিং জিতলে আল্লা-হু আকবর ধ্বনি দেয় ও এসবের একটাই অর্থ তাদের অনুগত্য দেশের উর্ধে স্বজাতির প্রতি... আর সেটা পাকিস্তানও হতে পারে আবার আরব দেশও হতে পারে। লখনউয়ের মুসলমানরা আবার শিয়া-সুন্নিতে বিভক্ত। বাড়ি বাড়ি আছে খোমেইনি ও লাদেনের ছবি। তারা আরব ও ইরানের সমর্থকে ভাগাভাগি। মুসলিম পাড়ায় তাই নিজেদের মধ্যে প্রানঘাতী সংঘাত হয়, বিশেষতঃ মহরমের দিন প্রতি বছর প্রায় নিয়ম করে দাঙ্গা তো আছেই। প্রশ্ন ওঠে যে ভারতে তাহলে ভারতপন্থী মুসলমান কয়জন? স্বাভাবিকভাবে গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতীয় সংবিধানের এই তিনটি আদর্শই সম্পূর্ণ হিন্দু সংখ্যাগুরুর উপরই নির্ভরশীল। ভারতের যে সকল অঞ্চলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু, সেখানে এইসব অচল যেমন আসাম, কাশ্মীর, পশ্চিমবঙ্গের কিছু কিছু অঞ্চল বা উত্তরপূর্ব ভারত। কাশ্মীরে ভারত সরকার একটাকা কেজি চাল ও দুটাকা কেজি চিনি খাইয়ে এবং ডাক্তারী, ইঞ্জিনিয়ারিং, এম এ পর্যন্ত বিনে পয়সায় পড়িয়েও সেখানের সংখ্যাগুরু মুসলমানের মন পেতে ব্যর্থ। অনেক বেশী দরিদ্র বিহার বা ঝাড়খন্ডে কিন্তু এসব সমস্যা নেই তারা হিন্দু প্রধান হওয়ায়। দেশভাগের দাঙ্গায় যে দেড় লক্ষ হিন্দু-শিখ পাকিস্তান থেকে পালিয়ে ভারতীয় কাশ্মীরে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের এখনো সেখানের রাজ্য সরকার অমুসলমান হওয়ার অপরাধে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেয় নি ! আব্দুল্লার আমলে কাশ্মীরে একটা আইন হয় যে ১৯৪৭-৪৮ এ স্বেচ্ছায় পাকিস্তানে চলে যাওয়া মুসলমানদের জমি-সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া হবে যেখানে বাংলাদেশে হিন্দুর বাধ্য হয়ে ফেলে যাওয়া সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি আইনের মাধ্যমে সরকার সেসব সংখ্যাগুরু মুসলমানকে বন্টন করে দিয়েছে। দেশদ্রোহিতার অপরাধে এগারো বছর জেলখাটা ফারুখের পিতা শেখ আব্দুল্লাকে কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী করা হয় ও পুরষ্কার স্বরূপ শ্যামাপ্রসাদকে শ্রীনগরের জেলে বিষ খাইয়ে খুন করে, কারন তাঁর অপরাধ কাশ্মীরকে সম্পূর্ণ ভারতভুক্তির দাবী করেছিলেন। মুসলিম সেখানে সংখ্যাগুরু বলেই মুসলিমদের ভোটে ফারুখের পর মুখ্যমন্ত্রী হয় তার পুত্র ওমর আব্দুল্লা। 1990 এ কাশ্মীরে 5 লক্ষ হিন্দুকে খুন, জখম করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ....যারা আর কখনো নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারবে বলেও আশা করা যায় না। বর্তমানে দিল্লী-জম্মুর উদ্বাস্তু শিবিরে কাশ্মীরের হিন্দুরা পচে মরছে। রাষ্ট্রসংঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সমীক্ষায় হিসেব কষে দেখিয়েছে যে ভারতে ব্যাপক বাংলাদেশী (ও কিছু পাকিস্তানি) মুসলিম অনুপ্রবেশ ও ভারতীয় মুসলিমদের অনিয়ন্ত্রিত জন্মহারের ফলে ২০৩০ খৃষ্টাব্দের মধ্যে মুসলমান ভারতে সংখ্যাগুরু হয়ে যাবে। তখন আমাদের অবস্থা যে কাশ্মীরের হিন্দুদের থেকেও খারাপ হবে না সেটা কে বলতে পারে !! হিন্দুদের বিপুল সংখ্যায় গনধর্মান্তরিত করার জন্য আরব থেকে কোটি কোটির রিয়াল আসছে যা দিয়ে প্রথমেই আমাদের বুদ্ধিজীবী ও সংবাদমাধ্যমকে কিনে ফেলার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। একথা ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর স্বীকার করছে কিন্তু হিন্দু এখনও এক না হওয়ায় সে অনৈক্যের সুযোগ নিয়ে মুসলমান ভোটের লোভে রাজনৈতিক নেতারা চুপচাপ আছে। হাজার হাজার বছরের প্রাচীন মীনাক্ষীপুরমে মাত্র 8/9শ হিন্দু মুসলমান হয়ে যাওয়ার সঙ্গেই সেখানের নাম হয়েছে রহমতনগর। মনে এখন একটাই প্রশ্ন জাগে যে হিন্দু সংখ্যালঘু হলে ভারত কি আর অখণ্ড ভারত থাকবে?? অহিন্দু দেশভক্ত এবং ভারতপ্রেমীরাও তাই সাবধান! কিছুদিন পূর্বে রামকৃষ্ণ মিশনের একটি সম্মেলন হয়েছিল বেলুড়ে সর্বধর্ম সমন্বয় নিয়ে। সেখানে গুরুগম্ভীর আলোচনা হল কি করে এ মহৎ কাজ করা যায় ?? ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে একসময় পোপের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত হওয়া খৃষ্টানরা আসাম, মনিপুর, ত্রিপুরায় শয়ে শয়ে হিন্দুকে খুন করেছে। হিন্দুত্বের সম্পূর্ণতা, শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে কোন ধারনাই না থাকায় আমরা শত্রু-মিত্র, ভাল-মন্দ, জয়-পরাজয় চেনার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। হিন্দু ছাড়া জগতে কেউ কোথাও যত মত তত পথের কথা বলে না, তবে এসবের জন্য আগেতো হিন্দু সংখ্যাগুরু জনগন চাই, হিন্দুভূমির দরকার তা আমরা ভুলে বসেছি। বিদেশী খৃষ্টান রাষ্ট্র, মুসলমান রাষ্ট্র থেকে কর্মী আর অঢেল অর্থ এখানে আসে কোন সাহসে? সবাই জেনে গেছে নিজেদের উদার, সবজান্তা মনে করা হিন্দুরা এখন উদাসীন, শিথিল, ক্রয়যোগ্য হয়ে পড়েছে।

Friday, 11 September 2015

হিন্দুধর্মের সামনে ঝুকতে হল ধর্মনিরপেক্ষ আদেশকে

**[[হিন্দুধর্মের সামনে ঝুকতে হল ধর্মনিরপেক্ষ আদেশকে]]** আজ মহারাষ্ট্র সরকারের হিন্দুদের আঘাতকারী একটা আদেশকে কঠোরভাবে খারিজ করে দিল মুম্বাই হাইকোর্ট।মহারাষ্ট্র সরকার কথিত জৈন ধর্মের অনুসারীদের পারয়ুশন অনুষ্ঠানের জন্য সারা মুম্বাইতে চারদিনব্যাপী মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।জৈনধর্মের অনুসারীরা সুকৌশলে সরকারের ওপর চাপ দিয়ে চারদিনের মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করিয়ে তাদের কথিত ধর্ম আমাদের হিন্দুদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছিল।শিবসেনা,মহারাষ্ট্র নবনির্মান সেনা ও বিজেপিরও কিছু নেতা হিন্দুদের অন্য ধর্ম পালনে জোর দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করতে থাকে।শিবসেনা তার সামনা পত্রিকা থেকে জৈনদের পরিষ্কার করে বলে দেয় যে জৈনরা যেন হিন্দুদের ভদ্রতাকে দুর্বলতা না ভাবে।তারা যেন মুসলমানদের মতো হিন্দুদের ওপর দাদাগিরি করার কথা মাথায়ও না আনে।শেষপর্যন্ত আজকে হাইকোর্ট সরকারের এই আদেশের বিরোধিতা করে আদেশকে খারিজ করে নিতে বলে আর নিষেধাজ্ঞা শুধু দু'দিন(১৩ ও ১৮ই সেপ্টেম্বর) রাখতে বলে।আর অবশেষে হিন্দুদের সংঘবদ্ধ তীব্র বিরোধ ও হাইকোর্টের আদেশের পর সরকার নিষেধাজ্ঞা মাত্র দুইদিনে নামিয়ে আনে।সংঘবদ্ধ হিন্দুদের সামনে জৈন ধর্মঅনুসারীদের চক্রান্ত হেরে গেল এভাবেই আজ।আর এভাবেই একদির সারা সেকুলার ভারত হিন্দুধর্মের সামনে ঝুকতে বাধ্য হবে।গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কংগ্রেস দলের সরকার ১৯৯৪ এ হিন্দুদের ওপর জৈনদের কথিত ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে অর্থাৎ কংগ্রেসই প্রথম দুদিনের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিল যা হয়ে আসছিল। ‪#‎ জয়_শ্রী_রাম‬ ‪#‎ ভারতমাতার_জয়‬ ‪#‎ প্রত্যেক_হিন্দু র_জয়‬ ‪#‎ RSS

লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে গণধর্ষণ,ঝালকাঠি জেলা যুবলীগ নেতার ছেলের কাণ্ডAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladesh-online

http://amarbangladesh-online.com/%E0%A6%B2%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97/#.VfL0-F2t-o9

পশ্চিমবঙ্গ বঙ্গের তৃনমুল কংগ্রেস সর্বকালের সেরা মুসলিম তোষন কারি দল..

পশ্চিমবঙ্গ বঙ্গের তৃনমুল কংগ্রেস সর্বকালের সেরা মুসলিম তোষন কারি দল...এই দল আর পাঁচ বছর রাজত্ব করলে এখানকার পরিস্থিতিও বাংলাদেশের মত হবে বা এই রাজ্য বাংলাদেশের সাথেও যুক্ত হতে পারে...টিএমসি মোল্লাদের খুশি করার জন্য যা ইচ্ছে তাই করছে...পৃথিবীতেবাংলাদেশী মুসলমানদের নিরাপদ স্হান এই রাজ্য...টাকা খরচা করলেই দালালেরা কয়েক দিনের মধ্যে রেশন কার্ড ...ভোটার কার্ড বানিয়ে দিচ্ছে...ধীরে ধীরে ওদের জনসংখ্যা 38% এ চলে এসেছে...45%হলেইওরা নির্ভয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়াবে বা হয়তো দুয়েক যাগায় হয়েও গেছে...এর মধ্যে জামাতেরা কলকাতার বুকে শক্ত ভিটিও তৈরী করে ফেলেছে...মাদ্রাসা গুলোতে জোর কদমে চলছে জঙ্গি বা জেহাদী কার্যকলাপ....লাভ জেহাদ ও ভূমি জেহাদ এই রাজ্যের অলিগলিতে ছড়িয়ে গেছে...জাল নোট এর রমরমা ব্যবসা চলছে...গরুপাচারে এইরাজ্য দেশের ভিতরে প্রথম...নানা রকম হিন্দু বিরোধী কিতাপ বাংলাদেশ থেকে এই রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে....যেখানেসেখানে মজজিদ গড়ে ওঠছে....আফগানিস্তানী...পাকিস্তানী...আরবীয়ান লোকের মুখ কোলকাতার বুকে সর্বদাই নজরে পরছে...তবুও বাংগালে হিন্দুরা এখনও নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে...শুধুমোদীর বিরোধিতা করার সময় জেগে ওটছে...শাসক দলের হিন্দু নেতারা গরুর মাংসের স্বাদ পেয়ে মোল্লাদের মাথায় নিয়ে ঘুরছে...মমতা বেগম আইসিসের যৌনদাসী হওয়ার জন্যে তৈরী হয়েই আছে...সিপিএম তো মোদী ভূত ছাড়া কিছুই দেখছে না....বুদ্ধিজীবিরাও বিজেপি কে আটকানোর জন্যে দরকার পড়লে রাস্তায় নামতেও রাজি...

বাঙ্গালিরা ধর্ম নিরপেক্ষ(secular) নই আমরা হিন্দু

বাঙ্গালিরা ধর্ম নিরপেক্ষ(secular) নই আমরা হিন্দু। নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে মাত্র, এর মধ্যে শুরু হয়ে গেছে হিন্দু বাড়িতে হামলা, জালাও পোড়াও ঘটনা । সমুদ্র গড় উস্তিতে already মন্দির , ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা , আগুন, লুঠত রাজ করা হয়েছে । কারা করেছে সেই প্রশ্ন করবেন না, তৃণমুল কংগ্রেস বলবে সি পি এম করেছে, সি পি এম বলবে কংগ্রেস করেছে, আর বাকি বাম ডান পুর্ব পশ্চিম , কবির সুমন মহাশ্বেতা দেবীরা ও যার যার শত্রুর উপর দোষ চাপাবে। প্রশ্ন করতে চাই কেনো এমন টা করছে ? নিজের মুসলিম তোষণ কে শ্রেষ্ঠ আসনে পৌছিয়ে দেবার জন্য হিন্দুর ভিটে মাটি টুকু গ্রাস করে নেবার জন্য ? নাকি পেশি শক্তি প্রদর্শনের জন্য ? কি লাভ হয়েছে? মুসলমানেরা বলবে তোদের ভগবানের তো দিলাম লাথি দিয়ে ভেঙ্গে , কৈ তোদের ভগবান তো পারলনা আমাদের হাত দুটো কে মোচর দিয়ে ভাঙ্গতে , আমি বলবো কথাটা সত্যই বলেছন , । মাটির মুর্তিতো ভগবান না , মাটির দেবতা আসলে পুতুল , আসল ভগবান থাকেন আমাদের হৃদয়ে পারলে ভাঙ্গন আমাদের হৃদয়ের দেবতা কে এই গুলো করে কি কারুর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জিত হয়েছ কখনো? আমার হিন্দু ভাই বন্ধুরা কেউ কি আছো প্রতিবাদ করার ? মমতা বন্দোপাধ্যায় কৈ গেলেন ? সুর্যকান্ত মিশ্র কৈ গেলেন ? আপনার ঘরে দেবী স্বরস্বতীর মুর্তি শোভা পায়? পারলে সেই মুর্তি ভাঙ্গন নইলে গলায় গামছা দিয়ে নিপিরিতো পদদলিতো হিন্দুর কাছে ক্ষমা চান । দেবী স্বরস্বতীর মুর্তি আপনার জন্য নয় । ধীক আপনাদের বিঞ্জতাকে , ধিক আপনাদের অতীবিদ্যা কে। মাননিয়া মুখ্য মন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা সুর্যকান্ত মিশ্র আপনারা উঠতে বসতে বলেন রাজ্যে হিন্দু নির্যাতন নেই । তাহলে দুদিন পর পর কেনো শুধু হিন্দুর বাড়িতে আগুন লাগে। মন্দির গুলো ভাংচুর হয়। কেনো? কেনো? কেনো ? পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা কি মুসলমানের থেকেও অধম হয়ে গেলো? হিন্দুরা কি আপনাদের ভোট দেয়না? ঘাস ফুলের বা তারা হাতুড়ির কাস্তের পক্ষে শ্লোগান দেয়না? বাংলার উন্নয়নে নিজেকে সামীল করেনা? রাজ্যের দু সময়ে কাদেনা? পশ্চিম বঙ্গের সুনাম অর্জনে কোনো ভুমিকা রাখেনা? তবে কেনো হিন্দুদের সাথে এমন বৈমাতৃয় ভাই সুলভ আচরণ করা হবে? আমার বিবেকবান , মানবতা বাদী হিন্দুত্ব বাদী ভাই বন্ধুদের সাথে নিয়ে আরো বলি পশ্চিম বঙ্গের হিন্দুরা মাতৃভুমি ছেড়ে আর কোথাও যাবেনা পশ্চিমবঙ্গে থাকবো, সরকারি কোষাগারে টেক্স দিয়ে যাবো, সবার সাথে কাধ রাজ্য কে উন্নতির পথে নিয়ে যাবো, আমরা এক সাথে স্বাধীনতা দিবস পালন করবো। পশ্চিম বঙ্গ মুসলিম বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পৈতৃক সম্পত্তি নয় । বিবেকানন্দ বা শ্যামা প্রসাদ পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জন্মে ছিলেন, স্বামী অসীমা নন্দ জয়রাম বাটিতে বসে ধর্ম প্রচার করেছিলেন। কাজেই রাজ্যটা আমার আমাদের এবং সর্বপরি সকল হিন্দুর। আবার ও মনে করিয়ে দিই বাঙ্গালিরা ধর্মনিরপেক্ষ (secular) নই, আমরা হিন্দু।

'মুহাম্মদ' সিনেমায় সংগীত দিয়ে বিপাকে রহমান - bdnews24.com

http://bangla.bdnews24.com/glitz/article1023972.bdnews