আর এস এস এর বিরুদ্ধে অনেকের অনেক অভিযোগ , অনেক রাগ। আর এস এস শুধু শাখা চালানো আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ করা ছাড়া নাকি হিন্দুদের জন্য কিছুই করে নি বা করে না । হিন্দুদের বিপদে নাকি আর এস এস পাশে দাঁড়ায় না । এর সত্যতা কতটা ?
আর এস এস কে যে সব হিন্দুত্ব বাদীরা দিন রাত উঠতে বসতে গালাগালি করেন তাদের পায়ের নীচের মাটি কিন্তু সেই আর এস এসের দৌলতেই, মানে এদের হিন্দুত্ববাদের হাতেখড়ি হয়েছে কিন্তু সেই আর এস এস এর শাখায় গিয়েই , যশ, খ্যাতি সব ।
আর এস এস দেশের জন্য, হিন্দুদের বা হিন্দু সমাজের জন্য কি করেছে বা করছে বা আর এস এস এর অবদানকে যারা অস্বীকার করছে তারা শুধু অকৃতজ্ঞ তাই নয়, কিছু ক্ষেত্রে এরা কৃতঘ্নও ।
আজ সারা ভারতে হিন্দুত্বের যে জাগরন আমরা দেখছি তা কিন্তু আর এস এস এর দৌলতেই , দলছুট স্বার্থান্বেষী কিছু ধান্দাবাজেদের জন্য নয় I আর এস এস এর বিরাট কর্মকান্ডের খোঁজ যারা রাখেন তাদেরকে নতুন করে কিছু বলার নেই I
আর এস এস এর দৌলতেই আজ আমরা একটা হিন্দুত্ববাদি দল পেয়েছি , সরকার পেয়েছি, মোদি পেয়েছি । দেশে এমন দিন আসতে চোলেছে যখন হিন্দুদের অস্বীকার করে কোনো দলই ক্ষমতায় আসতে পারবে না এবং তার কৃতিত্ব কিন্তু আর এস এস এর, ধান্দাবাজদের না ।আর এস এস না থাকলে দেশ এতদিনে টুকরো টকরো হোয়ে যেত I
আর এস এস এর ছাতার বাইরে দেশ বা হিন্দুদের জন্য যারা যারা কাজ করছেন সবাই ধান্দাবাজ তা কিন্তু আমি বলছি না ।
→ সব্যসাচী চক্রবর্তী।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 19 May 2016
...বাঙ্গালী হিন্দু কে বা কারা ???
...বাঙ্গালী হিন্দু কে বা কারা ???
...বাঙ্গালী হিন্দু হলো এমন একটি জাতি যারা দুটাকা কেজি দরের চালের জন্য লাদেনকেও ভোট দিয়ে দিতে পারে।...বাঙ্গালী হিন্দু হল এমন একটা জাতি যারা কেঁচো সারের টাকার জন্যে বাগদাদির-ও যৌনদাসী হতে পারে।...বাঙ্গালী হিন্দু হল এমন একটা জাতি যারা ক্লাবে ক্লাবে মদ মাংসের টাকা পেতে মাসুদ আজাহারের-ও গোলামি করতে পারে।...বাঙ্গালী হিন্দু হল এমন জাতি যারা সাইকেল জুতা পেতে মোল্লাদের জুতাও মাথায় নিতে রাজী।...বাঙালী হিন্দু হল এমন একটা জাতি যারা টাকার বিনিময়ে চাকরি পেতে তাদেরও নেতা বানাতে পারে, যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে।
ধন্যবাদান্তে : বোকা রাজকুমার
Wednesday, 18 May 2016
কিভাবে হিন্দুরা ভারতে ১০০০ বছরের মুসলিম শাসনেও তাদের ধর্ম টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল ???
কিভাবে হিন্দুরা ভারতে ১০০০ বছরের মুসলিম শাসনেও তাদের ধর্ম টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল ???
...আমি দেখেছি মুসলিমরা ইন্টারনেটে এই বলে বড়াই করে যে, যদি ইসলাম এতটা নির্মম হত তবে কিভাবে হিন্দুরা ভারতে ১০০০ বছর ইসলামী শাসনে তারা টিকে ছিল ? যদি ইসলাম তলোয়ারের মাধ্যমে প্রচার হত তবে সকল হিন্দুদের জোড় করে ধর্মান্তরিত করা হত এবং বর্তমানে এদেশে আর কোন হিন্দুই অবশিষ্ট থাকত না ৷ এটা প্রমান করে যে ইসলাম করুনার ধর্ম ৷
এটা এক ধরনের আল তাকিয়া ছাড়া কিছুই নয়, ইসলাম কে মহিমান্বিত করতে মিথ্যাচার করা ফরজ। হিন্দু রা কিভাবে মুসলমান আক্রমণ প্রতিহত করতো সেটা m.a. Khan. এর লেখা জিহাদ বইতে খুব সুন্দর ভাবে ঐতিহাসিক প্রমাণ সহ প্রস্তুত করেছেন, তবে খুব সাধারণ পদ্ধতি ছিলো মুসলমান আক্রমণ করলে হিন্দু রা বন জঙ্গলে পালিয়ে যেত, ভারতে এত বেশী বন জঙ্গল, পাহাড় পর্বত ছিলো যে সেখানে পালিয়ে যাওয়া লোকজন খুঁজে আনা শক্ত কাজ ছিলো।।
বন্ধুবর ঋতঙ্কর দাস আরো কিছু কারণ উল্লেখ করেছে হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষা ও সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে থেকে যাওয়ার কারন হিসেবে, তবে আর বেশিদিন সংখ্যাগরিষ্ট থাকতে হবে না, জন্মনিয়ন্ত্রণের ফলে হিন্দু রা নিজেরাই নিজেদের সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলছে।
...আমি আমার বন্ধুদের বিস্তারিতভাবে হিন্দুদের টিকে থাকার কারন বর্ণনা করছি ৷ ইসলামের বন্ধুসুলভ ব্যবহারের জন্য নয় বরং এটা সম্ভব হয়েছে হিন্দুদের প্রতিরোধের কারনে ৷ বর্বর মুসলিম দখলদাররা তাদের সর্বোত্তম চেষ্টাই করেছে কিন্তু হিন্দুদের প্রতিরোধের জন্যই এটা সম্ভব হয় নি ৷
১) সিংহ হৃদয় সাহসী পুরুষঃ
শিবাজী, ডেকানের মারাঠা নেতাবৃন্দ, রাজস্থানের মহারানা প্রতাপ, ভরতপুর ও মথুরার জাটগন, রাজপুতানার দূর্গাদাস রাঠোর, বুন্দেলখন্ডের বীর ছত্রসাল, বিজয়নগরের রাজা কৃষ্ণদেব, উত্তর ভারতের শিখ গুরুবৃন্দ, বান্দা বৈরাগী, হরিসিংহ নালওয়া, মহারাজা রঞ্জিত সিংহ এবং নাম না জানা আরো অনেকে ভারতে ইসলামী শাসন প্রতিরোধ করেছিলেন এবং হিন্দুদেরকে গন ধর্মান্তরের হাত হতে রক্ষা করেছিলেন ৷ সত্যিটা হলো মুসলিমরা কখনই পুরো ভারতকে শাসন করতে পারে নি৷ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জানা অজানা যোদ্ধাগন হিন্দুদের মধ্যে আবির্ভুত হয়েছিলেন এবং মুসলিম আক্রমনকারীদের নৃশংসতার হাত হতে হিন্দুদের রক্ষা করেছিলেন ৷
২) হিন্দুদের নৈতিক আচরনঃ
মুসলিমদের সহযোগিতা না করার হিন্দু সামাজিক অনুশাসন, এমনকি তাদেরকে ম্লেচ্ছ হিসেবে নামকরন করে মধ্যযুগে তাদের সাথে একটা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ৷ এর মাধ্যমে মূল ধারার হিন্দু সমাজে মুসলিমদেরকে একধরনের বয়কট করা হয়েছে ৷ এর কারণে সাধারন জনগনের মধ্যে ইসলামের অনুপ্রবেশ অত্যন্ত কম পর্যায়ে হয়েছে, এটিই হিন্দুদের যথাসম্ভব কম সংখ্যক ধর্মান্তরের একটি কারন ৷ মুসলমানদের নিকট হতে একটা নিরাপদ দূরত্বে রাখার জন্যই এই নীতি গৃহীত হয়েছিল ৷ মুসলিম কর্তৃক হিন্দু মন্দিরসমূহ লুন্ঠন করা এবং সেগুলোকে মসজিদে রূপান্তর করার ঘটনাও হিন্দুদের এই আচরন গ্রহন করার পিছনে আরো কারন ৷ হিন্দুদের নিকট পবিত্র হিসেবে বিবেচিত মূর্তিসমূহ ধ্বংস করা, হিন্দুদের মনোবল ভেঙ্গে তাদের দুঃখ দেয়ার জন্য তাদের সামনে হিন্দু মন্দিরসমূহ গুলি গো-রক্তে অপবিত্র করা ৷
আমরা আরো উদাহরন হিসেবে দেখাতে পারি--
মুসলিম আক্রমনকারী কর্তৃক নির্বিচারে হিন্দু মেয়েদের তুলে নিয়ে তাদের হারেম পূর্ণ করা ইত্যাদি ৷ তাই রেওয়া/ ঝাঁসি ও গুজরাট অঞ্চলে যখন মুসলিম আক্রমন হয় তখন চিৎপাওন ব্রাহ্মনরা উত্তর ভারত থেকে শিবাজির রাজ্য মহারাষ্ট্রে স্থানান্তরিত/ আগমন করেন ৷ রাজপুতানাতেও বিভিন্ন সময় একই ঘটনা ঘটেছে ৷
৩) প্রয়োজনে জিজিয়া গ্রহন কিন্তু যজ্ঞোপবিত ত্যাগ না করার মানসিকতাঃ
হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরের জন্য নানারকম প্রলোভন দেখানো হত যেমন- নানা ধরনের অর্থের লোভ, উচ্চপদে চাকরীর লোভ, মুসলিম সুন্দরী নারীর লোভ কিন্তু অতি কম সংখ্যক ব্যাক্তিই এই প্রস্তাবগুলো গ্রহন করতেন ৷ বেশিরভাগ হিন্দুই ইসলামি কর (জিজিয়া) দিতেন কিন্তু হিন্দুধর্ম ত্যাগ করতেন না ৷ মুসলিম আক্রমনকারীদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার এই দ্বিতীয় দফা কৌশল হিন্দুগন কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলো ৷ এটাই তাদেরকে গণ ধর্মান্তকরণের হাত থেকে রক্ষা করেছিলো ৷ আওরঙ্গজেব ইসলামে ধর্মান্তকরণ উৎসাহিত করতে প্রতি হিন্দু পুরুষের জন্য ৫ টাকা এবং হিন্দু নারীদের জন্য ২ টাকা ফতোয়ার মাধ্যমে ধার্য্য করেছিলেন ৷
৪) ভক্তিবাদ আন্দোলনঃ
তাদের সেই সময়ে বিভিন্ন সাধু ব্যাক্তিগন হিন্দুধর্মের বার্তা প্রচার করেন যেটি মুসলমানগন কর্তৃক চাপিয়ে দেয়া ব্যাথা উপশম করেছিলো ৷ তারা বিশাল সংখ্যায় বলপূর্বক ধর্মান্তরনের হাত থেকে হিন্দুদের রক্ষা করেছিলেন ৷ অধিকন্তু তারা অনেকক্ষেত্রে মুসলিম ঘরে জন্ম নেয়া অনেক লোককে হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে এনেছিলেন৷ রাসখান, হরিদাস ঠাকুর উনাদের মত অনেক ব্যাক্তি হিন্দু গুরুর শিষ্য হয়েছিলেন ৷
৫) শুদ্ধি আন্দোলনঃ
শুদ্ধি আন্দোলন বা হারিয়ে যাওয়া ভাইদের পুনরুদ্ধার আন্দোলন, এর মাধ্যমে বলপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়ে যাওয়া ভাইদের পুনরায় ফিরিয়ে আনা হতো ৷ যেমন নেতাজী পালেকর কে শিবাজী কর্তৃক ফিরিয়ে আনা, বিজয়নগর রাজ্যের হরিহর বুক্কাকে শুদ্ধিকরন করে হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনা হয়েছিলো ৷ গোভিল সুত্রে শুদ্ধি অনুষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে বর্ণনা করা আছে, এভাবেই হিন্দুরা ধর্মান্তরনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন৷
৬) চিন্তার পবিত্রতাঃ
আমরা দেখেছি বেশিরভাগ মুসলিম শাসকেরা হয় নেশাদ্রব্যে আসক্ত ছিলেন নয়ত ইন্দ্রিয় সুখের মত্ত থাকতেন ৷ যেমন বাবর বালকদের সাথে সমকামীতা পছন্দ করতেন, জাহাঙ্গীর তার হারেম পূর্ণ রাখতে সদা ব্যাস্ত থাকতেন, শাহজাহান মদ্যপান করতেন ও আফিম সেবন করতেন ৷ মুসলিম শাসকদের এ ধরনের নৈতিক আচরন সাধারন হিন্দুদের মনকে প্রভাবিত করতে ব্যার্থ হত ৷ অপরদিকে হিন্দুরা দুবেলা স্নান করে তাদের দেবতাকে আরাধনা করতেন, এটা তাদের প্রতিদিনকার ধর্মীয় দায়িত্ব ৷
প্রমাণিত! দেশ বিরোধী স্লোগান উঠেছিল জেএনইউ-তে
গত ৯ ফেব্রুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংসদে হামলাকারী জঙ্গি আফজল গুরুর সমর্থনে আয়োজিত ইভেন্টে দেশ বিরোধী স্লোগান উঠেছিল৷ এই সংক্রান্ত চারটি ভিডিওয় সেই প্রমাণ মিলেছে৷ ওই চারটি ভিডিও সত্য বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স লাইব্রেরি (সিএফএসএল)৷ গুজরাতের গান্ধীনগরের ল্যাব পরীক্ষার পর সিএফএসএল নিশ্চিত, জেএনইউ ক্যাম্পাসে দেশ বিরোধী স্লোগান উঠেছিল৷ ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আফজল গুরুকে ফাঁসি দেওয়া হয়৷ চলতি বছর ৯ ফেব্রুয়ারি আফজল গুরুকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় জেএনইউ ক্যাম্পাসে৷ ওই দিন দুই ছাত্রগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ এই ইভেন্টের বিরোধিতা করে একদল ছাত্র৷ওই দিন আফজল গুরুকে শহিদ বলে স্লোগান তোলা হয়৷ স্লোগান ওঠে আজাদ কাশ্মীরের৷ ওই দিন জেএনইউ-তে যে সকল দেশবিরোধী স্লোগান উঠেছিল, তার কয়েকটি হল-
*.পাকিস্তান জিন্দাবাদ,
*.তুম কিতনে আফজল মারোগে, ঘর ঘর সে আফজল নিকলেঙ্গে৷
*.কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, লড়কে লেঙ্গে আজাদি,
*.ভারত কি বরবাদি তক জঙ্গ রহেদি-জঙ্গ রহেগি৷
*.আফজল কি হত্যা নেহি সহেঙ্গে৷ http://www.bengali.kolkata24x7.com/nti-national-slogans-were-raised-during-pro-afzal-guru-event-at-jnu-on-february-9.html
মুক্তচিন্তার মানুষদের উপর কেনো এতো আক্রোশ?সে কি কেবলই আলেমদের দোষ?
মুক্তচিন্তার মানুষদের উপর কেনো এতো আক্রোশ ? সে কি কেবলই আলেমদের দোষ ? বলা হয় আলেমরা কোরান ও ইসলামকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়ে এ সব হিংসাত্মক ফতোয়া দিচ্ছে ও কর্মকাণ্ড করছে । যারা এ সব বলে তারা হয় ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ, না হয় ভণ্ড । ইসলাম এমন একটা ধর্ম যেখানে ভিন্ন মত ও বহুত্ববাদের স্থান নেই । ইসলাম গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষাতায় বিশ্বাস করে না । ইসলাম সমালোচনা ও বিরুদ্ধ মত সহ্য করে না । ইসলামে সহনশিলতার কোনো স্থান নেই এবং ইসলামের মতো অসহিষ্ণু ধর্ম আর একটিও নেই । বিধর্মীদের বিরুদ্ধে ইসলাম চরম শত্রুভাবাপন্ন । অনেক আয়াত আছে কোরানে যেখানে বিধর্মীদের সরাসরি আক্রমণ করতে বলেছে, আঘাত করতে ও হত্যা করতে বলেছে । বিধর্মীদের সম্পর্কে কোরান যেভাবে বিদ্বেষ, ঘৃণা ও হিংসা প্রচার করেছে তা নিজের চোখে না দেখলে অবিশ্বাস্য মনে হবে । ....
এই নিবন্ধটি গত পোরশু 'দৈনিক স্টেটসম্যান' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে অন্য শিরোনামে । যাঁরা ঐ কাগজটি রাখেন না তাঁরা এই লিংকটি ক্লিক করতে পারেন । http://giasuddinonline.blogspot.in/2015/05/blog-post.html?spref=fb
প্রচার করুন ইসলাম ও মুহাম্মদের মহিমা
((কপি করে সংগ্রহে রাখুন ও প্রচার করুন ইসলাম ও মুহাম্মদের মহিমা ))
মদিনায় মক্কার রিফিউজি মুহাম্মদ By Asif Mohiuddin
ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহাম্মদ একদিন বাপদাদার ধর্মকে অস্বীকার করে নিজেই আরেকটা নতুন ধর্মের প্রবর্তন করলেন। দাবী করতে লাগলেন তিনিই সর্বশেষ নবী, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল। তিনি মক্কার কোরাইশদেরকে বললেন, তারা যে সব দেবদেবীর পূজা করছে সেগুলো সবই মিথ্যা। দেবদেবীর কোন ক্ষমতা নাই। সেই সাথে, পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে শুরু করলেন সংগ্রাম। প্রকাশ্যে শুরু করলেন তৎকালীন ধর্মগুলোর সমালোচনা, এবং বলতে লাগলেন পুরনো পৌত্তলিক ধর্মগুলো, সেই ধর্মের ঈশ্বরেরা সবই মিথ্যা এবং বানানো। সে সময়ে এই কথাগুলো ছিল পরিষ্কার ব্লাসফেমি। তৎকালীন ধর্ম ও ঈশ্বরদের চরম অবমাননা।
মক্কার কুরাইশরা ক্ষেপে উঠলো। তাকে হত্যার পরিকল্পনা করলো। একদিন রাতে হযরত আলীকে বিছানায় শুইয়ে মুহাম্মদ হয়ে গেলেন রিফিউজি। কোথায় যাবেন কী করবেন কিছুরই ঠিক নাই। মদিনার মানুষেরা তাকে আশ্রয় দিলো। তাকে সম্মানের সাথে গ্রহণ করলো। এই ঘটনাকে বলা হয় হিজরত। মুহাম্মদ তার বেশিরভাগ সঙ্গিসাথী নিয়ে রিফিউজি হয়ে মদিনার আশ্রয়ে থেকেছেন, সেখানে তাদের ভরণ পোষণে চলেছেন। এগুলো ঐতিহাসিক সত্য, কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।
মুহাম্মদের জন্মের দুই শতাব্দী আগে ইহুদীধর্ম মদিনায় ভালভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হলেও ইহুদীরা মদিনার মরুদ্যানগুলো নিয়ন্ত্রণ করতো না। তাদের মধ্যে এক ধরণের চুক্তি ছিল, আনুগত্য এবং করের বিনিময়ে তারা সুরক্ষা পেত। দুটি বড় আরব গোত্র খাযরাজ ও আওস সে সময়ে মরূদ্যানগুলোর নিয়ন্ত্রণ করতো। মদিনার ইহুদীরা বিশেষভাবে গহনা, অস্ত্র এবং যুদ্ধের বর্ম প্রস্তুতকারক ছিল। অনেক ইহুদি গোত্র ছিল সে সময়ে, বিশেষভাবে উল্লেখ্য- বানু নাদির, বানু কাইনুকাকে, এবং বানু কোরাইজা গোত্রের কথা। সে সময়ে খুব বেশি যুদ্ধবিগ্রহ ছিল না মদিনাবাসীদের মধ্যে। ইহুদী থেকে শুরু করে অন্যান্যরা সকলেই নিজ নিজ ব্যাবসা বাণিজ্য করছিল ভালভাবে।
কিন্তু মদিনায় আসার পরেই বের হওয়া শুরু হল মুহাম্মদের আসল রূপ। যারা তাকে আশ্রয় দিয়েছিল, সে আসার সময় সাদরে তাকে গ্রহণ করেছিল, ধন সম্পদ দান করেছিল, সম্মানের সাথে বসবাস করতে দিয়েছিল, পরবর্তীতে তাদেরকেই নানা ধরণের হুমকি ধামকি দিতে শুরু করলেন তিনি। বহু ইহুদী গোত্রের সাথে যুদ্ধ শুরু করলেন, বহু ইহুদী নেতাদের জবাই করলেন। বানু কোরাইজা গোত্রের ইহুদীদের এক রাত্রে প্রায় ৮০০ পুরুষ সদস্যকে হত্যা করলেন। সেই গোত্রের সকল নারী এবং শিশুকে দাস বানালেন। যে কোন ইসলামিক স্কলারকে বানু কোরাইজা গোত্রের সাথে কী করা হয়েছিল জিজ্ঞেস করলেই জানবেন। পড়ালেখা করেও দেখতে পারেন। সেই সকল নারী এবং শিশুর কী দোষ ছিল, তা জিজ্ঞেস করলে এখনো ইসলামিক স্কলাররা বলেন, ঐসব শিশুরা বড় হলে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতো, তাই ছোট থাকতেই তাদের শিক্ষা দেয়া হয়েছে!
এভাবে একে একে দখল করতে শুরু করেছিলেন মুহাম্মদ। যেই মদিনা তাকে আশ্রয় দিয়েছিল, তাদেরকেই ব্যবহার করে ক্রমশ আক্রমণ করতে শুরু করলেন মক্কার বাণিজ্য কাফেলাগুলো। ডাকাতি করতে শুরু করলেন অন্যান্য কাফেলাও। এই ডাকাতিতে অনেক লোকজনই স্বেচ্ছায় যোগ দিতো, কারণ সে সময় ভাড়াটে যোদ্ধার কমটি ছিল না আরবে। ভাড়াটে যোদ্ধারা যুদ্ধবন্দী, যৌনদাসী, উট এবং অন্যান্য মালামালের ভাগ পাওয়ার আশায় নানা যুদ্ধে যোগ দিতো। কিন্তু সেসব দেবার পরেও মুহাম্মদ তাদের লোভ দেখাতে শুরু করেছিল, মৃত্যুর পরে ৭২ জন স্বর্গীয় বেশ্যার। কোরআন হাদিসে সে সকল বেশ্যার এমন উত্তেজক বর্ণনা দেয়া হয়েছে, সেই সব বেশ্যার স্তন, চামড়া, চুল, ঊরু এমনকি থুথুর এমন বর্ণনা দেয়া হয়েছে, সে সেসব শুনেই উত্তেজিত হয়ে যেত মুহাম্মদের জিহাদিরা। যুদ্ধে জিতলে পেত যৌনদাসী, হেরে গিয়ে মরলে স্বর্গের বেশ্যাদের পবিত্র প্রতিশ্রুতি। নারীর লোভ, নারী মাংসের লোভ, উট, গনিমতের মাল, এগুলোই ছিল সে সময়ের জিহাদের অন্যতম চালিকা শক্তি। একসময় পুরো মদিনাই তারা দখলে নিলো, রিফিউজি মুহাম্মদ পরিণত হলেন মদিনার শাসকে। এবং এরপরে ক্ষমতাশালী হবার পরে তারা আক্রমণ করলো মক্কাকে।
এই ইতিহাস পড়লে বুঝতে সমস্যা হয় না, রিফিউজি হিসেবে ঢুকে কোন সমাজকে ধ্বংস করা এবং সেখানে ইসলামের নামে বর্বরতা কায়েম করার সংস্কৃতি ইসলামের একেবারেই পুরনো। তাই অবাক হবার কিছু নেই।
Subscribe to:
Comments (Atom)


