Wednesday, 27 January 2016

আপনি কি জানেন,,,,,,

আপনি কি জানেন,,,,,, 1962সালের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভারতকে নতুন উদ্যমে জাগিয়ে তুলতে 1963 সালে 4000 RSS কর্মী প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অংশ নিয়েছিলেন। ★★★★★★★★ বলো জয় শ্রীরাম।

Shia student beheaded by Sunni Muslims::

Shia student beheaded by Sunni Muslims:: A Pakistani SHIA was beheaded by three of his sunni friends for wearing a locket with words ‘Ya Ali Madad’(as). According to information, Muzammil Abbas was killed in Bhal Syeda :) tolerant #pakistan ..!!! intolerant #Indian #Hindus !!! http://en.abna24.com/service/centeral-asia-subcontinent/archive/2016/01/23/731641/story.html

নিজের কেন্দ্রে বাবুলকে ঢুকতে পুলিশি বাধা, ব্যাপক উত্তেজনা...

নিজের কেন্দ্রে বাবুলকে ঢুকতে পুলিশি বাধা, ব্যাপক উত্তেজনা... খোদ নিজের লোকসভা কেন্দ্রে ঢুকতে গিয়েই পুলিশের বাঁধার মুখে পড়তে হল আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল জামুরিয়া এলাকায়। যদিও পুলিশি ঘেরাটোপ এড়িয়েই এলাকায় পৌঁছন বাবুল। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। জামুরিয়া এলাকায় এক নাবালিকা ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের খন্ডযুদ্ধে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ঘটনার পরেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। আজ বুধবার ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বাবুল। কিন্তু অভিযোগ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর অনেক আগেই আটকে দেওয়া হয় বাবুলকে। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এছাড়া ঘটনাস্থলে বাবুলকে গেলে পরিস্থিতি আবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে দাবি পুলিশের। কিন্তু বিষয়টি না মেনেই এগিয়ে চলে বাবুল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একসময়ে পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে পর্যন্ত জড়িয়ে পড়েন বাবুল। কিন্তু না থেকে পুলিশের ব্যরিকেড ভেঙে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বাবুল।

রোহিত ভেমুলার মৃত্যু দুঃখজনক

রোহিত ভেমুলার মৃত্যু দুঃখজনক- কিন্তু তার মৃত্যুর অজুহাতে কেউ হিন্দু ধর্মের উপর আক্রমণ করলে হিন্দুদের রাজনৈতিক আনুগত্য ভুলেই প্রতিরোধে নামতে হবে! দেখুন, ওরা আপনার এত দিনের ধর্ম, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, আচার, প্রথা,ভাষার উপর আক্রমণ করে আপনাদের রুটলেস করতে চাইছে- মুল উদ্দেশ্য সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা নয়- একটি বহিরাগত সংস্কৃতিকে জায়গা করে দেওয়া! এরা আজ পৈতে পোড়াচ্ছে, কাল গীতা পোড়াবে, পরের দিন মন্দির ভাঙবে,তারপর আপনাদের মা বোনের দিকে হাত বাড়াবে- আপনারা কি তখনও লাল-বাল টাইপ বিভিন্ন পার্টির ঝান্ডা ধরে মিছিল করবেন? হিন্দু ধর্মের সংস্কার, সংশোধন, তাত্ত্বিক বিতর্ক সবই হিন্দুদের আভ্যন্তরীণ বিষয়- সিপিএম এর মত বহিরাগতরা এই আভ্যন্তরীণ ডিসকোর্সে হিস্যা নিতে পারেনা- এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা- নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া উচিত নয়! হিন্দুরা পৈতে পরবে কি পরবেনা তা ঠিক করে দেবে কটা নাস্তিক আবাল?? হিন্দুদের উচিত নয় কাঠের পুতুল হওয়া! রাজনীতির চেয়ে ধর্ম ও সংস্কৃতি বড়! আজ বাংলাদেশের দিকে তাকান- যে কোনো একটা উপন্যাস পড়ুন- বমি পাবে উর্দু শব্দের বহর দেখলে- নাস্তা, গোস্ত, গায়েবী, পেরেসান, দোস্ত, ফুফু, আপা টাইপ উর্দু শব্দের জঞ্জাল! বহিরাগত একটা কালচার এসে বাঙালীর পেছন মেরে গেছে-- এবাংলাতেও হবে- যদি প্রতিরোধ না করেন! Kamlesh Tiwari

জঙ্গিবাদের উত্থান

পরকালে সওয়াবের আশায় যারা মাদ্রাসায় দান করে, তাদের প্রত্যেকের অবদান আছে জঙ্গিবাদের উত্থানে।।

আপনার কাছে কি মনে হয় দেশ অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে?

দেশের একটু গণ্যমাণ্য ব্যাক্তি হলেই মিডিয়ার সম্মুখিন হতেই হয়। আর ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন শুনতে হয় তাদের, "আপনার কাছে কি মনে হয় দেশ অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে?" তারা কি বলবে, হয়তো ভেবে বলারও সময় পায় না। তবুও যা একটা না একটা বলবে। এইবার মিডিয়া দেখবে যে, খবরটাতে সহিষ্ণুতার বিপরীতে যায় কিনা। যদি একটুও অসহিষ্ণুর কথা ধরা পড়ে ( যদিও সাথে সাথে সহিষ্ণুতার কথা তিনি বললেও, সেটা মিডিয়া কেটে দেয়) তাহলেও মোদি আর হিন্দুদের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে দেয়। আর সে যদি সহিষ্ণুতার কথা বলে, তাহলে মিডিয়া এমনকি সোস্যাল মিডিয়ায়ও খবরটা চেপেই থাকে। এই হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়া। এগুলো কংগ্রেস সৃষ্টি করেছে, যারা সব সময় মোদির বিরোধিতা করবেই।

অসহিষ্ণুতা মন্তব্যে আমিরের 'ডিগবাজি'!

অসহিষ্ণুতা ইস্যু নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে কি পিছু হটলেন আমির খান?এক সাংবাদিক সম্মেলনে আমির যা বললেন, তাতে ব্যাপরটা কিন্তু তাই দাঁড়াচ্ছে। বলিউডের মিস্টার পারফেক্ট-এখন তাঁর অসহিষ্ণুতা মন্তব্যের যাবতীয় দায় মিডিয়ার ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন। আমির বললেন সেই কায়দায়, যে কায়দায় তারকার বিপদে পড়লে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। বললেন, 'আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখা করেছে মিডিয়া।' বলিউডের পিকে বললেন, ''আমি আমাদের দেশকে কখনই অসহিষ্ণু বলিনি। দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও চলে চাই সেটাও বলিনি। আমি এখানে জন্মেছি, এখানেই মারা যেতে চাই।''সঙ্গে বললেন, 'আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখা করার পর অনেক মানুষের ব্যথিত হয়েছে। তাদের কথা ভেবে খারাপ লাগে।' অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য নিয়ে দেশে পুরো ঝড় উঠেছিল। আমির নিজেই বলেছিলেন, দেশ জুড়ে অসহিষ্ণুতার পরিবেশে তিনি আতঙ্কিত। দেশের অসহিষ্ণু পরিবেশে ভীত তাঁর স্ত্রী কিরণও। এমনকী দেশ ছাড়তে চান কিরণ। বলিউডের মিস্টার পারফেক্ট-এর এ হেন মন্তব্যের পর তাঁকে তীব্র সমালোচনার মুখে প়ডতে হয়েছিল। তবে অন্য একটা অংশ আমিরের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। শাহরুখের অসহিষ্ণুতা মন্তব্যের জন্য তাঁর ছবি দিলওয়াল-কে বয়কট করা হয়েছিল। এতে দিলওয়ালে-র ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছিল। সামনেই 'দঙ্গল'- রিলিজ করতে চলেছে। আমির তার আগে সাবধান আগে হয়ে অসহিষ্ণুতা নিয়ে পিছু হটছে কি না সেটা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। http://zeenews.india.com/bengali/entertainment/aamir-khan-denies-calling-india-intolerant_135804.html