"আমি বহুদিন যৌন মিলন করতে পারি নি, আর আস্তাগফিরুল্লাহ হস্তমৈথুন হারাম। তাই ছেলেটিকে দেখে আর কাবু রাখতে পারিলাম না। ইনশাল্লাহ, শরীয়তে আল্লাহ তালা নিজের এই অবস্থায় হালকা করার বিধান দেন, আমি কোন ভুল করিনি, এটা ইমারজেন্সি ছিল চাহিদার"- এই ভাবে নিজের কীর্তি কে সমর্থন করেছেন অস্ত্রিয়ার রাজধানীতে ট্যাক্সি চালক হয়ে আশা এক ইরাকি মুসলিম আভিবাসী যিনি কয়েক দিন আগে এক সুইমিং পুলের সামনে এক ১০ বছরের পুরুষ শিশুকে ধর্ষন করেন! ধর্ষক এর পর পুলার ধারে মহা আনন্দে স্নান করেন। ইরাকে তাঁর বিবাহিত স্ত্রী ও কন্যা আছে সে পুলিশকে জানায়।ছেলেটিকে রক্তাত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিশদ দেখুন ডেলি মেলের পাতায় http://www.dailymail.co.uk/news/article-3434708/Iraqi-migrant-raped-10-year-old-boy-swimming-pool-Vienna-told-police-sexual-emergency-hadn-t-sex-months.html
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 8 February 2016
বনু ছাহামে গোত্র ছিল নিতান্তই হাভাতে, ঠিক মত তাদের খাবার জোটে না।
বনু ছাহামে গোত্র ছিল নিতান্তই হাভাতে, ঠিক মত তাদের খাবার জোটে না। হযরত মুহাম্মদ তার অনুসারীদের দিকে চেয়ে দেখেন আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন। এই দীর্ঘশ্বাসটা গিয়ে পড়ে ইহুদীদের বাড়বাড়ন্ত গ্রামগুলির দিকে। তাদের গোলা ভরা শস্য দানা। খোয়ারে ভর্তি গবাদি পশু। তাদের ছেলেমেয়েরা কি রুষ্টপুষ্ট আর স্বাস্থ্যবান! ইসলাম ঘোষণা হয়েছে ১৩ বছর। এই ১৩ বছরে তো একদিনও না খেয়ে থাকা যায়নি। বাঁচতে হলে খেতে হবে সে তুমি ইহুদী হও আর মুসলমানই হও। শুধু তো খাওয়া নয়, বাঁচার মত বাঁচতে না পারলে মানুষ হিসেবে নিজের আত্ম সম্মানটা আর অবশিষ্ট থাকে না। কিন্তু উপায় কি? খাবার তো আকাশ থেকে আসে না। মুহাম্মদের সঙ্গে আছেন একজন আল্লাহ যিনি তাকে এক ফেরেস্তার মাধ্যমে কবিতার মত কিছু পঙক্তি পাঠান যা মুহাম্মদ তার অনুসারীদের আবৃত্তি করে শোনান। কিন্তু পেটের খিদে কি কাব্য শুনে মিটবে? যে ফেরেস্তা মুহাম্মদের কাছে কবিতা নিয়ে আসেন সে কি আল্লাহ’র কাছে গিয়ে তাদের অনাহারের কথা বলতে পারে না? মুহাম্মদ জানে তার আল্লার কোন জমি নেই। তিনি ফসল ফলান না। একটা শষ্য দানাও বাজার থেকে তার কিনে দেয়ার স্বাধ্য নেই। সলাম গোত্রের শাখা বনু ছাহামের লোকজন যখন নিজেদের অভাবের কথা মুহাম্মদের কাছে পেশ করল তখন মুহাম্মদ তাদের সামনে তার আল্লাহ’র কাছে দোয়া করতে লাগল, “হে আল্লাহ, তুমি ওদের অবস্থা জানো। তুমি জানো যে, ওদের মধ্যে শক্তি নেই, আর আমার কাছে এমন কিছু নেই যে ওদের দেবো। হে আল্লাহ, ইহুদীদের এমন দুর্গ জয় করিয়ে আমাদের সাহায্য করো যে দুর্গ জয় আমাদের জন্যে সর্বাধিক ফলপ্রসূ হয়, যে দুর্গে সবচেয়ে বেশী খাদ্য-সামগ্রী ও চর্বি পাওয়া যায়।“- [ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৩২]
ইসলামের নবী তার অনুসারীদের তারপর খয়বরের ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ আক্রমনের হুকুম দেন। অস্তিত্বেব সংকট যেখানে সেখানে মড়িয়া লুটেরাদের সামনে দাঁড়ায় এমন কে আছে! ইহুদীরা মূলত কৃষিজীবী। এরা যুদ্ধে পটু নয়। ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ মুসলমানের দখলে চলে আসে। এ দুর্গের চেয়ে অধিক খাদ্যদ্রব্য এবং চর্বি খয়বরের অন্য কোন দুর্গে ছিলো না।- [ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৩২]
ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ দখলের পর মুসলমানদের নজর পড়ে যোবায়ের দূর্গের দিকে। এটি ছিল খুবই সুরক্ষিত একটি দূর্গ। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই দূর্গে উঠার পথ ছিল খুবই কষ্টকর। হযরত মুহাম্মদ এই দূর্গকে তিন দিন পর্যন্ত অবরোধ করে রাখার ঘোষণা দেন। সব যুদ্ধ, দুর্যোগ আর খারাপ সময়েই নিজেদের মধ্যের লোকজনই বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে। তেমনই একজন ইহুদী দূর্গের সমস্ত ইহুদীদের সর্বনাশ করতে এগিয়ে আসে। ইবনে হিশাম এই ইহুদীকে “হৃদয়বান” হিসেবে বর্ণনা করলেও সে ছিল আসলে একটা “রাজাকার”! সে মুহাম্মদকে যেচে গোপনে এসে বলে, “হে আবুল কাশেম, আপনি যদি একমাস যাবত দুর্গ অবরোধ করে রাখেন তবুও ইহুদীরা পরোয়া করবে না। তবে তাদের পানিয় ঝর্ণা নীচে রয়েছে। রাতের বেলা তারা এসে পানি পান করে এবং সারাদিনের প্রয়োজনীয় পানি তুলে নিয়ে যায়। আপনি যদি ওদের পানি বন্ধ করে দিতে পারেন, তবে তারা নত হবে।“ [দৃষ্টাব্দ: ঐ]
মুহাম্মদ সঙ্গে সঙ্গে ইহুদীদের পানির উৎস বন্ধ করে দেন। ইহুদীদের এরপর দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যোবায়ের দূর্গও মুসলিমদের দখলে আসলো অতি সহজে।
এরপর একে একে উবাই দূর্গও মুসলিমরা আক্রমন চালিয়েয়ে ইহুদীদের বন্দি করে তাদের সম্পত্তি গণিমতের মাল হিসেবে ডিক্রি জারি করেন। পতন হতে থাকে খয়বরের একের পর এক ইহুদীদের বসতি। কিন্তু নেজার দূর্গ নিয়ে ইহুদীদের বিশ্বাস ছিল এটা মুসলমানদের পক্ষে দথল করা নাও সম্ভব হতে পারে। এ কারণে তাদের সমস্ত নারী ও শিশুদের তারা নেজার দূর্গে সমবেত করে রেখেছিল। যথারীতি হযরত মুহাম্মদ এই দূর্গকেও অবরোধ করে রাখলেন। অবশেষে দূর্গের দেয়াল গোলা নিক্ষেপ (পাথরের চাড়) করে দেয়াল ভেঙ্গে দূর্গে মুসলিম হানাদার বাহিনী প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। এই দূর্গ জয় ছিল আসলে খয়বরের অর্ধেক জয়ের সামিল। এই মজবুত ও সুরক্ষ দূর্গের পতনের সংবাদে অন্যান্য দূর্গের ইহুদীদের মনোবল ধ্বংস হয়ে যায়। তারা রক্তপাত ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে স্বেচ্ছায় নিজেদের আত্মসমর্পনের ঘোষণা দেয়।-
[ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩১, ৩৩৬, ৩৩৭]
কোতায়বায় এসে মুহাম্মদ ১৪ দিনের অবরোধ জারি রাখেন। শেষ পর্যন্ত ইহুদীরা আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। ইহুদীদের নেতা ইবনে আবুল হাকিক হযরত মুহাম্মদের কাছে সন্ধির প্রস্তাব পাঠান। সন্ধির আলোচনা ইবনে আবুল হাকিক মুহাম্মদের কাছে পয়গাম পাঠায় যে, “আমি কি আপনার কাছে এসে কথা বলতে পারি? মুহাম্মদ বললেন, হ্যাঁ। অনুমতি পাওয়ার পর আবুল হাকিক এই শর্তে সন্ধি প্রস্তাব পেশ করে যে, দুর্গে যেসকল সৈন্য রয়েছে তাদের প্রাণ ভিক্ষা দেয়া হবে এবং তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যাও তাদের কাছেই থাকবে। অর্থাৎ তারা মুসলমানদের দাস-দাসী হিসেবে বন্দী থাকবে না। তারা নিজেদের অর্থ-সম্পদ সোনা-রূপা, জায়গা-জমি, ঘোড়া, বর্ম ইত্যাদি সব কিছু আল্লাহর রসূলের কাছে অর্পণ করবে, শুধু পরিধানের পোশাক নিয়ে বেরিয়ে যাবে।– [আবু দাউদ, ২য় খণ্ড, খয়বর প্রসঙ্গ। পৃ. ৭৬]
সব শুনে মুহাম্মদ জানালেন যদি তারা কিছু লুকায় (সোনাদানা) তবে সে জন্য তার আল্লাহ ও রসূল দায়ী হবেন না। অর্থ্যাৎ যদি তারা যাওয়ার সময় লুকিয়ে সঙ্গে কিছু নেয় তো তাদের কপালে খারাপি আছে! নিজের সয়সম্পত্তিকে কেউ চুরি করে না। আত্মসাৎও করে না। তবে কথিত “সন্ধির” শর্ত লঙ্ঘন হয়। আবুল হাকিকের উপর অভিযোগ উঠে সে তাদের সোনাদানা কোথাও মাটিতে পুঁতে গোপন করে রেখেছে। মুসলমানদের সর্দার মুহাম্মদের কাছে আবুল হাকিকে আনা হয়। জানতে চাওয়া হয় সোনাদানা সব কোথায়? অবিকল যেন ৭১ সালের পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর কোন মেজর একটা অসহায় বাঙালী পরিবারকে দোনাদানা কোথায় লুকিয়ে রেখেছে জানতে চাইছে। আবুল হাকিক খুবই বজ্জাত। আল্লার রসূলের মুখের সামনে মিথ্যা কথা বলে। আল্লার নবী তার সাহাবীদের হুকুম দিলেন, যতক্ষণ সে স্বীকার না করবে ততক্ষণ তার বুকে চকমকি পাথর ঘষতে থাকবে!- [দেখুন: ইবনে হিশাম]
এখানেও এক “ইহুদী রাজাকার” ছিল। সে এসে জানালো আবুল হাকিক কোথায় মাটিতে সোনাদানা রেখেছে সে দেখেছে। সঙ্গে সঙ্গে মুহাম্মদ হুকুম দিলেন খনন করতে। পাওয়া গেলো গচ্ছিত সম্পদ। আবুল হাকিককে আরো বেশি নির্যাতন বাড়ানো হলো যাতে সে অবিশিষ্ট সম্পত্তির কথা জানায়। কিন্তু পাষন্ড ইহুদীটা দুনিয়াবী সম্পত্তির প্রতি এতটাই লোভী ছিল যে শেষ পর্যন্ত মুখ খুলল না। অগত্যা আল্লাহ’র নবীর আর কি করার থাকে? তাকে শেষ পর্যন্ত হত্যা করা হয়। আবুল হাকিক দুই পুত্রকেও সম্পত্তি গোপন করায় হত্যা করা হয়।
খয়বর বিখ্যাত আরো একটি কারণে। সে সাফিয়া। দূর্গ দখলের পর ইহুদী নারী ও শিশুদের নিয়তি ছিল গণিমতের মাল হয়ে উঠা। তাদেরকে ভাগটোগ করার পর শেষে দাস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে দেয়া হবে। কিন্তু সাফিয়া ছিলেন অনন্য সুন্দরী। মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন সেদিনই। ইবনে হিশামে উল্লেখ আছে, তাদের বাসরঘরের বাইরে একজন সাহাবী সারারাত জেগে তাঁবু পাহাড়া দিচ্ছিলেন কারণ সাফিয়া যাতে তার বাবা-স্বামীর হত্যাকারী মুহাম্মদকে আক্রোশ বশত হত্যা না করে বসে।
[সাফিয়ার বিয়ে সম্পর্কে দেখুন: সহীহ বোখারী, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৪ যাদুল মায়াদ ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭]
খয়বর থেকে মুহাম্মদ সমস্ত ইহুদীদের উচ্ছেদ করতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু ইহুদের একটা প্রস্তাবে সে ইচ্ছা থেকে সাময়িক সরে আসেন। আরবরা কৃষিকাজ করেনি কোন কালেই। খয়বরে উর্বর জমি থেকে ইহুদীরা ফসল ফলায়। মুসলিমরা যদি বসে বসে তার অর্ধেক ভাগ পায় তো সোনায় সোহাগা! ইহুদীদের নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়ার খবর শুনে ইহুদীরা মুহাম্মদের কাছে প্রস্তাব দেয়- “হে মোহাম্মদ আপনি আমাদের এই যমিনেই থাকতে দিন আমরা এর তত্ত্বাবধান করবো। এই ভূখণ্ড সম্পর্কে আমরা আপনাদের চেয়ে বেশী অবগত।“ মুহাম্মদ একদম লুফে নেন প্রস্তাব। ইহুদীদের জমি ইহুদীদের কাছেই বর্গা দেয়া হলো! ইহুদীরা ফসল ফলাবে যার অর্ধেক মুসলিমরা ভোগ করবে! তবে এটা যতদিন মুহাম্মদ চাইবেন ততদিনই চলবে। যদি মুহাম্মদ চান ইহুদীদের বহিস্কার করবেন তো যখন খুশি তখনই করতে পারবেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহাকে খয়বরের জমির তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করা হয়। খয়বরের মোট জমির ৩৬ ভাগে ভাগ করা হয়।-
[যাদুল মায়দ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭-১৩৮]
খয়বর দখল করার পূর্বে মুসলমানরা পেট ভরে খেতেও পারত না। আল্লাহ মেহেরবান! ইহুদীদের সম্পদ, তাদের বাগান, শষ্য, ঘরের বউ-ঝিদেরকে দিয়ে মুসলমানদের বুভুক্ষু উদর ভরিয়ে দিয়েছেন। হযরত আয়শা (রা) বলেন, খয়বর বিজয়ের পর আমরা বলাবলি করলাম যে, এখন থেকে আমরা পেটভরে খেজুর খেতে পারবো।[সহীহ বোখারী, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৬০৯]
কিন্তু খয়বর মুসলমানদের পেট ভরে খেতে দিলেও মুহাম্মদের জন্য দুর্ভাগ্য বয়ে এনেছি খয়বর বিজয় শেষে। সালাম ইবনে মুশকিম এর স্ত্রী যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের কাছে একটি বকরির ভুনা মাংস উপঢৌকন হিসেবে পাঠান। যয়নব বিনতে হারেছ নামের এই ইহুদী বৃদ্ধা নারী আসলে তার পুত্র ও স্বামী হত্যাকারী হযরত মুহাম্মদকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। মনে মনে আরো ভেবেছিলেন যদি এই লোক রাজা হয়ে থাকে তো এর হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। আর যদি সত্যিই সে নবী হয় তো খাওয়ার আগেই সে জেনে যাবে মাংসে বিষ মাখানো রয়েছে…। যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের প্রিয় বকরির ভুনা মাংসে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। মুহাম্মদ মাংস নিয়ে মুখে দিলেন। খেতে খেতে বুঝতে পারলেন মাংসে বিষ মাখানো আছে! বিষ তখন খানিকটা পাকস্থালিতে পৌছে গেছে। তার সঙ্গে খেতে বসা সাহাবী হযরত বাশার ইবনে বারা ইবনে মারুর পেটে মাংস যেতেই সে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। মুহাম্মদ থু থু করে মুখ থেকে মাংস ফেলে দেন। যয়নব বিনতে হারেছকে ডেকে আনা হলে সে সব স্বীকার করে। মুহাম্মদ তার নির্জলা স্বীকারক্তি শুনে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু অন্য একটা বর্ণনায় পাওয়া যায় যয়নব বিনতে হারেছ পরে হত্যা করা হয়েছিল বাশার ইবনের মৃত্যুর কারণে।- [ যাদুল মায়াদ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৯, ফতহুল বারী, সপ্তম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭ ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩৭]
খয়বরের এই বিষ মাখানো মাংস খেয়েই হযরত মুহাম্মদ বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চার বছর পর মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। (সহি বুখারী, খন্ড-৭, অধ্যায়-৭১, হাদিস- ৬৬৯)।
খয়বর বিখ্যাত আরো একটি কারণে। সে সাফিয়া। দূর্গ দখলের পর ইহুদী নারী ও শিশুদের নিয়তি ছিল গণিমতের মাল হয়ে উঠা। তাদেরকে ভাগটোগ করার পর শেষে দাস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে দেয়া হবে। কিন্তু সাফিয়া ছিলেন অনন্য সুন্দরী। মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন সেদিনই। ইবনে হিশামে উল্লেখ আছে, তাদের বাসরঘরের বাইরে একজন সাহাবী সারারাত জেগে তাঁবু পাহাড়া দিচ্ছিলেন কারণ সাফিয়া যাতে তার বাবা-স্বামীর হত্যাকারী মুহাম্মদকে আক্রোশ বশত হত্যা না করে বসে।
[সাফিয়ার বিয়ে সম্পর্কে দেখুন: সহীহ বোখারী, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৪ যাদুল মায়াদ ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭]
খয়বর থেকে মুহাম্মদ সমস্ত ইহুদীদের উচ্ছেদ করতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু ইহুদের একটা প্রস্তাবে সে ইচ্ছা থেকে সাময়িক সরে আসেন। আরবরা কৃষিকাজ করেনি কোন কালেই। খয়বরে উর্বর জমি থেকে ইহুদীরা ফসল ফলায়। মুসলিমরা যদি বসে বসে তার অর্ধেক ভাগ পায় তো সোনায় সোহাগা! ইহুদীদের নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়ার খবর শুনে ইহুদীরা মুহাম্মদের কাছে প্রস্তাব দেয়- “হে মোহাম্মদ আপনি আমাদের এই যমিনেই থাকতে দিন আমরা এর তত্ত্বাবধান করবো। এই ভূখণ্ড সম্পর্কে আমরা আপনাদের চেয়ে বেশী অবগত।“ মুহাম্মদ একদম লুফে নেন প্রস্তাব। ইহুদীদের জমি ইহুদীদের কাছেই বর্গা দেয়া হলো! ইহুদীরা ফসল ফলাবে যার অর্ধেক মুসলিমরা ভোগ করবে! তবে এটা যতদিন মুহাম্মদ চাইবেন ততদিনই চলবে। যদি মুহাম্মদ চান ইহুদীদের বহিস্কার করবেন তো যখন খুশি তখনই করতে পারবেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহাকে খয়বরের জমির তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করা হয়। খয়বরের মোট জমির ৩৬ ভাগে ভাগ করা হয়।-
[যাদুল মায়দ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭-১৩৮]
খয়বর দখল করার পূর্বে মুসলমানরা পেট ভরে খেতেও পারত না। আল্লাহ মেহেরবান! ইহুদীদের সম্পদ, তাদের বাগান, শষ্য, ঘরের বউ-ঝিদেরকে দিয়ে মুসলমানদের বুভুক্ষু উদর ভরিয়ে দিয়েছেন। হযরত আয়শা (রা) বলেন, খয়বর বিজয়ের পর আমরা বলাবলি করলাম যে, এখন থেকে আমরা পেটভরে খেজুর খেতে পারবো।[সহীহ বোখারী, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৬০৯]
কিন্তু খয়বর মুসলমানদের পেট ভরে খেতে দিলেও মুহাম্মদের জন্য দুর্ভাগ্য বয়ে এনেছি খয়বর বিজয় শেষে। সালাম ইবনে মুশকিম এর স্ত্রী যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের কাছে একটি বকরির ভুনা মাংস উপঢৌকন হিসেবে পাঠান। যয়নব বিনতে হারেছ নামের এই ইহুদী বৃদ্ধা নারী আসলে তার পুত্র ও স্বামী হত্যাকারী হযরত মুহাম্মদকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। মনে মনে আরো ভেবেছিলেন যদি এই লোক রাজা হয়ে থাকে তো এর হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। আর যদি সত্যিই সে নবী হয় তো খাওয়ার আগেই সে জেনে যাবে মাংসে বিষ মাখানো রয়েছে…। যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের প্রিয় বকরির ভুনা মাংসে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। মুহাম্মদ মাংস নিয়ে মুখে দিলেন। খেতে খেতে বুঝতে পারলেন মাংসে বিষ মাখানো আছে! বিষ তখন খানিকটা পাকস্থালিতে পৌছে গেছে। তার সঙ্গে খেতে বসা সাহাবী হযরত বাশার ইবনে বারা ইবনে মারুর পেটে মাংস যেতেই সে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। মুহাম্মদ থু থু করে মুখ থেকে মাংস ফেলে দেন। যয়নব বিনতে হারেছকে ডেকে আনা হলে সে সব স্বীকার করে। মুহাম্মদ তার নির্জলা স্বীকারক্তি শুনে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু অন্য একটা বর্ণনায় পাওয়া যায় যয়নব বিনতে হারেছ পরে হত্যা করা হয়েছিল বাশার ইবনের মৃত্যুর কারণে।- [ যাদুল মায়াদ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৯, ফতহুল বারী, সপ্তম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭ ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩৭]
খয়বরের এই বিষ মাখানো মাংস খেয়েই হযরত মুহাম্মদ বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চার বছর পর মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। (সহি বুখারী, খন্ড-৭, অধ্যায়-৭১, হাদিস- ৬৬৯)।
Sunday, 7 February 2016
ভারতীয় সংবিধানের ধারা ৩৭০
দয়া করে ভারতীয় সংবিধানের ধারা ৩৭০ টি পড়ুন আর মোদী সরকারের প্রয়োজনীতা কেন তা বুঝুন। দেখুন আমাদের দেশের কি দুর্দশা ।
১. জম্মু কাশ্মীরের নাগরিকদের ক্ষেত্রে দুদেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার অধিকার আছে।
২. জম্মুকাশ্মীরের জাতীয়পতাকা আলাদা।
৩. জম্মুকাশ্মীরের বিধানসভার কার্যকাল ৬ বছরের যেখানে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভার কার্যকাল ৫ বছরের।
৪. জম্মুকাশ্মীরে ভারতীয় জাতীয় পতাকা অথবা জাতীয় প্রতীকের অপমান অপরাধ হয় না।
৫. ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের আদেশ জম্মুকাশ্মীরের ভিতর কার্যকর হয় না।
৬. ভারতীয় সংসদ জম্মুকাশ্মীরের ব্যাপারে খুবই সীমিত ক্ষেত্রে আইনকানুন তৈরি করতে পারে।
৭. জম্মুকাশ্মীরের কোনো মহিলা যদি কোনো ভারতীয় ব্যক্তির
সাথে বিবাহ করে তাহলে ঐ মহিলার জম্মুকাশ্মীরের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যায়।কিন্তু কোনো জম্মুকাশ্মীরের
মহিলা যদি কোনো পাকিস্তানী ব্যক্তির সাথে বিবাহ করে তাহলে ঐ মহিলা জম্মুকাশ্মীরের নাগরিকত্ব বাতিল হয় না উপরন্তু ঐ পাকিস্তানী ব্যক্তি জম্মু কাশ্মীরের নাগরিকত্ব পেয়ে যায়।
৮. ধারা ৩৭০-এর জন্য কাশ্মীরে ড়টী অ্যাক্ট কার্যকরী হয় না,ছাগ কার্যকর হয় না এমনকি ভারতের কোনো অাইন কার্যকর হয় না।
৯. কাশ্মীরে মহিলাদের উপর শরিয়ত আইন জারি অাছে।
১০. কাশ্মীরে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা নেই।
১১. কাশ্মীরে পিয়নদের ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়।
১২. কাশ্মীরে সংখ্যালঘুদের(হিন্দু-শিখ) ১৬% আরক্ষণ দেওয়া হয় না।
১৩. ধারা ৩৭০-এর জন্য কাশ্মীরের বাইরের কোনো ব্যক্তি জমিজায়গা কিনতে পারবে না।
১৪. ধারা ৩৭০-এর জন্য পাকিস্তানিরাও ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়ে যায় এবং এর জন্য শুধুমাত্র কাশ্মীরের কোনো মহিলাকে বিয়ে করতে হয়।
হিন্দু নিধনে আইএসের নতুন বাহিনী ‘খোরাসান’
ইসলামিক স্টেট সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তাদের পরবর্তী লক্ষ্য ভারতের হিন্দুরা। এই সন্ত্রাসী সংগঠন হাজার হাজার ইয়াজিদি, শিয়া, খ্রিস্টান মানুষকে হত্যা করেছে ইরাক এবং সিরিয়ায়। তাদের পরবর্তী টার্গেট ভারতের হিন্দুরা।
ইসলামপন্থী উগ্র সুন্নি সংগঠন ‘আইএস’ তাদের প্রকাশিত অনলাইন ম্যাগাজিন ‘দাবিক’-এ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টটি ভারতে প্রকাশ করে আইবিএন সেভেন। দাবিকের রিপোর্টে বলা হয়, ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা আবু বকর আল-বাগদাদী নতুন একটি বাহিনী গঠন করেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘খোরাসান’। এই জঙ্গি বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হল হিন্দুদের হত্যা করা, কারণ তারা গরুর পূজা করে।
ইসলামিক স্টেটের এক কামান্ডার তাদের ম্যাগাজিন দাবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ইসলামিক স্টেট চায় তাদের নতুন বাহিনীর মাধ্যমে ভারতের জম্মু এবং কাশ্মিরে ছড়িয়ে পড়তে। সেখান থেকে সমগ্র ভারতে তাদের অধিপত্য ছড়িয়ে দিতে তারা বদ্ধ পরিকর। সেইসাথে ইসলামিক স্টেট প্রস্তুতি নিচ্ছে হিন্দুদের উপর হামলার সাথে ভারতে বসবাসকারী প্রচুর সংখ্যক শিয়াদেরও কোন ছাড় দেওয়া হবে না। http://eibela.com/article/%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E2%80%98%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E2%80%99
আমি নাস্তিক্য করব... আমি সেকুলিজম ও করব।।
আমি নাস্তিক্য করব...
আমি সেকুলিজম ও করব।।
.
যদি তোমরা আমার ভাই বোনদের সটিক ও নিরাপদ বাসস্থান দেও...
.
"সেকু বাবু ও নাস্তিক বাবুদের বলতেছি"
.
এতও দিন তও এসবই সব হিন্দু করে চলেছে।
কিন্তু,
অত্যাচার কি কমেছে???
হিন্দু বেশী কিছু চায় না।
শুধু,
শান্তি পূর্ণ বাসস্থান চায়।।
কিন্তু, যাদের সাথে আমরা বাস করি তার আমাদের শান্তিতেও বাস করতে দেয় না।
.
প্রতিদিন কোথাও না কোথাও হিন্দু হত্যা ও অত্যাচার চলতেছে।।
.
তারপরও কেমন করে নিজেকে..... সেকু ও নাস্তিক বানাব বলোন???
Saturday, 6 February 2016
Rohit Vamula রোহিত ভেমুলা
কে এই রোহিত ভেমুলা ? কি তার পরিচয় ? কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন ? কেনই বা কমিউনিষ্টরা তার আত্মহত্যা নিয়ে রাজনৈতিক বাজার গরম করছে ? সবাই জানুন ও শেয়ার করে কমিউনিষ্টদের মুখে ঝামা ঘষে দিন । SFI সদষ্য রোহিত ভেমুলা বামপন্হী ছাত্র আম্দোলনের নেতা হিসেবে প্রথম সামনে আসেন যখন SFI মুম্বাই হামলার দোষী ইয়াকুব মেমনের মুক্তির জন্য আন্দোলনে নামেন । রোহিত ভেমুলার নেত্রীত্বে হায়দ্রাবাদ ইউনিভার্সিটিতেও SFI মেমনের মুক্তির জন্য আন্দোলন করেন । তখন ABVP এর এক সদস্য টুইটারে টুইট করে তাদের ঐ দেশবিরোধী আন্দোলনের সমালোচনা করেন । যার জন্য ঐ ABVP সদস্যকে হত্যার জন্য তাকে আক্রমন করে SFI এর গুন্ডারা । পরে এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রোহিত ভেমুলা সহ আরো চার জন SFI সদস্যকে হায়দ্রাবাদ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে বহিস্কার করা হয় । এই রোহিত ভেমুলা গত দুদিন আগে আত্মহত্যা করেন । আত্মহত্যার আগে তিনি এক সুইসাইড নোট লিখে যান । যাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় । ছোটবেলা থেকেই তিনি কারো ভালবাসা পান নি । তাই তিনি বহুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন । এই মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পেতেই তিনি আত্মহত্যা করেন । কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হল ভারতের বামপন্হী নেতারা তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন দেখে তারাও রোহিতের মতই মানসিক অবসাদে ভুগছে । তাই রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যা নিয়ে রাজনীতির বাজার গরম করতে ও মানুষের সহানুভুতি লাভের জন্য মনগড়া গল্প প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে I পিছিয়ে নেই কেজরীবাবুও I দিদিমণি আবার আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে তদন্ত কমিটি পাঠাচ্ছেন I বলি কি , কালিয়াচকের তদন্তটা শেষ করে নিলে হতো না !!!
Subscribe to:
Comments (Atom)




