লাশ নারীর হোক কিংবা পুরুষের পবিত্র কবরে লাশ নামানো থেকে শুরু করে মাটি চাপা দেয়ার কাজে নারীকে উপস্থিত থাকতে দেয়া হয় না। এমনকি মাটি হবার আগ পর্যন্ত কবরের কাছে কোনো নারীকে যেতে দেয়া হয়না। কেন? ইসলামের দৃষ্টিতে নারী কি এতই অপবিত্র!
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 3 October 2015
অনেক ই প্রশ্ন করেন হিন্দুরা গরুর মাংস খায় না কিন্তু চামড়ার জুতা পরে। এই প্রসঙ্গে আমি আমার মতামত তুলে ধরছি
*অনেক ই প্রশ্ন করেন হিন্দুরা গরুর মাংস খায় না
কিন্তু চামড়ার জুতা পরে। এই প্রসঙ্গে আমি
আমার মতামত তুলে ধরছি ।
→ ☆ এই প্রশ্নটা আমাকে করেছিল এক হুজুর। আমি
উনাকে জিজ্ঞেস করলাম , "আপনি কখনও শাড়ি
পরেছেন ? তিনি বললেন," না আমি কি
মেয়েলোক "। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম,
"আপনি কাঁথা গায়ে দেন "? উত্তর : " হাঁ "।
উপযোগিতা অনুযায়ী দুইটা জিনিসের ব্যবহার
ভিন্ন হতে পারে । যখন যার যেমন ব্যবহার ।
তিনি ঠিক বুঝতে পারলেন না । আবার চেষ্টা ।
ডাক্তাররা অঙ্গ প্রতিস্থাপন করেন তাই বলে
কোন ব্যক্তি কে হত্যা করে নয় । তার মৃত্যুর পর ।
কোন ডাক্তার যদি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করে
তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করে ডাক্তার কে
শাস্তি দেওয়া হবে কিন্তু মৃত মানুষের অঙ্গ
প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করলে তাকে পুরস্কৃত করা হয়।
তারপরও উনাকে বুঝাতে পারলাম না । আবার
চেষ্টা ।
→ ☆ হিন্দুরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ স্বরুপ গরুর মাংস
খায় না কিন্তু তাই বলে শুধু জুতা বানানোর জন্য
গরু হত্যা করে কিনা আমার জানা নেই । আর
ঢোল । ঢোল ছাগলের চামড়া দিয়ে তৈরি । আর
কেউ যদি গরুর চামড়া দিয়ে তৈরি ও করে সমস্যা
নেই ঐ যে উপযোগিতা । যেমন মৃত মানুষের অঙ্গ
প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করলে তাকে অসম্মান করা হয়
না কিন্তু হত্যা করাটা অসম্মানের । তাতেও
বুঝাতে পারলাম না ।
*হুজুর আবার জিজ্ঞেস করলেন, " একটি প্রাণী
মানুষের মা হয় কেমনে"? আমি বললাম এখানে মা
শব্দটি রূপক। গরু আমাদের দুধ দেয় ,অন্ন যোগাড়ে
সহায়তা করে ।তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বশতঃ রূপক
অর্থে আমরা মা বলে সম্বোধন করি।হুজুর 'রূপক'
শব্দটি ঠিক বুঝল না।আমি বললাম "আপনার মা
আপনাকে "আয় আয় চাঁদ মামা" কবিতাটি
পড়িয়েছে"। হুজুর:" হাঁ"। তাহলে তো আপনার মা
আপনাকে ভুল শিক্ষা দিয়েছে।একটি বস্তু
মানুষের মামা হয় কেমনে?
~পায়ে চামড়ার জুতা হুজুর কোনোভাবেই মানতে
পারল না।আমি বললাম "এই দেশ আমাদের মায়ের
মতো। পায়ে এতই সমস্যা থাকলে আপনি পা
নিয়ে মাটিতে চলবেন কিভাবে? পা কে এতই
ছোট মনে করলে সেই পা নিয়ে মসজিদে উঠেন
না । বাইরে খুলে রেখে যাবেন।
এবার বিজ্ঞ হুজুর জিজ্ঞেস করে বসলেন, "
আপনেরা গরুর মাংস খান না দুধ খান কেন? আমি
বললাম , " আপনি কখনও মায়ের দুধ খেয়েছেন ।
হুজুর, " হাঁ " । আবার জিজ্ঞেস করলাম , আপনি
কখনও মায়ের মাংস খেয়েছেন । হুজুর চুপ । হয়ত
বুঝে নাই । কি করে বোঝাই মাংস খাওয়া আর দুধ
খাওয়া এক না । পরে আমিই হুজুর বুঝবে না বলে
পণ ধরেছে । আরো একটি ব্যর্থ চেষ্টা।
¤▶আবার অনেক ছাগল ( রূপক অর্থে ) জিজ্ঞেস
করে, " গরু যদি মা হয় তাহলে বাবা কে ?" আমি
তাদের জিজ্ঞেস করি ,"সূর্য বা চাঁদ যদি মামা
হয় তাহলে নানা কে" ?সনাতন ধর্মই মাকে সর্বোচ্চ আসনে
অধিষ্ঠিত করেছে।এক মাত্র সনাতন ধর্মেই মাকে
পূজা করা হয়। রূপক অর্থে দেশ ,মাটি, গরুকে মা
বলে সম্বোধন করা হয়।বন্দে মাতরম।
ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাই-
একটু ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাই-
মহম্মদ ঘোরি পৃথীরাজ চৌহানকে ছলনা করে মেরেছিল;ছলনা করে যুদ্ধ করে কাপুরুষরা-বীরেরা করে না।
ছত্রপতি শিবাজীকেও আফজল খাঁ ছল-কপট করে মারতে চেয়েছিল-ম্লেচ্ছদের চেষ্টা সফল হয়নি।
মহম্মদ ঘোরি থেকেই মুসলিম আধিপত্যের বিস্তার হয়।কিভাবে?
প্রচুর হিন্দুকে কোতল করে,মন্দিরের পর মন্দির ধ্বংস করে;ধন-সম্পদ লুঠ করে,একের-পর এক এলাকা ইসলাম কায়েম করতে থাকে! এই সময় প্রচুর হিন্দু মেয়েকে গনিমতের মাল হিসাবে হারেমে রেখে নির্যাতন করা হত যা আজ আইএস করছে, খারাপ দেখতে যারা তাদেরকে নিলাম করে দেওয়া হত! এই খারাপ দেখতে যারা তাদের ঔরসে যাদের জন্ম তারাই এখনকার মুসলিম।এই মুসলিমরা বরাবরই আরবের দিকে তাকিয়ে থাকে;দেশের দিকে তাকানোর সময় কই!অতীত নিয়েই যাদের কালচার তারা ভবিষ্যতের দিকে কি তাকাবে?
1921 খৃষ্টাব্দে হিন্দুদের উপর ভয়াবহ অত্যাচার চালায় মুসলিমরা।বহু ধর্মশালা,মন্দির,বাড়ি জালিয়ে দেওয়া হয়,মেয়েদেরকে ধর্ষন করা হয়;বাচ্চাদের আছরে মেরে ফেলা হয়!
1946 সালের 10 ই অক্টোবর বাংলাদেশের নোয়াখালিতে শারদীয়া উৎসবের পর-পরই মুসলিমরা হিন্দু নিধনে মেতে ওঠে!পৃথিবীর ইতিহাসে এতো ভয়ংকর দাঙ্গা আর কখনোই ঘটেনি!!
খোদ কলকাতার বুকে নরমেধ যজ্ঞ হয়েছিল! দিনের বেলায় হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করা হয় নির্মম ভাবে!লাশের পাহাড়,স্থূপ পড়ে থাকে রাজপথে!ইতিহাসেরপৃষ্ঠায় তার নাম "The great calcutta killing ", বা " Direct action day " বাংলাতে বলা হয় " দীর্ঘ ছুরিকার সপ্তাহ " |1946 এর 16 ই আগস্ট| একটিই নাম পেয়েছেন!
স্বাধীনতার আগে থেকেই হিন্দু নিধন যাদের শিরা-উপশিরায় প্রবাহিত-তারা ব্রিটিশের সাথে যুদ্ধ করবে?পাগলের পলাপ নাকি!
কি ভেবেছেন ঐ জাতটার সেই আদর্শ কি নষ্ট হয়ে গেছে?-না,তাহলে আজ দেগঙ্গা,ক্যানিং,উস্তি,মল্লিকপুর ঘটত না।
তাই বলছি,
দেখ ভাই-বিলিভ ইট অর নট,
পশ্চিমবঙ্গেরর মসলমানরা মনে প্রাণে চায় পশ্চিমবঙ্গ চিরকাল ধর্মনিরপেক্ষ থাকুক আর বাংলাদেশ ইসলামি দেশ হোক। যা তারা প্রকাশ্যেই বলছে।
অদূর ভবিষ্যতে এর আরও প্রমাণ পাবেন।মিলিয়ে নিবেন....
#RSS-Rashtrawadi_Shiv_sena
Friday, 2 October 2015
পুরোটা_পড়ুন। PLZZ.....
#পুরোটা_পড়ুন। PLZZ.....
আমার কাছে একজন একজন ছেলে এসে বলল দাদা আপনি কি মনে করেন না আপনারা যাকে ভগবান বলছেন মানে কৃষ্ণকে তিনি এমন কিছু কর্ম করেছে যার জন্য আমাদের অন্য ধর্মের কাছ থেকে কথা শুনতে হয় ।
আমি বললাম কি রকম
#ছেলে– এই ধরুন কৃষ্ণ ১৬১০৮টি বিয়ে করেছে যাতে তিনি দেখিয়ে গেছেন বহুবিবাহ করলে বা বহু নারীদের ভোগ করলে কোন সমস্যা নয়, তিনি এর মাধ্যমে আমাদের বহুবিবাহের সাপোর্ট দিয়ে গেলেন ।
#আমি – না কথাটি ঠিক নয়, প্রথমে আপনাকে মানতে হবে কৃষ্ণ ভগবান । তার প্রমাণ তার কর্মের মাধ্যমে দিয়ে গেছেন । ২য় আপনাকে তখনকার অবস্থান আপনাকে বুঝতে হবে ।
#ছেলে – কি রকম?
#আমি – যেমন ধরুন আপনার কোন বোনকে কেউ তুলে নিয়ে গেল সে ২ বা ৩ রাত কাটিয়ে বাসায় এল তখন আপনার কেমন লাগবে?
#ছেলে – খারাপ লাগবে
#আমি – এমনকি সমাজে এটা জানাজানির পর আপনার বোনকে আপনি কোথায় বিয়ে দিতে পারতেন বা কেউ এসব কথা শোনার পর বিয়ে করতে আসত
#ছেলে – না
#আমি – বরং এই সমাজ উলটো আপনার বোনকে বলত ছিঃ ছিঃ কোন পর পুরুষের সাথে রাত কাটিয়ে এসেছে । ঠিক বলত কিনা ?
#ছেলে – হা বলতো
#আমি – ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে তখনকার সময়, নরকাসুর নামে এক অসুর ১৬০০০ কুমারীদের মাসের পর মাস বন্দী করে রেখেছিল, তখন কৃষ্ণ সেই নরকাসুরকে মেরে তাদের মুক্ত করেছিল, তখনকার সমাজ ব্যবস্থা তাদের কেউ গ্রহন বা স্বীকৃত দিতে চাই নি তাই ১৬০০০ কুমারীদের প্রার্থনায় কৃষ্ণ সকলকেই বিবাহ করে তাদের সমাজে স্বীক্রিত দিল । শুধু তাই না তিনি যে ভগবান তারও প্রমাণ দিলেন ।
#ছেলে – কিভাবে?
#আমি – ভগবান এই ১৬১০৮ জনের জন্য ১৬১০৮টি প্রাসাদ বানিয়েছিলেন যা একজন মানুষের পক্ষে অসম্ভব, কৃষ্ণ একইসাথে একইটাইমে ১৬১০৮টি কৃষ্ণ হয়ে ১৬১০৮টি প্রাসাদে ১৬১০৮ জন মহিষীদের সাথে অবস্থান করতে পারতেন কিন্তু কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব ? এমনকি তাদের কোন অভাব ছিল না । এবার আপনি বলুন তাদের বিবাহ করে কৃষ্ণ ঠিক কাজ করেছে নাকি ভুল ।
#ছেলেটি চিন্তিত হয়ে বলল – হা ঠিকই করেছে
#আমি – তাছাড়া ভগবানকে আমরা অনুসরন করব কিন্তু অনুকরন নয় । যেমন শিব বিষ খেয়েছে তাই বলে আমরা বিষ খেতে পারি না কারন শিবের সেই যোগ্যতা আছে কিন্তু আমাদের নেয় তেমনি কৃষ্ণের যোগ্যতা আছে ১৬১০৮ জনকে বিয়ে করতে শুধু ১৬ হাজার কেন আরো বেশি করতে পারে কারন তিনি ভগবান কিন্তু আমার ভগবানের মত যোগ্যতা নেয় তাই আমি ২টি বিয়ে করলে তাদের সামলাতে আপনার কষ্ট হয়ে যাবে । তাই মানুষের কি কর্তব্য তা তিনি শাস্ত্রে বলেই দিয়েছেন ।
<3 #HARE_KRISHNA <3
সাম্যবাদ-৩
#সাম্যবাদ-৩
নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া কৈশোর - দীপু বিশ্বাস, তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তাকে গ্রেফতার করেছে বাঙলাদেশের বীর পুলিশবাহিনী !
তার অপরাধ ফেসবুকে ইসলাম অবমাননা হয় এমন মন্তব্য করেছে সে ! এতে ভয়াবহভাবে আহত হয়েছে কতিপয় মানুষের ধর্মানুভূতি !!
নিচের অংশটুকু কষ্ট করে পড়ুন-
~
" ফেসবুকে দীপুর কথিত এক মন্তব্যে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই মন্তব্যে ‘ইসলামের অবমাননা হয়েছে’ অভিযোগ করে সন্ধ্যার পর সিংড়া বাজার থেকে মিছিল নিয়ে দিপুর বাড়িতে হামলা করতে যায় একদল লোক। এ সময় স্থানীয় সিংড়া ফাঁড়ি ও শালিখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ সুপার একেএম এহসানুল্লাহসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে দিপুকে গ্রেফতার ও শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিলে এলাকাবাসী শান্ত হয়।"
~
ছেলেটা কিছু একটা লিখেছে, মেনে নিলাম। মেনে নিলাম তার লেখা আপনাদের কষ্ট দিয়েছে, আপনাদের ধর্মানুভূতি আহত হয়েছে। কিন্তু আমার জিজ্ঞাসা,
"আপনারা কি শুধুই একেকজন মুসলিম? কখনো কি মুসলিম- ট্যাগটা সরিয়ে একজন সত্যিকার মানুষ হতে পেরেছেন?বা হতে চেয়েছেন?"
দীপু কেন এরকম লিখা লিখলো সে প্রসঙ্গে পরে আসছি। আগে বলি,
সাম্প্রদায়িকতারমতো এতো জটিল আর দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ সম্পর্কে কিইবা বুঝে এই কিশোর ছেলেটা?
নিঃসন্দেহে সে নাস্তিক নয়, কারণ এই বয়সে নাস্তিকতার মতো একটা গুরুতর ধারণা বা মতবাদ সম্পর্কেও তার দক্ষতা থাকার কথা নয়।
তাহলে বলতে পারি অনেকটা বয়সের স্বাভাবিক উত্তেজক প্রতিক্রিয়া বা অপরিণামদর্শীতারফলই তার এই কথিত ইসলাম অবমাননা।
তাহলে এ কেমন সমাজ? এ কেমন মূল্যবোধ যা একটা অবুঝ কিশোরের একটা ভুলকে (ধরে নিলাম সে প্রকৃতপক্ষেই ভুল কিছু লিখেছিলো) মমতা আর উদারতায় ক্ষমা করে দিতে পারে না?
এ কেমন সমাজ যা অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরের ক্ষেত্রে একটিবারের জন্য ধর্মান্ধতার শৃঙ্খল ছিড়ে "মানুষ" হয়ে উঠতে পারে না?
~
হাস্যকর লাগলো পড়ে যে এই তুচ্ছ ঘটনায় ওর বাড়িতে পর্যন্ত হামলা করতে গিয়েছিলেন বীর পুরুষেরা, অতঃপর প্রশাসন "শাস্তির"(!!!) নিশ্চয়তা দিলে তারা শান্ত হয় !
হায়্রে আমার সোনার সমাজ !!
.
এবার আসি দীপু বিশ্বাসদের উত্থান এবং তাদের এহেন ধর্ম অবমাননার কারণ প্রসঙ্গে ।
~
খুব সংক্ষেপে কোন প্রকার ভনিতা ছাড়া বললে বলতে হয়, আমাদের দেশে শত শত দীপু বিশ্বাস উত্থানের কারণ এই সমাজের লাখো কুৎসিত- বিকৃত, সাম্প্রদায়িক মনোভাবের মৌলবাদী শক্তি - যাদের একেকটা অংশকে আমরা "ফারাবি শফিউর রহমান" নামে চিনি!
-এই ফারাবি'রা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে শত শত দীপু বিশ্বাসদের তৈরী করছে তাদের হিংসাত্মক আর নোংরা সাম্প্রদায়িক লেখনী দ্বারা!
আপনি একবার ফারাবিদের লেখা পড়েন, আমার কথার সত্যতা পাবেন।
এই সমাজ ফারাবিদের, তারা জানে তাদের শক্তির বাহার, জানে বাঙলাদেশ তাদের, আর তাই প্রত্যেকটা লেখায় যথেচ্ছভাবে অপমান করে চলেছে একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে!
~
নাহ, রাষ্ট্রের সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করার ফুরসৎ নাই!
কেননা দীপুদের গ্রেফতার করে শেষ করা যায়, কিন্তু ফারাবিদের গুণেও শেষ করা যায় না!
দীপু বিশ্বাসের মতো একজন অবুঝ- অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে গ্রেফতার করায় বোঝা গেলো রাষ্ট্রযন্ত্রে কি পরিমানে মরীচা জমে গেছে! এই রাষ্ট্রযন্ত্র সচল নয়, হতে পারে না; বিকল- অথর্ব এই রাষ্ট্রযন্ত্র!
এই রাষ্ট্রযন্ত্র অন্ধ, এরা সরলমনা দীপুদের চেনে,কিন্তু তাদের যারা সৃষ্টি করে; যারা তাদের নিষ্পাপ মনে হিংসার বীজ বপন করে ; হিন্দুদের "মালাউন" নামক ভুল আর বিকৃত শব্দে আক্রমণ করে, তাদের বিশ্বাসের মূল বস্তু-ঈশ্বর, দেবদেবীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে যারা প্রতিনিয়ত হিন্দুদের অনুভূতিতে নির্দয়ের মতো আঘাত করে চলেছে সেই শফিউর ফারাবিদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্র নির্বিকার - অলস- অকর্মণ্য !!
~
মাননীয় রাষ্ট্রযন্ত্র,
৫৭ ধারা কি শুধু হিন্দু আর নাস্তিকদের জন্য?
তাহলে এক কাজ করুন,সর্বাগ্রে ৫৭ ধারাকে জোরপূর্বক মুসলমানি করে মুসলমান করে নিন।।
কপি #অভিজিৎ
মুসলিমকে গো-হত্যার মিথ্যা অভিযোগে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে অনেক কথা বলা হচ্ছে..
যেখানে উত্তরপ্রদেশে একটা মুসলিমকে
গো-হত্যার মিথ্যা অভিযোগে পিটিয়ে মারা
হয়েছে বলে অনেক কথা বলা হচ্ছে.. কিছু
হিন্দুকেও দেখলাম নিজের ধর্ম নিয়ে বাজে
কথা বলছে.. RSS, BJP, VHP, হিন্দু
সংগঠনকে নিয়েও অনেক বাজে কথা বলছে..
আমি তাদের নাম না করে তাদের উদ্দেশ্যে
শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই.. তোমরা
আদৌ তোমাদের ধর্মকে ভালোবাসো
তো?? দেখো Secularism কে সাপোর্ট
করা খারাপ না.. কিন্তু সেই সাপোর্টটা সব
ধর্মের ক্ষেত্রে সমান হওয়া চাই.. তবেই
তাকে বলে ধর্মনিরপেক্ষতা.. এই যে
মুসলিমদের হয়ে এত কথা বলছো.. যখন
হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত হানা হয় তখন
কটা মুসলিম হিন্দু ধর্মের হয়ে কথা বলে??
গনতান্ত্রীক দেশ.....কোন দেশটাকে
গনতান্ত্রীক দেশ বলতে চাইছো......যেখানে
উস্তি, রাজাবাজার, ক্যানিং এর হিন্দু
পেটানোর খবর চেপে যাওয়া হয়.....নদিয়ায়
তিনজন বৈষ্ণবকে মুসলিমরা পিটিয়ে মেরে
ফেলল তখন কোথায় ছিলো তোমার ধর্ম
নিরপেক্ষতা?? .....আজ মুর্শিদাবাদের
অবস্থাটা দেখেছো একবার, কোনও হিন্দু
সেখানে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারছে
না.....যেখানে মালদায় মহিলা রাজ্য ফুটবল
খেলা বন্ধ করে দেওয়া হয় ফতোয়া
দিয়ে......যেদেশে কাশ্মীর নামক একটি রাজ্যে
হিন্দু নিধন চলে অথচ আমরা চোখে কিছু
দেখি না.....মুসলিম জঙ্গি বুক ফুলিয়ে
অবজ্ঞার সুরে বলে " হিন্দুওকো মাড়নে মে
বহুত মজা আতা হ্যায় ".......যেখানে মুসলিম
নেতা আকবর উদ্দিন ওয়েসী উন্মাদ মুসলিম
জনসভায় বির দর্ভে ঘোষনা করে যে 15
মিনিট সময় পেলে 100 কোটি হিন্দু কোতল
করে দেবো.......লাইক পাবার জন্য আমরা
অনেক সত্যকে লুকিয়ে ফেলি.....এটাই হলো
নির্লজ্জ সেকুলারিজম.....গো-হত্যার কথা
বলছিলে না?? আমি বলছি তোমাকে আমাদের
ধর্মে গোরুর প্রয়োজনিয়তা.. এমন একটা
সময় ছিলো যখন এদেশের প্রতিটি অঞ্চলে
তথা গ্রাম বাংলার কোন পরিবারই গরুহীন
ছিলো না। প্রায় প্রতিটি পরিবারের এক বা
একাধিক গরু এবং গরু রাখার গরুঘর, বাড়ী
সামনে বা পেছনে খড়ের চিন শোভা পেত।
সম্ভবতঃ বছর ত্রিশ কিংবা পঁয়ত্রিশেক
আগেও কম বেশী এধরনের অবস্হা দেখা
যেত।
আজ আর সে রকম দেখা যায় না। তবে
সমাজের প্রতিটি পরিবারে গরু গুলোর মধ্যে
গ্রামের হিন্দু পরিবারের গরুগুলি অধিক যত্ন
আত্তি পেত। যত্ন বললে ভুল হবে, বলা যায়
নিয়মিত পূজা পেত। আমি আমার মা
ঠাকুমাকে দেখতাম প্রতিদিন সন্ধ্যায় গরুর
পা শুদ্ধ জল ধুঁইয়ে দিতে, গরুর গায়ে ও ঘরে
ধূপ দিতে গরুকে প্রনাম করতে। এছাড়াও
বিশেষ বিশেষ দিনে গরুর পা ধুইয়ে কপালে
সিঁদুরের ফোঁটা ও গায়ে চালের গুঁড়োর ছাপ
দেয়া হতো। নতুন ধানের চাল গুঁড়োর পিঠা
বানিয়ে গরুকে খাওয়ানো হতো এবং
নিজেদেরও খাওয়া হতো। হিন্দুবাড়ীতে
নতুন গরু কিনে আনার পর পা ধুইয়ে সিঁদুরের
ফোটা দেওয়া হত। চৈত্র সংক্রান্তিতে
পরিবারের বাচ্চাদের নতুন জামা কাগড়ের
সাথে গরুর জন্য কেনা কিংবা তৈরী করা
হতো নতুন দঁড়ি। এভাবে গরুর প্রতি যথাযথ
সম্মান দেখানো হত বলেই হিন্দুরা বংশ
পরম্পরায় আজও তাদের গো-মাতাকে
সম্মান দিয়ে আসছে.... সনাতনী সংস্কৃতিতে
(১) গরু, (২) সংস্কৃত ভাষা (দেবভাষা) ও
গীতা – এতিনটি সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ও
বিশেষ স্হান দখল করে আছে। বলা হয়ে থাকে
ভগবান বিষ্ঞুর বাহন গোমাতা (গাভী)।
অন্যদিকে শিবের বাহন বৃষ (ষাড়), মূলতঃ
একারণেই গরুকে সম্মানের চোখে দেখা হয়।
শাস্ত্রীয় মতে দুগ্ধবতী গাভীকে মনে করা
হয় **‘মাতরঃ সর্বভূতানাং গাবঃ
সর্বসুখপ্রদাঃ’ অর্থাৎ সর্বভূতের মাতা
বলে। চৈতন্যদেব গরু বিষয় বলেছেন –
**‘গো দুগ্ধ খাও তাই গাভী তব মাতা। বৃষ
অন্ন উপজায় তাহে তেহ পিতা’।..... **“বেদ,
উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ, স্মৃতি
সকল শাস্ত্রে গোজাতির প্রতি অসাধারণ
সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে।..... তবে
এদেশের মূল সমস্যা হলো দেশে গরু পালন
গনহারে কমে গেছে। এদেশের আজ থেকে
৩০-৩৪ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে মাত্র
১০ ভাগ গরুও অবশিষ্ট নেই বিধায়
এক্ষেত্রে বড় বাঁধা।.... গরুর প্রতি হিন্দু
সম্প্রদায়ের এধরনের সম্মান, শ্রদ্ধার
ধর্মীয় কারণ বলা হলেও মূলতঃ এর
অর্ন্তনিহিত কারণ বৈজ্ঞানিক ও
প্রয়োগিক কারণ।.... এককথায় মানুষের
খাদ্য সরবরাহের তথা কৃষিজ উৎপাদন, সুষম
পুষ্টি যুক্ত খাদ্যের যোগান, সবোর্পরি
প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গো সম্পদের
অবদান অপরিহার্য। মূলতঃ এসব কারণে
আদি ঋষিগন গোসম্পদ নিধন করার
পরিবর্তে রক্ষায় ও প্রকৃতিতে এর
উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের
অনুসারীদের নানা ভাবে নিদের্শ দিয়ে গেছেন
এভাবে – গরুকে স্পর্শ করলে পাপ দূর হয়,
গরুর সেবা করলে বিত্তলাভ হয়, গো-দান
করলে স্বর্গলাভ হয়; গরুর মস্তকে ব্রহ্মা,
স্কন্ধে শিব, পৃষ্ঠে নারায়ণ এবং চরণে বেদ
সমূহ অবস্থান করেন। গাভীর লোমে
অন্যান্য দেবতারা অবস্থান করেন।
আমি হিন্দুধর্ম নিয়ে গবেষণা করি..
হিন্দুধর্মকে আমি শ্রদ্ধার চোখে দেখি..
তাই হিন্দুধর্ম নিয়ে কেউ বাজে কথা বললে
কষ্ট হয়.. গো-মাতাকে নিয়ে আমাদের একটা
আবেগ আছে যার জন্য আমরা হিন্দুরা গো-
হত্যার প্রতিবাদ করি... হিন্দু ধর্মকে
তোমরা সাপোর্ট করবে কিনা, গো-হত্যার
প্রতিবাদ করবে কিনা তোমাদের ব্যাপার..
তবে একটা কথা মনে রেখো Secularism
কে সাপোর্ট করছো ভালো কথা কিন্তু
পরে এমন সময় না আসে যে তোমাদের
নিজেদের ধর্মের লোক তোমায় সাপোর্ট
করবে না..
সত্যম শিবম সুন্দরম
সত্যম শিবম সুন্দরম।সত্যকে জানতে হবে,ধারন করতে হবে না হলে শেষ হয়ে যাবি,যাচ্ছিস তিলে তিলে!!!!!!!!!
'
'
'
'
হিন্দুজাতি আজ বহুধায় বিভক্ত।কেউ বৈষ্ণব,কেউ শৈব,কেউ বা
অনুকুল ঠাকুর ,কেউ বা হরিচাঁদ ঠাকুর, কেউ বা রাম ঠাকুর।
কেউ বা বাল্মিক ,কেউ বা রুহিদাস , কেউ বাবা লোকনাথ।
শাক্ত।কেউ হরে কৃষ্ণ জপছে,কেউবা জগবন্ধু,কেউ আবার রামকৃষ্ণ!
কেউ দুর্গাপুজাকে প্রধান মানছে,কেউবা কালীপুজা,কেউ আবার
গনপতি বাপ্পা! অথচ সবার মধ্যেই আশ্চর্য মিলটা কি জানেন?
কেউ ই নিজেদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ,নিজেদের সংবিধান,মানবতার
গ্রন্থ,মানবজাতির সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পবিত্র বেদ পড়ছেনা,পড়ার
বা জানার চেষ্টাও করছেনা,মানছেওনা! অপরদিকে যারা এটি
জানার,এটিকে মানার চেষ্টা করছে সেই আদি অকৃত্রিম
বৈদিকধর্মের অনুসারী বৈদিকদের ই উল্টো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে
হচ্ছে,"আপনারা কার বা কিসের অনুসারী?" এর উত্তরও বিশ্বকোষ
বেদ দিচ্ছে সুনিপুনভাবে-
"আমি অনুসরন করি ন্যয়ের পথ ঠিক যেভাবে সূর্যরশ্মি সকলকে
আলোর পথ অনুসরন করায়।আমি অগ্রসর হই সত্যের পথে।আমি অনুসরন
করি সপ্তর্ষির পথ,পবিত্র বৈদিক ঋষিগনের পথ,ব্রহ্মের কর্তৃক
প্রবর্তিত পথ,বেদ কর্তৃক প্রদর্শিত পথ!এটিই আমার শক্তি ও
শান্তির গৌরব ও মর্যাদা এনে দেয়!"
(অথর্ববেদ ১০.৫.৩৭-৪০)
বৈদিকরা কোন মানুষের,কোন প্রভু বা গুরুর বানানো মত বা পথের
অনুসারী নয়।সৃষ্টির শুরুতে সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রদর্শিত যে
ন্যয়,মানবতা ও যৌক্তিকতার পথ তথা বৈদিক পথ যা সকল বৈদিক
ঋষিগন পালনের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন,আমরা সেই
পথের ই অনুসারী।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ
Subscribe to:
Posts (Atom)