Saturday, 16 January 2016

সানি লিওয়ন and মিয়াঁ খালিফা

অনেকে হয়তো অনেক কিছু বলবেন যে এই রকম খবর প্রকাশ কেন করলাম। আসলে আজকাল সর্বত্রয় দেখছি, সানি লিওয়নের মন্দির যাওয়া নিয়ে হিন্দু, দেব দেবিদের বিগ্রহের আকার নিয়ে এক বিশেষ ধর্মের গোঁড়া লোক কিছু বেশিই কথা বলছে। এদের দিন রাত ন্যাকামী করে ধর্ম নিয়ে ট্যরিয়ে প্যাচিয়ে অনেক উলটো পালটা বলার চেষ্টা করছে। এমনিতে বেশির ভাগ স্বল্প শিক্ষিত মানুষজনও এদের কাইদা বুঝতে পারে, কিন্তু বাস্তবে নিজেরা কি, এটা একটু মনে করিয়ে দিতে ভালবাসি। খবরটি দেখুন বিখ্যাত হাফিংটান পোস্টের সংবাদের পাতায় - লেবাননের মুসলিম মেয়ে মিয়াঁ খালিফা। হিজাব যৌনতায় এক নতুন মাত্রা এনেছেন ইনি। মিয়াঁর এই 'কৃত্বিতে' কি রায় সকলের http://www.huffingtonpost.co.uk/2015/01/05/mia-khalifa-pornhubs-biggest-star-lebanese-compatriots_n_6415924.html

দুটো রুটির জন্য সেই ভারতেই আসতে হবে কুকুর গুলোকে!

এই ল্যাংটাদেশের ভিখিরির বাচ্চা গুলো যে কেন বার বার লাথ মারলেও আসে, এদের খ্যামটা মুখে এতো ফোফো দালালি, আর এদিকে কুত্তার মত বর্ডারে বসে থাকে কখন ফাক পাবে, ঢুকবে। শালারা মা বোন বেচে সোনাগাছিতে ভরিয়ে দিয়েছে, এত লাথ খায়, এতো মারি লাশ ফেলি, তবুও দুটো রুটির জন্য সেই ভারতেই আসতে হবে কুকুর গুলোকে! http://abpananda.abplive.in/state/53-bangladeshi-arrested-in-haldia-169249

শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জয়ন্তীতে আমাদের BLOGর সবাইকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা..

শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জয়ন্তীতে আমাদের BLOGর সবাইকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা.. ত্রিস্তম্ভ-শিখ ধর্ম তিনটি বিশেষ স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। সেগুলো হলো, (১) নাম জপো: প্রতিদিন সকালে স্নানের পর ছন্দে ছন্দে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ঈশ্বরকে স্মরণ করা।(নাম কীর্তন)। (২) কিরাত করো: সৎভাবে জীবিকা অর্জন করো। সক্ষমতা অনুযায়ী পরিশ্রম করো যাতে পরিবার ও সমাজ উপকৃত হয়। (৩) ভান্দ চাখো (ভাগে চাখো): নিজের যা সম্পদ তা সবার সাথে সহভোগ করো। দান করো। সাহায্যপ্রার্থীকে সহযোগিতা করো। লঙ্গরে দান করো। যদিও শিখ ধর্মে কোন ধর্মানুষ্ঠানের স্থান নেই বা গুরু নানক ধর্মানুষ্ঠানকে বর্জন করতে বলেছেন তবুও পরবর্তীকালে শিখ ধর্মালম্বীরা কিছু পরব বা উৎসব পালন করা শুরু করেন। (১) গুরুপরব: সকল শিখ গুরুর জন্মদিনে গুরদুয়ারায় গুরুর নামে এই উৎসব পালিত হয়, তবে গুরু নানক ও গুরু গোবিন্দ সিং এর গুরুপরব উৎসব সব গুরদুয়ারায় বিশেষভাবে পালিত হয়। (২) বৈশাখী: দশম গুরু গোবিন্দ সিং এর 'খালসা' প্রবর্তনের দিন হিসাবে বৈশাখী উৎসব পালিত হয়। (৩) হলা মহলা: হিন্দুদের হোলি উৎসবের একদিন পর পাঞ্জাবের আনন্দপুরে খালসারা একত্রিত হয়ে তাঁদের নানাবিধ কলাকৌশল প্রদর্শন করেন। [মৌ চক্রবর্তী] .. #HappyGurpurab

এই হল নংপুসক পশ্চিম বঙ্গের বীর ও বাংলাদেশের কার্তিক কৃষ্ণ রায় দাদার আলপচারিতা অংশ বিশেষ।

এই হল নংপুসক পশ্চিম বঙ্গের বীর ও বাংলাদেশের কার্তিক কৃষ্ণ রায় দাদার আলপচারিতা অংশ বিশেষ । কাকে কি বলবেন?কে আসলে বীর? Galaxian Astrovian আখেরে উগ্রতায় লাভ কিছু হয় না। Kartik Krishna Roy তো মালদার কালিয়াচকের ঘটনা আবার ঘটবে। পাকিস্তান হামলা করবে আর তুমি বসে মালা টিপো Galaxian Astrovian তাই যদি হতো তাহলে সম্রাট অশোক চন্ডাশোক থেকে ধর্মাশোক হতেন না। Kartik Krishna Roy অশোক এর জন্য আমরা সংখ্যাগত ভাবে কম আজ। Galaxian Astrovian এগুলি আমাদের সমাজ জীবনের এক একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। Galaxian Astrovian অনেক বেশীতো বাংলাদেশে প্রতিদিন ঘটছে। Kartik Krishna Roy এটা আমাদের টিকে থাকার নাটকমাত্র Galaxian Astrovian চিন্তা ভাবনা বদলাও। কয়েক ঘন্টা আগে পরে স্বাধীনতা পেল দুটো দেশ। তার একটা পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে মঙ্গলে চলে গেল,আর একটা এখনো বর্ডার পার করার চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে !!! কি হাস্যকর !!! Kartik Krishna Roy ভারতের এ উদারতার কারনে বড় ক্ষতি হবে একদিন হয়ত। Galaxian Astrovian তাতে কি ??? এই তো ভারত ??? মনে নেই শ্রী ভগবান ও তো তার পরম শত্রুকে ১০০ বার ক্ষমা করেছিলেন !!! তাহলে ??? Kartik Krishna Roy নিজেকে কৃষ্ণ মনে করলে, পুতনা বকাসুর কিংবা কংসের কি করেছিলে মনে নেই?মেরে ফেলেছিলো। পাকিস্তান কেও শিক্ষা দিতে হবে। চরম শিক্ষা। যা সর্বশেষে শিশুপাল কে কৃষ্ণ দিয়েছিল।

গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷

গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷ ওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কালিয়াচকের ঘটনার প্রতিবাদে তারা আসানসোলে বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিল৷ প্রশাসন এক্ষেত্রে অনুমতি না দিয়েই ক্ষান্ত হয় নি, বরং বিনা অনুমতিতে এরা মিছিল করতে পারে - এই সন্দেহে তাদেরকে রাতভর ডিটেনশনে রাখা হয়েছে৷ কালিয়াচকে মোল্লারা বিনা অনুমতিতে বাকায়দা লিফলেট ছড়িয়ে দু'লাখ লোকের মিছিল এবং মাইক লাগিয়ে মিটিং করতে পারে৷ আমাদের নপুংশক প্রশাসন এক্ষেত্রে আয়োজকদের একটা চুলও ছিড়তে পারে না৷ উল্টে ওই বেআইনী মিছিলে অংশগ্রহণকারী মোল্লারাই পুলিশকে মেরে পাট করে দেয়৷ আর হিন্দুরা অনুমতি নিতে গেলে তাদেরকে আটক করে রাখা হয়৷ এই আইন ব্যবস্থাকে সম্মান করার, মেনে চলার কোন অর্থ আছে? বাংলার হিজরা পুলিশকে ধিক্কার জানাই৷ WHEN INJUSTICE BECOMES LAW RESISTANCE BECOMES DUTY.

ইউরোপে ছড়াচ্ছে আরবের ভয়ংকর ‘ধর্ষণ-খেলা’ তাহারুশ

এই হলও, আরবের নতুন রূপ.... যদি, বাংলাদেশে আসে আরব্য সংস্কৃতি তাহলে বর্বরতার শেষ কেউ আর পাবে না। "তাহারুশ" এর মত আরও নতুন নতুন বর্বর ধর্ষণ খেলার আছে কে যানে? যা বিশ্বেের সামনে এখনও আসে নি।। http://m.ntvbd.com/world/35163/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B6

শুভ মকরসংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা মকর সংক্রান্তি কি ?

শুভ মকরসংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা মকর সংক্রান্তি কি ? পৌষ সংক্রান্তি বা মকরসংক্রান্তি একটা ফসলী উৎসব যা শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় পালিত হয়। ভারতে পৌষসংক্রান্তি নামেই, বাংলাদেশে এর নাম সাকরাইন, নেপালে এটা পরিচিত মাঘি নামে, থাইল্যান্ডে সংক্রান, লাওসে পি-মা-লাও, মিয়ানমারে থিং-ইয়ান এবং কম্বোডিয়ায় মহাসংক্রান নামে পরিচিত। মকরসংক্রান্তি হল সেই ক্ষণ যাকে ঘিরে এই উৎসব পালিত হয়। প্রাচীনকাল থেকেই এই উৎসব চলে আসছে। তবে সুস্পষ্টভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। হতে পারে এটা হাজার বছরের উৎসব বা তারও আগের তবে পুরাণেও এর উল্লেখ আছে। যার মধ্যে আমরা উত্তর পেয়ে যাই। পুরাণ অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির এই মহাতিথিতেই মহাভারতের পিতামহ ভীস্ম শরশয্যায় ইচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করেছিলেন। আবার অন্য মত অনুযায়ী, এই দিনই দেবতাদের সঙ্গে অসুরদের যুদ্ধ শেষ হয়েছিল। বিষ্ণুদেব অসুরদের বধ করে তাঁদের কাটা মুন্ডু মন্দিরা পর্বতে পুঁতে দিয়েছিলেন, তাই মকরসংক্রান্তির দিনই সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাস হয়ে শুভ শক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে আজও মানা হয়ে থাকে। আবার অন্য মতে, সূর্য এ দিন নিজের ছেলে মকর রাশির অধিপতি শনির বাড়ি এক মাসের জন্য ঘুরতে গিয়েছিলেন। তাই এই দিনটিকে বাবা ছেলের সম্পর্কের একটি বিশেষ দিন হিসাবেও ধরা হয়। জড় বিজ্ঞান অনুযায়ী, সূর্যের গতি দুই প্রকার, উত্তরায়ণ এবং দক্ষিণায়ণ। ২১ ডিসেম্বর সূর্য উত্তরায়ন থেকে দক্ষিণায়নে প্রবেশ করে। এ দিন রাত সবথেকে বড় হয় আর দিন সবথেকে ছোট হয়। এর পর থেকে দিন বড় আর রাত ছোট হতে শুরু করে। মাঘ থেকে আষাঢ় পর্যন্ত ছয় মাস উত্তরায়ণ। আবার শ্রাবণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ছয় মাস দক্ষিণায়ণ। পৌষ মাসের সংক্রান্তিকেই বলা হয় উত্তর সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি। শাস্ত্র মতে উত্তরায়ণে মৃত্যু হলে মুক্তি প্রাপ্তি হয় এবং দক্ষিণায়ণে মৃত্যু হলে ঘটে পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ তাঁকে আবার সংসারে ফিরে আসতে হয়। সূর্য এ দিনই ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। এর থেকেই মকর সংক্রান্তির উৎপত্তি। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগরদ্বীপে প্রতি বছরই মকর সংক্রান্তিতে স্নানে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাবেশ হয়। অজয় নদীর তীরে হয় জয়দেবের মেলা।