Wednesday, 9 December 2015

কালকে কিছু শাহরুখ ফ্যানরা ডিগবাজি খাচ্ছিল।

কালকে কিছু শাহরুখ ফ্যানরা ডিগবাজি খাচ্ছিল। শাহরুখ নাকি ১ কোটি টাকা চেন্নাই ত্রান তহবিলে দান করেছেন। দাদারা‚ পুরো ঘটনাটি এই শাহরুখ ভক্তদের কারচুপি। ঘটনাটি সাজানো। হা হা হা। শাহরুখ নাকি দান করেছে। https://www.saddahaq.com/shah-rukh-khan-or-srk-fans-played-cheap-marketing-gimmick?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7318322109

দেশটা বসবাসের অযোগ্য হয়ে গেছে একেবারে।

১) আরব থেকে এসে ফ্রিতে দাসদাসী ধরে
নিয়ে যাওয়া যেত। কেউ একটুও রাগ করত না।
২) একই মন্দির ১৭ বার লুঠ করলেও কেউ রাগ
করত না। আবার এসে লুঠ করবে, সেজন্য
সোনাদানা জমা করে রাখত।
৩) পাঠানেরা দিল্লী দখল করে তিন দিনে আড়াই লক্ষ হিন্দুর মাথা কেটে নিয়ে গেল।
কেউ একটুও রাগ করলনা।
৪) মোগল বাদশারা বারো কোটি ভারতীয়কে
আরবের বাজারে বেচে দেওয়ার পরেও কেউ
রাগ করেনা। জিজিয়ার টাকায় ময়ূর
সিংহাসনে বসার মজাই আলাদা। ৫) ১৮৫৭ সালে শিপাহি বিদ্রোহ শুরু করল
বিহারী ব্রাহ্মণ মঙ্গল পান্ডে। তার নেতা
হিসাবে ঘোষণা করা হল মোগল বাদশা
বাহাদুর শাহ এর নাম। কতই সম্প্রীতি। মঙ্গল
পান্ডে শহীদ হবে আর বাদশাহী করবে
মোগলেরা, যারা বৃটিশদের ডেকে এনে বসিয়েছিল।
৬) ভারতের যখন ভারতবাসীর অধিকার
আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে, ভারতের
মুসলমান তখন তুরষ্কের খলিফার অধিকার
আদায়ের জন্য খেলাফত আন্দোলন করছে।
তাতেও কোনও সমস্যা নেই। ৭) নোয়াখালির দাঙ্গায় হাজার হাজার
হিন্দু মরল। গান্ধী বললেন কারও নামে
মামলা করা হলে আমি রাগ করে ভাত
খাবোনা।
৮) কায়দে আজম জিন্নাসা'ব বললেন কাফের
মেরে পাকিস্তান আদায় করবেন। গান্ধী বললেন - মুসলমান ভাইয়েরা এসে মুন্ডু কেটে
নিলেও পালটা মারবে না। মারলে আমি রাগ
করে ভাত খাবোনা।
৯) পাকিস্তান কায়েম হবার পর তারা
কাশ্মীর আর হায়দ্রাবাদ দাবী করল। গান্ধী
বললেন- যেহেতু হায়দ্রাবাদের রাজা চাইছেন পাকিস্তানে যেতে অতএব জনতা না
চাইলেও হায়দ্রাবাদ পাকিস্তানে যাবে।
আর যেহেতু কাশ্মীরের জনসংখ্যার
বেশিরভাগ মুসলমান তাই রাজা না চাইলেও
কাশ্মীর পাকিস্তানে যাবে।
১০) পাকিস্তান থেকে কয়েকশো হিন্দু রিফিউজি দিল্লীতে বিভিন্ন মসজিদে
শেল্টার নিয়েছিল। ভারত সরকার তাদের
পুলিশ দিয়ে শীতের বৃষ্টিতে বের করে দিল।
বিনা প্রতিরোধে তারা রাস্তার বসে ভিজল।
যার মধ্যে ৬৮ জন নিউমোনিয়ায় মারা
পড়েছিল। ১১) দেশভাগের পর পাকিস্তান করল ভারতের
উপর আক্রমণ। তার বদলে ভারত সরকার
পাকিস্তানকে দিল ৫০ কোটি টাকা।
১২) ২০১৪ অবধি পাকিস্তানের জঙ্গী
নাশকতায় ১৮০০ ভারতীয় মারা পড়েছে।
তিনবার সরাসরি আক্রমণ হয়েছে। তার পরেও ভারত সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে কেবল
আলোচনাই চালায়। পালটা আক্রমণের কোনো
চেষ্টাই করেনি।
--------------- --------------- ---------- এখন অসহিষ্ণুতা যে খুবই বেড়েছে তাতে কোনো
সন্দেহই নেই। দেশটা বসবাসের অযোগ্য হয়ে
গেছে একেবারে। আগে কী সুন্দর দিন
কাটাইতাম।

তালাক তালাক তালাক...

লেখাটি দীর্ঘ পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো ........ তালাক তালাক তালাক... - তালাক পাপ। অন্যায়। উচিৎ নয়। এমন নীতি মুলক শব্দের খেলায় মুসলিম মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়.... ?? .... তীব্র প্রশ্ন আফরোজা খাতুনের। (গত ২৯/১১/২০১৫ তারিখের “আজকাল রবিবাসরের” একটি যুগোপযোগী ও অত্যন্ত মর্মস্পর্শী প্রতিবেদনঃ) সম্প্রতি অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে, একই সঙ্গে তিনবার তালাক বলা অপরাধ কিন্তু যদি বলেই ফেলে তাহলে বিচ্ছেদ সম্পূর্ণ হয়। তার মানে অপরাধকে মান্যতা দিচ্ছে মুসলিম ল’ বোর্ড। ২০০৪ সালে তিন তালাকের সমাধান খুঁজতে আদর্শ নিকাহনামা তৈরির কথা ভেবেছিল মুসলিম ল’ বোর্ড। তখন বোর্ডের ঘোষণা ছিল, নিকাহের চুক্তিতে আর্থিক দায়ভার যেহেতু পুরুষকেই নিতে হয় তাই তালাকের অধিকার তাদের হাতেই থাকা উচিত। এই অধিকার মেয়েদের দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। এই নিকাহনামায় লেখা হয় ‘তিন তালাক আসলে পাপ। যে কোন ধর্মবিশ্বাসী মুসলিমদের উচিত এই পাপ থেকে বিরত হওয়া।’ অর্থাৎ তিন তালাককে বাতিল না করে তাকে পাপ আখ্যা দিয়েই দায়মুক্ত হচ্ছেন ল’বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা।আর আদর্শ শরিয়তি মুসলিম স্বামীদের তা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। যাঁরা আদর্শ স্বামী নন তাদেঁর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তা কিন্তু ল’বোর্ড জানান নি। পাপ, অন্যায়, উচিত নয় এমন নীতিমূলক শব্দের খেলায় মুসলিম মেয়েদের কতটুকু নিরাপত্তা রয়েছে প্রশ্ন সেখানেই। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম মেয়েদের অবস্থানের নিরিখে আলোচনায় এগোলেই গ্রাহ্যহীন হয়ে যায় তিন তালাকের সাম্প্রতিক ফতোয়ার মান্যতা। বেশিরভাগ তালাক হয় ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য। বিয়ের পর হঠাৎ মনে হল বৌকে তত সুন্দরী মনে হচ্ছে না, অথবা পণের সামগ্রী শোধ করতে পারছে না, এরকম নানা কারণ তৈরি হলে মুসলিম পুরুষের খুব অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। হাতে অস্ত্র রয়েছে। যে কোন অজুহাত দেখিয়ে তিন তালাকের গলাধাক্কায় মুহুর্তে দাম্পত্য ভেঙে দিতে পারেন। এর জন্য কাউকে কৈফিয়ৎ দেওয়া জরুরি নয়। সে ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতা বা পুলিশ প্রশাসন যেই হোক না কেন। ভারতের মুসলিম পুরুষ এখনও মৌখিক তালাক দিতে পারার অধিকার নিয়ে জন্মায়। আর মুসলিম মহিলারা সেই তালাকে বিপন্ন হওয়ার দায়িত্ব বহন করে। এটা শুধু সম্ভাবনার কথা বলছি না। এমনটাই ঘটছে। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে সন্ধানী দৃষ্টি দিলেই উঠে আসবে এই সত্য। রেহেনা খাতুনকে চিনতাম ছোটবেলা থেকেই। বিয়ে হয়ে চলে আসেন উত্তর চব্বিশ পরগণায়। দীর্ঘ তিরিশ বছর পর দেখা হল তাঁর সঙ্গে। ছেলে-মেয়েরা ছোট থাকাকালীন তালাক দিয়েছেন স্বামী। তাঁর স্বামী মেয়েকে বেশি পড়াশোনা করাতে চাইছিলেন না। রেহেনা জোর করেছিলেন পড়ানোর জন্য। স্ত্রীর এই মত প্রকাশের স্পর্ধাকে কাবু করতেই তালাকের আঘাতে বিবাহ বিচ্ছেদ। অবস্থাপন্ন ঘরের মেয়ে ও বৌ রেহেনা কাপড় ভর্তি ভারি ব্যাগ কোমরে নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করে কষ্টার্জিত উপার্জনে ছেলে-মেয়ে দুটিকে পড়াশোনা শিখিয়ে বড় করেন। স্বামী দ্বিতীয় সংসার নিয়ে মসগুল। এমন তালাককে আজও টিকিয়ে রাখার ফতোয়া দিচ্ছে ল’বোর্ড! গ্রাম-গঞ্জের বাস্তবরূপকে উপেক্ষা করে মুসলিম পিতৃতন্ত্রের এই দাপটকে কিন্তু রেহেনারা আর মেনে নিতে রাজি নন। তালাকের বিরোধিতায় নেমে মহিলাদের সংগঠিত করছেন তিনি। সাউথ কলকাতা সোসাইটি ফর এমপাওয়ারমেন্ট অফ উইমেন-এর এ বছরের বার্ষিক আলোচনাসভায় এসে জানিয়ে গেছেন মৌখিক তালাককে বন্ধ করতে হবে সরকারি হস্তক্ষেপে। এর জন্য আন্দোলন দরকার। এবং সে আন্দোলনের সক্রিয় শরিক হওয়ার শপথ নিয়েছেন রেহেনা। কারণ নিজের জীবন দিয়ে যে বুঝেছেন এই শব্দের ব্যবহার বিধির ধংসাত্মক প্রক্রিয়াকে। নদিয়ার সবজি বিক্রেতা আলতাফ ছোটাছুটি করলেন প্রশাসনের কাছে। তাঁর আর্থিক সঙ্গতি নেই বাচ্চাসমেত মেয়ের জীবনধারণের অর্থ যোগান দেওয়ার। জামাই আর একটা বিয়ে করবে। মেয়ে মেনে নিতে চাইছিল না তাই জামাই মেয়ের ওপর অত্যাচার চালাত। আলতাফ মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে এসেছেন থানায় অভিযোগ জানাবেন বলে। জামাই বুঝতে পেরে মেয়েকে তালাক দিয়ে দেয়। ডোমেস্টিক ভায়লেন্স অ্যাক্ট-এ নালিশ করার আর জায়গা থাকে না আলতাফের মেয়ের। প্রশাসনের সাহায্য চাইতে গিয়ে জানতে পারেন মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে দেখা মেলে তালাক হয়ে যাওয়া মেয়েদের সঙ্গে। কত বিচিত্র কারণে ব্যবহার হয় তালাক। সাবিনা, জ্যোৎস্না, সারভানুদের তালাকের কারণ ও তালাক দেওয়ার ধরণ বিচিত্র। পণ দিতে না পারার জন্য সাবিনাকে নিয়মিত মারত শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। সাবিনা স্বামীর লাঠির হাত থেকে বাঁচতে চেয়ে একদিন পালিয়ে যায়। এমন অবাধ্য স্ত্রী যে কিনা স্বামীর লাঠিপেটা খেতে অগ্রাহ্য করে। তাই মুসলিম পুরুষের হুংকারে নির্ধারিত হয়ে যায় তালাক। বাচ্চা নিয়ে জ্যোৎস্না বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। কিছুদিনের মধ্যেই পিয়নের হাতে চলে আসে তালাকনামা। জ্যোৎস্না জানেন না কেন তাঁকে তালাক দি্লেন। সারভানু, আকলিমা, নাজিরা, রাবিয়াদের তালাকেরও ন্যায্য অন্যায্য বিচার হয় নি। বাংলার গ্রামে গ্রামে বৌ জব্দের তালিকায় তালাকের রমরমা। স্বার্থান্ধ মুসলিম পুরুষের মোক্ষম অস্ত্র তালাক। শরিয়তের নামে এমন জব্বর ক্ষমতা ভোগ করার লালসা কী মুসলিম পিতৃতন্ত্র ছাড়তে পারে? এদেশে মুসলিম রক্ষণশীলদের ধর্ম রক্ষার জন্য নাকি কান্নার বহর দেখা যায় কেবল মৌখিক তালাক ও বহুবিবাহ জীইয়ে রাখতে চেয়ে এবং উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে ছেলে-মেয়ের অসম বন্টন ব্যবস্থা বহাল রাখতে চেয়ে। তাই ভারতীয় মুসলিমরা দুটি আইনে বাস করে। দেশের আইন এবং মুসলিম ব্যক্তিগত আইন। ফৌজদারি আইন সব ভারতবাসীর জন্য এক। মুসলিমরাও সেখানে একই বিচার পায়। কিন্তু দেওয়ানি আইনে মুসলিমরা আলাদা। সেখানে মৌখিক আইন যা মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের নামে চলে। নীতির ফড়ফড়ানি আর আদর্শের কচকচানিতে আইন অটুট রাখা যায় না। আদর্শ মুসলিম পুরুষরা অজুহাত দেখিয়ে তালাক দেন না ঠিকই কিন্তু যাঁরা দিচ্ছেন তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবিও তুলছেন না। গ্রামে গ্রামে নিম্ন আয় ও নিম্ন অবস্থানের মুসলিম মেয়েরা শোষিত, নির্যাতিত, অসম্মানিত হচ্ছে তালাকের দাপটে।

ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল গুলির না আছে জাতের ঠিক,না আছে এদের জন্মের ঠিক।

ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল গুলির না আছে জাতের ঠিক,না আছে এদের জন্মের ঠিক । ন্যাশনাল হেরাল্ড কান্ডে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ালো তৃনমূল আবার এই রাজ্যে তৃনমূল বিরুদ্ধে জামা খুলে রাস্তায় নামছে রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী । একধারে বিধানসভা ভোটে বাম-কংগ্রেস জোটকে ধাক্কা দিতে সোনিয়ার পাশে দাঁড়াতে মরিয়া মমতা, রাজ্যে আবার বাম কংগ্রেসদের মুখে একটা কথা ভেসে আসছে সারদাকান্ডে নাকি মোদী-মমতার জোট আছে? প্রশ্ন একটাই এই ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক গুলি আদৌ কি দেশের জনগনের ভাবে? ন্যাশানাল হেরাল্ড কান্ডের বিরুদ্ধে আদলত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এই তদন্তকে যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে কংগ্রেস নেতা কর্মীরা পথে নামে তবে একটা কথাই বলতে ইচ্ছে করে ভারতবর্ষের মানুষ রাজনৈতিক ক্ষমতা আদায় করার জন্য দুর্নীতিকে আড়াল করতে পারে এমন নিজের স্ত্রী সন্তানদের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করতে পিছুপা হবে না ।�

দিদি কলকাতাকে লন্ডন না বানাতে পারলেও করাচি বানিয়ে ফেলেছেন ঠিকই-

দিদি কলকাতাকে লন্ডন না বানাতে পারলেও করাচি বানিয়ে ফেলেছেন ঠিকই- http://m.timesofindia.com/india/ISI-network-in-Kolkata-has-deep-roots-Sleuths/articleshow/50082869.cms?utm_source=facebook.com&utm_medium=referral&utm_campaign=TOI

Tuesday, 8 December 2015

সাম্প্রদায়িকতার কালো ধোয়ায় হিন্দু-মুসলিম দুটি পৃথক জাতি...

সাম্প্রদায়িকতার কালো ধোয়ায় হিন্দু-মুসলিম দুটি পৃথক জাতি... এই ইস্যুকে সামনে রেখে দেশভাগ হলো..! করলো কংগ্রেস.. তারপরেও কংগ্রেস ধর্মনিরপেক্ষ...! যাইহোক... এরপর দুই পাকিস্তান থেকে হিন্দু পালিয়ে আসতে লাগলো ভারতে...! কেন......? শান্তির ধর্মের অনুগামীদের ভালোবাসায়...। আর যাদের জন্য দেশভাগ হলো তাদের কিছু অংশ এদেশেই থেকে গেলো নেহেরু-গাণ্ডুর কৃপায় ধর্মনিরপেক্ষতারনামে....!! তারপর গত ৬৮ বচর ধরে পাকিস্তান , বাংলাদেশে হিন্দু অত্যাচারীত হয়েছে , মন্দির ভাঙা হয়েছে , মৃত্যুবরণ অবধি করেছে , ধর্মান্তরিত হয়েছে....!! আর আমরা এখানে ধর্মনিরপেক্ষতারগান গেয়ে চলেছি মুসলিম তোষনের নামে , বছরের পর বছর ধরে....। ৪৭ শে বাংলায় মুসলমান ছিল ৫ % , আজ ৩০ % সৌজন্যে - কংগ্রেস , টিএমসি ও সবচেয়ে বেশি দায়ী ব্রা-প্যাণ্টি পরা গরুখোর ভামেরা , এরাই সবচেয়ে বেশি রেশন কার্ড , ভোটার কার্ড করেছে ভোটের স্বার্থতে বাংলাদেশি মুসলিমদের... নাগরিকত্ব পাইয়ে দিয়েছে এরাই বেশি করে বাংলাদেশি মুসলিমদের নাস্তিকতার আরালে... ধর্মনিরপেক্ষতারনামে...। এরপর শুরু হয়েছে পাকিস্তান , বাংলাদেশের মত এদেশেও... হিন্দু নিধন... প্রতিমা ভাঙচুর... দাংগা... গরুকাটার world class কসাইখানা তৈরী , ( কলকাতার ট্যাংরায় , নেপথ্যে - TMC )... লাভজেহাদ.... আর আমরা....?? ৩৪ বছরের ব্রা-প্যাণ্টি পরা গরুখোর নাস্তিক ভামেদের অপশাসন এর ফলে এমন নপুংসক হয়েছি যে... আপনার বাড়ির মেয়েটাকে কোনো মুসলমান যদি তুলে নিয়ে গেলেও আপনি ধর্মনিরপেক্ষতারই গান করবেন...! আর আমি ভাববো... এটা তো বর্ধমান এর ঘটনা এতে আমার কি...? কোচবিহার ভাববে... এটা তো মুর্শিদাবাদ এর ঘটনা এতে আমার কি...? আর ওরা কি ভাবে জানেন...? তো কি হয়েছে...! কাশ্মীর.. উত্তরপ্রদেশ...গুজরাট.. সব আমার ভাই... তবেই ওরা ১৭ কোটি মিলে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দেয়....! আর আমরা গাণ্ডুরা...!! গদির লোভে... ধর্মনিরপেক্ষতারনামে মুসলিম তোষণ করতে গিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানাচ্ছি , কখনও অজান্তে কখনো বা জেনে...!! উপায় একটাই বাংলার সকল হিন্দু এক হও নাহলে এরপর বংলা ছাড়া হতে হবে । তখন কিন্তু এই Congress.. Cpm..Tmc দের টিকিও খুজে পাবেননা....!! কারণ... হিন্দু যেখানে যতদিন সংখ্যাগুরু সেখানেই ততদিন ধর্মনিরপেক্ষতারবাণী কাজ করে ঠিকঠাক.... তারপর আর নয়... ভাবুন....!! Tag Line : ভামরেড , বাবরী নিয়ে সম্প্রীতির নামে মুসলমানদের উসকানি দিয়ে ভোটের রাজনীতি করতে একা আপনারাই পারেননা... আমরাও পারি... কিন্তু আমরা সত্য কথা বলি , এখানে যা যা বলেছি....!! ধন্যবাদান্তে সিদ্ধার্থ সরকার।

মুসলিম মতে তাদের নবী মুহাম্মদ মহামানব ছিলেন।

মুসলিম মতে তাদের নবী মুহাম্মদ মহামানব ছিলেন। কিন্তু, মুহাম্মদের মুখে মাঝে মধ্যে শয়তান এসে মিথ্যা বলে যেত.... তারপরও তিনি বেহেস্তে চলে গেলেন। . আর, সনাতন মহান মহারাজ ধর্মরাজ যুধিষ্ঠীর মাত্র একটি কথা মিথ্যা বলার কারণে নরক একবার দর্শন করতে হয়েছে... . এখানে মহা মানব কে???