Friday, 29 January 2016

কামদুনি মামলার রায় কাল পর্যন্ত মুলতুবি!

...কামদুনি মামলার রায় কাল পর্যন্ত মুলতুবি!...অনিশ্চিত কবে সাজা শোনানো হবে। ...শালা! ৫ টা মুসলিম একটা হিন্দু মেয়েকে গণধর্ষণ করে গোপনাঙ্গে লোহার রড, কাঠের বাটাম ঢুকিয়ে পেট ফাটিয়ে দুই পা দু দিক দিয়ে টেনে শরীরটাকে ছিঁড়ে ফেলল। ...আর আজ দু দিন ধরে শুয়োরের বাচ্চাদের নিয়ে নাটকবাজি চলছে।...কোর্টও ভয় পাচ্ছে সাজা শোনাতে।...২ অপরাধী তো বেকসুর খালাস হয়েই গেছে। ...বামেরা মহিলাদের দিয়ে লালবাজার অভিযান করছে।...বিজেপি হয়তো মিছিল করবে।...কংগ্রেসঘুমাচ্ছে।...তৃনমূল আপাতত চার্জশিটে ৪ ও ৬ নম্বরে নাম থাকা তৃনমূল নেতা রফিকুল মিয়াঁ এবং নূর ইসলামকে বাঁচাতে পেরে স্বস্তিতে। ...বেচারা মৃত মেয়েটির ১৭+২ = ১৯ বছরের আত্মাটি তখন থেকে কেঁদেই চলছে।

রাজ্যে বিধানসভার ভোট

রাজ্যে বিধানসভার ভোট যতই এগিয়ে আসছে শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেসের দুর্বৃত্তায়ান ততই বাড়ছে | দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলে খুন হয়ে যাওয়াটা এখন প্রতিদিনের ঘটনা | রাজ্যের নেতাদের কথা জেলার নেতারা শুনছেন না | আবার জেলার নেতাদের কথা নিচুতলার দলীয় কর্মীরা পাত্তাই দিচ্ছেন না | দলের মধ্যে খুনোখুনি আরও বাড়বে নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের টিকিট বিলির সময় | চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় ২৯৪ টি আসনের প্রায় প্রতিটিতেই তৃণমূলের এক বা একাধিক গোঁজ প্রার্থী থাকবেই | তৃণমূলের নেত্রী এসব জানেন বলেই আগেভাগে ঘোষণা করেছেন যে প্রার্থী একমাত্র তিনিই মনোনয়ন করবেন | জেলার নেতারা প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে কমপক্ষে সুপারিশ টুকুও করতে পারবেন না | কোনো গণতান্ত্রিক দলে এই রকম ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা মতেই সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয় | ইন্দিরা গান্ধী ঠিক যেমনভাবে কংগ্রেসকে গান্ধী পরিবাবের ক্রীতদাসে পরিনত করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক সেইভাবেই দলকে ব্যক্তিগত ক্রীতদাস বানাতে চাইছেন | সিপিএম থেকে দল বদল করে আসা লুম্পেনরাই এখন তৃনমূল নেত্রীর গর্বের কারণ | সম্প্রতি রেড রোড কান্ডে দুর্বৃত্ত সাম্বিয়া, তৃনমূল নেতা মহম্মদ সোহরাবের ছেলে | সাম্বিয়ার বিয়ের পার্টিতে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতাদের উপস্থিতি নজর কেড়েছিল এলাকার মানুষের | সেই ভোজ খেয়ে যাওয়া ন্যাতারাই এখন মহম্মদ সোহরাবকে চিনতে পারছেন না | বীরভূমের খয়রাশোলে স্থানীয় তৃনমূল নেতা শেখ সইফুল খুন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসা লুম্পেনরাই জড়িত আছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে | এই জেলারই ময়ূরেশ্বর থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ পেটানোর ঘটনায় শাসক দলেরই মুখ পুড়েছে | কারণ, ওই ঘটনায় হামলাকারীরা সবাই তৃনমূলের সমর্থক এবং কর্মী | আর সকলেই মুসলিম | তবে সবচেয়ে ভয়ের এবং আশঙ্কার কারণ ব্যাপক বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ | সম্প্রতি হুগলি নদীর ধরে রায়চকের কাছে কুকড়হাটিতে একটি ইটভাটা থেকে ৫১ জন বাংলাদেশীকে গ্রেফতারের ঘটনা রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে উলঙ্গ করে দিয়েছে | সল্টলেকের উপনগরী রাজারহাটকে ঝাঁ-চকচকে স্মার্ট সিটি করার কাজ চলছে | এর নির্মানকাজে যুক্ত শ্রমিকদের ৮০% বাংলাদেশের লোক | ঠিকাদারদের বক্তব্য বাংলাদেশী শ্রমিকরা অনেক কম মজুরিতে কাজ করে | পুলিশ নজর এড়িয়ে (?) এত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিকের উপস্থিতি তাদের ব্যর্থতাকেই তুলে ধরছে | কোনো কাগজ ছাড়াই বর্ডার পেরিয়ে বাংলাদেশীরা চলে আসছে এত ভিতরে, কিন্তু পুলিশ বা সীমান্তে কর্মরত বিএসএফ কিছু জানতেই পারছেনা সেটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় | আসলে এসবই তৃনমূল নেত্রীর তোষণের ফল | মনে আছে গতবারের বিশ্ব-বঙ্গ সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে উল্লেখ করা "চিপ লেবার" ? নিঃসন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ এখন অনুপ্রবেশকারীদের স্বর্গরাজ্য | তৃণমূলের মাফিয়াদের হাতেই এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি | মালদহের কালিয়াচকের সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামার ঘটনা তৃণমূলের রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের ভয়ংকর চেহারা মালদহের মানুষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে | কালিয়াচকের দুর্বৃত্তায়নের শুরু বাম আমলে মোজমপুর-নারায়নপুর থেকে | মোজমপুরের মাথা ছিল সিপিএমের আসাদুল্লা বিশ্বাস | নারায়নপুরের মাথা ছিল কংগ্রেসের তুহর আলী | এলাকা দখলের লড়াইতে খুন হয়ে যায় তুহর আলীর ছেলে | অভিযোগ ওঠে আসাদুল্লার বিরুদ্ধে | ইতিমধ্যে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে | সুযোগ বুঝে তৃণমূলে ঢুকে পড়ে আসাদুল্লা আর তার অনুগামীরা | গত পঞ্চায়েত ভোটে সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি মোজমপুর আসাদুল্লার হাত ধরে তৃনমূল হয়ে যায় | আসাদুল্লার ভয়ে অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতে বিরোধীরা প্রার্থী দেওয়ার সাহস দেখায়নি | আসাদুল্লা কালিয়াচকের ১৮ টা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেতাজ বাদশা হয়ে যায় | কালিয়াচক থানাকে সে ব্যক্তিগত বৈঠকখানা বানিয়ে ফেলেছে | একাধিক খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত হলেও পুলিশ থানায় বসে থাকা আসাদুল্লা কে খুঁজে পায় না, কারণ "দিদি যার মমতা - তাকে ছোঁয় কার ক্ষমতা ?" কালিয়াচকে দাঙ্গা হাঙ্গামা, থানা পোড়ানো, হিন্দুদের দোকান লুঠ ইত্যাদি অপরাধে যাদের নাম উঠে এসেছে সেই কেতাবুদ্দিন, আসাদুল্লা, বকুল শেখ, রুকু শেখ, জাকির শেখরা সকলেই সিপিএম ছেড়ে তৃনমূল হয়েছে | এই লুম্পেনরাই কালিয়াচক-সুজাপুরে সমান্তরাল প্রশসন চালাচ্ছে | পুলিশের হাত-পা শুধু বাঁধা নয় তাদের হাত পা বেঁধে জলে ফেলে রেখেছে মমতা দিদি | দুর্বৃত্তরা সকলেই মালদহের প্রভাবশালী মন্ত্রীর ছত্রছায়ায় রয়েছে | তৃনমূল নেত্রী বিশ্বাস করেন যে এই দুর্বৃত্ত লুম্পেনরাই দলকে ভোটে জেতাবে | একদা সিপিএম এই দুর্বৃত্তদের দিয়ে ভোটে জিতত | আর এখন সেই দুর্বৃত্তদের ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে ইঁদুরের গর্তে ঢুকে পড়েছে | একই পরিনতি অপেক্ষা করছে তৃণমূলের জন্য | কারণ রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের চাকা গড়ায় ক্ষমতা বদলের সঙ্গে তাল রেখে | সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মুনুষের কাছে এখন দুটো অপশন আছে | ১) দেখে শেখা ২) ঠেকে শেখা | প্রশ্ন হলো কিরকমভাবে শিখতে আপনি আমি পছন্দ করি | http://missionbengal.in/special-articles/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87/

ফল 10 বছর জেল

পাকিস্তানে বিরাট কোহলির ফ্যান নিজের বাড়ির ছাদে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলেছিল ৷৷ ফল 10 বছর জেল ৷৷ ভারতবর্ষের কাষ্মীর থেকে কেরল, আসাম থেকে বাংলা ,পাকিস্তান প্রেমি সম্প্রদায় দিনের পর দিন পাকিস্তানি পতাকা তুলে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলচ্ছে, পাকিস্তানি গজল সম্রাট গোলাম আলি কে জামাই আদর করে উপহার দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তান স্রষ্টা Md Iqbal এর নামে চেয়ার করা হচ্ছে, পাকিস্তানি গায়ক আরদান সামি কে নাগরিকর্ত দেওয়া হচ্ছে ৷৷৷ আর পাকিস্তান প্রেমী বুদ্ধিজীবি ,মিডিয়া,রাজনীতিক নেতা, ধর্ম ব্যাবসায়ী রা সহিশ্নু ভারতবর্ষ কে অসহিশ্নু বলে গলাফাটিয়ে অন্নপ্রাষন এর ভাত উগরে দিচ্ছে ৷৷৷৷ আমরা সাধারন মানুষ চুপ করে তামশা সহ্য করচ্ছি ৷আর প্রতিবাদ করলে আমি অসহিশ্নু হয়ে যাচ্ছি৷ সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এ দেশ ৷৷৷৷

বাচতে গেলে আরএসএস, শিবসেনা বিজেপি ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

বাচতে গেলে আরএসএস, শিবসেনা বিজেপি ছাড়া আর কোনো পথ নেই। আজকে মমতা বেগমের দয়ায় রাজারহাট নিউটাউনে ১৫ বিঘা জমির উপরে ১০০ কোটি সরকারী টাকা ব্যয়ে ১৬ তলা হজ টাওয়ারের উদ্বোধন হতে চলেছে -- ৩০০০ শয্যা বিশিস্ট এই বিপুল বিল্ডিঙে ৮০০ কক্ষ সম্পুর্ন শীততাপ নিয়ন্ত্রিত -- পুরো জায়গাতে ওয়াই ফাই কানেকশন থাকছে - বিরাট কনফারেন্স রুম সহ এই বিশাল আয়োজন শুরু করা হয়েছিল ২০১১ সালের শেষ দিকে আজ ২০১৬ সালের প্রথমে এসে তাঁর সমাপ্তি ঘটছে শুভ উদ্বোধন ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে।এর ভেতরে ১০০০ জন একসাথে নামাজ পরার ব্যবস্থাও থাকছে। আমাদের ট্যাক্স এর টাকায় ওরা বাড়ছে, আমাদের মেয়েদের ধর্ষণ করে ফুর্তি করছে। বাঙালি হিন্দুরা কি এর পরেও দলাদলি করবে ? না সংঘবদ্ধ হতে পারবে?

এই দেখ, শালার হিজড়া হিন্দুর দল

"এই দেখ, শালার হিজড়া হিন্দুর দল " এই দেখ...! ...আজ আমরা কামদুনি কেসে বেকসুর ভাবে খালাস।...তোদের ১৭ বছরের বাচ্চা মেয়েটিকে আমরা নাঙ্গা করে খেয়েছি।...তারপর রড ঢুকিয়ে দুই পা ধরে চিরে মেরেছি। ...তারপরও আমরা বেকসুর ভাবে খালাস!...আর তোরা হিজড়ার দল কি করছিস ?...বাল! ...তোরা আমাদের একটা বালও উপড়াতেও পারবি নাহ।...দিল্লিতেও আমরা এক কাজ করেছি।...লোহার রড ঢুকিয়েছি বুঝেছিস কাপুরুষের দল ? ...লোহার রড! ...কি করতে পারলি তোরা গাধার পাল ?...কিচ্ছু নাহ! ...800 বছর ধরে আমরা তোদের মেয়ে, বোন, বউ, মায়েদের ধরে ধরে খেয়েছি।...কখনওভালবাসায় ফাঁসিয়ে (লাভ জিহাদে), কখনও জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে খোলা বাজারে নাঙ্গা করে বিক্রি করেছি। ...আমাদের ভয়ে তোরা তোদের মেয়েদের শিশু বয়সে গৌরীদান করতিস।...আমাদেরভয়ে তোরা তোদের বাড়ির বউকে স্বামীর সাথে সহমরণে পাঠাতিস।...কোন হিন্দু রাজাকে আমরা আক্রমণ করলে আমাদের ভয়ে সেই রাজার মেয়ে, বউ সবাই জ্যান্ত জ্বলে মরত। ...1946 এর কলকাতার দাঙ্গাতে আমরা তোদের মেয়ে, বউ, বোনকে বাড়ি বাড়ি ঢুকে চুষে খেয়েছি।...আর নোয়াখালী দাঙ্গাতে তো তোদের মেয়ে, বউ, বোনদের আমরা জীবন্ত অবস্থায় এমনকি লাশ হয়ে যাবার পরেও চুষে, চেটে, কামড়ে, ছিঁড়ে খেয়েছি।...তোরাদেখেছিস আর ছিঁড়েছিস।...ঠিক যেমন আজ ছিড়লি! ...তোদের ঘরের মেয়েকে আমরা সারা বিশ্ব জুড়ে নাঙ্গা করে সবাই মিলে খাচ্ছি, তারপর পিঁপড়ের মতন টিপে, হাত পা ছিঁড়ে মারছি!...তারপরওআমরা বেকসুর ভাবে খালাস।...আর তোরা দেখছিস আর ছিঁড়ছিস! ...তোরা আমাদের একটা মেয়ের এই হাল করে দেখতো ???...শালা গোটা দেশে আগুন জ্বালিয়ে দেব!...আইনের গুষ্টি চু...... দেব।...গোটা দেশকে আমরা শ্মশান করে দেব!...কিন্তু তোরা শুধুই দেখবি আর নিজেরটাই ছিড়বি।...শালারহিজড়া হিন্দুর দল! ...খুব ভালো করে শুনে রাখ।...আমরা তোদের মেয়ে, বউ, বোনকে আবারো চু....ব।...যদি কিছু করতে পারিস, করে নে।...ছিঁড়তে পারিস ছিঁড়ে নে! ...আমরা চিরকাল তোদের মেয়েদের, বউদের, বোনেদের চিবিয়ে খাবো। ...আমরা কে ??? ...এখনো বুঝলিনা গান্ডু হিন্দুর দল ???...আর কোনোদিন বুঝবিও নাহ!...কারণ তোরা হলি শিক্ষিত সুশীল বান...দ সেক্যুলার হিন্দু।...আমরা লুটেরা হয়ে এসেছি, নবাব-সুলতান হয়ে রাজ করেছি, আর এখন মাইনোরিটি সেজে তোদের চুষে খাচ্ছি।...কিন্তু তোরা কোনোদিনই আমাদের চিনতে পারিস নাহ কারণ তোরা হলি উৎকৃষ্ট মানের বো...চো...! ...আর আমরা হলাম সেয়ানা মু......মান! ...আর আমাদের জাত হলো "দানবিক ই...লাম" !!!

হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই।

হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই।কথাটা শুনতে ভাল লাগে ঠিকই। কিন্তু বাস্তবে এর বিপরিত ,কারন যারা ছয়িয় ইসলাম বিস্বাসী তারা কোরআন মানে আর কোর-আন মতে মুসলিম মুসলিমই ভাই ভাই অন্য কেউ নয়।তবু আসুন ইতিহাসের দিকে একবার ফিরে তাকাই।।1323খ্রীষ্টাব্দ ইরাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম হওয়ায় ভারত থেকে আলাদা হয়ে ইরাণ নামে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র হল।।1778 খ্রীষ্টাব্দ ইন্দোনেশিয়া ইসলাম সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ভারত থেকে আলাদা হয়ে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র গড়ল।।যদিও বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরাই(44লাখ),কিন্তু পুরো ইন্দোনেশিয়া হল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ।।1803 ভারতের পাঞ্চাল প্রদেশ এ মুঘল আমলের অকথ্য অত্যাচারে সেখানে ইসলাম ঢুকল তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হল আর আফগানিস্তান নামক নতুন ইসলাম রাষ্ট্র গড়ল ভারত থেকে আলাদা হয়ে।।1947 ভারত থেকে আলাদা হয়ে নতুন ইসলামিক রাষ্ট্র গঠন করল পাকিস্তান।পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান।।1971 এ পঃপাকিস্তানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা পাকিস্তান ত্যাগ করল। তবে নাম পরিবর্তন হলেও পাকিস্তানের সাথে তেমন কোন অমিল নেই।তাই হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই একথাটা বইয়ের পাতাতেই ভাল লাগে,বাস্তবে তা না।।এক্ষেত্রে বি.আর.আম্বেদকর সাহেবের কথাটি খুবই বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ-"হিন্দু মুসলমান ততক্ষণই ভাই ভাই যতক্ষণ তারা সংখ্যালঘিষ্ঠ।।সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেই এদের আসল রূপ বেরিয়ে আসে।তখন ইসালামের কাছে হিন্দু,খ্রীষ্টান,বৌদ্ধ কেউ আর ভাই নয় সব কাফের বা বিধর্মী।আর তখনই তারা ভারতভাগের ছক কষে আর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে দেশ বানিয়ে সেখানে ইসলামিক শাসন কায়েম করে।"হে ভারতবাসী ইতিহাস থেকে শিক্ষা নাও।।এখনও না বুঝলে আর কবে বুঝবে??

Thursday, 28 January 2016

ওরা তো মহামেডান.....ওরা সব কিছুই করতে পারে

বড় যন্ত্রণা... প্রচুর ক্ষোভ..... অমানুষিক মানসিক চাপ..... আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিনিয়ত যন্ত্রনায় ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হতে থাকা.... কামদুনির শিপ্রা ঘোষের ভাই ২৪ ঘন্টার নিউজ চ্যানলের প্রাইম টাইমে বিতর্কসভায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আচমকাই একটি অঘটন ঘটিয়ে বসলেন....! হায়! হায়!.... তার বক্তব্য..."ওরা তো মহামেডান.....ওরা সব কিছুই করতে পারে"। চকিতে সঞ্চালিকা মৌ.....প্রিয়া মৌপিয়া, তার ভুলটা সংশোধনের দায়িত্ব নিলেন। উপস্থিত গন্যি মান্যি... কয়েক জনকেও একটু নড়ে চড়ে বসতে দেখা গেল....।। - " না না না.... এটা ঠিক নয়... অপরাধীর কোন ধর্ম হয় না।" ..... সাবাস ভাই সাবাস! এ ভাবেই যেন সবাই মুখ খুলতে শুরু করে। ..... আর ম্যাডাম পিয়া,....আপনাকেই বা কে অধিকার দিয়েছে, মানুষের সরল ও স্বাভাবিক বক্তব্য ক্ষুন্ন করার?? - তাকে সংশোধনের নামে প্রভাবিত করার?? -তবে হ্যাঁ এটাও ঠিক যে আর খুব বেশি দিন নেই; সামনেই সেই দিন আসছে,... যেদিন অপরাধীর ধর্ম থাকুক বা না থাকুক... আপনারটা যে থাকবে না... তা নিশ্চিত।।