Friday, 29 January 2016

হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই।

হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই।কথাটা শুনতে ভাল লাগে ঠিকই। কিন্তু বাস্তবে এর বিপরিত ,কারন যারা ছয়িয় ইসলাম বিস্বাসী তারা কোরআন মানে আর কোর-আন মতে মুসলিম মুসলিমই ভাই ভাই অন্য কেউ নয়।তবু আসুন ইতিহাসের দিকে একবার ফিরে তাকাই।।1323খ্রীষ্টাব্দ ইরাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম হওয়ায় ভারত থেকে আলাদা হয়ে ইরাণ নামে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র হল।।1778 খ্রীষ্টাব্দ ইন্দোনেশিয়া ইসলাম সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ভারত থেকে আলাদা হয়ে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র গড়ল।।যদিও বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরাই(44লাখ),কিন্তু পুরো ইন্দোনেশিয়া হল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ।।1803 ভারতের পাঞ্চাল প্রদেশ এ মুঘল আমলের অকথ্য অত্যাচারে সেখানে ইসলাম ঢুকল তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হল আর আফগানিস্তান নামক নতুন ইসলাম রাষ্ট্র গড়ল ভারত থেকে আলাদা হয়ে।।1947 ভারত থেকে আলাদা হয়ে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র গঠন করল পাকিস্তান।পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান।।1971 এ পঃপাকিস্তানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা পাকিস্তান ত্যাগ করল। তবে নাম পরিবর্তন হলেও পাকিস্তানের সাথে তেমন কোন অমিল নেই।তাই হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই একথাটা বইয়ের পাতাতেই ভাল লাগে,বাস্তবে তা না।।এক্ষেত্রে বি.আর.আম্বেদকর সাহেবের কথাটি খুবই বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ-"হিন্দু মুসলমান ততক্ষণই ভাই ভাই যতক্ষণ তারা সংখ্যালঘিষ্ঠ।।সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেই এদের আসল রূপ বেরিয়ে আসে।তখন ইসালামের কাছে হিন্দু,খ্রীষ্টান,বৌদ্ধ কেউ আর ভাই নয় সব কাফের বা বিধর্মী।আর তখনই তারা ভারতভাগের ছক কষে আর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে দেশ বানিয়ে সেখানে ইসলামিক শাসন কায়েম করে।"হে ভারতবাসী ইতিহাস থেকে শিক্ষা নাও।।এখনও না বুঝলে আর কবে বুঝবে??

Thursday, 28 January 2016

ওরা তো মহামেডান.....ওরা সব কিছুই করতে পারে

বড় যন্ত্রণা... প্রচুর ক্ষোভ..... অমানুষিক মানসিক চাপ..... আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিনিয়ত যন্ত্রনায় ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হতে থাকা.... কামদুনির শিপ্রা ঘোষের ভাই ২৪ ঘন্টার নিউজ চ্যানলের প্রাইম টাইমে বিতর্কসভায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আচমকাই একটি অঘটন ঘটিয়ে বসলেন....! হায়! হায়!.... তার বক্তব্য..."ওরা তো মহামেডান.....ওরা সব কিছুই করতে পারে"। চকিতে সঞ্চালিকা মৌ.....প্রিয়া মৌপিয়া, তার ভুলটা সংশোধনের দায়িত্ব নিলেন। উপস্থিত গন্যি মান্যি... কয়েক জনকেও একটু নড়ে চড়ে বসতে দেখা গেল....।। - " না না না.... এটা ঠিক নয়... অপরাধীর কোন ধর্ম হয় না।" ..... সাবাস ভাই সাবাস! এ ভাবেই যেন সবাই মুখ খুলতে শুরু করে। ..... আর ম্যাডাম পিয়া,....আপনাকেই বা কে অধিকার দিয়েছে, মানুষের সরল ও স্বাভাবিক বক্তব্য ক্ষুন্ন করার?? - তাকে সংশোধনের নামে প্রভাবিত করার?? -তবে হ্যাঁ এটাও ঠিক যে আর খুব বেশি দিন নেই; সামনেই সেই দিন আসছে,... যেদিন অপরাধীর ধর্ম থাকুক বা না থাকুক... আপনারটা যে থাকবে না... তা নিশ্চিত।।

ভবিষ্য পুরান

কোন এক ফেসবুকি বন্ধু হিন্দুদের "ভবিষ্য পুরানে" মুহাম্মদ সমন্ধে যে শ্লোক আছে তার অনুসন্ধিৎসা বশত একটা পোষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেছেন, আমি তার এবং আপনাদের জন্য বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগ্রহণ করে এই বিখ্যাত শ্লোক ও তার ব্যাক্ষাকে শেয়ার করলাম। "ভবিষ্য পুরানে" শ্লোকে মুহাম্মদ সম্পর্কে বর্ননা করা আছে, “এতস্মিন্নন্তিবে সেত্দচ্ছ আচার্যেন সমন্বিতঃ। মহামদ ইতিখ্যাতঃ শিষ্যশাখা সমন্বিত।।" "নৃপশ্চৈব মহাদেবং মরুস্থ নিবাসিম্ম। চন্দনাদিভির ভ্যর্চ্য তুষ্টাব মনসাহরম্নমস্তে গিরি জানাথ মরুস্থল নিবাসিনে। ক্রিপুবাসুরনাশায় বহুমায়া প্রবর্তিনে॥" (ভবিষ্যপুরাণ ৩:৩:৩) "তম্মান্মুসলবন্তো হি জাতয়ো ধর্ম্ম দূষকাঃ। ইতি পৈশাচধমশ্চ ভবিষ্যতি ময়াকৃতঃ। ” (ভবিষ্যপুরাণ শ্লোকঃ১০-২৭।) অনুবাদ: মুহাম্মদকে ভবিষ্য পুরাণ -এ (৩:৩:৫-২৭) মহামদ (মোহাম্মদ বা অন্যকোন নামে নয়)নামে অভিহিত করা হয়। ভবিষ্য পুরানের এই অংশে তাঁকে আরব - সঞ্জাত বলে অভিহিত করে পিশাচধর্মের প্রবক্তা ধর্মদুষ্ক (ধর্মদূষণকারী) বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং মুসলমান নামে দূষিত সমাজের প্রবর্তনকারী বলা হয়েছে।এতে উল্লেখ করা রয়েছে,মুহাম্মদছিল মহাদেব অর্থাৎ শিব কর্তৃক নিহত পিশাচ ত্রিপুরাসুরের অবতার স্বরুপ বর্নিত হয়েছে। আমরা জানি যে, প্রতিটি অসুরই অপরাপর অসুরের অবতার। একথা স্পষ্ট যে মুহাম্মদও ছিল একজন অসুরের অবতার। যে কিনা পৃর্বে মহাদেব (শিব) কর্তৃক বধিত হয়েছিল। মুহাম্মদ যে পিচাশ ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না তদীয় কারনে মারা যাবার পুর্বে তিনি সাহাবিদের কাছে বলেছেন যে,সিন্দু প্রদেশে কানহা নামে এক মহাপুরুষ জন্মাবেন যিনি কিনা স্বয়ং আল্লাহ/ইশ্বর রুপে অবতীর্ন হবেন। যিনি কল্কি অবতার রুপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হবেন। আপনারা "ভবি্য্য পুরানে" উল্লেখিত মুহাম্মদ সম্পর্কে যে শ্লোক বর্নীত আছে তার মর্মার্থ যথাযথভাবে বুঝতে পেরেছেন, সম্ভব হলে শেয়ার করে অন্য বন্ধুদের জানাবার সুযোগ করে দিন তারাও বুঝতে পারবেন।

কোরান-হাদিসের আয়াত

প্রায় প্রতিদিনই মুসলিম সমাজের মৌলভী, আলেমা,ওলেমা,শিক্ষিত, অশিক্ষিত মুর্খেরা কোন না কোনভাবে কোরান-হাদিসের আয়াত থেকে প্রমান দেখিয়ে অমুসলিম সমাজে ঠাট্টা-তামাশার,ব্যঙ্গবিদ্রূপেরখোরাক জুগিয়েই চলছে। গত পরশু আবার নতুন মাত্রা যোগ করল এরিট্রিয়া সরকার, আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্গত ৮৪ লক্ষ জন সমৃদ্ধ ছোট একট মুসলিম দেশ, এতদিন মৌলবি, ইমাম,আলেমা ওলেমারাই সাধারণত ফতোয়া জারি করত, কিন্তু খোদ সরকার বাহাদুর যেখানে ফতোয়া জারি করে তার মাত্রাই ভিন্ন স্বাদের হয়ে থাকে। বহুগামিতা মুসলিম সমাজের বিধান, আল্লাহতালার আইন আনুযায়ী, প্রত্যেক পুরুষকে কমপক্ষে দুটি নিকাহ করা বাধ্যতামূলক। প্রথম বিবি থাকা সত্ত্বেও তাকে কমপক্ষে আর একটি নিকা করতেই হবে, যদি বর্তমান বিবি পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় তবে তাকে কঠোর পরিশ্রমসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আবার যদি পুরষও পথম বিবি থাকা সত্বেও দ্বিতীয় বার বলকোন কারনবশত নিকা করতে অনীহা প্রকাশ করে তবে তাকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সরকার পক্ষের তরফে পুরুষের আন্যপাতিক হার কম হওয়ার জন্য নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা পুরুষ সমাজে উভয়সঙ্কট হয়ে উঠেছে।।

মুখ্যমন্ত্রী

যে মুখ্যমন্ত্রী তাপসী মালিকের হত্যার সহানুভুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই মুখ্যমন্ত্রী এখন আরেকজন নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের আড়াল করছেন, প্রতিবাদকারীদের ওপর দুষ্কৃতকারীরা হামলা করলো অথচ পুলিশ তাদের ধরছে না | তাই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আজ প্রতিবাদে সামিল হয়েছে জামুরিয়াতে, সিপিএমের আমলের সেই অত্যাচারের দিনগুলি তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন |

অষ্টম শতকে মুসলিমরা ভারত উপমহাদেশ আক্রমণ করে।

অষ্টম শতকে মুসলিমরা ভারত উপমহাদেশ আক্রমণ করে। নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে রক্তের নদী বইয়ে দেয়। যেখানেই হিন্দু ছিল ধরে ধরে হত্যা করতো তারা। আর মেয়েদের কে দাসী করে রাখতো যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য। জোর করে ধর্মান্তর করা, মাথা কেটে কেটে পাহাড় সমান উচু করা, মেয়েদের ধর্ষণ করা এগুলো ছিল মুসলিমদের প্রতিদিনকের কাজ। এই বর্বরতা 1757 সাল পর্য্ন্ত ছিল। ভাগ্যিস ইংরেজরা এসেছিল, নাহলে এতো দিনে হিন্দু নামের কোন জাতি থাকতো কিনা সন্ধেহ। আজ অনেক মোল্লারা হিন্দুদের গালি দেয়। আসলে দূষিত রক্ত তো এদের ভিতরই। এদের পূর্বপুরুষদেরই ধর্ষণের ফলে এদের জন্ম। আমরা সেই সমস্ত মুসলিম দের ঘৃণা করি আর ধর্মান্তর হওয়া লোকদের শোকে বিভর হই, কিন্তু বর্তমানে মোল্লারা সেই বর্বরতার চিত্র না জেনেই সেই সমস্ত খুনিদের মাথায় করে রাখে। এদের পূর্বপুরুষ মহিলাদেরই ইজ্জত লুটে মুসলিম বানিয়েছিল। সেই সমস্ত পূর্বপুরুষদের জাবৎ সন্তান আজকের এই মুসলিম রা। মুসলিমরা যাদের ধর্ষণ করেছে তারা তো মুসলিম হয়েছেই। তাই সমস্ত মুসলিমদের বেজন্মা বললে কি কোন ভুল হবে? সব মুসলিমরাই সেই সমস্ত আরব কুত্তাদের বংশধর যারা এদের প্র প্র প্র মাতামহের ধর্ষণের ফল। তাই বেজন্মা নাড়েদের রক্তে সেই আরব রক্ত বইছে আর তাদের বর্বরতা সারা পৃথিবীর মানুষ সহ্য করছে।।

গোটা ভারতে অসহিষ্ণুতার ইস্যু শীতঘুমে চলে গেলেও এবিপি আনন্দ এই ইস্যুকে জিইয়ে রেখে বাজার গরম করছে....

গোটা ভারতে অসহিষ্ণুতার ইস্যু শীতঘুমে চলে গেলেও এবিপি আনন্দ এই ইস্যুকে জিইয়ে রেখে বাজার গরম করছে.... **অমিত শাহ সভাপতি হলেন।আদবানি আর যোশী যাননি।এটাও অসহিষ্ণুতা!!!! **বামপন্থী সংগঠন আর.এস.এস ভবন ভেঙে দেওয়া কথা বললে সহিষ্ণুতা।আর ঠ্যাঙানি খেলে অসহিষ্ণুতা!!!! **বিজেপি রাজ্য সভাপতি এব্যাপারে যা বলেছেন, তাও অসহিষ্ণুতা!!! **হায়দ্রাবাদেরমৃত ছাত্রটি বিবেকানন্দকে অপমান করলে কিংবা জঙ্গির ফাঁসীর বিরোধিতা করলে সহিষ্ণুতা।আর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দিলেই অসহিষ্ণুতা!!!! **পুনেতে হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হলে সহিষ্ণুতা। আর এর পরিবর্তে কোন বিধর্মী হলেই অসহিষ্ণুতা!!!! . আপনাদের সহিষ্ণুতার পাঠ পড়ে আমরা সত্যিই ধন্য!!! অথচ কি আশ্চর্য- যে শাহরুখ কিংবা আমিরের পক্ষ নিয়ে আপনারা নিজেদের মুখব্যাথা করলেন-তারা উভয়েই কিন্তু তাদের আগের মন্তব্য থেকে পুরো ইউটার্ন নিয়েছে।অথচ আপনারা এখনো সহিষ্ণুতা ফিরে পেলেননা!! যাইহোক- এবার অন্তত থামুন মশাই!পাবলিককে আর কত ঢপের চপ খাওয়াবেন?? এখন আপাতত কোন ভোট নেই।আবার না হয় পরবর্তী ভোট এলে অসহিষ্ণু হবেন-ঠিক বিহার ভোটের মত!!!