ওরে বাবা ..... তাই নাকি? .... এই ব্যাপার ?? অনেক হিন্দুকেই দেখি, কেরামতি মেরে মুসলমান দের সঙ্গে দেখা হলেই ..... আগ বাড়িয়ে হাত মাথায় ঠেকিয়ে মুসলমান রীতিতে সম্বোধন করেন...."সালাম আলেকুম"।
তারাও দেঁতো হাঁসি হেঁসে বলেন ... "ওয়ালেকুম সালাম"। .... তাই তো? ঠিক বলছি কিনা? কিন্তু একটা মজার বিষয় ... আজ আপনাদের জানিয়ে রাখি। যে সমস্থ মুসলমান .... অমুসলমান সম্প্রদায়কে "ওয়ালেকুম সালাম" বলে প্রতি-সম্ভাষণ করেন, তারা হয় না জেনে এটি করেন নতুবা .... মুখে এই কথা বললেও অন্তরে বলেন ... "ওয়া আলাইকুম"। এর মানেটা শুনলে আঁতকে উঠবেন, ....
কি জানেন? ... " তোমার মৃত্যু হউক"! হ্যাঁ .... বন্ধুরা, আমি এক বর্ণও মিথ্যে বলছি না। মুসলমান ছাড়া আর কারও সালামের প্রত্যুত্তরে "ওয়ালেকুম সালাম" বলা চলে না।
.....তাহলে কোন অমুসলমান সালাম দিলে তার উত্তরে কি বলা উচিৎ? হাদিস অনুসারে .....
প্রথমতঃ কাফের বা অবিশ্বাসীকে অর্থাৎ অমুসলিমদেরকে (হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান,.... ইহুদি ইত্যাদি সে যেই হোক না কেন) কিছুতেই প্রথমে 'সালাম' দেয়া যাবে না। আর দ্বিতীয়তঃ নিতান্তই যদি কোন কাফের বা মুশারিক, কোন মুসলিমকে প্রথমে সালাম দেয়, তার উত্তরে কেবল ওয়া আলাইকুম বলতে হবে। .... অর্থাৎ তার উত্তরে সেই মুসলমানের বলা উচিৎ ... "ওয়া আলাইকুম"। .... অর্থাৎ ... "তোমার মৃত্যু হউক"। বাঃ ..... এই না হলে শিক্ষা ! ছিঃ ছিঃ (হাওয়ালা : তিরমিযী শরীফ, ২ : ৯৯/ফাতাওয়া আলমগীরী, ৫ : ৩২৫)
[ রাসূল স. বলেন, ﻡﻼﺴﻟﺎﺑ ﻯﺭﺎﺼﻨﻟﺍﻭ ﺩﻮﻬﻴﻟﺍ ﺍﻭﺅﺪﺒﺗ ﻻ “তোমরা ইয়াহুদী-নাসারাদেরকে প্রথমে সালাম দিবে না।” -তিরমিযী অন্যত্র তিনি বলেন, ﻢﻜﻴﻠﻋﻭ :ﺍﻮﻟﻮﻘﻓ ﺏﺎﺘﻜﻟﺍ ﻞﻫﺃ ﻢﻜﻴﻠﻋ ﻢﻠﺳ ﺍﺫﺇ আহলুল কিতাবদের কেউ যদি তোমাদের সালাম দেয়, তাহলে তোমরা বলবে, ‘ওয়া আলাইকুম’। (‘ওয়া আলাইকুম আসসালাম’ নয়)। (বুখারী ও মুসলিম)] ....... জনস্বার্থে সেকুলার কাফেরদের উদ্দেশ্যে প্রচারিত.......
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 1 October 2015
বর্তমান মুসলিমদের পূর্বপুরুষ হিন্দু ছিল
Chandon Chowdhury
জয় শ্রীরাম। আমার এতদিনের গবেষণা তাহলে সফল। আমি বিভিন্ন লেখকের প্রচুর বই পড়ে এটা নিশ্চিত ছিলাম যে বর্তমান মুসলিমদের পূর্বপুরুষ হিন্দু ছিল। ঘটনাক্রমে তারা মুসলমান হয়েছে। এছাড়া আরেকটা ধারনা আমার মধ্যে বদ্ধমূল ছিল যে, গায়ে হলুদের সিস্টেম মুসলমানরা কেন পালন করে ? কারন হাজার বছরের পালিত স্বভাব এক ঝটকায় চলে যায় না। আর মুসলিম ও হিন্দুদের চেহারাছবি, কাঠামো, এটিচিউড সবই একরকম। সুতরাং তারা কেন ভিন্ন জাতি হবে ? তারা আমাদেরই স্বজাতি আর্য জাতি, পূর্বপুরুষদের দুর্বলতা ও বুদ্ধিহীনতার কারনে তারা আজ আলাদা।
সূত্রটা এনটিভি অনলাইন থেকে পাওয়া। আমি বর্ননা করলাম মাত্র। কমেন্টে গালি কিংবা ৫৭ ধারা করার আগে এনটিভি অনলাইনকে পেটান। http://m.ntvbd.com/world/22770/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81
মুখোশ...।
ভারতে কম্পিউটার আসবে...
কিসের
কম্পিউটার... গরীবের মুখে
ভাত নেই...
ভারতের স্বাধীনতা দিবস...
কিসের
স্বাধীনতা... গরীবের মুখে
ভাত নেই...
দুর্গোৎসব... কিসের
দুর্গোৎসব... গরীবের
মুখে ভাত নেই...
ডিজিটাল ভারত... কিসের
ডিজিটাল... গরীবের মুখে
ভাত নেই...
ভারত উপগ্রহ পাঠাচ্ছে...
কিসের
উপগ্রহ... গরীবের মুখে ভাত
নেই...
ভারত বিশ্বকাপ খেলবে...
কিসের
বিশ্বকাপ... গরীবের মুখে
ভাত নেই...
এই ভামপন্থী তথা কম্যুনিস্ট
সেকু গুলো
ঠিক কি চায়...?? কটা গরীব
কে এরা
সাহায্য করেছে...?? কটা
গরীব বাচ্চা
কে পড়াশোনায় সাহায্য
করেছে...??
নিজেরা গণ্ডে পিণ্ডে
গিলছে...
সমস্ত সুযোগ সুবিধা নিয়ে
আরামে
থেকে... মাঝে মাঝে এসে...
তোতা
পাখির মতো... গরীবের মুখে
ভাত
নেই...এই বুলি কপচে যাচ্ছে...
গরীব
মানুষগুলো কে নিয়ে
ভণ্ডামি করতেও
এদের বাধে না... এদের কি
বলবো...
অসভ্য নোংরা মানসিকতার
প্রাণী...
সারা বিশ্ব এদের বর্জন
করেছে... এরা
মৌলবাদী তথা...
সন্ত্রাসবাদীদের
থেকেও ভয়ঙ্কর... কারণ ওরা
তবু যা করে
সামনে... আর এই কম্যুনিস্ট
নামক
নোংরা প্রাণী গুলো মুখে
বলবে এক...
মনে ভাববে আর এক... করবে
আর এক...
এদের সব ই গোপন... আর
বিরোধীতা
পেলেই খুন... আর কিছু হলেই
কমন
ভণ্ডামি... গরীবের মুখে ভাত
নেই... ৩৪
বছর তো ক্ষমতায় ছিল... তো
কৌট
নাচিয়ে গাড়ি বাড়ি করে
ফেলল...
কারুর সর্বনাশ হলেই এদের
পৌষমাস এর
শুরু হয়ে যেত... বাইরেও তো
অন্যান্য সব
দেশ এদের ছুঁড়ে ফেলেছে...
কোথায়
এরা সাফল্য পেয়েছে... এই
বস্তাপচা
থিওরি কপচে এই দেশেই
শয়তান গুলো
জড়ো হয়েছে... ভারতের সমস্ত
রকম
ক্ষতির জন্য এরা বেশিরভাগ
ক্ষেত্রে
দায়ী... এদের কথা শুনলে ঘৃণা
ছাড়া
আর কিছু হয় না... এরা
সাম্যের মুলো
মানুষের নাকের সামনে
ঝুলিয়ে...
সেই সব মানুষের রক্ত চুষে
আরামে জীবন
কাটাবার স্বপ্ন দেখে... সেই
জন্যই
এদের লক্ষ্যই হল জনগণকে
অশিক্ষিত করে
রাখা...
আর এরা বাস্তবে আদৌ
চায়না... যে
গরীবের মুখে ভাত থাকুক...
কারন
তাতে এদের বলার যে কিছু
থাকবে
না... কারন ওটাই তো এদের
মুখোশ...।
Monday, 14 September 2015
রবীন্দ্রনাথ দত্তের ভূমিকা
রবীন্দ্রনাথ দত্তের ভূমিকা
১৯০ বছর ভারতে রাজত্ব করার পর
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানে
অবস্থার চাপে ইংরেজরা যখন এদেশ
ছেড়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন
ঝোপ বুঝে কোপ মারার জন্য ভারতে
বসবাসকারী মুসলমানেরা কাফের(ঘৃণিত)
হিন্দুদের সাথে এক থাকলে ইসলাম
বিপন্ন হবে ধুয়া হবে তাদের জন্য
একটা আলাদা মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের
মহড়া হিসাবে ১৯৪৬ সালের ১৬ই
আগষ্ট ঢাকা শহরে যে প্রলয় কান্ড
ঘটিয়েছে তার বিস্তৃত বিবরন আমি
আমার লিখিত বইগুলোতে উল্লেখ
করেছি,ঢাকা শহরে ১৯৪৬ সালের
১৬ই অগাষ্টের নিহত হিন্দুদের
মৃতদেহগুলি সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে ট্রাক
বোঝাই করে আমাদের পাড়ায় পাঠিয়ে
দেয়া হত।তাতে ছিল উলঙ্গ মহিলা এবং
মস্তকহীন শিশুদের মৃতদেহ বাধ্য হয়ে
ট্রাক থেকে হাত পা গুলি নামিয়ে
গনসৎকার করাতাম।
ট্রাকের পাটাতনে ত্রিপল পেতে দেয়া
হত যাতে রাস্তায় ঐরক্ত না পড়ে।
আমাদের পা রক্তে ডুবে যেত।কলকাতা
শহরের হত্যালীলায় প্রথম তিন দিনে
২০,০০০ লোক নিহত হল,এত লাস
গঙ্গায় ভাসিয়ে দেয়া হয়ে ছিল যে নৌকা
চলাচল দুঃস্বাধ্য হয়ে গিয়েছিল।মানুষের
মাংসে শকুন কুকুরেরও অরুচী ধরেছিল।
এরপর যখন হিন্দু ও শিখরা রুখে দাঁড়াল
তখন মুসলিম লীগ সরকার প্রমাদ
গুনলো।এরপর মুসলীম লীগ বেছে বেছে
বাংলার সবচেয়ে হিন্দু সংখ্যালঘু জেলা
নোয়াখালী তাদের পাকিস্তান
প্রতিষ্ঠার গিনিপিগ হিসাবে ১০ই
অক্টোবর ১৯৪৬ সেখানে হিন্দুনিধন
আরম্ভ হলো।হত্যা লুঠপাঠ
অগ্নিসংযোগ,নারীধর্ষন,বলপূর্বক
বিবাহ,অপহরন,মহিলাদের মাটিতে চিৎ
করে শুইয়ে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে সিঁথির
সিঁদুর মুছে দেয়া,গরু জবাই করা
রক্তদিয়ে মূর্তীগুলিকে স্নানকরানো
এবং তারপর সেগুলিকে টুকরো টুকরো
করে ভেঙ্গে ফেলার মধ্যে দিয়ে
পাকিস্তান আদায়ের জন্য হিন্দুদের
মনে ভীতি সঞ্চার করার প্রয়াস হল।
এই বর্বরোচিত ঘটনা প্রথম দশদিন
লীগ সরকার গোপন রাখতে সক্ষম
হয়েছিল কারন সমস্ত টেলিগ্রাফের তার
কেটে,রাস্তা কেটে নোয়াখালীকে
বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।এরপর অবস্থা
একটুশান্ত হলে নোয়াখালীতে স্বয়ং
সেবকরা যেতে আরম্ভ করলো।গান্ধীজী
এই হত্যালীলা আরম্ভ হওয়ার ২৫দিন
পরে গিয়ে গ্রাম পরিক্রমা আরম্ভ
করলেন,ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে কিছু
স্বেচ্ছা সেবক নোয়াখালী রওনা হলো।
আমিও যাবো বলে মনস্থির করলাম
ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী
জ্ঞানাত্মানন্দের একজন অত্যন্ত
প্রিয়পাত্র এবং মঠের একজন কর্মী
হিসাবে যাত্রার আগের দিন বিকালে
গিয়ে মহারাজের সঙ্গে দেখা করলাম।
তিনি বললেন "তুই যখন যাচ্ছিস দেখত
ঐ প্যাকেটে কিছু বইপত্র এসেছে মনে
হয় নোয়াখালী সমন্ধে খবর
আছে।"তখন মঠের রান্নাঘর থেকে
সবজি কাটার বঁটি এনে প্যাকেটের দড়ি
কেটে এক কোনা থেকে ৭/৮ টা বই নিয়ে
বাড়ি ফিরলাম।রাত্রে বইগুলো চোখ
বোলানোর সময় হয়নি।পরেরদিন ঢাকা
থেকে রওনা হয়ে তারপর পরদিন সকালে
চৌমুহানী স্টেশন থেকে প্রায় ৪মাইল
পশ্চিমে আমাদের গ্রামের বাড়ি
কালিকাপুরে পৌঁছালাম,ইতিমধ্যে অনেক
স্বনামধন্য নেতানেত্রী চৌমুহানীতে
ওখানকার ধনী ব্যবসায়ীদের আতিথ্য
গ্রহন করে তারপর গ্রামগুলির দিকে
রওনা হলেন।আর যারা অত্যন্ত
সাধারন স্বেচ্ছাসেবক প্রানের টানে
সেখানে গিয়েছেন তারাসব আমাদের
বাড়িতে উঠেছে।আমিও তাদের সাথে
উদ্ধার কাজে রওনা হলাম,তাদের
অনেকের নাম আমার আর এখন মনে
নেই তবে শ্রী অমরসরকার,রমেন
চক্রবর্তী,যোগেশচৌধুরীর নাম আমার
বিশেষ করে মনে আছে।তারা কংগ্রেস
সোসালিস্ট পার্টি করতো।গ্রামগুলিতে
গিয়ে দেখি হিন্দুরা সব মুসলমান হয়ে
বসে আছে।পরনে লুঙ্গী,মাথায় সাদা
টুপির ওপর ভারতের মানচিত্র
তারমধ্যে যে অংশগুলি তারা পাকিস্তান
বলে দাবী করছে তা সবুজ রংয়ে
ছাপা,লেখা পাকিস্তান জিন্দাবাদ।
মহিলাদের হাতে শাখা কপালে সিঁদুর
নেই,চোখগুলি জবাফুলের মত লাল।
মন্দিরগুলোর কোন চিহ্ন নেই।আমরা
তাদেরকে বললাম আপনারা চলুন উদ্ধার
করে অন্যত্র নিয়ে যাবো।তারা প্রশ্ন
করলো বাবু আমরা কলমা পড়ে মুসলমান
হয়েছি নামাজ পড়েছি।আমাদের মুখে
গোমাংস দিয়েছে।বাড়ির মেয়েদের
অপহরন করা হয়েছে।হিন্দুরা কি
আমাদের আবার সমাজে নেবে?আমাদের
হাতে কি জল খাবে?আমরা বললাম
আমাদের ধর্মগুরুরা এই নির্দেশ
দিয়েছেন আপনারা বিনা দ্বিধায়
স্বধর্মে ফিরতে পারবেন।তারা
আমাদের মুখের কথা বিশ্বাস করলোনা।
তখন ছাপার অক্ষরের বই পড়তে তারা
বিশ্বাস করলো এবং দলে দলে বাড়ী
ছেড়ে আমাদের সাথে বেরিয়ে এলো।এতে
মুসলমানরা আপত্তি করলোনা।কারন
হিন্দুরা চলে গেলে স্থাবর অস্থাবর
জমিজমা পুকুর তাদের দখলে আসবে।
ইতিমধ্যে এইমধ্যে এই বই এর সংবাদ
দাবানলের মত স্বেচ্ছাসেবকদেরমধ্যে
ছড়িয়ে পড়লো,প্রথম দিনের বইটা তারা
টানাটানি করে ছিঁড়ে যে যা পেরেছে এক
এক পৃষ্ঠা একেক জন নিয়ে গেছে।এই
বইয়ের পৃষ্ঠা দেখিয়ে ধর্মান্তরিত
হিন্দুদের বের করে আনতে আরম্ভ
করলো।এই বইয়ের সংবাদ কোনক্রমে
কংগ্রেস সভাপতি আচার্য কৃপালনীর
স্ত্রী সুচেতা কৃপালনীর নিকটে গেল।
রাত্রে বাড়ি ফিরে এলাম,পরদিন সকালে
৩/৪কপি সঙ্গে নিয়ে গেলাম এবং
সুচেতা কৃপালনীর সাথে দেখা হলো।
বইটায় চোখ বুলিয়ে আমাকে বুকে জড়িয়ে
ধরলেন।বললেন তুই করেছিসটা কি
রবি?এরপর তার সাথে আমার
অনেকবার দেখা হয় আমি তাকে পিসিমা
বলে ডাকতাম।আমার এক পিসিমা
ঊষারাণী গুহরায় সুচেতা কৃপালনীর নারী
উদ্ধারের স্বেচ্ছাসেবিকারকাজ
করতেন।ঐসব কাজে আমার অনেক
নেতানেত্রীর সঙ্গে দেখা হয় তার মধ্যে
শ্রীমতী লীলা রায় এর নাম বিশেষভাবে
উল্লেখযোগ্য।এখানে উল্লেখযোগ্য যে
নোয়াখালি দাঙ্গার নায়ক গোলাম
সারোয়ার ফতোয়া দিলেন সুচেতা
কৃপালনীকে যে ধর্ষন করতে পারবে
তাকে গাজী উপাধীতে ভূষিত করা হবে
এবং বহুত টাকা ইনাম দেয়া হবে।তাই
নিজের সন্মান রক্ষা কল্পে সবসময়
পটাশিয়াম সাইনাইডের ক্যাপসুল গলায়
ঝুলিয়ে রাখতেন।আমার সহৃদয়
পাঠকপাঠিকারা একবার চিন্তা করুন।
যেখানে কংগ্রেস সভাপতির স্ত্রীর এই
অবস্থা সেখানে সাধারন হিন্দুনারীদের
কি অবস্থা হয়েছিল!পররবর্তীকালে
১৯৫০ সালে ঢাকার তথা সমগ্র
পূর্বপাকিস্তানের হিন্দু নিধনের শিকার
হয়ে একবস্ত্রে যখন কলকাতা এলাম
তারপর পিসিমা
(ঊষারানীগুহরায়)আমাকে বলেন চল
লক্ষ্ণৌ থেকে বেড়িয়ে আসি সুচেতাদির
বাড়িতে উঠব।তোকে দেখলে খুব খুশি
হবে।আমি বললাম তিনি এখন একটা
প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তিনি কি
আমাদের কে পাত্তা দেবেন?পিসিমা
বললেন তুই চলনা।
আদর্শ বামপন্থী (ভামপ্যান্টি) কাকে বলে????
আদর্শ বামপন্থী (ভামপ্যান্টি) কাকে বলে????
1. অবশ্যই বিকৃত যৌনরুচির হতে হবে
2. জ্ঞানগম্য কিছু না থাকলেও সবসময় আঁতেলমার্কা ও সবজান্তা ভাব থাকতে হবে।
3. অশিক্ষিত , মেহনতি বা গরিব লোক দেখলেই তাকে দুর দুর ছি ছি করতে হবে, অথচ সারাদিন মুখে কৃষক শ্রমিক বলে ফেনা তুলতে হবে
4. হিন্দু ধর্মের বিরোধতা করে ইসলামের প্রশংসা করতে হবে
5. বিভিন্ন ইসলামিক জঙ্গিদের হামলাকে মুমিনীয় স্টাইলে "ইহা সহি ইসলাম নয়" বলে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্ত বলে চালাতে হবে
6. কোনো তথাকথিত লোয়ার কাস্টের হিন্দু দেখলেই তাকে নিচু জাত, ছোটলোক, জানোয়ার বলে গালাগাল দিতে হবে, অবশ্য নিজেদের সাম্যবাদী বলে প্রচার করতে হবে
7. বাবরি মসজিদের জন্য অবশ্যই কান্নাকাটি করতে হবে, এবং বিভিন্নভাবে মুসলিমদের কাছে "হিন্দু মৌলবাদ" রূপে প্রচার, পুনপ্রচার, বারবার প্রচার করতে হবে এবং মুসলিমদের বারংবার মন্দির ভাঙায় উৎসাহদান ও জিহাদের প্ররোচনা দিতে হবে
8. মদ খেয়ে, পার্টি করে, ইফতার করে, ঈদ পালন করে ফূর্তি করে টাকা ওড়াতে হবে, অথচ পূজো এলেই কেন পূজা করা উচিত না এবং পয়সা খরচ হয়, সে বিষয়ে বড় বড় বক্তৃতা দিতে হবে....
...
...
যদি আপনি এসব করতে পারেন, তবেই আপনি আদর্শ ভামপ্যান্টি। নাহলে যতই লাল ঝান্ডা নিয়ে ঘুরুন, ভাম হতে পারবে না কমরেড
শত শত বছর ধরে বৈদিক ধর্মধারার পথ
শত শত বছর ধরে বৈদিক ধর্মধারার
পথকে বাধাগ্রস্ত করার যেসকল
প্রয়াস নীচপ্রকৃতির পাপবুদ্ধিগন
করে আসছেন তার মধ্যে অন্যতম
হল প্রানীহত্যা দ্বারা প্রানীমাংস
ভক্ষনের নৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা
তথা
প্রধানত গোহত্যার পাপকার্যে
প্রসারতা আনায়ন।আর এই প্রয়াস
অত্যন্ত সহজ হয়ে পড়ে যখন এই
বিষয়ে অসচেতন বৈদিক
ধর্মালম্বীদের বৈদিক ধর্মধারার
প্রানস্বরুপ পবিত্র বেদে গোমাংস
ভক্ষনের অনুমতি আছে বলে
প্রচার চালানো যায়।আর ঠিক এই
পন্থাটিই বেছে নিয়েছে কূটবুদ্ধি
অধার্মিকের দল আর তাদের সাথে
যোগ দিয়েছে কিছু জ্ঞানহীন
শূন্যমস্তিস্কেরহিন্দু নামধারী
মাংসলোলুপ কলঙ্ক।আর এই
ধরনের অপপ্রচার সাধারন ধর্মপ্রান
হিন্দুদের জন্য একধরনের মারাত্মক
আঘাতের মত ই যার প্রতিকার ই
আমাদের আজকেই এই প্রয়াস।দুইটি
ধাপে আমরা আজ এই অপপ্রচারের
খন্ডন করব।প্রথম ধাপে আমরা
দেখব যে পবিত্র বেদ আসলে
প্রানীহত্যা নিয়ে কি বলে আর
দ্বিতীয় ধাপে অপপ্রচারকারীদের
দ্বারা প্রচারিত কিছু বেদমন্ত্র যাতে
তারা বেদেগোমাংস ভক্ষনের
অনুমতি আছে বলে প্রচার করে
সেগুলো নিয়ে বিশ্লেষন করা
হবে।প্রথমে আমরা দেখব পবিত্র
বেদ প্রানীহত্যা সম্পর্কে কি
বলে-প্রার্পায়াতু শ্রেষ্ঠতমায় কর্মন
আপ্যাযদ্ধম... অঘ্ন্যা যজমানস্য
পশুন্
পাহি।(যজুর্বেদ ১.১)অনুবাদ-হে মনুষ্য
প্রার্থনা কর যাতে সবসময় তুমি মহত্
কার্যে নিজেকে উত্সর্গ করতে
পার,পশুসমূহ অঘ্ন্যা অর্থাত্ হত্যার
অযোগ্য,ওদের রক্ষা কর।"পাষণ্ড
তারা যারা প্রানীমাংস ভোজন করে।
তারা যেন প্রকারান্তরে বিষ ই পান
করে।" -ঋগ্বেদ ১০.৮৭.১৬অনাগো
হত্যা বৈ ভীমা কৃত্যে মা নো গামশ্বং
পুরুষং বধীঃ।(অথর্ববেদ
১০.১.২৯)অনুবাদ-নির্দোষদের হত্যা
করা জঘন্যতম অপরাধ।কখনো
মানুষ,গো-অশ্বাদিদের হত্যা
করোনা।পশুস্ত্রাঁযেথাঙঅর্থাত্
পশুদের রক্ষা কর।(যজুর্বেদ
৬.১১)অর্থাত্ পবিত্র বেদে মূলত
সকল পশুপাখীদের ই হত্যা না
করতে বলা হয়েছে।তাহলে
হিন্দুসমাজে গোহত্যার ব্যপারে
অধিকতর কঠোর দৃষ্টিভঙ্গী
বিদ্যমান কেন?কেননা মানবসভ্যতার
প্রধান দুটি অনুসঙ্গের সাথে জড়িত
হল গরু তথা গাভী ও ষাঁড়।মানবসভ্যত
ার
প্রধান ভিত্তি কৃষিকার্জ যাতে
অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে বৃষ তথা ষাঁড়।
অপরদিকে মানবশিশুর বেঁচে থাকা তথা
বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের বুকের
দুধের পর গোদুগ্ধ ই সবচেয়ে
সর্বোত্কৃষ্ট ও প্রধান ভূমিকা
রেখে চলেছে।এ বিষয়ে
নবদ্বীপের কাজী মাওলানা চাঁদ
কাজী সাহেবের উদ্দেশ্যে
শ্রীচৈতন্যদেবেরসেই বিখ্যাত
উক্তিটি স্মরন করা যেতে পারে-
গোদুগ্ধ খাও গাভী তোমার মাতা,
বৃষ অন্ন উপযায়, তাতে তেঁহো
পিতা।।(চৈতন্য চরিতামৃত আদি
লীলা,১৭.১৫৩)অর্থাত্ দেখো
গোদুগ্ধ খেয়ে আমরা বড় হই তাই
তারপ্রতি আমরা মাতৃঋণে আবদ্ধ হই
আর বৃষ কৃষিকাজে সাহায্য করে
আমাদের জন্য অন্ন উত্পাদন করে
তাই তার প্রতি আমরা পিতৃসম ঋণে
আবদ্ধ হই।এরকম যাদের প্রতি আমরা
ঋণী তাদেরকে হত্যা করা কি
অমানুষের কাজ নয়?এছাড়া বৈদিক
ধর্মের মহাপুরুষ যোগেশ্বর
শ্রীকৃষ্ণ বালককালে একজন রাখাল
ছিলেন,বাছুরদের প্রতি তাঁর স্নেহ
ছিল অসীম।এজন্য তাঁর অপর নাম ছিল
গোপাল।এইসব নৈতিক এবং ঐতিহাসিক
কারনেই হিন্দুসমাজে গোহত্যাকে
কঠোর অপরাধ হিসেবেই দেখা
হয়।দ্বিতীয় ধাপে এখন আমরা
অত্যন্ত প্রচলিত কিছু মন্ত্র
দেখবে যেগুলো নাস্তিক বা
বিধর্মীদের দ্বারা বিভিন্ন
ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে দেখা
যায়এই প্রমান করতে যে পবিত্র
বেদে প্রানীমাংস ভক্ষনের কথা
বর্নিত রয়েছে।"ওই শরীরের
মাংসকে আগুনে পোড়ানো
হল,সকল দেবতাদেরকে উত্সর্গ
করা হল,তাদের সকলকে ডাক,এটি খুব
ই সুগন্ধযুক্ত এবং সুস্বাদু,সকলকে
ভাগ করে দাও..."ঋগ্বেদ
১.১৬২.১১-১২পশ্চিমাদের করা এই
অনুবাদ নিয়ে যারা নির্লজ্জের মত
আনন্দ করছেন তাদের প্রতি
জিজ্ঞাসা,একজন বৈদিক পন্ডিতের
অনুবাদ বাদ দিয়েপশ্চিমাদেরঅনুবাদ
দিয়ে এসব অপপ্রচার চালানো কতটা
যুক্তিসংগত?প্রকৃতপক্ষে এখানে
বাজিনং শব্দটির অর্থ ধরা হয়েছে
অশ্ব যার প্রকৃত অর্থ সাহসী/
শক্তিশালী/দ্রুতগামী।মন্ত্রদুটিতে
আসলে জাতির দ্রুত উন্নতির লক্ষে
নিজের দেহ-মনকে
আত্মোত্স্বর্গ করতে বলা
হয়েছে।অনেকে বলে থাকে
অতিথিগ্ব/অতিথিগ্ন অর্থ হল
অতিথিকে
গোমাংস পরিবেশনকারী।প্রকৃতি
পক্ষে গং ধাতুটির অর্থ ই হল যাওয়া
গতিশীল।অর্থাত্ যিনি অতিথির দিকে
যান বা অতিথিকে পরিবেশন করেন।
অনেকে আবার বেদে গোমাংস
নিষিদ্ধতার স্পষ্ট প্রমান দেখে আমতা
আমতা করে বলেন যে গোহত্য
নিষিদ্ধ হলেও বেদে বৃদ্ধ এবং
বন্ধ্যা,অনুপযুক্তগরু হত্যা করতে বলা
হয়েছে যাদেরকে বলা হয়"বশা"।
প্রকৃতপক্ষে বশা অর্থ মোটেও
বন্ধ্যা গাভী নয় বরং এর অর্থ
ঈশ্বরের ক্ষমতা।এর প্রমান হল
অথর্ববেদ ১০.১০.৪ এ বশা বা
ঈশ্বরের ক্ষমতাকে সহস্রধারা বা
অসীম বলা হয়েছে।বশা অর্থ যদি
বন্ধ্যা গাভী ই হত তবে গাভী কি
করে অসীম হয়?অনেকে বলে
থাকেন যজ্ঞে নাকি পশু বলি করা হত।
তারাএমনটাও বলে থাকেন অশ্বমেধ
যজ্ঞে নাকি অশ্ব আর গোমেধ
যজ্ঞে নাকি গরু বলি দেয়া হত!
আগে দেখে নেই'যজ্ঞ'কে
পবিত্র বেদে কি বলা হয়েছে।
পবিত্র বেদের প্রথম মন্ডলের
প্রথম সুক্তের চার নং মন্ত্রে
যজ্ঞকে 'অধ্বরং' বলা হয়েছে।এই
অধ্বরং অর্থ কি?দেখে নেই
সংস্কৃত ব্যকরন কি বলছে। বৈদিক
ব্যকরন গ্রন্থ নিরুক্ত এর ২.৭ এ
বলা
হয়েছে"অধ্বরাং ইতি যজ্ঞনাম।
ধ্বরাতি
হিংসাকর্ম তত্প্রতিশেধহ।।"অনুবাদ-
ধ্বরা
কর্ম হিংসা ও বিদ্বেষযুক্ত,এর
বিপরীত হল অধ্বরা যেমন
যজ্ঞসমূহ।মহর্ষিযস্ক এই
শ্লোকের ব্যখ্যায় বলেছেন
যে যজ্ঞ অধ্বরা অর্থাত্ সম্পূর্ন
সাত্ত্বিক যেখানে সকল প্রকারের
রক্তপাত,হিংসা বিদ্বেষ অনুপস্থিত।
অর্থা
ৎ যজ্ঞে পশুবলীর কোন
প্রশ্নই আসেনা।আর পবিত্র বেদে
যেখানে শত শত মন্ত্রে পশুহত্যা
নিষিদ্ধ করা হয়েছে,পশুদের
উপকারী জীববলে সেবা করতে
বলা হয়েছে সেখানে যজ্ঞে
পশুবলীর চিন্তা আনাটাও অমূলক!
অশ্বমেধ যজ্ঞ কি?"রাষ্টং বৈ অশ্ব
মেধঃ । অগ্ন হি গৌঃ ।অগ্নির্বা অশ্বঃ
আজ্যং মেধঃ ॥ (শতপথ ব্রাহ্মন
১৩.১.৬.৩)অনুবাদ- অশ্ব হল
রাষ্ট্রের
প্রতীকি নাম(সুপ্রশাসকের
প্রগতিশীল রাষ্ট্র অশ্বের ন্যয়
বেগবান এই অর্থে)।
Sunday, 13 September 2015
কোরানে মেয়েদের সম্বন্ধে
কোরানে মেয়েদের সম্বন্ধে লেখা আছে, মেয়েরা পুরুষদের কাছে শস্যক্ষেত্র মাত্র ওতাদের যেমন খুশী ব্যবহার ও ভোগ করা যাবে (২/২২৩), নারীরা স্বামীর অবাধ্য হলে তাদের উচিত চাবকানো (৪/৩৪) এবং সেক্ষেত্রে স্ত্রীকে আমৃত্যু একটা ঘরে বন্দী রাখতে হবে (৪/১৫), এছাড়া, চারজন স্ত্রী ও অসংখ্য যৌন দাসী রাখা যাবে (৪/৩) যাদের ইচ্ছামত তিন তালাক দেওয়া যায় (২/২২৯)।মহান পবিত্র কোরানের সূরা ৪, আয়াত ২৪ বলে, ‘বিবাহিত পরস্ত্রী মুসলমানের কাছে নিষিদ্ধ কিন্তু, যেসব বিবাহিত অমুসলমান স্ত্রীদের তোমরা জেহাদে ধরে এনেছ তারা তোমাদের জন্য বৈধ। এটা আল্লাহ তোমাদের বিশেষ অধিকার প্রদান করছেন।’অপরদিকে, অমুসলমান নারীকে পথে ঘাটে শ্লীলতাহানি করা যেতে পারে, তবে মুসলমান মেয়েদের নয় তাই পরিচয়পত্র হিসেবেই বোরখার বিধান (৩৩/৫৯), অমুসলমান মহিলাদের জোর করে ধরে এনে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বেশ্যাবৃত্তি করানো কোরান সম্মত (২৪/৩৩)।কোরান স্বীকৃত পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য অপরাধবলা হয়েছে পৌত্তলিকতাকে অর্থাৎ হিন্দু ধর্ম এবং আমরা যারা এটা মানি তারা নাকি জগতে বিচরণশীল জন্তু-প্রাণির মধ্যে নিকৃষ্টতম (৮/৫৫)। তাই পৌত্তলিকতা যতক্ষন না পৃথিবী থেকে ধ্বংস হয় ততক্ষন হিন্দুদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের তীব্র যুদ্ধ (জিহাদ) চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে (২/১৯৩), এবং এই মূর্তিপূজকদের প্রতি তীব্র ঘৃনা উজার করে তাদের অবিরাম হত্যা করতে বলা হয়েছে (২১/৯৮)।পৌত্তলিক বা আমরা হিন্দুরা তো ইসলাম বা অন্যকারো কোন ক্ষতি করিনি, নিজের মনে, নিজের নিরীহ বিশ্বাসে মূর্তি উপাসনা করছি, কাউকে মারতে, কাটতে বলছি না, তাই হিন্দুদের প্রতি আল্লাহ তথা মহম্মদের এই অকারন রাগ বড়ই আশ্চর্য। মহম্মদ নিজেই কাবায় ৩৬০ টি দেবমূর্তি ও অন্যত্রও অজস্র মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন আর মহম্মদ যা করেছেন ইসলামে তাই পবিত্র কর্তব্য (৪/৮০)।কোরান অনুযায়ী, মহম্মদ আল্লাহর দূত, তাঁর অনুসারীরা অমুসলমান কাফেরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে (৪৮/২৯), একজন সাচ্চা মুসলমান তাই কোন অমুসলমানকে ভাই বলে মন থেকেডাকতে পারবে না, তাদের হিন্দুদের মতো সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধ নেই। আল্লাহ নিজেই কাফেরদের শত্রু (২/৯৮), তাই কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর যতক্ষন না আল্লহর ধর্ম সমগ্র জগতে প্রতিষ্ঠিত হয় (৮/৩৯)।ভারতীয় দর্শনের দুই মূল ভিত্তি, মানুষ সবাইঅমৃতের পুত্র আর সবাই সুখে থাকুক, সবাই নিরাময় থাকুক। কোন কারনে কেউ যদি অভারতীয় বিদেশী ধর্ম যেমন ইসলাম বা খৃষ্ট ধর্ম গ্রহনকরে তখন কিন্তু আর সে এইগুলো পালন করতে পারবে না কারন সেখানে এসবের স্থান নেই। বিশ্বশান্তির জন্যও তাই ভারতীয় হিন্দুদের সংগঠিতভাবে কাজ করতেই হবে। বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর তাঁর বই ‘রাইটিং এন্ড স্পীচেস’, ভলিউম ৮, এ স্পষ্ট লিখেছেন যে, ধার্মীয় এবং সামাজিক দৃষ্টিকোন থেকে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে যে পার্থক্য দেখা যায় তা স্থায়ী পার্থক্য। আজও এমন কোন মন্ত্র বা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি যা এই পার্থক্যকে মুছে দিতে পারে। কিছু অসাম্প্রদায়িক কথা লেখা বা বলার দায়ে তাই কয়েকজন মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের কাফের বলছে তাদের সমাজ। বাংলাদেশের তসলিমা নাসরিন মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় করে জন্মভূমি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল আর আমরা কলকাতায় মুসলিম তান্ডবে ভীত হয়ে তাঁকে এখান থেকেও তাড়িয়ে দিয়েছি। সেই একাকী মহিলার অপরাধ তিনি বাংলাদেশে মুসলিমদের হাতে নির্জাতিত হিন্দুদের হয়ে কলম ধরেছিলেন। অনুরূপভাবে কবি দাউদ হায়দার, আবুল কাসেম ও আলি সিনা হত্যার ফতোয়া নিয়ে কালযাপন করেন বিদেশে লুকিয়ে।সৈয়দ মুজতবা আলি ও কাজী আব্দুল ওদুদকে ঢুকতে দেয়নি ইসলামিক রাষ্ট্র বাংলাদেশ। ভারত ইসলামিক রাষ্ট্র হলে তাঁদের মৃত্যু অবধারিত ছিল।কিন্তু এত জঙ্গী জেহাদীরা যে লড়ছে কিসের আশায়? যারা জিতবে তারা অমুসলমানের নারী ও সম্পত্তি ভোগ করতে পারবে, কোন কাফেরকে নিধন করতে পারলে “গাজী” উপাধি পাবে। বহু ‘গাজী বাবা’ হিন্দু সমাজেও অজ্ঞানতার জন্য বেশ সমাদৃত, কারন সবাই জানে না যে গাজী মানে সে বা তার কোন পূর্বপুরুষ হিন্দু হত্যাকারী। অন্যদিকে যারা জিহাদে মারা যাবেন তাদের বলা হয় শহীদ যা ভুল করে এখন অনেক দেশভক্তকেও বলা হয়! এই শহীদদের জন্য ইসলামিক স্বর্গে ধালাও আয়োজন। কোরান (৪৭/১৫) জানাচ্ছে, তারা সেখানে চিরযৌবন পাবে ও যৌন ক্ষমতা একশগুন বেড়ে যাবে। প্রত্যেক শহীদ সেখানে পাবে ৭২ জন সুন্দরী হুরী যৌন সম্ভোগ করতে ও ২৮ টি সুন্দর বালক সমকামের জন্য। প্রত্যেক যৌন সঙ্গম ৬০০ বছর স্থায়ী হবে ও পৃথিবীতে মুসলমানদের মদ্যপান নিষিদ্ধ হলেও জান্নতে নদী বইবে মদের। এছাড়া, অপূর্ব সব খাদ্য-পানীয়র ব্যবস্থা থাকবে ও চিরযুবতী হুরীদেরবয়স বাড়বে না। যেকোন ভাবে পীড়ন করলেও তাদের কষ্ট হবে না। সব খাবার সেখানে ভালভাবেহজম হ্য় ও মলমূত্র পর্যন্ত হয়না (৭৮/৩৩),এসব কারনেই অনেক মুসলমান জেহাদ করে শহীদ হওয়ার জন্য পাগল। তবে মুসলমান মেয়েরা স্বর্গে গেলে আদেউ কিছু পাবে কিনা সে ব্যপারে কোরান নিশ্চুপ।জেহাদ মোটেই আত্মরক্ষার যুদ্ধ নয় বরং শান্তিপূর্ণ অমুসলমান নগরী বিনা প্ররোচনায় আক্রমন করার কাজ তা কোরানের সূরা ১৭, আয়াত ১৬ তে পাই, “আমি যখন কোন সুখী সমৃদ্ধ কাফের নগর ধ্বংস করতে চাই তখন আগে দূত পাঠিয়ে তাদের ইসলাম কবুল করতে বলি, কিন্তু তারা রাজি না হলে তাদের সম্পূর্ন নাশকরি।”ইসলাম আরো বলে, অমুসলমানরা যেন কখনও মনে না করে তারা আমাদের হাত থেকে পরিত্রান পাবে, তাদের সে ক্ষমতাই নেই (৮/৫৯),অনেকে যে ভাল শান্তিপ্রিয় মুসলিম ও জেহাদী-সন্ত্রাসবাদীমুসলমানে দুই ভাগ করার চেষ্টাকরেন তা অর্থহীন কারন মহামেডান ধর্ম একই রকমএবং জেহাদ নির্ভর। আল্লাহ সে জন্য নবী মহম্মদকে বলেছেন শুধু কাফের নয় মুনাফিক (ভন্ড মুসলমান যারা জিহাদ করা বা তাতে সাহায্য করা থেকে দূরে থাকে) দের বিরুদ্ধেও সংগ্রাম কর ও তাদের প্রতি কঠোর হও, তাদের আশ্রয়স্থল যে জাহান্নম (৬৬/৯),অন্য জায়গাতেও স্পষ্ট বলা আছে, যে যতক্ষন না আল্লাহ জানছেন যে মুসলমানদের মধ্যে কে জেহাদ করেছে ততক্ষন সে স্বর্গে প্রবেশ করতে পারবে না (৩/১৪২)।
Subscribe to:
Comments (Atom)