Wednesday, 2 December 2015

দক্ষিণ এশিয়াতে মুসলমানদের একক আধিপত্য বিস্তারে বড় বাঁধা একমাত্র ভারত।

মধ্যপ্রাচ্যের মত দক্ষিণ এশিয়াতে মুসলমানদের একক আধিপত্য বিস্তারে বড় বাঁধা একমাত্র ভারত। ভারতকে মুসলমান প্রধান দেশ বানাতে পারলে অর্থাৎ ভারতীয় উপমহাদেশকে আবারো মুসলিম সম্রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে পারলেই মুসলিমরা সুপার পাওয়ারে পরিণত হবে।এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই মুসলিমরা দাবার গুটি সাজাতে ব্যস্ত। একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে যুবসমাজ। ভারতের এই যুবসমাজ আজ যৌনতায় হাবুডুবু খাচ্ছে।তরুণদের এহেন মানসিক বিকৃতির প্রধান কারণ বলিউড।এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নারীদের যৌন আবেদনময়ী হিসাবে উপস্থাপনে বলিউড আছে এক নাম্বারে।সব দেশের সিনেমাতেই নারীদের যৌন আবেদনময়ী হিসাবে দেখানো হয় কিন্তু এক্ষেত্রে বলিউডের ধারে কাছেও নেই অন্যান্য দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি।আর আমরা ভালভাবেই জানি ভারতীয় চলচিত্র শিল্প বিশেষ করে বলিউডকে নিয়ন্ত্রন করে মুসলিমরায়। ভারতীয় চলচিত্র, টিভি সিরিয়াস ইত্যাদিতে কেবলই পরকীয়া প্রেম, ডিভোর্স, লাভ জিহাদ ইত্যাদিকে প্রোমোট দেওয়া হয়। আমরা এগুলিকে কেবলই বিনোদন হিসাবে দেখি কিন্তু এর পেছনে আছে ভারতের যুবসমাজকে পঙ্গু করে দেওয়ার ভয়ঙ্কর উদ্দেশ্য।হিন্দুদের কেবলি যৌনতায় ডুবিয়ে রেখে ভারতবর্ষকে পুনরায় মুসলিম সম্রাজ্য হিসাবে গড়ার ষড়যন্ত্র!

১৩৮ জন বিপ্লবীর ফাঁসি হয়েছিল তার মধ্যে একজনও মুসলমান ছিল না

ইতিহাস প্রমান করে স্বাধীনতা সংগ্রামে যে ১৩৮ জন বিপ্লবীর ফাঁসি হয়েছিল তার মধ্যে একজনও মুসলমান ছিল না । যে মুসলমান সম্প্রদায় বৃটিশের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেয়নি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে যাদের কোনো অবদান ছিল না, তারা কিন্তু নিজেদের জন্য Home Land আদায় করে নিয়েছে (সৌজন্যে নেহরু-গান্ধী) । বিশাল হিন্দু সমাজ দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রান দিল, রক্ত দিলো তারা Home Land পায়নি, পেলো এক ধর্মনিরপেক্ষ নামক অবাস্তব তত্ত্বভিত্তিক ভৌগলিক রাষ্ট্র । যেখানে মুসলমানরা প্রথম শ্রেণীর নাগরিকত্ব পেয়েছে অথচ পৃথিবীর মুসলমান দেশগুলোতে সর্বত্র হিন্দুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসাবে গন্য এবং অত্যাচারিত । এরপরও নির্লজ্জ মুসলমান তোষণ যা ভারতবর্ষে হয় সারা বিশ্বে তা নজির বিহীন । আমরা পারি না এই নির্লজ্জ তোষণ বন্ধ করতে ? নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে ? . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . হ্যাঁ আমরা হিন্দুরাই পারি এই ভন্ড সেকুলার রাজনৈতিক দলগুলোকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে । . . . . .জাগো হিন্দু জাগো . . . . . নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবার সময় এসেছে ।

Tuesday, 1 December 2015

FIR against Assam-based artist who dishonoured Lord Krishna and National Flag - Oneindia

http://www.oneindia.com/india/fir-against-assam-based-artist-who-dishonoured-lord-krishna-and-national-flag-1716319.html?utm_source=article&utm_medium=fb-button&utm_campaign=article-fbshare

আইএসআইয়ের এই গুপ্তচর চক্র

•►আপাতত সেই বিএসএফ অফিসার কংগ্রেস-এর এক গুরুত্থ পূর্ণ পোস্ট এ আছে বলে জানা গিয়েছে....দয়াকরে উনি কোন ধর্মে দীক্ষিত সেটা জিগ্যেস করে লজ্জা দেবেন না.....!! •►Ex-Army Also in The Racket: Arrested ISI Agent..! •►During interrogation, arrested ISI agent Kafaitullah Khan has revealed that an ex-Army personnel, posted in Jammu and Kashmir, was also involved in the racket, police said in a statement on monday. On Monday, the Delhi Police had also confirmed a link of the ISI espionage racket with the Pakistan High Commission in the national capital. •►পাক সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই চরদের জেরা করে ক্রমেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ মঙ্গলবার আইএসআই এজেন্ট কাফাইতুল্লা খান জেরার মুখে জানায়, আইএসআইয়ের এই গুপ্তচর চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল এক প্রাক্তন সেনা অফিসার৷ জম্মু-কাশ্মীরে কর্তব্যরত ছিলেন তিনি৷ কাফাইতুল্লা আরও জানায়, সীমান্তে কোথায় কত সেনা মোতায়েন রয়েছে সে সম্পর্কে আইএসআইকে খবর দিত ধৃত বিএসএফ কর্মী৷ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই অনুপ্রবেশের ছক কষা হত৷ মধ্যপ্রদেশের এই চক্র কাজ করছে কিনা, সে বিষয়ে কাফাইতুল্লাকে জেরা করে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ৷ সোমবার দিল্লি পুলিশ জানায়, আইএসআইয়ের এই গুপ্তচর চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে দিল্লির পাক হাই কমিশনেরও৷ https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/a.536050066543316.1073741827.536026079879048/559143090900680/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C9213408615

love jihad এর ফক্করে হিন্দু মেয়েরা পরার মূল কারণ

love jihad এর ফক্করে হিন্দু মেয়েরা পরার মূল কারণ careless & carefully এর মাঝে যত পার্থক্য তার কারণে.... হিন্দু মেয়েরা সব সময় তার পরিবারের care এর মধ্যে বড় হয়। কখনও কখনও extra care এর করণে। teenage বয়সে কেউ কেউ মনে করে তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। ...... মুসলিম ছেলেরা হিসাব হীন ভাবে চলা ফেরা করে। অতিরিক্ত ব্যয়বহুল ভাবে চলা ফেরা। এসব হিন্দু মেয়েদের আকৃষ্ট বেশী করে। " কারণ, হিন্দু পরিবার গুলোতে এসব হয না। খুব বেশী care করা হয়। # হঠাৎ কিছু দেখলে সবার ভাল লাগে টিক তেমন..... ... এসব careless মুসলিম ছেলেদের সম্পর্ক ধারণা হীনতার কারণে লাভ জীহাদে পরে আমাদের হিন্দু মেয়েরা। . . কয় জন হিন্দু মেয়ে মুসলিমদের বিয়ে করে সুখী হয়েছে??? দেখাতে পারেন... হাতে গুণেও পাবেন না। তাই, এ সব careless boy দের কাছ হতে 101 হাত দূরে থাকেন।।

মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস

মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস মুসলমান শাসকরা যেমন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, তেমনি অত্যাচার করেছে- শিখ, জৈন ও বৌদ্ধদের উপরও। আজ আপনাদের শোনাবো মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক চারজন জন শিখ গুরুর উপর নৃশংস অত্যাচারের ফলে তাদের মৃত্যু বরণের কাহিনী। এই গুরুদের প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধার কারণ, হিন্দুদের উপর মুসলমানদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এরা রাজ রোষের শিকার হন এবং মৃত্যু বরণ করেন। ঔরঙ্গজেব (বাংলাদেশে বলে আওরঙ্গজেব) তার শাসন কালে কাশ্মিরের হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর জন্য জঘন্য অত্যাচার শুরু করে। সেই সময় শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর, এর প্রতিবাদ করেন। এই অপরাধে, ঔরঙ্গেজেব, তেগ বাহাদুর এবং তার তিন জন প্রিয় ও প্রধান শিষ্যকে বন্দী ক'রে, পশুর মতো খাঁচায় ভ'রে, তাদেরকে দিল্লি নিয়ে আসে। প্রথমে তিন শিষ্যকে ইসলাম গ্রহন করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তিনজনই মুসলমান হতে অস্বীকার করে। বাদশাহর হুকুম অমান্য করার অপরাধে তাদের জন্য শাস্তি ঘোষণা করা হয়। শাস্তিটা হলো, তিন জনেরই মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু মৃত্যুগুলো হবে আলাদা আলাদা ভাবে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে ও যন্ত্রণা দেওয়ার মাধ্যমে। যাতে একজনের শাস্তি ও যন্ত্রণা দেখে ভয় পেয়ে অপরজন ইসলামকে স্বীকার করে নিয়ে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়। সেজন্য অপর তিনজনের সামনে, তিন শিষ্যের এক জন, মতিদাসকে, গাছ কাটার বা কাঠ চেরাই করার করাত দিয়ে দুই উরুর সন্ধিস্থল থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত চিরে ফেলার আদেশ দেওয়া হয়। মতিদাসকে ঠিক এই ভাবে প্রায় আধাঘন্টা যাবৎ তিলে তিলে যন্ত্রণা দিয়ে করাত দিয়ে চিরে দুই ভাগ করা হয়। অপর তিনজনের সামনে মতিদাস এইরকম নৃশংসভাবে মৃত্যু বরণ করে। ঝিকে মারার পর বউ শিক্ষা নিলো কি না, এটা বোঝার জন্য অপর তিনজনকে আবারও ইসলাম গ্রহন করে প্রাণ বাঁচানোর কথা বলা হয়। তারা তিনজন আবারও মুসলমান হয়ে বাঁচতে অস্বীকার করে। তাই আরেক শিষ্য দিয়ালাকে গরম জলে সিদ্ধ করে মারার আদেশ দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিশাল হাড়ি আনা হয় এবং বড় উনুন তৈরি করে তাতে আগুন জ্বালানো হয়। সেই উনুনে হাঁড়ি চড়িয়ে তাতে জল ঢালা হয় এবং সেই জলে দিয়ালাকে তুলে দিয়ে উনুনে আগুন দেওয়া হয়। জল আস্তে আস্তে গরম হতে থাকে, আর দিয়ালার যন্ত্রণা বাড়তে থাকে। তবু সে ইসলাম গ্রহণ করে জীবন বাঁচাতে রাজী হয় নি। প্রায় ১ ঘন্টা ব্যাপী গরম জলে সিদ্ধ হয়ে দিয়ালা প্রাণত্যাগ করে। এভাবে দুই কাফেরকে হত্যা করার পর, আবার অপর দুইজনকে ইসলাম গ্রহণ করে প্রাণ বাঁচানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও তারা মুসলমান হতে অস্বীকার করে। তাই তৃতীয় শিষ্যকে আগুনে পুড়িয়ে মারার হুকুম দেওয়া হয়। কিন্তু এই আগুনে পোড়ানোতেও ছিলো যথেষ্ট ভেরিয়েশন। এক মিনিটেই যে কারো মৃত্যু ঘটানো যায়। কিন্তু সেটা মুসলমানদের ভালো লাগে না। মুসলমানরা চায় কাফেরদের মৃত্যু যেন ধীরে ধীরে হয় এবং সেটা যেন হয় যতটা সম্ভব বেশি যন্ত্রণাদায়ক। কাফের হিন্দুদের এই মৃত্যু ছিলো আবার অনেক মুসলিম শাসকের কাছে খেলা বা বিনোদনের মতো, তাই যারা মৃত্যুদণ্ড বাস্তবায়নের প্ল্যান করতো, তাদেরকে সম্রাটের এই বিনোদনের ব্যাপারটাকেও মাথায় রাখতে হতো এবং প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা যাতে আলাদা আলাদা ভাবে হয়, সেদিকেও তাদের খেয়াল রাখতে হতো। তো তৃতীয় শিষ্যকে প্রথমে জ্বালানি তেলের মধ্যে চুবানো হলো এবং তারপর তাকে তুলার মধ্যে গড়াগড়ি দেওয়ানো হলো। এরপর তার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হলো। তুলা আর তেলের সাথে আগুন, মূহূর্তেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো। পুড়ে কয়লা হয়ে তৃতীয় শিষ্যের মৃত্যু হলো। গাছের গোড়া কাটার পূর্বে, গাছের ডালপালাগুলো আগে কাটা বা ছাঁটা হয়। এর কারণ হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত যদি দেখা যায় যে, মূল গাছ কোনো উপকারে লাগবে বা কোনো কারণে কাঠুরের মন যদি পরিবর্তন হয়, তাহলে গাছটিকে যেন রেখে দেওয়া যায়। তিন প্রিয় শিষ্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে ঔরঙ্গজেব বুঝতে চাইছিলো, সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুরের মনের কোনো পরিবর্তন হলো কিনা বা সে ইসলামের কোনো উপকারে লাগবে কি না ? কারণ, গুরুকে যদি ইসলাম গ্রহন করানো যায়, তাহলে গুরুর শিষ্যদের পথে আনতে কতক্ষণ ? তিন শিষ্যের নৃশংস মৃত্যু চোখের সামনে দেখার পর, ইসলামকে স্বীকার করে সে নিজের জীবন বাঁচাতে ইচ্ছুক কি না, গুরু তেগ বাহাদুরকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো রাক্ষস সম্রাট, ঔরঙ্গজেব। গুরু বললেন, না। রাগে-ক্ষোভে উত্তেজিত সম্রাট সঙ্গে সঙ্গে তেগ বাহাদুরকে শিরোশ্ছেদ করার হুকুম দিলো। যেহেতু এখন আর কাউকে ভয় দেখানোর প্রয়োজন নেই, সেহেতু তেগ বাহাদুরের মৃত্যুর জন্য আলাদা কোনো পরিকল্পনার প্রয়োজন পড়লো না। তরোয়ালের এক কোপে তেগ বাহাদুরের মাথা কেটে ফেলা হলো। মৃত্যু বরণ করলেন শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর। মুসলমানরা কেনো কাফেরদেরকে এরকম নৃশংস যন্ত্রণা দিয়ে মারে ? এই শিক্ষা এরা কোথা থেকে পেলো ? মৃত্যু তো মৃত্যুই, এরজন্য এত আয়োজনের দরকার কী ? আর তা সবার সামনেই বা কার্যকর করতে হবে কেনো ? এই প্রশ্নগুলো অনেকের মাথায় আসতে পারে। সেজন্য তার জবাবটা এখানে দিয়ে দিই। মুসলমানদের সকল আচরণ ও তার ব্যাখা খুঁজে পাওয়া যাবে, ওদের নবী মুহম্মদের জীবনীতে। একবার উকল গোত্রের ৮ জন ইহুদি এসে মুহম্মদের কাছে ইসলাম গ্রহন করে। তারা কিছুটা অসুস্থ ছিলো। তাই মুহম্মদ, তাদেরকে উটের মূত্র পান করার পরামর্শ দেয় এবং একটি উটের আস্তাবলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। কয়েকদিন পর তারা সুস্থ হলে, আস্তাবলের এক কর্মচারীকে খুন করে কয়েকটি উট নিয়ে পালিয়ে যায়। এটা চোরের উপর বাটপারি ছিলো না, ছিলো বাটপারের উপর চুরি। সঙ্গে সঙ্গে মুহম্মদের বাহিনী গিয়ে তাদের ধরে আনে। এরপর মুহম্মদ, একটি লোহার রড গরম করে তাদের প্রত্যেকের চোখে ঢুকিয়ে তাদের অন্ধ করে দেয়, তারপর একে একে তাদের হাত পা কেটে মরুভূমির বালির মধ্যে ফেলে রাখে। জলতৃষ্ণায় এবং রক্তক্ষরণে ধীরে ধীরে তাদের মৃত্যু হয়।

রাশিয়া ভারতকে SU-30 MKI এর ১০০% TOT (ট্রান্সফার অব টেকনোলজি) অফার করেছে।

হুররে ! ...রাশিয়া ভারতকে SU-30 MKI এর ১০০% TOT (ট্রান্সফার অব টেকনোলজি) অফার করেছে।...এবং এই অফারটি রাশিয়া ,ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া এর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দিয়েছে।...এর ফলে শুধুমাত্র HAL ই নয়, ভারতের অন্যান্য বেসরকারী সংস্থা TATA , MAHINDRA , L& T প্রভৃতি সংস্থাগুলিও SU-30 MKI বানানোর টেকনোলজি পেতে পারে। ...PTI সূত্রে খবর এ ব্যাপারে রাশিয়া আগস্টেই ভারতের সাথে কথা বলেছিল। ...অর্থাত্ এখন শুধু ভারত সরকারের গ্রীন সিগনালের অপেক্ষা। ...যদি ভারত এই প্রস্তাবটি গ্রহন করে তবে, ভারতীয় বায়ুসেনা যত খুশি সুখোই-৩০ এমকেআই বানাতে পারে, তাছাড়া এগুলিকে বাইরের দেশে বিক্রিও করতে পারে। ...বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনা 230 টির ওপরে SU-30 MKI ব্যবহার করে।...এবং এই MKI ভার্ষনগুলি অন্যান্য যেকোন SU-30 থেকে অনেক উচুমানের।...এমনকি SU-30 MKI কে সরাসরি SU-35 এর সাথে তুলনা করা হয়।...তাছাড়া ভারত সমস্ত MKI গুলিকে "সুপার সুখোই" ভার্সনে আপগ্রেড করছে, যেগুলি 2018 এর মধ্যে কমপ্লিট হয়ে যাবে। ...ফলে এগুলি 5th প্রজন্মের কাছাকাছি মানের হবে।...বর্তমানেযতগুলি ধরনের সুখোই সার্ভিসে আছে, তার মধ্যে SU-35 এবং MKI ভার্সনে স্টেলথ টেকনোলজি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/a.536050066543316.1073741827.536026079879048/559038444244478/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4814038603