ভারতের তথাকথিত সেকুলারদের হিন্দু বিরোধিতা করে মোল্লাদের পা চাটার কারন কি?স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বরসতী পূজো বন্ধ করতে চায়|অথচ জংগি তৈরির কারখানা মাদ্রাসার নামে কথা বলতে ভয় পায়|একজন আখলাখ মারা গেলে পুরস্কার ফেরতের বন্যা বয়িয়ে দিতে পারে|অথচ কাশ্মির,বাংলাদেশ,পাকিস্তানের লক্ষ লক্ষ হিন্দু নির্যাতিত হলে মুখ খোলে না|
,
এরা প্রকাশ্যেই ইফতার করতে পারে|অথচ মন্দিরে পূজো দিতে লজ্জা পায়|এরা মোল্লাদের খুশি করতে মসজিদ,মাদ্রাসা নির্মান করতে পারে|অথচ মন্দির কিংবা বৈদিক বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠা করতে ভয় পায়|মোদি সরকার শ্রীমদভাগবদগীতাকে জাতীয় গ্রন্থ করার কথা বললে সাম্প্রদায়িক দল|অথচ তারা কুরানের নামে সওয়াল গেয়ে মানবতাবাদী|
,
মোদি সরকার রামায়ন,মহাভারত শ্রীমদভাগবদগীতাকে স্কুল,কলেজের পাঠ্যসূচিতে অর্ন্তভুক্ত করার কথা বললে সেগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেরুয়াকরন,হিন্দু তালিবান বৃদ্ধি পাবে বলে এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করা|কিন্তু মোল্লারা ভারতে লক্ষাধিক মাদ্রাসার মাধ্যমে ভারত তথা হিন্দু বিরোধি শিক্ষা চালিয়ে গেলে সেটা দোষের কিছু নয়|
,
এরা মোল্লাদের খুশি করার জন্য পবিত্র বেদভূমি ভারত মাতাকে ভেঙে ইসলামিক রাষ্ট্র পাকিস্তান উপহার দিতে পারে|আর খন্ডিত ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র করার কথা বললে হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক হয়| via শ্রী রথীন
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 11 February 2016
2004 সালে গুজরাট এনকাউন্টার এ মারা যাওয়া 'ইসরত জাহা'আত্মঘাতী জঙ্গি ছিল
26/11 মুম্বই হামলার অন্যতম অভিযুক্ত
"ডেভিড হেডলি" আজ কোর্টে দেওয়া তার বয়ানে জানালেন যে,,,"2004 সালে গুজরাট এনকাউন্টার এ মারা যাওয়া 'ইসরত জাহা'
আত্মঘাতী জঙ্গি ছিল"।
যাকে কংগ্রেস সরকার সহ তৎকালীন অবিজেপি দলগুলি 'শহীদ' অ্যাখ্যা দিয়েছিল।
আরও জানা যায় "তৎকালীন গুজরাত মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই তাদের টার্গেট
ছিল" ।
এবার কি বলবে কংগ্রেস সহ অবিজেপি দেশদ্রোহী দলগুলি? যারা ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে আত্নঘাতী জঙ্গিদের
"শহীদ" এর তকমা দিতে পর্যন্ত পিছপা
হয়না !
জাতীয় সুরক্ষার তোয়াক্কা না করে
তৎকালীন ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকার উল্টে নরেন্দ্র মোদী সরকারকেই "ফেক এনকাউন্টার কেসে" জড়ানোর চেষ্টা করে ।
যা এককথায় লজ্জাজনক ঘটনা।
এক বর্নও মিথ্যে নয়
.... এক বর্নও মিথ্যে নয় .....
...এতটা দৃঢ় কন্ঠে সত্যকে স্বীকার করে নেবার ক্ষমতা কোন হিন্দু ধর্ম গুরুরও আছে কি ???
...কি বলছে ইসলাম ???
..."সারা বিশ্ব দখল করে ফেলব! ইনসাল্লাহ্"। ওরা (উন্নত বিশ্ব) করবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ, আমরা করব পারমাণবিক জনবিস্ফোরণ। ওরা আমাগো লগে তালই পাইতো না। এমনেই জিত্তা নিমু দুনিয়া।"
(সবাই দেখুন এবং শেয়ার করুন...) https://z-m-video-lax3-1.xx.fbcdn.net/hvideo-xlt1/v/t42.1790-2/12708869_1033291670064896_428707859_n.mp4?efg=eyJ2ZW5jb2RlX3RhZyI6InN2ZV9zZCJ9&_nc_ad=z-m&oh=801a33e2f4584e928a720436e7ebccec&oe=56BC242F a Writankar Das
post
Wednesday, 10 February 2016
अपनी आज़ादी को हम हरगिज़ मिटा सकते नहीं सर कटा सकते हैं लेकिन सर झुका सकते नहीं
अपनी आज़ादी को हम हरगिज़ मिटा सकते नहीं
सर कटा सकते हैं लेकिन सर झुका सकते नहीं
-------------------------------
একদিকে যখন দেশের সেনা দেশের মানুষের রক্ষার্থে
নিজের জীবন দিয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে তখন JNU তে
বামপন্থী ছাত্র সংগঠন জঙ্গি অফজল গুরুকে শহিদ
বানিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ ধ্বনি তুলে সেই শহিদ
দের আত্ন বলিদান কে ব্যার্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,
এমনকি তাদের মতে এখন কাশ্মীরকে আজাদ করে দিতে হবে, আজাদ কাশ্মীর মানে কাশ্মীরকে
পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া, হ্যা ঠিকই শুনেছেন
আর শুধু এটাই না, India Go Back আর কাশ্মীর
আজাদ না হওয়া পর্যন্ত তারা ভারতের সাথে যুদ্ধ
করতেও রাজী, কোন ভারত...? যেই ভারতের সাধারন
মানুষের ট্যাক্সের পয়সায় JNU তে ছাত্র ছাত্রী দের
বিনামূল্যে পড়াশুনা করানো হয় সেই ভারত।
আর কোন কাশ্মীর এর কথা বলছে এরা..?
যেই কাশ্মীরে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় ভারতীয়
সেনা বাহিনী নিজের জীবন দিয়ে কাশ্মীরি দের
রক্ষা করে সেই কাশ্মীর...? এমনকি তখন ভারতের
মানুষের ট্যাক্স এর হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে
কাশ্মীর কে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল
সেই কাশ্মীর...? তখনতো কোনো বামপন্থী দের
দেখিনি তাদের লেভির টাকা দিয়ে কাশ্মীরি দের
সাহাজ্য করতে..?
এমনকি যারা কোনোদিনো কোনো শহিদ এর
মৃত্যু তে শোক যাপন করেনা, তারা আজ এক
জঙ্গিকে শহিদ বানাতে উঠে পড়ে লেগেছে,
যারা কোনোদিনো জঙ্গি হামলায় মৃত পরিবারের
পাশে দাঁড়ায় না, তারাই আবার জঙ্গিকে নিয়ে রাস্তায়
মিছিল করে আর দেশের নামে দুর্নাম করে।
আবার তারাই নির্লজ্জের মত নিজেদের আদর্শবাদীও
বলে, আসলে ওদের আদর্শ হল দেশদ্রোহিতা করা।
তবে এই দেশদ্রোহিতা আর বেশিদিন চলবেনা,
আমাদের ট্যাক্স এর পয়সায় দেশদ্রোহী দের পড়াশুনা
বন্ধ করতেই হবে, আর তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতেই
হবে, নাহলে খুব তাড়াতাড়ি এরা আবার দেশটা
ভাগ করে ফেলবে, আর আমরা সেটা হতে দেবনা।
Jai bhavani, har har mahadev, shivsena zindabaad, jago hindu jago
Jai bhavani, har har mahadev, shivsena zindabaad, jago hindu jago
বসিরহাট চৌমাথা থেকে ২ কিমি দুরের মমিন পুর চারদিক মুসলিম বেষ্টিত একটা হিন্দু গ্রাম। গত বুধবার একটা ভ্যানে কিছু মুসলিম বাচ্চারা মিলাত এর প্রচারে সেই গ্রামে ঢোকে। স্কুল চলার কারনে স্থানীয় এক হিন্দু ছেলে মাইক টা বন্ধ করতে বললে। ওরা চলে যায়। কিছুক্ষন পর পাশের দুটি গ্রাম দিঘিরধার ও পশ্চিম পারা থেকে জনা ৩০ মোল্লা এসে শাসিয়ে যায়। রবিবার মিলাত মিটে গেলে এর ব্যাবস্থা হবে। মমিনপুরের বাসিন্দারা ব্যাপার টা হালকা ভাবে নেয়। গত কাল অর্থাত সোমবার রাত ৮ টা নাগাদ আসে পাসের চার পাচটা গ্রামের ১০০০ খানেক মুসলিম আচমকা বোমা মারতে মারতে গ্রামে প্রবেশ করে। এলো পাথারি গুলি চালাতে থাকে, স্থানীয় আসিশ দাসের বারিতে বোমা মারে। এবং মমিন পুরের শত বছর পুরানো কালি মন্দির ধংস করতে উদ্যত হয়। থানার থেকে দুরত্ত কম হওয়ায় খবর পেয়ে এস.ডি.পিও বিরাট বাহিনী নিয়ে এলাকায় যাওয়ায় তারা মন্দির টার কোন ক্ষতি করতে পারেনি। এখন ও এলাকায় পুলিশ মোতায়ন আছে। কোন সংবাদ মাধ্যম খবর টা প্রকাস করে নি। অবাক হলেও এটা সত্যি, রাজ্যের একমাত্র তথা বসিরহাট এর বিধায়ক সমীক ভট্যাচার্য ব্যাপারটা তে নিশ্চুপ। খবর টা শোনা যাচ্ছে যদি দয়া করে যুগসংখ পত্রিকায় ফোন করে খবর টির সত্যতা যাচাই করতেন তাহলে হয়তো আবার একটি সত্য প্রকাশ পেত।
মাদ্রাসার কমনরুমে ছাত্রী ধর্ষণ, অধ্যক্ষ আটক
বগুড়ার সোনাতলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার কমনরুমে আলিম দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে অধ্যক্ষ ফজলুল করিমকে (৬২) আটক করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে মাদ্রাসার দোতলায় কমনরুমে এ ঘটনায় জনগণ অধ্যক্ষকে হাতেনাতে আটক করে। পরে তাকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধর্ষকের বিচারের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। তবে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে অধ্যক্ষ ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
জানা গেছে, সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়াতাইড় গ্রামের মৃত শরিফ উদ্দিনের ছেলে ফজলুল করিম সোনাতলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। দুর্নীতির দায়ে তিনি ১১-১২ বছর জেল ভোগ করেন। ছাড়া পেয়ে আবার মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন। চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও দু’বছরের জন্য তা বর্ধিত করা হয়েছে।
মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী জানান, তিনি উপবৃত্তির খোঁজ নিতে বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মাদ্রাসায় আসেন। অধ্যক্ষ তাকে দোতালায় কমনরুমে বিশ্রাম নিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর অধ্যক্ষ জোহরের নামাজ আদায়ের কথা বলে দোতলায় যান। তিনি কমনরুমে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
ছাত্রীর চিৎকারে মাদ্রাসার অফিস সহকারী আল-আমিন ও পিয়ন শাহ্ আলম ছুঁটে আসেন। আশপাশের লোকজন টের পেয়ে কমনরুমে এসে অধ্যক্ষকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ এসে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করে।
এদিকে দিনের বেলা মাদ্রাসায় ছাত্রী ধর্ষণের খবর জানাজানি হলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা লম্পট অধ্যক্ষের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। অধ্যক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান হাবিব সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোত্তালেব জানান, ছাত্রীকে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়ায় অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে তাকে (ছাত্রী) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। http://www.jugantor.com/online/whole-country/2016/02/10/3833
Subscribe to:
Posts (Atom)





