Thursday, 4 February 2016

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জাত ধর্মের ভিত্তিতে ভারতকে ভাগ করে রেখেছে : রতন টাটা

এবার দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতার বিতর্কে নিজের মত প্রকাশ করে রাজনৈতিক দলগুলিকেই আক্রমণের নিশানা করলেন শিল্পপতি রতন টাটা৷ তাঁর মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ভারতে অসাম্যের পরম্পরা এবং ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে৷ টাটাগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ এক প্রকাশনা টাটা রিভিউ-তে এক সাক্ষাৎকারে এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন শিল্পপতি রতন টাটা৷ জাত ধর্ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ ভোটের সময় এটাই বেশ কিছু লোকের সুবিধা করে দেয় অথচ তারা দেশের একতার জন্য কিছুই করেন না৷’’ টাটা গোষ্ঠীর প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেখতে চান ঐক্যের ভারতকে যেখানে সকলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে৷ তাঁর কথায়,‘‘ তুমি তোমার যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষা পাবে, কাজ করবে এবং উন্নতি করবে৷ সেক্ষেত্রে তোমার সঙ্গে কার কতটা যোগাযোগ রয়েছে তা বিচার্য হবে না৷ তখনই আমি আমার দেশ সম্পর্কে খুশি হতে পারব৷’’ তিনি মনে করেন ‘‘বর্তমানে ধর্মের ভেদাভেদ এবং অসাম্যের মধ্য দিয়েই আমাদের যেতে হচ্ছে ৷’’ তিনি বলেন,‘‘রাজনৈতিক কারণেই আমদের দেশের মধ্যে জাতপাত ধর্মের ভিত্তিতে গোষ্ঠী গঠিত হয়৷ আমরা নিজেদের ভারতীয় না বলে মারাঠী, পাঞ্জাবী, তামিল বলি৷ যেদিন সকলে আমরা ভারতীয় হতে পারব সেদিন দেশ শক্তিশালি হবে৷’’ ৭৮বছরের এই শিল্পপতি ২০১২ সালে টাটা গোষ্ঠী চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে যান৷ তিনি বলেন, ‘‘ আমি সবসময় মনে করি ভারতে অসাম্যের পরম্পরার পরিবেশ রয়েছে৷ আমি চাই যেন আমি বলতে পারি এই দেশের জন্য আমি গর্বিত কারণ এখানে সকলের জন্য সমান অধিকারের সুযোগ রয়েছে৷’’ ইন্দিরা গান্ধী প্রসঙ্গে্ এই শিল্পপতির বক্তব্য, ‘‘ ভারত একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে তবে সেটা একটা ব্যতিক্রম৷

আপনি কি সানি দেওলের সঙ্গে এক মত ?

অসহিসষ্ণুতা মন্তব্যে শাহরুখ খান এবং আমির খান কে এক হাত নিলেন সানি দেওল। আপনি কি সানি দেওলের সঙ্গে এক মত ?

অত্যন্ত মর্মান্তিক খবর;

অত্যন্ত মর্মান্তিক খবর; উত্তরপ্রদেশের বরেলীর আনন্দপুরা গ্রামে বারো বছরের এক দলিত মেয়েকে কয়েকজন মুসলিম যুবক ধর্ষণ করে তার যৌনাঙ্গে আখ ঢুকিয়ে চরম নির্মম ভাবে খুন করেছে ৷ এই নির্মমকান্ড নিয়ে রাজনীতি করার নোংরা মানসিকতা আমার নেই... তবে মেয়েটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন; * রোহিত ভেমূলার মত দেশদ্রোহির সমর্থনে বামপন্থীরা এত কিছু করছে রোহিত দলিত বলে তবে এই কান্ডে চুপ কেনো? *রোহিতের নামের সাথে জাতের পরিচয় জুড়ে দিয়ে মিডিয়া সারাদিন যেভাবে সুর চড়াচ্ছিলো সেই মিডিয়া আজ চুপ কেনো? * ইয়াকুব মেমনের সমর্থকের আত্মহত্যায় রাহুল গান্ধী সেদিন দৌড় লাগালো হায়দ্রাবাদ, আজ কেনো ইউপি গেলেন না?? * দলিত প্রেমি বুদ্ধিজীবিরা আপনারা কোথায় আজ, একটা লাইন তো বলুন এই মর্মান্তিক কান্ড নিয়ে ৷ * এখলাখের মৃত্যুতে ভয় পেয়ে দেশ ছাড়তে চাওয়া আমির খানের স্ত্রী আজ কি নিরাপদ অনুভব করছেন?? আসলে এক্ষে� 11 h

Monday, 1 February 2016

একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে জল গরম করা শুরু করা হল ,,,।

একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে জল গরম করা শুরু করা হল ,,,। জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত কিন্তু সে লাফ দেয় না,,, । সে সহ্য করতে থাকে,,, । আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয় তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার কিন্তু তখন আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি তার থাকে না,,,। জল আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম জলে ফুটে একটা সময় মারা যায় ,,,। এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে ?? তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম জলের কারনে মারা গেছে,,, । কিন্তু না সে গরম জলের জন্য মারা যায়নি সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে,,,। ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে কিন্তু আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের বুঝতে হবে কখন সরে যাওয়া উচিত অর্থাৎ সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত সঠিক সময় নেওয়া উচিত ,,,। আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না ,,,। এর থেকে আমাদের একটা শিক্ষা নেওয়া জরুরী। Arnab Dey

অনলাইনে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের মেয়েরা

আইএসের থেকে এবার আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের মেয়েরা। তাও আবার অনলাইনে। সন্দেহভাজক আইএস জঙ্গিদের জেরা করে এমনই বিস্ফোরক তথ্য পেল মুম্বইয়ের সন্ত্রাস দমন শাখা ‘এটিএস’ (অ্যান্টি টেরর স্কোয়্যাড)। এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কয়েকজন সন্দেহভাজক আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে আইএস। তাদের জেরা করেই জানা গিয়েছে, অনলাইনে প্রশিক্ষণ শিবির খুলেছে আইএস। অর্থাৎ অনলাইনেই আত্মঘাতী বোমারু দেওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আইএস নেতা আবু বাকর আল-বাঘাদি এই প্রশিক্ষণ শিবির খুলেছে এবং সে স্বয়ং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তবে আবু বাকর একা নয়, তার সঙ্গে আইএসের অন্যান্য শীর্ষস্তরীয় নেতারাও অনলাইনে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আর এই প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের যুব সম্প্রদায়। তবে কেবল পুরুষ নয়, মুম্বইয়ের মেয়েরাও অনলাইনে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার ক্লাস করছে বলে জানা গিয়েছে। আবু বাকর মূলত স্কাইপি এবং অন্যান্য ভিডিও কলিং সফ্‌টওয়্যারের মাধ্যমে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে এটিএস সূত্রের খবর। আইএস অনলাইনে প্রচার চালাচ্ছে এবং সদস্য সংগ্রহ করছে বলে এতদিন শোনা যেত। এবার অনলাইনে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির চালানোর খবরে রীতিমত চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কীভাবে এই শিবির বন্ধ করা যায়, তার জন্য অনলাইন জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরের বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেওয়া শুরু করেছে এটিএস। তবে কেবল মুম্বই নয়, দেশের অন্যান্য রাজ্যের ছেলে-মেয়েরাও আইএসের এই অনলাইন জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে ক্লাস করছে বলে এটিএসের দাবি। http://www.bengali.kolkata24x7.com/isis-leader-abu-bakr-al-baghdadi-training-mumbai-girls-for-suicide-bombings-through-online-classes.html

‘বলাৎকারের প্রতিবাদ করায় খুন করা হয় মাদ্রাসা ছাত্র সালমানকে’

http://uttorpurbo24.com/news/details/Sylhet/9616?utm_campaign=shareaholic&utm_medium=facebook&utm_source=socialnetwork

ভারতে হরিণ ও কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কেউ কোনো টু শব্দটি করেনি।

ভারতে হরিণ ও কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কেউ কোনো টু শব্দটি করেনি তখন। কেউ তখন প্রশ্ন করেনি, কে কি খাবে না খাবে তা রাষ্ট্র কেন ঠিক করে দেবে! হিন্দুরা আর্তনাদ করে বলেনি যে, মুসলিমরা কচ্ছপের মাংস খায় না বলে আমরা কেন কচ্ছপের মাংসের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হব? হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিষ্টান ভারতীয় মাত্রই রাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত কে সন্মানের সঙ্গে মেনে নিয়েছে। মেকি সেকুলার, দুর্বুদ্ধিজীবীরা রাস্তার মাথায় কচ্ছপ কিংবা হরিণের মাংসের কোনো পার্টি দিয়েছে কি না আমার জানা নেই। কচ্ছপ, হরিণের মাংস নিষিদ্ধ হলে যদি কারো অসুবিধা না থাকে তবে গোমাংস নিষিদ্ধ হলে কেন এত হাহাকার দেশজুড়ে? কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ করা হলে কোনো হিন্দুর মনে হয়নি যে তাদের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে তবে গরু নিষিদ্ধে কেন মুসলমানদের এত আপত্তি? কেন তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে অসহিষ্ণু পরিবেশ তৈরিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মুসলমান সহ দেশের অধিকাংশ মিডিয়া, রাজনৈতিক দল সহ মেকি সেকুলারবাদীরা? হিন্দুদের সেন্টিমেন্টে আঘাত করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গোমাংস চেবানো এটা কেমন প্রতিবাদ? এটা কি প্রতিবাদ নাকি উসকানি?