Thursday, 24 December 2015

Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims | Radhe Radhe | HariBhakt.com

Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims | Radhe Radhe | HariBhakt.com http://haribhakt.com/kaaba-a-hindu-temple-stolen-by-muslims/

এবার আইন অমান্য অধীর দুর্গে, সামনে দ্রৌপদী

এবার আইন অমান্য অধীর দুর্গে, সামনে দ্রৌপদী | Kolkata24x7| Latest News Headlines, Current Live Breaking News from India & World http://www.bengali.kolkata24x7.com/murshidabad-law-violetaion.html

পুজার পদ্ধতি

আপনি দুটি ইসু তে বলেছেন- ১ ইস্বার অ দুই পুজার পদ্ধতি- আপনায় বলি- ইস্বার ১ আমরা মানি- আপনাই প্রথমে বুঝতে হবে ধর্ম তে কি বলা হয়েছে- আমাদের ধর্ম আসলে কি? হিন্দু? সেটা ত নাম মাত্র- আমাদের এই বিশ্বাস বা ধর্মের নাম আর্জ-সনাতন- আপনি অস্বিকার করলেউ সত্যি টা পালটাই না- যে আপনিও একদিন এই ধর্মের ছিলান- আপনার পদবি থেকে পরিস্কার- আর শুধু আপনি কেন? ভারতের সবচেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মহাম্মাদ আলি জিন্না-তাহার পিতা জিন্নাহভাই পুঞ্জাউ এক হিন্দু গুকুলদাস মেঘজির সন্তান- আদি বাড়ি গুজ্রাথের গন্দালে- গুগল করতে পারেন এবার আপনার প্রথম বিশয়ে আসি- আর্জ ধর্ম- বৈদিক ধর্ম- এতে- 'আধ্যাত্মিকতা' বেশী- স্বামি দয়ানন্দ- সংকারাচার্জ এই চিন্তার নতুন ভাব দেন- এবং স্বামি বিবেকানন্দ একদিন আলমরা উত্তারখান্ডে এক আধ্যাতিক আশ্রম বানান- এই নিয়মে 'মূর্তি' বাঁ বিগ্রহ পুজার রীতি নাই- এই চিন্তা অনুযায়ী- ইস্বার OMNIPRESENT OMNIPOTENT ও OMNISCIENT অর্থাৎ সর্ব স্থানে আছেন- তার কোন রুপ নাই- তার কোন আকার নাই- শেষ নেই শুরু নেই- অনেকটা ইসলামে 'আল্লাহ'কে যেরকম বোঝানো হয়- এই চিন্তা প্রাচীন আর্জ শাস্ত্র থেকে ব্রাহ্ম সমাজেও রাজা রামমহান রায় আনেন- আরেক দিক হোল- সনাতন- এই রীতি কে প্রবর্তন করেছিলেন বলা যায় না- কিন্তু এর শুরু হয়- শ্রী কৃষ্ণের পৃথিবির ভুমি ত্যাগের পর- বলা হয়, ভগবান কৃষ্ণের ভক্তরা- এই রীতি শুরু করে গোপালের এক প্রতিচ্ছবি সামনে রাখার জন্য- বিগ্যান মতে- মানুষের দৃষ্টি সক্তি অন্যান্য সেন্স গুলির থেকে বেশী- তাই এই প্রভাভের ফলে মানুষের সাধারন মনে হয়- তিনি বুঝি আমার সামনে আছেন- এতে কারুর কোন ক্ষতি তহ হই না- উল্টে যিনি এই বিশ্বাস করছেন তার মনে এক শক্তির সঞ্চার হয়- এবার ব্যাপার হোল- এই দুইয়ের মধ্যেও অনেক সময় মন মালিন্যা দেখা দিয়েছে- আর এই সমস্যার সমাধান ঘটিয়েছেন স্বামি ভিভেকানন্দ- আপনাই আগেই বলেছি তিনি 'মূর্তি বিহীন আশ্রম' বানিয়েছিলেন- কোন মুর্তি ছারা সামনে- সারা ভারত ভ্রমন শেষে এই দেশের কথা ভেবে আদ্যাতিক গ্যান অর্জন করেছিলেন কন্ন্যাকুমারির মাঝ সমুদ্রের পাথরে বসে-( যা আজ বিবেকানন্দ মেমরিয়াল)। এই সময় স্বামী বিবেকানন্দ একবার রাজস্থান এর এক অঞ্চল এ গিয়ছিলেন।সেখানকার রাজা আসলেন স্বামীজির সাথে দেখা করতে।কথার এক পর্যায়ে রাজা স্বামীজিকে বললেন সনাতন অনুসারিদের মূর্তির প্রতি তার কোন ভক্তি নেই।কেন তিনি একটি মাটির অথবা পাথর অথবা কাঠ দিয়ে বানানো মূর্তির পুজা করবেন?সত্যি কি কোন মূর্তি মানুষের কথা শুনতে পারে??আরও ভারতীয় “পি কে” সিনেমাতে আমিরখান যেসব প্রশ্ন করেছিলেন দোকানিকে সেরম প্রশ্ন করলেন।তো রাজার প্রশ্ন শুনে স্বামীজি হাসলেন এবং রাজার সহকারীকে বললেন রাজার একটি ছবি আনতে।যখন সহকারি ছবি আনলেন তখন স্বামীজি বললেন রাজার ছবি তে থু থু ফেলতে।স্বাভাবিকভাবেই রাজার সহকারীটি স্বামীজির কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে রইলেন।স্বামীজি আবার বললেন রাজার ছবি তে থু থু ফেলতে।সহকারি এবার ও স্তম্ভিত হয়ে রইলেন।শেষ পর্যন্ত সহকারী চিৎকার করে বললেন “আমি কিভাবে থু থু ফেলব রাজার ছবিতে তিনি তো আমাদের রাজা।“ তখন স্বামীজি বললেন “তোমার রাজা তোমার সামনে বসে আছেন। এই ছবি তো একটা কাগজ,না এই কাগজ শুনতে পারে,না বুজতে পারে,না এ কাগজ বলতে পারে তবুও তুমি এই একটা কাগজে থু থু ফেলতে পারছ না কারন এখানে তোমার রাজার একটা ছায়া আছে তাই ছবি টা তোমার কাছে রাজার সমতুল্য।তখন রাজা বুজতে পারলেন স্বামীজি আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন।স্বামীজি বোঝালেন - 'ভক্তি' বড় কথা- আপনার পুজার রীতি নয়- আপনার মনে ভক্তি যদি ঠিক থাকে- আপনার পুজার ফলে যদি কেউ দুঃখ কষ্ট না পাই- সে এক মানুষ হোক বা এক সামান্য প্রাণী (বলে রাখি বলিদান প্রথা কিন্তু তিনি চাননি- তাই তাহার রামকৃষ্ণ মিশনে বলিদানের রীতি নাই- কারণ প্রকৃত প্রাণদাতাকে কখনই তাঁর সৃষ্টির প্রাণনাশ করে খুশি করা যাই না)- এবং গুরুত্বপুর্ন ভাবে আপনার মানবসেবায় যেন ত্রুটী না থাকে তাহলে আপনার ধর্ম সার্থক যেমন শিবার মাথায় মুল্যবান দুধ ধালতে তিনি বারন করেন নি- কিন্তু নিজের হাথে চণ্ডালকে পেট ভরে খাইয়ে বললেন- "জীবে প্রেম করে যেই জন; সেই জন সেবিচে ঈস্বার"- এবং তারপর তাকে বুকে নিয়ে ঘোষণা করলেন- দরিদ্র ভারতবাসী চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই"- এই আমাদের আদর্শ আমরা আর এস এস বা যে কোন প্রকৃত আর্জ সনাতন এই রীতি মেনে চলে- আমার দেশ ও আমার ধর্ম দুই আমার কাছে সমান। আমি তো জানি যে ওই সামান্য তুলসি গাছটি ব্রহ্মাণ্ড বানাই নি- জানি তো ওই সামান্য শিলটির কোন ক্ষমতা নেই- জানি যে ওই মৃত্তিকার নির্মিত বিগ্রহ এক বস্তু মাত্র- কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটিকে সম্মান কেন জানায়? কৃতোজ্ঞতা থেকে- যে এই উপহার আমার ঈস্বার আমায় দিয়েছেন- যে ভাবে আপনার প্রিয়জনের সামনে না থাকার অভাব তাঁর দেওউয়া কোন উপহার দেখে আপনি মনে করেন সেরকম- যেমন এক কালো পাথর আপনার কাছে এক আল্লাহর প্রেরিত এক নিশান সেইরকম। এই সুর্জ আমায় রশ্মি দেয় প্রাণ দেয়- ওই গঙ্গা হাজার বছর ধরে আমার তেষ্টা মেটাই- ওই হিমালয় আমার সুজলা সুফলা বাড়ী রক্ষা করে চলেছে চিরকাল- আমার বিধাতার এই আমার জন্য দান করা এক একটি প্রতিক এগুলি- আমার প্রাণ আমার ভালোবাসা আমি আপনার মধ্যে- আমার আশে পাসের মানুষের মধ্যে পায়- কারণ আপনিও আমার সৃষ্টিকর্তার এক প্রতিক-

মারবো দিল্লীতে, লাশ পড়বে কালীঘাটে

মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে টি.এম.সি নেতা সাংসদ সুদিপ বন্দোপাধ্যাকে কেউ বা কারা হত্যা করার চক্রান্ত করছে.... এই নিয়ে উনার কাছে ফোনে একটা মেসেজ এসেছে যার মূল বক্তব্য হল "মারবো দিল্লীতে, লাশ পড়বে কালীঘাটে। যাই হোক উনার সুরক্ষা আরো জোরদার করা হোক আর ভগবানের কাছে উনার দীর্ঘযু কামনা করি। দিদি এই ঘটনাটিকে আর ছোট্টো ঘটনা বলে সম্বোধোন করেননি... কিন্তু বাংলার সাধারণ মেয়েরা ধর্ষিতা হলে, কলেজে ছাত্র খুন হলে, প্রতিবাদীরা খুন হলে তখন সেটি হয়ে য়ায ছোট্টো ঘটনা.....? কোনো.....? কারণ তারা সাধারণ জনতা। তাই তো....? যে ভাবে খুনের হুমকি দেওয়া হল এতে তো ডাল মে কুছ কালা হে মনে হয়

৭১-র পাকিস্তানিরা বাঙালীদের লুঙ্গি খুলে খুলে দেখত

৭১-র পাকিস্তানিরা বাঙালীদের লুঙ্গি খুলে খুলে দেখত; মুসলিম হলে ছেড়ে দিত, হিন্দু হলে মেরে ফেলত--এরকম ঘটনার কথা অনেকেই শুনেছেন। ঠিক একই কায়দায় কেনিয়ায় এক বছর আগে আল শাবাব জঙ্গিরা একটি যাত্রীবাহী বাসে হামলা চালিয়ে মুসলিম যাত্রীদের ছেড়ে দিয়ে অমুসলিম ২৮ যাত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছিল। এবার আবার সেই একই জায়গায় একই ভাবে হামলা চলাকালে বাসের খ্রিস্টান যাত্রীদের শনাক্ত করতে মুসলিম যাত্রীদের সরে দাঁড়াতে বলে জঙ্গিরা, কিন্তু মুসলিমরা তা করতে অস্বীকার করে বলে জানিয়েছেন এক যাত্রী। ৭১-এও অনেক হিন্দু মুসলমানদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিল। একটু হলেও কেনিয়ার মুসলমানরা আবার ধর্মের উর্ধ্বে মানবতাকে স্থান দিয়ে একটি নজির স্থাপন করল। এই মানবতা সবখানে সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক।

ব্রুনেইয়ে প্রকাশ্যে বড়দিন পালনে নিষেধাঞ্জা জারি হল।

দক্ষিণ চীন সাগরের মুসলিম অধ্যুসিত ছোট্টো দেশ ব্রুনেইয়ে প্রকাশ্যে বড়দিন পালনে নিষেধাঞ্জা জারি হল। কারণ সাড়ে চার লাখ জনবসতির এই দেশে মুসলিম 65% । তাই অমুসলিমরা প্রকাশ্য ধর্মচারণ করতে পারবে না  প্রকাশ্যে। আর এটাই শাহরুখ আর আমীরের কাছে সহিষ্ঞুতা আর শুধু দিল্লী তে ২০০ এর বেশী মসজিদ আর ওদের ধর্মীয় দিনে কলকাতার রেড রোড বন্ধ করে নামাজ শুধু তাই না ভারতে থেকে ফাকিস্তান প্রেম, ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত আর সংখ্যাগুরুদের ধর্মাচারণে বাধা..... আর এগুলো না করতে দিলেই ভারত আসহিষ্ণু।
ব্রুনেইয়ের এই ঘটনা নিয়ে ছি.পি.এমের বরাহনন্দন গুলো মুখে ফেভি ক্যুইক লাগিয়ে নেবে... এরা প্যালেস্তাইন নিয়ে রাস্তায় নামে... সিরিয়া নিয়ে রাস্তায় নামতে পারে। কিন্তু ব্রুনেই নিয়ে রাস্তায় নামবে না.......... কারণ.....? ওই যে সেদিন বললামনা # চোষার_রাজনিতী.... ভোটের জন্য চুষতে হবেতো....? আর ব্রুনেইয়ের ঘটনায়.... যাদের চুষি, তারাই তো দোষী.... এখন কী আর মুখ খোলা য়ায়.....? তাই না কমরেডস.....?

খবর টি দেখুন- http://www.dailymail.co.uk/news/article-3369213/Brunei-BANS-Christmas-threatens-Muslims-celebrate-five-years-prison-Christians-organising-celebrations-warned-jailed.html  আমাদের দিলয়ালের মত ব্যান শুরু করে দিয়েছে ইংল্যান্ডের ভাইরাও, বৃটেনে ফার্স্ট তাহার হোটেলে ধর্না তে যাবে আজ- এবার শাহরুখের মতন ইনিও বুঝুক- চালাকি মেরে বেশীদিন টেকা যায় না!!

মৌলবী সাহেব জন্নতে কে যাবে?

এক মৌলবী আর আমার তর্ক... মৌলবী সাহেব জন্নতে কে যাবে? মৌলবী- মুসলিমরা যাবে । শিয়ারা যাবে নাকি সুন্নীরা যাবে? মৌলবী- সুন্নিরা যাবে । মুকল্লিদরা যাবে নাকি অমুকল্লিদরা যাবে? মৌলবী- মুকল্লিদরা যাবে । মুকল্লিদরা তো চার প্রকার তাদের মধ্যে কারা যাবে? মৌলবী- হনফিরা যাবে । হনফিরা তো দুভাগ দেববন্দী আর বেরলবি ওদের মধ্যে কারা যাবে? মৌলবী- দেববন্দীরা যাবে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে কিন্তু দেববন্দীরাও তো হয়াতি আর মামাতিতে দুই প্রকার হয় ওদের মধ্যে কারা জন্নতে যাবে? মৌলবী এর পর উধাও । যারা হিন্দুদের জাতপাতে বিভক্ত করে তাদের জাতপাত আজকে একটু দেখে নিন আর শেয়ার করে সবাইকে জানান ।� সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য