ছিন্নভিন্ন ভিন্নমত
রহমান পৃথু
১.
এ এক অদ্ভুত রোগ মুসলমানদের! তারা যা বিশ্বাস করে, সে মতবাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা যাবে না। মুহাম্মদও তার মতের বিরুদ্ধে মতবাদের কারণে কবি ও সমালোচকদের হত্যা করেছিল।
মুসলমানদের বুঝতে হবে - যে কোনো মতবাদের বিরুদ্ধে মত থাকতে পারে এবং তা বলতে দিতে হবে। মুহাম্মদের মতবাদের মালিকানা একমাত্র মুহাম্মদের। কোনো মতবাদে আমি বিশ্বাস করি বলে সেই মতবাদের মালিকানা আমার হয় না।
মত প্রকাশের জন্য ধর্মানুভূতিতে আঘাত - বায়বীয় বিষয়। সে আঘাত মাপা যায় না। মালিকানা না থাকলে আঘাত হয় না।
তুমি যা খুশি বিশ্বাস কর - যেমন, বট গাছে ভূত আছে। কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু আমি কেন বলতে পারব না - ঐ বট গাছে আসলে ভূত বলে কিছু নাই?
যেমন, আল্লা বলে কিছু নাই শুনলে মুসলমানরা রেগে যায়। মুহাম্মদ ঠক, জোচ্চোর, মিথ্যাবাদী, প্রতারক, খুনী, লুচ্চা ছিল শুনলে মুমিনদের গায়ে জ্বালা ধরে।
আমি যা সত্য বলে জানি, তা বলতে বাধা দেওয়া যাবে না। মুসলমানদের সত্য শোনার অভ্যাস করতে হবে।
এ যুগে ১৪০০ বছর আগের মুহাম্মদের শাসন চলবে না।
২.
মুহাম্মদের যোগ্যতা, কার্য্যকলাপ, তার মতবাদ ও তার দাবিকৃত আল্লাহর বিরুদ্ধে নাস্তিকদের কিছু বলার আছে।
নাস্তিকরা মুহাম্মদ, তার কার্যকলাপ ও তার লোক-ঠকানো মতবাদের সমালোচনা করে। আপনি যিনি মুসলমান, আপনি তো মুহাম্মদের সমকক্ষ কেউ নন। তাই আপনার বিরুদ্ধে নাস্তিকদের কোনো কথা নাই।
অথচ আপনি বিশ্বাস করেন, আমি মুহাম্মদের যোগ্যতা, কার্যকলাপ, মতবাদ নিয়ে প্রশ্ন করলে আমাকে হত্যা করার অধিকার আপনার আছে। আমাকে হত্যা করতে পারলে আপনার জন্য বেহেশতে বিছানা রেডি।
তাহলে আপনার আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আত্মরক্ষার্থে নাস্তিকদের কী করণীয় আছে? আপনি যাতে আমাকে হত্যা করতে না পারেন, সে জন্য আপনি বলুন, আমাকে কী করতে হবে?
আগে ভাবুন, কথামতো আমাকে নিশ্চিহ্ন করার মতো এত বড় বিপদে পড়বেন কেন? কুরানের আদেশে নাস্তিক, কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন কেন? আগে-পিছে ভাবুন।
মুষ্টিমেয় ইহুদিদের সাথে লড়ার ক্ষমতা নাই আপনাদের। তাহলে খ্রিষ্টান, নাস্তিক, বিধর্মী, কাফের, হিন্দুদের সবার সামনে কীভাবে দাঁড়াবেন? আপনাদের সবাইকে তো সাগরে ঝাঁপ দিতে হবে!!
তাই মুহাম্মদের কথায় নাস্তিক, কাফের, ইহুদি, খ্রিষ্টান, বিধর্মী, হিন্দুদের প্রতি ঘৃণা আর নয়। হত্যা আর নয়। বর্ণ, ধর্ম, বিশ্বাস, মতবাদের কারণে কোনো বিভক্তি নয়। আমরা সবাই মানুষ। আমাদের সবার মন আছে, অনুভূতি আছে, সবার রক্তই লাল।
মুসলমান ভাইয়েরা, ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল হোন। মানুষকে ভালবাসতে শিখুন।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 22 December 2015
নির্ভয়া কান্ডের মেইন কালপ্রিট মহম্বদ আফরোজ ওরফে রাজু একজন মুসলমান।
নির্ভয়া কান্ডের মেইন কালপ্রিট
মহম্বদ আফরোজ ওরফে রাজু একজন মুসলমান।
ছেলেটি রেপ করে
মেয়েটির গুপ্তাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে
দিয়েছিল তাকে কোর্ট সাম্প্রতিক
মুক্তি দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারন ছেলেটি নাকি নাবালক। আমি ভেবে
পাইনা যে রেপ করতে সক্ষম সে
নাবালক কিভাবে হয়??
পুরুষ দেহে যৌনতার উপলব্ধি হয়
সাধারণত 12/13 বছর থেকে আর একটা
ছেলে আজকের হাইটেক অপসংস্কৃতির দুনিয়ায় 15/16 বছর থেকেই রেপ করতে
সক্ষম হয়ে যায়। তাহলে রেপ করার
ক্ষেত্রে এই নাবালক সাবালক বিতর্ক
কেন??
নির্ভয়া কাণ্ডে প্রথম দিন থেকে
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থি পরিষদ দোষিদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন
করছে। প্রসঙ্গত বলেরাখা ভালো যে
ইউপিএ যামানায় দিল্লীর বুকে সবকটি
আন্দোলন সফল হয়েছে এবিভিপির হাত
ধরেই। আজও ঐ তথাকথিত নাবালককে
মুক্তির বিরধীতায় এবিভিপি আন্দোলন করছে।
যার জন্য সত্যিই এই সংগঠনটির প্রতি
আমার শ্রদ্ধা বেড়েছে। দেশে সিউডো
সেকুলারদের ছাত্র সংগঠন আছে
চৈনিক এজেণ্ট তথা হার্মাদ দের ছাত্র
সংগঠন আছে এরা সব সেকুলারিজম সেকুলারিজম করে নিরন্তর চিৎকার
করে কিন্তু কন্যা হারা এক মা বাপের
ন্যায়ের দাবিতে কেন গলা ফাটায়না??
ছেলেটি মুসলমান বলেই কি সিউডো সেকুলার
ও হার্মাদ মার্কসিস্ট দের পক্ষ থেকে
ছেলেটির শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছেনা??
দাদরি দাদরি করে যারা গলা ফাটিয়েছিল
তারা কি এখন মৌন্য থেকে হিন্দু মেয়েদের
মুসলমানের হাতে ধর্ষিত হবার লাইসেন্স
দিতে চাইছে??
যে মান্দাক্রান্তার া অসহিষ্ণু অসহিষ্ণু করে এওয়ার্ড ওপসী ফেস্টিবেল
উজ্জাপন করল তারা একটা পরিবারের
একটা মৃত অত্যাচারিত ধর্ষিত মেয়ের
জন্য ন্যায়ের দাবিতে কেন একটা
বাক্যও খরচা করছেনা?? ওহ সরি সরি এই
সব বাম মনষ্ক সাহিত্যিকদের সাহিত্য রচনার প্রধান পুঁজিই তো বিছানার নগ্ন
যৌনতা। মনে হয় এরা ঘন ঘন এতই
বিছানা পরিবর্তন করেছে যে
সাভাবিক যৌনতা আর ধর্ষনের মধ্যে
এরা হয়তো কোন পার্থক্য খুঁজে পায়না,
আর সেজন্যই বিষয়টা নিয়ে এদের কোন প্রতিক্রিয়া নেই। শুধু এণ্টারটেইনমেণ্ট
করছে আর সাদা কাগজে যৌনতা নিয়ে
কবিতা উপন্যাসের ফুলঝুরি বুনছে!!
ইসলামী সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে থাকা বাংলাদেশী লেখক ব্লগারদের জরুরী আশ্রয় দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
ইসলামী সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে থাকা বাংলাদেশী লেখক ব্লগারদের জরুরী আশ্রয় দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
এই আহ্বান জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির কাছে সোমবার একটি চিঠি পাঠিয়েছে পেন আমেরিকান সেন্টারের নেতৃত্বে আটটি সংগঠনের একটি জোট।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদেরমধ্যে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, রিপোর্টাস উইদাউট বর্ডারস এবং ফ্রিডম হাউজ।
এসোসিয়েট প্রেস জানিয়েছে, চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে লেখক, ব্লগার আর প্রকাশকরা মৃত্যুর হুমকিতে রয়েছে। এ বছরই পাঁচজন নিহত হয়েছে আর অনেককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো তাদের দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। কয়েকজন লেখক ব্লগারকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে ‘’সত্যিকারেই ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করে লেখক ও ব্লগারদের জীবন বাচাতে ‘হিউম্যানিটারিয়ান প্যারোল’ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, কোন জরুরী পরিস্থিতিতে অন্য কোন দেশ থেকে কাউকে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসে আশ্রয় দেয়াকে ‘হিউম্যানিটারিয়ান প্যারোল’ বলে বর্ণনা করা হয়। http://www.bbc.com/bengali/news/2015/12/151222_bangadesh_writers_blogger_pen_america
ভারত ভাগের অধিকর্তাদের জীবনী
বাল্যকাল থেকেই আমি ইতিহাস বই মা স্বরসতীর কাছে দিতাম না কারণ বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করে দেখতে পেলাম যা আমাদের পড়ানো হয় সব চরিত্রহীন, ভারত ভাগের অধিকর্তাদের জীবনী, জিন্নার যতো না দোষ বা ক্ষমতা তার থেকে নেহেরুর অপরাধ ভারত ভাগের জন্যে ছিলো ।
১) কাশ্মীরের সমস্যা নেহেরুর দান । পাকিস্তানের বালুচিস্তান,ওজারিস্তান প্রদেশ ভারতের সাথে আসতে চেয়েছিলো কিন্তু নেহেরু আসতে দেয়নি উল্টে আমাদের জমিকে জিন্নার কাছে দান করে, তিব্বত ও ভারতের প্রদেশ হতে চেয়েছিলো , চীনের পা চাটতে গিয়ে তিব্বতকে অন্তর্ভুক্তি করতে মানা করে দেয় ।
২)কমিউনিস্ট চীন গা ঘেষে শেষ অবধি ১৯৬২ তে চীনের আক্রমণে ভারতের হার । অরুণাচল সমস্যা জন্যে দায়ী নেহেরু ।
৩) নেতাজীকে জেলে বন্দী রেখে ভারতে না আসতে দেওয়া, হত্যার পরিকল্পনা, আজাদ হিন্দ ফৌজ টাকা আত্মসাৎ করা, ভারতের স্বাভিমানকে খতম করে দেওয়া ।
৪)ভারতের জমিকে মুল্লাদের দিয়ে হিন্দু-শিখ তাড়ানোর ব্যবস্থা করেছিলো , ১৯৪৬ এর দাঙ্গায় হিন্দু-শিখদের বাঁচাতে আসেনি, উল্টে সন্ত্রাসী জিহাদীদের সাথে সমঝোতা করতে বলেছিলো । ১ কোটি হিন্দু-শিখ পরিবারের অত্যাচারের শিকার হয়েছিলো ।
৫)ত্রিকোণ প্রেমের শিকার নেহেরু এতো চরিত্রগত দুর্বল ছিলো লর্ড মাঊন্টব্যাটনের বউ এডবিনার চক্করে পড়ে রাজস্বত্তা তাঁর পায়ের নতজানু করেছিলো, ভারত ভাগ হলো ।
৬)বিদেশী অপসংস্কৃতির অপর এতো প্রভাব ছিলো ফসল বাড়ানোর নামে ব্যাপক ভাবে কীটনাশক -রাসায়নিক সার প্রয়োগ, যার ফল যে সাময়িক সাফল্য কিন্তু দূরগামী দিক দিয়ে প্রজন্মের-ভারতের সর্বনাশ ।
৭) বাংলা কেশরী ও বাংলার রক্ষাকর্তা ডঃশ্যামাপ্রসাদকে কাশ্মীরের জেলে হত্যা করেছিলো নেহেরু-আবদুল্লা মিলে ।
৮)ইতিহাস বই বিকৃত করে বাচ্চাদের মনে মেকী সেকুগীরি ঢুকিয়ে জাতীয়বোধ থেকে দূরে সরিয়ে দিলো ।
৯) পরিবার রাজনীতির মূল কার্যকারী কাণ্ডারী নেহেরু থেকেই হয়েছিলো ।
১০) নেহেরু যেখান থেকে নির্বাচন লড়তো উত্তর প্রদেশের ফুলপুর সেখানে আজও পিছিয়ে আছে, নূন্যতম সুবিধা অবধি নেই, সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতো ৩ বার । পারিবারিক দূর্নীতি ছাড়া কোন কিছু সঠিক করতে পারেনি ।
১১) UN তে ভারত স্থায়ী সদস্যের আমন্ত্রণ পেয়েছিলো কিন্তু ফূর্তিবাজ নেহেরু কাকা নিজের ইগো দেখিয়ে ও ভারতের নাকি নিরেপেক্ষ অবস্থান ও প্যালেস্টাইন সন্ত্রাসী সমর্থন করে এবং সিট নিতে অস্বীকার করে ।
১২) ভারতীয় ফুটবল ফিফার বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেও তাকে কোনরকম আর্থিক সুযোগ দিতে অস্বীকার করে, তার ফলে অর্থের অভাবে ভারত যেতে পারলো না ।
শুনুন,,,, সিলেটের রিতা রানী মল্লিক এর ইতিহাস এবং তার পরিবারের আত্মনাদের করুন কাহিনী.....
★★★শুনুন,,,,
সিলেটের রিতা রানী মল্লিক এর ইতিহাস
এবং তার পরিবারের আত্মনাদের করুন
কাহিনী......
,
যা শুনে আপনার চোখে জল অঝরে ঝড়বে।ভেবে
দেখুন বাংলার মাটিতে হিন্দুর সম্মান
কোথায়........??????
হারিয়ে যাওয়া এক হিন্দু নক্ষত্র রিতা
রানী মল্লিক ,পিতা :সর্গীয় গিরিশ চন্দ্র
মল্লিক বাড়ি সমসের নগর ,কমল গঞ্জ, মৌলভী
বাজার জেলা ।
,
এই বছর মার্চ মাসের ৪ তারিখ সে কনভার্ট
হয়ে মুসলিম নাম নুসরাত জাহান রিতা নাম
গ্রহণ করে। এর পিছনের ইতিহাস অনেক
করুন......
,
গরীব মেধাবী রীতা মল্লিক তার ৬ ভাই
বোন এর মধ্যে সবার ছোট ও অসম্বব সুন্দরী
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষে পড়ত সে ভানুগাছ
গনবিদ্যালয়ে।পরিবারের আর্থিক কষ্টে ১০
তা প্রাইভেট পড়াত সে। প্রাইভেট শেষ করে
প্রায় রাতে বাড়ি ফিরতে হত তাকে। তখন
থেকেই তার পিছু নেয় এলাকার বখাটে
মায়মিন আহমেদ ( ৮ পাস পেশা
ইলেক্ট্রোশিয়ান ,পিতা আব্দুল জলিল
,মুন্সিবাজার ,কমলগঞ্জ।)
,
একদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে রিতা রানী
কে জোর করে পাশের চা বাগানে নিয়ে
বন্দুদের সহায়তায় ধর্ষন করে মায়মিন
আহমেদ, যা সে ক্যামেরায় ধারণ করে তাকে
ব্ল্যাকমেল করে ধর্মান্তরের জন্য চাপ
প্রয়োগ করতে থাকে একপর্যায়ে ব্ল্যাকমেল
করে বার বার ধর্ষণ করতে থাকে। তার এই
বিপদ সে মান সম্মানের ভয়ে কাউকে বলে
নি।
,
সে প্রত্যেক একাদশী নির্জলা পালন করত।
একদিন মায়মিনুল তার দলবল নিয়ে রিতার
বাড়ি এসে সবাইকে সাশিয়ে যায়, যদি
রীতা তাকে বিয়া করতে অস্কৃতি জানায় তবে
সে সব ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে ।
নিজের সম্মানের কথা ভেবে এবং পাাড়ার
হিন্দু হিজরা ছেলেরা তাকে বাঁচাতে
নিস্ক্রিয়তা দেখে সে বাধ্য হয়ে মুসলিম
হয়ে যায়.কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ নয়,
প্রথম ৫ মাস সুখেই কাটে তার সংসার......
৫ মাস পরে শুরু হয় লাভ জিহাদী মায়মিনুল
ও তার পরিবারের আসল রূপ। ভালবাসা
পরিনত হয় নির্যাতনের কনডেম সেলে।
মায়মিনুল রিতাকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে
তার বাড়ি হতে ৫০ হাজার টাকা দেবার
জন্য। কিন্তু রীতা মুসলিম হয়ে গেছে এই
ভেবে হিন্দু ধর্মের আইন অনুযায়ী সে তার
বাপের বাড়ি হতে কিছুই পাবে না তার
সম্পর্ক পরিবারের সাথে ছেদ হয়ে গেছে
তাই রিতার মা ও তার বোন টাকা দিতে
অস্কৃতি জানায় ।
,
এর পর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
প্রতিনিয়ত মালাউনের বাচ্চা ,বান্দির
বাচ্চা ,শুনতে শুনতে সে এক বার তার
ফ্যামিলি কে ফোন করে বলে দিদি আমি
জীবনে অনেক ভুল করেছি আমি ফিরে এলে
তোমরা হিন্দু সমাজে আমায় মেনে নেবে ?
তার ফ্যামিলি রাজিও হয় এমনকি এলাকার
সব হিন্দুরা রিতার ফ্যামিলি কে সাপোর্ট
দেয়, কিন্তু এই কথা জানতে পেরে মায়মিনুল
রিতাকে গৃহ বন্ধি করে ফেরে এক্কেবারে।
তার কলেজে যাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। এর২
দিন পরে মায়মিনুল এর ঘরে রিতা রানীর
লাশ ওরফে নুসরাত জাহান রিতার লাশ
পাওয়া যায়। বলা হয় ছেলের ফ্যামিলি তরফ
হতে মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে
,এমনকি মৃত্যুর পর রীতা রানী ওরফে মুসলিম
ধর্মে ধর্মান্তরিত নুসরাত জাহান রিতার
মুসলিম রীতি অনুযায়ী কোনো জানাজাও
পরায়নি ছেলের পরিবার।
,
কোনো কবরস্তান এতটুকু তার জায়গা হয়নি।
আমার এই বোনটিকে আমরা সনাতনের
দব্জাধারী দাবিকারী কোনো ভাই বাচাতে
পারিনি.....!!!!!!!!!!!!! উললেখ্য রীতা
রানী কে এফিডেভিট করাণো আইনজীবী
কিন্তু হিন্দু এডভোকেট আশুতোষ দে যিনি
মৌলভীবাজার কোর্ট মসজিদ মাকের্ট এ১৪
নম্বর রুম এ বসেন। সবার অগোচরে রাতের
আধারে কমলগঞ্জ এর কোনো এক পাহাড়ি
টিলায় আমাদের এই বোনটিকে মাটিচাপা
দিয়া হয়.এমনকি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও
কমলগঞ্জ থানায় পরে রয়েছে, ওখানে উল্লেক
রয়েছে নাকি শুধু মাত্র ফাঁসিতে রীতা
রানীর মৃত্যু হয়। যদিও রিতার ফ্যামলির
কথা অনুযায়ে তাকে মেরে ফাঁসিতে জুলিয়ে
দিয়া হয়েছে।
,
রিতা রানি ৩ মাসের প্রের্গনেড ছিল
মরার সময়। বিচিত্র চেলুকাস এই
দেশ......!!!!!!!!
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।
মায়মিনুল এখনো সমাজের নগরের বাজারে
গলা উচিয়ে বলে বেড়ায় মালাউনের
মেয়েকে লাগানোর ইচ্ছে ছিল লাগাইছি
ভোগ করার ইচ্ছে ছিল ভোগ করছি ,বিয়া
করার ইচ্ছে ছিল বিয়ে করছি,মারতে ইচ্ছে
হইচে মারছি ,তরা মালাউন পারলে আমার
একটা বাল ছিরে দেখা...... !!!!!!!!!!!!!!!
,
..ঘটনার সত্ত্বতা যাচায়ে: অনিতা মল্লিক
( বড় বোন মৃত রিতা রানী মল্লিক।
০১৭৯৯৫৫১৬৩৫)
কপিপোষ্ট
Stop Anti Hindu show "Mirakkel" on Zee Bangla.
Stop Anti Hindu show "Mirakkel" on Zee Bangla. https://www.change.org/p/dr-subhash-chandra-stop-anti-hindu-show-mirakkel-in-zee-bangla?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C1618641379
আজ চট্রগ্রামের আরো একটি ধরমান্তর হল ব্রাম্মন মেয়েকে
আজ চট্রগ্রামের আরো একটি ধরমান্তর হল
ব্রাম্মন মেয়েকে।মেয়ের নাম অরি
চক্রবর্তী,
বাবা: মৃদুল চক্রবর্তী ববয়স ১৯ বাড়ি ঃ
পড়িকোড়া,
আনোয়ারা।মেয়েটি অনেক গরিব ঘরের
মেয়ে।
মেয়েটি ইন্তার এএ পরত, মাস খানেক আগে
মেয়েটি তাদের পারিবারিক মন্দিরে পুজা
দেবার জন্য
ভোরে গ্রামের পুকুরে স্রান করতে জায়।স্রান
করে মন্দিরে জাওয়ার পথে এলাকার দুবাই
ফেরত
মিজান উদ্দিন বয়স ২৩, পিতাঃ আক্লাক
উদ্দিন তার দুলাভাই
মুসা এর সহযোগিতায় অপহরন করে।ঘটনা শুনে
জাগো হিনদু পরিষদ ঘটনা স্তলে জায়।কিন্তু
এতিমদ্ধে অপহরন। কারী রা চট্রগ্রামের
একটি
স্তানিও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয় জে
ব্রাম্মনের
মেয়েটি সইচছাই মিজান উদ্দিন কে বিয়ে
করে
নোটারি পাবলিকের মা ধ্যমে মুসলিম ধরমে
ধরমান্তরিত হয়েছে। মেয়েটির গরিব বাবা
আনোয়ারা থানায় মামলা করতে গেলে
থানার ওসি
মামলা নিতে অসিক্রিতি জানায়।উলটা
অসহায় মেয়ের
বাবাকে হুমকি ধামকি দিতে থাকে।জাগো
হিনদু পরিষদ
আনোয়ারা শাখা যখন থানায় জায় তখন
পরিস্থিতি আর
উত্তপ্ত হয় এক পজ্জাইয়ে জাগো হিন্দু পরিষদ
ও
মেয়ের বাবা ও কাকা থানা হতে বেড়িয়ে
আসে।
আমরা মেয়ের বাবাকে বাদী করে চট্রগ্রাম
নারী
ও শিশু স্পেশাল ট্রাইবুনালে মামলা করাই
মামলার
ওয়ারেন্ট চার্জশিট আনোয়ারা থানায়
পৌছানোর পড়ে
শ্যামল কান্তি পাল নামক এক হিন্দু এসআই
এর নিকট
মামলার আসামীদের ধরার ভার পড়ে। কৌশলে
ওসি
হিন্দু দালাল এসআই কে মামলার ভার অরপন
করে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হিন্দু নামধারি এস আই
শ্যামল পাল
উলটো রাতে গিয়ে মেয়ের বাবাকে শাসায়
এই
বলে যে কেনো তারা উচ্চ আদালতে
ট্রাইবুনালে
মামলা করল?ইতিমধ্যে আনোয়ারা থানার
পুলিশের
কুকিরতী চ্যানেল নাইনের স্পেসাল ক্রাইম
প্রোগ্রাম এ পুরা বাংলাদেশে প্রচারিত হয়।
চ্যানেল
নাইনের সাংবাদিকরা লাঞ্চিত হন
আনোয়ারা থানায় গিয়ে
তাদের গাড়ী ভাংচুর করা হয়।ইতিমধ্যে
আনোয়ারা
থানার কুকিরতি চ্যানেল নাইনের পদার্য়
ফাস হলে
প্রসাশনের টনক নড়ে।জাগো হিন্দু পরিষদ
মাইনরিটি
ওয়াচের চেয়ারম্যান এডভোকেট রবীন্দ্র
ঘোষ কে জানায় বিষয় টি চট্রগ্রাম এর
ডিসি,এডিসি,পুলি
শ সুপার,ঢাকার উচচ পজ্জাইয়ে লবিং করে।
কিন্তু এখন
ও অরি চক্রবর্তী কে প্রসাসনের তরফে
উদ্ধারের কোনো লক্ষন দেখা জাচ্ছে না।
বেক্তি গত শুত্রে জানা খবর ছেলেটি ওমান
চলে
যাওয়ার ছেস্তা চালাচ্ছে।এতিমদ্ধে ঢাকা
ও
চট্রগ্রামের ইমিগ্রেশণ অফিস sb office এ
আসামীর ওয়ারেনট পাটানো হয়েছে যাতে
আসামি
পালাতে না পারে।অরি চক্রবর্তী এর বাবা
গরিব
টেইলারিং এর কাজ করত একটি মুসলিম
মালিকাধীন
দোকানে। এই ঘটনার পরে তারা মানবেতর
জীবন
যাপন করছে।মামলা পরিচালনার টাকা
তাদের কাছে নাই।
পারলে কেউ সাহায্য করতে পারেন।মামলার
নম্বর
৭/৩০ ও মামলার স্মারক নম্বর
১১৯৯/১৫..
যোগাযোগের ঠিকানা ঃ অরি চক্রবর্তী এর
পিতা
মৃদুল চক্রবর্তী :+8801735966642
,কাকা রাজু
চক্রবর্তী জিনি মাম্লা দেকভাল করছেন:
01741606015
Subscribe to:
Comments (Atom)