Sunday, 15 May 2016

ABP আনন্দের ঘর পর্যন্ত পোষ্টটি পৌঁছে দিন....

ABP আনন্দের ঘর পর্যন্ত পোষ্টটি পৌঁছে দিন.... হে এবিপি আনন্দের মহান সাংবাদিকগন, আপনাদের কাছে আমাদের কিছু প্রশ্ন আছে যদি আইসিসের টাকাতে আপনাদের চ্যানেল না চলে থাকে তাহলে উওরটা অবশ্যই দেবেন। কালকে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য ঘিরে আপনারা যেভাবে অশালীন অশালীন বলে চিৎকার করে নিজেদের মেকআপ নষ্ট করছেন একটা কথা বলুন তো,আপনারা শালীনতা বজায় রাখলে জাপানি তেল,রকেট ক্যাপসুল,লিঙ্গবর্দ্ধক যন্ত্র,বক্ষ ম্যাসাজ তেলের বিজ্ঞাপন দিতেন? তখন কি আপনাদের মনে থাকেনা একটা মেয়ে তার বাবার সাথে খবর দেখতেও তো পারে, তখন শালীনতার কথা কি আপনাদের মাথায় থাকে না??? আনন্দবাজার পেপারের জন্য আজকাল চটি গল্পের বই বিক্রি বন্ধ হয়েছে আপনারা কি জানেন? কারন আনন্দবাজার পত্রিকাতে নগ্ন ছবি,জাপানি তেলের বিজ্ঞাপন,রকেট ক্যাপসুলের বিজ্ঞাপন,লিঙ্গবর্দ্ধক যন্ত্রের বিজ্ঞাপন,বক্ষ সার্জারীর ছবি এমনকি সেক্স করে অর্থ উপার্জন করার বিজ্ঞাপন দিতেও ছাড়েন না আপনারা, এছাড়া একজন বিবাহিত নারীর অসুখী যৌনজীবনের গল্প ছাপাতে আপনাদের লজ্জা বোধ হয়না আপনার আবার শালীনতার কথা বলেন? আপনাদের ফেসবুকে পেজে কে কোথায় নগ্ন হল, কার লিঙ্গ কত বড়, কে কোথায় সেক্স করে এসব খবরের লিঙ্ক আসে তখন আপনাদের শালীনতা কোথায় থাকে? এবিপি আনন্দ কর্তৃপক্ষ কি জানেন না আপনাদের পেপার বাড়ীতে এলে কারও কন্যসন্তান লজ্জাতে মুখ লুকায় তখন শালীনতার কথা কি আপনাদের মনে পড়ে না? বুকের পাটা থাকলে লাইভ শো করে এর উওরটা দেবেন আর যদি না উওর দিতে পারেন তাহলে চ্যানেলের নাম বদলে যৌন আনন্দ রাখুন । Bengal BJP Supporters

রাহুল গান্ধীর ইতিহাস জ্ঞান

আশ্চর্য হতে হয় অবশ্য অন্য একটি বিষয়ে। তা হল, রাহুল গান্ধীর ইতিহাস জ্ঞান। সম্প্রতি সংসদে বিতর্কে অংশ নিয়ে রাহুল বিজেপিকে লক্ষ্য করে বলেছেন, ‘ওঁদের আছেন সাভারকর; আমাদের আছেন গান্ধী।’ রাহুলের মূল লক্ষ্যবস্তুটি অবশ্য ছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। রাহুল সম্ভবত জানেন না স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়ে সাভারকর আন্দামানে দ্বীপান্তরিত হয়েছিলেন। রাহুলের পূর্বসূরি জওহরলাল নেহরুকে অবশ্য আন্দামানের কারান্তরালে কখনও বন্দিজীবন কাটাতে হয়নি। রাহুলের জানা উচিত ছিল যে, স্বাধীনতার পূর্বে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ওয়ার্ধায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শিবির পরিদর্শন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর গান্ধীজি কিছুদিন দিল্লিতে এক হরিজন বস্তিতে বসবাস করেছিলেন। ওই সময় গান্ধীজির বৈকালিক প্রার্থনা সভাতে আরএসএস-এর স্বয়ংসেবকরা উপস্থিত থাকতেন। ওই সময় এক বৈকালিক সভায় গান্ধীজি বলেছিলেন— ‘I had visited Rashtriya Sayamsevak Sangh Camp years ago at Wardha.... I was very much impressed by their rigorous discipline, complete absence of untouchability and simplicity.’ রাহুলের জ্ঞাতার্থে এ-ও জানানো যেতে পারে যে, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি গান্ধী হত্যার পর তৎকালীন আরএসএস প্রধান এমএস গোলওয়ালকর এক শোকবার্তায় বলেছিলেন—‘Shocked at the news of cruel fatal attack and tragic loss of greatest personality. Country’s loss unbounded in these critical times. God help shoulder responsibilities grown heavier and fulfill the void caused by the loss of incomparable unifier.’ গান্ধী হত্যার পর গোলওয়ালকরের নির্দেশে শোক জ্ঞাপনের জন্য ১৩ দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এমএস গোলওয়ালকর ছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের অন্যতম শিষ্য স্বামী অখণ্ডানন্দের দীক্ষিত, অনুগামী শিষ্য। রাহুল একটু খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন তাঁর হালের বন্ধু কমিউনিস্টরা ওই সময় কী করছিলেন। By Arup Mishra

"আল-আমিন মিশন" এর ব্যাপারে শুনেছেন নিশ্চয় আপনারা?

"আল-আমিন মিশন" এর ব্যাপারে শুনেছেন নিশ্চয় আপনারা? একটা পোস্টে দেখলাম মিশনের লুঙ্গি খোলা হয়েছে, কিন্তু উনার লুঙ্গি খোল ঠিক ভাবে হয়নি, তাই এখানে আমি মিশনের ব্যাপারে কয়েকটা তথ্য যোগ করলাম, যেগুলো মূর্শিদাবাদের ধূলিয়ানে "আল-আমিন মিশন" এর একটি শাখার এগুলো ওখানকার নিয়ম কানুন। নিয়ম গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন এটা কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না শিক্ষার নামে একটি জিহাদি প্রতিষ্ঠান! - মিশন ক্যাম্পাসে হিন্দুদের সহ বাকি ধর্মালম্বীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, একমাত্র মুসলমান ছাড়া সেখানে কেউ যেতে পারবে না। মিশনে মেধাবী মুসলমান ছাড়া কেউ ভর্তি হতে পারবে না, শর্ত হল ছেলে-মেয়ে কে একেবারে মিশনের হাতে তুলে দিতে হবে, একবার ছেলে মেয়ে কে মিশনের হাতে তুলে দিলে মা-বাবার কোনো অধিকার থাকবে না, শুধু ছুটির দিনে বাড়ি যাওয়া আর ফোনে কথা বলা ছাড়া। যতদিন না পর্যন্ত ছেলে-মেয়ে কোনো প্রশাসনিক বা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার বিভাগে চাকরী পাচ্ছে তত দিন ছেলে-মেয়ের দায়িত্ব মিশনের উপর। ছেলে-মেয়েদের সরকারী চাকরী ছাড়া অন্য কোনো লাইনে যেতে দেওয়া হয় না। মিশনে ছেলে-মেয়েদের হাইফাই সুবিধা দেওয়া হয়। সব টাকা দেয় পতাকা গ্রুপ! বিড়ি, বিস্কুট, কাপড় বিক্রি ও কয়েকটি বেসরকারী নার্সিংহোম চালিয়ে ৩২টা ব্রাঞ্চ ও ৭০০০ ছাত্র ছাত্রীদের বিনা পয়সা তে পালন করে কিন্তু! এখানেও শর্ত আছে, এক ছাত্র যদি চাকরি পাই তবে সেই ছাত্র কে মিশন থেকে বেড়ানোর সময় লিখিত ভাবে লিখে নেওয়া হয়, তার চাকরির যা আয় হবে সেই আয় থেকে তাকে নতুন এক ছাত্রর সব খরচা বহন করতে হবে, যতদিন না ওই এক ছাত্র চাকরী পাচ্ছে। এখানে অন্য বিষয়ে পড়াশোনার উপর অতোটা জোড় দেওয়া হয় না, যতটা জোড় Islamic Culture শেখার উপর দেওয়া হয়। একজন মিশনের ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করবেন তাদের অন্য বিষয়ের তুলনাই কোরাণ পড়ানোর উপর কতটা জোড় দেওয়া হয়। বেশির ভাগ মিশনের ছাত্রই প্রায় অর্ধেক কোরাণ মুখস্থ থাকে। মিশনের প্রতিটি সদস্যই ঝাড়ুদার থেকে শুরু করে শিক্ষক প্রত্যেক জনে মুসলমান, মিশনে কোনো ছাত্রকে অন্য ধর্মের মানুষদের সঙ্গে মিশতে দেওয়া হয় না পর্যন্ত। মিশনের প্রত্যেকজন কে ইসলামি শরিয়াতি নিয়ম কঠোর ভাবে পালন করতে বাধ্য করা হয়, একটু নিয়ম ভঙ্গ করলে চাকরী থেকে বরখাস্ত, আর ছাত্রদের চরম প্রহার। সারাদিনে সকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পড়ানো হয়, তার মধ্যে ৫ ঘন্টা পড়ানো হয় শুধু Islamic Culture। সব বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা স্পেশাল টিচার। ক্যাম্পাসে কোনো ভারতের জাতীয় পতাকা পাবেন না, জাতীয় সঙ্গীত শুনতে পাবেন না কিন্তু মাইক লাগিয়ে ৫ ওয়াক্তা আল্লা হু আকবর দূর থেকেও শুনতে পাবেন। মিশনের প্রতি মাসে একটা করে ‪#‎ গরু‬চাই, ছাত্র-ছাত্রীদেরপেট পূজার জন্য। ছাত্র ছাত্রীরা মাসে চিকেন খেতে না পেলেও মাসে একবার করে ‪#‎ বিফ‬অবশ্যয় খাওয়ানো হয়। গরুর চামড়া শিং খুর এগুলো মুচি সম্প্রদায়ের মানুষদের বিক্রি করা হয়। - উপরে যা যা বললাম এগুলো সব মূর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে Rahmania Academy for Boys & Girls (মিশনের শাখা)এর নিয়ম কানুন, চাইলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন। আশুতোষ শিভব উরফ সমীর কুমার মন্ডল

জোর দ্বৈরথে আমেরিকা-চিন

ভারত নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (এনএসজি) জায়গা পাবে কি না, তা নিয়ে জোর দ্বৈরথে আমেরিকা-চিন। চিন বলছে, কিছুতেই এনএসজি-র সদস্য হতে দেওয়া হবে না ভারতকে। এনএসজির অনেকগুলি সদস্য দেশকে চিন ভারতের বিরুদ্ধে একজোট করে ফেলেছে বলেও বেজিং দাবি করেছে। পাল্টা মুখ খুলেছে আমেরিকাও। ভারতকে এনএসজির সদস্য করতে আমেরিকা যে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে, তা বুঝিয়ে দিয়েছে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক।কম্যুনিস্ট ম্যানিফেস্টো মোস্ট রোমান্টিক ডকুমেন্ট। আর ডিক্টেটরশিপ অব প্রলেতারিয়েত এস্টাবলিশড হলে প্রলেতারিয়েত খুনী হয়ে যায়।। দেশকে টুকরো টুকরো করে দেওয়ার চক্রান্তকারী, চীনপন্থী কমরেডদের জিতিয়ে আনবেন কি না, সে দায়িত্ব আপনাদেরই।এখন মুখোশ খুলে পরেছে,কমরেড সীতারাম ইয়েচুরির বক্তব্য, পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলার মধ্যে দোষের কিছু নেই।যেকোনও যুক্তিতেই ভারতের অখণ্ডতা, ভারতের সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করা অপরাধ।রেভোলিউশ্যনরি : যিনি মার্ক্স পড়িয়াছেন ।কাউণ্টার রেভোলিউশ্যনরি : যিনি মার্ক্স পড়িয়াছেন । এবং বুঝিয়াছেন ।সেই সেকালে: "চীনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান"-সম্প্রতি : "চীনের চেয়রাম্যান আমাদের শেয়ারহোল্ডার"-কমরেড মনে পড়ছে? ৬২ সালের চিন যুদ্ধের পর আপনারা চিনের সমর্থনে মিছিল কেন করেছিলেন? চিন অরুণাচলকে নিজের ভুখণ্ড বলে দাবি করলে আপনার চুপ থাকেন কেন? চীনে মুসলিমদের দাড়ি রাখা , নামাজ পড়া , রোজা রাখা BAN করেছে সেই দেশের কমিউনিস্ট সরকার... আপনারা তো ওনাদেরই আদর্শে দীক্ষিত.!!!!৮৯ সালের শহিদমিনারের সেই দিন! সাম্প্রদায়িক বিজেপির সাথে নাস্তিক বুড়োভামেদের সেই মাখামাখি! সিপিএম নিজের বাবার শ্রাদ্ধের বাৎসরিক করতে ভুলে গেলেও বাবরীর বাৎসরিক এরা করবেই ধর্মনিরপেক্ষতারনামে!! প্রশ্ন করতে হলে কংগ্রেসকে করুণ যে... কেন রাজীব গান্ধি বাবরীর তালা খুলে দিয়েছিল পুজো করার জন্যে? কেন কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও ক্ষমতায় থেকেও সেদিন আর্মি.. বি. এস. এফ কে কাজে লাগায়নি?এবার আপনারা বলুন.. আশির দশকে বিজনসেতুতে সন্নাসীদের পুড়িয়ে মেরেছিলেন কেন? মরীচঝাপিতে হিন্দু উদ্ধাস্তুদের গুলি করে মেরেছিলেন কেন?

Saturday, 14 May 2016

মিডিয়াতে এখন শিরোনামে চলছে- যাদবপুর কান্ডে দিলীপ ঘোষের আপত্তিকর মন্তব্য

মিডিয়াতে এখন শিরোনামে চলছে- যাদবপুর কান্ডে দিলীপ ঘোষের আপত্তিকর মন্তব্য, বাংলার প্রেশ্যাগনের কাছে কিছু প্রশ্ন করছি- আচ্ছা, যখন যাদবপুরের মেয়েরা প্রকাশ্য রাস্তাতে ছেলেদের সাথে ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে চুমু খাচ্ছিল তখন ওদের শ্লীলতা কোথায় ছিল? যখন মহিলাদের ব্যবহৃত স্যানিটারী ন্যাপকিন,যেটা মেয়েরা পুরুষদের থেকে লুকিয়ে কেনে লজ্জা ঢাকাতে সেই ন্যাপকিন প্রকাশ্যে এনে প্রতিবাদ করল তখন তাদের শ্লীলতা কোথায় ছিল? যখন একজন পুরুষ মেয়েদের অর্ন্তবাস পরে মেয়েদের সাথে হাঁটতে হাঁটতে প্রতিবাদে নেমেছিল তখন তাদের শ্লীলতা কোথায় ছিল? উওর আছে কি আপনাদের কাছে? যে মেয়েরা ভারতে থেকে অশালীন পোশাক পরে রাত্রি বেলাতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেয় তারা অবশ্যই বেহায়া । আসলে ভারতবর্ষে দেশপ্রেমীরা সাম্প্রদায়িক ও অসহিষ্ণুতার প্রতীক হয় আর দেশদ্রোহীরা বুদ্ধিজীবি ও সহিষ্ণুনতার প্রতীক হয় । যে বামপন্থীরা কাশ্মীরে ভারতের পতাকা জ্বলতে দেখে প্রতিবাদ করতে ভয় পায় তারা সিপিএমের লালপতাকা জ্বলতে দেখলে প্রতিবাদ করে এদের মতো দেশদ্রোহী ভারতবর্ষে আর নেই । দেশদ্রোহীতা ঢাকতে নিজেদের শরীরকে যারা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে তারা অবশ্যই বেহায়া । দিলীপ ঘোষের ভাষা কড়া সত্য তাই হজম করতে অসুবিধা হচ্ছে বামপন্থীদের । পাশে আছে দিলীপদা,কুকুরেরজন্য উপযুক্ত মুগুর আপনার কাছেই আছে ।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও এমন অনেক কিছু ঘটেছে যা নিয়ে একটু চর্চা করা প্রয়োজন

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও এমন অনেক কিছু ঘটেছে যা নিয়ে একটু চর্চা করা প্রয়োজন। সর্বত্রই শুনেছি দূর্নীতিগ্রস্ত শাসককে ক্ষমতাচ্যূত করতে প্রধান বিরোধী দল জোট বেঁধে লড়াইয়ে নেমেছে। জোট টা কার সাথে? ভারতীয় রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি দূর্নীতিগ্রস্ত ৬০ বছরের ও বেশি সময় লুণ্ঠন করে চলা কংগ্রেস নামক নেহরু-গান্ধী পরিবারের মালিকানাধীন একটি দলের সাথে! ছিঃ ছিঃ ছিঃ এত অধঃপতন! দ্বিতীয় অভিযোগ, উন্নয়নের অর্থ ঢুকেছে নেতামন্ত্রীর পকেটে। যথার্থ অভিযোগ, কিন্তু তার জন্য ৩৪ বছর ধরে বাংলার পরিকাঠামোকে ধ্বংস করে দেওয়া নেতিবাচক রাজনীতি করা দলটিকে মানুষ সমর্থক কেন করবে? যাদের আমলে রাজ্যের অর্থ আলিমুদ্দিন হয়ে সুশৃঙ্খল উপায়ে ছড়িয়ে পড়ত প্রান্তিক ক্যাডার পর্যন্ত। কেন্দ্রের দেওয়া কোটি কোটি টাকা ফিরে যেত বছর শেষে। গত কয়েক বছরে অন্তত গ্রামের রাস্তা গুলি হয়েছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, নতুন স্কুল কলেজ আইটিআই স্থাপিত হয়েছে। হ্যাঁ, দূর্নীতি ও হয়েছে সাথে সাথে। এবার আসি মৌলবাদ তোষনে, বর্তমান সরকারের আমলে ইসলামী মৌলবাদ আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। এর গোড়াপত্তন বামেরাই করেছিল বিপুলভাবে মাদ্রাসার অনুমোদন দিয়ে। একটা ব্যাপারে শাসক এবং বাম এক রা। যে কোন মূল্যে সংখ্যালঘু ভোট পেত হবে। একমাত্র প্রতিবাদী মুখ রাজ্য বিজেপি, সংগঠনের অভাবে যদিও তা খুব দূর্বল ভাবে। ভোটসন্ত্রাস ও রাজনৈতিক খুন বাংলার কলঙ্ক। ৭০ এর দশকে শুরু হওয়া এই ঘৃণ্য রাজনীতি বামআমলেই চরম রূপ নেয়। পরিবর্তনের পরেও তা বহাল তবিয়তে চলছে। বামেরা এলে তা আরও বাড়বে এ বিশ্বাস আমার মত অনেকেরই আছে যারা সারা বিশ্বের কমিউনিস্টদের ব্যাপারে একটু খোঁজ রাখি। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বর্তমান সরকার যা টালবাহানা করছে কঠোর ভাষায় তার নিন্দা করি। এর আশু প্রতিকার প্রয়োজন। একইভাবে নিন্দা করি তাদের ও যারা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে আইনি জটিলতা তৈরি করছেন। এরা কারা? একটু খোঁজ নিন, পরিচিত নাম পাবেন। সবশেষে আসি কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্র সরকার সম্বন্ধে কী মনোভাব পোষণ করেন তা কারো অজানা নয়। বাম সরকার এলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে নতুন করে বলার কিছু নেই। মাঝের থেকে আরো কিছু বজ্জাত রাজ্যসভায় গিয়ে কেন্দ্র সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজে বিঘ্ন ঘটাবে। সবশেষে বলি, রাজ্যের প্রকৃত উন্নয়ন এর জন্য এমন একটি সরকার দরকার য কেন্দ্র সরকারের সহযোগী হবে, সংখ্যালঘু তোষন থেকে বিরত থাকবে এবং দূর্নীতির প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেবে। মতামত ব্যক্তিগত, সিদ্ধান্ত আপনার।

হিন্দুরা শুধুই জানে ৩৩ কোটি দেবতা আছে তাদের

হিন্দুরা শুধুই জানে ৩৩ কোটি দেবতা আছে তাদের। কিন্তু কখনও তারা ৩৩ কোটি দেবতাগুলো কে কে। এটা চেনার চেষ্টাও করেনি। আজ আমার ইনবক্সে এ প্রশ্ন করেছে। দেখে আমার আনন্দ হচ্ছে, হিন্দুরা জানার চেষ্টা করছে। আমি ৩৩ কোটি দেবতার নামই তার জানার জন্য এবং যারা জানেন না তাদের জন্য লিখছি। সংস্কৃত কোটি শব্দের বাংলা অর্থ প্রকার। ৩৩কোটি অর্থাৎ ৩৩ প্রকারের দেবতা হিন্দুদের। চলুন তাদের নামগুলো জেনে নিই। শতপথ ব্রাহ্মণে (১৪/৫)যাজ্ঞবল্ক্য ঋষি শাকল্য বলছেন : অষ্টবসু ১.অগ্নি ২.পৃথিবী ৩.বায়ু ৪.অন্তরীক্ষ ৫. দ্যৌঃ ৬.আদিত্য ৭.চন্দ্র ৮.নক্ষত্র একাদশ রুদ্র : ৯.প্রাণ ১০.অপান ১১.ব্যান ১২.সমান ১৩.উদান ১৪.নাগ ১৫.কুর্ম ১৬.কৃকর ১৭.দেবদত্ত ১৮.ধনঞ্জয় ১৯.জীবাত্মা দ্বাদশ আদিত্য : ১২মাসকে এক সাথে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয় তাহলে ১৯+১২=৩১জন ৩২.ইন্দ্র অর্থাৎ বিদ্যুৎ এবং ৩৩.প্রজাপতি বা শুভকর্ম মিত্রগণ, এর পর আশা করে সবাই ৩৩ দেবতার নাম এক নিমিষেই বলতে পারবেন। সকলের কল্যান হোক।