Tuesday, 9 February 2016

ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক

ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক বেইমান রাজনীতিকদের মতদর্শকে বুকে রেখে আমার পরিবার সমাজ সংস্কৃতি ভাবাদর্শকে বির্সজন দিয়ে সেকুলার হচ্ছি না হতে পারব না । ভারতের সংবিধান ক্ষমা করবেন । আমি আপনার রক্ষার্থে সীমান্তে জীবন দিতে রাজি কিন্তু আপনার সর্বনাশে নিজেকে সেকুলারিজম এর চাকায় বলি দিতে রাজি নয় ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক বেইমান রাজনীতিকদের মতদর্শকে বুকে রেখে আমার পরিবার সমাজ সংস্কৃতি ভাবাদর্শকে বির্সজন দিয়ে সেকুলার হচ্ছি না হতে পারব না । ভারতের সংবিধান ক্ষমা করবেন । আমি আপনার রক্ষার্থে সীমান্তে জীবন দিতে রাজি কিন্তু আপনার সর্বনাশে নিজেকে সেকুলারিজম এর চাকায় বলি দিতে রাজি নয় ।

নালন্দা

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে দাঁড়িয়ে বখতিয়ার খিলজি.... এত বই কি দরকার? এতে কি আছে? কোরাণে লেখা নাই এমন কিছু কি আছে এখানে? জনৈক ব্যক্তি এগিয়ে এলেনঃ জনাব কোরাণে যা নাই, সেই সব অনেক জ্ঞানের কথা এখানে আছে৷ বখতিয়ারঃ বেয়াদপ! কোরাণে যা নাই তা কোন কাজের নয়৷ পুড়িয়ে ফেলো৷ অন্য একজন এগিয়ে এলেনঃ হুজুর কোরাণের বাইরে কি কিছু থাকতে পারে? যা কোরাণে আছে, তাই এই সব কেতাবে লেখা আছে৷ দয়া করে আগুন দেবেন না৷ বখতিয়ারঃ বেওকুফ! তাহলে কোরাণ থাকতে এত কেতাবের দরকার কি? পুড়িয়ে ফেলো৷

হুবাল – ইসলামপূর্ব আরবে কোরাইশ-পৌত্তলিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ইলাহ

হুবাল প্রাক ইসলামিক যুগের একজন উপাস্য দেবতা। মক্কা নগরীর কাবাঘরে হুবালের মূর্তি স্থাপিত ছিলো। তার মূর্তিটি মনুষ্যাকৃতির ছিলো। হুবাল অনুসারীগণ তার সামনে রক্ষিত তীরের সাহায্যে দেবতার মতামত নিত। হুবাল ইসলামপূর্ব আরবে কোরাইশ-পৌত্তলিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ইলাহ; যার অর্থ দেবতা, তবে একক নয়। যখন একক ভবে উপাস্য হতে শুরু করল, তখন থেকে ইলাহ-এর আগে আল উপসর্গ যোগ করা হয়, যার অর্থ একমাত্র। সেই থেকেই আল-লাহ বা আল্লাহ। ২) আবদুল্লাহ — নবীর পিতার নাম ছিল। আবদুল + আল্লাহ = দাস + আল্লাহ = আল্লাহর দাস। ৩) লাত, উজ্জা, মানাত — হুবাল অর্থাত আল্লাহর ৩ মেয়ে। ইশা নবীকেও এই হুবাল অর্থাত আল্লাহর সন্তান বলে ধরা হত। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পর কোরানে এসব কথাকে অস্বীকার করা হয়। ফলাফলে এখন ইশা নবীর জন্ম পরিচয় জানতে চাইলে মুসলমানরা পালানোর পথ খোঁজে। ৪) হুবালের আরেকটা পরিচয় ছিল — চন্দ্রদেবতা। তার যে মূর্তি পাওয়া যায়, তাতে দেখা যায় তার মূর্তিতে চন্দ্র খোদাই করা। সেই থেকেই ইসলামে চন্দ্র সিম্বলটা মসজিদ-মিনার-পতাকাসহ অনেক জায়গায় ব্যবহার করা হয়। সেই হুবাল/চন্দ্রদেবতাই ইসলাম পরবর্তী যুগের আল্লাহ। ৫) ৯৯ নাম — কোরান-হাদিসের বিভিন্ন জায়গায় আল্লাহকে বিভিন্ন গুণবাচক বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে। সেসব আরবিক শব্দের আগে আল, আর, আস, আজ, আন প্রভৃতি উপসর্গ যোগ করে একক অর্থে বোঝানো হয়েছে। পরে মুসলমানদের মধ্যে ওসব গুণবাচক বিশেষণগুলোই নামবাচক বিশেষ্য হিসাবে নামকরণের চল হয়। তবে উপসর্গগুলো ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কেননা সেগুলা শুধুমাত্র একক অর্থে আল্লাহর নামকরণ। ৬) ৯৯ টি বিশেষণের মধ্যে আমাদের দেশের মুসলমানরা যেসব শব্দকে নাম হিসেবে বেশি ব্যবহার করে — রহমান, রহিম, মালিক, কুদ্দুস, সালাম, মুমিন, মুহাইমিন, আজিজ, জব্বার, খালেক, বারী, গাফফার, ওয়াহাব, রাজ্জাব, ফাত্তাহ, আলিম, বাসিত, রফি, সামি, বছির, লতিফ, কবীর, হালিম, আজিম, গফুর, শাকুর, হাফিজ, মুকিত, হাসিব, জলিল, করিম, রাকিব, মুজিব, হাকিম, মজিদ, শহিদ, ওয়াকিল, মতিন, হামিদ, কাইয়ুম, ওয়াজিদ, সামাদ, আউয়াল, জহির, ওয়ালি, রউফ, ইকরাম, গণি, নাফি, নূর, হাদি, বাকি, রশিদ, সবুর ইত্যাদি। ৭) আবদুল গাফফার — গাফফার অর্থ ক্ষমাশীল। আল-গাফফার অর্থ পরম ক্ষমাশীল, অর্থাত আল্লাহ। আবদুল গাফফার হলো পরম ক্ষমাশীলের দাস…আল্লাহর দাস। ৮) আবদুল মান্নান — মান্নান মানে করুণাময়। আবদুল মান্নান মানে পরম করুণাময়ের দাস। ৯) হিন্দুধর্মে কৃষ্ণেরও খুব সম্ভবত ১০৮টি নাম আছে। একই ভাবে সেই নামের সাথে দাস লাগিয়ে কৃষ্ণদাস, ব্রজদাস, শ্যামদাস, কানাইদাস, দেবদাস, হরিদাস, বৃন্দাবনদাস ইত্যাদি নামগুলো হিন্দুদের মধ্যে প্রচলিত। ১০) এছাড়া হিন্দুদের মধ্যে পদবী হিসাবে বিভিন্ন প্রাণী-গাছপালা-বস্তুর নাম এখনো দেখা যায়। যেমন সিংহ পদবী এখনো অনেকে ব্যবহার করে। এই পদবী কিভাবে আসছে সেটা জানতে হলে আদিম কৌমসমাজের ইতিহাস জানতে হবে। সেখানে দেখা যাবে যে বিভিন্ন গোত্রের একেকটি উপাস্য দেবতা বা এরকম কোনো সিম্বল ছিল যার থেকে সেই গোত্রের লোকেরা নিজেদের পরিচয় দিত। এভাবেই বংশের সূত্রপাত। যেমন বলা হয় রাম ছিল সূর্যবংশের সন্তান। ১১) প্রাচীন মিশরীয় ধর্মের অন্যতম প্রাচীনতম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ দেবতা হোরাস। তার মূর্তিতে দেখা যায় তার মাথাটা বাজপাখীর। ধারণা করা হয় এই সিম্বল তৎকালীন একটা গোত্র থেকে এসেছে যাদের উপাস্য দেবতা ছিল বাজপাখি। এই হোরাসকে শিয়ালের মাথাওয়ালা অন্য কারো সাথে যুদ্ধাবস্থায় দেখা যায়। অর্থাত অন্য পক্ষটা ছিল শিয়াল গোত্রের। তাদেরকে মেরেই হোরাস ক্ষমতায় আসে। ১২) পৃথিবীর সবখানেই প্রায় একই ভাবে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছে। আগে পরে হলেও এই প্রক্রিয়াটা প্রায় একই। এই প্রক্রিয়ার কোন একটা পর্যায়ে সবখানেই এই গোত্র প্রথা ছিল। যেমন সবাই জানেন, তৎকালীন আরবেও অনেক গোত্র ছিল। তাদের মধ্যে হানাহানি থাকলেও ধর্মীয় ব্যাপারে সবাই এক হয়ে মিলেমিশে ধর্ম উদযাপন করত। প্রমাণ হিসাবে বলা যায়, কাবা ঘরে এদের সবার উপাস্য দেব-দেবীদের মূর্তি ছিল। এই কাবাকে ঘিরেই এদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি চলত। উৎসবের সময় এখানে সবাই সব ভেদাভেদ ভুল মিলিত হত। ১৩) আবু বকর মানে বকরির আব্বা, আবু হুরাইরা মানে বিড়ালের আব্বা। এরা নবীর কাছের লোক ছিল। খুব সম্ভবত বকরি এবং বেড়াল গোত্রের কেউ ছিল এরা। ১৪) বিশ্বাস, সিকদার, সরকার, ঠাকুর, চৌধুরী, হাওলাদার–ইত্যাদি “হিন্দু টাইটেলগুলা” এখনো এদেশের মুসলমানরা ব্যবহার করে। ১৫) মোহাম্মদ, আলি, খাদিজা, বকর, উমর, উসমান, আবদুল্লাহ, আল্লাহ–ইত্যাদি নামগুলাও “পৌত্তলিক নাম”। পৌত্তলিক ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেও এরা আগের নাম পরিবর্তন করে নাই। কারণ ভাষার কোনো ধর্ম ছিল না, নাই। https://mehedizz.wordpress.com/2015/07/05/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C6476554020


হারাম_হালালের ‬হাল-হকিকত:

‪হারাম_হালালের‬হাল-হকিকত: মোতার পর লুঙ্গির তলা দিয়া হাত ঢুকাইয়া লিঙ্গের ডগায় ঢিলা-কুলুখ চাইপা ধইরা জনসমক্ষে চল্লিশ কদম হাঁটা ইছলামে হালাল। এছাড়া ইছলামে... ● ধর্ষণ হালাল। (কোরান ৩৩:৫১) ● গণধর্ষণ হালাল। (কোরান ২৪:১৩) ● যৌনদাসী রাখা হালাল। (কোরান ৪:৩, ৪:২৪, ৫:৮৯, ২৩:৫, ৩৩:৫০, ৫৮:৩, ৭০:৩০) ● পালিতপুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করা হালাল। (কোরান ৩৩:৩৭) ● শিশুকাম হালাল। (বুখারি ৭:৬২:৮৮) ● শিশুবিবাহ হালাল। (কোরান ৬৫:৪) ● শিরশ্ছেদ হালাল। (কোরান ৪৭:৪, ৮:১২) ● চুরি-ডাকাতি-লুটতরাজ হালাল। (কোরান ৮:১, ৮:৫, তফসির পড়ুন) ● মিথ্যাচার হালাল। (কোরান ৩:২৮, ১৬:১০৬) ● পুরুষের চার বিয়ে হালাল। (কোরান ৪:৩) ● স্ত্রীপ্রহার হালাল। (কোরান ৪:৩৪) ● কোনও কারণ ছাড়াই কুকরহত্যা হালাল। (বুখারি ৪:৫৪:৫৪০) ● ইসলামত্যাগীদের কতল করা হালাল। (কোরান ২:২১৭, ৪:৮৯) ● আত্মীয়দের দোজখবাসের অভিশাপ দেয়া হালাল। (কোরান ১১১) ● অমুছলিমদের শুয়োর ও বাঁদর বলে গালি দেয়া হালাল। (কোরান ২:৬৫, ২:৬৭, ৫:৬০) ● কেউ স্রেফ আপমান করলে তাকে খুন করা হালাল। (কোরান ৩৩:৫৭-৬১) ● সন্ত্রাসবাদ হালাল। (কোরান ৮:১২, ৮:৫৯-৬১) ● অন্য সব ধর্মকে ঘৃণা করা হালাল। (কোরান ৩:৮৫) ● তুচ্ছতম চুরির অপরাধে হাত কেটে ফেলা হালাল। (কোরান ৫:৩৮) ... তবে ভালোবাসার মানুষকে প্রকাশ্যে চুম্বন করা হারাম . ■ ধর্মকারী লিংক: কমেন্ট বক্সে http://www.dhormockery.com/2016/02/blog-post_99.html?m=1

কমরেড দের ব্যাপার স্যাপার

★কমরেড দের ব্যাপার স্যাপার★ কদিন ধরেই দেখছি বাম, অতিবাম এরা হঠাৎ করেই খুব সক্রিয় হয়ে পড়েছে নিজেদের সেকুলারত্ব প্রমাণ করতে। আর তার ধকল সহ্য করতে হচ্ছে পুরো হিন্দু দের। কখনো প্রকাশ্য রাস্তায়, টিভি ক্যামেরার সামনে, সকলকে দেখিয়ে দেখিয়ে গরুর মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খায় (শকুনও লজ্জা পাবে) আর তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে। আবার কখনো হায়দ্রাবাদের কলেজ ছাত্রর আত্মহত্যার কিছুদিন পর RSS এর কলকাতার কেশব ভবনের সামনে গীতা, পৈতে পুড়িয়ে নোংরামো করে। আবার এখন বই মেলার মতো মিলন মেলায় এরা লিখে দেয়, " চলো গরু খাই"। একটি বুকস্টল এ প্রবেশদ্বারে লিখে দেয়, " গরুরা এখান দিয়ে যান"। ভালো করে ভাবুন, এরা শুধু মাত্র হিন্দুদের বারংবার অপমান করছে। আগেও করেছে ক্ষমতায় থাকতে, বিজন সেতুতে আনন্দমার্গী সন্ন্যাসীদের জীবন্ত জ্বালিয়ে দিয়ে, ওয়াটার সিনেমা র শুটিং এই রাজ্যে করার অনুমতি দিয়ে, আরো আরো অনেক ভাবে হিন্দুদের অপমানিত করে এসেছে। কিছুদিন চুপ করে এরা অপেক্ষায় ছিল সময়ের জন্য, আবার এদের দাঁত নখ নিয়ে নেমে পড়েছে হিন্দুদের ধর্মের উপর আঘাত আনতে। এর কারন একটাই, মুসলিম ভোট চাই। যেহেতু মুসলিমদের একটা বড় অংশ তৃনমূল করছে, তাই হিন্দু বিদ্বেষ দিয়ে, তাদের কাছে টানার এক ভয়ংকর খেলায় নেমেছে এই বামেরা। কারন তারা জানে, আমরা মানে হিন্দুরা সব ভেড়ার জাত, কিছুই বলবো না। ভাববো এরা তো বিজেপি আরএসএস কে দেখাচ্ছে, তাই না..? না, না ভুল হচ্ছে, পার্টি বা সঙ্ঘ তো পরে, আগে হিন্দুত্ব। সেই হিন্দুত্বকে অপমান করলেই মুসলিম দের পাশে পাওয়া যায় এটা এরা জানে। আমি বলছি, অনেক হয়েছে আর নয়। আর বরদাস্ত করা যাবেনা। মনে আছে ছোটবেলায় আমরা পাড়ায় কালী পূজা করতাম, সেই সময় চাঁদা তোলার মজাই ছিল খুব। সিনিয়র দের পাশে থাকা আর হইচই করা। সেসময় পাশের পাড়ার এক যুব ডাক সাইটে নেতার কাছে চাঁদা নিতে গিয়ে অবাক হয়ে দেখেছিলাম, সেই কমরেড মেলায় ফটোর দোকানে বসেছিল, চাঁদা চাইতেই ও একটা কালী ঠাকুরের ফটো পায়ের তলায় ঠেকিয়ে বলেছিল,"আমি ঠাকুর ফাকুর মানিনা"। রাগে গজগজ করতে করতে সবাই ফিরে এলো।কিন্তু আমি ভুলিনি, কালীপূজার রাতে কারুর ছোঁড়া ইঁট তার মাথায় বরাবরের জন্য দাগ কেটে দেয়। আজো সে আছে,তবে আর হিন্দুদের অপমান করেনা। এখন তার স্ত্রী বেশ গদগদ ভাবেই পূজা করে (ইঁটের কি মহিমা বাবা)। তাই আপনাদের বলছি, কমরেড, যদি আপনাদের ধর্মনিরপেক্ষতা সঠিক হয় তাহলে মুসলিম কমরেডদের শুয়োরের মাংস খাওয়ান। আর লিখুন প্রকাশ্যে- "চলো শুয়োর খাই"। আর অতিবামের বাচ্চাদের বলছি, ফেজ টুপি পুড়িয়ে দেখা, আর কোরান পোড়াতে বলবোনা, কারন ওটা ধর্মগ্রন্থ (হিন্দু তো অন্যের ধর্মকেও সম্মান দিই), তোরা কোরান বাঁ হাতে তুলে, নাচিয়ে দেখা। যদি পারিস বুঝবো তোদের ধর্ম নিরপেক্ষতা যেমন খাঁটি তেমনি তোদের বাপের পরিচয় টাও খাঁটি আর নাহলে ধরে নেবো দুটোর ই ঠিক নেই। আর আমার আপনজন দের বলি, কোথাও এই বামেরা আওয়াজ দিলেই আমার দেওয়া ছবিটা পোষ্ট করে দিন, এটা ওদের জন্যই তৈরি। আর হ্যাঁ, এই পোষ্টটা যদি আপনার মনের মতো লাগে তাহলে খুব করে শেয়ার করুন। যাতে বামেরা বোঝে হিন্দুরা আর সহ্য করবেনা। খেলতে হলে ওরা এবার বরফ নিয়ে খেলুক ‪#‎ আগুন_নিয়ে_নয়‬। ভালো থাকুন। ভারত মাতা কি জয়।। রুদ্র প্রসাদ ব্যানার্জ্জী।

Monday, 8 February 2016

কাশ্মীরি পন্ডিত

১) হিন্দু কাশ্মীরি পন্ডিতদের তাদের ঘর থেকে বিতারিত করেছে মুসলমানরা | নির্দয়ভাবে হত্যা করেছে মুসলমানরা | যে হিন্দুরা এখনো পর্যন্ত ওই কাশ্মীরি পন্ডিতদের কাশ্মীরে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার ক্ষমতা রাখে না, তারা আবার সেকুলারিজমের কথা বলে | ২) পাকিস্তান সমস্ত আতঙ্কবাদের ঘাঁটি | ৫ জন পাকিস্তানি আতঙ্কবাদী ভারতে এসে শ'য়ে শ'য়ে মানুষকে খুন করে আর তোমরা শুধু কাগজি ধিক্কার জানাও | আর সেই তোমরাই সহিষ্ণুতা - অসহিষ্ণুতার তর্ক করো | ৩) মসজিদের ভিতরে এক্যবদ্ধভাবে ওরা বলে "কাফেরদের মেরে ফেলো" আর তোমরা মাইনরিটি রাইটস এর কথা বলো | ৪) কেরালা, হায়দ্রাবাদ পশ্চিমবঙ্গ, কাশ্মীর ইত্যাদি জায়গাতে ওরা পাকিস্তানি আর ISIS এর পতাকা ওড়ায়, আর তোমরা ওদের "ভারতীয় মুসলমান" বলো | ৫) সবাই জানে যখনই ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হয় বা সামান্য খেলা হয় তখন ওরা কাদের সমর্থন করে, তবুও তোমরা ওদের "দেশভক্ত" বলো | ৬) তসলিমা কে যখন পেটানো হয়, ওবেসি যখন 100 কোটি হিন্দুকে কেটে ফেলার কথা বলে তখন তোমাদের সেই অসহিষ্ণুতার জন্য অ্যাওয়ার্ড ফেরৎ দেওয়ার কথা মনে হয় না | ৭) পাকিস্তান যখন বর্ডারে তোমাদের সৈনিকদের মারে, তখন তোমরা ওদের সাথে ক্রিকেট খেলতে চাও | খেলার সাথে নাকি রাজনীতি চলে না বলো | উর্দু আর বিরিয়ানির প্রতি প্রয়োজনাতিরিক্তআসক্তি দেখাও | ৮) যখন তোমাদের হাজার হাজার মন্দির ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয় তোমরা কিছুটি করতে পারো না | কিন্তু একটা বাবরি মসজিদ ভাঙ্গাকে সেই তোমরাই "কালা দিন" বলো | ৯) ২০০২ হোক বা ১৯৯১ হোক, এগুলো সবই মুসলমানদের শুরু করা ঘটনার প্রতিক্রিয়া মাত্র | তবুও তোমরা এই প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করো আর সূত্রপাতের নয় | মুসলমানরা জন্মসুত্রে জেহাদী মনোভাবাপন্ন | তোমরা কি মনে করো ? ভারতের মুসলমানরা ISIS কে সমর্থন করে না ? ব্রিটেন বা অন্য দেশের যে মুসলমানরা ISIS এ যোগ দিয়েছে তাদেরও সুত্র খুঁজলে ভারতের যোগাযোগ পাওয়া যাবে | ১০) এটা ভেবে আমার হাঁসি পায় যে যতক্ষণ না পর্যন্ত আমার মত কোনো পাকিস্তানি এসে তোমাদের এই কথাগুলো বলছে ততক্ষণ তোমার এই সত্যিগুলো দেখেও দেখতে পাও না | Tarek Fatah https:// www.facebook.com /tarekfatah

পশ্চিমবঙ্গকে শেষ করার জন্য এরাই যথেষ্ট

****পশ্চিমবঙ্গকে শেষ করার জন্য এরাই যথেষ্ট ----- ******************* দুধ সাদা রঙের সুইফট ডিজায়ারটি হঠাত্ই নজরে আসে পুলিশ কর্মীদের। সামনে পিছনে নম্বর প্লেটের উপরে লাল রঙের ধাতব বোর্ড। সেখানে সোনালি রঙে লেখা গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া, মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স, ও.এফ.বি, কলকাতা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গাড়ি দেখে প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হবে ভাবা হয়েছিল। পরে আটকানো হয়। দেখা যায় গাড়ির কোনও বৈধ কাগজপত্র নেই। ছয় সওয়ারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সদুত্তর মেলেনি বলেও পুলিশের দাবি। এমনকী, তাঁদের মধ্যে কেউ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কাজ করেন, এমন পরিচয়পত্রও মেলেনি। এর পরেই বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ গাড়ি-সহ ওই সওয়ারিদের আটক করে। আটক যাঁদের করা হয়েছে তাঁদের বাড়ি তিলজলার তপসিয়া রোডে। নাম- সাকির আহমেদ, সালিম আখতার, শেখ ইরফান, শেখ আনসারউদ্দিন, আব্দুল আখতার এবং শেখ শাহরুখ। পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, ডব্লিউবি ০৪ জি ১১৩৭ নম্বরের ওই বাণিজ্যিক গাড়িটি কলকাতার। গাড়ির মালিকের নাম আব্দুল কাদির নওয়াজ খান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি ভাবে এখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ তারা পায়নি। তবে সংবাদ মাধ্যম থেকে খবর পেয়ে ফোর্ট উইলিয়ম কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। ওই ধাতব বোর্ডটি আসল, নাকি বাইরের কোনও জায়গা থেকে করা হয়েছে- তা-ও খতিয়ে দেখা হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে।