গান্ধী বিশ্লেষন ও হিন্দুদের কর্তব্য
ভারতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের হিন্দুধর্মের নবজাগরনের প্রয়াসের অঙ্গ হিসাবে।অরবিন্দ ও তিলকের প্রয়াসে কংগ্রেসেও হিন্দুত্বের ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদ বলশালী হয়।ইংরেজরা হিন্দুজাগরনে প্রমাদ গোনে কারন হিন্দুত্ব শুধু ভারত নয় গোটা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে।ব্রিটিশরা তাদের চিরকালীন দালাল মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে কংগ্রেসের নেতা বানিয়ে দেয়।ব্রিটিশদেরউদ্দেশ্য ছিল দুটি ১ হিন্দুদের ধীরভাবে কিন্তু সম্পর্ণ ধ্বংস করা ২ ভারতকে কখনোই মুক্ত না করা বা রাজনৈতিক আংশিক স্বাধীনতা হলেও তা যেন কখনো ব্রিটিশ প্রভাব মুক্ত না থাকে।গান্ধী ও তাঁর নেতৃত্বে তৈরী দুষ্টচক্র কংগ্রেস এইদুই স্বার্থে কাজ করে গেছে এবং এখনো তাই করছে।গান্ধী,তারব্রিটিশ প্রভুদের নির্দেশে বাহ্যিক ভাবে হিন্দু সাধুর ভঙ্গিমা ধারন করে এবং বিকৃত ভাবে হিন্দুধর্মের ব্যাখা ব্রিটিশের স্বার্থে করতে থাকে।গান্ধীর পোষাক,ধরনধারনেরকারন ছিল হিন্দুর বিশ্বাস অর্জন করে মানসিক ভাবে তাদের দাসে পরিনত করে তাদের সম্পূর্ণ সর্বনাশ করা।কারন হিন্দুশক্তিশালীহলেই ভারত শক্তিশালী হবে যা বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদের মরনডঙ্কা বাজাবে। দেশদ্রোহী গান্ধী,কংগ্রেস(এবং কংগ্রেস থেকে সৃষ্ট নানা দল ও কমিউনিস্টরা) হিন্দুদের একতা,সংগঠন,স্বশক্তিকরন ও হিন্দুত্বকে শক্তিশালী করার সম্পূর্ণবিরোধী ছিল(এবং আছে)।দেশবাসীর কর্তব্য হিন্দুর শত্রু-ভারতের শত্রু দেশদ্রোহী গান্ধী,কংগ্রেস ও হিন্দুত্ব বিরোধী সমস্ত শক্তিকে ভারতের বুক থেকে মুছে ফেলার জন্য শ্রম-মেধা-সম্পদনিয়োজিত করা।ঋষি অরবিন্দের শিক্ষা হৃদয়ে ধারন করুন সনাতন ধর্মই ভারতের জাতীয়তাবাদ।
হিন্দুত্বের জন্য সংগ্রাম করুন হিন্দুত্বকে বিশ্ববিজয়ী করুন
বন্দেমাতরম
#জয় হিন্দু
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 2 October 2015
16 U.S. States decided to Ban “Shariah Islamic Law”
http://conservativepost.com/16-u-s-states-decided-to-ban-shariah-islamic-law/
দূর্গাপূজা
দূর্গাপূজাতে পাকিস্তান আমলে কিছু দিন ৫ দিন ছুটি ছিল, জিয়া সাহেব এসে ৩ দিন এরশাদ সাহেব এসে ১ দিন।।
# আর, এবার বাঙালি হিন্দুদের কাণ্ডারী এসে দূর্গাপূজার ছুটি তুলেই দিলেন।।
# এটি হলও অসাম্প্রদায়িকতার নতুন পদ্ধতি।।
নাম : ডিজিটাল অসাম্প্রদায়িকতা।
৩০০ বছরের উর্দু মহাভারত আগলে রেখেছে মুসলিম পরিবার 2 Oct 2015
৩০০ বছরের উর্দু মহাভারত আগলে রেখেছে মুসলিম পরিবার
2 Oct 2015
••••••••••••○•••••••••••••••••••••••••••••••••••••
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: লখনউয়ের মুসলিম পরিবারের গ্রন্থাগারে সন্ধান মিলল ৩০০ বছরের প্রাচীন মহাভারত। হিন্দু ধর্মের পবিত্র মহাকাব্যটি লেখা হয়েছিল উর্দু ভাষায়।
হঠাত্ প্রচারের আলোয় হতভম্ব লখনউ ওল্ড সিটির কারবালা কলোনির পুরনো বাসিন্দা মঞ্জুল পরিবার। পারিবারিক গ্রন্থাগারে সংগৃহীত উর্দু ভাষায় লেখা মহাভারত নিয়ে যে এত হইচই পড়ে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তাঁরা।
প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজ ঘাঁটতে গিয়ে আচমকা মহাকাব্যের এই সংস্করণ খুঁজে পান বর্তমান প্রজন্মের শরিক ফরমান আখতার। জানা গিয়েছে, ফরমানের প্রপিতামহ রায় বরেলির বাসিন্দা হাওয়ালি হুসেন নসিরবাদী প্রথম নিজের বাড়িতে গ্রন্থাগার গড়ে তোলেন। সেখানেই ঠাঁই পায় বইটি। পারিবারিক বন্ধু তথা ধর্মীয় নেতা ওয়াহিদ আব্বাস বইটি খুঁটিয়ে পড়ার পর জানিয়েছেন, 'এই বই আমাদের সুপ্রাচীন গঙ্গা-যমুনা পরম্পরার চিহ্ন। এই কারণে তার সংরক্ষণ জরুরি।' তিনি জানিয়েছেন, মূল মহাকাব্য উর্দুতে তর্জমা করেন হাজি তালিব হুসেন ও তাঁর বন্ধু দুর্গা প্রসাদ। বইটি ছাপা হয় আরবি হরফে। প্রতিটি অধ্যায়ের মুখবন্ধ লেখা হয়েছিল আরবি ও পারসিক ভাষায়। আব্বাসের মতে, মঞ্জুল বংশের পূর্বপুরুষ শিয়া ধর্মগুরু হজরত ইমাম আলি নকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারক ও বাহক ছিলেন।
মঞ্জুল পরিবারের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে মোট ১০,০০০ বই রয়েছে। আপাতত ৩০০ বছরের প্রাচীন হিন্দু মহাকাব্য পাঠে মগ্ন ফরমানের মা শাহিন আখতার। তাঁর দাবি, মহাভারত পড়ে চিন্তাধারায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তিনি জানিয়েছেন, গত পাঁচ প্রজন্ম যাবত্ পরিবারের পয়া সম্পত্তি হিসাবে বইটি সংরক্ষিত হয়ে এসেছে।
তবে প্রাচীন উর্দু মহাভারতের দৌলতে রাতারাতি বিদগ্ধ গবেষকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে মঞ্জুলদের বাড়িতে। শাহিন জানিয়েছেন, 'প্রায়ই আগাম খবর না দিয়ে স্রেফ প্রাচীন বই দেখতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন অচেনা মানুষ।' তাঁদের সবাইকেই অবশ্য আপ্যায়ন করছেন পরিবারের সদস্যরা। ফরমানের ইচ্ছা, উর্দুভাষী পাঠকের সুবিধার্থে বইটি নতুন ভাবে ছাপাবেন। এই মুহূর্তেই সেই কাজে ব্যস্ত লখনউয়ের বাসিন্দা।
লালবাজারে ঘটেযাওয়া রক্তাক্ত ঘটনা
আজ লালবাজারে ঘটেযাওয়া রক্তাক্ত ঘটনা সেই ইতিহাস কে স্মরণ করাচ্ছে যা এ বঙ্গে পুনপুন ঘটে চলেছে, কিন্ত বঙ্গবাসি কি সেই দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ব্যাপারটা পয্ালোচনা করেছেন, বাস্তবে যা ঘটে চলেছে? আসুন একএক করে ঘটনা গুলি সাজিয়ে দেখি কি ঘটেছিলো আর কঠিন বাস্তব তা কি ছিলো? ১) ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখাজ্জীর নেহেরূ-আব্দুল্লার ষড়যন্ত্রে slow poison এ মৃত্যু। কলকাতার রাজপথ জনসমুদ্রে ভরেগেছে, এপার বাংলার মানুষের মধ্যে হিন্দুরাষ্ট্রবাদের স্ফুলিঙ্গ জ্বলতে শুরু করেছে, তারউপর ওপার বাংলায় মুসলিম তান্ডবে হিন্দুদের লুট, ধষ্ন, খুন, জোরকরে ধম্রান্তরণ ইত্যাদি কারনে কাতারে কাতারে হিন্দুদের আগমনে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাষ্ট্রবাদের স্ফুলিঙ্গ দাবানলে রূপান্তরের পূরন্ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিলো। এই পরিস্থিতিতে cpi থেকে cpm ও কম: জ্যোতিবসু র উত্থান, শুরুহল জঙ্গীআন্দোলন, ট্রাম থেকে শুরুকরে যঠেচ্ছ সরকারী সম্পত্তির ধংসলিলা, আর অন্যদিকে পুলিশও শুরুকরেদিল আন্দলোন কারিদের উপর অকঠ্য অত্যাচার। কঠিন বাস্তবটা হল মুসলিমদের হাতে নিয্াতিত পালিয়ে আসা হিন্দুরা এখানে হিন্দু পুলিশের হাতে নিয্াতিত হল। বড় নেতা জ্যোতিবাবু কংগ্রেসি নেতার খাটেরতলায় লুকল। ২) বাবরি পাপের স্তপ ধ্বংসে সব্াধীক লোক এই বাংলা থেকেই গিয়েছিল, আবারো হিন্দুরাষ্ট্রবাদের বিচারধারা ছড়াতে শুরু করল পশ্চিমবঙ্গে। এবার কংগ্রেস ভেঙ্গে tmc জন্মনিল। আবারও সেই জঙ্গীআন্দোলন, আবারও সেই পুলিসি নিয্াতন, আবারও সেই হিন্দু আন্দোলন কারি হিন্দু পুলিশের হাতে নিয্াতিত, খুন। ৩) হিন্দুহৃদয়সম্রাট মদির উত্থানের সঙ্গেসঙ্গে গোটা দেশের সাথে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাষ্ট্রবাদ দারুনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তার উপড় মুরশিদাবাদ, মালদা সমেত বেশকিছু জেলা ও প্রায় জেলার বহু মুসলিম অধ্যুশিত গ্রামে হিন্দুরা আজকে প্রায় দ্বীতিয় শ্রেনীর নাগরিকে পরিনত হচ্ছেন। So called sic-ul-r দের নিল্লজ্জভাবে মুসলিম তুষ্টিকরণ ও সাধারন হিন্দু জনমানকে প্রোখর হিন্দু রাষ্ট্রোবাদের দিকে আকষি্ত করছে। এই পরিস্থিতিতে নবান্নে বসে fish fry খেতেখেতে আবারও সেই নষ্টামির ছক, আবারও সেই জঙ্গীআন্দোলন, আবারও সেই হিন্দু পুলিশ দিএ হিন্দু আন্দোলন করিদের উপর অত্যাচার। কত হিন্দুর লাশ পরতে চলেছে তা এই মুহুতে্ বোঝা মুশকিল। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়েই চলেছে।
শিক্ষাঙ্গন দেখে পঃবঃ বাসির শিক্ষা
******শিক্ষাঙ্গন দেখে পঃবঃ বাসির শিক্ষা*****
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা টুকলি করতে না দেওয়ায় রেফ করার হুমকি শুনেছিল গোটা রাজ্য।
টিএমসি'র সম্পদ আবাবুল শিক্ষিকা অপমান(চক/ডাস্টার ছুড়ে)&পরীক্ষা হলে অনধীকার প্রবেশের কারনে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা গোপা রায়কে অভিযোগ করেও মুচিলেকা দিয়ে তুলে নেওয়া।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের হেনস্থা-শারিরীকভাবে নিগ্রহ।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে একের পর এক বিশিষ্ঠ শিক্ষক পঃবঃ এর বাইরে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে যাওয়া।
সদ্য সবং সহ একাধিক কলেজে রক্তাত্ব পরিবেশ-ছাএ মৃত্যু।
কলেজে ভর্তিতে-ভোটে শাসক দলের লাগামছাড়া গুণ্ডামি-তাণ্ডবলীলা ।
শতাধিক স্থানে শিক্ষিকা-শিক্ষকদের দীর্ঘ সময় আটক---বিরোধী ছাএ সংগঠন হলেই পুলিশ দিয়ে নির্মম ভাবে অত্যচার।
অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাএ(কার্টুন),অধ্যাপক দেবাশিষ সরকার থেকে শুরু করে কামদুনির প্রাঃ স্কুলের শিক্ষক---সবাই বুঝেছেন শাসকের স্বৈরাচার কী?
SSKM এ MBBS এর মত পরীক্ষার সময় ইনভিজিলেটর এর দায়িত্বেTmc ছাএনেতা শুভজিৎ দও,সৌমাত চ্যাটার্জী(এর প্রকৃত দায়িত্ব ছিলেন ত্রিদিব রায়)। তেমনি জেনেছি TMCবিধায়ক ডঃ নির্মল মাজির ছেলে এই পরীক্ষা দিতে গেলে CCTV OFF করে দেওয়ার ঘটনা।
স্বশাসিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে CM অনধিকার প্রবেশ করে উপাচার্য অধ্যাপক অভিজিৎ চৌধুরীকে পদত্যাগে বাধ্য করা এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সুরজ্ঞন দাসের অপসারনের পর সিএম এর আশির্ব্বাদধন্য উপাচার্য অধ্যাপক সুরজিৎ মার্জিৎ "নিজেকে সরকারের লোক বলে দাবি করেন"।
কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়েরভক্তিবালা বিএড কলেজে শাসকদলের ছাএ নেতা তন্ময় আচার্যকে বাঁচাতে রাজ্যবাসি দেখেছে হাস্যকর এক সদস্যের কমিটি।
বিজয়গড় কলেজে(কলেজের নিয়মকে গুরুত্ব না দিয়ে) ফিরহাদ হাকিমের নোট সহ সুপারিশ।
পাঠ্যবই শাসক ঘনিষ্ঠ নচিকেতা, শুভাপ্রসন্ন, কবির সমুন দের স্থান এবং ক্ষুদিরামের মত বিপ্লবিরা সন্ত্রাসবাদী।
ওয়েবকুপার রাজ্য সংগঠনের প্রধানের উদ্ধত্যের ডেপুটেশন দেখেছি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
NRSএ শাসকদলের ছাএনেতাদের চাপে মূক বধির কোরপান শা কে হত্যা করা হলেও পুলিস নিরবতা অবলম্বন করেছিল---।
রায়গজ্ঞ কলেজে শাসকদলের জেলা পরিষদের সদস্য গৌতম পালের স্ত্রী-কে নকল করতে বাধা দেওয়ার কারনে মহিলা অধ্যক্ষাকে হেনস্থা।
একাধিক স্কুল-কলেজে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হেনস্থা,হুমকি,শারীরিক ভাবে আঘাতের ধারাতে গত কাল নতুন নাম যোগ হলপানিহাটি কলেজে।যেখানে মহিলা অধ্যাপিকা তনিমা চক্রবর্তী এবং শ্রদ্ধা নাগকে তু-তোকারি,গালাগালি এবং হাত মুচরে দিলেও---ওই কলেজের অধ্যক্ষ মুক্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা অনেকটা অনুরাধা লহিয়ার মতই মনে হল?
এবং
কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য সহ40জন অধ্যাপক এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কাল পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছে এখানে মাত্রারিক্ত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারনে।
যদিও শিক্ষামন্ত্রী বলেন:-"আমি বেতন দি-তাই হস্তক্ষেপ করবই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে"--সেই যুক্তিতে সব কিছুর দায় ভার কি শিক্ষামন্ত্রি নেবেন?
আসানসোল
আসানসোলের স্কুলছাত্রী অনিতাকে ফুসলিয়ে নিয়ে ট্রেনে উঠেছিল আবিদ হোসেন৷ এই আবিদ হোসেন এব্যাপারে যথেষ্ট অভিজ্ঞ৷ আগেও জানা মতে দু-দুটি হিন্দু মেয়েকে গায়েব করেছে বলে অভিযোগ৷ কিন্তু এ যাত্রায় বিধি বাম! গতকাল কলকাতা থেকে বাড়ি ফেরার সময় ট্রেনে থাকতেই হিন্দু সংহতির আসানসোল শাখার ছেলেরা আমাকে ফোনে ঘটনাটা জানালো৷ আসানসোল স্টেশন থেকে সরাসরি গিয়ে অনিতার বাড়ির লোক এবং পাড়ার ছেলেদের কাছ থেকে সবকিছু শুনলাম বিস্তারিতভাবে৷ অনিতাকে নিয়ে হোসেন সাহেব যাচ্ছিলেন পুণে৷ ঘুঁটি সাজানো হল৷ ভোরবেলায় পুণে স্টেশনে ট্রেন থেকে নামতেই ঘিরে ধরল কয়েকজন মারাঠি যুবক৷ ভলোবাসার টান এতই যে, বেগতিক দেখে প্রমিকাকে একা ফেলে দৌড় শুরু করল আবিদ হোসেন! রেল পুলিশ তৈরী ছিল৷ স্থানীয় চারজন সাগরেদ সহ ধরা পড়ে গেল সে৷ বর্তমানে সদলবলে হাজতবাস করছেন তারা৷ অনিতার পরিবারের লোকজন রওনা হয়েছে পুণার উদ্দেশ্যে৷ অনিতার জীবনটা এ যাত্রায় বেঁচে গেল৷ এখন আবিদ হোসেনের কি ব্যবস্থা করা যায় সেটাই ভাবনার বিষয়৷ Debtanu Bhattacharya
Subscribe to:
Comments (Atom)