http://zeenews.india.com/bengali/nation/isis-threats-air-india_133723.html
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 24 November 2015
দাঙ্গাবাজ উইঘুর মুসলিমদের দমন
Mar dala allah mar dala.300 imam fasi
dilo.r 50 er age haj kora
bondhoচীনের মুসলিম প্রধান জিনজিয়াং
প্রদেশে দাঙ্গাবাজ উইঘুর মুসলিমদের দমনে
চীনা সরকারের গৃহীত কিছু পদক্ষেপ। সবাই
শেয়ার করুন। .
১.. ১৮ বছরের আগে কোন মুসলিম ছেলে মেয়ে
মসজিদে যেতে পারবে না।
২.. কোন মুসলিম সরকারি কর্মচারী ,শিক্ষক
এবং ছাত্র রোজা রাখতে পারবে না।
৩.. চাকরীর সময় নষ্ট করে নামাজ পরলে চাকুরী চলে যাবে।
৪.. মেয়েদের বোরখা ও হিজাব পড়া এবং
ছেলেদের দাড়ি রাখা সম্পূর্ন নিশিদ্ধ।
৫.. সমবেত হয়ে কোরান হাদিস সহ কোনো
ইসলামি গ্রন্থ পড়া যাবে না।
৬.. আরবী নাম রাখা নিশিদ্ধ। বর্তমানে যাদের আরবী নাম আছে তাদের অতিদ্রুত তা
পরির্বনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
.
তাছাড়া কোনো বোরখা পড়া মহিলাকে
গাড়িতে তুললে, চালককে জরিমানা দিতে
হবে। রোজার সময় বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়, কেউ রোজা রেখেছে কিনা তা
দেখার জন্য।
.
শুনে মনে হতে পারে এটা কিছুটা অন্যায়।
কিন্তু একটু লক্ষ করতে হবে এই উইঘুর মুসলিম
সম্প্রদায় হচ্ছে বহিরাগত। এরা তাদের শান্তির ধর্ম প্রচারের নামে স্থানীয় হান
সম্প্রদায়ের সাথে দিন রাত দাঙ্গা
বাধাতেই থাকে।
.
চীন সরকার ভালো ভাবেই বুঝতে পেরেছে এই
দাঙ্গাবাজদের প্রশ্রয় দিলে কি হতে পারে। মুলত তাই এই সব ব্যবস্থা।
মুসলিমরা এই দেশকে ভালোবাসে না
মুসলিমরা যে এই দেশকে ভালোবাসে না, এই দেশকে নীজের দেশ ভাবে না তারই আর একবার প্রমান দিল "আমির খান", আমির খান কাল জানায় "তিনি এই দেশের ব্যাবস্হা পছন্দ করেন না, এই দেশকে পছন্দ করে না, তাই এই দেশে থাকতে চান না" অভিনেতা অনুপম খের এবিষয়ে আমির খানের উদ্দেশ্যে টুইট করে বলেন- "এই দেশই তাকে আমির খান বানিয়েছে, তাকে পাকিস্তান বানায়নি, সে যদি সত্যি দেশকে ভালোবাসত তাহলে দেশ ছাড়ার কথা বলত না"
তাহলে এবার আপনারাই বলুন আমাদের বিপ্লবীরা, দেশপ্রেমিরা সারাজীবন বলে " আবার যদি জন্মাই তবে এদেশেই যেন জন্মাই" আমাদের দেশের হাজার সমস্যা থাকলেও আমরা বিশ্বের কাছে আমাদের দেশের অপমান করিনা, উল্টে বলি "আমাদের দেশ মহান", আসলে এইসব ভাবধারী মুসলিমদের পোদে লাথি মেরে এই দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে হয়, এরা এদেশের খাবে, এদেশের পড়বে, আর এই দেশের বদনাম গাইবে, আর এইদেশের ক্ষতি করার জন্য নানা মুসলিম জঙ্গি সংগঠনে টাকা পাঠাবে, কই আমরা তো মরে গেলেও এদেশের বদনাম গাইনা, আমরা এদেশের জন্য জীবন দিতে পারি, কারন এটা আদি কাল থেকে হিন্দু রাষ্ট্র, আর হিন্দুর বেইমান হয়না, নীজের ভারতমায়ের অপমান করে না, নীজের জীবন দিয়ে ভারতমায়ের রক্ষা করে,
**দয়া করে পোষ্টটি শেয়ার করবেন
# হিন্দুরাষ্ট্র_ভ ারতমাতা_কী_জয়
পশ্চিমবঙ্গে সদস্য নিয়োগে তৎপর আইএস!
ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর এবার লক্ষ্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মতে, অল্পবয়সী যুবকদের নানা বাহানায় আইএস তাদের নিজেদের দলে টানতে পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে ভাল জায়গা আর নেই। জেহাদি কর্মকাণ্ড ছড়াতে আইএস কেবলমাত্র ইন্টারনেট কিংবা টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর ওপরেই নির্ভর করে নেই, বরং এই যুবকদের নিয়োগ করতে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে এই সন্ত্রাসী সংগঠনটি তাদের লোক পাঠিয়েছে বলে খবর।
ভারতের কোন কোন জায়গায় আইএস প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে সে ব্যাপারে সম্প্রতি দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার সেল একটি জরিপ করে। সেই জরিপেই দেখা যায় সন্ত্রাসীদের মানচিত্রে দ্রুত উঠে আসছে পশ্চিমবঙ্গের নাম।
আইএস সংগঠনটি অল্পবয়সী যুবকদের নিজেদের সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করতে দেশটির যে জায়গাগুলো তাদের বেশি পছন্দ তার মধ্যে শ্রীনগর, গুয়াহাটি, পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়’এর পরেই ৪ নম্বরে আছে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলা। এই জেলার ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়স্ক যুবকরাই মূলত অনলাইনের মাধ্যমে আইএস-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে বলে খবর।
যুবকদের আকৃষ্ট করতে এই সন্ত্রাসী সংগঠনটি কেবলমাত্র বাংলাতেই তাদের প্রচার চালায়নি বরং গত দুই মাস ধরে নিজেদের প্রচার বাড়ানোর জন্য নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও প্রচুর আইএস পোস্টারও আটক করেছে গোয়েন্দারা।
যদিও জেলা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি। তবে সূত্রে খবর সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো থেকে প্রায় ১৪৭টি আইএস পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে ১১টি এবং নদীয়া জেলা থেকে ৬টি আইএস পোস্টার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই পোস্টারগুলোতে ভারতে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্য পৃথক ‘মুঘলস্থান’ রাজ্য গঠনের ডাক দেওয়া হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয় ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে সতর্ক করেছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য যে ক্রমশ সন্ত্রাসবাদীদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠছে এ বিষয়ে সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংও। কিন্তু সতর্কবার্তা সত্ত্বেও রাজ্যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের ওপর লক্ষ্য রাখতে এখনও পর্যন্ত কোন সাইবার সেল গঠন করে উঠতে পারেনি রাজ্য সরকার।
গত একবছরের বেশি সময় ধরে ভারতে তাদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে আইএস সন্ত্রাসী সংগঠন। গোয়েন্দারা বলছেন, এদেশে আইএস এখনও বড় আঘাত হানতে পারেনি। তাছাড়া ভারত থেকে হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন মুসলিম যুবক এই সংগঠনে যোগ দিয়েছে। কিন্তু তার পরেও বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। http://www.bd-pratidin.com/international-news/2015/11/23/111427
ভারতের সমস্যা কি মুসলমানদের নিয়ে?
ভারতের সমস্যা কি মুসলমানদের নিয়ে? না অন্যভাবে ভাব্বেন না আমি কিন্তু মুসলমানদের গুনগান বা তাবেদারি করতে চাইছি না। অবিভক্ত ভারতে মোগলরা শাসন করেছে ৭০০ বছর ইংরেজরা ২০০ বছর। একবার কি ভেবেছি তাঁরা আমাদের শাসনের মধ্যে দিয়ে শোষণ করলো কিভাবে কোন শক্তি বলে? আচ্ছা তখন কি হিন্দুরা সংখ্যা লঘুছিল ভারতে? না ছিলো না। হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্টই ছিলো। তা সত্বেও কিন্তু এই হিন্দুদের ওপর খবরদারি করে রাজত্ব চালিয়েগেছে মোগল ও ইংরেজরা। কারন এক্টাই সংখ্যাগরিষ্ট হিন্দু একত্রিত ছিল না। ছত্রভঙ্গ অবস্থায় থাকার কারনেই তাঁরা রাজত্ব চালাতে পেরেছে শুধু তাই নয় অনেক হিন্দুরা তাঁদের সাহায্যও করেছে। ঠিক আজও একই ভাবে চলে আসছে আশঙ্কা তাই আবার না হিন্দুরা পরাধীনতার নাগপাশে আবদ্ধ হয়। দেখুন আজও কিন্তু হিন্দুরা ছত্রভঙ্গ অবস্থায় রয়েছে যেমন কংগ্রেসী হিন্দু, বামপন্থী হিন্দু, তৃনমুলী হিন্দু, জনবাদী হিন্দু, লালুবাদী হিন্দু। মুলায়মবাদি হিন্দু, আম্মাবাদী হিন্দু, বহিনজীবাদী হিন্দু, ঠাকরেবাদী হিন্দু, বিজেপি হিন্দু, আরো কত কতবাদী হিন্দু আবার সর্বধর্ম সমন্বয়কারি হিন্দু।
হ্যাঁ বলতেই পারেন মুসলমানরাও তো বিভক্ত একই ভাবে কিন্তু আজ যদি ইমাম বুখারী মুসলমান সমাজ কে ডাক দেন তখন ববি হাকিম, সুলতান আহ্মেদ, মহম্মদ সেলিম, আব্দুল মান্নান রা একত্রীত হয়ে বসে একই সুরে দাক ছারবে আল্লা হু আকবর দুনিয়ার মুসলমান এক হও। কিন্তু কোন হিন্দু যদি একই ডাক ছারে তখন মমতা ব্যানার্জী থেকে অধীর চৌধুরী হয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য কিম্বা রাহুল সিনহারা সবাই আলাদা আলাদা কারন সবাই আলাদা আলাদা হিন্দু। এবার ভাবুন এই হিন্দু কবে এক হবে সেদিন হিন্দুস্থান পুনরায় স্বাধীন হবে। *** জাগো হিন্দু জাগো*** -------সুপ্রিয় ভদ্র। আপনাদের মতামত এর অপেক্ষায় থাকলাম।
ITALY: Muslim Students Refuse to Observe Moment of Silence for Paris Victims - The Gateway Pundit
http://www.thegatewaypundit.com/2015/11/italy-muslim-students-refuse-to-observe-moment-of-silence-for-paris-victims/
বোকো-হারাম
বোকো-হারামের হাতে অপহৃত 214 জন কিশোরী এখন মুক্ত, কিন্তু তারা প্রত্যেকে গর্ভবতী I গোটা বিশ্বে সন্ত্রাসের বীজ বপন করার জন্য জিহাদিদের এখন নতুন অস্ত্র Sex-Jihaad.. যত পারো ধর্ষন করো আর মেয়েদেরকে গর্ভবতী বানিয়ে নিজেদের # জেহাদী_জীনবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দাও !
দুঃখের বিষয় এসব দেখে শুনেও বাম-লিবারালরা মার্কিন সম্রাজ্যবাদের তত্ত্ব তুলে এদেরকে নির্লজ্জের মত সমর্থন করে যাবে.....
www.mtv.com/news/2154758/boko-haram-pregnant-girls-nigeri
Subscribe to:
Posts (Atom)