Saturday, 5 December 2015

"R.S.S"- আদৌ কি? কেন? ও কি উদ্দেশ্য?

"R.S.S"- আদৌ কি? কেন? ও কি উদ্দেশ্য? (কথায় আছে- ফাঁকা কলসী বাজে বেশি- তাই পরের বার আরেএসেস 'এই' আর ওই বলে নিজেকে হাস্যস্পদ করার আগে অবশ্য পড়ুন)এক বিস্তার আলোচনা- প্রথমে অনুরধ করবো একবার ছবিটিতে চোখ বুলিয়ে নিতে (ছবিটিতে ইতিহাসকে এক ছোট্ট পাতায় তুলে ধরা হয়েছে- আগে দেখুন তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে) ১) বাঁ দিকে উপরে- ভির সাভারকারের ছবি- স্বাধিনতা সংগ্রাম শেষে কুখ্যাত ""মৃত্যুপুরী" কালাপানি জেল থেকে ফেরত আসার পর- (মারসাই দ্বিপে ফ্রান্স এর কাছে বিখ্যাত এস্কেপ ও স্বাধিনতা সংগ্রামের এক মূল কান্ডারি)- ইনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিলেন এক আস্ফাকুল্লা ও হাতে ও গোনা ২-৫ জন ছাড়া মুসলিমরা এই দেশের স্বাধিনতার জন্য ৩ বার লড়াই করেছে- এক নিজেদের সাম্রাজ্যা বাঁচানোর সময়- সুলতান নবাব হয়ে- দুই, নিজের খালিফার জন্য- খিলাফাতের আন্দলনের সময়(কিছু মুসলিম ক্যেদির সাথে কতপকথনের পর- যখন কয়েদিরা বলে- আমরা "ইসলামের জন্য আগে লড়ব-"দেশের জন্য নয়)' এবং তৃতীয়ত- ১৯৪৫এর পরে- যখন দেশ স্বাধিন হয় হয়- ও সুযোগ দেখে 'ঝোপ বুঝে কোপ মেরে' নিজেরদের আলাদা জমি বানিয়ে নিয়ে- তাতে যে থালায় এতদিন খেল টা ফাতুক মরুক যাই হোক! দেশে শিখ ১.৮% শতাংশ- আর মুসলিম ৩৪% (১৯৪৬) কিন্তু বিপ্লবিদের মধ্যে ১৫% শিখ ও ০.৬% মুসলিম! ২) এবার পাশের দুটি ছবি- একটি ধর্মআন্তরিত গুজরাতি ব্রাহ্মনপুত্র ব্যাবসায়ি জিন্নাভাই পুঞ্জার শিয়া ধর্মাল্মবি সন্তান ও বিখ্যাত উকিল ও মুস্লিম লিগ নেতা মোঃ আলি জিন্নার এক রেডিও ভাষণে 'মুস্লিম' সম্প্রদায়কে 'লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তানের' ডাক ও আদেশ- "হিন্দু মরুক কি বাঁচুক দেখার দরকার নেই- আমরা দেশভাগ করবই"- তার পাশের ছবিটি কলকাতার রাস্তার ১৬/৮/১৯৪৬এ- যেদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রি সুরাওার্দির "হিন্দু মেয়েরা সুন্দরি তাই তাদের ধর্ষণ করাটা স্বাভাবিক"(বিশদ জানতে গুগলে দেখে নিতে পারেন) আহ্বানে ৬০০০ হিন্দু হত্যার এর ছবি একটি ইংরাজি দৈনিকে প্রকাশিত। ৩) কংগ্রেসের "ভারতীয়" সংস্কৃতির দুই প্রতিক- মহন্দাস গান্ধী ও জাওাহারলাল নেহেরু- প্রথম ছবিটি "জাতির জনক" ও "শান্তির দুত বাপুজির" "সিভিল দিসঅবেদিয়েন্স" আন্দলন চলাকালিন ইংরেজদের বিরুদ্ধাচারনের সময়কার এক ছবি- জনৈক এক মেমসাহাবের সাথে- পাশে ব্যারিস্টার নেহেরু ও "যুব সমাজের চরিত্রর আর্দশ" চাচাজির "দেশ স্বাধীনতার" পরিকল্পনায় এক সভার এক সদস্যার সাথে এক মুহুর্ত। ৪) একদম কোনায় যাকে দেখছেন- ইনি কলকাতা মেডিকাল কলেজের এক ডাক্তার- ও ১৯১০ সালে যুগান্তর বেঙ্গল ও অনুশিলন সমিতির বিপ্লবী- তথা মুস্লিম "উন্নয়ন"কারী মুস্লিম লিগের প্রতিষ্ঠার ১৮ বৎসর পর "হিন্দুত্বা রক্ষার" স্বার্থে নির্মিত আর.এস.এস তথা রাষ্ট্রীয় স্বাংসেবক সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা মারাঠি কেশভরাউজি। ৫) নিচে বাঁদিকে এবার আসুন- বিভক্ত ভারতের ও "সম্প্রিতিতে ও এক বাংলা" প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী মুজিবুর রহমানের 'গনতান্ত্রিক' দেশে তাঁর দল ও 'সঙ্খালঘু সচেতন' 'আউয়ামি লিগের' ছাত্রদলের এক 'কাফের' বিশ্বজিতের সাথে একটি 'সামান্য গণ্ডগোল'একটি দৃশ্য - তার নিচের নিচে দেখুন- "বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধর্ম" ও "হিন্দুরা আমাদের সাথে আনন্দে থাকতে পারে" প্রচারক পুর্ব পাকিস্তানের সেনা প্রতিনিধি "বিএনপি ঘনিষ্ঠ জমাত এ ইসলামি" সদস্যদের "দেশের গদ্দার ও শত্রু নিধনের" জন্য একটি - "সোনার বাংলার ইসলামি বীর সেনার" আল্লাহ তালার খাতিরে ৫ বৎসরের এক "সাঙ্ঘাতিক" কাফেরকে জবাই কার্জ। ঘটনাগুলি এই সময়কার- এর মাঝখানের যে ছবিটি দেখছেন তা " নবি সাল্লালাহ রসুলের জন্য তার বীর সৈন্য" ও নির্ভীক যোদ্ধার ট্রেনের প্যাসেঞ্জার কিছু নারি পুরুষ ও শিশুর প্রতি এ কে ৪৭ রাইফেল থেকে চালান মাঝ রাতে লুকিয়ে আসা মুম্বাই প্ল্যাটফর্ম এর একটি দৃশ্য... ঘটনাগুলি সবই বর্ত্মান কালের- ৬) ডানদিকে আসুন- "ইসিসের হিন্দু ভারসেন" আরেএসেএসের একটি শাখায় কিছু কন্যা সদস্যা- আমরা ইসিস্কেও দেখেছি এইরকম ভাবে মেয়েদের সমাজসেবা- আত্মরক্ষার প্রশিক্ষন দিতে- কি দেখি নি? হুম- যায় হোক কিন্তু কিছু বিশ্ববরেন্য ও সুচিন্তাধারকের মতে ইসিস= আর এস এস- যেমন "শ্রী ওসামা বিন লাদেন জি"র প্রতি সমবেদনা প্রকাশক কংরেসি- "শিখ পুড়ালে ১০০- রেপ করলে ৫০০ কাটলে ৮০০"র সমাজসেবার অনুরধ করা 'লিবারাল' নেতাদের- বা "মা"--কে ছেলে ধুকিয়ে রেপ করে দে- "মাটি"-- চাপা দিয়ে মেরে ফেল বিরধিতা করলে- "মানুষ"--এর মুণ্ডু ছিঁড়ে নে অভিযোগ করলে- ইত্যাদি শান্তিপ্রিয় "সুকুমার বৃত্তি"র বহিপ্রকাশক কিছু নেতাদের কাছে-- যায় হোক ৭) তার নিচের ছবিটি দেখুন- "মুসলিম রা সহিষ্ণু" এই বাণিতে বিশ্বাসী ও "কুরান পাকের" আয়াত রক্ষার্তে পাকিস্তানের লারকানাতে এক "দেশের বিরোধী" কিছু গরিব- দিনমজুর হিন্দুদের মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেওয়র একটি ছবি- বলা বাহুল্য- "মক্কা তো মুসল্মানের সেখানে অন্যরা কেন?" "পাকিস্তান তো মুসল্মানের- আমরা তহ হিন্দু ছিলাম না- আমাদের "মুহাম্মাদ সেলিম রাজপুত"এ রাজপুত পদবি তহ আরব থেকে আসা-" "কিন্তু অয্যোধ্যা সবার"-- এই ভ্রাত্রত্বপুর্নচিন্তাধারা থেকে রাম মন্দির ভাঙ্গার স্থানে ৪ টি মুসলিম রাষ্ট্রপ্রতির দেশ অসহিস্নু 'ভারতে'র প্রতি বদলা নিতে "কোনদিনও ভারত না দেখা" কিছু চাষা মুটেদের 'সোনার বাংলা' ও 'সারাজমিন পাকিস্তানে' মোট ২৯,৪২২ টী মন্দির ভাংল "আরব আগত" মোঃ 'হোসেন' 'করিম মণ্ডল' 'রবিউল নায়েক' 'আমির রাজপুত' 'সর্দার আলি চউহান' রা- ১৯৪৭ এ শুরু- ১৯৭১ এ পুর্ব অভিবক্ত ভারতের সবচেয়ে বৃহৎ রমনা কালি মন্দির ভাঙ্গা(কি সেটা আবার জানিউ না শুনিও নি- তবে আর এস এসের বাবরি টা কিন্তু সুনেছি)- যা ১৯৯২ থেকে এখনো একটানা বিদ্যমান।- (ঘটনাটি মনে রাখুন) ৮) বাঁ দিকে একেবারে নিচে আসুন এবার- 'শান্তির দুত' দাউদ ইব্রাহিমের 'হাফতা লিস্টে' থাকা মুম্বাই পুলিশের লোকের মতে- "বিশ্বের ১ ন। টেররিষ্ট" সংগঠন আর এস এসের কিছু 'কুখ্যাত' কাজের ছবি- যা আমরা আল কাইদা- ইসিস- বওকও হারামের কাছেউ দেখি- যেমন একটি উত্তরখান্দের বন্যার সময় ত্রাণ কার্জ- আরেকটি নেপালের ভুমিকম্পর সমইকার-

একদিন ৫ জন এরোপ্লেনে যাচ্ছিলেন

একদিন ৫ জন এরোপ্লেনে যাচ্ছিলেন- সচিন তেন্ডুলকার, অনিল আম্বানী, মমতা ব্যানার্জী, এ পি জে আবুল কালাম এবং এক স্কুল ছাত্রী। হঠাৎ এরোপ্লেনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বিকল হয়ে যায়। কিন্তু সেসময় এরোপ্লেনের মধ্যে মাএ ৪ টি প্যারাসুট ছিল... সচিন বলল- "আমি বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান, আমাকে যেতেই হবে!" --এই বলে একটি প্যারাসুট নিয়ে এরোপ্লেন থেকে ঝাঁপ দিল। অনিল আম্বানী বলল- "আমি ভারতের সেরা বিজনেসম্যান, আমাকেও যেতে হবে!" -- এই বলে একটি প্যারাসুট নিয়ে এরোপ্লেন থেকে ঝাঁপ দিল। মমতা ব্যানার্জী বলল- "আমি ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবীদ, আমাকেতো যেতেই হবে!" -- এই বলে ততক্ষনাৎ একটি প্যারাসুট নিয়ে এরোপ্লেন থেকে ঝাঁপ দিল। ...তখন এ পি জে আবুল কালাম স্কুল ছাত্রীটিকে বললেন- "তুমি দেশের ভবিষ্যৎ, তাই তুমি অবশিষ্ট প্যারাসুটটি নিয়ে ঝাঁপ দাও!" তখন স্কুল ছাত্রীটি হাসতে হাসতে বলল- " স্যার এখনও ২ টি প্যারাসুট অবশিষ্ট আছে, আসলে মমতা ব্যানার্জী প্যারাসুট ভেবে আমার স্কুল ব্যাগটি নেয়ে ঝাঁপ দিয়েছেন!"

বিস্ফোরণে কাঁপল বাংলাদেশ:

বিস্ফোরণে কাঁপল বাংলাদেশ: সন্ত্রাসবাদীদের নিশানায় হিন্দুমন্দির !!! ফের সন্ত্রাসবাদী হামলা বাংলাদেশে! বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাসমেলার যাত্রা প্যান্ডেল। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানায় কান্তজিউ মন্দিরের কাছে। ভোলানাথ অপেরা নামে দলের যাত্রা চলাকালে এই হামলা চালানো হয় বলে আহতরা জানায়। হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৬ জনকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে একের পর এক হামলার ঘটনায় তীব্র আতঙ্কিত দেশের মানুষ। যদিও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার ওই মন্দিরের পাশের একটি মাঠে রাসমেলা চলছিল। মেলার পাশেই যাত্রা প্যান্ডেল চলছিল। রাত ১২টা ৫০মিনিটে দর্শকদের বসার স্থানের কাছে একটি খুঁটির সঙ্গে রাখা হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়। এই ঘটনার দায় এখনও কোনও পক্ষ থেকেই স্বীকার করা হয়নি। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ঐতিহাসিক কান্ত জিউ মন্দিরকে ঘিরে প্রতিবারের মত মাস ব্যাপী রাসমেলা শুরু হয়েছিল গত ২৬ নভেম্বর। এই ঘটনার পরপরই যাত্রাপালা বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। তবে রাসমেলা চলবে। এই ঘটনার ঠিক একদিন আগে, শুক্রবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অধিকারের দাবিতে ঢাকায় এক সমাবেশ করেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। গতমাসেই দিনাজপুর শহরে একজন ইতালিয়ান নাগরিকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/a.536050066543316.1073741827.536026079879048/560170907464565/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C1977793530

নো ফার্স্ট অ্যাটাক

•►সেনার ভাষায়, ভারতকে যারা বিধ্বস্ত করবে, উল্লাস করার জন্য তাদের দেশে যাতে কেউ অবশিষ্ট না থাকে, নিউক্লিয়ার সাবমেরিনগুলি তা নিশ্চিত করবে। •►নীতিগতভাবে পরমাণু যুদ্ধের বিপক্ষে নয়াদিল্লি। নিজে পরমাণু বোমায় আক্রান্ত না হলে ভারত কোনও দেশে পরমাণু হামলা চালাবে না— ঘোষিত অবস্থান নয়াদিল্লির। •►পরমাণু হামলা চালাবে না— ঘোষিত অবস্থান নয়াদিল্লির। কিন্তু প্রতিপক্ষ পরমাণু হামলা চালালে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সে কথাও আন্তর্জাতিক মহলকে জানিয়ে রেখেছে ভারত।এই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ডুবোজাহাজ থেকে পরমাণু হামলা চালানোর ব্যবস্থা গড়ে তুলছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। •►আধুনিক যুদ্ধের বিশেষজ্ঞদের কথায়, এখনকার যুদ্ধে কোনও দেশ তার প্রতিপক্ষের উপর পরমাণু হামলা চালালে তার অভিঘাত এত মারাত্মক হয় যে আক্রান্তের পক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে পাল্টা হামলা চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, যে দেশ পরমাণু অস্ত্রে আক্রান্ত হয়েও পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে, তাকেই প্রকৃতপক্ষে পরমাণু যুদ্ধের যোগ্য বলে মনে করা হয়। ভারত ঠিক এই ভাবেই পরমাণু যুদ্ধের উপযুক্ত হয়ে উঠছে। অর্থাৎ, যুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষ দেশ ভারতে পরমাণু হামলা চালালে সঙ্গে সঙ্গে উপযুক্ত জবাব যাতে দেওয়া যায়, তার ব্যবস্থা তৈরি রাখছে ভারত। •►প্রথমে কারওর উপর পরমাণু হামলা না চালানো বা ‘নো ফার্স্ট অ্যাটাক’ নীতির বাখ্যা দিতে গিয়েও ভারত সরকার সেই বার্তা আন্তর্জাতিক মহলকে দিয়ে রেখেছে। ভারতের তরফে বলা হয়েছে, প্রথমে কাউকে পরমাণু অস্ত্রে আঘাত করবে না ভারতীয় বাহিনী। কিন্তু কেউ ভারতের উপর পরমাণু হামলা চালালে, সেই দেশের উপর ভারত এত ভয়ঙ্কর আঘাত হানবে যে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে সেই দেশ মুছে যাবে। •►এই নীতির রূপায়ণের জন্যই পরমাণু শক্তিধর ডুবোজাহাজ বা নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়াতে শুরু করেছে নয়াদিল্লি। নৌবাহিনীকে ওই ধরনের ডুবোজাহাজ চালানোর প্রশিক্ষণ দিতে আগেই রাশিয়া থেকে একটি নিউক্লিয়ার সাবমেরিন লিজ নেওয়া হয়েছিল। তার পর এ বছরই নৌবাহিনী হাতে পেয়েছে দেশে তৈরি নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত। ওই শ্রেণিরই আরও একটি ডুবোজাহাজ তৈরির কাজ শেষ পথে। তার নাম আইএনএস অরিদমন। এই সাবমেরিনগুলি থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে পরমাণু হামলা চালানো যায়। প্রতিটিতেই অনেকগুলি করে পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র মজুত করা যায়। কোনও প্রতিপক্ষ ভারতের স্থলসীমায় পরমাণু হামলা চালালেও, সমুদ্রের গভীরে পরমাণু অস্ত্র নিয়ে লুকিয়ে থাকা ভারতীয় নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে আঘাত হানা প্রায় অসম্ভব। কারণ তাদের অবস্থানই নির্ণয় করা যায় না। তাই স্থলভাগে হামলা হলে সমুদ্র ফুঁড়ে পাল্টা ছুটে যাবে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র। •► সেনার ভাষায়, ভারতকে যারা বিধ্বস্ত করবে, উল্লাস করার জন্য তাদের দেশে যাতে কেউ অবশিষ্ট না থাকে, নিউক্লিয়ার সাবমেরিনগুলি তা নিশ্চিত করবে। •►News Source→ AnandabazarPatrika

আমি ধর্ম মানিনা কিন্তু দেশ মানি... তাই এবার ১৮ ডিসেম্বর "দিলওয়ালে" ছেরে "বাজিরাও মস্তানি" দেখব..

আমি ধর্ম মানিনা কিন্তু দেশ মানি... তাই এবার ১৮ ডিসেম্বর "দিলওয়ালে" ছেরে "বাজিরাও মস্তানি" দেখব.. কারন যেসমস্ত অভিনেতারা বিশ্বের দরবারে আমাদের দেশের মাতা হেট করে, তাদের সিনেমা আমি দেখবনা, এমনকি আমার পাড়া প্রতিবেশী দেরও দেখতে না করব। আমি অন্তত ১০০ জনকে বলব তারা যেন "দিলওয়ালে" দেখতে প্রেক্ষাগৃহে না যায়, আর সেই ১০০ জন তাদের প্রীয় বন্ধু দের না করবে, সবারই একটা করে প্রীয় বন্ধু থাকে, তাহলে ১০০ জনের প্রীয় নিশ্চই ১০০ জন হবে, তার ফলে ২০০ জন এই সিনেমা দেখবেনা, আর তাদের কথা শুনে আরও প্রচুর লোক এই সিনেমা থেকে দূরে থাকবে। এইরকম করেই আমরা এই অভিনেতা দের শায়েস্তা করতে পারব। ঠিক যেমন ৫ লক্ষ লোক স্নাপডিল মুছে দিয়েছে তাদের মোবাইল থেকে, তেমনই এইরকম লক্ষ লক্ষ লোককে এই সিনেমা দেখা থেকে দূরে রাখতে হবে, হাতে এখনও ১৪ দিন সময় আছে তোমরাও আমার মত প্রচার করো, শুধু ফেবু তে প্রচার করলেই হবেনা, নিজের পাড়া তে প্রচার শুরু করো, তাহলেই দেখবে অনেকেই তোমার ডাকে সারা দেবে। জয় হিন্দ ভারত মাতার জয়। Raj Sing

কমরেড মনে পড়ছে... ৮৯ সালের শহিদমিনারের সেই দিন...!

কমরেড মনে পড়ছে... ৮৯ সালের শহিদমিনারের সেই দিন...! সাম্প্রদায়িক বিজেপির সাথে নাস্তিক বুড়োভামেদের সেই মাখামাখি...! গরু খাওয়ার পর থেকেই ভামেদের ভেতর এক অদ্ভুত উদ্যম লক্ষ্য করছি , অনেকটা জাপানি তেল ব্যবহার এর পর নতুনভাবে যৌন উদ্দিপনা আসার মতই...! বাবরী নিয়ে আপনারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সপ্তাহ পালন করছেন... নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার নামে মুসলিমদের ভেতর আবার নতুনভাবে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে ওদেরকে উসকানি দিচ্ছেন...!! সিপিএম নিজের বাবার শ্রাদ্ধের বাতশরিক করতে ভুলে গেলেও বাবরীর বাতশরিক এরা করবেই... ধর্মনিরপেক্ষতার নামে....!! এটা আর কিছুই না... শুধুমাত্র মুসলিম সমাজকে উসকানি দেওয়া ছাড়া....! প্রশ্ন করতে হলে কংগ্রেসকে করুণ যে... কেন রাজীব গান্ধি বাবরীর তালা খুলে দিয়েছিল পুজো করার জন্যে...? কেন কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও ক্ষমতায় থেকেও সেদিন আর্মি.. বি. এস. এফ কে কাজে লাগায়নি...? হিন্দু তো সাম্প্রদায়িক... হিন্দু তো যাবেই তালা খোলা পেলে পুজো করতে...!! এবার আপনারা বলুন.. আশির দশকে বিজনসেতুতে সন্নাসীদের পুড়িয়ে মেরেছিলেন কেন...? মরীচঝাপিতে হিন্দু উদ্ধাস্তুদের গুলি করে মেরেছিলেন কেন....? ৬২ সালের চিন যুদ্ধের পর আপনারা চিনের সমর্থনে মিছিল কেন করেছিলেন...? চিন অরুণাচলকে নিজের ভুখণ্ড বলে দাবি করলে আপনার চুপ থাকেন কেন...? গণতন্ত্র.. গণ..আন্দোলন এর মহান নেতারা সেদিন গণতান্ত্রিক দেশ থেকে তসলীমাকে তারিয়েছিলেন কেন...? মুসলিম ভোটের কারণে তাই তো..? চীনে মুসলিমদের দাড়ি রাখা , নামাজ পড়া , রোজা রাখা BAN করেছে সেই দেশের কমিউনিস্ট সরকার... আপনারা তো ওনাদেরই আদর্শে দিক্ষিত.. তাহলে এই বাংলায় আপনারা সেগুলো কবে থেকে চালু করবেন..? নাস্তিক হয়ে কেরালায় মুসলিম লিগের সাথে জোট বেধে সরকার চালাবার ব্যাপারটা যদি বলেন...!! গাজায় ইজরায়েলী হানায় মৃত মুসলিমদের জন্যে আপনারা কলকাতার রাস্তায় মিছিল করেন.... আর... কাশ্মীর... বাংলাদেশ... পাকিস্তানে হিন্দুনিহত হলে আপনারা চুপ থাকেন কেন কমরেড...? সুভাষ চক্রবর্তী মন্দিরে গেলে তাকে warning দেন অথচ রেজ্জাক মোল্লা হজ থেকে ফিরলে তাকে ফুলের মালা পড়িয়ে স্বাগত জানান...!! এই আপনাদের ধর্মনিরপেক্ষতা. ..? আপনাদের লোভ এখন বাংলার ২৭ % মুসলিম ভোট... তাই এত মুসলিমপ্রীতি এবং বাবরী মসজিদ নিয়ে সম্প্রীতির নামে মুসলমানদেরকে উসকানি দেওয়া...!! কিন্তু আপনারা কোনকিছুই পাবেননা কারণ আপনারা ইতিমধ্যেই গরু খেয়ে বসে আছেন.... আর মুসলিমরা আছে মা জামাতিদেবীর সাথে...!!

হিন্দুরা কি পুতুল-পুজো করে ? ...... আমার কিছু ভাবনা >>>>

হিন্দুরা কি পুতুল-পুজো করে ? ...... আমার কিছু ভাবনা >>>> .......................................... হিন্দু ধর্মে অজস্র স্তর আছে । প্রতিমা পুজা একটি নিম্নতর স্তর । সাধারণ মানুষের ধারণা মন দ্বারা সীমায়িত , তাই অনন্তের কল্পনা সাধারণ মানুষের পক্ষে অসম্ভব । যার কোনও আকার নেই , তার কোনও সীমা নেই । কোনও ধর্মের মানুষই প্রাথমিক ভাবে সীমাহীন অনন্তের ধারণা করতে পারেনা । মুসলিমরা পশ্চিম দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে কেন ? কারণ পশ্চিম দিকে মক্কা নামক এক সীমায়িত স্থানে তাদের ঈশ্বরের প্রতীক আছে । অনন্তের ভাব অবলম্বন করতে সক্ষম হলে তাদের আর বিশেষ দিকনির্দেশের দরকার পড়তোনা । কারণ অনন্ত যিনি তিনি তো সর্ব দিকে সমভাবে বিরাজমান । খৃস্টানরা ক্রস বুকে ঝুলিয়ে ঘোরে কেন ? ওটাও একটি প্রতীক যাকে তারা পবিত্র ঈশ্বরের সাথে যুক্ত করেছে । হিন্দুরা মানব মনের এই সীমাবদ্ধতার কথা জানে , কিন্তু অন্যদের মতো এটাকে এড়িয়ে যায়না । তাই '' নির্বিকল্প - নিরাকার - সচ্চিদানন্দঘন '' ঈশ্বরীয় সত্তার প্রথম আবিষ্কারক হয়েও হিন্দু ঋষিরা মূর্তি পূজার প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করেননি । কোথায় ছিল এইসব প্রতিমা পুজাবিদ্বেষী সমালোচকদের ধর্ম , যখন আমাদের ঋষিরা এই নির্গুণ নিরাকার ব্রহ্মকে উপলব্ধি করেছেন ? জগতের সমস্ত ঈশ্বরীয় মতবাদই হিন্দুদের কাছ থেকে ধার করা । সুদুর অতীতে সমগ্র জগত যখন অজ্ঞানের আদিম অন্ধকারে ঘুমাচ্ছে তখন ভারতবর্ষের সনাতন ধর্মই আলোকবর্তিকা রূপে মানুষকে এই নিরাকার , অব্যক্ত , সচ্চিদানন্দের দিকে আকৃষ্ট করেছিল । হিন্দু-ধর্মে বিভিন্ন সাকার মূর্তিতে পুজোর প্রচলন থাকলেও হিন্দুরা বহু-ঈশ্বরবাদী নন । বস্তুতঃ তথাকথিত একেশ্বরবাদীদের থেকেও বেশী গভীরে অগ্রসর হয়ে হিন্দুরা আবিষ্কার করেছেন জগতের এক অখণ্ড সত্তার তত্ত্ব , যা আধুনিক বিজ্ঞান-দ্বারাওস্বীকৃত । এই জগৎ এক অখণ্ড সত্তার প্রকাশ । জগতের আপাত বহুত্বের পিছনে রয়েছে এই একত্ব । এই এককেই হিন্দুরা ব্রহ্ম বলেন । এই জগৎ ব্রহ্মেরই আপাত-প্রতীয়মানরূপ । আর দেবতাগণ ? তাঁরা কি বহু নন ? না তাঁরাও এক । ঋগ্বেদে বলা হচ্ছে : ' ইন্দ্রং মিত্রং বরুণমগ্নিমাহুরথো দিব্যঃ সুপর্ণো গরূত্মান্। একং সদ্বিপ্রা বহুধা বদন্ত্যগ্নিং যমং মাতরিশ্বানমাহুঃ।। (-ঋগ্বেদ. ১।১৬৪।৪৬ ) যাঁঁকে সকলে ইন্দ্র, মিত্র, বরুণ অগ্নি প্রভৃতি বলে—সেই সত্তা একই; ঋষিরা তাঁকে বহু নামে ডাকে— ‘একং সদ্ বিপ্রা বহুধা বদন্তি’-- সেই এক নিত্য সত্তাই বহুরূপে কথিত হন ।