ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ একদিন পুনর্মিলিত হয়ে আবার দেখা দেবে অখণ্ড ভারত৷ এমনই স্বপ্ন দেখেছেন বিজেপি নেতা রাম মাধব। তাঁর বিশ্বাস একবিন্দু রক্তপাত ছাড়াই জনমতের ভিত্তিতে আবার ঐক্যবদ্ধ হবে অধুনা স্বাধীন সার্বভৌম তিনটি রাষ্ট্র।
.
আপনাদের মতামত কাম্য । Let's Comment. https://m.facebook.com/IndiandefenceInbengali/photos/a.109595086062101.1073741828.109367109418232/182967565391519/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C1381870277
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 27 December 2015
হিন্দুত্ববাদ?
হিন্দুত্ববাদ?..
নাহ! আমি শুধুমাত্র হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাসী নই.. আমি 'বাঙালী হিন্দুত্ববাদে' বিশ্বাসী..
শুধুমাত্র মোল্লারা নয়, অবাঙালীরা বিশেষত হাওড়া, কলকাতা ও হুগলি শিল্পাঞ্চলের আশাপাশ অঞ্চলে বিহারীরা এসে ভিড় জমিয়ে বাঙালী হিন্দুদের ক্রমাগত কোন ঠাসা করে দিচ্ছে।।
তাই এদের সবাই কে যোগী আদিত্যনাথের ভাষায় বোঝাতে হবে 'আগার বেঙ্গল মে রেহেনা হ্যায়, তো 'বাঙালী বাঙালী ' কেহেনা হ্যায়...
নিজের অধিকার না চাইলে সবাই পায়ের তলায় পিষে দিয়ে চলে যাবে.. তাই শুধু হিন্দু নয়, বাঙালী হিন্দুর অধিকার চাই..
আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত মিথ হল ইশ্বর-আল্লা-গড একই জন..
আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত মিথ
হল ইশ্বর-আল্লা-গড একই জন..
বেদ-কোরান-বাইবেল এর সার কথা
একই.. তা হলো মনুষত্ব।। সত্যি?..
নাহ!! এই ধারনা পুরোপুরিভাবে আমাদের
ভূল ধারনা.. বা সোজা কথায় বেদ-
কোরান-বাইবেল না পড়ার অজ্ঞতা..
আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে
পারি..৯৫% হিন্দু বেদ-কোরান-বাইবে
ল কোনোদিন চোখেই দেখেনি, সেটা খুলে
পড়া বহু দূরের কথা.।
তাই তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ
আপনারা আগে বেদ-কোরান-বাইবেল
গভীর ভাবে অধ্যয়ন করুন, তারপর না
হয় ঋত্বিকের সিনেমার গান ধরবেন
"গড আল্লা ওর ভগবান নে বানায়া এক
ইনশান"..। তাই যতদিন না তিনটি
ধর্মগ্রন্থ পড়া শেষ হচ্ছে এই গান
গাওয়া বন্ধ রাখুন.. কান দুটিকে
অনুগ্রহ করে একটু রেহাই দিন, বেচারা
এই ভন্ডামি আর সহ্য কঅরতে পারছে
না....
Saturday, 26 December 2015
ভাল লাগলে শেয়ার করুন।
#ভাল লাগলে শেয়ার করুন ।
#আমি একদিন এক দোকানে বসে চা খাচ্ছি ।হঠাত্ এক মুমীন মৌলবী আমার পাশে বসল ।আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে শুরু করল আমাদের ধর্ম নিয়ে ।আমিও উত্তর দিতে থাকলাম ।কিন্তু কিছুক্ষন পর বললাম আপনিতো অনেক প্রশ্ন করেছেন ।আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন তো ।মুমিন বলল বল কি বলবে ।আমি বললাম বিজ্ঞানীরা বলে আদিমযুগে মানুষ কাপড়চোপড় বানাতে পারতে না ।আপনি কি বিশ্বাস করেন ?সে বলল এটা না বিশ্বাস করার কি আছে ।আমি বললাম আপনাদের মুসলমানি কবে থেকে করা হয় ।মৌলবী বলে কেন সৃষ্টির শুরু থেকে ।আমি বললাম আদিকালেতো মানুষ কোন অস্ত্র তৈরি করতে পারত না ।কি দিয়ে মুসলমানি করত ।মুমিন বলল ইয়ে মানে আমার নামাযের টাইম চলে যাচ্ছে ।এসে উত্তর দেব ।আমি বললাম ঠিক আছে আমি অপেক্ষায় রইলাম ।সেই যে মসজিদের দিকে গেল আর আসল না ।@[1537000513240901:274:R.S.S - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]
উত্তরটি কি আমি এই পেইজের কারো কাছ থেকে পাব ?আল আমিন আপনার কাছে উত্তর চাই ।শেয়ার চাই শেয়ার চাই ।
হিন্দুরা ছাগল হয়ে গেছে -- কেন ?
হিন্দুরা ছাগল হয়ে গেছে --
কেন ?
কোন বনে এক বুদ্ধিমতি ছাগল বাস করত
তার ছোট পরিবার ছিল
ছোট মেয়ের নাম ছিল ছগিতা
সে একদিন মাকে জিগ্গেস করল
ছগিতা: মা বাঘ কে তো সবাই মামা বলে
তবে মামা আমাদের খেয়ে ফেলে কেন
মা : এটা আমাদের ভুল, ওরা আমাদের দেখতে পেলে তো খাবে ই
আমরা যখনই মামাকে দেখব নিজের চোখ বুঁজে নেব তবে, চারিদিকে অন্ধকার হয়ে যাবে বাঘ আমাদের দেখতেই পাবে না আমাদের নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন করলেই আমরা বেঁচে থাকব
মনে রাখবে আমরা বাঘের খাদ্য মাত্র
এইবার ছাগল এর জায়গায় হিন্দু কে বসান আর টেররিস্ট বাঘ টার জায়গায় মুসলিম ভাই দের বসান.
কুরান যদি আল্লাহর বানী হত তবে তো তা একবার বর্ষিত হওয়ার পর আর পরিবর্তণ হওয়া কোনমতেই সম্ভব নয় ?
কুরান যদি আল্লাহর বানী হত তবে তো তা একবার বর্ষিত হওয়ার পর আর পরিবর্তণ হওয়া কোনমতেই সম্ভব নয় ? অথচ কুরানের একেক জায়গায় একেকভাবে সেগুলি বদলেছে। কুরানের এতগুলো বিভ্রান্তিমুলক স্ববিরোধিতা কিভাবে আল্লাহর বানী হতে পারে ? প্রশ্ন ১. মানুষের প্রান হরন করে কে ? - একজন ফেরেস্তা (কুরান 47:27) নাকি আল্লাহ (কুরান ৩৯:৪২) ! প্রশ্ন ২. ইসলামে কি ভিন্ন ধর্মালম্বিদের ওপর বল প্রয়োগ করা যাবে ? – না (কুরান ২:২৫৬) এবং হ্যা (কুরান ৯:২৯)
প্রশ্ন ৩. মুসলিম আর অমুসলিমরা কি একই ঈশ্বরের প্রার্থনা করে ? – না (কুরান ১০৩:১-৩) এবং হ্যা (কুরান ২৯:৪৬) প্রশ্ন ৪. আল্লাহ কি কারো সাথে সরাসরি কথা বলেন ? – না (কুরান ৪২:৫১) এবং হ্যা (কুরান ২:২৫৯, ৪:১৬৪) ! প্রশ্ন ৫. আল্লাহ কি তার সাথে শিরককারীদের ক্ষমা করে দেন ? – না (কুরান ৪:৪৮) এবং হ্যা (কুরান ৪:১৫৩) !
প্রশ্ন ৬. আল্লাহ কি আসলেই দয়ালু এবং ক্ষমাশীল ? – হ্যা (কুরান ১:৩) এবং না (কুরান ৪:৫৬) !
প্রশ্ন ৭ মহাকাশ এবং পৃথিবী তৈরিতে মোট কত দিন ব্যয় হয়েছে ? – ছয় দিন (কুরান ১০:৩) নাকি মোট আট দিন (কুরান ৪১:৯) !
প্রশ্ন ৮. কুরান কি সহজ বোধ্য ? – হ্যা (কুরান ৫৪:১৭ , ১১:১) এবং না (কুরান ৩:৭) !
প্রশ্ন ৯. আল্লাহ কি তার কথার পরিবর্তন করেন ? – না (কুরান ১০:৬৪) এবং হ্যা (কুরান ২:১০৬, ১৬:১০১) ! প্রশ্ন ১০. মক্কার পৌত্তলিকদের মাঝে কি কোন নবী পাঠানো হয়েছিল ? – হ্যা (কুরান ১০:৪৭) এবং না (কুরান ৩৪:৪৪) !
প্রশ্ন ১১. ফেরাউন কি মারা গিয়েছিল ? – না (কুরান ১০:৯০, ১০:৯২) এবং হ্যা (কুরান ১৭:১০২-১০৩) ! প্রশ্ন ১২. গর্ভে ধারন আর লালন-পালন করতে কত সময় গিয়েছিল ? – ৩০ মাস (কুরান ৪৬:১৫) নাকি ২৪ মাস (কুরান ৩১:১৪) ?
কুরানের এতগুলো বিভ্রান্তিমুলক স্ববিরোধিতা থেকে কি প্রমানিত হয় ? কোরান আল্লাহ এর বানী নাকি অন্য কোন ব্যাক্তি রচিত? আল্লাহ কি এমন বিভ্রান্তি মুলক তথ্য দিতে পারে বলে আপনি বিশ্বাস করেন ?(কুরান ৪:৮২) তে আল্লাহ পরিস্কার করে বলেছেন যে তার কোরানে বৈপরিত্য বা ভুল বিভ্রান্তি নেই !! কোথায় গেল আল্লাহ পাকের সেই চ্যালেন্জ? এবার আসি হাদিসে। তথ্য ১:
সঙ্গম কালে ইনশাল্লাহ বা আল্লা চাহে তো বলিলে পুত্র সন্তান জন্ম নিবে।
(Sahih Bukhari 4:52:74)
তথ্য ২:
মায়ের পেটে, সন্তান প্রথম ৪০ দিনে বীর্য হিসাবে থাকে, তার পরের ৪০ দিন রক্তের জমাট গোলা হিসাবে থাকে তার পরের ৪০ দিন মাংসপিণ্ড হিসেবে থাকে।
(Sahih Bukhari 4:54:430)
তথ্য ৩:
গর্ভ ধারণের ৮০ দিন পড়ে গর্ভের শিশু পুরুষ না মহিলা তা নির্ধারিত হয়। (Sahih Bukhari 8:77:594)
আর নাস্তিক বিজ্ঞানীরা বলে বেড়ায়, গর্ভধারণের সময় নাকি বাচ্চা ছেলে না মেয়ে, তা নির্ধারিত হয়ে যায়। যতসব মূর্খ বিজ্ঞানীর দল।আপনারাই বলুন, আল্লা- রাসুলের থেকে বেশি কি কারো পক্ষে জানা সম্ভব?
তথ্য ৪:
কেহই জানে না গর্ভস্থ শিশু ছেলে না মেয়ে।
(Sahih Bukhari 2:17:149)
আলট্রাসাউন্ড টেকনোলজি আসলে শয়তানের হাতিয়ার। ইমান আকিদা থেকে দুরে সরানোর জন্য নাস্তিক বিজ্ঞানীরা এসব বানিয়েছে। তথ্য ৫:
জন্মের পরে শিশু কাঁদে যদি শয়তান এসে তাকে স্পর্শ করে।
(Sahih Bukhari 4:54:506)
তথ্য ৬:
জন্মদাগ হয় অভিশাপ থেকে, জাদু টোনা থেকে।
(Sahih Bukhari 7:71:635)
তথ্য ৭:
হাই তোলা শয়তানের কারসাজি। আর কেউ যদি হাই তোলার সময় শব্দ করে শয়তান নাকি খিকখিক করে হাসে। (Sahih Bukhari 4:54:509)
তথ্য ৮:
বেশি ঘুমের কারণ হল, শয়তান যখন কানে হিসু করে।
(Sahih Bukhari 2:21:245)
তথ্য ৯:
অমুসলিমদের অন্ত্র(intestine) সাতটি আর মুসলিমদের একটি।
(Sahih Muslim 23:5113)
তথ্য ১০:
মহিলাদের বুদ্ধি কম।
(Sahih Bukhari 3:48:826)
তথ্য ১১:
সূর্য নাকি আল্লার আরসের নিচে অস্ত যায়।
(Sahih Bukhari 4:54:421)
তথ্য ১২:
আদম নাকি ৯০ ফুট লম্বা ছিল। (Sahih Bukhari 4:55:543)
ফসিল রেকর্ড বলুন, মামিফাইড বডি বলুন কিংবা ন্যাচারালি অক্ষত থেকে যাওয়া গুহামানবদের শরীর বলুন, কোথাও কি এরকম কিছু কেউ পেয়েছে?
তথ্য ১৩:
সূর্য নাকি অস্তমিত অবস্থায় মানুষের মত সেজদা দিয়ে থাকে।
Thursday, 24 December 2015
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হিসেবে "শবদাহ" ই কেনো শ্রেষ্ঠ ?
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হিসেবে "শবদাহ" ই কেনো শ্রেষ্ঠ ?
ধর্ম নিয়ে চুলকানো মুসলমানদের স্বভাব| এই চুলকাতে গিয়ে মুসলমানরা নানা প্রশ্ন করে আপনাকে ক্ষতবিক্ষত করবে, আপনি যদি ঠিকঠাক জবাব দিতে না পারেন, মুসলমানদের কাছে আপনি হেয় হবেন এবং এই সুযোগে বস্তাপচা ইসলামকে তারা শ্রেষ্ঠধর্ম হিসেবে তুলে ধরবে।
মুসলমানদের অনেকগুলো প্রশ্নের মধ্যে একটি প্রশ্ন হলো- মারা যাওয়ার পর হিন্দুরা কেনো মৃতদেহ আগুনে পোড়ায় ? এ সম্পর্কে মুসলমানদের প্রশ্নবান থেকে আপনাদের রক্ষা করার জন্য, এই পোস্টে দিলাম, এই প্রশ্নের জবাব:
হিন্দুরা মৃতদেহ কেনো আগুনে পোড়ায়, এ নিয়ে মুসলমানদের ছিঃ, ছিক্কারের অভাব নেই। ওদের কথা শুনলে মনে হয়, পৃথিবীতে এর চেয়ে নৃশংস আর কোনো কাজই নেই; এটা করে হিন্দুরা মৃতদেহের সাথে এক মহা অপরাধ করে বা করে চলেছে। এর বিপরীতে, ওরা শোনাবে, আমরা মুসলমানরা, মৃতদেহকে আতর-সুগন্ধি মাখিয়ে, কত আদর যত্নে কবর দিই। এসবের জবাব একটাই হতে পারে, আর তা হলো, মৃতদেহকে যখন এতই আদর যত্ন করেন, তখন তা কবর না দিয়ে ঘরে রেখে দিলেই তো পারেন; তারপর দেখবেন, ২৪ ঘণ্টা পর, আপনার আতর-সুগন্ধি মাখানো, আদর যত্নের লাশের কী অবস্থা হয় ?
এসব তর্কের কথা, কিন্তু মৃতদেহ পোড়ানোর উপযোগিতা ও উপকারিতার ব্যাপার বুঝতে হলে আপনাকে এর গভীরে ঢুকতে হবে এবং সেজন্য পড়তে হবে আমার এই পুরো লেখাটি।
আপাতদৃষ্টিতে মৃতদেহকে পোড়ানো নৃশংস মনে হওয়ায় এবং মুসলমানদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত না থাকায় এবং সর্বোপরি এ সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাবের কারণে হিন্দুরা এর কোনো সদুত্তর দিতে পারে না এবং সেকারণে মুসলমানদের কাছে ছোট হতে বাধ্য হয়।
বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়ার পূর্বে বলে রাখি, বৃহৎ হিন্দু সমাজের মধ্যের একটি ক্ষুদ্র অংশ, চৈতন্যদেবের অনুসারী বৈষ্ণব সমাজ, মৃতদেহকে পোড়ায় না, তারা কবর দেয় বা সমাহিত করে, কিন্তু এটি মুসলমানদের মতো শায়িত অবস্থায় কবর নয়, বসে থেকে পূর্ব মুখী হয়ে ধ্যান করছে, এমন অবস্থায় সম্পূর্ণ সন্ন্যাসী বেশে তাদেরকে সমাহিত করা হয়।
হিন্দু ধর্ম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ধর্ম। এর কোনো কিছু অন্য কোনো ধর্ম থেকে ধার করা নয়। বরং অন্য সকল ধর্মের অনেক কিছু হিন্দু ধর্ম থেকে ধার করা। মুসলমানরা যতই বলুক, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, কিন্তু বাস্তবে ইসলাম একটি কালেক্টিভ ধর্ম, এতে নতুন কিছুই নেই; এর সব কিছুই ইহুদি, খ্রিষ্টান ও হিন্দু ধর্ম থেকে ধার করা।
কিন্তু দীর্ঘদিন মুসলিম শাসনে থাকার ফলে দু একটি বিষয় ইসলাম থেকে হিন্দু ধর্মে অনুপ্রবেশ করেছে, এর একটি হলো বৈষ্ণব সমাজের এই সমাধি ব্যবস্থা। বাংলার রাজা গণেশ, চতুর্দশ শতাব্দীতে, মুসলমানদের হাত থেকে বাংলার সিংহাসন উদ্ধার করে; কিন্তু চারেদিকে মুসলিম রাজশক্তির প্রভাবে গণেশের পক্ষে তার রাজ্য রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায়; গণেশ, নিজে তার পুত্র যদুকে মুসলমান হতে দিয়ে তাকে সিংহাসনে বসিয়ে যায়। এভাবে বাংলা আবার মুসলিম শাসনে চলে যায় এবং ছলে বলে নানা কৌশলে মুসলমান শাসকরা হিন্দুদেরকে মুসলমান বানাতে থাকে। এই সময় আবির্ভাব হয় চৈতন্যদেবের। তিনি হিন্দুদেরকে মুসলমান হওয়া থেকে ঠেকাতে ইসলামের সাথে কিছুটা সাদৃশ্য রেখে হিন্দু ধর্মকে কিছুটা অদল-বদল করে বৈষ্ণব ধর্ম চালু করেন। এর ফলেই মুসলমানদের মতো, হিন্দু বৈষ্ণব সমাজে চালু হয় কবর ব্যবস্থা, কিন্তু তা কিছুটা পরিবর্তিত রূপে, যার উল্লেখ উপরেই করেছি।
মূলতঃ হিন্দু সমাজের যে প্রধান চারটি ভাগ- ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র; বৈষ্ণবরা এর বাইরে আলাদা একটি সমাজ। আমি নিজেও বৈষ্ণব সমাজের একজন সদস্য। আমি দেখেছি, অনেক বৈষ্ণব, তাদেরকে মরার পর পোড়ানো হয় না বলে গর্ববোধ করে এবং শবদাহকে, মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা ব’লে, অন্য হিন্দুদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। এর প্রভাবে, বৈষ্ণবদের বাইরেও অনেক হিন্দু, মরার পর, তাদেরকে না পোড়ানোর জন্য বলে যান এবং কেউ কেউ জ্বালানী খড়ির অভাবে, মুখে জাস্ট আগুন ছুঁইয়ে বৈষ্ণবদের মতোই সমাহিত করে।
মধ্যযুগে মুসলমান হওয়ার স্রোত ঠেকাতে, চৈতন্য দেব- জৈন ও শিখ ধর্মের মতো বৈষ্ণব ধর্ম চালু করেন, এতে হিন্দু সমাজ যে অনেকটা রক্ষা পেয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সুতরাং চৈতন্যদেব সেই সময় যা করেছেন, তা ঠিক ছিলো এবং তা প্রশংসার যোগ্য। দুর্যোগ বা বন্যার সময় প্রাণ বাঁচাতে শিয়াল-কুকুরও এক জায়গায় থাকতে বাধ্য হয়, কিন্তু সেটা সব সময়ের জন্য নয়, আপদকালীন ব্যবস্থা। বৈষ্ণব সমাজের এই কবর ব্যবস্থাও হওয়া উচিত ছিলো আপদকালীন। শুনেছি, অনেক সাধু-সন্ন্যাসীকেও নাকি মরার পর, দাহ করা হয় না। এর মাধ্যমে মূলত তারা সমাজকে এই বার্তা দিচ্ছে যে, দাহ ব্যবস্থার চেয়ে কবর ব্যবস্থা ভালো। কিন্তু দাহ ব্যবস্থা ই যে সর্বোত্তম অন্তিম সংস্কার ব্যবস্থা, আমার এই লেখা পড়া শেষ হওয়ার পর তা উপলব্ধি করতে পারবেন।
মুসলমানরা মৃতদেহকে যতই আদর যত্ন করুক, আর যতই আতর-সুগন্ধি লাগাক, বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, স্বাভাবিক ভাবে, ২৪ ঘণ্টার বেশি তারা সেই লাশ রাখতে পারবে না, এরপর কবরস্থ তাকে করতেই হবে। কিন্তু দাফন করার পরই মৃতদেহের কী অবস্থা হয়, আমার এই বর্ণনাটি পড়ুন আর সেই সাথে, সেই অদেখা দৃশ্যটি কল্পনা করুন।
স্বাভাবিক ভাবে ২৪ ঘন্টার পর থেকেই মৃতদেহ পচতে শুরু করে। আলু, বেগুন পচে গেলে, বিবর্তনের নিয়মে, তার মধ্যে যেমন পোকা তৈরি হয়; ঠিক তেমনি মানুষের দেহ পচে গেলেও দেহের ভেতর নানা রকম পোকার জন্ম হয়। এই পোকাগুলো জন্মের পর থেকেই দেহের মাংস রক্ত খেয়ে পুষ্ট হয় এবং প্রথমেই বের হয় আমাদের দেহের যেসব ছিদ্র আছে, যেমন- নাক, মুখ, কান, পায়ু এবং মেয়েদের যোনী, সেসব ছিদ্রের ভেতর দিয়ে।
Subscribe to:
Posts (Atom)