শেয়ার অবশ্যই করবেন
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অবদানে বাংলাদেশের আগেই হয়ত পশ্চিমবঙ্গে শরীয়া আইন চালু হয়ে যাবে। ইসলামী মৌলবাদিদের রমরমা চলছে সেখানে। বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গীরা ঘাটি গেড়ে বসেছে সেখানে, আর মমতা ব্যানার্জি ভোট ব্যাংকের রাজনীতির জন্য এদের মদদ দিয়ে যাচ্ছেন। আমার অবাক লাগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গী সংগঠন 'সিমি'র এক সময়কার সাধারন সম্পাদক আহমেদ হাসান ইমরানকে কিভাবে মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভার এমপি বানান? এর সাথেই বাংলাদেশের জামাতের অর্থ লেনদেন হয়েছে। হিন্দুবিরোধি দাঙ্গার আরেক উস্কানিদাতা ইদ্রিস আলীকে এমপি বানান মমতা। মমতা ব্যানার্জি হিন্দু মৌলবাদের বিরোধী। এটাকে সাধুবাদ জানানোর পর অবাক হতে হয় সেই মমতাই পরম মমতায় উগ্র ইসলামী মৌলবাদী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এবং টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বরকতিকে আচঁলের নিচে রেখেছেন। ফুরফুরার ত্বহা সিদ্দিকা ব্রাদার্স কোম্পানি তো আছেই।
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতাদের রায়ে ইসলামী মৌলবাদীরা মিছিল করে, আর তাতে পুলিশি প্রটেকশন দেয় মমতার সরকার।
আর ভারতের মহান(?) স্যেকুলারিজম!!
ফেসবুক বন্ধুদের পোস্ট+জি নিউজ থেকে জেনেছি যে মালদার কালিয়ারচকে বড় রকমের একটা সাম্প্রদায়িক সমস্যা হয়েছে। পুলিশ স্টেশনে আগুন দিয়েছে, হিন্দুদের দোকানপাটে আগুন দিয়েছে,বিএসএফের গাড়ী পুড়িয়েছে, মন্দিরে হামলা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের এক বিজেপি নেতার মন্তব্যের প্রতিবাদে সেখানে লক্ষাধিক মুসলিম জনতা একত্রিত হয় এবং হামলা শুরু করে। পুলিশ আহত হয়েছে, পরে পালিয়ে বেচেছে। যেহেতু এখানের হামলাকারীরা মুসলিম তাই প্রায় সকল মিডিয়া এতোবড় ঘটনা চেপে গিয়েছে। অথচ আখলাকের ঘটনা পুরো ভারত তো বটেই বাংলাদেশের শিশুরাও জানে। ভারতের মুসলিম নির্যাতনের সামান্য ঘটনাও বাংলাদেশের মিডিয়া ব্যাপক প্রচার করে। অথচ হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলো দুদেশের মিডিয়াই চেপে যায়। বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের কোন খবর আমি ভারতের মিডিয়ায় কখনো দেখিনি। বাংলাদেশের মতো দূর্গা প্রতিমা ভাঙার ঐতিহ্য পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়েছে। বাহ!
মহান(?) স্যেকুলারিজমের কল্যানে ইসলামী জঙ্গীদের হুঙ্কারে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মৌলবাদবিরোধী লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে বিতাড়িত করা হয়, আবার সেই তারাই হিন্দু ধর্মীয় নেতা তোগাড়িয়াকে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করে হিন্দু মৌলবাদের অভিযোগে।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর হামলায় আমি কখনো দেখিনি কাউকে প্রতিবাদে পুরস্কার ফেরত দিতে। ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় কবি সাহিত্যিকসহ সকল শ্রেনী পেশার লোকেরা পুরষ্কার, পদক ফেরত দিয়ে প্রতিবাদ করেছে, অথচ তারাই ইসলামী মৌলবাদীদের উগ্রতার সময় চরমভাবে নিশ্চুপ। ভারতে ভন্ড বাম ও স্যেকুলার সবাই ইসলামী মৌলবাদের তোষন প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। ফলাফল দেখবেন আগামী ২০-৩০ বছরে। ভারতের ভন্ড বামগুলো সূদুর ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে মিছিল করে, অথচ পাশের দেশে সংখ্যালঘুদের জন্য একটা বাক্যও ব্যয় করে না।
ভাবছেন আমি বাংলাদেশী হয়ে ভারতের এটা নিয়ে কেন এতোকিছু ভাবছি?
ভাবছি সাবেক পূর্ববঙ্গের অধিবাসী, আমাদের এখান থেকে প্রতিনিয়ত হিজরত করে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়া হিন্দুদের কথা। আমার চোখের সামনে আমাদের গ্রামের বহু হিন্দু পরিবারের ভিটে খালি করে ভারতে যাওয়া দেখেছি, এখনো যাচ্ছে। চেষ্টা করেছি এদের থামাতে, কিন্তু পারিনি। কাপুরুষের দল নিরাপদ স্থানের খোঁজে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, কয়েক বছর পরে আবার সেখান থেকে কোথায় পালাবে এটা ভাবছি। তবে সেবার তারা পালানোর সময় পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র সাথীদেরও পাবে এটা নিশ্চিত!!
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 12 January 2016
ABP আনন্দের মহান সাংবাদিক সুমন এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার নিচ্ছে -
ABP আনন্দের মহান সাংবাদিক সুমন এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার নিচ্ছে -
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি খেতে দাও ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : ঘাস
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও ঘাস খেতে দিই।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কোথায় বেঁধে রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : গোয়ালে, একটা খুঁটির সাথে।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও গোয়ালে ওই একই খুঁটির সাথে।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি দিয়ে পরিস্কার রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : জল দিয়ে চান করাই।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও জল দিয়ে চান করাই।
সুমন (প্রচন্ড রেগে গিয়ে) : শালা, হারামী...দুটো ছাগল এর সাথেই যখন সব কিছু একরকম হচ্ছে তখন বার বার আমাকে জিজ্ঞাসা করছো কেন যে সাদা ছাগল টা না কালো ছাগল টা ?
কৃষক : কারন কালো ছাগল টা আমার।
সুমন : আর সাদা ছাগল টা ?
কৃষক : ওটাও আমার।
এই শুনে সুমন অজ্ঞান। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন কৃষক সুমনকে বললো - এবার বুঝলি যখন টিভি তে একই খবর বারবার বলে আমাদের কানের পোকা মেরে দিস তখন আমাদের কেমন লাগে ?
পৃথিবীর সব দেশেই নারী নির্যাতন আর ধর্ষণ হয়।
পৃথিবীর সব দেশেই নারী নির্যাতন আর ধর্ষণ হয়।তবে মুসলিম দেশ গুলোতে সেটা মাত্রা ছাড়া কারণ সে সব ঘটনা তাদের দেশের কথিত মিডিয়া সামনেই আনে না।প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি মুসলিম পরিবার এক একটি ধর্ষণের কারখানা।মা,মেয়ে, বউ,শাশুড়ি, দাদি ,নানি কে না ধর্ষিত হচ্ছে এই সব পরিবারে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সেগুলো মিডিয়াতে আসে না মানে আসতে দেয় না।আর যে সব মুসলিম দেশে শরিয়া আইন চালু আছে সেখানে তো একজন ধর্ষিত বা নির্যাতিত মেয়েকে চার জন পুরুষ সাক্ষী আনতে হবে তার ধর্ষণ প্রমাণ করার জন্য।একটি বার ভেবে দেখুন কতটা বর্বর হলে এমন কানুন থাকতে পারে সমাজে। একজন ধর্ষিত মেয়েকে চারজন পুরুষ সাক্ষী রেখে ধর্ষিত হতে হবে। হায় রে মুসলমান।মানে এক ভাবে মুসলিম পুরুষদের জন্য ধর্ষণকে জায়েজ করে দিয়েছ শরিয়া আইন।আর এসব কারনেই কোন ধর্ষিত মেয়ে বিচার চাইতে আসে না, নীরবে অশ্রু পাত করে ।তার কথা মিডিয়া তেও আসে নে কেউ জানতেও পারে না। চাচাত মামাত ভাই, চাচা, খালু, মামা ,শ্বশুর,দেবর, ভাসুর,প্রতিবেশি,হুজুর, মাওলানা, মাদ্রাসার শিক্ষক, আরবি শিক্ষক প্রত্যেকটা পুরুষ মুসলিম পরিবারের ওই সব বোরকা মানে বস্তা বন্দী মেয়েটার জন্য লালা ফেলতে থাকে সব সময়।এগুলো তো আমার নিজের চোখে দেখা। আর কাজের মেয়ের কথা কি বলব।এটা তো আমাদের পবিত্র কোরানেই জায়েজ করে দিয়েছে।কিন্তু এগুলো কেউ বলতে সাহস করে না। যে মেয়ে বলবে তাঁকেই তসলিমরা মত হত্যার ফতোয়া দেবে, গালাগালি করবে। আমার ইনবক্স দেখলে ভয় লাগে এত টা নৃশংস আর বর্বর এই মুসলিমরা।
একজন একটি কমেন্ট করল যে ভারতেও ধর্ষণ হয়।হ্যা, ধর্ষণ তো সেখানে হবেই। কারণ সেখানেও তো ১৫ কোটি মুমিন মুসলমান বসবাস করে। ভারতের ৮০% ধর্ষণ করে মুসলিমরাঃ উপাত্তসহ বিশ্লেষণ
গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা, যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। খবর গুলির একটি বাদে সব কটিই এবিপি আনন্দ এবং 24 ঘণ্টা হতে সংগৃহীত।
1/6/15- কলকাতার আর জে কর হাসপাতালে মাসুম আলী খান ও হায়দার আলী নামে দুই কর্মচারী কর্তৃক 24 বছর বয়সী এক মহিলাকে গণ ধর্ষন।
3/6- গিরিশ পার্ক হত্যাকাণ্ডে প্রতিমা মাইতী খুনে মূল অভিযুক্ত আলম আলী।
3/6- বাগুই হাটি হত্যাকান্ডে নিহত সোনিয়া সিং ওরফে সুভদ্রা হালদার খুনে অভিযুক্ত তার নিকট আত্মীয়রা। তাকে প্রথম যৌন পল্লীতে বিক্রি করে সিরাজ নামের এক ব্যক্তি।
4/6- পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলায় টিএমসিপি নেতা তাজমুল হক দুই
শিক্ষিকাকে সরাসরি ধর্ষন ও খুনের হুমকি দিল।
10/6- মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দুই রোগীর আত্মীয়কে শ্লীলতাহানি করল শাহজাহান শেখ নামে আর এক রোগীর আত্মীয়।
11/6- বাগদার হরিহর পুরে এক মহিলার শিশু পুত্রের গলায় অস্ত্র ধরে তাকে ধর্ষন
করল রমজান মণ্ডল ও রফি মণ্ডল নামে দুই ব্যক্তি।
12/6 বাঁকুড়া বাসস্ট্যাণ্ডে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং তার সঙ্গীদেরকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতা বাপী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে।
13/6- বলে দিলে স্বামীকে খুন করে দেবে হুমকি দিয়ে এক গৃহ বধূকে ধর্ষনের
অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ মন্ডল ও চিরন রায়।
19/6- মগরা হাটে 15 বছর বয়সী টুকটুকি মণ্ডলকে অপহরণ করল ( দ্বিতীয় বার)
রমজান গাজীর ছেলে বাবুসোনা গাজী।
23/6- শালীকে বারংবার ধর্ষনে অভিযুক্ত জেলবন্দী জামাইবাবু শওকত শেখে জেলে বসেই শালিকে অপহরন ও শ্লীলতাহানি করাল বন্ধুদের দিয়ে, পরে গাড়ী থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে।
26/6- প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বাড়ীর জানালা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ছাত্রীর গায়ে আগুন দিল মুশিওর খান নামে এক যুবক। সেই আগুনে মা-বাবা সহ সেই ছাত্রীটি অগ্নিদগ্ধ।
অতএব উপরোক্ত ১১ টি ঘটনা বিশ্লষণ করে দেখা যাচ্ছে যে ৯ টি ঘটনার সাথে আমাদের সংখ্যালঘু ভাই মুসলিমরাই যুক্ত,। যা মোট ঘটনার ৮১%। অপর দিকে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা যুক্ত ২৭% ক্ষেত্রে।
সংখ্যালঘুরা অপরাধে সংখ্যাগুরু কেন ভাই?
কামদুনি থেকে পার্ক স্ট্রিট সব ঘটনার নায়ক কিন্তু মুসলিম।
আধুনিক বৈদ্যুতিক ড্রাইসেলের প্রথম আবিষ্কর্তা “অগস্ত্য মুনি”!
আধুনিক বৈদ্যুতিক ড্রাইসেলের প্রথম আবিষ্কর্তা “অগস্ত্য মুনি”!
আজ থেকে ২৫ বছর আগের ঘটনা। সময়টা ১৯৯০ সালের ৭ ই আগস্ট।ওইদিন সকালে নাগপুরে একটি সম্মেলন হচ্ছিল।”স্বদেশীবিজ্ঞান সংশোধন সংস্থা” এর একটি সম্মেলন যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিখ্যাত সব বৈজ্ঞানিকগন। সেখানে নাগপুর ইউনিভার্সিটি অব ইন্জিনিয়ারিং এর তৎকালীন প্রফেসর Dr. P.P Hole একটি তড়িৎ কোষ (ব্যাটারী) প্রদর্শন করলেন।
Dr. M.C. Sahastrabuddhe,নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরসংস্কৃত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সংস্কৃত সাহিত্য সমূহের বিশ্লেষন করাই তাঁর কাজ। একদিন ঋষি অগ্যস্তের রচিত “অগস্ত্য সংহিতা” পড়ছিলেন। হঠাৎ সেখানের কয়েকটা শ্লোক বিশেষভাবে তাঁর নজরে কাড়ল।
"সংস্থপ্য মৃন্ময় পাত্রে তাম্রপাত্রম সুসংস্কৃতম ছদ্যে শিখিগ্রিবেন ছরদ্রভিহ কাষ্ঠপমসুভিহ।
দস্তালস্থ নিধত্যহ পর্দাচ্ছদিতস্থহসন্যোগজ্জতে তেজো মিত্রবরুনসংগ্যিতম।।"
(অগস্ত্য সংহিতা)
অনুবাদ- একটি মৃত্তিকাপাত্র নাও, তাতে একটি কপার (তাম্র) শীট দাও এবং একটি শিখগ্রীবা স্থাপন কর। এতে কাষ্ঠগুড়ো, জিংক (দস্তা) এবং পারদ ছিটিয়ে দাও, এরপর সেখানে তার সংযুক্ত করলে তুমি মিত্রবরুনশক্তি পাবে।
প্রফেসর সহস্রবুদ্ধি কিঞ্চিৎ বিস্মিত হলেন, তাঁর কাছে বর্ননাটা ড্যানিয়েল সেল এর মত মনে হল। তখন তিনি ব্যাপারটা Dr. P.P Hole কে জানালেন এবং অনুরোধ করলেন তিনি যেন ব্যাপারটা অনুসন্ধান করেন।
ড. হোল তাঁর সহকারীদের সঙ্গে নিয়ে বর্ননামত যন্ত্রপাতি সংগ্রহ শুরু করলেন। সমস্যা হল একটা জায়গায় আর তা হল “শিখিগ্রীবা” শব্দটি নিয়ে। সংস্কৃত অভিধান ঘেটে দেখা গেল শব্দটির অর্থ ময়ুরের ঘাড়। তখন তাঁরা স্থানীয় ‘দুরিঙ্গা’ নামক চিড়িয়াখানায় গেলেন এবং সেখানকার পরিচালকের কাছে সবকিছু বিস্তারিত বর্ননাপূর্বক একটি মৃত ময়ুর চাইলেন। পরিচালক তাঁদেরকে লিখিত দরখাস্ত করতে বললেন এবং সম্ভব হলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন।
এরই মধ্যে একজন আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞের সাথে এ বিষয়ে কথা হল। তিনি সমস্যার কথা শুনেই হাসিতে ফেটে পড়লেন এবং জানালেন ‘শিখিগ্রীবা’ অর্থ ময়ুরের ঘাড় নয় বরং ময়ুরের ঘাড়ের রঙ এর রাসায়নিক বস্তু যা হল কপার সালফেট। সমস্যার সমাধান হল, তড়িৎ কোষ প্রস্তুত হল। ডিজিটাল মাল্টিমিটারে মেপে দেখা গেল যে ব্যাটারীটি Open circuit voltage 1.38Volt এবং Free circuit current of 23 Milli Ampier প্রদান করে।
Dr. M.C Sahastrabuddhe কে সাফল্যের খবরটি জানানো হল। পরবর্তীতে সম্মেলনে তড়িৎ কোষটি প্রদর্শিত হল। সেখানে পুরো শ্লোকটির পটভূমি আলোচিত হল। সকলেই স্বীকার করলেন যে উক্ত বর্ননাটি তড়িৎ কোষেরই ছিল। এছাড়া এর পরবর্তী শ্লোকসমূহ পর্যবেক্ষণে বোঝা গেল যে ঋষি অগস্ত্য এর জ্ঞান এতেই সীমাবদ্ধ ছিলনা। পরবর্তী শ্লোকটি ছিল নিম্নরূপ-
"আনেন জলভগ্নোস্তি প্রান দানেসু বায়েসু
ইবম শতনম কুম্ভনমসয়োগকারীঅকৃতস্মৃতহ।"
অর্থাৎ যদি এরুপ একশটি মৃত্তিকাপাত্রের(ব্যাটারী) এর শক্তি আমরা ব্যবহার করি তবে জল প্রানদানকারী অক্সিজেন ও ভাসমান হাইড্রোজেন এ বিভক্ত হবে।
আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে আমরা জানি যে পানিতে তড়িৎ চালনা করলে তা অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন এ বিভক্ত হয়!
পরের শ্লোকটি বলছে,
"বায়ুবন্ধকবস্ত্রেন নিবদ্ধ য়েনমস্তকে
উদান স্বলঘুত্বে বিভর্তকষ্যয়ন্কম।"
অর্থাৎ হাইড্রোজেনকে বায়ুনিরোধী কাপড়ে বন্দী করলে তাকে আকাশে উড্ডয়ন সম্ভব! (হাইড্রোজেন বেলুন)
উপস্থিত বৈজ্ঞানিকগণ বিস্ময়াবিভূত হলেন। বৈদিক বিজ্ঞানের নির্ভুলতা ও অসাধারনত্ব আরো একবার প্রমানিত হল।
# শেয়ারকরে বৈদিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে আপনার বন্ধুদের অবগত করুন।
দুঃসংবাদ
পাঠানকোট এ কাপুরুষচিত পাকিস্তানি
সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহীদ জওয়ান
দের প্রিয়জন দের চোখের জল শুকানোর
আগেই দুঃসংবাদ টা এল।
মমতার সরকার প্রতিশ্রুতি মত
পাকিস্তানি গায়ক গুলাম আলীর
কনসার্ট এর সুবন্দোবস্ত করে ফেলেছে।
সামনের 12 জানুয়ারি, জাতীয়
যুবদিবস এর দিন এ বসচে আসর।
স্বামী বিবেকানন্দ এর জন্মদিনের
দিন কলকাতার বাবুরা হেলে দুলে
যাবেন গান শুনতে।
বাবুদের মুখে বড় বড় বুলি, সুরের
সীমানা নেই,সন্ত্রাসের ধর্ম নেই
ইত্যাদি।
কলকাতার বাবুরা দাদরি নিয়ে চায়ের
কাপে তুফান তোলেন, ঘরের কাছে
মালদা নিয়ে মুখে কুলুপ এটেঁ রাখেন।
পাছে তাদের সেকুলার ইমেজ নষ্ট হয়,
সেই রিস্ক তারা নেন না।
মাননীয় মমতা গুলাম আলির জন্য টুইট
করতেটাইম নেননি, উনি কটি টুইট
করেছেন পাঠানকোট নিয়ে??
শ্যামাপ্রসাদ বাবু বেঁচে থাকলে বড়
কষ্ট পেতেন।
ধিক্কার।
আজ ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথি পালন হচ্ছে দিকে দিকে..
আজ ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথি পালন হচ্ছে দিকে দিকে.. কিন্তু চর্চা হচ্ছে স্বামী বিবেকানন্দ ও সেকুলারিসমের.. । ।
হিন্দুত্ববাদী বিবেকানন্দ আমাদের পছন্দ নয় তাই বাদ দিয়ে দিয়েছি..
তিনি বলেছিলেন,
"মুসলমানরা মুখে বলে চলেছে সার্বজনীন সৌভ্রাতৃত্বের কথা কিন্তু বাস্তবে কি দেখা যাচ্ছে? কোনো অমুসলমান ব্যাক্তির পক্ষে এই ভ্রাতৃত্বের অন্তর্ভূক্ত হওয়া সম্ভব নয় তো বটেই , বরং তার তার গলা কাটার যাবার সম্ভাবনাই দেখা দেবে"।
এই বানী, না, এটা শুধু বানী নয় সতর্কবাণী, এই সতর্কবানী থেকে দূরে সরে মেকী বিবেকানন্দ ভক্ত সেজে লাভ কি?..
Monday, 11 January 2016
গত ১০ বছরে সাড়ে ৭ লাখ মুসলামান ও খ্রিষ্টানকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে
গত ১০ বছরে সাড়ে
৭ লাখ মুসলামান ও
খ্রিষ্টানকে হিন্দু
ধর্মে ধর্মান্তরিত
হয়েছে বলে দাবি
করেছে ভারতের ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
(ভিএইচপি)’। সংগঠনের নেতা প্রভিন
তোগাদিয়া শুক্রবার দাবি করেন, এই
সময়ে ৫ লাখের বেশি খ্রিষ্টান ও
আড়াই লাখ মুসলমান হিন্দু ধর্মে
দীক্ষিত হয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যশ জি নিউজ জানায়,
ভারতে হিন্দুত্ববাদ অক্ষুন্ন রাখতে সঙ্ঘ
পরিবারের ‘ঘর ওয়াপসি’র নামে
ধর্মান্তরকরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে
বলেও জানান তোগাদিয়া।
হিন্দুত্ববাদী ওই নেতা বলেন, ‘ঘর
ওয়াপসি’র আওতায় গত ১০ বছরে আমরা ৫
লাখ খ্রিষ্টান ও আড়াই লাখ
মুসলমানকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত
করেছি। প্রতি বছর আমাদের টার্গেট
ছিলো ১৫ হাজার। কিন্তু গত বছর (২০১৫)
আমরা ৪০ হাজারের লক্ষ্যামাত্রা
ছাড়িয়েছি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং
সঙ্ঘ (আরএসএস) কর্তৃক ধর্মান্তরিতদের
সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘যদি ভারতে হিন্দু
ধর্মের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে
হয়, তাহলে সারা দেশ আরো অনেক ‘ঘর
ওয়াপসি’ গড়ে তুলতে হবে।’
পাকিস্তানে বসবাসরত সকল হিন্দুদের
ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া দাবি
জানান তোগারিয়া। এছাড়া
অযোদ্ধায় রামমন্দির নির্মানের কথাও
উল্লেখ করেন এই ডানপন্থী উগ্রবাদী
নেতা।
জয় শ্রীরাম
সংবাদ সংগ্রহেঃ উদাস নূপুর
Subscribe to:
Posts (Atom)