Thursday, 21 January 2016

হিন্দু জনপদে জামায়াতী তাণ্ডব : অপরাজনীতির দিনাজপুর স্টাইল

http://eibela.com/article/%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%AC-:-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2

Wednesday, 20 January 2016

কে এই রোহিত ভেমুলা ?


কে এই রোহিত ভেমুলা ? কি তার পরিচয় ? কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন ? কেনই বা কমিউনিষ্টরা তার আত্মহত্যা নিয়ে রাজনৈতিক বাজার গরম করছে ? সবাই জানুন ও শেয়ার করে কমিউনিষ্টদের মুখে ঝামা ঘষে দিন ।
SFI সদষ্য রোহিত ভেমুলা বামপন্হী ছাত্র আম্দোলনের নেতা হিসেবে প্রথম সামনে আসেন যখন SFI মুম্বাই হামলার দোষী ইয়াকুব মেমনের মুক্তির জন্য আন্দোলনে নামেন । রোহিত ভেমুলার নেত্রীত্বে হায়দ্রাবাদ ইউনিভার্সিটিতেও SFI মেমনের মুক্তির জন্য আন্দোলন করেন । তখন ABVP এর এক সদস্য টুইটারে টুইট করে তাদের ঐ দেশবিরোধী আন্দোলনের সমালোচনা করেন । যার জন্য ঐ ABVP সদস্যকে হত্যার জন্য তাকে আক্রমন করে SFI এর গুন্ডারা । পরে এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রোহিত ভেমুলা সহ আরো চার জন SFI সদস্যকে হায়দ্রাবাদ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে বহিস্কার করা হয় ।
এই রোহিত ভেমুলা গত দুদিন আগে আত্মহত্যা করেন । আত্মহত্যার আগে তিনি এক সুইসাইড নোট লিখে যান । যাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় । ছোটবেলা থেকেই তিনি কারো ভালবাসা পান নি । তাই তিনি বহুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন । এই মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পেতেই তিনি আত্মহত্যা করেন ।
কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হল ভারতের বামপন্হী নেতারা তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন দেখে তারাও রোহিতের মতই মানসিক অবসাদে ভুগছে । তাই রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যা নিয়ে রাজনীতির বাজার গরম করতে ও মানুষের সহানুভুতি লাভের জন্য মনগড়া গল্প প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে I পিছিয়ে নেই কেজরীবাবুও I দিদিমণি আবার আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে তদন্ত কমিটি পাঠাচ্ছেন I
বলি কি , কালিয়াচকের তদন্তটা শেষ করে নিলে হতো না !!!


প্রশ্ন : বেদে উল্লেখ নেই তবুও কেন প্রতিমা পূজা করি আমরা ?

প্রশ্ন : বেদে উল্লেখ নেই তবুও কেন প্রতিমা পূজা করি আমরা ? উত্তর::- মূলত জাকির নায়েকের বয়ান শুনে অনেক জাকিরপ্রেমী আমাদের প্রশ্ন করে বেদে উল্লেখ নাই তারপরও কেন প্রতিমাপূজো ??আমাদের সনাতন ধর্মে প্রতিমাপূজা আরাধনার সূচনাপর্বের বিষয়। প্রথমেই বলে রাখি;আমাদের পূজা “মূর্তি পূজা” নয়, বরং এর উচ্চারণ হবে “প্রতিমা পূজা”। আমরা কখনোই মূর্তিকে পূজা করি না;মূর্তির মধ্য প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে তাকে ঈশ্বর জ্ঞানে পূজা করি। .......... প্রতিমার মাধ্যমে ঈশ্বরের পূজাকরার অর্থ হল ঈশ্বরের প্রতি নিজের বিশ্বাসকে দৃঢ় করা। বেদ যখন রচিত হয় তখন মানুষের মধ্য তেমন কোন কর্মচঞ্চলতা ছিল না। যজ্ঞানুষ্ঠানই ছিল ঋষিদের প্রধান কর্ম। যজ্ঞের মাধ্যমে হোমানল জ্বালিয়ে তখন দেবতাদের আহ্বানকরা হত, অগ্নির মাধ্যমেই দেবতাদের উদ্দেশ্য দেওয়া হতো পুষ্পাঞ্জলি । তাই, আমরা বেদেপ্রতিমা পূজার উল্লেখ দেখতে পাইনা। এই কলিযুগে সনাতন ধর্মেরনিরাকার উচ্চ স্তরের উপাসনা প্রায় অসম্ভব। কারণ, কলি যুগে আমাদের মনএতই চঞ্চল যে একে নিয়ন্ত্রণ করাদুঃসাধ্য ব্যাপার। মনকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি সহজ উপায় হচ্ছে, চোখের মধ্য কোন বস্তুর ছবি ফেলা। পরবর্তীতে, ওই ছবিটি যদি নাওথাকে তবে চোখের সামনে তার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠবে। তাই, সাধারন মনোনিবেশ তথা চিত্তকে বিষয়বাসনা থেকে সরিয়ে একাগ্রচিত্তেভগবানকে স্মরণ করার জন্য প্রতিমাপূজাএকটিবিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতি।. . . . . . . . . . . . . . . . . . . একটি শিশুকে প্রথম পাঠদানের সময়অনেক রঙিন ছবি সম্বলিত বই দেওয়া হয় যাতে ঐ বইটির প্রতি শিশুর আকর্ষণবাড়ে। এখানে ছবি মুখ্য নয়, মুখ্য হচ্ছেবর্ণমালা। ঠিক তেমনি আমাদেরচঞ্চলমন প্রতিমার মাধ্যমে ঈশ্বরের প্রতিআকৃষ্ট হয়। এখানে,ঈশ্বরের করুণা লাভই হচ্ছে মুখ্য বিষয়। পরিশেষে একটি কথাই বলতে চাইযে,আমাদেরআদিধর্ম গ্রন্থ বেদে নিরাকারউপাসনারকথা বলা হয়েছে। কিন্তু, কলিযুগেরজীবের উদ্দেশ্যগীতার দ্বাদশ অধ্যায়ে স্বয়ং ভগবানশ্রীকৃষ্ণঅর্জুনকে বলেছেন যে, অব্যক্তউপাসনা দেহাভিমানীজীবেরপক্ষেসম্ভবপর নয়।তাই, দেহাভিমানী জীবেরজন্য সগুণসাকারউপাসনাই শ্রেষ্ঠ ও সহজতর। আর এইসকলকারনেই, বর্তমান কলিযুগে আমরাহিন্দুরা বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেপ্রতিমাপূজারমাধ্যমে ঈশ্বরেরআরাধনা করে থাকি

আইএসের বিরুদ্ধে লড়তে তৈরি ‘ধর্মসেনা’

আইএস মোকাবিলায় ভারতে তৈরি হচ্ছে ‘ধর্ম সেনা’৷ ইতিমধ্যেই এই দলে নাম লিখিয়েছে ১৫ হাজার সদস্য৷ উত্তরাখণ্ড সীমান্তে তৈরি হয়েছে হিন্দু স্বাভিমান সংঘ৷ এই সংগঠনের যোদ্ধাদের নাম দেওয়া হয়েছে ধর্ম সেনা৷ বলা হচ্ছে, এই ধর্ম সেনাই আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে৷ উত্তরাখণ্ড সীমান্ত এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বেশ কিছু অংশ জুড়ে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ শুরু করে দিয়েছে ধর্ম সেনা৷ শত্রুদের আক্রমণের জবাব কী ভাবে দিতে হয় শেখানো হচ্ছে তাদের৷ তলোয়ার এবং বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে৷ ধর্ম সেনায় নাম লিখিয়েছে ৮ থেকে ৩০ বছরের যুবক- যুবতী৷ অস্ত্র চালানোর হাতেখড়ির সঙ্গে চলছে আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মহড়া৷ তবে ছোটদের প্রশিক্ষণের সময়, প্রথমেই বন্দুক এবং তলোয়ার দেওয়া হয় না৷ প্রথমে তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করা হয়৷ গীতার শ্লোক আওড়ে তাদের বলা হয়, হিন্দুরা মরতে ভয় পায় না৷ হিন্দু স্বাভিমানের নেত্রী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দূর্গা বাহিনীর সদস্য চেতনা শর্মা বলেন, যুবক-যুবতীদের এই দলে টানাই আমাদের লক্ষ্য৷ ‘‘লড়াইয়ের জন্য কম বয়সীদের এনে প্রশিক্ষণ দাও৷’’ ধর্ম সেনার হেড কোয়াটার তৈরি করা হয়েছে গাজিয়াবাদের দশনা মন্দিরে৷ খোলা হয়েছে মোট ৫০টি প্রশিক্ষণ শিবির৷ মীরঠে ৩টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে ধর্ম সেনার৷ পাশাপাশি, মুজাফফর নগরে রয়েছে আরও ৫টি৷ http://www.kolkata24x7.com/national-news/the-answer-for-an-islamic-state-is-a-hindu-state http://www.bengali.kolkata24x7.com/15000-strong-dharma-sena-in-uttar-pradesh-readies-for-war-with-islamic-state.html

ব্রেকিং_নিউজঃ‬

‪ব্রেকিং_নিউজঃ‬ . ইসরো এই বছরের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন সফল। PSLV -C31 রকেটে চড়ে ভারতীয় নেভিগেশন সিস্টেমের পঞ্চম স্যাটেলাইট IRNSS-1E মহাকাশে সফল ভাবে পৌঁছে গেছে। উৎক্ষেপনের 6 মিনিট পর PSLV-C31 এর গতি ছিল ২৭ ম্যাক অর্থাৎ ঘন্টায় 33048 কিলোমিটার

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী দের দ্বীচারিতাঃ

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী দের দ্বীচারিতাঃ রোহির ভেমুলা আত্মহত্যা করেছে, কারন এখনও পর্যন্ত জানা যায় নি । কিন্তু দোষ আর এস এস এবং বিজেপির কারন ছেলেটি নিম্নবর্নের হিন্দু.. দলিত সম্প্রদায়ের। স্বাধীনতার পর এতো বছর তো হয়ে গেল, আমরা চাঁদে মঙ্গলে পৌছে গেলাম, বিশ্বকাপ জয় করে নিয়ে এলাম, কিন্তু দলিত সমস্যার সমাধান করতে পারলাম না কেন? .... উত্তর খুব সোজা , আমরা দলিতদের ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবে দেখেছি তাদের সার্বিক উন্নতি চাই, কোনো দলিতের দুদিন পেটখারাপ হলে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেছি,' অমুক ব্রাহ্মণের দোকানের খাবার খেয়ে দলিতের পেট খারাপ'.. কেন চিৎকার করেছি? কারন মশাই বোঝেন তো, ভোটাভুটির ব্যাপার আছে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে বলছে ভোট টা পকেটে আসবে, সমাজে একটা মেরুকরন তৈরী করা যাবে আর দোষ চাপানোর জন্য বলির পাঁঠা তৈরী করাই আছে , সেই বলির পাঁঠা হল আর এস এস ও বিজেপি ...চাপিয়ে দেব তাদের উপর দোষ আমাদের কেল্লা ফতে.. এখন গদি ৫ বছরের জন্য পাক্কা.. পারি নি, আমরা পারিনি, কারন দলিতদের ভোট ব্যঙ্ক হিসাবেই দেখেছি। এরপর দেখুন, আজ বাংলার গ্রামে গ্রামে দলিত হিন্দুদের উপর অত্যাচার চলছে। 'মিডিয়া'র সৌজন্যে সেই খবর বেশিরভাগ সময়ই আমরা পাই না কিন্তু 'হিন্দু সংহতি'' নামক এক সংগঠনের অসৌজন্যতার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত সেই অত্যাচারের বিবিরন পাই... কিন্তু সেই সেটা ইস্যু হয় না.. কেন হয় না ধর্মনিরপেক্ষাতার ধ্বজা ধারী রা উত্তর দেবেন? কেন, মুসলমানদের হাতে দলিত হিন্দুরা মার খেলে, তাদের মেয়েরা ধর্ষিতা হলে কেন ইস্যু হয় না? আপনারা উত্তর না দিলেও আমরা বুঝি, সেই ভোট ব্যাঙ্কের ব্যাপার.. তাই ধর্মনিরপেক্ষতারছেঁড়া ধ্বজা ধরার থেকে হিন্দু ধ্বজা ধরা অনেক যুক্তিপূর্ন ও বীরত্বের ব্যাপার.।

একদিন একটা গরিব ছেলে রাস্তায় একটা প্রদীপ পেল।

একদিন একটা গরিব ছেলে রাস্তায় একটা প্রদীপ পেল। সে খুব খুশি হয়ে প্রদীপ টা ঘষতে শুরু করলো। একটু ঘষতেই প্রদীপের থেকে ধোঁয়া বেরতে লাগলো। ছেলেটার তো খূব আনন্দ। আরো ঘষছে। হঠাত..... প্রদীপ টা ফেটে গেল.... ছেলেটাও কেলিয়ে পড়ল..... Moral of the story- দিনকাল খারাপ...... আগেকার দিন আর নেই..... এরকম পড়ে থাকা অনেক জিনিষ ই এখন আলাদীনের নয়, মুজাহিদীনের হয়....... 26 জনুয়ারী আসছে...... সাবধান!!!!!!! by our friend amit srivastav