মমতা ব্যানার্জী একই সাথে ঈশ্বর ও আল্লাহ -র নাম নিলেন। উনি কি জানেন, সিদ্দিকুল্লার মত কাটমোল্লাদের সামনে ঈশ্বরকে আল্লাহ -র শরিক বানিয়ে উনি চরম গুনাহ করলেন এবং একজন 'মুশরিক'- এ পরিণত হলেন?
সিদ্দিকুল্লারা কিন্তু একজন মহিলা মুশরিকের নেতৃত্বে পাঁচ বছর কাজ করার শপথ নিলেন! ইসলাম মোটেই একে অনুমোদন করে না। আমি জানি ওরা প্রতিদিন আল্লাহ - র কাছে এজন্য তওবা করবেন এবং বাংলাকে দারুল ইসলাম বানানোর জন্য জেহাদের প্রক্রিয়া জোর কদমে চালিয়ে যাবেন। এটাই তাদের প্রায়শ্চিত্ত। কিন্তু ভুল করেও তাদের মনের ভাব প্রকাশ্যে ব্যক্ত করবেন না। এবং মুসলিম সমাজ দাঁতে দাঁত চেপে তাদের এই স্ট্যান্ডকে সমর্থন দিয়ে যাবে তা ইসলাম অননুমোদিত হলেও। কারণ তারা জানে এইভাবেই এই বাংলায় শেষ পর্যন্ত ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে।
মুসলমান, দরিদ্র কৃষক হোক অথবা বিত্তশালী, অশিক্ষিত হোক বা আইপিএস - প্রত্যেকের আচরণ এবং চিন্তাধারা তাদের জাতিগত লক্ষ্যের অনুসারী। আর হিন্দুর সামনে জাতিগত কোন লক্ষ্য নেই। হিন্দু সমাজ একটা দিশাহারা নৌকার মত। ডুবে যাওয়া খালি সময়ের অপেক্ষা।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 28 May 2016
Thursday, 26 May 2016
নবী মোহাম্মদের মৃত্যু
নবী মোহাম্মদের মৃত্যুর মাত্র তিন মাসের মধ্যে তার প্রিয় কন্যা হযরত ফাতেমা মারা গেলেন। আসলে তাকে হত্যা করা হলো। নবীজির মৃত্যু ছিল এক বিরাট শোক। চার বছর তীব্র রোগশোক ভোগ করে নিদারুণ কষ্ট ভোগ করে নবীকে দুনিয়া ত্যাগ করতে হযেছিল। চার বছর আগে খয়বর দখলের সময় এক ইহুদী বুড়ি তার সন্তান হত্যার প্রতিশোধ নিতে মাংসে বিষ মিশিয়ে নবীর সামনে পরিবেশ করেন। সেই বিষ মাখানো মাংস ভক্ষণ করে তিনি বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন(সহি বুখারী, খন্ড-৭, অধ্যায়-৭১, হাদিস- ৬৬৯, যাদুল মায়াদ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৯, ফতহুল বারী, সপ্তম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭ ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩৭ )।
নবীজির মৃত্যুর পর খিলাফতের অন্যতম উত্তরসূরী বলে বিবেচনা করা হচ্ছিল হযরত আলীকে। অন্তত নবী কন্যা ফাতিমা ও জামাতা আলীর এতে কোন সংশয় ছিল না। কিন্তু নবীর মৃত্যুর পর গণেশ উল্টে যায়। বয়োজ্যেষ্ঠ যুক্তি দেখিয়ে আবু বকরকে আলী বিরোধীরা খলিফা (শাসক) নিযুক্ত করেন। এটি ছিল ফাতেমা ও আলীর জন্য চরম হতাশার। এমনকি নবীজির ব্যক্তিগত সম্পত্তি ‘ফদক’ (ফলের বাগান) কেড়ে নেয়া হয় ফাতেমা কাছ থেকে। এই বাগানটি আসলে ছিল হিজাজের ইহুদীদের শমরুখ দূর্গ দ্বারা সংরক্ষিত যা ইহুদীদের থেকে নবীজি দখল করেন। পরে এটি গণিমতের মাল হিসেবে নবী নিজের ভাগে নেন। ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে পরে এটি কন্যা ফাতেমাকে দান করেন নবী- এমনটাই দাবী হযরত ফাতেমার। কিন্তু সদ্য খলিফা নিযুক্ত হওয়া আবু বকর বলেন, নবীদের কোন উত্তোরাধিকার থাকে না। এই যুক্তিতে বাগানটি রাষ্ট্রয়ত্ব করে নেন আবু বকর।
খিলাফত নিয়ে আলী অনুসারী ও আবু বকর, ওমর অনুসারীদের মধ্যে চলছিল পরস্পর ঝগড়া-বিবাদ, ষড়যন্ত্র, শত্রুতা, কুরআন অবমাননার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। খলিফার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের গোপন বৈঠকের অভিযোগ তুলে এক রাতে হযরত ফাতেমার ঘরে ওমরের নেতৃত্বে আবু বককের অনুসারীরা হামলা চালালে হযরত ফাতেমা স্বামী আলীকে রক্ষা করতে দুই পক্ষের মাঝখানে এসে দাঁড়ান। হযরত ওমরের নির্দেশে তার ভৃত্য ‘কুনফুয’ তলোয়ারের বাট দিয়ে ফাতেমার তলপেটে আঘাত করলে তার গর্ভপাত হয়ে যায়। এই অসুস্থতাতেই দীর্ঘ শয্যাশায়ী থেকে মাত্র ২২ বছর বয়েসে ফাতেমা মারা যান (তালখিছুশ শাফি, ৩/১৫৬, শারহুত তাজরিদ/৩৭৬, দালায়েল উল ইমামাহ/৪৫)। সুন্নী আলেমরা হযরত ফাতেমার মৃত্যু বিষয়টি এড়িয়ে যান সব সময়। এ সম্পর্কে তাই আমাদের শিয়াদের লিখিত বইগুলো থেকে বিস্তারিত জানতে হয়। হযরত মুহাম্মদের প্রিয় স্ত্রী আয়েশা ও প্রিয়তম কন্যা ফাতেমার মধ্যে ছিল তুষের আগুনের মত চাপা কলহ। নবী কন্যা ফাতেমা ও তার স্বামী সন্তানদের বিশেষ মর্যাদা দেয়াই ছিল এই কলহের কারণ। কথিত আছে ফাতেমা মৃত্যুর পর নবীর স্ত্রীদের সকলে তাকে দেখতে গেলেও আয়েশা যাননি।
নবী পরিবারের সদস্যদের প্রতি এই নিষ্ঠুরতার ব্যাখ্যা কোনদিনই ইসলামী স্কলাররা দেননি। কেন ইসলাম কায়েম হওয়ার পর মুসলিমরাই নিজেদের মধ্যে হানাহানিতে লিপ্ত হলো, তাও প্রধান সব সাহাবীরা- এর ব্যাখ্যা কি, এসব প্রশ্নের কোন সদুত্তর কখনই পাওয়া যায়নি। মক্কা-মদিনার অলি-গলিতে যত কাফের-মুশরিকদেরআর্তনাদ তথনো বাতাসে ভেসে বেরাতো, সেদিন বুঝি তারা সকলেই অট্টহাসি দিয়েছিল! ফদক নামের ইহুদীদের ফলের বাগানটিও বার বার নবী বংশধরদের হাতছাড়া হয়ে গেছে। জবরদখল করে নিয়েছে খোদ মুসলিমরাই!
ইসলামের ইতিহাসে শান্তি শব্দটিই অনুপস্থিত। ইসলাম প্রথম থেকেই ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে এসেছে। এটি সুস্পষ্ট রাজনীতি। আর এই রাজনীতিক ষড়যন্ত্রের নির্মম শিকার হয়েছিলেন হযরত ফাতেমা। ধর্ম ও রাজনীতিকে মেশাতে গিয়ে যে বিষবৃক্ষের সৃষ্টি হয়েছিল তার প্রথম খেসারত দিতে হয়েছিল খোদ নবী তনয়াকে। এটি ছিল মুসলিমদের ধর্ম সংস্কার করার জন্য একটি শিক্ষা। কিন্তু তারা গত ১৪০০ বছর ধরে এ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করেনি।
লিখেছেন- Susupto Pathok
Wednesday, 25 May 2016
টিভিতে মুসলিম কে হিন্দুরা ঘরভাড়া দেয়নি
via - "Tukai Singha Hazari
আজকাল টিভিতে মুসলিম কে হিন্দুরা ঘরভাড়া দেয়নি এই জাতিয় শিরোনাম এ খবর এলেই মানবদরদি সেকুলারবাদিরা নিউজ আওয়ার ডিবেট এ গিয়ে হিন্দুত্ত্ববাদ,ব্রাম্ভন্যবাদ ব্যাসিং শুরু করে দেন শেষমেশ ব্যাপারটা দাঁড়ায় হিন্দু ব্যাসিং এ, ব্যাপারটি কি সত্যিই এত সরল?? একটু ব্যাখ্যা করে দেখা যাক।
ভারতে বহুভাষী জাতি ও ধর্মের লোক বসবাস করে সবাই যে অন্যদের খুব পছন্দ করে তেমনটা কিন্তু নয়, যেমন গুজরাটি হিন্দুরা নিরামিষভোজী তারা যেকোন আমিষ ভোজি হিন্দুকে বাড়ি ভাড়া দেয়না, মারোয়াড়ী রাও অনেকটা সেম, বাঙালি হিন্দু রা বিহারি হিন্দুদের বাড়িভাড়া দিতে চায় না, মজার ব্যাপার মুসলিম এলাকায় হিন্দুরাও সহজে বাড়িভাড়া বা দোকানঘর ভাড়া পায়না বিশ্বাস না হলে পার্কসার্কাস, রাজাবাজার, মালদার সুজাপুর, এইসব এলাকায় নিজে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন, আবার উচ্চবর্ন শেখ ও সৈয়দ বংশীয় মুসলিমরা নিম্নবর্ণ আনসারি(মুচি) মুসলিমদের বাড়িভাড়া দিতে চায় না এবং এই সমস্যা গুল আজকের নয় ভারতব্যাপী এই জিনিস চলে আসছে কিন্তু মিডিয়ার একটা অংশ এই ঘটনা গুলিকে নিজের টি আর পি এবং অন্য অসাধু উদ্দেশ্য এর জন্যে এমন ভাবে রিপ্রেজেন্ট করে যেন এগুল লাস্ট ২ বছরে মোদি আসার পর থেকেই হচ্ছে আগে হতনা। এবার আমার একটা ব্যাক্তিগত মত দিয় বাড়িভাড়া প্রসংগে, বুকে হাত দিয়ে বলুন তো হাওড়া স্টেশন এ বা অন্ধকার রাত্রে বাড়িফেরার সময় গোঁফ ছাঁটা বড় দাড়ি চোখে কাজল দেওয়া ছেলেটিকে দেখে আপনি কখনো ভয় পাননি?? যখন ট্যাক্সি তে করে খিদিরপুর পেরোন তখন মনে মনে ঠাকুর কে একবারো ডাকেননি যে ঠাকুর এই জায়গাটা তাড়াতাড়ি পের করে দাও??? রজ্জুতে সর্পভ্রম হল কিনা সেটা বিতর্কের বিষয় কিন্তু সর্পভ্রমে আপনি আতংকিত হন সেই আতঙ্ক টা কিন্তু ১০০% সত্যি যেহেতু আপনি টিভি দেখেন, খাগড়াগড়, ফ্রান্স, ব্রাসেলস, পাঠানকোট আপনি রোজই দেখেন এবং সব জায়গাতেই কমন ফ্যাক্টর হিসাবে গোঁফ ছাঁটা দাড়িটাই চোখে পড়ে তাই খুব একটা দোষ কাউকে দেওয়া যায় কি যে বাড়িভাড়া দিতে চাইলোনা???
Rahul Gandhi INSULTS Dalits!! Refuses to even Drink Water from Dalit Man’s Hand!!
Congress takes all measures necessary to portray itself as the party of minorities and Dalits. Even if there is no persecution of Dalit in a case, they will still portray it as one to gain Dalit votes, as they did with Rohit Vemula case. Any chance to show himself as the savior of Dalits and Rahul Gandhi is the first one to rush to the scene and make a scene. Except if the aggressor is Muslim or Christian. In that case, Rahul Gandhi and whole Congress suddenly turns a blind eye to Dalits. It is obvious that they are with Dalits only for their votes.
If it was not obvious yet, here is a video showing how Rahul Gandhi refused to even drink water from a Dalit’s hand. Rahul was there, as usual, for photo ops. However, when the Dalit man offered him some unquestionably clean water, Rahul Gandhi refused him.
He can get Dalit votes, but he cannot drink water from their hands. Is there any doubt left in anyone’s mind that he is using Dalits as vote bank? http://satyavijayi.com/rahul-gandhi-insults-dalits-refuses-even-drink-water-dalit-mans-hand/
Subscribe to:
Comments (Atom)



