Monday, 9 May 2016

১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে একটাই ইমারজেন্সি নাম্বার

সারা দেশের জন্য একটাই ইমারজেন্সি নাম্বার চালু হতে চলেছে। আগামী ১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অভিন্ন নাম্বার চালু হবে। নতুন এই ইমারজেন্সি নাম্বারটি হচ্ছে ১১২। নতুন এই নাম্বারে ফোন করলেই পুলিস, অ্যাম্বুলেন্স ও দমকল বিভাগকে খবর দেওয়া যাবে। পদস্থ এক সরকারি আধিকারিক এখবর জানিয়েছেন। জানা গেছে, টেলিকম মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ জরুরি পরিষেবায় অভিন্ন নাম্বার চালুর ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক ইমারজেন্সি নাম্বারের আদলেই এদেশেও জরুরি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অভিন্ন নাম্বার চালুর কথা স্থির হয়। মার্কিন মুলুকের ৯১১-র মত এখানে ১১২ নাম্বারটি ভাবা হয়। এখন ভারতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন জরুরি নাম্বার রয়েছে। যেমন, পুলিসের জন্য ১০০, দমকল বিভাগের ক্ষেত্রে ১০১, অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়ার জন্য ১০২ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের জন্য ১০৮ নম্বরটি চালু রয়েছে। এছাড়া, শুধু ফোন নয়। জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে SMS-এর মাধ্যমেও যোগাযোগ করতে পারবে সাধারণ মানুষ। মোবাইল ফোনে থাকবে প্যানিক বাটনও। বিপদে পড়লে শুধু ওই বাটন টিপলেই পৌঁছে যাবে অ্যালার্ট। সেইসঙ্গে আপনি কোথায় রয়েছেন, তাও জেনে যাবে সিস্টেম। http://zeenews.india.com/bengali/nation/single-emergecy-number-112-will-be-operated-from-january-1_140669.html

নেতার (বিধায়ক) গাড়ি ওভারটেক করে যাওয়া-এত সাহস!!!আর এই সাহসের ফল গুলি করে হত্যা!!

নেতার (বিধায়ক) গাড়ি ওভারটেক করে যাওয়া-এত সাহস!!!আর এই সাহসের ফল গুলি করে হত্যা!! . চমকাবেন না!!এই চরম ঔধত্যের ঘটনাই ঘটেছে আমাদের মহান ভারতবর্ষের বিহারের গয়াতে।এক দ্বাদশশ্রেণীর এক ছাত্র জেডিইউ দলের নেতার গাড়ি ওভারটেক করায়-তাকে গুলি করে হত্যা করা হল।আচ্ছা নেতারা কী সত্যিই জনগনের সেবক নাকি প্রভু???

Sunday, 8 May 2016

হিন্দু নেতাদের খুন করলেই চাকরি দেবে ডি-কোম্পানি

গুজরাত দাঙ্গায় যাদের নাম উঠে এসেছিল, তাদের খুনের টার্গেট নিয়েছে ডি-কোম্পানি। হিন্দু নেতাদের মারতে পারলেও সাউথ আফ্রিকায় জুটবে ভাল চাকরি। এমন অফারও দেওয়া হয়েছে দাউদ ইব্রাহিমের তরফে। ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি করতেই এমন ধরনের অফার দিচ্চে ডি-কোম্পানি। ভারতীয় গোয়েন্দাদের হাতে এসে পৌঁছেছে এমন তথ্য। শনিবারই ডি-কোম্পানির ১০ সদস্যের মধ্যে চাজফশিট পেশ করেছে এনআইএ। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। ২০১৫ তে ডি-কোম্পানির লোকজন প্রজ্ঞেস মিস্ত্রী, শিরীষ বাঙ্গালি নামে দুই নেতাকে খুন করা হয় গুজরাতে। এই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা হয়। জেরায় তারা জানায় ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির প্রতিবাদেই এই খুন। ঘটনার তদন্ত চলাকালীন এনআইএ জানতে পারে ডি কোম্পানির পাক সদস্য জাভেদ চিকনা ও সাউথ আফ্রিকার সদস্য জাহিদ মিঞা আদতে এই দুই হিন্দু নেতাকে খুন করার পাশাপাশি আরও বড় হামলার ছক তৈরি করছিল, যাতে দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি হতে পারে। http://www.bengali.kolkata24x7.com/kill-saffron-netas-get-south-africa-jobs-said-d-company.html

বাংলাদেশীদের ভারত সম্পর্কে কি মনোভাব

¤¤¤ এই ছবিটা দিয়ে আমি আর প্রমান করতে বসিনি যে ,বাংলাদেশীদের ভারত সম্পর্কে কি মনোভাব ।সেটা আপনারা ভালো করেই জানেন।এর চেয়ে আরও জঘন্য স্ক্রীন শট আমাদের কাছে আছে , তবে কমেন্টের এই বাংলাদেশী কি বলছে সেটা দেখুন ।এ স্বীকার করছে ,,অবৈধ ভাবে বাংলায় বাংলাদেশীদের ঢুকিয়ে ,,তারা পরে এখানে আন্দোলন করবে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত করবে।এদের কথাটা একটু ভাবুন,বাচ্চারাওহাসবে।যাই হোক হাতি চললে নেড়ীরা ভৌকবেই ,,তাই নেড়ী দের পাত্তা ই দেয় না হাতির মালিক ।একই ভাবে আমরাও তাদের পাত্তা দেই না,তবে ওদের এই মনোভাবটি আমাদের নেতাদের চোখে কি পরে না ? তারা যাস্ট ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করতে ,অবৈধ বাংলাদেশীদের সমস্ত সরকারী কাগজপত্র বানিয়ে দিচ্ছে।অধিকাংশ অবৈধ বাংলাদেশীদের ভারত ও বাংলাদেশ দু দশেরই ID কার্ড আছে। ¤¤¤ তবে আজ এগুলি লিখছি বাধ্য হয়ে ।আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে ভাবার টাইম পাইনা,ওরাই মনে করিয়ে দেয় ।ওদের দুটো পেজ আবার বারাবারি করছে,তবে আমদের কিন্তু এন্টি বাংলাদেশী এক্টিভিটি গুলি করার কোন ইচ্ছাই নেই।থাকলে বর্তমানে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া অনেক টপিক আছে যেগুলি তে তাদের বেশ ভালো ভাবে পঁচানো যায়,বাট আমরা চুপ আছি।তবে ভারত নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ,,ওটা হবে না।আর বাংলাদেশী গ্রুপগুলিতে হিজরের অভাব নেই,,তারা দেখে না যে,,তাদের অবৈধ কিছু ছাগল রা কিভাবে ভারতকে অপমান করছে অহেতুক ,,আর যখন এই পেজে পাল্টা খায়,তখন গ্রুপে গ্রুপে কান্না কাটি করে ,, হায় হায় রেন্ডি মালুরা আমাগো সুনার দ্যাশরে কি কইলো,,দ্যাহেন এডমিন ভাই,,এর একটা ব্যাবস্থা হোক। LOL , পুরো পাকিদের ডুপ্লিকেট ,, ¤¤¤ অধিকাংস বাংলাদেশী চরম মৌলবাদে ব্রেইন ওয়াশ এবং পর ধর্ম বিদ্বেসী।মালু কথাটা আমি প্রথম ওদের মুখেই শুনি,কিন্তু আমরা ওদের পাল্টা যবন বলি না , কেন বলি না ??? আমরা মাত্র 17-18 কোটিই বাংলাটা বুঝি ,তাই ওদের প্রতিবাদ করি, কিন্তু আমাদের বাকি 102-101 কোটি কিন্তু জানেই না এরা কি ?? সবাই জানলে,এদের যাস্ট পিষে দেবে ,,যেমনটা টের পায় পাকিরা।অবশ্য এই ব্যাপারটা এখন সমস্ত ভারতীয়রা জানে , ICC এর পেজ গুলিতে নীচু বাংলাদেশীদের ,, ভারত ,পাকিস্থান,আফগানস্থান,শ্রীলংকাসব দেশের মানুষ গালি দেয় , এমনকি ব্রিটিশরাও। ---- তারা এত অকৃতজ্ঞ কি করে হতে পারে ?? তারা নাকি আমমাদের ফ্রী ট্রানজিট দেয় ,ভালো কথা ,,তো তোরাও তো ভারতের মাটি বিনামূল্য ব্যাবহার করিস ,সাথে নেপাল ,ভুটানের সাথে বানিজ্য করতে পারিস ।একটা বিষয় নিয়ে বাংলাদেশীরা খুব লাফায় !!! ভারতীয়রা বিদেশ থেকে যে আয় করে ,তার পঞ্চম বৃহত্তম সোর্স বাংলাদেশ , 2013-2014 চলতি বছরে মোট $3.7 বিলিয়ন মুদ্রা ভারতে আসে বাংলাদেশ থেকে।ভারত বিদেশ থেকে প্রতি বছর $72 বিলিয়ন রেমিটেন্স লাভ কর,তাতে বাংলাদেশ থেকে আসে 3.7 ।অথচ ঐ বছরেই বাংলাদেশশীরা বিদেশ থেকে আয় করে 14.5 বিলিয়ন ,অথচ এর মধ্য $6.6 বিলিয়ন মুদ্রা তারা ভারত থেকে নেয় ।তাই ভেবে দেখুন কারা বেশি টাকা নেয় ।তবে বড় ব্যাপার হলো,,যে সব ভারতীয়রা বাংলাদশে আয় করছে ,তারা অধিকাংসই পশ্চিমবঙ্গ ,ত্রিপুরা,আসামেথাকা অবৈধ বাংলাদেশীরা,,অর্থাত্ তারা নিজেদের দেশ থেকে আয় করে ভারতে চলে আসছে,আর নাম পরছে ভারতীয় দের।কয়েকদিন আগেই মোদী বাংলাদেশে গিয়ে ওদের $200 মিলিয়ন ঋণ দিয়ে আসে , আর রিলায়েন্স গ্রুপ তাদের দেশে $2 বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেছে ,,আচ্ছা এতে কাদের লাভ হল ? কাদের বেকাররা কাজ পেল??? ---- যদিও বাংলাদেশের সরকার ভারতের সাথে বন্ধুত্বই চায় ,তাই তাদের জনগন কি চাইলো ,তাতে আমার মাথা ব্যাথা নেই।ছোট বেলা থেকেই আমাদের ভূগোল বই গুলিতে প্রতিবেশী দেশ গুলি পড়ানোর সময় ,বাংলাদেশের আগে বন্ধু রাস্ট্র কথাটি অনেক ভাবে উল্লেখ থাকে।অথচ ,তাদের দেখে এখন আমার বমি ছাড়া কিছু আসে না।তারা বলে ভারত নাকি বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধ করবে ,,ভাবুন কি ফ্রাস্টেটেড জাতি এসব ভাবতে পারে,,আরে ভাই তোদের নিয়ে ভাবার টাইম নেই ,,তোদের থেকে ভারতের কাছে আফগানস্থান আর মায়ানমার অনেক গূরুত্বপূর্ন , তোরা ফালতুই নিজেদের দাম বারাচ্ছিস ।তোরা ভারতের সাথে তোদের কাল্পনিক যুদ্ধে দেখিস ,চীন তোদের বাচাতে এসেছে,,,।প্রথম কথা তোরা আর কোন দেশ পেলি না ,এমন একটা দেশের রেফারেন্স দিলি,যাদের বানিজ্য ছাড়া তোদের সাথে আর কোনও ইন্টারেস্ট নেই।আচ্ছা সে নাহয় চীন এল ,,বাট আমরা কিন্তু লুজারদের মতো অন্য রাস্ট্রকে আনবনা,,আমরা নিজেরাই নিজেদের রক্ষে করতে পারি,,আমরা পৃথিবীর চতুর্থ শক্তিশালী দেশ ,, দরকারে তোরা তো অনেক দূর,দূরবীন লাগবে ,,পাকিস্থানের মতো, চুনোপুটিদের যাস্ট পা দিয়ে পিষে মেরে দেব,কোন শব্দ হবে না।আর যদি অন্য রাস্ট্রর কথা ধরি,,তো চীন যদি আসে তো আমেরিকা ,ইজরাইল,জাপান,দক্ষিন কোরিয়া,অস্ট্রেলিয়া,ভিয়েতনাম,ফিলিপিনস এরা বুঝি তখন হিন্দিতে কেশ কর্তন করিবে ।আর ভারতের সাথে লাগতে এলে ,রাশিয়াও চীনকে এব্যাপারে না জড়াতেই বলবে।বাই দ্যা ওয়ে এত কিছু কেন ভাবছি,,,যখন চীন ভারতের যুদ্ধই হবে না ,,জানিস চীন ভারতের বিজনেস কত বড় ,,। তোরা ভাই এক কাজ কর হালকা শুশু করে শুয়ে পর। https://m.facebook.com/IndiandefenceInbengali/photos/a.109595086062101.1073741828.109367109418232/256958127992462/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7457900597

এই রকম আঁতেলগুলই বলে টেঁসটসতেরন গোড়ালিতে থাকে। তাই প্যান্টটা বিশ্ব আঁতেলের মতো করেই পরা উচিৎ।

যে সব মেয়ে এখনও নিজেকে মুসলিম পরিচয় দেন তাদের জন্য আমার লজ্জা হয়।ওরা মানুষ নামের কলঙ্ক।যে ধর্মে মেয়েদেরকে ইতরতর জীব হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সে ধর্মকে মেয়েদের উচিত ত্যাগ করে আত্মমর্যাদা সম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।একটি মেয়ে যদি কোন মতবাদে পাপী,ঘৃণ্য হিসেবে বিবেচিত হন-তার থেকে নিকৃষ্ট ধর্ম আর হতে পারে না।আমার বিশ্বাস সব মুসলিম মেয়ের চোখ একদিন খুলবেই।বোরকা দিয়ে মেয়েদেরকে শুধু শারীরিকভাবেই বন্দী করা হয় না, বরং প্রতিটি মেয়ের চিন্তা করার শক্তিকে হত্যা করা হয়।এজন্য মুসলিম মেয়েরা চিন্তা করে বুঝতেই সক্ষম হয় না, ইসলামে একজন মেয়েকে পশুর চেয়ে অধম মনে করা হয়।আমি বিশ্বাস করি,মেয়েদের সেই চিন্তা করার শক্তি জেগে উঠবে।বাবা,চাচা,ভাই,হুজুর,ইমাম জন্ম থেকেই যে ভাবে মস্তিস্ক ধোলাই করে মাথায় ঢুকিয়ে দেয়, সেটা থেকে মুক্তি পাবে একদিন সব মুসলিম মেয়ে।নিজের মানুষ পরিচয় একদিন সব মেয়ে অনুধাবন করতে পারবেই। নিচের ভিডিওটি একটু দেখুন,এই শয়তান ইসলামে মেয়েদেরকে কি জঘন্য ভাবা হয় সেটা গর্বভরে সবার মাঝে প্রচার করছে।বিশ্বের যে কোন সভ্য দেশ হলে ওকে জেলে পস্তাতে হত আজীবন। https://www.youtube.com/watch?v=pelwFkquzO0&feature=youtu.be

Saturday, 7 May 2016

ছেলেকে বিয়ে দিতে গিয়ে বিয়ে সেরে ফেললেন হাকিম সাহেব

ছেলেকে বিয়ে দিতে গিয়ে ছেলের বাবার খাম্বা সোজা হয়ে গেল, এবং তৎক্ষণাৎ বিয়ে সেরে ফেললেন হাকিম সাহেব। ছেলের চিন্তা অন্য বয়ফ্রেন্ড হওয়া দূর অস্ত, চিন্তা হবে নিজের বাপকে নিয়ে। আর লভ জিহাদের খপ্পরে যেই সব মেয়েরা পরেছিস, টর্চ নিয়ে বিছানায় যাস নইলে পস্তাবি। http://www.bengali.kolkata24x7.com/father-remarry-with-sons-sister-in-low.html

পুরুষ কর্তৃত্বের অবসান চান সৌদি নারীরা!

পুরুষ কর্তৃত্বের অবসান চান সৌদি নারীরা! http://akhonsamoy.com/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9A/