প্রশ্নঃ হিন্দুরা কেন গোমাংস খায় না বা গো হত্যা করে না?
আসুন দেখি বেদে গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া নিয়ে কি বলে?
১. Ghrtam duhaanaamaditim janaayaagne maa himsiheeh
Yajurveda 13.49
বাংলাঃকখনোই গোহত্যা করো না,এদের রক্ষা কর।
যজুর্বেদ ১৩.৪৯
২. Aare gohaa nrhaa vadho vo astu
Rigveda 7.56.১৭
ঋগবেদে গোহত্যা কে মানুষ হত্যারসমকক্ষ বলা হয়েছে ও এর সাথে জড়িতদের শাস্তি দিতে বলা হয়েছে ।
৩. Sooyavasaad bhagavatee hi bhooyaa atho vayam bhagvantah syaama
Addhi trnamaghnye vishwadaaneem piba shuddhamudakama acharantee
Rigveda 1.164.40 or Atharv 7.73.11 or Atharv 9.10.২০
বেদে আঘ্ন্যা . অহি , ও অদিতি হচ্ছে গরুর সমপদ।
আঘ্ন্যা মানে যাকে হত্যা করা উচিত নয় ।
অহি মানে যার গলা কাটা / জবাই করা উচিত নয় ।
অদিতি মানে যাকে টুকরো টুকরো করা উচিত নয় ।
(Source: Yaska the commentator on Nighantu)
৪. Aghnyeyam saa vardhataam mahate soubhagaaya
Rigveda 1.164.27
আঘ্ন্যা গরু আমাদের সুসাস্থ্য ওউন্নতি আনে ।
৫. Suprapaanam Bhavatvaghnyaay aah
Rigveda 5.83.৮
আঘ্ন্যা গরুর জন্য সুপেয় জলের উন্নত ব্যবস্থা থাকা উচিত ।
৬. Yah paurusheyena kravishaa samankte yo ashwena pashunaa yaatudhaanah
Yo aghnyaayaa bharati ksheeramagne teshaam sheershaani harasaapi vrishcha
Rigveda 10.87.16
এখানে মানুষ,ঘোড়া ও গোমাংস আহারকারিদের শাস্তির কথা বলা আছে ।
৭. Vimucchyadhvama ghnyaa devayaanaa aganma
Yajurveda 12.73
The Aghnya cows and bullsbring you prosperity.
৮. Maa gaamanaagaamadi tim vadhishta
Rigveda 8.101.15
Do not kill the cow. Cow is innocent and aditi – that ought not to be cut into pieces .
৯. Antakaaya goghaatam
Yajurveda 30.18
Destroy those who kill cows .
১০. Yadi no gaam hansi yadyashwam yadi poorusham
Tam tvaa seesena vidhyaamo yatha no so aveeraha
Atharvaveda 1.16.4
If someone destroys our cows, horses or people, killhim with a bullet of lead.
১১. Vatsam jaatamivaaghnya a
Atharvaveda 3.30.1
Love each other as the Aghnya – non-killable cow – loves its calf.
কিছু কি আর বলা লাগবে বেদ গো হত্যার পক্ষে নাকি বিপক্ষে ?
প্রশ্ন
হিন্দুরা গোমাংস খায় না,গোহত্যা করে না।কিন্তু গরুর চামড়া কেন ব্যবহার করে?
বেদে গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া নিষিদ্ধ।কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মৃত গরুর চামড়া ব্যবহারে নিষেধ নেই। উদাহরণঃমানুষ হত্যা পাপ। কিন্তু মৃত ব্যাক্তির চোখ দান পাপ না।
আসুন আমরা সনাতন জ্ঞান প্রচার করি।নিজ ধর্ম সম্পর্কে জানি।
সকলকে অনুরোধ এটি শেয়ার করুন এবং অন্তত ২০জনকে এগুলো কপি করে পাঠান।
এতে আপনার কতটুকু পূন্য হবে জানি না,তবে বেদবাণী প্রচারে আপনার পাপ হবে না।
সংগৃহীত
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 26 January 2016
ওয়াজ-তাবলীগ বন্ধ করা উচিত, আযানে শব্দ দূষণ হচ্ছে: ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমীমা হোসেন
http://bd-kotha.com/national/4694-2016-01-25-01-27-30?q=12
হিন্দু ধর্ম নাকি কেবল ভারতেই সীমাবদ্ধ!!!!!!
প্রায়ই অহিন্দুদের বলতে দেখা যায়,
হিন্দু ধর্ম নাকি কেবল ভারতেই
সীমাবদ্ধ!!!!!!
অথচ হিন্দুরা অজ্ঞানতার কারণে এই
মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারেন
না!!
আসুন বিশ্ব হিন্দু সম্পর্কে জানি,
-
বিশ্বব্যাপী সনাতন
১।ভারত,
বৃন্দাবন,গয়া,কাশী,সতীপীঠ
২।নেপাল,
সীতা মাতার জন্মভূমি,সতীপীঠ
৩।মরিশাস,
গঙ্গা তালাও,অসংখ্য মন্দির
৪।বাংলাদেশ,
ঢাকেশ্বরী মন্দির,সতীপীঠ
৫।পাকিস্তান,
স্বামীনারায়ন মন্দির,সতীপীঠ
৬।শ্রীলঙ্কা,
সতীপীঠ,অসংখ্য মন্দির
৭।আফগানিস্তান,
আশা মাই মন্দির,শিব মন্দির
৮।থাইল্যান্ড,
গণেশ মন্দির,অসংখ্য মন্দির
৯।ইন্দোনেশিয়া,
প্রাণ বর্মন মন্দির,অংসখ্য মন্দির
১০।মালয়শিয়া,
বাটু কেভস,মরুগান কার্তিক ঠাকুর
মন্দির
১১।ইরান,
আর্য arya থেকে aryairan থেকে ইরান
নামের উৎপত্তি
১২।ইরাক
ইয়াজিদিদের অধিকাংশ রীতি
হিন্দুদের মত,এছাড়া সম্প্রতি
রাম,হনুমান এর ভাস্কর্য পাওয়া গেছে
১৩।আজারবাইজান,
শতবর্ষ পুরানো নব দূর্গা জোয়ালা
মাতা মন্দির ও সংস্কৃত ও পারসিতে
শিব গণেশ স্তুুতিলিপি
১৪।জাপান,
বহু পুরানো বেনজাইতিন সরস্বতী
মন্দির,গণেশ মন্দির
১৫।চীন,
ঐতিহাসিক নৃসিংহ মন্দির,কুয়ানজহু
শিব মন্দির,
১৬।ওমান,
শতবর্ষী শিব ও কৃষ্ণ মন্দির
১৭।দুবাই,
বোর দুবাই শিব ও কৃষ্ণ মন্দির
১৮। বাহরাইন,
মানামা ইসকন মন্দির
,১৯।কুয়েত
স্বামী নারায়ণ মন্দির,
২০।ইসরাইল,
তেল হাবিব ইসকন
ইসকন এছাড়াও আমেরিকা,ব্রাজিল
,আফ্রিকা,অষ্ট্রেলিয়াতে বহু
ইসকন,রামকৃষ্ণ মিশনের মন্দির আছে!
-
ভারত,নেপাল,মরিশাস হিন্দু প্রধান
রাষ্ট্র।
ভারত,নেপাল,মরিশ
াস,ত্রিনিদাদ ও
টোবাগো এর প্রধানমন্ত্রী হিন্দু,
বাংলাদেশ,শ্রীলঙ
্কা,পাকিস্তান(২
০০৭ সালে) এর সুপ্রিমকোর্ট এর প্রধান
বিচারপতি হিন্দু,
ইন্দোনেশিয়ার হাইকোর্টের
প্রধানবিচারপতি হিন্দু!
ঘানার তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিন্দু,
আমেরিকার সিনেট সদস্য হিন্দু,
গায়েনার বিরোধীদলীয় নেতা
হিন্দু!
আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিন্দু।
( প্রমাণ চাইলে দিতে পারি)
.
শুধু তাই নয় হিন্দু সনাতন ধর্ম বিশ্বে ৩য়
বৃহত্তম ধর্মগোষ্ঠী।লাখ লাখ মানুষ
সনাতন ধর্মে ফিরে আসছে।
.
তাই সনাতন হিন্দুরা আসুন ভদ্র ভাষায়
সকল মিথ্যাচারের জবাব দেই।
শেয়ার করুন ও আমাদের এই ধর্মযুদ্ধে
সহায়তা করুন।
Monday, 25 January 2016
আমি হিন্দু
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার
আমি হিন্দু, আলোর ঝলকানিতে হই নাকো
নিস্তার
আমি হিন্দু, ছেড়েছি সব পাপিষ্ঠদের দরবার
অন্ধকারের কোলাহল থেকে আমি
হুঙ্কার তুলি জয় শ্রী রাম । আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার
আমি হিন্দু, আমি মানি না কোন
বর্ণ কিংবা হিন্দু বিদ্বেষীদের হুঙ্কার
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার । হিন্দুত্ব করেনি কাউকে কখনো তিরস্কার
হিন্দুত্বের ছায়াতলে মরেনি কোন অহিন্দু
হামলা হয়নি কোন গির্জা কিংবা চার্চে
তবে আর কিসের রীতি, কিসের নীতি ?
হিন্দুত্ব দিয়েছে যেথায় সাম্য-প্রীতি ।
আমি হিন্দু, আমি মানি না কোন বর্ণ কিংবা হিন্দু বিদ্বেষীদের হুঙ্কার
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার । আমি জানি প্রতিবেশীর হাহাকারের দাম
ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে এসে হিন্দুত্ব দিয়েছে
তাদের মান ।
বলেছেন ভগবান -ততক্ষণ তুমি প্রকৃত হিন্দু
নয়কো
যতক্ষণ তুমি প্রতিবেশীকে ক্ষুধার্ত রেখে নিদ্রায় থাকো ।
আমি হিন্দু, এটাই আমার পথ চলার নীতি ।
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার । পরের কারণে দেখালে প্রীতি, এটাই কি
তোমার ধর্ম নিরপেক্ষ রীতি ?
যদি সাহস থাকে তবে হও আগুয়ান
বল- স্টপ কিলিং হিন্দু ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড
স্টপ কিলিং অন পাকিস্তান অর আফগানিস্তান
। আমি হিন্দু, আমি মানি না কোন
বর্ণ কিংবা হিন্দু বিদ্বেষীদের হুঙ্কার
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার । শান্তিতে তুমি নোবেল পাবে মালালা
ইউসুফজাই
তোমার দেশে অশান্তির নক্ষত্র-রাজি ।
কোন রীতিতে আছে জাতি নাকি এটাই
তাদের রাজনীতির রীতি ?
আমি হিন্দু, আমি মরতে আসিনি আসিনি কোন দালালের দালালি করতে
অন্ধকারের বক্ষ-ভেদী আনবো আবার আলোর
জ্যোতি
এটাই আমার ধর্ম নিরপেক্ষ রীতি ।
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার । আমি হিন্দু, আমি কাঁদতে আসিনি
ভেঙে দিবো আজ অন্যায়ের সব বিষদাঁত
ফুঁসে উঠা সব পিপীলিকার মুখে
দিব একটু নিদ্রা কিংবা আহার ।
সাম্য- সমের উদারনীতি
থাকবে না কোন দ্বন্দ্বের স্মৃতি । আমি হিন্দু, এটাই আমার পথ চলার নীতি ।
আমি হিন্দু, আমি মানি না কোন
বর্ণ কিংবা হিন্দু বিদ্বেষীদের হুঙ্কার
আমি হিন্দু, অন্ধকারে আমি দুর্বার ।
নেতাজীর ছবি ও বিখ্যাত উক্তি বিকৃত করে ব্যবহার হচ্ছে বানিজ্যিক স্বার্থে !!!
নেতাজীর ছবি ও বিখ্যাত উক্তি বিকৃত করে ব্যবহার হচ্ছে বানিজ্যিক স্বার্থে !!!
নেতাজীর জন্মজয়ন্তীতে তার ছবি ও বিখ্যাত উক্তি 'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' বিকৃত করে বানিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করছে জিলাক্সো নামক একটি কোম্পানি !
" ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস " অনুযায়ী নিজ গুনে জাতীয় নেতা ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সর্বাধিনায়কের নাম বানিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা যায়না । কারণ আমাদের দেশেই ছত্রপতি শিবাজীর নাম কেউ বানিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারেনা ! শুধু শিবাজি নন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যেমন, জহর লাল নেহেরু / ইন্দিরা গান্ধীর নাম ও বানিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা যায়না ভারত সরকার নিষেধাজ্ঞা থাকায় । অথচ নেতাজীর বেলায় সরকার ও অদ্ভুতভাবে নীরব ! যার ফায়দা নিচ্ছে এই ধরণের কিছু অসাধু কোম্পানি !!! এই নিয়ে বেশ কিছু মামলা এখনো বিচারাধীন ।
বন্ধুরা, আপনারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন ! পোস্ট টিকে সর্বোচ্চ পরিমানে শেয়ার করুন, যাতে উপর বিভাগের টনক নড়ে... —
ইসলাম সুপ্ত আগ্নেয়গিরি তুল্য
ইসলাম সুপ্ত আগ্নেয়গিরি তুল্য, যা চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অগ্নুৎপাত করে বিস্ফোরন ঘটায়। মুসলিমরা বিভিন্ন দেশে অভিবাসী রুপে আশ্রিত হয়ে প্রথমে আশ্রয়দাতা দেশের চিরচারিত রীতিনীতি, সংস্কার,আদবকায়দাকে বিনয়ের সংঙ্গে মান্যতা দিয়ে, নিজেদের ইমানদন্ড অবনত রাখে যা মুসলিমদের সপ্ত আগ্নেয়গিরির সমতুল্য।
ধীরে ধীরে নতুন অভিবাসীদের আগমন, ৩-৪টে নিকাহ করে জনসংখ্যাবৃদ্ধিকরন, কোনরকমভাবে ১ লাখে পৌছতে না পৌছতে ইমান্দন্ডকে ধীরে ধীরে জাগ্রত করার চেষ্টা, অতঃপর যখনি নিজেদের জনসংখ্যাকে দু লাখে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়,ঠিক তখনি সুরু হয় সুপ্ত আগ্নেয়গিরির বিচ্ছিন্নভাবে অগ্নুৎপাতন।
মরুদেশের বদান্যতায় গড়ে ওঠে একের পর এক মসজিদ, মাদ্রাসা। শুক্রবারের নামাজ ঘর থেকে স্থানান্তরিত হয় মসজিদে, ভ্রাতৃত্ববোধে একাত্ম হয়ে চলে শলাপরামর্শ কিভাবে ইমানদন্ডকে আরও শক্ত করা যায়।
স্বভাবতই আওয়াজ ওঠে---------
-শ্রক্রবারে নামাজ আদা করার জন্য ছুটি
-হালাল করা মাংসের দোকানের ববস্থা
-ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাসরুমের আন্দোলন।
-যেখানে সবাই পেশাদার পোশাক পরে যায় সেখানে একটি বিশেষ ধর্মের অনুসারীদের হিজাব পরতে দেওয়ার অধিকারের দাবীতে আন্দোলন।
-রাস্তা ব্লক করে জুমার নামাজ আদায়।
-মাইকে চিৎকার করে পাঁচ ওয়াক্ত আজান দেওয়ার অধিকারের আন্দোলন।
-তারপর সংখ্যাটা লাখ থেকে কোটিতে গেলে মাশা-আল্লাহ শরীয়া আইনটা হলে মন্দ হয় না!
-আল্লাহু দ্বীনের শাসন কায়েম না হলে সহি মুসলমান হওয়া যায়না।
জিহাদি হয়ে পেটে বোমাবেধে যতসম্ভব কাফেরদের সংখ্যা কমান যা আগ্নেয়গিরির প্রচণ্ডমূর্তি ধারন ---------------
NATAJI WAR CRIMINAL BY NAHARU
নেতাজিকে ‘ওয়ার ক্রিমিনাল’ সম্বোধন করেছিলেন নেহরু !
একটি চিঠিতে নেতাজিকে 'ওয়ার ক্রিমিনাল' হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন জওহরলাল নেহরু। নেতাজির যে সময় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়, তার চার মাস পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকেএই চিঠি লিখেছিলেন তিনি। নেতাজির ফাইল প্রকাশের দায়িত্বে রয়েছেন এমন এক আধিকারিক ইন্ডিয়া টুডে'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন।
এদিন যে সব নথি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে রয়েছে এমনই একটি তথ্য। ১৯৪৫-এর ২৭ ডিসেম্বর ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলিকে চিঠিটি লেখেন তিনি।
চিঠিতে নেহরু লেখেন, 'ডিয়ার অ্যাটলি, আমার কাছে সূত্রের খবর এসেছে যে আপনার ওয়ার ক্রিমিনাল নেতাজিকে রাশিয়ায় ঢুকতে সাহায্য করেছে স্তালিন। এটা রাশিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা। এটা করা উচিৎ হয়নি। আপনার যা ব্যবস্থা নেওয়ার আপনি নিন।' চিঠিটির নীচে রয়েছে জওহরলাল নেহরুর নাম। এই চিঠি ফের একবার আলোড়ন ফেলে দিতে পারে ভারতীয় রাজনীতিতে। কারণ আগেই এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে যে নেতাজিকে অসম্মান করেছেন নেহরু। এই চিঠি আরও প্রমাণিত করে যে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা বিশ্বাস করতেন না নেতাজি।
শনিবারও সামনে আসছে নেতাজির ১০০ টি গোপন ফাইল। এর মধ্যে ৩৩ টি প্রকাশিত হবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। বাকিগুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক থেকে।
একটি চিঠিতে নেতাজিকে 'ওয়ার ক্রিমিনাল' হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন জওহরলাল নেহরু। নেতাজির যে সময় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়, তার চার মাস পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকেএই চিঠি লিখেছিলেন তিনি। নেতাজির ফাইল প্রকাশের দায়িত্বে রয়েছেন এমন এক আধিকারিক ইন্ডিয়া টুডে'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন।
এদিন যে সব নথি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে রয়েছে এমনই একটি তথ্য। ১৯৪৫-এর ২৭ ডিসেম্বর ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলিকে চিঠিটি লেখেন তিনি।
চিঠিতে নেহরু লেখেন, 'ডিয়ার অ্যাটলি, আমার কাছে সূত্রের খবর এসেছে যে আপনার ওয়ার ক্রিমিনাল নেতাজিকে রাশিয়ায় ঢুকতে সাহায্য করেছে স্তালিন। এটা রাশিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা। এটা করা উচিৎ হয়নি। আপনার যা ব্যবস্থা নেওয়ার আপনি নিন।' চিঠিটির নীচে রয়েছে জওহরলাল নেহরুর নাম। এই চিঠি ফের একবার আলোড়ন ফেলে দিতে পারে ভারতীয় রাজনীতিতে। কারণ আগেই এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে যে নেতাজিকে অসম্মান করেছেন নেহরু। এই চিঠি আরও প্রমাণিত করে যে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা বিশ্বাস করতেন না নেতাজি।
শনিবারও সামনে আসছে নেতাজির ১০০ টি গোপন ফাইল। এর মধ্যে ৩৩ টি প্রকাশিত হবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। বাকিগুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক থেকে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
