না রায়ে তকবির,,আল্লা হো আকবর! ধ্বনিতে মুখোরিত আজ কলকাতা!!! ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক রুল ও আজ এদের সভার জন্য রদ করা হয়েছে,,,,যে সভায় গত বছর ও প্রশাসন কে শারিরিক হেনস্থা করা হয়েছিল,,,সেই সভার আয়োজনে কোন আইনি বাধা আসেনা, লক্ষাধিক মৌলবাদির আগমনে কলকাতায় যানজট সৃষ্টি হয় না,,,,সময়ের আগে থেকেই সব রাস্তা এদের স্বার্থে খুলে দেওয়া হয়,,তাতে সাধারনের অসুবিধা হয় না,,,,
যত অসুবিধা দেশপ্রিয় পার্কের প্রতিমা দর্শনে,,,অপহৃত মেয়ের উদ্ধারের দাবীতে প্রতিবাদ সভায়,, অসুবিধা হিন্দু রক্ষাকারী গোপাল পাঠার শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে,,, অসুবিধা জাতীয়তাবাদী পার্টির সাংগঠনিক প্রচার র্যালী তে,,, অসুবিধা ভারতমাতা পুজার আয়োজনে,,,,,
তার পরেও ভারত নাকি অসহিষ্ণু! এখানে নাকি থাকা যায় না,,বুদ্ধিজীবী রা পুরষ্কার ফিরিয়ে দেন(অর্থ বাদে)!!! কি দুর্দান্ত,অসাধারন চিন্তাশৈলী!!!!
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 26 November 2015
করিডর উড়িয়ে দেবে ভারত, ভয়ে কাঁটা চিন-পাকিস্তান!
করিডর উড়িয়ে দেবে ভারত, ভয়ে কাঁটা চিন-পাকিস্তান !
তেলের পাইপলাইন ধ্বংস করে দেবে ভারত। এই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে যাওয়ার জোগাড় চিন আর পাকিস্তানের। চিনের কাশগড় থেকে পাকিস্তানের গোয়াদর পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডর গড়ে উঠছে বেজিং আর ইসলামাবাদের যৌথ উদ্যোগে। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরেই বলছেন, গোয়াদরে চিনা বন্দর আসলে বেজিং-এর সমরসজ্জার অঙ্গ। ভারতের টেনশন বাড়তে দেখে উল্লসিত ছিল দুই প্রতিবেশী দেশই। এ বার নিজেদের অর্থনৈতিক করিডরের নিরাপত্তা নিয়েই কপালে ভাঁজ চিন আর পাকিস্তানের।
দু’সপ্তাহ আগেই নিজেদের দেশের ২০০০ একর জমি চিনের হাতে তুলে দিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের ইরান ঘেঁষা এলাকা গোয়াদরে বন্দর তৈরি করেছে চিন। তার জন্যই এই জমি হস্তান্তর। ভারত, আমেরিকা-সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা প্রথম থেকেই বলছেন, আরব সাগরে তথা মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করতেই গোয়াদরে বন্দর বানাচ্ছে চিন। বাণিজ্যিক কারণে বন্দর তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করা হলেও আসলে চিন সেখানে যুদ্ধজাহাজের ঘাঁটি বানাবে, সন্দেহ আন্তর্জাতিক মহলের। চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের কাশগড় থেকে পাকিস্তানের গোয়াদর পর্যন্ত সুদীর্ঘ সড়কও তৈরি হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে তেলের পাইপলাইন।
সেই অর্থনৈতিক করিডরে নাকি এখন "ভারতীয় আক্রমনের" আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান আর চিনের গোয়েন্দারা তা নিয়ে ঘোর চিন্তায় বলে সূত্রের খবর। যে সব এলাকার মধ্যে দিয়ে এই সড়ক এবং পাইপলাইন যাচ্ছে, সেখানে ভারত যখন তখন ‘নাশকতা’ চালাতে পারে বলে এখন চিন ও পাকিস্তানের গোয়ন্দারা আশঙ্কা করছেন। পাক সরকারকেও তাঁরা এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। পাকিস্তানের প্রতিবেশী আফগানিস্তানে ভারত প্রচুর সেনা মোতায়েন করে রেখেছে বলে ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছে। পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া প্রদেশ বালুচিস্তানে যত নাশকতা আর জঙ্গি কার্যকলাপ চলছে, আফগানিস্তানে বসে ভারতীয় বাহিনীই তাতে মদত দিচ্ছে বলে পাকিস্তানের অভিযোগ। ভারত অবশ্য বার বার সেই দাবি নস্যাৎ করেছে। উপজাতি প্রধান বালুচিস্তানকে পাকিস্তানের প্রশাসন কোনওকালেই খুব একটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। তাই নয়াদিল্লির দাবি, ভারত কোনওভাবেই বালুচিস্তানে জঙ্গি কার্যকলাপ বা নাশকতায় মদত দেয় না।পাক প্রশাসনের ব্যর্থতাতেই বালুচিস্তান তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
গোয়াদরের বন্দর কিন্তু এই উত্তপ্ত বালুচিস্তানের ভূমিতেই তৈরি হচ্ছে। কাশগড়-গোয়াদর করিডর তথা পাইপলাইনও এই বালুচিস্তানের মধ্যে দিয়েই যাচ্ছে। তার পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান এলাকা হয়ে করিডর চিনে প্রবেশ করছে। পাকিস্তানের গোয়েন্দারা নাকি খবর পেয়েছেন, আফগানিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা বিশাল ভারতীয় বাহিনী বালুচিস্তানে তেলের পাইপলাইনে নাশকতা ঘটাতে পারে। গিলগিট-বাল্টিস্তানেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এখন আন্দোলন তীব্র। সেখানেও ভারতের হাত দেখছে পাকিস্তান। তাই চিন-পাকিস্তান করিডর সেখানেও "ভারতীয় আক্রমনের" শিকার হতে পারে বলে পাক গোয়েন্দাদের আশঙ্কা। ইসলামাবাদের শীর্ষ কর্তাদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে এই খবরে। কূটনৈতিক একটি সূত্রের খবর, চিনকেও পাকিস্তান এই নাশকতার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
সুত্র : আনন্দ বাজার https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/pcb.557496054398717/557496027732053/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C6983434466 https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/pcb.557496054398717/557496031065386/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C8247622012
চোখের দুফোটা জলের পরিবর্তে প্রতি এপিসোড এ নিতো লক্ষ লক্ষ টাকা!
#সত্যমেবজয়তে দেখতাম আর ভাবতাম, আহারে কতোই না ভালো এই লোকটা! কিন্তু জানতাম না চোখের দুফোটা জলের পরিবর্তে প্রতি এপিসোড এ নিতো লক্ষ লক্ষ টাকা!
#থ্রিইডিয়ট এ আমাদের শেখালো মন যা বলে তাই করতে! কিন্তু ভেবে দেখুন তো মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের শখ পুরোণ আগে নাকি পেট পূরণ আছে!
#এবারআমি বলি, মন যেটা বলে সেটা করার আগে নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে আগে ভেবে নেওয়া উচিত এই কার্যের ভবিষ্যতে পরিণতি কি হবে!
#যাইহোক আবার প্রমাণিত হলো
"মুসলমান কা বাচ্চা কাভি নেহি আচ্ছা! যো ভি আচ্ছা, ওভি শুয়ার কা বাচ্চা"
#অর্থাৎআমির, সালমান এইসব পাকি জারজ গুলো সব শুওরের বাচ্চা!
...লিখেছেন ~অপুর্ব
Latest: Rahul Gandhi SPEECHLESS after Students say YES when he asks for NO - Satyameva Jayate
মোদীকে জনসমক্ষে হেয় করতে গিয়ে নিজেই লজ্জায় পড়ে গেলেন কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক রাহুল গান্ধী।
--ঘটনাটি ঘটেছে ব্যাঙ্গালোর শহরে।রাহুল গান্ধী সেখানে স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলার সময় তাদের কাছে জানতে চান-মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযান কি সফল হয়েছে?? তিনি ভেবেছিলেন ছাত্রছাত্রীরা হয়তো নেগেটিভ উত্তর দেবে!! কিন্তু হায়! কি করল ছাত্রছাত্রীরা? তারা সমস্বরে বলে ওঠে-হ্যাঁ সফল।
--কী আর করবে রাহুল বাবাজী? লজ্জায় মাথা নীচু করে-প্রসঙ্গ পাল্টান।
একেই বলে যেমন গাল তেমন চড়!!!! http://satyavijayi.com/latest-rahul-gandhi-speechless-after-students-say-yes-when-he-asks-for-no/
ইসলাম কোনো ধর্ম নয়, এটি একটি জঘন্য রাজনৈতিক মতবাদ
ইসলাম কোনো ধর্ম নয়, এটি একটি জঘন্য রাজনৈতিক মতবাদ। এই মতাদর্শকে সংক্ষেপে তিনটি সিদ্ধান্তে ভাগ করা যায়। প্রথম সিদ্ধান্ত- মিল্লাত ও কুফর; মিল্লাত মানে পৃথিবীর এক মুসলমান, অন্য মুসলমানের ভাই। এই সূত্রে পৃথিবীর সকল মুসলিম ভাই ভাই; আর সকল অমুসলিম হলো কাফের। ইসলাম মতে এই কাফেরদের খুন করতে হবে, এদের মহিলাদের ধর্ষণ করতে হবে, নয় তো দাস হিসেবে বন্দী করে যৌনদাসী বানাতে হবে, নয় বেচে দিতে হবে বা ভাড়া খাটাতে হবে, এদের বাচ্চাদের মেরে ফেলতে হবে, নয় তো দাস বানাতে হবে, এদের সব জমি সম্পত্তি লুঠপাট করে দখল করতে হবে। ইসলামের ভাষায় এগুলো হচ্ছে গনিমতের মাল। ভাবুন, মেয়েরা লুটের মাল, মুহম্মদ কোরানে এই কথা বলেছে। আল্লাহ দয়া করে মুসলমানদের, এই লুটের মাল যেমন খুশি তেমনভাবে ভোগ করার অধিকার দিয়েছে। এভাবে ২ নং সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে| সেটা হলো, দার-উ-হার্ব ও দার-উল-ইসলাম। দার-উল-হার্ব হলো মারামারি কাটাকাটির দেশ। এইসব দেশ যতদিন না মুসলমানদের দখলে আসে, ততদিন অমুসলিমদের উপর নিষ্ঠুরভাবে খুন-ধর্ষণ-লুঠপাট চালাতে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছে মুহম্মদ। আর এভাবে প্রতিটি দার-উল-হার্বকে,দার-উল-ইসলামে রূপান্তরিত করতে হবে। এভাবে গোটা পৃথিবী দখল করতে হবে। এই পৃথিবীতে কোনো অমুসলিম থাকবে না। এই লক্ষ্যে পৌঁছে যাবার জন্য এলো ৩ নং সিদ্ধান্ত জিহাদ। উপরের বলা পদ্ধতিগুলি যেমন, খুন-ধর্ষণ, লুঠপাট, জমি দখল, বহু বিবাহ, বহু সন্তানের জন্ম দান, অন্য ধর্মের মেয়েদের ফুসলিয়ে বিয়ে করে মুসলমান বানানো, এসব অবলম্বন করে সমগ্র পৃথিবীকে ইসলামিকরণ করে ওদের বর্বর শরিয়তি আইন চালু করবে। এটাই সংক্ষেপে ইসলাম। পড়ুন আর ভাবুন, যে ধর্মের আল্লা জানোয়ারের থেকেও নিকৃষ্ট ( আল্লা, মুহম্মদের তৈরি একটি চরিত্র) যে ধর্মের নবী নিজে অসংখ্য ধর্ষণ, খুন, লুঠপাট করেছে, প্রায় ২ ডজন বিয়ে করেছে, যাদের মধ্যে নিজের পালিত ছেলের বউ ও ছয় বছরের মেয়ে পর্যন্ত আছে, যৌনদাসী রেখেছে, নিজ হাতে কাবামন্দিরের ৩৬০টা মূর্তি ভেঙেছে, এই সব কাজ করেছে আর অন্যদের কঠোরভাবে তা করতেও বলেছে। এই সব করলেই নাকি একজন মুসলমান জান্নাতে গিয়ে আনলিমিটেড সেক্স করতে পারবে অসংখ্য চিরযৌবনা ১৬ বছর বয়স্ক হুরির সাথে। এই হলো ইসলাম। পৃথিবীর সব অমুসলিমদের মেরে কেটে, নিজেরা ছাড়পোকার মতো সংখ্যা বাড়িয়ে পুরো পৃথিবীকে দখল করবে। এটা যদি ধর্ম হয়, অধর্ম কোনটা ? আর এই খুন, ধর্ষণ এবং নিষ্ঠুরভাবে একের পর এক দেশ দখল করে সারা পৃথিবীকে ইসলামিক করে বর্বর পশুর মতো শরিয়তি আইন চালু করবে, এর নাম ইসলাম ধর্ম। আমার কথার একটা ভুল খুঁজে বের করতে পারবেন না। চ্যালেঞ্জ রইলো, কারণ, এটাই প্রকৃত সত্য।
Wednesday, 25 November 2015
রাম সেতু (ভিডিও গুলো দেখুন)
রাম সেতু (ভিডিও গুলো দেখুন)
রাম সেতু নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন আছে। আমরা অনেকেই অন্ধবিশ্বাসী না, যুক্তি মেনে চলি। তাই অন্ধবিশ্বাস বা যুক্তিহীনতা নিয়ে নয় আপনারা যুক্তি নিয়েই এগিয়ে চলুন।
এই বিশাল সেতুটি রামভক্ত নলের সুতত্ত্বাবধানে মাত্র ৫ দিনেই নির্মিত হয়েছিল, আজ থেকে ১৭ লক্ষ ৫০ হাজার বছর পূর্বে, ত্রেতা যুগে ! বানরসেনারা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীরামের পবিত্র নাম পাথরে লিখে সমুদ্রপথে একটি পাথরের সেতু তৈরি করেছিলেন । শ্রী রাম নাম খচিত সেই পাথরগুলো অত্যন্ত আশ্চর্যজনকভাবে জলে নিক্ষেপের পর নিমজ্জিত না হয়ে ভেসে উঠেছিল । ভগবানের দিব্যনাম যে কত মহিমাপূর্ণ তারই দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য ভগবান শ্রীরামচন্দ্র এ লীলার অবতারনা করেছিলেন ।
সেতুটি ভারতের দক্ষিন উপকূলকে লঙ্কার সাথে যুক্ত করল । এই সেতু দিয়ে রাম তার হনুমান বাহিনী নিয়ে লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধার করলেন। সেই থেকে এই সেতুর নাম রাম সেতু । এই ঘটনাটির উল্লেখ রয়েছে সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র ‘রামায়ণে’ ।
সম্প্রতি বিশ্ববিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা(NASA) তাদের নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহের (স্যাটেলাইট) সাহায্যে রামায়ণে উল্লেখিত সুনির্দিষ্ট সেই স্থানেই রাম সেতু চিহ্নিত করেছে, নাসা আরও জানিয়েছে, সেতুটি ৩০ কি.মি. দীর্ঘ যা বর্তমান ভারতের তামিলনাড়ু প্রদেশের রামেশ্বরমের ধনুষ্কোডি দ্বীপ ( দ্বীপটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে পাম্বান সেতু দ্বারা যুক্ত ) থেকে শ্রীলঙ্কার মান্নারের তালাইমান্নারের পর্যন্ত বিস্তৃত ।যা আজ থেকে প্রায় ১৭ লক্ষ ৫০ হাজার বছর পূর্বে সৃষ্ট এবং মানব নির্মীত ।
মনে রাখতে হবে এই সেতু (পক প্রণালী) যাকে আমেরিকা বা পশ্চিমের দেশগুলো মনে করে আদম এর সেতু।
এটি এমন একটি উপকথা থেকে উৎসারিত হয়েছে, যেখানে দক্ষিণ ভারত বা শ্রীলঙ্কা বর্ণিত হয়েছে বাইবেলকথিত পার্থিব প্যারাডাইস বা স্বর্গোদ্যান বলে। এই উপকথা অনুসারে অ্যাডাম যখন স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হন, তখন অ্যাডামস ব্রিজ নির্মিত হয়। কথা হল তাহলে কেন অন্য কোন সাগর মহাসাগরে এরকম কোন সেতু নাই। এর উত্তর কারো কাছেই নাই। এর সহজ উত্তর হল আদমের সেতু নামে যে সেতু এখানে আছে এই সেতু শ্রী শ্রী রাম চন্দ্রের বানানো সেই সেতু । অ্যাডামস ব্রিজ বা অ্যাডামের সেতু কথাটি রামসেতুর অনেক পরে চালু হয়।যায় হোক আমেরিকা বা পশ্চিমের দেশগুলোর উক্ত ধারণা থেকেও একথা স্পষ্টতই প্রমাণিত হয় যে এই ভারতবর্ষ সারা পৃথিবীর ইতিহাসে স্বর্গ নামেই অভিহিত হত ।
ভগবান শ্রী রাম এর লঙ্কা আক্রমনের সময় হনুমান কর্তৃক নির্মিত রামসেতুটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে আছে । সেই রাম সেতুর পাথর ও কখনও জলে ডুবে না ।
আজ আপনাদের সেই রামসেতু ও পাথর না ডুবার এবং অমূল্য ভিডিও গুলো দেওয়া হলো । সবাই কে শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দিন । জয় শ্রী রাম ।
প্রমানিক ভিডিও গুলো দেখুন Youtube ( https://goo.gl/1dc0Si ) এবং আরো ভিডিও পেতে আমাদের সাব্সক্রাইভ করুন ।
Courtesy by: Bhabesh Chndra Ghosh
Join our official facebook page: সনাতন সন্দেশ - Sanatan Swandesh
রাম সেতুর পাথর না ডুবার ভিডিওঃ http://sonatonvabona.blogspot.com/2013/03/blog-post_7215.html
১৯৪৬ এ নোয়াখালী হিন্দুহত্যা যজ্ঞের বিস্তারিত বিবরন.. পিডিএফ ডাউনলোড করে অবশ্যই পড়ুন..।।
...প্লিজ বইটি ডাউনলোড করে পোস্টটি শেয়ার করুন ...
আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করুন !!
https://drive.google.com/file/d/0Bw59VpORbQaaQjBTV1hsU0I0QVE/view?pli=1
Subscribe to:
Posts (Atom)