Thursday, 21 January 2016

পর্নোগ্রাফি সার্চের তালিকায় সারা বিশ্ব ১ম থেকে ৬ ষ্ঠ স্থান দখলকারী সকল দেশ গুলি মুসলিম দেশ।

পর্নোগ্রাফি সার্চের তালিকায় সারা বিশ্ব ১ম থেকে ৬ ষ্ঠ স্থান দখলকারী সকল দেশ গুলি মুসলিম দেশ। তাদের মাঝে প্রথম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিসর। এরপর ইরান, মরক্কো, সৌদি আরব ও তুরস্কের অবস্থান। তারপর আছে সিরিয়া, ইরাক, লেবানন। এর মধ্যে পাকিস্তান থেকে সবচেয়ে বেশি যেসব পর্ন সার্চ করা হয়, তার মধ্যে আছে কুকুর, গাধা, বিড়াল ও সাপের সেক্স! [রূচি বটে!] তাছাড়া মুসলিমদের পর্নো সার্চ টার্মের মধ্যে 'father-daughter' ও 'brother-sister' যথাক্রমে চার এবং পাঁচে আছে। 'mother', 'mom' শব্দগুলো মিসরের পর্নো সার্চ টার্মের প্রথম দশের মধেই আছে। মুমিনদের দেশের মা- বোনরা ঘরে অবশ্যঈ বোরখা পরিধান করবেন,ঘরের বাইরে বোরখা পরুন বা না পরুন। ( উকি- ঝুকি থেকে সাবধান)Repost http://www.dailymail.co.uk/news/article-2342217/Pakistan-internet-users-Google-searches-gay-sex-despite-worlds-homophobic-countries.html

প্রশ্ন : বেদে উল্লেখ নেই তবুও কেন প্রতিমা পূজা করি আমরা ?

প্রশ্ন : বেদে উল্লেখ নেই তবুও কেন প্রতিমা পূজা করি আমরা ? উত্তর::- মূলত জাকির নায়েকের বয়ান শুনে অনেক জাকিরপ্রেমী আমাদের প্রশ্ন করে বেদে উল্লেখ নাই তারপরও কেন প্রতিমাপূজো ??আমাদের সনাতন ধর্মে প্রতিমাপূজা আরাধনার সূচনাপর্বের বিষয়। প্রথমেই বলে রাখি;আমাদের পূজা “মূর্তি পূজা” নয়, বরং এর উচ্চারণ হবে “প্রতিমা পূজা”। আমরা কখনোই মূর্তিকে পূজা করি না;মূর্তির মধ্য প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে তাকে ঈশ্বর জ্ঞানে পূজা করি। .......... প্রতিমার মাধ্যমে ঈশ্বরের পূজাকরার অর্থ হল ঈশ্বরের প্রতি নিজের বিশ্বাসকে দৃঢ় করা। বেদ যখন রচিত হয় তখন মানুষের মধ্য তেমন কোন কর্মচঞ্চলতা ছিল না। যজ্ঞানুষ্ঠানই ছিল ঋষিদের প্রধান কর্ম। যজ্ঞের মাধ্যমে হোমানল জ্বালিয়ে তখন দেবতাদের আহ্বানকরা হত, অগ্নির মাধ্যমেই দেবতাদের উদ্দেশ্য দেওয়া হতো পুষ্পাঞ্জলি । তাই, আমরা বেদেপ্রতিমা পূজার উল্লেখ দেখতে পাইনা। এই কলিযুগে সনাতন ধর্মেরনিরাকার উচ্চ স্তরের উপাসনা প্রায় অসম্ভব। কারণ, কলি যুগে আমাদের মনএতই চঞ্চল যে একে নিয়ন্ত্রণ করাদুঃসাধ্য ব্যাপার। মনকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি সহজ উপায় হচ্ছে, চোখের মধ্য কোন বস্তুর ছবি ফেলা। পরবর্তীতে, ওই ছবিটি যদি নাওথাকে তবে চোখের সামনে তার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠবে। তাই, সাধারন মনোনিবেশ তথা চিত্তকে বিষয়বাসনা থেকে সরিয়ে একাগ্রচিত্তেভগবানকে স্মরণ করার জন্য প্রতিমাপূজাএকটিবিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতি।. . . . . . . . . . . . . . . . . . . একটি শিশুকে প্রথম পাঠদানের সময়অনেক রঙিন ছবি সম্বলিত বই দেওয়া হয় যাতে ঐ বইটির প্রতি শিশুর আকর্ষণবাড়ে। এখানে ছবি মুখ্য নয়, মুখ্য হচ্ছেবর্ণমালা। ঠিক তেমনি আমাদেরচঞ্চলমন প্রতিমার মাধ্যমে ঈশ্বরের প্রতিআকৃষ্ট হয়। এখানে,ঈশ্বরের করুণা লাভই হচ্ছে মুখ্য বিষয়। পরিশেষে একটি কথাই বলতে চাইযে,আমাদেরআদিধর্ম গ্রন্থ বেদে নিরাকারউপাসনারকথা বলা হয়েছে। কিন্তু, কলিযুগেরজীবের উদ্দেশ্যগীতার দ্বাদশ অধ্যায়ে স্বয়ং ভগবানশ্রীকৃষ্ণঅর্জুনকে বলেছেন যে, অব্যক্তউপাসনা দেহাভিমানীজীবেরপক্ষেসম্ভবপর নয়।তাই, দেহাভিমানী জীবেরজন্য সগুণসাকারউপাসনাই শ্রেষ্ঠ ও সহজতর। আর এইসকলকারনেই, বর্তমান কলিযুগে আমরাহিন্দুরা বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেপ্রতিমাপূজারমাধ্যমে ঈশ্বরেরআরাধনা করে থাকি

পুনেতে পুড়িয়ে মারলো ১৭ বছরের এক দলিত .... শাওন ধর্ম রাঠোর কে।।

ইব্রাহিম মেহবুব কারী , ইমরান ও তার ভাই জুবের এই তিন খুনি পুনেতে পুড়িয়ে মারলো ১৭ বছরের এক দলিত .... শাওন ধর্ম রাঠোর কে।। অথচ ..... কান্ড দেখুন .... অ্যাওয়ার্ড বাপসী গ্যাং, নির্লজ্জ মিডিয়া , বেহায়া রাজনীতিক শকুনের দল এ বিষয়ে একবারও নিন্দা করেছে কি?? - কবে যে নোবেল অসহিষ্ণু পুরস্কার চালু হবে?? http://hindutva.info/muslims-burn-dal it-to-death

বন্ধুরা, আপনারা কি এই বীর মহাত্মা এবং সিংহহৃদয় হিন্দু নেতা ও অসম সাহসী সন্ন্যাসীকে চেনেন ???


..বন্ধুরা, আপনারা কি এই বীর মহাত্মা এবং সিংহহৃদয় হিন্দু নেতা ও অসম সাহসী সন্ন্যাসীকে চেনেন ??? ...ইনি উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে অবস্থিত 'গোরক্ষনাথ মঠের' মহন্ত এবং গোরক্ষনাথ মন্দিরের প্রধান পূরোহিত।...১৯৭২সালের ৫ ই জুন উত্তরাখণ্ডের পাউরি গাড়োয়াল জেলার পাঞ্চুর গ্রামে এক সাধারণ কৃষক রাজপুত পরিবারে নন্দ সিং এর ঘরে জন্মগ্রহন করেন এই মহাত্মা।...তার পূর্ব নাম ছিল 'অজয় সিং'। ...ছোটবেলা থেকেই প্রবল রাষ্ট্রবাদী অজয় অত্যন্ত ধার্মিক প্রকৃতির ছিলেন।...তার বালক বয়সের জনসেবার কথা, মানুষের দুঃখ দুর্দশায় ঝাঁপিয়ে পড়ার নানান কাহিনী গোরক্ষপুরের অলিতে গলিতে শোনা যায়।...নানান গুণে গুণী অজয় লেখাপড়ায় ছিলেন তুখোড় ও মেধাবী।...গাড়োয়াল ইউনিভার্সিটি থেকে অঙ্কশাস্ত্রে প্রথম বিভাগে বিএসসি পাশ করেন তিনি।...কলেজে পড়াকালীন নানান জনসেবামূলক কাজ করতে করতেই 'অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের' সদস্য এবং পরে গাড়োয়াল ইউনিভার্সিটির প্রধান সংগঠক হয়ে ওঠেন। ...লেখাপড়া, ছাত্র আন্দোলন, জনসেবা সব কিছু সমান তালে চালাতে চালাতেই শুরু করেন হিন্দু শাস্ত্র অধ্যয়ন, অর্জন করেন তুলনাহীন পাণ্ডিত্য।...খুব দ্রুত গোরক্ষনাথ পীঠাধীশ্বর 'গুরু অবৈধনাথ মহারাজে'র সান্নিধ্যে এসে তার রাষ্ট্রবাদী মন তাকে তাড়িত করে দেশ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে।...মাত্র ২২ বছর বয়সে দীক্ষা নিয়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন তিনি।...গুরু অবৈধনাথ তার জীবিতকালেই তাকে পরবর্তী গোরক্ষনাথ পীঠাধীশ্বর হিসেবে মনোনীত করে যান। ...মাত্র ২৪ বছর বয়সে গুরুর দেহমুক্তির পর পীঠের প্রধান মোহন্ত হিসেবে দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন।...এরপর শুরু হয় তার জীবনের এক নতুন অধ্যায়।...রাষ্ট্রবাদী এবং সমাজসেবী হিসেবে তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার ফলে জনগণের দাবীতে ১৯৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়ে যান তিনি। ...বিপুল ভোটে গোরক্ষপুরের হিন্দুরা জিতিয়ে দেয় তাকে, মাত্র ২৬ বছর বয়সে ভারতের সংসদীয় ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী সাংসদ হিসেবে শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীর মন্ত্রীসভায় যোগ দেন তিনি।...তারপর পর পর লাগাতার ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৯ এবং কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ২০১৪ এর পার্লামেন্টের ইলেকশনে ৩ লক্ষ ১৩ হাজার ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এই বীর সন্ন্যাসী।...তাঁর জয়ের ব্যবধান প্রতিটি ভোটে বেড়েই চলেছে। ...শুধু ধর্ম আর রাজনীতি নয়, ইনি নানান সামাজিক কাজ কর্মের সঙ্গে যুক্ত।...প্রতি বছর গণহারে গরীব মেয়েদের বিয়ে দেওয়া থেকে গরীব ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করানো এবং সাথে সাথে হিন্দুধর্মের উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। ...তিনি হিন্দু যুবসমাজকে রাষ্ট্রবাদ এবং ধর্মরক্ষায় ব্রতী করতে নিজ হাতে ভারতব্যাপী তৈরি করেছেন 'হিন্দু যুবা বাহিনী' নামে এক বিশাল যুব সংগঠন।...গোরক্ষপুর সহ সারা উত্তরপ্রদেশে ১৭ টি মেয়েদের এবং ১২ টি ছেলেদের অবৈতনিক স্কুল চালান তিনি।...ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পড়ে সেখানে।...যোগ এবং রাষ্ট্রবাদ প্রচার করতে ৫৬ টিরও বেশি বই লিখেছেন, সর্বভারতীয় 'যোগবাণী' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।...কাশী বিশ্ববিদ্যালয় ও আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় এর সংসদ সদস্য তিনি। ...তার সবচেয়ে বড় উল্লেখযোগ্য কাজ ধর্মপরিবর্তন এর বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম, যা আজও চালু আছে।...সারা ভারতে তথা উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবাংলা, কেরালা, কাশ্মীর, আসাম সহ দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে গণহারে মুসলিম ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের ভালবাসায় ফাঁসিয়ে ধর্মপরিবর্তন করিয়ে তাদের নরকের জীবনে ঠেলে দিচ্ছে, এর বিরুদ্ধে প্রথম ভারতব্যাপী প্রবল জনমত তৈরি করেন এই সন্ন্যাসী। ...লাভ জেহাদের বিরুদ্ধে হিন্দু ছেলেমেয়েদের সচেতন করতে দেশব্যাপী নানান কর্মসূচি নিয়েছেন তিনি।..."একটি হিন্দু মেয়েকে মুসলিম বানালে বিপরীতে ১০০ টি মুসলিম মেয়েকে হিন্দু বানানো"র বৈপ্লবিক চেতনার উন্মেষকারী এই বীর মহাত্মা।...আজ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার মুসলিম ভাইবোনকে ঘরবাপসি করিয়ে পুনরায় হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে এনেছেন এই যুগপ্রচারক। ...হিন্দুদের মধ্যে জাতপাতের নোংরা সংস্কার দূরীকরণে তার প্রচেষ্টা অনুকরণীয়।...গোরক্ষপুরে উনার কথাই শেষ কথা।...মক্কা থেকে ঈদের দিন ঘোষণার মত, গোরক্ষনাথ মন্দির থেকে সকল হিন্দু উৎসবের ঘোষণা করেন তিনি।...এতোটাই তাঁর জনপ্রিয়তা। ...গত ১৮ বছর ধরে ভারতীয় পার্লামেন্টে এই সন্ন্যাসী হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নানান বাধা ও অসুবিধার কথা তুলে ধরেছেন।...ভারতীয় পার্লামেন্টে আজ কেউ হিন্দুধর্মের কথা তুলে ধরতে চায় না।...নানা কারণে ভারতব্যাপী হিন্দু নির্যাতনের কথা শুনে সবাই সব জেনেও চুপ করে থাকে।...কিন্তু তিনি সে পথে হাঁটেন নি।...নির্ভিক কন্ঠে হিন্দু ভয়েস তুলে ধরেছেন আসল জায়গায়, কংগ্রেস, মুসলিম এবং সেকুলার দেশশোষক রাজনৈতিক নেতাদের সামনে বুক চিতিয়ে। ...তাই আমরা কোটি কোটি হিন্দু ভাই ও বোনেরা এই হিন্দুবীর মহান সন্ন্যাসীকে জানাই আমাদের কোটি কোটি প্রনাম।...এই মানুষটির বর্তমান নামটি সকলেই জানেন।...হ্যাঁ,ইনিই হলেন হিন্দু হৃদয় সম্রাট "যোগী আদিত্যনাথ জী মহারাজ"।...ভারতের সকল রাষ্ট্রবাদী হিন্দুর নয়নের মণি, সংসদীয় রাজনীতিতে আমাদের হিন্দুদের শেষ আশ্রয়। By Writankar Das

ধর্মনিরপেক্ষতার সুবাস

দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার সুবাতাস বইছে একের এক ঘটনা একই ভাবে ঘটে যাচ্ছে আর সরকার প্রশাসন দেখেই যাচ্ছে। মৌনতা যদি সম্মতির লক্ষন হয় তাহলে সরকার কি হিন্দুদের তাড়ানোর নীল নকশায় যুক্ত? হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে তাদের সামনেই এক সংখ্যালঘু গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার ছোট ভাই। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে বুধবার বিকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হিন্দু মহাজোটের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এটি চরম বর্বরতা। কোনো অবস্থাতেই এ বর্বরতা মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, এ ঘটনায়ও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার উত্তর সাঙ্গর গ্রামের সংখ্যালঘু ওই গৃহবধূকে বেশ কিছু দিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই গ্রামের মনু মিয়া। কিন্তু লোক-লজ্জার ভয়ে তিনি বিষয়টি নিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলেননি। গত ১৪ জানুয়ারি স্বামী ও সন্তান মেলায় চলে যান। এ সুযোগে মনু ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্বামীকে অবহিত করলে তিনি স্থানীয় মুরুব্বীদের কাছে বিচারপ্রার্থী হন। এরপর ১৬ জানুয়ারি সালিশে মনু নিজের অপরাধ স্বীকার করায় তাকে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরদিন সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর পর ১৭ জানুয়রি তার ভাই উস্তার মিয়া জোরপূর্বক তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ওইদিনই মধ্যরাতে মনুসহ ২/৩ জন আবারও ওই গৃহবধূর বাড়িতে যায়। সিঁধকেটে ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে গৃহবধূর স্বামীকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে দুর্বৃত্তরা। পরে স্বামী ও সন্তানের সামনেই তাকে ধর্ষণ করে মনু। তখন গৃহবধূ চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হিন্দু মহাজোট নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুঁটে যান। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে মনু মিয়া ও তার ভাই উস্তার মিয়াকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, মনু স্থানীয় মন্দরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইদ্রিস মিয়ার ছোট ভাই। কপিঃ Kartik Krishna Roy

আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বাঙালী উদ্বাস্তুদের সমস্যার মূল কারণ হল আজও দেশবিভাজনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় নি৷

আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বাঙালী উদ্বাস্তুদের সমস্যার মূল কারণ হল আজও দেশবিভাজনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় নি৷ জন বিনিময় বাদ দিয়ে দেশবিভাগের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে পারে না৷ তাই আজ হোক অথবা কাল হোক, জন বিনিময় করতেই হবে৷ না হলে আবার কাশ্মীর, আবার পাকিস্তান! আবার লাখ লাখ উদ্বাস্তু হিন্দুর চাপ অবশিষ্ট ভারতের উপরে৷ আর জন বিনিময়ের কথা উঠলেই গৃহযুদ্ধ, আজ হোক অথবা কাল হোক৷ এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য একজন আব্রাহাম লিঙ্কন চাই৷ আর চাই সেই আব্রাহাম লিঙ্কনের পিছনে দন্ডায়মান দেশের অখন্ডতা রক্ষার জন্য রণসাজে সজ্জিত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু সমাজ৷ Debtanu Bhattacharya

হিন্দু জনপদে জামায়াতী তাণ্ডব : অপরাজনীতির দিনাজপুর স্টাইল

http://eibela.com/article/%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%AC-:-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2