Saturday, 16 January 2016

একবার একদল কাংগাল গেছে রেস্ট্রুরেন্টে।

একবার একদল কাংগাল গেছে রেস্ট্রুরেন্টে।হঠাৎ কারেন্ট চলে গেল!এবার ছাগলদের কমেন্ট শুনুনজামাতপন্হী: এইডা হোইল গিয়া হিন্দুদের কাম। কারেন্ট চুইষা খাইয়া ফেলছে।হেফাজত: এইডা হোইল গিয়া ইহুদিদের কাম। এই কাপের গুলা লাইন কাইটা দিছেপাকিস্তানপন্হী:এইডা ভারতের চক্রান্ত। হেইওয়ারাই লাইন বন্ধ করছেওলমাপন্হী: এইডা খ্রীষ্টান নাছারদের কাম। মেশিন দিয়া তার কাটছেসৌদিপন্হী:এইডা শিয়া কাফেরদের কাম। হোটেল মালিক নিশ্চিত শিয়া।আনাসারুল্লা: এইডা আমেরিকা ইজারায়েলের চক্রান্ত।এমন সময় ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরন।পরের দিন খবরে IS জঙ্গিদের দায় স্বীকার।(এই কাংলাদেশীরা হিন্দুই শুধু নয় ধর্ম টেনে একে অপরকে গালি দিতে দিতে এমন জাগায় পৌছে গেছে, আপনি যদি ওদের দুয়ারে হেগেও আসেন দেখবেন গু টাও জিভে চেটে ধর্ম খুজবে যে গু টা কোন ধর্মের লোক হেগেছে)কাংলাদেশের মোল্লারা হল ঘাস খাওয়া মুর্খ ছাগল

আমার এক মুসলিম বন্ধুর সাথে কথোপকথন,,,

আমার এক মুসলিম বন্ধুর সাথে কথোপকথন,,, আমি: আচ্ছা দোস্ত,কোরান কিভাবে নাযিল হইল?? দোস্ত: ঘুমের ঘোরে স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা,৬ বছরের আয়েশার সাথে নবীর কিভাবে বিবাহ হল??? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা দোস্ত,জিব্রাইল কিভাবে নবীকে দেখা দিতেন?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা দোস্ত, নবী কখন মেরাজ গমন করলেন?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছ দোস্ত,মুহাম্মদইযে শেষ নবী, তা কিভাবে প্রকাশিত হল?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে যখন নবী ৪০ বছর পর মুসলমান হয়েছিলেন আমি: আচ্ছা দোস্ত,মুসলিম হতে হলে তো খৎনা করার দরকার হয়,তা নবী কি করেছেন?? দোস্ত: নবীর খৎনা আল্লাহ করিয়েছেন। এই হচ্ছে যবনদের ইসলামের সৃষ্টির রহস্য।সবই মুহাম্মদের স্বপ্নে পাওয়া থেকে হয়েছে, অথচ এসবের দিকে কখনোই প্রশ্ন করা যাবে না। লুল।আসলেই ইসলাম চরম বিনোদনের কারখানা

সাধ্বী প্রজ্ঞা - নামটা চেনা চেনা লাগছে কি?

সাধ্বী প্রজ্ঞা - নামটা চেনা চেনা লাগছে কি? অবশ্য না চিনলেও আপনাকে দোষ দেয়া যায়না কারন যারা তার কথা মনে রাখলে তিনি মুক্তি পেতেন তারাই তাঁকে ভুলে গেছে। একইভাবে রাম কোঠারী আর শরদ কোঠারীর নামও সবাই ভুলে গেছিলো। এখন নেহাতই নির্বাচন শিয়রে তাই আবার তাদের নাম নিয়ে একটু হইচই শুরু হয়েছে। আসলে এটাই বোধহয় হিন্দুদের অভিশাপ। তারা কখনওই তাদের সমাজের যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ায় না ফলে তাদের সমাজে যোদ্ধার থেকে বোদ্ধার সংখ্যা বেশী। কিন্তু মুসলিমদের দেখুন- কোন সেই গাজায় তাদের সহধর্মীরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে আর তাদের সমর্থনে তারা কলকাতায় সভা করছে। রণাঙ্গনে লড়াই করার শক্তি, সাহস ও সময় সকলের থাকেনা কিন্তু যারা লড়াই করছে তাদের পিছনে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগানো, তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেয়া, তাদের আইনি সাহায্য দেয়া - এইটুকু তো করা যায় যাতে তাঁরা কোন পিছুটান না রেখে সমাজকে রক্ষা করার লড়াই চালাতে পারে। ‪#‎ হিন্দুসংহতি‬ঠিক এই কাজটা তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে করে আসছে কারন আমরা বিশ্বাস করি যে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের জেহাদি সন্ত্রাসের কবল থেকে রক্ষা করতে হলে লড়াই ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

Friday, 15 January 2016

আসুন একটু হাদিস শিখি :

আসুন একটু হাদিস শিখি :--- ১) জ্বরের তাপ আসে দোজখের তেজ থেকে – (Sahih Bukhari 54:483-86) ২) ছোয়াচে রোগ বলে কিছু নেই – (Sahih Bukhari 8:5302, 8:5353-55) ৩) উঠের মূত্র থেকে ওষুধ সৃষ্টি হয় – (Sahih Bukhari 7:71:590, 8:82:796 Sahih Muslim 16:4130) ৪) নজর লাগলে বা সাপে কামড়ালে ঝার-ফুক করা – (Sahih Bukhari 8:5321-5332) ৫) মোরগ এবং গাধা ডাকে ফেরেস্তা/ শয়তান দেখে – (Sahih Bukhari 4:54:522, Sahih Muslim 35:6581) ৬) শীত গ্রীষ্ম হচ্ছে দোজখের নিশ্বাসের ফল – (Sahih Bukhari 54:482) ৭) চোখের দৃষ্টি নষ্ট করে ও গর্ভপাত ঘটায় সাপ – (Sahih Bukhari 54:527-528) ৮) রাতের বেলা নাকে শয়তান ঘুমায় – (Sahih Muslim 2:462) ৯) অধিক ঘুমানোর কারন কানে শয়তানের মূত্র ত্যাগ –(Sahih Bukhari 2:21:245) ১০) যৌনকর্মের সময় ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বললেই জন্ম নেবে পুত্র সন্তান – (Sahih Bukhari 4:52:74i) হাদিসের মধ্যে এত যে বিনোধোন লুকিয়ে আছে তা যদি আগে জানতাম,তাহলে কোরান নিয়ে কম লেখা-লেখি করতাম। (ei post tir jonno Dr. zakir naik o tar ummodrai dayi)

ফাঁদ :

ফাঁদ : ( পড়ার জন্য অনুরোধ) এটি একটা ইফটিজিং এবং প্রতারণা চক্র.....) সাধারণত কলেজের মেয়েদের জীবে ঘটে থাকে এমন ঘটনা । ক্যাম্পাসে সুন্দরি মেয়ে দেখলে মাথা চুলকায় । কিছু করতে ইচ্ছা করে। অার সেটা হল প্রেম।। হিন্দু মেয়ে দেখলে মাথাতে একটা চক্র দেয়।। হিন্দু মেয়ে কী ভাবে পটাতে হবে।। প্লান পরিকল্পনা সব ঠিক অাছে.... হিন্দু / সুন্দরি মেয়ে পটাতেই হবে.... প্রথমে মেয়েটার সাথে পরিচিত হয়ে ওঠা।। ধীরে ধীরে পরিচিতি টা শক্ত করা। বন্ধুত্ব সৃষ্টি করা। সাধারণ সাহায্য করা। মেয়েটার মন বোঝা । তার পর একটু একটু করে বিভিন্ন খাদ্য খাওয়ানো। এখানে এটা সত্য, অামরা যার খাবার খায় তার প্রতি একটু দুর্বল হয়ে পড়ি। মানে খাবারের ঋণী হয়ে পড়ে। অাড্ডা + গল্লা চলে ।। এগুলো হয় এক মাসের মধ্যে.. এবার করা হয় প্রেম নিবেদন। যদি মেয়েটি প্রেম করতে রাজি না হয় তখন তাকে মানুষিক অাঘাৎ করতে হবে। এই মানুষিক অাঘাৎ টি হল... হিন্দু মেয়েকে বলবে যে.... তুমি যদি অামাকে ভাল না বাস তবে অামি অামার হাত কাঁটব।। Facebook এ দিব।। হিন্দু মেয়ে পটানোর জন্য মুসলিম ছেলেরা ভীষণ ওস্তাদ।। তারা হাত কাঁটবে। দেখাবে মেয়েকে। মেয়েটা ছেলেটার প্রতি দুর্বল হয়ে যাবে।। অন্য দিকে.... মেয়েটার সামনে মুসলিম ছেলেরা কোখনো অাত্মহত্যা, গলাই দড়ি, পুকুরে ঝাপ দিতে যাবে ( কিন্তু করবেনা) শুধু হিন্দু মেয়ে পটানোর জন্য এগুলি করে তারা। রক্ত দিয়ে নাম লেখা, রক্ত নিয়ে মেয়ের চোখের সামনে নিয়ে ধরা এগুলো করে দেখাবে যে অাসলে মুসলিম ছেলেটা সত্যি হিন্দু মেয়েটাকে ভালবাসে।। এক বার মেয়েটাকে ইমোশনালে ফেলাতে পরলে মেয়ে টা মুসলিম ছেলের প্রেমে পড়ে যাবে।। তখন অার কি করা... কিছু দিন প্রেম হবে...... এর পর শারীরিক সম্পর্ক করবে।। অাসলে একটা উদ্যেশ্য নিয়ে মুসলিম ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের পিছনে লাগে সেটা হল হিন্দু মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করা।। এই শারীরিক সম্পর্কের পরে অধিকাংশ হিন্দু মেয়েরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।। তখন হিন্দু মেয়েদের ফেঁলে রেখে চলে যায় মুসলিম ছেলেরা। অন্য দিকে কিছু হিন্দু মেয়েদের ভাগিয়ে নিয়ে চলে যায় মুসলিম ছেলেরা ঠিক এখান থেকে।। তখন মুসলিম ছেলেরা হিন্দু মেয়েটিকে ধর্মন্তর করে।। একটি বাঁচ্চা ( সন্তান) নেওয়ার পর মুসলিম ছেলেটা এই ধর্মান্তরিত মেয়েটাকে নির্যতন করে নিয়মিত ভাবে। ঘরে অানে সতীন। হিন্দু মেয়েটাকে ডিভোর্স দেয়। জায়গা হয় প্রতিতালয়ে হিন্দু মেয়েটির... অামারর কাকা ও কাকিমা গাইনী বিশেষজ্ঞ। কাকিমা গতকাল অামাকে বললেন শুধু মাত্র 2015 সালে 35 টি হিন্দু মেয়েকে অ্যাম্বারসনস মানে সন্তান নষ্ট করে দিয়েছি।। অধিকাংশ কারন গুলো এমনি ছিল এবং সব গুলো মুসলিম দের জন্য অন্তঃসত্বা হয়েছে।। এটা শুধু চট্টগ্রামে এক জন ডাক্তার এটা করিয়েছে। তবে সারা বাংলাদেশেরর অবস্থা কী?? হিন্দু দিদিরা এই জানোয়ার দের হতে সাবধান। বাংলাদেশের এক দাদার লেখা।

নাইজিরিয়ায় আমেরিকা আক্রমণ করেনি তবুও বোকোহারাম আছে।

নাইজিরিয়ায় আমেরিকা আক্রমণ করেনি তবুও বোকোহারাম আছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তানে তেল নেই, আমেরিকাও আক্রমণ করেনি, তবুও অসংখ্য মুসলিম জঙ্গী সংগঠন আছে ।জাপানে আমেরিকা পারমাণবিক বোমা ফেলে ২.৫ লাখ লোক মেরেছিল, তবুও একজন জাপানীও জঙ্গী নেই , আমেরিকায় গিয়ে মানববোমা ও মারেনা । হিটলার ১০লাখ ইহুদি মেরেছিল, তবুও ইহুদিরা জঙ্গি হয়নি। কাশ্মীরে তো হিন্দু পন্ডিতরা নির্যাতিত, কাশ্মীরি পন্ডিতরা ও কাশ্মীরে গিয়ে মানববোমা মারেনা কেন? বাংলাদেশে হিন্দুরা খুন,ধর্ষিত,বিতারিত হয় তাই ঘরে ঘরে জঙ্গী থাকার কথা , তবুও নেই কেবল মুসলিমরাই আইসআইএসে যোগ দেয়, কেন? সারা পৃথিবীর মানুষের উপর হওয়া অত্যাচারের বদলা নেওয়ার দায়িত্ব মুসলিমসমাজ কি নিজ কাধে তুলে নিয়েছে ?তাই আজ সময় এসেছে এই জঙ্গি ধর্মের সমূলে উচ্ছেদ করার নইলে সামনে মানবতার বড় সমূহ বিপদ !!!

Four Indians on way to join IS, held - Eisamay

http://eisamay.indiatimes.com/nation/four-indians-on-way-to-join-is-held/articleshow/50575951.cms